পরীক্ষা ২০২২
আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ
شرح معانى الآثار وشرح مشكل الآثار (শারহু মা’আনিল আছার ওয়া শারহু মুশকিলিল আছার)
নির্দেশাবলি: (الف) অংশ হতে ৩টি, (ب) অংশ হতে ২টি এবং (ج) অংশ হতে ১টি করে মোট ৬টি প্রশ্নের উত্তর দাও।
مجموعة (الف) : (ক) অংশ — شرح معانى الآثار (শারহু মা’আনিল আছার)
যেকোনো ৩টি প্রশ্নের উত্তর দাও: মান ১৪ × ৩ = ৪২
১
عن أبى هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لا يحل لإمرأة أن تسافر مسيرة ثلاثة أيام إلا مع رجل يحرم عليها نكاحة-
[১. হযরত আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা) ইরশাদ করেছেন: কোনো নারীর জন্য এমন কোনো পুরুষ (মাহরাম) ব্যতীত তিন দিনের দূরত্ব সফর করা হালাল নয় যার সাথে তার বিবাহ চিরতরে হারাম।]
الأسئلة الملحقة:
(الف) ما معنى الحج لغةً وشرعًا؟ ثم بين شروطه- [মান: ৪]
[(ক) হজের শাব্দিক ও পারিভাষিক অর্থ কী? হজের ফরজ হওয়ার শর্তাবলি বর্ণনা কর।]
(ب) ما معنى المحرم؟ وكم قسمًا له؟ بين- [মান: ৪]
[(খ) মাহরামের অর্থ কী এবং মাহরাম কত প্রকার ও কী কী? ব্যাখ্যা কর।]
২
عن نافع عن ابن عمر عن النبى صلى الله عليه وسلم وقال سفيان عن عبد الله بن دينار، قال سمعت ابن عمر رضى الله عنه يقول وقت رسول الله صلى الله عليه وسلم لأهل المدينة ذا الحليفة ولأهل الشام الجحفة ولأهل نجد قرن ولأهل اليمن يلملم-
[২. নাফে … হযরত ইবনে উমর (রা) হতে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ (সা) মদিনাবাসীদের জন্য জুল-হুলাইফা, শামবাসীদের জন্য জুহফা, নজদবাসীদের জন্য কারনুল মানাযিল এবং ইয়েমেনবাসীদের জন্য ইয়ালামলামকে ইহরামের মীকাত হিসেবে নির্ধারণ করেছেন।]
الأسئلة الملحقة:
(الف) ما معنى الميقات؟ تحدث عن المواقيت بالإيضاح- [মান: ৪]
[(ক) মীকাতের অর্থ কী? মীকাতসমূহ বিস্তারিতভাবে আলোচনা কর।]
(ب) ما حكم الإحرام من الميقات لمن قصد مكة؟ [মান: ৪]
[(খ) মক্কার উদ্দেশ্যে আগমনকারীর জন্য মীকাত থেকে ইহরাম বাঁধার শরয়ী হুকুম কী?]
৩
عن جابر رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: من لم يجد النعلين فليلبس الخفين، ومن لم يجد إزارًا فليلبس سراويلا-
[৩. হযরত জাবির (রা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা) ইরশাদ করেছেন: যে ব্যক্তি জুতা না পায় সে যেন মোজা পরিধান করে (টাখনুর নিচ থেকে কেটে), আর যে ব্যক্তি চাদর না পায় সে যেন পায়জামা পরিধান করে।]
الأسئلة الملحقة:
(الف) بين اللباس الممنوع للرجال والنساء فى الإحرام- [মান: ৪]
[(ক) ইহরামাবস্থায় পুরুষ ও নারীদের জন্য নিষিদ্ধ পোশাকসমূহ বর্ণনা কর।]
(ب) اكتب نبذة عن حياة جابر رضى الله عنه- [মান: ৪]
[(খ) হযরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রা)-এর সংক্ষিপ্ত জীবনী লেখ।]
৪
حدثنا شعبة عن الحكم أنه صلى مع سعيد بن جبير يجمع المغرب والعشاء ثلاثا والعشاء ركعتين بإقامة واحدة ثم حدث أن ابن عمر رضى الله عنه صنع مثل ذالك وحدث ابن عمر رضى الله عنه أن النبى صلى الله عليه وسلم صنع مثل ذالك المكان يعنى فى المزدلفة-
[৪. শু’বা … হাকাম হতে বর্ণিত, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়েরের সাথে মুযদালিফায় মাগরিবের তিন রাকাত ও এশার দুই রাকাত এক ইকামতে জমা করে আদায় করেছিলেন। অতঃপর তিনি বর্ণনা করলেন যে, ইবনে উমর (রা) অনুরূপ করেছিলেন এবং ইবনে উমর (রা) নবী করীম (সা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি এই স্থানে অর্থাৎ মুযদালিফায় ঠিক একই রূপ করেছিলেন।]
الأسئلة الملحقة:
(الف) ما حكم الجمع بين الصلاتين بين الظهر والعصر فى عرفة وبين المغرب والعشاء فى المزدلفة جمعًا وقصرًا؟ [মান: ৪]
[(ক) আরাফায় জোহর ও আসর এবং মুযদালিফায় মাগরিব ও এশার সালাত কসর ও জমা করার শরয়ী বিধান কী?]
(ب) اكتب نبذة عن حياة الصحابى عبد الله بن عمر رضى الله عنه- [মান: ৪]
[(খ) সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা)-এর সংক্ষিপ্ত জীবনী লেখ।]
৫
حدثنا يونس قال ثنا سفيان عن الزهرى عن عطاء بن يزيد الليثى سمع أبا أيوب الأنصارى يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تستقبلوا القبلة لغائط ولا لبول، ولكن شرقوا أو غربوا-
[৫. ইউনুস … হযরত আবু আইয়ুব আনসারী (রা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা) ইরশাদ করেছেন: পেশাব বা পায়খানার সময় তোমরা কিবলামুখী হয়ো না এবং কিবলাকে পেছনেও রেখো না; বরং তোমরা পূর্ব দিকে অথবা পশ্চিম দিকে মুখ করো।]
الأسئلة الملحقة:
(الف) لماذا نهى عن استقبال القبلة واستدبارها عند قضاء الحاجة؟ [মান: ৪]
[(ক) শৌচকার্য সম্পাদনকালে কিবলার দিকে মুখ বা পিঠ করতে কেন নিষেধ করা হয়েছে?]
(ب) بين أقوال العلماء حول إستقبال القبلة واستدبارها- [মান: ৪]
[(খ) কিবলামুখী হওয়া বা কিবলাকে পেছনে রাখার ব্যাপারে ওলামায়ে কেরামের মতামত আলোচনা কর।]
৬
حدثنا يونس قال: ثنا ابن وهب قال: أخبرنى طلحة بن عمر، عن عطاء، عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: من أكل من خضراواتكم هذه ذوات الريح فلا يقربنا فى مساجدنا- فإن الملائكة تتأذى مما يتأذى منه بنو آدم-
[৬. ইউনুস … হযরত ইবনে আব্বাস (রা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা) ইরশাদ করেছেন: যে ব্যক্তি তোমাদের এই দুর্গন্ধযুক্ত কাঁচা শাকসবজি (পেঁয়াজ-রসুন ইত্যাদি) ভক্ষণ করে, সে যেন আমাদের মসজিদের কাছেও না আসে; কেননা মানুষ যে জিনিসে কষ্ট পায়, ফেরেশতারাও তাতে কষ্ট পান।]
الأسئلة الملحقة:
(الف) لماذا نهى الرسول صلى الله عليه وسلم عن أكل البصل والثوم؟ [মান: ৪]
[(ক) কাঁচা পেঁয়াজ ও রসুন খেয়ে মসজিদে আসতে রাসূল (সা) কেন নিষেধ করেছেন?]
(ب) هل الملائكة تتأذى مما يتأذى منه البشر؟ بين- [মান: ৪]
[(খ) মানুষ যে দুর্গন্ধযুক্ত বস্তুতে কষ্ট পায় ফেরেশতারাও কি তাতে কষ্ট পান? ব্যাখ্যা কর।]
مجموعة (ب) : (খ) অংশ — شرح مشكل الآثار (শারহু মুশকিলিল আছার)
যেকোনো ২টি প্রশ্নের উত্তর দাও: মান ১৪ × ২ = ২৮
৭
حدثنا أبان بن يزيد عن عاصم عن أبى وائل عن عبد الله عن نبى الله عليه السلام: إن أشد الناس عذابًا يوم القيامة رجل قتل نبيًا أو قتله بنى وايام ضلالة وممثل من الممثلين-
[৭. আবান ইবনে ইয়াজিদ … হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা) হতে বর্ণিত, আল্লাহর নবী (সা) ইরশাদ করেছেন: কিয়ামতের দিন সর্বাধিক কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হবে সেই ব্যক্তি যে কোনো নবীকে হত্যা করেছে অথবা নবী কর্তৃক নিহত হয়েছে, অথবা যে পথভ্রষ্টতার নেতৃত্ব দিয়েছে এবং যে জীবন্ত প্রাণীর মূর্তি বা প্রতিকৃতি তৈরি করেছে।]
الأسئلة الملحقة:
(الف) أثبت عذاب يوم القيامة فى ضوء القرآن والسنة- [মান: ৪]
[(ক) কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে কিয়ামতের আযাবের ভয়াবহতা প্রমাণ কর।]
(ب) أوضح قوله عليه السلام: “وأيام ضلالة وممثل من الممثلين”- [মান: ৪]
[(খ) নবীজি (সা)-এর বাণী “পথভ্রষ্টতার নেতা এবং প্রতিকৃতি বা মূর্তিনির্মাতা” এর ব্যাখ্যা কর।]
৮
عن أبى امامة رضى الله عنه أن رسول الله صلى عليه وسلم قال: إن الأمير إذا إبتغى الريبة فى الناس أفسدهم-
[৮. হযরত আবু উমামা (রা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা) ইরশাদ করেছেন: নিশ্চয়ই কোনো শাসক যখন প্রজাদের মাঝে অযথা সন্দেহ ও খুঁত অন্বেষণ করতে শুরু করে, তখন সে তাদেরকে ধ্বংস ও বিপথগামী করে ফেলে।]
الأسئلة الملحقة:
(الف) ما معنى الأمير؟ وما أوصاف الأمير فى الإسلام؟ [মান: ৪]
[(ক) আমীর শব্দের অর্থ কী এবং ইসলামে আমীর বা শাসকের গুণাবলি কী কী?]
(ب) اشرح قوله عليه السلام “إن الأمير اذا ابتغى الريبة فى الناس أفسدهم”- [মান: ৪]
[(খ) নবীজি (সা)-এর বাণী “শাসক যখন জনগণের মাঝে সন্দেহ খোঁজে তাদের নষ্ট করে ফেলে” এর বিশদ তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর।]
৯
حدثنا حسان بن عطية حدثنى أبو كبشه السلولى قال سمعت عبد الله بن عمرو يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: بلغوا عنى ولو آية، وحدثوا عن بنى إسرائيل ولا حرج، ومن كذب علىّ متعمدًا فليتبوأ مقعده من النار-
[৯. হাসসান ইবনে আতিয়্যাহ … হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সা)-কে বলতে শুনেছি: আমার পক্ষ থেকে পৌঁছে দাও যদিও তা একটিমাত্র আয়াত হয়, এবং বনি ইসরাঈল থেকে বর্ণনা করতে পারো তাতে কোনো দোষ নেই; আর যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করে, সে যেন জাহান্নামে নিজের ঠিকানা বানিয়ে নেয়।]
الأسئلة الملحقة:
(الف) ما المراد ببنى إسرائيل وما حكم الرواية عنهم؟ بين- [মান: ৪]
[(ক) বনি ইসরাঈল কারা এবং তাদের থেকে রেওয়ায়েত বা ইসরাঈলি বর্ণনা গ্রহণের শরয়ী হুকুম কী? বর্ণনা কর।]
(ب) بين حكم تكذيب الرسول صلى الله عليه وسلم فى ضوء الحديث المذكور- [মান: ৪]
[(খ) উক্ত হাদিসের আলোকে রাসূল (সা)-এর ওপর ইচ্ছাকৃত মিথ্যারোপকারীর ভয়াবহ পরিণতি আলোচনা কর।]
১০
عن أبى هريرة رضى الله عنه أن رسول الله صلى عليه وسلم قال: إذا مات الإنسان انقطع عنه عمله إلا من ثلاثة إلا من صدقة جارية وعلم ينتفع به وولد صالح يدعو له-
[১০. হযরত আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা) ইরশাদ করেছেন: মানুষ যখন মৃত্যুবরণ করে তখন তিনটি আমল ব্যতীত তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায়—সদকায়ে জারিয়া, এমন ইলম যা দ্বারা মানুষ উপকৃত হয় এবং নেক সন্তান যে তার জন্য দুআ করে।]
الأسئلة الملحقة:
(الف) عرف الصدقة لغةً واصطلاحًا- ثم اذكر فوائدها- [মান: ৪]
[(ক) শাব্দিক ও পারিভাষিক অর্থে সদকার সংজ্ঞা দাও এবং সদকায়ে জারিয়ার উপকারিতা উল্লেখ কর।]
(ب) اشرح قوله عليه السلام: “إذا مات الإنسان انقطع عنه عمله”- [মান: ৪]
[(খ) নবীজি (সা)-এর বাণী “মৃত্যুর পর মানুষের আমল বন্ধ হয়ে যায়” এর মর্মার্থ ও তাৎপর্য আলোচনা কর।]
مجموعة (ج) : (গ) অংশ — রচয়িতা ও গ্রন্থ পর্যালোচনা
যেকোনো ১টি প্রশ্নের উত্তর দাও: মান ১০ × ১ = ১০
১১
اكتب ترجمة الامام أبى جعفر الطحاوى رحمه الله ثم بين مزايا ‘شرح معانى الآثار’ مع ذكر أقوال العلماء فيه-
[১১. ইমাম আবু জাফর আত-তহাবী (রহ)-এর সংক্ষিপ্ত জীবনী লেখ এবং ওলামায়ে কেরামের মূল্যায়নের আলোকে ‘শারহু মা’আনিল আছার’ গ্রন্থের বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ বর্ণনা কর।]
১২
اكتب بعض خصائص شرح مشكل الآثار- ثم قارن بينه وبين شرح معانى الآثار-
[১২. ‘শারহু মুশকিলিল আছার’ গ্রন্থের কিছু অনন্য বৈশিষ্ট্য তুলে ধর এবং ‘শারহু মা’আনিল আছার’-এর সাথে এর তুলনামূলক পার্থক্য আলোচনা কর।]
প্রশ্নপত্রের গঠন ও বিশ্লেষণ
২০২২ সালের শারহু মা’আনিল আছার ওয়া শারহু মুশকিলিল আছার (২০২৩০৪) প্রশ্নপত্রে হাদিসের আপাত দ্বন্দ্ব নিরসন এবং মাসআলা উদ্ভাবনের অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায়। প্রথম ভাগে নারীর মাহরামবিহীন সফরের নিষেধাজ্ঞা, হজের মীকাতসমূহ ও ইহরামের শর্ত, মুযদালিফায় মাগরিব ও এশার সালাত জমা করা, কিবলার আদব এবং কাঁচা পেঁয়াজ-রসুন খেয়ে মসজিদে আসার নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত হাদিস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দ্বিতীয় ভাগে কিয়ামতের কঠিন আযাবের হকদার, রাষ্ট্রনায়কের সন্দেহপ্রবণতার অপকারিতা, হাদিস প্রচার ও ইসরাঈলি বর্ণনার সীমা এবং সদকায়ে জারিয়া ও নেক সন্তানের দুআ সংক্রান্ত হাদিস স্থান পেয়েছে। শেষাংশে ইমাম তহাবীর অমর অবদান মূল্যায়ন করা হয়েছে।
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
১. ইমাম তহাবীর হাদিস বিশ্লেষণের মূল বৈশিষ্ট্য কী?
তিনি জাহেরি বিরোধপূর্ণ হাদিসসমূহের মধ্যে নাসিখ-মানসুখ (রহিতকারী ও রহিত) নির্ণয় করেন এবং সাহাবাদের আমল ও গভীর যুক্তির (দারালাতুল আকল) মাধ্যমে হানাফী মাযহাবের সিদ্ধান্তের বিশুদ্ধতা প্রমাণ করেন।
২. মাহরাম ব্যতীত নারীর সফরের ব্যাপারে শরীয়তের সিদ্ধান্ত কী?
জমহুর ফকীহ ও হানাফী মাযহাব মতে ৪৮ মাইল বা তিন দিনের সমপরিমাণ দূরত্বে সফরের ক্ষেত্রে নারীর সাথে নির্ভরযোগ্য মাহরাম পুরুষ বা স্বামী থাকা ওয়াজিব; মাহরামবিহীন এমন দীর্ঘ সফর সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
৩. ইসরাঈলী রেওয়ায়েত বর্ণনার ক্ষেত্রে হাদিসের দিকনির্দেশনা কী?
বনি ইসরাঈলের যেসব বর্ণনা কুরআন-সুন্নাহর সাথে সাংঘর্ষিক নয় এবং যাতে কোনো বিভ্রান্তিকর আকিদা নেই, তা কেবল শিক্ষণীয় ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করা বৈধ; তবে তা থেকে কোনো শরয়ী বিধান বা আকিদা সাব্যস্ত করা যাবে না।
৪. সদকায়ে জারিয়া বলতে কী বোঝায় এবং এর সর্বোত্তম উদাহরণ কী?
যে দানের সওয়াব দাতার মৃত্যুর পরও অব্যাহত থাকে তাকে সদকায়ে জারিয়া বলে; যেমন মসজিদ নির্মাণ, মাদ্রাসা বা এতিমখানা প্রতিষ্ঠা, জনসাধারণের জন্য বিশুদ্ধ পানির কূপ খনন এবং ইসলামিক গ্রন্থ ওয়াকফ করা।
৫. কাঁচা পেঁয়াজ বা রসুন খেয়ে মসজিদে আসার ব্যাপারে শরীয়তের হুকুম কী?
কাঁচা পেঁয়াজ-রসুনের দুর্গন্ধ মুখে থাকা অবস্থায় জামাতে উপস্থিত হওয়া মাকরুহে তানযীহী; মুখ ভালোভাবে ব্রাশ বা মেসওয়াক করে দুর্গন্ধ দূর করার পর মসজিদে প্রবেশ করা উচিত।
৬. এই পত্রের পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কোন বিষয়গুলোর ওপর বেশি জোর দেওয়া উচিত?
হাদিসের সনদ ও রাবীদের নির্ভরযোগ্যতা, হাদিসের মূল বক্তব্য এবং বিপরীত বর্ণনার সাথে ইমাম তহাবী কীভাবে নিখুঁত সমন্বয় সাধন করেছেন তা পয়েন্ট আকারে উপস্থাপন করা আবশ্যক।