بَارَدة فُلُو او مَرَضَ الطَّيور
الافتتاح :
مَعرِفَةً بارد فَلَوْ :
تَسْرَبُ بَاردَ فُلُوْ إِلى الإِنْسَانِ :
أَوَّلُ انْتِشَارُ بَاردَ فَلَوْ :
وجود بارد فَلَوْ فِى بنغلاديش :
مضراتٌ بَارَد فَلَوْ :
الدواء الموجدُ لِبَارُدُ فَلَوْ :
الاخْتِتَامُ :
বার্ড ফ্লু বা পাখিরোগ
উপস্থাপনা :
বার্ড ফ্লু মুরগি, হাঁস ও অন্যান্য পাখির মাঝে একটি ক্ষতিকর রোগ। কেননা এটি একটি সংক্রামক ব্যাধি। কোনো পাখি তাতে আক্রান্ত হলে তা হতে এটি অন্য পাখিতে সংক্রমিত হয়। এভাবে পাখির বংশ ধ্বংস হয়ে যায়।
বার্ড ফ্লুর পরিচয় :
বার্ড ফ্লু একটি ইংরেজি শব্দ। এর অর্থ পাখির ইনফ্লুয়েঞ্জা। পাখিরা এ রোগে অধিক আক্রান্ত হয়ে থাকে। যদি কোনো মুরগি ও হাঁসের খামারে একটি হাঁস বা মুরগি আক্রান্ত হয়, তা হতে সবগুলোতে এটা সংক্রমিত হয় এবং সবগুলোকে ধ্বংস করে। মানুষ যদি এতে আক্রান্ত পাখির গোশত খায়, তাহলে এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মানুষের মাঝে বার্ড ফ্লু সংক্রমণ :
বার্ড ফ্লু পাখির রোগ হলেও যদি মানুষ এর দ্বারা আক্রান্ত হয়, তাহলে প্রতি পঞ্চাশে একজন মৃত্যুবরণ করার আশঙ্কা রয়েছে।
প্রথম বার্ড ফ্লুর প্রসার :
প্রায় একশ বছর পূর্বে এ রোগ ইটালিতে প্রসার লাভ করে। ১৯১৭ সনে হংকং-এ এভিয়ান ভাইরাস পাওয়া যায়। ১৯১৮ ও ১৯১৯ সালে এ সংক্রামক ব্যাধিতে অনেক লোক মৃত্যুবরণ করে।
বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুর অস্তিত্ব :
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম সাভারে বার্ড ফ্লু পাওয়া যায়। হাঁস মুরগির ৬৯২০টি খামার এ রোগে আক্রান্ত হয়। সরকার এগুলোকে ধ্বংস করার নির্দেশ দিলে তা ধ্বংস করা হয়।
বার্ড ফ্লুর ক্ষতিসমূহ :
হাঁস মুরগির খামারগুলো আমাদেরকে গোশত সরবরাহ করে। খামারীগণ হাঁস মুরগি উৎপাদনে তাদের অর্থ ব্যয় করেন। কোনো একটি হাঁস বা মুরগি এ রোগে আক্রান্ত হলে রোগটি সংক্রমিত হয়ে অন্যগুলোকে ধ্বংস করে দেয়। তখন মানুষ প্রয়োজনীয় গোশত পায় না এবং তার সম্পদ বিনষ্ট হয় ।
বার্ড ফ্লুর আবিষ্কৃত ঔষধ :
বিশ্বে বার্ড ফ্লু প্রতিরোধের কোনো ঔষধ আবিষ্কৃত হয়নি। তবে বর্তমানে সুইডেনের একটি ঔষধ কোম্পানি এর জন্য একটি টিকা আবিষ্কার করেছে।
উপসংহার:
আমাদের কর্তব্য হলো, এ রোগ প্রতিরোধে ঔষধ আবিষ্কার করা এবং আল্লাহর নিকট দোয়া করা, যেন তিনি পক্ষীকুল ও আমাদেরকে এ রোগ থেকে রক্ষা করেন।