জরুরি নোটিশ 🔔 নতুন: ২০২৬ সালের সকল শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ও গাইড বই প্রকাশিত হয়েছে!

ফাজিল ৩য় বর্ষ বুখারী শরীফ প্রশ্নপত্র ২০২১ | বিষয় কোড: ২০২৩০১

Abswer.com Abswer.com
20 September, 2026
২৩ মিনিট পড়ার সময়
৮ বার পঠিত

সরাসরি Telegram-এ সকল বই ও সাজেশন পান!

আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে সবার আগে নতুন বই ও রুটিন ডাউনলোড করুন।

টেলিগ্রামে যুক্ত হোন 🚀

পরীক্ষা ২০২১

আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ

الصحيح للبخاري (আস-সহীহ লিল বুখারী)

শ্রেণি: ফাজিল (স্নাতক) সম্মান ৩য় বর্ষ | বিষয় কোড: ২০২৩০১ | সময়: ৪ ঘণ্টা | পূর্ণমান: ৮০

নির্দেশাবলি: (الف) অংশ হতে ৫টি এবং (ب) অংশ হতে ১টি করে মোট ৬টি প্রশ্নের উত্তর দাও। প্রতিটি প্রশ্নের মান ডানপাশে নির্দেশিত।

مجموعة (الف) : (ক) অংশ — হাদিসের ব্যাখ্যা ও সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন

যেকোনো ৫টি প্রশ্নের উত্তর দাও: মান ১৪ × ৫ = ৭০

حدثنا عبد الله بن يوسف قال أخبرنا مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين رضى الله عنها أن الحارث بن هشام سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله! كيف يأتيك الوحى؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: أحيانا يأتيني مثل صلصلة الجرس وهو أشده علىّ فيفصم عنى وقد وعيت عنه ما قال وأحيانا يتمثل لى الملك رجلا فيكلمنى فأعى ما يقول قالت عائشة رضى الله عنها ولقد رأيته ينزل عليه الوحى فى اليوم الشديد البرد فيفصم عنه وان جبينه ليتفصد عرقا-

[১. আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ … উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা (রা) হতে বর্ণিত, হারেস ইবনে হিশাম (রা) রাসূলুল্লাহ (সা)-কে জিজ্ঞাসা করলেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনার নিকট ওহি কীভাবে আসে? রাসূলুল্লাহ (সা) বললেন: কোনো কোনো সময় তা আমার নিকট ঘণ্টার টুংটাং শব্দের মতো আসে, আর এটি আমার ওপর সবচেয়ে কষ্টকর হয়; অতঃপর যখন তা সমাপ্ত হয় তখন তিনি যা বলেছেন আমি তা মুখস্থ করে নিই। আবার কখনো ফেরেশতা মানুষের আকৃতি ধারণ করে আমার সাথে কথা বলেন এবং তিনি যা বলেন আমি তা মুখস্থ রাখি। হযরত আয়েশা (রা) বলেন: আমি প্রচণ্ড শীতের দিনে তাঁর ওপর ওহি নাজিল হতে দেখেছি; ওহি সমাপ্তির পর তাঁর কপাল থেকে ঘাম ঝরে পড়ত।]

الأسئلة الملحقة:

(الف) ما معنى الوحى؟ وكم قسما له؟ بين- [মান: ৪]

[(ক) ওহীর অর্থ কী? ওহী কত প্রকার ও কী কী? বর্ণনা কর।]

(ب) اكتب دور عائشة رضى الله عنها فى رواية الحديث- [মান: ৪]

[(খ) হাদিস বর্ণনায় হযরত আয়েশা (রা)-এর অবদান আলোচনা কর।]

عن عبد الله بن عمرو رضى الله عنهما عن النبى صلى الله عليه وسلم قال: المسلم من سلم المسلمون من لسانه ويده والمهاجر من هجر ما نهى الله عنه-

[২. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রা) হতে বর্ণিত, নবী করীম (সা) ইরশাদ করেছেন: প্রকৃত মুসলমান সেই ব্যক্তি যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদ থাকে, এবং প্রকৃত মুহাজির সে-ই যে আল্লাহ যা নিষেধ করেছেন তা বর্জন করে।]

الأسئلة الملحقة:

(الف) ما سبب تخصيص اللسان واليد فى الحديث؟ [মান: ৪]

[(ক) হাদিসে জিহ্বা ও হাতকে বিশেষভাবে উল্লেখ করার কারণ কী?]

(ب) اكتب نبذة عن حياة عبد الله بن عمرو (رض)- [মান: ৪]

[(খ) আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রা)-এর জীবনবৃত্তান্ত সংক্ষেপে লেখ।]

باب “فإن تابوا واقاموا الصلوة وأتوا الزكاة فخلوا سبيلهم” عن إبن عمر رضى الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: أمرت أن أقاتل الناس حتى يشهدوا أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله ويقيموا الصلاة ويؤتوا الزকاة فإذا فعلوا ذلك عصموا منى دمائهم وأموالهم إلا بحق الإسلام وحسابهم على الله-

[৩. পরিচ্ছেদ: “যদি তারা তওবা করে, সালাত কায়েম করে ও যাকাত আদায় করে তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও।” হযরত ইবনে উমর (রা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা) ইরশাদ করেন: আমি মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দেয় যে আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল, এবং সালাত কায়েম করে ও যাকাত আদায় করে। যখন তারা এগুলো করবে, তখন তারা আমার পক্ষ থেকে তাদের রক্ত ও ধনসম্পদ নিরাপদ করে নিল, তবে ইসলামের হক ব্যতীত; আর তাদের হিসাব আল্লাহর ওপর অর্পিত।]

الأسئلة الملحقة:

(الف) ما المناسبة بين الحديث وترجمة الباب؟ بين- [মান: ৪]

[(ক) হাদিস এবং পরিচ্ছেদের শিরোনামের (তারজামাতুল বাব) মধ্যে সামঞ্জস্য বর্ণনা কর।]

(ب) ما المراد بقوله صلى الله عليه وسلم: “إلا بحق الإسلام وحسابهم على الله”؟ [মান: ৪]

[(খ) নবীজি (সা)-এর বাণী “তবে ইসলামের হক ব্যতীত এবং তাদের হিসাব আল্লাহর ওপর” এর মর্ম কী?]

حدثنا قبيصة بن عقبة قال حدثنا سفيان عن الأعمش عن عبد الله بن مرة عن مسروق عن عبد الله بن عمرو أن النبى صلى الله عليه وسلم قال: أربع من كن فيه كان منافقا خالصا ومن كانت فيه خصلة منهن كانت فيه خصلة من النفاق حتى يدعها إذا اؤتمن خان وإذا حدث كذب وإذا عاهد غدر وإذا خاصم فجر-

[৪. ক্বাবীসাহ ইবনে উকবাহ … হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রা) হতে বর্ণিত, নবী করীম (সা) ইরশাদ করেছেন: চারটি স্বভাব যার মধ্যে বিদ্যমান সে খাঁটি মুনাফিক। আর যার মধ্যে এর কোনো একটি স্বভাব থাকবে, তার মধ্যে মুনাফেকির একটি বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকবে যতক্ষণ না সে তা বর্জন করে—যখন তার কাছে আমানত রাখা হয় সে খেয়ানত করে, যখন কথা বলে মিথ্যা বলে, যখন অঙ্গীকার করে চুক্তি ভঙ্গ করে এবং যখন বিবাদে লিপ্ত হয় অপবাদ বা গালিগালাজ করে।]

الأسئلة الملحقة:

(الف) عرف النفاق ثم بين أنواعه- [মান: ৪]

[(ক) নিফাকের সংজ্ঞা দাও এবং এর প্রকারভেদ বর্ণনা কর।]

(ب) ما الفرق بين المنافق والمرتد؟ وما حكمهما؟ بين- [মান: ৪]

[(খ) মুনাফিক ও মুরতাদের মধ্যে পার্থক্য কী এবং উভয়ের শরয়ী বিধান কী? আলোচনা কর।]

عن أسماء بنت أبى بكر رضى الله عنهما قالت أتتنى أمى راغبة فى عهد النبى صلى الله عليه وسلم فسألت النبى صلى الله عليه وسلم أصلها- قال نعم: قال ابن عيينة فأنزل الله تعالى فيها “لا ينهاكم الله عن الذين لم يقاتلوكم فى الدين”-

[৫. হযরত আসমা বিনতে আবু বকর (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সা)-এর যুগে আমার মুশরিক মাতা আমার নিকট কিছু পাওয়ার প্রত্যাশায় এলেন। তখন আমি নবীজি (সা)-কে জিজ্ঞাসা করলাম: আমি কি তার সাথে সদাচরণ ও আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করব? তিনি বললেন: হ্যাঁ। সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা বলেন, অতঃপর আল্লাহ তাআলা এ প্রসঙ্গে আয়াত নাজিল করলেন: “দীনের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি আল্লাহ তাদের সাথে সদাচরণ করতে বারণ করেন না।”]

الأسئلة الملحقة:

(الف) اكتب حقوق الأبوين- [মান: ৪]

[(ক) পিতা-মাতার অধিকারসমূহ লেখ।]

(ب) تحدث عن أهمية صلة الأرحام- [মান: ৪]

[(খ) আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষার (সিলায়ে রেহেম) গুরুত্ব আলোচনা কর।]

عن أبى هريرة رضى الله عنه قال جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: من أحق الناس بحسن صحابتى؟ قال أمك- قال ثم من؟ قال أمك- قال ثم من؟ قال أمك- قال ثم من؟ قال أبوك-

[৬. হযরত আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সা)-এর দরবারে এসে জিজ্ঞাসা করল: হে আল্লাহর রাসূল! আমার উত্তম ব্যবহারের সবচেয়ে বেশি হকদার কে? তিনি বললেন: তোমার মা। লোকটি বলল: তারপর কে? তিনি বললেন: তোমার মা। সে বলল: তারপর কে? তিনি বললেন: তোমার মা। সে বলল: তারপর কে? তিনি বললেন: তোমার বাবা।]

الأسئلة الملحقة:

(الف) ما هو سبب أفضلية الأم على الأب؟ بين- [মান: ৪]

[(ক) পিতার তুলনায় মাতার অগ্রাধিকার পাওয়ার কারণ কী? ব্যাখ্যা কর।]

(ب) بين حقوق الأولاد على الوالدين- [মান: ৪]

[(খ) পিতা-মাতার ওপর সন্তানের অধিকারসমূহ বর্ণনা কর।]

عن المغيرة بن شعبة عن النبى صلى الله عليه وسلم قال: إن الله حرم عليكم عقوق الأمهات ومنعا وهات و وأد البنات وكره لكم قيل وقال وكثرة السؤال وإضاعة المال-

[৭. হযরত মুগীরা ইবনে শু’বা (রা) হতে বর্ণিত, নবী করীম (সা) ইরশাদ করেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের জন্য মায়েদের নাফরমানি করা, প্রাপ্য অধিকার আটকে রাখা ও অন্যায়ভাবে দাবি করা এবং কন্যাসন্তানকে জীবন্ত কবর দেওয়া হারাম করেছেন। আর তোমাদের জন্য অপছন্দ করেছেন অনর্থক পরচর্চা বা ভিত্তিহীন কথাবার্তা, অতিরিক্ত অনর্থক প্রশ্ন করা এবং সম্পদ বিনষ্ট করা।]

الأسئلة الملحقة:

(الف) اكتب نبذة عن الصحابى المغيرة بن شعبة رضى الله عنه- [মান: ৪]

[(ক) সাহাবী মুগীরা ইবনে শু’বা (রা)-এর সংক্ষিপ্ত জীবনী লেখ।]

(ب) أوضح: قوله عليه السلام “كثرة السؤال وإضاعة المال”- [মান: ৪]

[(খ) নবীজি (সা)-এর বাণী “অতিরিক্ত প্রশ্ন করা ও সম্পদ অপচয় করা” এর ব্যাখ্যা কর।]

عن أنس بن مالك رضى الله عنه قال: ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم الكبائر أو سئل عن الكبائر فقال الشرك بالله وقتل النفس وعقوق الوالدين فقال ألا أنبئكم بأكبر الكبائر؟ قال قول الزور أو قال شهادة الزور-

[৮. হযরত আনাস ইবনে মালিক (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সা) কবিরা গুনাহ সম্পর্কে আলোচনা করলেন অথবা তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো, তিনি বললেন: আল্লাহর সাথে শিরক করা, কাউকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা এবং পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া। অতঃপর তিনি বললেন: আমি কি তোমাদের সবচেয়ে বড় কবিরা গুনাহ সম্পর্কে সতর্ক করব না? তা হলো মিথ্যা কথা বলা অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া।]

الأسئلة الملحقة:

(الف) كم عدد الكبائر وما هى؟ بين- [মান: ৪]

[(ক) কবিরা গুনাহের সংখ্যা কত এবং সেগুলো কী কী? বর্ণনা কর।]

(ب) كيف التوبة عن الكبائر والصغائر؟ بين- [মান: ৪]

[(খ) সগিরা ও কবিরা গুনাহ থেকে তওবা করার পদ্ধতি কী? আলোচনা কর।]

مجموعة (ب) : (খ) অংশ — মূলনীতি ও গ্রন্থ পর্যালোচনা

যেকোনো ১টি প্রশ্নের উত্তর দাও: মান ১০ × ১ = ১০

اذكر نبذة عن حياة الإمام البخارى رحمه الله مع بيان خدماته فى علم الحديث-

[৯. হাদিসশাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রহ)-এর অসামান্য খেদমতের বিবরণসহ তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনী আলোচনা কর।]

১০

ما هو منهج البخارى فى كتابه؟ ولماذا كان صحيح البخارى أصح كُتُبٍ بعد كتاب الله تعالى؟ بين-

[১০. ইমাম বুখারী (রহ)-এর রচিত গ্রন্থের সংকলন পদ্ধতি কী ছিল? এবং কুরআন মাজীদের পর সহীহ বুখারী কেন সর্বাধিক বিশুদ্ধ গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত? ব্যাখ্যা কর।]

প্রশ্নপত্রের গঠন ও বিশ্লেষণ

২০২১ সালের আস-সহীহ লিল বুখারী (২০২৩০১) প্রশ্নপত্রটি ওহি, ঈমান, নিফাক, পিতা-মাতার হক, কবিরা গুনাহ এবং সামাজিক শিষ্টাচারের মৌলিক হাদিসগুলোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রণীত হয়েছে। প্রথম অংশে মোট ৮টি গুরুত্বপূর্ণ হাদিস থেকে ৫টি হাদিসের বিশদ ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক মাসায়েল এবং দ্বিতীয় অংশে ইমাম বুখারীর জীবনী ও সহীহ বুখারীর অনন্য সংকলন পদ্ধতির ওপর ১টি প্রশ্নের উত্তর চাওয়া হয়েছে। হাদিসের সনদ, মতন ও ফেকহী গুরুত্ব সুন্দরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. সহীহ বুখারী পরীক্ষার হাদিস অংশে পূর্ণ নম্বর পাওয়ার উপায় কী?

হাদিসের স্পষ্ট ও সাবলীল তরজমা করার পর সংশ্লিষ্ট উপ-প্রশ্নগুলোর উত্তর পয়েন্ট আকারে ফিকহী দৃষ্টিভঙ্গি ও সাহাবীদের আমলের আলোকে বিস্তারিতভাবে লিখলে সর্বোত্তম নম্বর পাওয়া যায়।

২. হাদিসে কেন মায়ের অধিকারকে পিতার ওপর তিনগুণ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে?

গর্ভধারণ, প্রসববেদনা এবং স্তন্যদানের চরম ত্যাগ ও কষ্ট একমাত্র মা-ই সহ্য করেন বলে রাসূলুল্লাহ (সা) উত্তম ব্যবহারের ক্ষেত্রে মায়ের অধিকারকে তিনবার উল্লেখ করে পিতার চেয়ে তিনগুণ বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।

৩. নিফাকে আকবার (বিশ্বাসগত মুনাফেকি) ও নিফাকে আসগারের (আমলি মুনাফেকি) মধ্যে পার্থক্য কী?

অন্তরে কুফর গোপন রেখে মুখে ঈমান প্রকাশ করা নিফাকে আকবার, যা ব্যক্তিকে চিরস্থায়ী জাহান্নামী করে। আর মুমিনের মধ্যে মিথ্যা বলা, ওয়াদা ভঙ্গ বা খেয়ানতের অভ্যাস থাকা নিফাকে আসগার বা আমলী মুনাফেকি।

৪. কুরআন মাজীদের পর সহীহ বুখারী কেন সর্বাধিক বিশুদ্ধতম গ্রন্থ?

ইমাম বুখারী (রহ) বর্ণনাকারীদের নির্ভরযোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য সর্বোচ্চ স্তরের শর্তাবলি (যেমন বর্ণনাকারী ও শিক্ষকের প্রত্যক্ষ সাক্ষাৎ বা সমসাময়িক প্রমাণ) কঠোরভাবে অনুসরণ করেছেন এবং প্রতিটি হাদিস অন্তর্ভুক্তির পূর্বে গোসল করে দুই রাকাত সালাত আদায় ও ইস্তিখারা করেছেন।

৫. কবিরা গুনাহ মাফের জন্য তওবার আবশ্যকীয় শর্তাবলি কী কী?

গুনাহ তাৎক্ষণিকভাবে বর্জন করা, কৃতকর্মের জন্য খাঁটি অন্তরে অনুতপ্ত হওয়া, ভবিষ্যতে কখনো তা না করার দৃঢ় সংকল্প করা এবং বান্দার হক থাকলে তা পরিপূর্ণভাবে পরিশোধ বা ক্ষমা চেয়ে নেওয়া।

৬. এই প্রশ্নপত্রের প্রস্তুতির জন্য কোন ভাষ্যগ্রন্থগুলো অধ্যয়ন করা উত্তম?

ফাতহুল বারী (ইবনে হাজার আসকালানী), উমদাতুল ক্বারী (বদরুদ্দীন আইনী) এবং ফয়জুল বারী (আনোয়ার শাহ কাশ্মীরী) অত্যন্ত প্রামাণ্য ও সহায়ক শরাহ।

টেলিটক ছবি ও স্বাক্ষর রিসাইজার (৩০০×৩০০ ও ৩০০×৮০)
সরকারি চাকরি ও ভর্তির অনলাইন আবেদনের জন্য ছবি ও সইয়ের মাপ ঠিক রাখুন ১০০% নির্ভুলভাবে।
ছবি ও সই রিসাইজ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *