اختبار السنة الثالثة للفاضل البكالوريوس (الشرف)، لعام ٢٠٢٠م
ফাযিল (স্নাতক) সম্মান ৩য় বর্ষ পরীক্ষা, ২০২০
الحديث والدراسات الإسلامية : السنن للنسائي والسنن لأبي داؤد
আল হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ : আস-সুনানু লিন-নাসায়ী ওয়া আস-সুনানু লি-আবি দাউদ
বিষয় কোড: 202303 | সময়: ৪ ঘণ্টা | পূর্ণমান: ৮০
الملاحظة : أجب عن ثلاثة من مجموعة (أ) وعن اثنين من مجموعة (ب) وعن واحد من مجموعة (ج).
বিশেষ দ্রষ্টব্য: (ক) অংশ থেকে ৩টি, (খ) অংশ থেকে ২টি এবং (গ) অংশ থেকে ১টি প্রশ্নের উত্তর দাও।
مجموعة (أ) — السنن للنسائي [ক অংশ] (মান: ৩ × ১৪ = ৪২)
যেকোনো তিনটি প্রশ্নের উত্তর দাও।
١. عَنْ أَبِي أَيُّوبَ (رض) أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: قَالَ لَا تَسْتَقْبِلُوا الْقِبْلَةَ وَلَا تَسْتَدْبِرُوهَا لِغَائِطٍ أَوْ بَوْلٍ وَلَكِنْ شَرِّقُوا أَوْ غَرِّبُوا –
[১. হযরত আবু আইয়ুব আনসারী (রা.) থেকে বর্ণিত: নবী করীম (সা.) বলেছেন: মলমূত্র ত্যাগের সময় কিবলামুখী হবে না এবং কিবলাকে পেছনেও রাখবে না; বরং তোমরা পূর্ব বা পশ্চিমমুখী হও।]
(أ) بَيِّنِ اخْتِلَافَ الْفُقَهَاءِ فِي حُكْمِ اسْتِقْبَالِ الْقِبْلَةِ وَاسْتِدْبَارِهَا لِغَائِطٍ أَوْ بَوْلٍ –
[(ক) মলমূত্র ত্যাগের সময় কিবলামুখী হওয়া এবং কিবলাকে পেছনে রাখার ব্যাপারে ফুকাহাদের মতভেদ বর্ণনা করো।]
(ب) حَدِيثُ الْبُخَارِيِّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ (رض) “رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَاعِدًا عَلَى لَبِنَتَيْنِ مُسْتَقْبِلًا بَيْتَ الْمَقْدِسِ لِحَاجَتِهِ مُسْتَدْبِرَ الْقِبْلَةِ” مُخَالِفٌ لِهَذَا الْحَدِيثِ، فَمَاذَا نَصْنَعُ؟
[(খ) বুখারীর হাদিসে ইবনে উমর (রা.) বলেন: “আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে দুটি ইটের ওপর বসে কিবলাকে পেছনে রেখে বায়তুল মুকাদ্দাসমুখী হয়ে প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারতে দেখেছি”—এ হাদিসটি বর্তমান হাদিসের বিপরীত, এমতাবস্থায় আমাদের সিদ্ধান্ত কী?]
٢. عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ (رض) قَالَ: مَرَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى قَبْرَيْنِ فَقَالَ: «إِنَّهُمَا يُعَذَّبَانِ وَمَا يُعَذَّبَانِ فِي كَبِيرٍ، أَمَّا هَذَا فَكَانَ لَا يَسْتَنْزِهُ مِنْ بَوْلِهِ وَأَمَّا هَذَا فَإِنَّهُ كَانَ يَمْشِي بِالنَّمِيمَةِ» ثُمَّ دَعَا بِعَسِيبٍ رَطْبٍ فَشَقَّهُ بِاثْنَيْنِ فَغَرَسَ عَلَى هَذَا وَاحِدًا وَعَلَى هَذَا وَاحِدًا ثُمَّ قَالَ: «لَعَلَّهُ يُخَفَّفُ عَنْهُمَا مَا لَمْ يَيْبَسَا» –
[২. হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ (সা.) দুটি কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করার সময় বললেন: এদের উভয়কে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে, তবে কোনো বড় (অসাধ্য) কারণে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে না। একজন প্রস্রাবের ছিটা থেকে সতর্কতা অবলম্বন করত না, আর অপরজন চোগলখোরি করে বেড়াত। অতঃপর তিনি একটি তাজা খেজুরের ডাল আনিয়ে তা দ্বিখণ্ডিত করে উভয় কবরে একটি করে গেড়ে দিলেন এবং বললেন: আশা করা যায় এগুলো না শুকানো পর্যন্ত তাদের আজাব লাঘব করা হবে।]
(أ) مَا الاخْتِلَافُ بَيْنَ الْفُقَهَاءِ فِي حُكْمِ أَبْوَالِ الطِّفْلِ الرَّضِيعِ وَمَا يُؤْكَلُ لَحْمُهُ؟
[(ক) দুগ্ধপোষ্য শিশুর প্রস্রাব এবং হালাল পশুর পেশাবের হুকুম সম্পর্কে ফুকাহাদের মতভেদ কী?]
(ب) الْمُعَذَّبَانِ فِي قَبْرِهِمَا هَلْ كَانَا مِنَ الْمُسْلِمِينَ أَمْ مِنَ الْكُفَّارِ؟
[(খ) কবরে শাস্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদ্বয় কি মুসলমান ছিল নাকি কাফের ছিল?]
٣. عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رض) عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنَّمَا أَنَا لَكُمْ مِثْلُ الْوَالِدِ أُعَلِّمُكُمْ إِذَا ذَهَبَ أَحَدُكُمْ إِلَى الْخَلَاءِ فَلَا يَسْتَقْبِلِ الْقِبْلَةَ وَلَا يَسْتَدْبِرْهَا وَلَا يَسْتَنْجِي بِيَمِينِهِ» وَكَانَ يَأْمُرُ بِثَلَاثَةِ أَحْجَارٍ وَيَنْهَى عَنِ الرَّوْثِ وَالرِّمَّةِ –
[৩. হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজী (সা.) বলেছেন: আমি তোমাদের জন্য পিতার ন্যায়, তোমাদের শিক্ষা দিচ্ছি—তোমাদের কেউ যখন শৌচাগারে যায় সে যেন কিবলামুখী না হয় এবং কিবলাকে পেছনেও না রাখে, আর যেন ডান হাত দিয়ে ইস্তিঞ্জা না করে। তিনি তিনটি পাথর ব্যবহারের নির্দেশ দিতেন এবং গোবর ও অস্থি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করতে নিষেধ করতেন।]
(أ) مَا الْمُرَادُ بِقَوْلِهِ عَلَيْهِ الصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ “إِنَّمَا أَنَا لَكُمْ مِثْلُ الْوَالِدِ”؟
[(ক) নবীজী (সা.)-এর বাণী: “নিশ্চয়ই আমি তোমাদের জন্য পিতার ন্যায়”—এর উদ্দেশ্য কী?]
(ب) لِمَ نَهَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ اسْتِعْمَالِ الرَّوْثِ وَالرِّمَّةِ فِي الاسْتِنْجَاءِ؟
[(খ) নবী করীম (সা.) কেন ইস্তিঞ্জায় শুকনো গোবর ও হাঁড় ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন?]
٤. عَنِ الْمُغِيرَةِ (رض) عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَوَضَّأَ فَمَسَحَ نَاصِيَتَهُ وَعِمَامَتَهُ وَعَلَى الْخَفَّيْنِ –
[৪. হযরত মুগীরা (রা.) থেকে বর্ণিত: নবী করীম (সা.) অজু করলেন এবং তাঁর মাথার সামনের অংশ (নাসিয়াহ), পাগড়ি এবং মোজার ওপর মাসেহ করলেন।]
(أ) اكْتُبْ فَرَائِضَ الْوُضُوءِ مَعَ ذِكْرِ آيَةِ الْوُضُوءِ –
[(ক) অজু সংক্রান্ত কুরআনের আয়াতসহ অজুর ফরজসমূহ লেখো।]
(ب) هَلْ يَجُوزُ الْمَسْحُ عَلَى الْعِمَامَةِ وَالْقَلَنْسُوَةِ فِي الْوُضُوءِ دُونَ الرَّأْسِ؟
[(খ) অজুর সময় মাথা ব্যতিরেকে কেবল পাগড়ি বা টুপির ওপর মাসেহ করা কি জায়েয?]
٥. عَنْ أَبِي ذَرٍّ (رض) قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الصَّعِيدُ الطَّيِّبُ وَضُوءُ الْمُسْلِمِ وَإِنْ لَمْ يَجِدِ الْمَاءَ عَشْرَ سِنِينَ» –
[৫. হযরত আবু যর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: পবিত্র মাটি হলো মুসলমানের জন্য অজুস্বরূপ, যদিও সে দশ বছর পর্যন্ত পানি না পায়।]
(أ) اذْكُرْ فَرَائِضَ التَّيَمُّمِ مَعَ ذِكْرِ آيَةِ التَّيَمُّمِ –
[(ক) তায়াম্মুমের আয়াতসহ তায়াম্মুমের ফরজসমূহ উল্লেখ করো।]
(ب) هَلْ يَجُوزُ التَّيَمُّمُ لِلْجُنُبِ؟ اكْتُبْ مُدَلَّلًا –
[(খ) অপবিত্র বা জুনুবী ব্যক্তির জন্য কি তায়াম্মুম জায়েয? দলিলসহ লেখো।]
مجموعة (ب) — السنن لأبي داؤد [খ অংশ] (মান: ২ × ১৪ = ২৮)
যেকোনো দুইটি প্রশ্নের উত্তর দাও।
٦. عَنْ حُذَيْفَةَ (رض) قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا تَقَدَّمُوا الشَّهْرَ حَتَّى تَرَوُا الْهِلَالَ أَوْ تُكْمِلُوا الْعِدَّةَ ثُمَّ صُومُوا حَتَّى تَرَوُا الْهِلَالَ أَوْ تُكْمِلُوا الْعِدَّةَ» –
[৬. হযরত হুযায়ফা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: তোমরা চাঁদ না দেখে অথবা ত্রিশ দিন পূর্ণ না করে মাসের অগ্রিম রোজা রেখো না, অতঃপর চাঁদ দেখে রোজা রাখো অথবা দিন গণনা পূর্ণ করো।]
(أ) اخْتِلَافُ الْمَطَالِعِ هَلْ هُوَ مُعْتَبَرٌ لِلصَّوْمِ وَالإِفْطَارِ أَمْ لَا؟ بَيِّنْ بِالأَدِلَّةِ –
[(ক) উদয়স্থলের ভিন্নতা (ইখতিলাফুল মাতালি’) কি রোজা ও ঈদের জন্য ধর্তব্য নাকি নয়? দলিলসহ বর্ণনা করো।]
(ب) صَوْمُ يَوْمِ عَرَفَةَ لَنَا هَلْ هُوَ فِي يَوْمِ وُقُوفِ عَرَفَةَ أَمْ فِي الْيَوْمِ التَّاسِعِ مِنْ ذِي الْحِجَّةِ فِي بِلَادِنَا؟ بَيِّنْ –
[(খ) আমাদের দেশে আরাফার রোজা কি হাজীদের আরাফায় অবস্থানের দিন রাখতে হবে নাকি স্থানীয় তারিখের ৯ই জিলহজ রাখতে হবে? ব্যাখ্যা করো।]
٧. عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رض) أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا كَانَ أَحَدُكُمْ صَائِمًا فَلَا يَرْفُثْ وَلَا يَجْهَلْ فَإِنِ امْرُؤٌ قَاتَلَهُ أَوْ شَاتَمَهُ فَلْيَقُلْ إِنِّي صَائِمٌ إِنِّي صَائِمٌ» –
[৭. হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজী (সা.) বলেছেন: তোমাদের কেউ যখন রোজাদার অবস্থায় থাকে, সে যেন অশ্লীলতা ও মূর্খতাসুলভ আচরণ পরিহার করে। যদি কেউ তার সাথে বিবাদ বা গালিগালাজ করে, সে যেন বলে: আমি রোজাদার, আমি রোজাদার।]
(أ) اذْكُرْ مُفْسِدَاتِ الصَّوْمِ –
[(ক) রোজা ভঙ্গের কারণসমূহ উল্লেখ করো।]
(ب) هَلِ الرَّفَثُ وَالْجَهْلُ مِنْ مُفْسِدَاتِ الصَّوْمِ؟ وَإِلَّا فَلِمَ مُنِعَ عَنْهُمَا؟
[(খ) অশ্লীলতা ও অজ্ঞতাসুলভ আচরণ কি রোজা ভঙ্গের কারণ? তা না হলে কেন এগুলো কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে?]
٨. عَنْ عَائِشَةَ (رض) أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَعْتَكِفُ الْعَشْرَ الأَوَاخِرَ مِنْ رَمَضَانَ حَتَّى قَبَضَهُ اللَّهُ ثُمَّ اعْتَكَفَ أَزْوَاجُهُ –
[৮. হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত: নবী করীম (সা.) মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত প্রতি রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন, অতঃপর তাঁর স্ত্রীগণও ইতিকাফ পালন করেছেন।]
(أ) بَيِّنْ حُكْمَ الاعْتِكَافِ وَفَضَائِلَهُ –
[(ক) ইতিকাফের বিধান ও ফজিলত বর্ণনা করো।]
(ب) فِي أَيِّ عَامٍ اعْتَكَفَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عِشْرِينَ يَوْمًا؟ وَلِمَ؟
[(খ) কোন বছর নবীজী (সা.) বিশ দিন ইতিকাফ করেছিলেন এবং কেন করেছিলেন?]
مجموعة (ج) [গ অংশ] (মান: ১ × ১০ = ১০)
যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও।
٩. اذْكُرْ حَيَاةَ الإِمَامِ أَبِي دَاوُدَ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَشْعَثِ (رح) مَعَ خَصَائِصِ سُنَنِهِ –
أَوْ:
مَا الْفَرْقُ بَيْنَ الْحَدِيثِ وَالسُّنَّةِ وَبَيْنَ أَهْلِ الْحَدِيثِ وَأَهْلِ السُّنَّةِ؟ وَمَا هِيَ أَقْسَامُ الْحَدِيثِ بِاعْتِبَارِ عَدَدِ الرُّوَاةِ وَبِاعْتِبَارِ أَوْصَافِ الرُّوَاةِ؟
[৯. ইমাম আবু দাউদ সুলাইমান ইবনুল আশআস (রহ.)-এর জীবনী ও তাঁর সুনানের বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।
অথবা:
হাদিস ও সুন্নাহ এবং আহলে হাদিস ও আহলে সুন্নাতের মধ্যে পার্থক্য কী? এবং রাবীর সংখ্যা ও গুণাগুণের ভিত্তিতে হাদিসের প্রকারভেদসমূহ কী কী?]
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
১. ২০২০ সালের আস সুনানু লিন নাসাঈ ও সুনানু আবু দাউদ পরীক্ষার মানবণ্টন কেমন ছিল?
ক অংশ থেকে ৩টি (৪২ নম্বর), খ অংশ থেকে ২টি (২৮ নম্বর) এবং গ অংশ থেকে ১টি (১০ নম্বর) নিয়ে সর্বমোট ৮০ নম্বর।
২. উন্মুক্ত স্থানে মলমূত্র ত্যাগে কিবলামুখী হওয়ার হুকুম কী?
খোলা ময়দানে কিবলামুখী হয়ে বা কিবলাকে পেছনে রেখে মলমূত্র ত্যাগ করা সর্বসম্মতভাবে হারাম ও নাজায়েজ।
৩. চোগলখোরি ও পেশাবের অসতর্কতার শাস্তি কবরে কেন হয়?
পবিত্রতা ঈমানের অঙ্গ এবং মানুষের সম্মান রক্ষা করা ওয়াজিব; এ দুটি লঙ্ঘনের কারণে হাদিস অনুযায়ী কবরে কঠোর আজাব হয়।
৪. হাদিস ও সুন্নাহর মৌলিক পার্থক্য কী?
হাদিস হলো রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কথা, কাজ ও মৌন সম্মতি সংক্রান্ত বর্ণনা; আর সুন্নাহ হলো তাঁর বাস্তব অনুসৃত দ্বীনি আদর্শ ও কর্মপদ্ধতি।
৫. রাবীর সংখ্যার ভিত্তিতে হাদিস কত প্রকার?
রাবীর সংখ্যার দিক থেকে হাদিস প্রধানত মুতাওয়াতির (ধারাবাহিক বহুসূত্রে বর্ণিত) এবং আহাদ (একক সূত্রে বর্ণিত)—এই দুই ভাগে বিভক্ত।
৬. সুনানে নাসাঈ ও সুনানে আবু দাউদ উভয় কিতাবের প্রধান গুরুত্ব কী?
উভয় গ্রন্থই ফিকহি মাসায়েলের দলিলের ক্ষেত্রে সিহাহ সিত্তার মধ্যে অনন্য ও প্রামাণ্য স্থান অধিকার করে আছে।