وَاجِبَاتُ الطلاب او فَرَائِضُ الطَّلابِ او الْمَسْؤُولِيَّاتُ فِي حَيَاةِ الطلاب
الْمُقَدِّمَةُ :
واجِبَاتُ الطُّلابِ نَحْوَ انْفُسِهِمْ :
١ – طَلَبُ الْعِلْمِ : الْوَاجِبُ الاَوَّلُ عَلَى الصَّلابِ أَنْ يَتَوَجَّهُوا إِلَى طَلَبِ جَمِيعِ الْعُلُومِ بِرَغْبَةٍ كَامِلَةٍ وَإِرَادَةٍ جَارِمَةٍ.
٢ – العَمَل بِمَا عَلِمَ : لَابُدَّ لِلطَّلَابِ أنْ يَعْمَلُوا بِكُلِّ مَا عَلِمُوا مِنْ مَا مُورَاتٍa وَمَعْرُوفَاتٍ وَالاجْتِنَابُ عَنِ المَنْهِيَّاتِ وَالْمَمْنُوعَاتِ فَالَّذِينَ عَلِمُوا وَلَمْ يَعْمَلُوا شَبهُهُمُ الله تَعَالَى بِالْحِمَارِ.
٣ – الاهْتِمَامُ بِالاَوقاتِ : لَا بُدَّ لِلطَّلابِ أَنْ يَهْتَمُّوا بِكُلِ ثَانِيَةٍ وَدَقِيقَةٍ وَبِكُلِّ سَاعَةٍ مِنْ حَيَاتِهِمُ الثَّمِيْنَةِ وَلِهَذَا يُقَالُ : “Time and tide waits for none”.
٤ – التَّخَلَقُ بِاخْلَاقٍ حَسَنَةٍ : مِنْ وَاجِبَاتِ الطُّلابِ التَّخَلُقِ بِاخْلَاقٍ حَسَنَةٍ والانْصَافُ بِأَوْصَافٍ مَحْمُودَةٍ
ه – ترك الْأَوْصَافِ الرَّذِيْلَةِ : يَجِبُ عَلَى الطُّلابِ تَرْكُ الْأَوْصَافِ الرَّذِيْلَةِ مِنَ التَّكَاسُلِ وَالنَّهَاوُنِ وَالْخَوْفِ وَالْكِذْبِ وَالتَّصَتُم فِى الْمَلَابِسِ . والابْتِعَادُ عَنْ صُحْبَةِ الْأَشْرَارِ.
وَاجِبَاتُ الطَّابِ نَحْوَ الْاَسَاتِذَةِ وَالْكِبَارِ :
واجبات الطلابِ نَحْوَ الْأَسْرَةِ :
وَاجِبَاتُ الطَّلَابِ نَحْوَ الْمَدَارِسِ :
وَاجِبَاتُ الطَّلابِ نَحْوَ الْوَطَنِ :
الْخَاتِمَةُ :
শিক্ষার্থীদের কর্তব্য
উপস্থাপনা :
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের ওপর বিভিন্ন দায়িত্ব করব। করেছেন। দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক নবী কারীম (স)-এর ওপর, তাঁর পরিবার ও সাহাবীগণের ওপর, যাঁরা তাঁদের মহান দায়িত্ব পালন করেছেন।
নিজেদের প্রতি শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব:
১. ইলম অন্বেষণ করা: শিক্ষার্থীদের প্রথম কর্তব্য হলো, পূর্ণ আগ্রহ ও সুদৃঢ় সংকল্পের সাথে যাবতীয় জ্ঞান অন্বেষণের প্রতি মনোযোগী হওয়া।
২. ইলম অনুযায়ী আমল করা: শিক্ষার্থীদের কর্তব্য হলো, আদেশ ও সৎকাজ সম্পর্কীয় যা তারা শিখবে সে অনুযায়ী আমল করা এবং নিষিদ্ধ ও গর্হিত কাজ হতে বিরত থাকা। যারা জানে অথচ সে অনুযায়ী আমল করে না, আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে গাধার সাথে তুলনা করেছেন।
৩. সময়ের গুরুত্ব দেওয়া: শিক্ষার্থীদের কর্তব্য হলো, মূল্যবান জীবনের প্রতিটি সেকেন্ড, 1 মিনিট ও ঘণ্টার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া। এজন্য বলা হয়, “সময় ও স্রোত কারও জন্য অপেক্ষা করে না”।
৪. উত্তম চরিত্রে চরিত্রবান হওয়া: শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব হলো, উত্তম চরিত্রে চরিত্রবান হওয়া এবং প্রশংসনীয় গুণে গুণান্বিত হওয়া।
৫. মন্দ স্বভাব বর্জন করা: শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব হলো, মদ গুণাবলি যেমন অলসতা, অমনোযোগিতা, ভয়, মিথ্যা বলা ও কৃত্রিম পোশাক বর্জন করা এবং মন্দ লোকদের সাহচর্য হতে দূরে থাকা।
শিক্ষক ও বড়দের প্রতি শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব :
শিক্ষার্থীদের কর্তব্য হলো, শিক্ষকদের সম্মান করা, তাদের খেদমত করা, শিক্ষকদের সামনে বিনয় ও সম্মানের সাথে দাঁড়ানো এবং তাদের সাথে নম্র ভাষায় কথা বলা। আর বড়দেরকে সালাম দিয়ে সম্মান করা, তাদের সাথে দুর্ব্যবহার না করা এবং তাদের সাথে সুন্দর আচরণ করা।
পরিবারের প্রতি শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব:
শিক্ষার্থীদের উচিত অবসরে পরিবারকে সাহায্য করা এবং পিতামাতাকে যথাসম্ভব সব কাজে সহযোগিতা করা।
মাদরাসার প্রতি শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব :
মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিত্ব গঠনের কাজ করে, তাদেরকে পরিমার্জিত করে এবং তাদের স্বভাব ভালো করে। কাজেই শিক্ষার্থীদের কর্তব্য হলো, তাদের মাদরাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহকে ভালোবাসা ।
দেশের প্রতি শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব :
ছাত্রগণ জাতির আশা ও ভবিষ্যৎ। তাই তাদের কর্তব্য হলো জাতির নেতৃত্বদানের যোগ্যতা অর্জন করা, মাতৃভূমির উন্নতি ও অগ্রগতি সাধনে সর্বোচ্চ চেষ্টা ব্যয় করা, জাতিকে আল্লাহর ক্রোধ ও শাস্তির ভয় দেখানো এবং তাদেরকে আল্লাহর নেয়ামত ও রহমতের শুভসংবাদ দেওয়া ।
উপসংহার :
শিক্ষার্থীদের বিরাট দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। কাজেই তা যথাযথভাবে আদায় করা তাদের জন্য আবশ্যক ।