اختبار السنة الثالثة للفاضل البكالوريوس (الشرف)، لعام ٢٠٢٠م
ফাযিল (স্নাতক) সম্মান ৩য় বর্ষ পরীক্ষা, ২০২০
الحديث والدراسات الإسلامية : شرح معاني الآثار وشرح مشكل الآثار
আল হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ : শারহু মা’আনিল আছার ওয়া শারহু মুশকিলিল আছার
বিষয় কোড: 202304 | সময়: ৪ ঘণ্টা | পূর্ণমান: ৮০
الملاحظة : أجب عن ثلاثة من مجموعة (أ) وعن اثنين من مجموعة (ب) وعن واحد من مجموعة (ج) من الأسئلة التالية.
বিশেষ দ্রষ্টব্য: (ক) অংশ থেকে ৩টি, (খ) অংশ থেকে ২টি এবং (গ) অংশ থেকে ১টি প্রশ্নের উত্তর দাও।
مجموعة (أ) — شرح معاني الآثار [ক অংশ] (মান: ৩ × ১৪ = ৪২)
যেকোনো তিনটি প্রশ্নের উত্তর দাও।
١. حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَمْرٍو سَمِعَ أَبَا مَعْبَدٍ مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ يَقُولُ: قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ خَطَبَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ النَّاسَ، فَقَالَ: «لَا تُسَافِرِ امْرَأَةٌ إِلَّا وَمَعَهَا ذُو مَحْرَمٍ، وَلَا يَدْخُلْ عَلَيْهَا رَجُلٌ إِلَّا وَمَعَهَا ذُو مَحْرَمٍ»، فَقَامَ رَجُلٌ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنِّي قَدِ اكْتُتِبْتُ فِي غَزْوَةِ كَذَا وَكَذَا وَقَدْ أَرَدْتُ أَنْ أَحُجَّ بِإِمْرَأَتِي فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «احْجُجْ مَعَ امْرَأَتِكَ» –
[১. সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা … হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ (সা.) ভাষণ দিতে গিয়ে বললেন: কোনো নারী যেন মাহরাম ব্যতীত সফর না করে এবং কোনো পুরুষ যেন মাহরামের উপস্থিতি ছাড়া নারীর নিকট প্রবেশ না করে। এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল: হে আল্লাহর রাসূল! অমুক যুদ্ধে আমার নাম তালিকাভুক্ত হয়েছে, অথচ আমার স্ত্রী হজে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন: তুমি তোমার স্ত্রীর সাথে হজে যাও।]
(أ) مَا مَعْنَى الْحَجِّ لُغَةً وَشَرْعًا؟ ثُمَّ بَيِّنْ شُرُوطَهُ –
[(ক) হজের আভিধানিক ও শরয়ী অর্থ কী? অতঃপর হজের শর্তসমূহ বর্ণনা করো।]
(ب) مَا مَعْنَى الْمَحْرَمِ؟ وَكَمْ قِسْمًا لَهُ؟ بَيِّنْ –
[(খ) মাহরাম শব্দের অর্থ কী? মাহরাম কত প্রকার? বর্ণনা করো।]
٢. عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَالَ سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ: وَقَّتَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِأَهْلِ الْمَدِينَةِ ذَا الْحُلَيْفَةِ وَلِأَهْلِ الشَّامِ الْجُحْفَةَ وَلِأَهْلِ نَجْدٍ قَرْنًا وَلِأَهْلِ الْيَمَنِ يَلَمْلَمَ –
[২. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ (সা.) মদিনাবাসীর জন্য যুল হুলাইফা, শামের জন্য জুহফাহ, নজদের জন্য কারন এবং ইয়ামেনবাসীর জন্য ইয়ালামলাম মীকাত নির্ধারণ করেছেন।]
(أ) مَا مَعْنَى الْمِيقَاتِ؟ تَحَدَّثْ عَنِ الْمَوَاقِيتِ بِالإِيضَاحِ –
[(ক) মীকাত শব্দের অর্থ কী? মীকাতসমূহ বিস্তারিত আলোচনা করো।]
(ب) مَا حُكْمُ الإِحْرَامِ مِنَ الْمِيقَاتِ لِمَنْ قَصَدَ مَكَّةَ؟
[(খ) মক্কার উদ্দেশ্যে গমনকারী ব্যক্তির জন্য মীকাত থেকে ইহরাম বাঁধার হুকুম কী?]
٣. عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا نَلْبَسُ مِنَ الثِّيَابِ إِذَا أَحْرَمْنَا؟ فَقَالَ: لَا تَلْبَسُوا السَّرَاوِيلَاتِ وَلَا الْعَمَائِمَ وَلَا الْبَرَانِسَ وَلَا الْخِفَافَ إِلَّا أَنْ يَكُونَ أَحَدٌ لَيْسَتْ لَهُ نَعْلَانِ فَلْيَلْبَسْ خُفَّيْنِ أَسْفَلَ مِنَ الْكَعْبَيْنِ – أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا يَقُولُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ: مَنْ لَمْ يَجِدْ نَعْلَيْنِ فَلْيَلْبَسْ خُفَّيْنِ وَلْيَشُقَّهُمَا مِنْ عِنْدِ الْكَعْبَيْنِ –
[৩. হযরত ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত: এক ব্যক্তি নবী করীম (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করল: ইহরাম অবস্থায় আমরা কী ধরনের পোশাক পরব? তিনি বললেন: তোমরা পায়জামা, পাগড়ি, টুপিযুক্ত ঢিলেঢালা জামা ও মোজা পরবে না; তবে কারও জুতো না থাকলে সে টাখনুর নিচ থেকে কেটে খাটো করে মোজা পরতে পারে।]
(أ) بَيِّنِ اللِّبَاسَ الْمَمْنُوعَ لِلرِّجَالِ وَالنِّسَاءِ فِي الإِحْرَامِ –
[(ক) ইহরাম অবস্থায় পুরুষ ও মহিলাদের জন্য নিষিদ্ধ পোশাকসমূহ বর্ণনা করো।]
(ب) أَوْضِحْ قَوْلَهُ عَلَيْهِ السَّلَامُ: “وَلْيَشُقَّهُمَا مِنْ عِنْدِ الْكَعْبَيْنِ” –
[(খ) নবীজী (সা.)-এর বাণী: “এবং উভয় মোজাকে যেন টাখনুর নিচ থেকে কেটে খাটো করে নেয়”—এর ব্যাখ্যা করো।]
٤. حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنِ الْحَكَمِ عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى قَالَ: اسْتَسْقَى حُذَيْفَةُ بِالْمَدَائِنِ فَأَتَاهُ دِهْقَانٌ بِإِنَاءٍ مِنْ فِضَّةٍ فَرَمَى بِهِ ثُمَّ قَالَ إِنِّي كُنْتُ نَهَيْتُهُ عَنْهُ فَأَبَى أَنْ يَنْتَهِيَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنِ الشُّرْبِ فِي آنِيَةِ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ وَعَنْ لُبْسِ الْحَرِيرِ وَالدِّيبَاجِ وَقَالَ دَعُوهَا لَهُمْ فِي الدُّنْيَا وَهِيَ لَكُمْ فِي الآخِرَةِ –
[৪. শু’বাহ … হুযায়ফা (রা.) থেকে বর্ণিত: তিনি মাদায়েনে পানি পান করতে চাইলে এক গ্রামপ্রধান রূপার পাত্রে পানি নিয়ে আসায় তিনি তা ছুড়ে ফেলে দিলেন এবং বললেন: রাসূলুল্লাহ (সা.) স্বর্ণ-রৌপ্যের পাত্রে পানাহার করতে এবং রেশম পরতে নিষেধ করেছেন।]
(أ) مَا حُكْمُ لُبْسِ الْحَرِيرِ لِلرِّجَالِ؟ بَيِّنْ مُوَضَّحًا –
[(ক) পুরুষদের জন্য রেশম পরিধানের বিধান কী? স্পষ্ট করো।]
(ب) هَلْ يَجُوزُ لِلرِّجَالِ وَالنِّسَاءِ الأَكْلُ وَالشُّرْبُ فِي آنِيَةِ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ؟
[(খ) সোনা-রূপার পাত্রে নারী-পুরুষের পানাহার করা কি জায়েয?]
٥. عَنْ عُمَارَةَ بْنِ غَزِيَّةَ الأَنْصَارِيِّ عَنْ سُمَيٍّ مَوْلَى أَبِي بَكْرٍ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ رَجُلًا أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَيْهِ خَاتَمٌ مِنْ ذَهَبٍ فَأَعْرَضَ عَنْهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَانْطَلَقَ فَلَبِسَ خَاتَمًا مِنْ حَدِيدٍ ثُمَّ جَاءَ فَأَعْرَضَ عَنْهُ فَانْطَلَقَ فَنَزَعَهُ وَلَبِسَ خَاتَمًا مِنْ وَرِقٍ فَأَقَرَّهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَقْبَلَ إِلَيْهِ –
[৫. হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত: এক ব্যক্তি সোনার আংটি পরে নবীজী (সা.)-এর কাছে এলে তিনি তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। লোকটি গিয়ে লোহার আংটি পরে আসলে তিনি পুনরায় মুখ ফিরিয়ে নিলেন। অতঃপর সে তা খুলে রূপার আংটি পরিধান করলে নবীজী (সা.) তা অনুমোদন করলেন এবং তার দিকে মুখ ফেরালেন।]
(أ) تَحَدَّثْ عَنْ حُسْنِ تَعَامُلِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الأَمْرِ وَالنَّهْيِ –
[(ক) আদেশ ও নিষেধের ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্দর আচরণ সম্পর্কে আলোচনা করো।]
(ب) أَوْضِحْ: قَوْلَهُ عَلَيْهِ السَّلَامُ “فَأَقَرَّهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَقْبَلَ إِلَيْهِ” –
[(খ) “নবীজী (সা.) তা অনুমোদন করলেন এবং তার দিকে মুখ ফেরালেন”—এর তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।]
مجموعة (ب) — شرح مشكل الآثار [খ অংশ] (মান: ২ × ১৪ = ২৮)
যেকোনো দুইটি প্রশ্নের উত্তর দাও।
٦. حَدَّثَنَا أَبَانُ بْنُ يَزِيدَ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ أَبِي وَائِلٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ نَبِيِّ اللَّهِ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ: «إِنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَذَابًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ رَجُلٌ قَتَلَ نَبِيًّا أَوْ قَتَلَهُ نَبِيٌّ وَإِمَامُ ضَلَالَةٍ وَمُمَثِّلٌ مِنَ الْمُمَثِّلِينَ» –
[৬. হযরত আব্দুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজী (সা.) বলেছেন: কিয়ামতের দিন সর্বাধিক কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হবে যে ব্যক্তি নবীকে হত্যা করেছে অথবা যাকে কোনো নবী হত্যা করেছেন, পথভ্রষ্টতার নেতা এবং কোনো আকৃতি বিকৃতকারী।]
(أ) مَا مَعْنَى الْقَتْلِ لُغَةً وَاصْطِلَاحًا؟ ثُمَّ بَيِّنْ أَنْوَاعَهُ –
[(ক) হত্যার আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থ কী এবং এর প্রকারভেদ বর্ণনা করো।]
(ب) أَوْضِحْ: قَوْلَهُ عَلَيْهِ السَّلَامُ “وَإِمَامُ ضَلَالَةٍ وَمُمَثِّلٌ مِنَ الْمُمَثِّلِينَ” –
[(খ) “পথভ্রষ্টতার নেতা এবং আকৃতি বিকৃতকারী/মূর্তিনির্মাতা”—এর ব্যাখ্যা করো।]
٧. حَدَّثَنَا حَسَّانُ بْنُ عَطِيَّةَ حَدَّثَنِي أَبُو كَبْشَةَ السَّلُولِيُّ قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ عَلَيْهِ السَّلَامُ يَقُولُ: «بَلِّغُوا عَنِّي وَلَوْ آيَةً وَحَدِّثُوا عَنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ وَلَا حَرَجَ، وَمَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ» –
[৭. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: আমার পক্ষ থেকে একটি আয়াত হলেও মানুষের নিকট পৌঁছে দাও, আর বনি ইসরাঈল থেকে বর্ণনা করতে কোনো দোষ নেই; কিন্তু যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করবে সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়।]
(أ) اذْكُرْ فَضَائِلَ الدَّعْوَةِ إِلَى اللَّهِ مَعَ حُكْمِهَا –
[(ক) আল্লাহর পথে দাওয়াতের ফজিলত ও এর শরয়ী বিধান উল্লেখ করো।]
(ب) مَا الْمُرَادُ بِبَنِي إِسْرَائِيلَ وَمَا حُكْمُ الرِّوَايَةِ عَنْهُمْ؟ بَيِّنْ تَفْصِيلًا –
[(খ) বনি ইসরাঈল কারা এবং তাদের থেকে রেওয়ায়েত করার বিধান কী? বিস্তারিত বর্ণনা করো।]
٨. حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: اسْتَأْذَنْتُ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: مَنْ هَذَا؟ فَقُلْتُ: أَنَا، فَقَالَ: «أَنَا أَنَا» وَكَأَنَّهُ كَرِهَ ذَلِكَ –
[৮. হযরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত: আমি নবীজী (সা.)-এর নিকট সাক্ষাতের অনুমতি চাইলে তিনি বললেন: কে? আমি বললাম: আমি। তিনি বললেন: ‘আমি আমি!’ যেন তিনি এটি অপছন্দ করলেন।]
(أ) عَرِّفِ الاسْتِئْذَانَ ثُمَّ بَيِّنْ حُكْمَهُ –
[(ক) অনুমতি প্রার্থনার (ইস্তিজান) সংজ্ঞা ও এর বিধান বর্ণনা করো।]
(ب) مَاذَا فَهِمْتَ بِقَوْلِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ “أَنَا أَنَا” وَلِمَ قَالَ؟
[(খ) নবীজী (সা.)-এর বাণী: “আমি আমি!” দ্বারা কী বুঝলে এবং তিনি কেন এমনটি বললেন?]
٩. عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا مَاتَ الإِنْسَانُ انْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهُ إِلَّا مِنْ ثَلَاثَةٍ: إِلَّا مِنْ صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ وَعِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهِ وَوَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهُ» –
[৯. হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: মানুষ মারা গেলে তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায় তিনটি কাজ ব্যতীত: সদকায়ে জারিয়া, উপকারী ইলম এবং নেক সন্তান যে তার জন্য দোয়া করে।]
(أ) عَرِّفِ الصَّدَقَةَ لُغَةً وَاصْطِلَاحًا – ثُمَّ اذْكُرْ فَوَائِدَهَا –
[(ক) সদকার আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থ কী? সদকার উপকারিতা উল্লেখ করো।]
(ب) تَحَدَّثْ عَنْ أَنْوَاعٍ مِنَ الصَّدَقَاتِ الْجَارِيَةِ –
[(খ) সদকায়ে জারিয়ার বিভিন্ন মাধ্যম ও প্রকার সম্পর্কে আলোচনা করো।]
مجموعة (ج) [গ অংশ] (মান: ১ × ১০ = ১০)
যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও।
١٠. اكْتُبْ تَرْجَمَةَ الإِمَامِ أَبِي جَعْفَرٍ الطَّحَاوِيِّ رَحِمَهُ اللَّهُ ثُمَّ بَيِّنْ مَزَايَا كِتَابِهِ “شَرْحِ مَعَانِي الآثَارِ” مَعَ ذِكْرِ أَقْوَالِ الْعُلَمَاءِ فِيهِ –
[১০. ইমাম আবু জাফর তাহাবী (রহ.)-এর জীবনী লেখো এবং আলেমদের প্রশংসাসূচক অভিমতসহ তাঁর কিতাব ‘শারহু মা’আনিল আছার’-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা করো।]
١١. اكْتُبْ خَصَائِصَ كِتَابِ “شَرْحِ مُشْكِلِ الآثَارِ” ثُمَّ بَيِّنْ مَنْهَجَ تَأْلِيفِهِ وَمَنْزِلَتَهُ بَيْنَ كُتُبِ الْحَدِيثِ –
[১১. ‘শারহু মুশকিলিল আছার’ কিতাবের বৈশিষ্ট্যসমূহ লেখো, অতঃপর এর রচনাপদ্ধতি ও হাদিস গ্রন্থসমূহের মধ্যে এর মর্যাদা ব্যাখ্যা করো।]
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
১. ২০২০ সালের শারহু মা’আনিল আছার পরীক্ষার বিষয় কোড কত?
বিষয় কোড হলো 202304।
২. নারীদের জন্য মাহরামবিহীন সফরের হুকুম কী?
শরীয়তের বিধান অনুযায়ী নারীর জন্য মাহরাম পুরুষ ব্যতীত তিন দিন বা ততোধিক দূরত্বের সফর (যেমন হজ সফর) করা বৈধ নয়।
৩. পুরুষদের জন্য রৌপ্যের আংটি ব্যবহারের পরিমাণ কতটুকু?
পুরুষদের জন্য কেবল একটি রূপার আংটি পরা বৈধ যার ওজন এক মিসকালের (প্রায় সাড়ে চার মাশা) কম হওয়া আবশ্যক।
৪. অনুমতি চাওয়ার ক্ষেত্রে ‘আমি’ বলা কেন অপছন্দ করা হয়েছে?
নাম পরিচয় প্রকাশ না করে কেবল ‘আমি’ বললে পরিচয় স্পষ্ট হয় না, যা শিষ্টাচার পরিপন্থী।
৫. ইসরাঈলি রেওয়ায়েত বর্ণনার ক্ষেত্রে ইসলামের নীতি কী?
কুরআন-সুন্নাহর সাথে সংগতিপূর্ণ হলে তা শিক্ষণীয় হিসেবে গ্রহণীয়, বিপরীত হলে বর্জনীয়, আর নিরপেক্ষ হলে সত্যায়ন বা প্রত্যাখ্যান না করে বর্ণনা করা বৈধ।
৬. পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ইমাম তাহাবীর কিতাবের বিশেষত্ব কী?
হানাফি মাযহাবের দালিলিক ভিত্তি এবং হাদিসের জটিল বৈপরীত্য নিরসনে ইমাম তাহাবীর গ্রন্থদ্বয় অনন্য গবেষণামূলক আলোকবর্তিকা।