জরুরি নোটিশ 🔔 নতুন: ২০২৬ সালের সকল শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ও গাইড বই প্রকাশিত হয়েছে!

আল-আক্বাইদুল ইসলামিয়্যাহ (Al-Aqaidul Islamiyyah) – 201305, আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ – ফাজিল অনার্স ৩য় বর্ষ পরীক্ষা ২০২৩

Abswer.com Abswer.com
20 September, 2026
৪২ মিনিট পড়ার সময়
১৪ বার পঠিত

সরাসরি Telegram-এ সকল বই ও সাজেশন পান!

আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে সবার আগে নতুন বই ও রুটিন ডাউনলোড করুন।

টেলিগ্রামে যুক্ত হোন 🚀

اختبار السنة الثالثة للفاضل البكالوريوس (الشرف) ، لعام ۲۰۲۳ م
[ফাজিল স্নাতক (সম্মান) তৃতীয় বর্ষ পরীক্ষা, ২০২৩]
القرآن والدراسات الإسلامية
[আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ]
العقائد الإسلامية
[আল-আক্বাইদুল ইসলামিয়্যাহ]
বিষয় কোড: ২০১৩০৫ | পরীক্ষা কোড: ২০৩
সময়: ৪ ঘণ্টা | পূর্ণমান: ৮০

الملاحظة: اجب عن اربعة من مجموعة (الف) وعن اربعة من مجموعة (ب)-
[দ্রষ্টব্য: (ক) অংশ থেকে চারটি এবং (খ) অংশ থেকে চারটি প্রশ্নের উত্তর দাও।]


مجموعة (الف) – ক-বিভাগ (রচনামূলক প্রশ্নাবলি)

الدرجات: ١٥ × ٤ = ٦٠

١- من اهل السنة والجماعة؟ وما الاشعرية والماتريدية؟ بين موضحا –

[১. আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত কারা? আশ’য়ারিয়্যাহ ও মাতুরিদিয়্যাহ কী? বিশদভাবে বর্ণনা কর।]

ভূমিকা

ইসলামের মূলধারা ও নাজাতপ্রাপ্ত দলের নাম হলো ‘আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত’। উম্মতের আকিদাগত বিভ্রান্তি ও বিভিন্ন বিদআতী সম্প্রদায়ের মোকাবেলায় আহলে সুন্নতের আকিদাকে বুদ্ধিবৃত্তিক ও শাস্ত্রীয় ভিত্তির ওপর সুপ্রতিষ্ঠিত করেছিলেন ইমাম আবুল হাসান আল-আশআরী এবং ইমাম আবু মনসুর আল-মাতুরিদী (রহ.)।

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের পরিচয়

সংজ্ঞা: যারা আকিদা, আমল ও আখলাকের ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ (স.)-এর সুন্নাহ এবং সাহাবায়ে কিরাম (রা.)-এর সামগ্রিক জামাআতের পথ ও পদ্ধতিকে অবিচলভাবে ধারণ করে, তাদের ‘আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত’ বলা হয়।
রাসূলুল্লাহ (স.) ৭৩ দলের হাদীসে নাজাতপ্রাপ্ত দলের পরিচয় দিতে গিয়ে ইরশাদ করেছেন: مَا أَنَا عَلَيْهِ وَأَصْحَابِي — “আমি এবং আমার সাহাবীগণ যার ওপর প্রতিষ্ঠিত রয়েছি।” (সুনানে তিরমিযী)।

আশ’য়ারিয়্যাহ (الأشعرية)

  • প্রতিষ্ঠাতা: ইমাম আবুল হাসান আলী ইবনে ইসমাঈল আল-আশআরী (মৃত্যু ৩২৪ হিজরী)। তিনি প্রথম জীবনে মু’তাযিলাদের শীর্ষ পণ্ডিত ছিলেন, পরবর্তীতে সত্য উপলব্ধি করে মু’তাযিলা মতবাদ বর্জন করে আহলে সুন্নতের আকিদা প্রতিষ্ঠা করেন।
  • বৈশিষ্ট্য: ওহি (নকল) ও যুক্তি (আকল)-এর অপূর্ব সমন্বয় সাধন করে মু’তাযিলা, জাহমিয়া ও মুজাসসিমাদের বিভ্রান্তি খণ্ডন করেন। শাফেঈ ও মালেকী ফকীহগণের সিংহভাগ আশআরী মানহাজের অনুসারী।

মাতুরিদিয়্যাহ (الماتريدية)

  • প্রতিষ্ঠাতা: ইমাম আবু মনসুর মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মাতুরিদী সমরকন্দী (মৃত্যু ৩৩৩ হিজরী)। তিনি ছিলেন মধ্য এশিয়ার সমরকন্দের শীর্ষ আলেম।
  • বৈশিষ্ট্য: তিনি ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর আক্বীদাহ ও ফিকহী দর্শনের ভিত্তিতে কালামশাস্ত্রীয় যুক্তি দিয়ে আহলে সুন্নতের আকিদাকে সুসংহত করেন। হানাফী মাজহাবের উলামায়ে কিরাম প্রধানত মাতুরিদি ধারার অনুসারী।

উপসংহার

আশ’য়ারী ও মাতুরিদি উভয় ধারাই আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। সামান্য কিছু শাখাগত পরিভাষার পার্থক্য ছাড়া উভয়ের মূল আকিদা সম্পূর্ণ এক ও অভিন্ন।


٢- بين أهمية العقيدة وضرورتها فى حياة المسلم فى ضوء القرآن والسنة –

[২. কুরআন ও হাদিসের আলোকে মুসলমানের জীবনে আক্বীদার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বর্ণনা কর।]

ভূমিকা

ইসলামি জীবনাদর্শে আকিদা হলো মূল শিকড় বা ভিত্তিপ্রস্তর, আর আমল হলো তার শাখা-প্রশাখা। ভিত্তি ছাড়া যেমন কোনো ইমারত টিকে থাকতে পারে না, তেমনি বিশুদ্ধ আকিদা ছাড়া কোনো ইবাদত বা নেক আমল আল্লাহর দরবারে কবুল হয় না।

আকিদার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

  1. আমল কবুল হওয়ার একমাত্র পূর্বশর্ত: কুরআন মাজীদে দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করা হয়েছে যে, আকিদা যদি শিরকমুক্ত না হয় তবে সারা জীবনের সমস্ত নেক আমল বিনষ্ট হয়ে যায়: لَئِنْ أَشْرَكْتَ لَيَحْبَطَنَّ عَمَلُكَ وَلَتَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ — “যদি আপনি শিরক করেন, তবে আপনার সমস্ত আমল ধ্বংস হয়ে যাবে এবং আপনি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবেন।” (সূরা আয-যুমার: ৬৫)।
  2. মানব সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন: মহান আল্লাহ বলেন: وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ — “আমি জিন ও মানবজাতিকে কেবল আমারই ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছি।” আর ইবাদতের প্রথম শর্তই হলো আল্লাহকে এক ও অদ্বিতীয় হিসেবে বিশ্বাস করা।
  3. দুনিয়ার জীবনে মানসিক প্রশান্তি: তাকদীরের প্রতি অবিচল বিশ্বাস মানুষকে চরম বিপদেও ধৈর্যশীল রাখে এবং অতিরিক্ত সুখে অহংকারী হওয়া থেকে রক্ষা করে।
  4. পরকালীন চিরস্থায়ী মুক্তি: রাসূলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেছেন: “যে ব্যক্তি এই সাক্ষ্য দিয়ে মৃত্যুবরণ করবে যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” (সহীহ মুসলিম)।

٣- من الخوارج؟ ما هي أبرز العقائد التي تميزهم عن غيرهم من الفرق؟ بين موضحا –

[৩. খারিজি কারা? তাদের ও অন্যান্য ফিরকার মধ্যে পার্থক্য নিরূপণকারী আকিদাসমূহ কী কী? বিশদভাবে বর্ণনা কর।]

খারিজিদের পরিচয়

ইসলামের ইতিহাসে সর্বপ্রথম রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিচ্যুত দলের নাম ‘খারিজি’ (الخوارج)। ‘খুরুজ’ (الخروج) ধাতু থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ বের হয়ে যাওয়া বা বিদ্রোহ করা। সিফফিনের যুদ্ধে হযরত আলী (রা.) ও মুআবিয়া (রা.)-এর মধ্যে সালিশী (তাহকীম) ব্যবস্থা মেনে নেওয়ার প্রতিবাদে হযরত আলীর বাহিনী থেকে বারো হাজার লোক বিদ্রোহ করে দলত্যাগ করে এবং ‘হারূরা’ নামক স্থানে জমায়েত হয়। এরাই খারিজি নামে পরিচিত।

খারিজিদের স্বাতন্ত্র্যসূচক মৌলিক আকিদাসমূহ

  1. কবিরা গোনাহগারকে কাফের গণ্য করা: তারা বিশ্বাস করে কোনো মুসলিম যদি একটিমাত্র কবিরা গোনাহ করে তবে সে চিরতরে ইসলাম থেকে বহিষ্কৃত হয়ে কাফের ও মুরতাদ হয়ে যায় এবং চিরকাল জাহান্নামে থাকবে।
  2. সাহাবায়ে কিরামের তাকফীর: তারা হযরত আলী, উসমান, মুআবিয়া, আমর ইবনুল আস এবং আবু মূসা আশআরী (রা.)-সহ বহু জলিলুল ক্বদর সাহাবীকে কাফের আখ্যা দিয়ে তাঁদের রক্ত হালাল মনে করেছিল (নাউযুবিল্লাহ)।
  3. ‘লা হুকমা ইল্লা লিল্লাহ’-এর অপব্যাখ্যা: তারা স্লোগান দিত “আল্লাহ ছাড়া কারও বিধান দেওয়ার অধিকার নেই”। হযরত আলী (রা.) এর জবাবে বলেছিলেন: كَلِمَةُ حَقٍّ أُرِيدَ بِهَا بَاطِلٌ — “কথাটি সত্য, কিন্তু এর দ্বারা অসৎ উদ্দেশ্য সাধন করা হচ্ছে।”
  4. শাসকের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহ ওয়াজিব মনে করা: মুসলিম শাসকের সামান্য অবিচার দেখলে তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ও রক্তপাত করাকে তারা ফরজ দায়িত্ব মনে করত।

٤- اكتب تاريخ نشأة الشيعة ثم اذكر الفرق بين الشيعة الزيدية والشيعة الإثنى عشرية –

[৪. শিয়া সম্প্রদায়ের উৎপত্তির ইতিহাস লেখ। অতঃপর শিয়া যায়দিয়া ও শিয়া ইসনা আশারিয়ার মধ্যে পার্থক্য উল্লেখ কর।]

শিয়া সম্প্রদায়ের উৎপত্তির ইতিহাস

‘শিয়া’ (الشيعة) শব্দের অর্থ দল বা সমর্থক। ঐতিহাসিকভাবে হযরত আলী (রা.)-এর রাজনৈতিক সমর্থকদের ‘শীয়াতু আলী’ বলা হতো। কিন্তু পরবর্তীকালে আব্দুল্লাহ ইবনে সাবার মতো ষড়যন্ত্রকারীদের চক্রান্তে এটি রাজনৈতিক দল থেকে চরমপন্থী আকিদাগত ফিরকায় রূপান্তরিত হয়। বিশেষ করে ৬১ হিজরীতে কারবালার বিয়োগান্তক ঘটনার পর তাদের মধ্যে অতিরিক্ত শোক, প্রতিশোধ এবং ইমামতকেন্দ্রিক ভ্রান্ত আকিদার বিস্তার ঘটে।

যায়দিয়া ও ইসনা আশারিয়ার তুলনামূলক পার্থক্য

মানদণ্ড শিয়া যায়দিয়া (الزيدية) শিয়া ইসনা আশারিয়া (الإمامية الإثنا عشرية)
উৎপত্তি ও ইমাম ইমাম জয়নুল আবেদীনের পুত্র যায়েদ ইবনে আলীর অনুসারী। বারো ইমামের ধারায় বিশ্বাসী সম্প্রদায়।
খুলাফায়ে রাশেদীনের মর্যাদা হযরত আবু বকর ও ওমর (রা.)-এর খেলাফতকে বৈধ মানে এবং তাদের প্রতি শ্রদ্ধা রাখে (মাফদূলের খেলাফত জায়েজ মনে করে)। হযরত আবু বকর, ওমর ও উসমান (রা.)-কে গাসেব (অধিকার হরণকারী) মনে করে এবং চরম বিষোদগার করে।
ইমামের নিষ্পাপতা (ইসমাত) ইমামকে নিষ্পাপ (মাসূম) মনে করে না। বারো ইমামকে নবীদের চেয়েও শ্রেষ্ঠ ও সম্পূর্ণ নিষ্পাপ বিশ্বাস করে।
তাকিয়্যাহ ও মুতআহ তাকিয়্যাহ (মিথ্যা ছদ্মবেশ) ও মুতআহ বিবাহ হারাম মনে করে। তাকিয়্যাহকে দ্বীনের ৯/১০ অংশ এবং মুতআহকে সর্বোচ্চ সওয়াবের কাজ মনে করে।
আহলে সুন্নতের নিকট মূল্যায়ন শিয়াদের মধ্যে আহলে সুন্নতের সবচেয়ে নিকটবর্তী ও মধ্যমপন্থী ফিরকা। চরমপন্থী ও বিভ্রান্তিকর আকিদায় নিমজ্জিত দল।

٥- من الأشاعرة؟ قارن بين عقيدة الأشاعرة وعقيدة المعتزلة فى صفات الله تعالى –

[৫. আশ’য়ারী কারা? আল্লাহর পবিত্র গুণাবলি বা সিফাতের ক্ষেত্রে আশআরী ও মু’তাযিলা সম্প্রদায়ের আকিদার মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা কর।]

আশ’য়ারীদের পরিচয়

ইমাম আবুল হাসান আল-আশআরী (রহ.)-এর অনুসারীদের আশ’য়ারী বলা হয়। তাঁরা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের কালামশাস্ত্রীয় মূলধারার প্রতিনিধিত্ব করেন।

আল্লাহর সিফাত (গুণাবলি) প্রসঙ্গে আশআরী ও মু’তাযিলাদের তুলনা

  1. সিফাত সাব্যস্তকরণ:
    • আশআরী আকিদা: আল্লাহ তাআলার সত্তার সাথে চিরন্তন সাতটি (বা আটটি) মৌলিক গুণাবলি (সিফাতে মাআনি: ইলম, কুদরত, হায়াত, ইরাদা, সামা’, বাসর, কালাম ও তাকবীন) বাস্তব ও চিরস্থায়ীভাবে বিদ্যমান রয়েছে।
    • মু’তাযিলাদের অস্বীকৃতি: তারা তাওহীদের নামে আল্লাহর সমস্ত সিফাতকে অস্বীকার করে (নাফই উস-সিফাত)। তারা বলে—আল্লাহ স্বীয় সত্তা দিয়েই জানেন, তাঁর কোনো অতিরিক্ত ইলম সিফাত নেই। তারা সিফাত মানলে ‘তাআদ্দুদে কুদামা’ (একাধিক চিরন্তন সত্তা) হবে বলে বিভ্রান্তিকর যুক্তি দেয়।
  2. কুরআন সৃষ্টি না অসৃষ্ট (খালক্বে কুরআন):
    • মু’তাযিলা: কুরআন আল্লাহর সৃষ্টি (মাখলূক)।
    • আশআরী: কুরআন আল্লাহর চিরন্তন কালাম (সিফাতে কালামুল্লাহ গায়রে মাখলূক), তা কোনো মাখলূক নয়।
  3. আখিরাতে আল্লাহর দর্শন (রূ’ইয়াতুল্লাহ):
    • আশআরী: জান্নাতে মুমিন বান্দাগণ মহান আল্লাহকে কোনো স্থান, দিক ও মাধ্যম ছাড়াই স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করবেন—যা সত্য।
    • মু’তাযিলা: তারা বুদ্ধি দিয়ে আল্লাহর দর্শনকে অসম্ভব ও অস্বীকার করে।

٦- عرف المرجئة ثم قارن بين موقف الخوارج والمرجئة من مرتكب الكبيرة –

[৬. মুরজিয়া সম্প্রদায়ের পরিচয় দাও। কবিরা গোনাহে লিপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে খারিজি ও মুরজিয়া সম্প্রদায়ের অবস্থান তুলনা কর।]

মুরজিয়াদের পরিচয়

‘মুরজিয়া’ শব্দটি ‘ইরজা’ (الإرجاء) থেকে এসেছে, যার অর্থ পিছিয়ে দেওয়া বা বিলম্বিত করা। তারা আমলকে ঈমানের স্থান থেকে পিছিয়ে দিয়ে দাবি করে যে, ঈমান থাকলে কোনো গোনাহ ক্ষতি করে না।

কবিরা গোনাহকারীর বিধান: খারিজি ও মুরজিয়াদের চরম বৈপরীত্য

মানদণ্ড খারিজি সম্প্রদায় (الخوارج) মুরজিয়া সম্প্রদায় (المرجئة) আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত
দুনিয়ার হুকুম একমাত্র কবিরা গোনাহ করলেই সে সম্পূর্ণ কাফের ও মুরতাদ। সে পূর্ণাঙ্গ মুমিন; তার ঈমান জিবরীল ও নবীদের ঈমানের সমান নিখুঁত! সে ফাসেক মুমিন (مؤمن فاسق); তার ঈমান অবশিষ্ট আছে কিন্তু আমল নষ্ট হয়েছে।
আমলের ভূমিকা আমল ঈমানের মূল অংশ; আমল ছুটলে ঈমান ধ্বংস হয়। আমলের সাথে ঈমানের কোনো সম্পর্ক নেই; গোনাহ ঈমানের ক্ষতি করে না। আমল ঈমানের পূর্ণতা দান করে; আমল ছাড়া ঈমান অপূর্ণাঙ্গ ও বিপন্ন।
আখিরাতের পরিণতি চিরকাল কাফেরদের সাথে জাহান্নামে অবস্থান করবে। ঈমান থাকায় সে কোনো শাস্তি ভোগ না করেই জান্নাতে যাবে। আল্লাহ চাইলে ক্ষমা করতে পারেন, অন্যথায় পাপের শাস্তি ভোগ করিয়ে পরে জান্নাতে দেবেন।

٧- من الجبرية؟ وكيف واجه أهل السنة والجماعة فكرهم؟ بين –

[৭. ‘জাবারিয়া’ কারা? কীভাবে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত তাদের চিন্তাধারার মোকাবিলা করেছিল? বর্ণনা কর।]

জাবারিয়া সম্প্রদায়ের পরিচয়

ইসলামের ইতিহাসে মানুষের ইচ্ছাশক্তি অস্বীকারকারী চরমপন্থী ফিরকা হলো ‘জাবারিয়া’ (الجبرية)। এর প্রধান প্রবক্তা ছিল জাহম ইবনে সাফওয়ান ও জা’দ ইবনে দিরহাম। তাদের আকিদা হলো: মানুষের কোনো নিজস্ব ইচ্ছা, এখতিয়ার বা কর্মক্ষমতা নেই; মানুষ বাতাসের মুখে গাছের শুকনো পাতার মতো সম্পূর্ণ নিরুপায় ও বাধ্য (মাজবুর)। মানুষ যা করে তা আল্লাহই বাধ্য করে করান।

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের বুদ্ধিবৃত্তিক মোকাবিলা ও সমাধান

  1. ‘কাসব’ (الْكَسْب) তত্ত্বের উপস্থাপন: ইমাম আবুল হাসান আল-আশআরী ও সালাফে সালেহীন প্রমাণ করেন যে, স্রষ্টা হিসেবে কাজের মূল সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ (খালক্ব), কিন্তু বান্দা তার ইচ্ছাশক্তি দিয়ে সেই কাজ অর্জন (কাসব) করে। বান্দার এই ইচ্ছাধীন উপার্জনের কারণেই সে পুরস্কার বা শাস্তির যোগ্য হয়।
  2. শরিয়ত ও বিচার দিবসের যৌক্তিকতা: যদি মানুষ সম্পূর্ণ বাধ্য হতো, তবে সৎকাজের জন্য জান্নাত এবং পাপের জন্য জাহান্নামের শাস্তি চরম অবিচার হতো—নাউযুবিল্লাহ। আল্লাহ মানুষকে ভালো ও মন্দের স্বাধীনতা দিয়েছেন বলেই তাকে জবাবদিহি করতে হবে।
  3. কুরআনের সুস্পষ্ট দলিল: আল্লাহ ইরশাদ করেন: وَقُلِ الْحَقُّ مِن رَّبِّكُمْ ۖ فَمَن شَاءَ فَلْيُؤْمِن وَمَن شَاءَ فَلْيَكْفُرْ — “আর বলুন: সত্য তোমাদের রবের পক্ষ থেকে আগত; অতএব যার ইচ্ছা সে ঈমান আনুক, আর যার ইচ্ছা সে কুফরি করুক।” (সূরা আল-কাহাফ: ২৯)।

٨- من أهل القرآن؟ وما عقيدتهم؟ بين موقف أهل السنة والجماعة منهم –

[৮. ‘আহলুল কুরআন’ কারা? তাদের আক্বীদাহ কী? তাদের ব্যাপারে আহলুস-সুন্নাত ওয়াল জামাআতের অবস্থান আলোচনা কর।]

আহলুল কুরআন বা হাদীস অস্বীকারকারীদের পরিচয়

উনিশ শতকে ব্রিটিশ শাসনামলে ভারতীয় উপমহাদেশে (বিশেষ করে পাঞ্জাবে) আত্মপ্রকাশকারী একটি বিভ্রান্ত দল, যারা নিজেদের প্রতারণামূলকভাবে ‘আহলুল কুরআন’ বা ‘কুরআনিউন’ নামে দাবি করে। এর প্রধান নেতারা ছিল আব্দুল্লাহ চকড়ালভী, আহমদ উদ্দীন অমৃতসরী এবং গোলাম আহমদ পারভেজ।

তাদের ভ্রান্ত আকিদাসমূহ

  • তারা রাসূলুল্লাহ (স.)-এর পবিত্র সুন্নাহ ও হাদীসকে শরিয়তের দলিল হিসেবে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে।
  • তাদের দাবি—দ্বীনের জন্য কেবল কুরআনই যথেষ্ট, কোনো হাদীসের প্রয়োজন নেই।
  • হাদীস অস্বীকারের ফলে তারা নামাজের রাকাত, রুকু-সিজদার রূপরেখা, জানাজা, আজান এবং যাকাতের নেসাব ইত্যাদি দ্বীনের অকাট্য আমলসমূহকে মনগড়া ব্যাখ্যার বস্তুতে পরিণত করে।

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের অকাট্য অবস্থান ও ফতোয়া

উম্মতের সর্বসম্মত ফতোয়া অনুযায়ী, যারা ইচ্ছাকৃতভাবে রাসূলুল্লাহ (স.)-এর প্রামাণ্য হাদীস ও সুন্নাহকে অস্বীকার করে, তারা ইসলামের গণ্ডি থেকে বহিষ্কৃত কাফের ও যিন্দিক। কারণ স্বয়ং কুরআনই রাসূলের আনুগত্যকে ফরজ করেছে। হাদীস অস্বীকার করা প্রকারান্তরে কুরআনকেই অস্বীকার করার নামান্তর।


مجموعة (ب) – খ-বিভাগ (সংক্ষিপ্ত প্রশ্নাবলি)

الدرجات: ٥ × ٤ = ٢٠

٩- ما مفهوم ‘المهدى المنتظر’ عند الشيعة؟ بين موضحا –

[৯. শিয়াদের নিকট আল-মাহদী আল-মুনতাজার (প্রতীক্ষিত মাহদী)-এর ধারণা কী? বিশদভাবে বর্ণনা কর।]

শিয়াদের আকিদা

ইসনা আশারিয়া শিয়াদের মতে, তাদের ১২তম ইমাম মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-আসকারী হিজরী ২৬০ সনে মাত্র ৫ বছর বয়সে সামাররার এক ভূগর্ভস্থ সুরঙ্গে (সরদাব) আত্মগোপন করেন। তিনিই তাদের ‘আল-মাহদী আল-মুনতাজার’ (প্রতীক্ষিত মাহদী)। তিনি এক হাজার বছরের বেশি সময় ধরে জীবিত আছেন এবং কিয়ামতের পূর্বে আবির্ভূত হয়ে শিয়াদের বিজয় ও শত্রুদের ওপর প্রতিশোধ গ্রহণ করবেন। অপরদিকে আহলে সুন্নতের মতে মাহদী হবেন কিয়ামতের প্রাক্কালে জন্মগ্রহণকারী সাধারণ সৎকর্মশীল খলীফা, যিনি কোনো সুরঙ্গ থেকে আসবেন না।


١٠- اشرح عقيدة الإرجاء عند المرجئة –

[১০. মুরজিয়া সম্প্রদায়ের ‘ইরজা’ আকিদাটি ব্যাখ্যা কর।]

ইরজা আকিদার ব্যাখ্যা

‘ইরজা’ অর্থ পিছিয়ে দেওয়া। মুরজিয়াদের মূল আকিদা হলো: ঈমান কেবল মৌখিক বা আন্তরিক স্বীকৃতির নাম, আমল ঈমানের অংশ নয়। তারা বিশ্বাস করে—কুফরির সাথে যেমন কোনো নেক আমল উপকারে আসে না, তেমনি ঈমান থাকলে কোনো পাপ বা পাপাচার বান্দার ঈমানের বিন্দুমাত্র ক্ষতি করতে পারে না। ফলে এ আকিদা মানুষকে গোনাহ ও পাপাচারের প্রতি বেপরোয়া করে তোলে।


١١- تحدث عن مبدأ ‘المنزلة بين المنزلتين’ عند المعتزلة موجزا –

[১১. মু’তাযিলা সম্প্রদায়ের ‘আল-মানযিলাতু বাইনাল মানযিলাতাইনি’ নীতি সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা কর।]

নীতির মূল বক্তব্য

মু’তাযিলাদের পাঁচটি মূল স্তম্ভের অন্যতম হলো ‘আল-মানযিলাতু বাইনাল মানযিলাতাইন’ (দুই অবস্থানের মধ্যবর্তী অবস্থান)। তাদের মতে, কোনো মুমিন কবিরা গোনাহ করলে সে আর মুমিন থাকে না, আবার সরাসরি কাফেরও হয়ে যায় না; বরং ঈমান ও কুফরের মাঝামাঝি এক মধ্যবর্তী স্তরে অবস্থান করে। তবে তওবা ছাড়া মারা গেলে সে চিরকাল জাহান্নামে শাস্তি ভোগ করবে।


١٢- عرف البهائية ثم بين عقائدهم الأساسية –

[১২. বাহায়ী সম্প্রদায়ের পরিচয় দাও। তাদের মৌলিক আকিদাসমূহ বর্ণনা কর।]

বাহায়ীদের পরিচয় ও আকিদা

ইরানে শিয়া শায়খী মতবাদের গর্ভ থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীতে মির্জা আলী মুহাম্মদ বাব কর্তৃক প্রবর্তিত ‘বাবি’ আন্দোলন থেকে বাহাউল্লাহ (মির্জা হুসাইন আলী নূরী)-এর মাধ্যমে বাহায়ী ধর্মের উৎপত্তি।

মৌলিক আকিদা:

  • বাহাউল্লাহকে নতুন পয়গম্বর ও আল্লাহর অবতার বিশ্বাস করা।
  • ইসলামি শরিয়ত ও পবিত্র কুরআনকে রহিত ঘোষণা করা এবং বাহাউল্লাহর রচিত ‘কিতাবুল আকদাস’-কে ধর্মগ্রন্থ মানা।
  • খতমে নবুওয়ত অস্বীকার করা। সর্বসম্মতভাবে তারা ইসলাম বহির্ভূত এক স্বতন্ত্র অমুসলিম সম্প্রদায়।

١٣- بين موقف أهل السنة والجماعة من القاديانية مدللا –

[১৩. কাদিয়ানীদের ব্যাপারে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের অবস্থান দলিল-প্রমাণসহ বর্ণনা কর।]

আহলে সুন্নতের অকাট্য ফতোয়া

মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানীকে যারা নবী, মাহদী বা মসীহ মনে করে, তারা সর্বসম্মতভাবে কাফের, মুরতাদ ও অমুসলিম।

দলিলসমূহ:

  • কুরআনের অকাট্য ঘোষণা: مَّا كَانَ مُحَمَّدٌ أَبَا أَحَدٍ مِّن رِّجَالِكُمْ وَلَٰكِن رَّسُولَ اللَّهِ وَخَاتَمَ النَّبِيِّينَ — “মুহাম্মদ তোমাদের কোনো পুরুষের পিতা নন, বরং তিনি আল্লাহর রাসূল এবং শেষ নবী।” (সূরা আল-আহযাব: ৪০)।
  • হাদীসের মুতাওয়াতির ঘোষণা: রাসূলুল্লাহ (স.) বলেন: أَنَا خَاتَمُ النَّبِيِّينَ لَا نَبِيَّ بَعْدِي — “আমিই শেষ নবী, আমার পর আর কোনো নবী আসবে না।” (সহীহ মুসলিম)।

١٤- اذكر عقيدة أهل السنة والجماعة فى الملائكة والكتب والرسل –

[১৪. ফেরেশতা, আসমানি কিতাব ও নবি-রাসূলগণের ব্যাপারে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকিদা উল্লেখ কর।]

আহলে সুন্নতের মূল আকিদা

  • ফেরেশতাগণ: নূরের তৈরি নিষ্পাপ সৃষ্টি, পুরুষ বা নারী নন, পানাহার ও সন্তান জন্ম দেন না; আল্লাহর সার্বক্ষণিক অনুগত। চার প্রধান ফেরেশতা জিবরীল, মীকাঈল, ইসরাফীল ও আযরাঈল (আ.)।
  • আসমানি কিতাবসমূহ: আল্লাহর সত্য কালাম। তাওরাত, যাবূর, ইঞ্জিল ও কুরআনের প্রতি বিশ্বাস রাখা; তবে পূর্ববর্তী কিতাবসমূহ বিকৃত হওয়ায় কুরআনই চূড়ান্ত ও অপরিবর্তনীয় কিতাব।
  • নবী-রাসূলগণ: মানবজাতির মধ্য থেকে নির্বাচিত নিষ্পাপ (মাসূম) পুরুষ। হযরত আদম (আ.) প্রথম নবী এবং হযরত মুহাম্মদ (স.) সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী।

١٥- عرف فرقة الباطنية موجزا –

[১৫. বাতেনী সম্প্রদায়ের পরিচয় সংক্ষেপে তুলে ধর।]

বাতেনীদের সংক্ষিপ্ত পরিচয়

ইসমাইলী শিয়াদের একটি চরমপন্থী শাখা হলো বাতেনী সম্প্রদায় (الباطنية)। তাদের মূল বিভ্রান্তি হলো—কুরআন ও শরিয়তের যে বাহ্যিক অর্থ ও হুকুম (নামাজ, রোজা, হজ ইত্যাদি) রয়েছে তা নিছক খোসা বা সাধারণ মানুষের জন্য; এর এক গোপন অন্তর্নিহিত বাতেনী অর্থ রয়েছে যা কেবল তাদের গোপন ইমাম জানেন। এই বাতেনী তত্ত্বের নামে তারা নামাজ-রোজা ত্যাগ করে সমস্ত হারামকে হালাল মনে করে থাকে। ইমাম গাযালী (রহ.) ‘ফাদায়িহুল বাতিনিয়্যাহ’ গ্রন্থে এদের কুফরি উন্মোচন করেন।


١٦- اكتب ثلاث آيات قرآنية فى ذم الافتراق والاختلاف بين المسلمين –

[১৬. মুসলিমদের মধ্যে অনৈক্য ও বিভেদের প্রতি নিন্দাসূচক কুরআনের তিনটি আয়াত অর্থসহ লেখ।]

পবিত্র কুরআনের তিনটি প্রামাণ্য আয়াত

  1. মহান আল্লাহর নির্দেশ: وَاعْتَصِمُوا بِحَبْلِ اللَّهِ جَمِيعًا وَلَا تَفَرَّقُوا
    [আর তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করো এবং পরস্পরে বিচ্ছিন্ন হয়ো না।] (সূরা আলে ইমরান: ১০৩)।
  2. অনৈক্যের কঠোর নিষেধাজ্ঞা: وَلَا تَكُونُوا كَالَّذِينَ تَفَرَّقُوا وَاخْتَلَفُوا مِن بَعْدِ مَا جَاءَهُمُ الْبَيِّنَاتُ ۚ وَأُولَٰئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ
    [আর তোমরা তাদের মতো হয়ো না যারা সুস্পষ্ট নিদর্শন আসার পরও বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে ও মতভেদ করেছে; তাদের জন্য রয়েছে মহা শাস্তি।] (সূরা আলে ইমরান: ১০৫)।
  3. বিভেদে শক্তি হ্রাসের সতর্কতা: وَأَطِيعُوا اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَلَا تَنَازَعُوا فَتَفْشَلُوا وَتَذْهَبَ رِيحُكُمْ ۖ وَاصْبِرُوا
    [আর তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করো এবং পরস্পরে বিবাদে লিপ্ত হয়ো না; অন্যথায় তোমরা সাহস হারাবে এবং তোমাদের শক্তি ও প্রভাব বিলুপ্ত হবে; আর ধৈর্য ধারণ করো।] (সূরা আল-আনফাল: ৪৬)।

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. আল-আক্বাইদুল ইসলামিয়্যাহ বিষয়ের বিষয় কোড কত?

আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের আল-আক্বাইদুল ইসলামিয়্যাহ বিষয়ের বিষয় কোড হলো ২০১৩০৫ এবং পরীক্ষা কোড হলো ২০৩।

২. আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকিদাগত মূল দুটি ধারা কী কী?

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের মূল দুটি কালামশাস্ত্রীয় ধারা হলো আশ’য়ারিয়্যাহ (ইমাম আবুল হাসান আল-আশআরী রহ.) এবং মাতুরিদিয়্যাহ (ইমাম আবু মনসুর আল-মাতুরিদী রহ.)।

৩. খারিজিরা কবিরা গোনাহগার ব্যক্তিকে কী মনে করে?

খারিজিদের ভ্রান্ত আকিদা অনুযায়ী যেকোনো একটি কবিরা গোনাহে লিপ্ত ব্যক্তি সাথে সাথে কাফের ও চিরস্থায়ী জাহান্নামী হয়ে যায়।

৪. আহলুল কুরআন সম্প্রদায়ের মূল বিভ্রান্তি কী?

আহলুল কুরআন নামধারী দল রাসূলুল্লাহ (স.)-এর পবিত্র হাদীস ও সুন্নাহকে শরিয়তের দলিল হিসেবে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে, যা সুস্পষ্ট কুফরি।

৫. কাদিয়ানী সম্প্রদায় কেন ইসলাম বহির্ভূত?

কাদিয়ানীরা পবিত্র কুরআনের অকাট্য ‘খাতামুন্নাবিয়্যীন’ আকিদা অস্বীকার করে মির্জা গোলাম আহমদকে মিথ্যা নবী দাবি করায় তারা সর্বসম্মতভাবে অমুসলিম কাফের।

৬. জাবারিয়া সম্প্রদায়ের মূল মতবাদ কী?

জাবারিয়াদের মতে মানুষের নিজস্ব কোনো ইচ্ছাশক্তি বা স্বাধীনতা নেই; মানুষ সম্পূর্ণ বাধ্য ও নিরুপায় পুতুলের মতো কাজ করে।

টেলিটক ছবি ও স্বাক্ষর রিসাইজার (৩০০×৩০০ ও ৩০০×৮০)
সরকারি চাকরি ও ভর্তির অনলাইন আবেদনের জন্য ছবি ও সইয়ের মাপ ঠিক রাখুন ১০০% নির্ভুলভাবে।
ছবি ও সই রিসাইজ করুন ➜

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *