জরুরি নোটিশ 🔔 নতুন: ২০২৬ সালের সকল শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ও গাইড বই প্রকাশিত হয়েছে!

আধুনিক গদ্য-২ (Adhunik Gadya-2) – ২০৪৪০৪, আরবি ভাষা ও সাহিত্য – ফাজিল অনার্স ৪র্থ বর্ষ পরীক্ষা ২০২১

Abswer.com Abswer.com
20 September, 2026
৪৮ মিনিট পড়ার সময়
১৫ বার পঠিত

সরাসরি Telegram-এ সকল বই ও সাজেশন পান!

আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে সবার আগে নতুন বই ও রুটিন ডাউনলোড করুন।

টেলিগ্রামে যুক্ত হোন 🚀

ফাজিল (স্নাতক) সম্মান ৪র্থ বর্ষ পরীক্ষা ২০২১
বিভাগ: আরবি ভাষা ও সাহিত্য
বিষয়: আধুনিক গদ্য-২ (النثر الحديث-٢ – Adhunik Gadya-2)
বিষয় কোড: ২০৪৪০৪ | পূর্ণমান: ৮০ | সময়: ৪ ঘণ্টা


١- ترجم ستا من القطعات التالية:

[১. নিচের অনুচ্ছেদগুলোর মধ্য থেকে যে কোনো ছয়টির অনুবাদ কর:]

(পরীক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতির সুবিধার্থে সবগুলো অনুচ্ছেদেরই প্রাঞ্জল ও সাহিত্যিক অনুবাদ প্রদান করা হলো)

(الف) অনুচ্ছেদের অনুবাদ

আরবি মূলপাঠ:

«سكن الغرفة العليا من المنزل المجاور لمنزلي من عهد قريب فتى في التاسعة عشر أو العشرين من عمره، وأحسب أنه طالب من طلبة المدارس العليا أو الوسطى في مصر، فقد كنت أراه من نافذة غرفة مكتبى، وكانت على كتب من بعض نوافذ غرفته فأرى أمامى فتى شاحبا نحيلا منقبضا جالسا إلى مصباح منير في إحدى زوايا الغرفة ينظر في كتاب أو يكتب في دفتر أو يستظهر قطعة أو يُعيد درسا فلم أكن أحفل بشيئ من أمره حتى عدت إلى منزلي-»

উৎস: মুস্তফা লুৎফী আল-মানফালূতী রচিত বিশ্ববিখ্যাত গ্রন্থ ‘আন-নাজ়ারাত’ (النظرات)-এর অন্তর্গত ‘আল-উক্বদূদ’ বা বেদনাবিধূর স্মৃতিকথা।

“অল্প কিছুদিন পূর্বে আমার বাড়ির পাশের বাড়ির ওপরের তলার একটি কামরায় উনিশ কিংবা বিশ বছর বয়সী এক তরুণ বসবাস করতে শুরু করে। আমার ধারণা সে মিসরের কোনো উচ্চ বা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল। কারণ আমি আমার পড়ার ঘরের জানালা দিয়ে প্রায়ই তাকে দেখতে পেতাম। তার ঘরের একটি জানালা আমার বেশ কাছাকাছি থাকায় আমি আমার চোখের সামনে দেখতে পেতাম এক ফ্যাকাশে চেহারার, শীর্ণকায় ও বিষণ্ন তরুণকে, যে ঘরের এক কোণে একটি প্রজ্বলিত বাতির পাশে বসে আছে; কখনো সে কোনো বইয়ের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকত, কখনো খাতায় কিছু লিখত, কখনো কোনো গদ্যাংশ মুখস্থ করত, আবার কখনো বা পড়া পুনরাবৃত্তি করত। তবে আমি তার বিষয়ে বিশেষ কোনো কৌতূহল বা ভ্রুক্ষেপ করিনি, যে পর্যন্ত না আমি (একদিন আকস্মিক ঘটনার পর) নিজ বাড়িতে প্রত্যাবর্তন করলাম।”


(ب) অনুচ্ছেদের অনুবাদ

আরবি মূলপাঠ:

«وقف أبو عبد الله آخر ملوك غرناطة بعد انكساره امام جيوش الملك فرديناند والملكة إيزابيلا على شاطئ الخليج الرومي تحت ذيل جبل طارق قبل نزوله إلى السفينة المعدة لحمله إلى أفريقيا وقد وقف حوله نساؤه وأولاده وعظماء قومه من بنى أحمر فألقى على ملكه الذاهب نظرة طويلة لم يسترجعها الا مبللة بالدمع- ثم أدنى رداءه من وجهه وأنشأ يبكى بكاء مرا وينشج نشيجا محزنا، حتى بكى من حوله لبكائه-»

উৎস: আল-মানফালূতী রচিত আন্দালুসের পতনের ট্র্যাজেডি অবলম্বনে ঐতিহাসিক আখ্যান।

“গ্রানাডার শেষ মুসলিম সুলতান আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ (দ্বাদশ), খ্রিস্টান রাজা ফার্দিনান্দ এবং রাণী ইসাবেলার সম্মিলিত বাহিনীর কাছে পরাজিত ও পর্যুদস্ত হওয়ার পর, জিব্রাল্টার পর্বতের পাদদেশে ভূমধ্যসাগরের তীরে এসে দাঁড়ালেন—তাঁকে আফ্রিকায় নির্বাসনে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত রাখা জাহাজে আরোহণের ঠিক পূর্বমুহূর্তে। তখন তাঁর চারিপাশে সমবেত হয়েছিল তাঁর অন্তঃপুরের নারীবৃন্দ, সন্তান-সন্ততি এবং বনু আহমারের শীর্ষস্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সুলতান তাঁর হাতছাড়া হয়ে যাওয়া হারানো রাজত্বের দিকে এক সুদীর্ঘ অতৃপ্ত দৃষ্টি নিক্ষেপ করলেন, আর সেই দৃষ্টি অশ্রুসিক্ত না হয়ে ফিরল না। অতঃপর তিনি নিজের চাদরটি মুখের কাছে টেনে আনলেন এবং কান্নায় ভেঙে পড়লেন—এক তিক্ত কান্না ও হৃদয়বিদারক হাহাকারে আর্তনাদ করতে লাগলেন, যার ফলে তাঁর কান্নায় চারপাশের সকলেই ডুকরে কেঁদে উঠল।”


(ج) অনুচ্ছেদের অনুবাদ

আরবি মূলপাঠ:

«أما الصبابة فقد نضبت، وأما الاخ فقد ضمه الدهر ضمة ذهبت بماله وبجميع ما تملك يده فهاجر هجرة بعيدة لا تعرف مصيره فيها، فأصبحت من بعده لا تملك مالا، ولا عضدا لقد لقيت هذه المرأة المسكينة من الشقاء في طلب العيش ما لا يستطيع أن يحتمله بشر، فخاطت الملابس حتى عَشِيَ بصرها، وغسلت الثياب حتى يبست أطرافها- ودخلت المصانع حتى كَلَّت، وخدمت في المنازل حتى ذلّت-»

উৎস: আল-মানফালূতীর মর্মস্পর্শী গল্প ‘আল-ইয়াতীম’ (এতিম)।

“যৌবনের রূপ-লাবণ্য তো নিঃশেষ হয়ে গিয়েছিল; আর একমাত্র সহোদর ভাইটিকে সময়ের নির্মম চাকা এমন এক কঠিন নিষ্পেষণে পিষে ফেলেছিল যা তার সমস্ত অর্থসম্পদ ও হাতের সহায়-সম্বল কেড়ে নিয়েছিল। ফলে সে এক সুদূর প্রবাসে হিজরত করল, যার পরিণতির কথা আর কারও জানা ছিল না। ভাইয়ের প্রস্থানের পর এই নিঃস্ব নারী সহায়হীন ও সম্পদহীন একাকী হয়ে পড়ল। জীবন ধারণের কঠিন সংগ্রামে এই হতভাগিনী নারী এমন অবর্ণনীয় দুর্ভোগ ও যাতনার মুখোমুখি হয়েছিল যা কোনো মানুষের পক্ষে সহ্য করা অসম্ভব। সে সুঁই-সুতোয় কাপড় সেলাই করতে করতে শেষ পর্যন্ত নিজের দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে অন্ধপ্রায় হয়ে গেল; মানুষের কাপড় ধুতে ধুতে তার হাত-পায়ের চামড়া শুকিয়ে খসখসে হয়ে গেল; কল-কারখানায় হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে শ্রান্ত-ক্লান্ত হলো এবং মানুষের বাড়িতে বাড়িতে ঝি-এর কাজ করে লাঞ্ছিত ও অপদস্থ হলো।”


(د) অনুচ্ছেদের অনুবাদ

আরবি মূলপাঠ:

«الله يقطعك أنت ونادية في يوم واحد، الظاهر أنه يخطى رغم الحذر، وأنه يدفع بلا رحمة إلى عنق زجاجة، وقال: المسألة مسألة أذواق، ولكن يجب أن تبقى كل واحدة كباباها وماماها- هل أقول لها إنها موضة قديمة، وإننى موضة جديدة؟ فبادرها: كل دين حسن، المسلمة تعبد الله والمسيحية تعبد الله، ولم تعبده هي في حجرة، وأعبده أنا في حجرة؟»

উৎস: নোবেলজয়ী কথাসাহিত্যিক নজীব মাহফূযের সামাজিক মনস্তাত্ত্বিক গল্প।

“আল্লাহ তোমাকেও এবং নাদিয়াকেও একই দিনে ধ্বংস করুন! মনে হচ্ছে সে শত সতর্কতা সত্ত্বেও ভুল করে চলেছে এবং কোনো দয়ামায়া ছাড়াই তাকে বোতলের সরু গলার ভেতরে (এক দমবন্ধ সংকটে) ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। সে মনে মনে বলল: বিষয়টি মূলত দৃষ্টিভঙ্গি ও রুচির, কিন্তু প্রত্যেকেরই উচিত তার বাবা-মায়ের ঐতিহ্য অনুযায়ী অটল থাকা। আমি কি তাকে বলব যে এটা সেকেলে ফ্যাশন আর আমি আধুনিক ফ্যাশন? অতঃপর সে দ্রুত তাকে বলে উঠল: সব ধর্মই সুন্দর; মুসলিম নারীও আল্লাহর ইবাদত করে, আর খ্রিস্টান নারীও আল্লাহরই উপাসনা করে। তাহলে সে কি তার নিজ কক্ষে উপাসনা করবে না, আর আমি আমার নিজ কক্ষে আল্লাহর ইবাদত করব না?”


(ه) অনুচ্ছেদের অনুবাদ

আরবি মূলপাঠ:

«استيقظ من نومه فوجد نفسه سعيدا، تساءل: ما هذا؟ لم يحظ بكلمة هي أدق وأصدق في التعبير عن حاله من ‘سعيد’ وهي حالة تعد غريبة بالقياس إلى الأحوال التى تنتابه عند الاستيقاظ من النوم، عادة ما يستيقظ مثقل الرأس من طول السهر في الجديدة أو مدهق الأعصاب والمعدة لإفراط في الأكل والشرب في حفلة ما-»

উৎস: নজীব মাহফূয রচিত বিখ্যাত প্রতীকী ছোটগল্প ‘আর-রাজুলুস সাঈদ’ (সুখী মানুষ)।

“ঘুম ভাঙার পর সে নিজেকে অপরিসীম সুখী হিসেবে আবিষ্কার করল। সে বিস্ময়ে ভাবল: এটা কীসের অনুভূতি? নিজের এই আনন্দঘন অনুভূতিকে ব্যক্ত করার জন্য ‘সুখী’ শব্দের চেয়ে অধিকতর নিখুঁত ও সত্য কোনো শব্দ সে খুঁজে পেল না। ঘুম থেকে ওঠার সময়ে সচরাচর তার যে অনুভূতি হতো, তার তুলনায় এ ছিল এক অদ্ভুত ও বিরল অবস্থা। কারণ সাধারণত রাত জেগে সংবাদপত্রে কাজ করার কারণে সে ভারী মাথা নিয়ে ঘুম থেকে উঠত, অথবা কোনো পার্টিতে অতিরিক্ত পানাহার করার ফলে ক্লান্ত স্নায়ু ও পেটব্যথা নিয়ে তার সকাল শুরু হতো।”


(و) অনুচ্ছেদের অনুবাদ

আরবি মূলপাঠ:

«اللهم إنك تعلم أنى غريب في هذه الدنيا لا سند لى فيها ولا عضد، وأنى فقير لا أملك من متاع الحياة ما أعود به على نفسى وأنى عاجز مستضعف لا أعرف السبيل إلى باب من أبواب الرزق بوجه ولا حيلة، وأن الضربة التي أصابت قلبي قد سحقته سحقا فلم يبق فيه حتى الذماء وإنى أستجيبك أن أمد يدى إلى هذه النفسي التي أودعته بيدك بين جنبى فأنتزعها من مكانها-»

উৎস: আল-মানফালূতী রচিত ‘আল-ইবরাত’-এর অন্তর্ভুক্ত বেদনার্ত আর্তনাদ।

“হে আল্লাহ! নিশ্চয় তুমি জানো যে আমি এই ধরাধামে এক নিঃসঙ্গ পরবাসী মুসাফির; এ জগতে আমার কোনো আশ্রয় নেই, নেই কোনো সহায়তাকারী বাহুবল। আমি এক নিঃস্ব কাঙাল, পার্থিব জীবনের এমন কোনো সম্বল আমার নেই যা দিয়ে আমি নিজের ক্ষুধা মেটাতে পারি। আমি এক অক্ষম ও দুর্বল অসহায় মানুষ, জীবিকার দ্বারে পৌঁছানোর কোনো পথ বা কৌশলই আমার জানা নেই। আর যে তীব্র আঘাত আমার হৃদয়ে হানা দিয়েছে, তা হৃদয়টাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে ধূলিসাৎ করে দিয়েছে, যাতে জীবনের শেষ স্পন্দনটুকুও অবশিষ্ট নেই। আর আমি তোমার দরবারে ফরিয়াদ করছি—আমার পাঁজরের মাঝে তোমার কুদরতী হাতে যে প্রাণবায়ু আমানত রেখেছিলে, আমার নিজ হাত বাড়িয়ে আমি যেন সেটিকে তার স্থান থেকে উপড়ে ফেলতে বাধ্য না হই!”


(ز) অনুচ্ছেদের অনুবাদ

আরবি মূলপাঠ:

«دارت الأيام دورتها فاكتهلت الأم وشب الولد وانتقل صم قلمها إلى قلبه وكان لا بد له أن يعيش، وأن يحسن إلى تلك التي طالما أحسنت إليه فمشى يتصفح وجوه الرزق وجها وجها ويرد مناهله منهلا منهلا، حتى وقف به حظه على مهنة الرسم فأنسى بها، وما زال يعطيها من نفسه وجده حتى مهر فيها، والمهارة لا تدل على صاحبها وحدها، بل هو الذي يدل عليها بحيلته ورقته-»

উৎস: আল-মানফালূতী রচিত ‘আল-ইয়াতীম’ গল্প থেকে সংকলিত।

“কালের চাকা অবিরাম আবর্তিত হতে লাগল। দেখতে দেখতে জননী বার্ধক্যে উপনীত হলেন এবং বালকটি পরিণত যুবকে রূপান্তরিত হলো। মায়ের নীরব আত্মত্যাগের অমোঘ প্রভাব সন্তানের অন্তরে সংক্রমিত হলো। এবার যুবকের বেঁচে থাকা এবং যে জননী সারা জীবন তার জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন তাঁর মুখে হাসি ফোটানো অপরিহার্য হয়ে দাঁড়াল। সে জীবিকার সন্ধানে দ্বারে দ্বারে ঘুরতে লাগল এবং প্রতিটি সম্ভাব্য উৎসের সন্ধান করল। অবশেষে ভাগ্যের অনুকূল ইঙ্গিতে সে চিত্রাঙ্কন পেশায় এসে থিতু হলো এবং এতে পরম স্বস্তি খুঁজে পেল। সে তার মেধা, একাগ্রতা ও মননশীলতা উজাড় করে দিয়ে কাজ করতে লাগল এবং একপর্যায়ে এই শিল্পে অনন্য দক্ষতা অর্জন করল। আর কেবল দক্ষতাই কোনো শিল্পীর পূর্ণ পরিচয় তুলে ধরে না, বরং শিল্পীই তার বুদ্ধিমত্তা ও সূক্ষ্ম সৌন্দর্যানুভূতি দিয়ে নিজের দক্ষতাকে ভাস্বর করে তোলে।”


(ح) অনুচ্ছেদের অনুবাদ

আরবি মূলপাঠ:

«أجل إنه سعيد، وإذا لم تكن هذه هي السعادة فماذا تكون؟ إنه يشعر بأن أعضاءه كاملة لبناء، كاملة الوظيفة وإنها تعمل بانسجام رائع مع بعضها البعض، ومع الدنيا حوله، وهو يجد في باطنه قوة لا تُحَدّ وطاقة لا تُفنى وقدرة على تحقيق كل شيئ بثقة وإتقان وفوز مبين، وقلبه يفيض بالحب للناس والحيوان والأشياء وبإحساس غامر بالتفاؤل والبشر وكأنه لم يعد يحمل هما-»

উৎস: নজীব মাহফূয রচিত ‘আর-রাজুলুস সাঈদ’

“হ্যাঁ, সে সত্যিই পরম সুখী! আর এটি যদি প্রকৃত সুখ না হয়, তবে সুখ আর কী হতে পারে? সে অনুভব করছিল তার শরীরের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিখুঁত গঠনের অধিকারী, পরিপূর্ণ কর্মক্ষম এবং পারস্পরিক এক অনুপম ছন্দে ক্রিয়াশীল; শুধু তাই নয়, তার চারপাশের প্রকৃতির সাথেও তা অপূর্ব সামঞ্জস্যে স্পন্দিত। সে তার অন্তরের গহীনে অনুভব করছিল এক সীমাহীন শক্তি, এক অফুরন্ত প্রাণপ্রাচুর্য এবং পূর্ণ আত্মবিশ্বাস, নিপুণতা ও সুস্পষ্ট বিজয়ের সাথে যেকোনো অসাধ্য সাধন করার সামর্থ্য। তার হৃদয় উপচে পড়ছিল সমগ্র মানবজাতি, পশুপাখি এবং জড়বস্তুর প্রতি নিখাদ ভালোবাসায়; উপচে পড়ছিল এক তীব্র আশাবাদ ও আনন্দের বন্যায়—যেন দুনিয়ার কোনো দুঃখ-কষ্ট বা চিন্তার বোঝাই আর তার কাঁধে অবশিষ্ট নেই।”


٢- أشرح بالعربية ثلاثا من القطعات التالية:

[২. নিচের অনুচ্ছেদগুলো থেকে যে কোনো তিনটির আরবিতে ব্যাখ্যা কর:]

(الف) «وهكذا اجتمع تحت سقف واحد ذانك الصديقان الوفيان»

الشرح الأدبي بالعربية:
هذه العبارة الأدبية البليغة مأخوذة من إحدى قصص الأديب الكبير مصطفى لطفي المنفلوطي، وهي تصور مشهدًا إنسانيًا مفعمًا بالوفاء والرحمة. والمعنى أن الصديقين الحميمين اللذين عاهدا الله على المحبة الصادقة والتضحية، قد جمعت بينهما الأقدار الصعبة تحت سقف واحد بعد فراق طويل وعناء مرير في مواجهة مصاعب الدهر. والكاتب يبرز هنا قيمة الصداقة الحقيقية التي لا تتغير بتغير الزمان ولا تزول بزوال النعم والمال، بل تزداد رسوخًا عند الشدائد، حيث يجد كل منهما في صاحبه الملاذ الآمن والأنس الروحي والتعزية عن قسوة الحياة والفقر.

(সংক্ষিপ্ত বাংলা সারসংক্ষেপ: এটি পরম বিশ্বস্ত দুই বন্ধুর চরম সংকটের মুহূর্তে একই ছাদের নিচে মিলিত হয়ে পারস্পরিক ত্যাগ ও চিরন্তন ভালোবাসার স্মারক হয়ে ওঠার এক মর্মস্পর্শী দৃশ্য।)

(ب) «ثم أسيلت فوق تربتها دمعة كانت هي كل نصيبها من الدنيا»

الشرح الأدبي بالعربية:
يصور المنفلوطي في هذه الجملة المؤثرة نهاية مأساوية لامرأة بائسة ومسكينة عاشت حياتها كلها في شقاء متواصل ومرارة الفقر والحرمان. وعندما وافتها المنية ولم تترك خلفها مالاً ولا دارًا، لم تجد من مظاهر التكريم والوداع في هذه الدنيا الفانية سوى دمعة حارة صادقة سقطت من عين ولدها البار على قبرها المتواضع. والعبارة تدل على فلسفة الكاتب في تصوير بؤس الفقراء، وأن أثمن ما يملكه المحرومون ليس هو حطام الدنيا، بل عاطفة صادقة ودمعة وفاء تسكب عند الفراق.

(সংক্ষিপ্ত বাংলা সারসংক্ষেপ: নিঃস্ব ও ত্যাগী জননীর কবরে সন্তানের চোখ থেকে গড়িয়ে পড়া অশ্রুবিন্দুই ছিল এই দুনিয়া থেকে তাঁর জীবনের একমাত্র প্রাপ্তি।)

(ج) «ما أسعد الأمهات اللواتي يسبقن أولادهن إلى القبور!»

الشرح الأدبي بالعربية:
ينطق الكاتب هنا بحقيقة نفسية مؤلمة تفيض بالحزن؛ فالأمومة عاطفة فطرية جياشة، وأعظم فاجعة تصيب قلب الأم هي أن ترى فلذة كبدها يموت أمام عينيها ويدفن تحت التراب بينما هي على قيد الحياة تكتوي بنار الفراق. لذلك يرى المنفلوطي أن الأمهات اللاتي يتوفاهن الله قبل أولادهن هن في حقيقة الأمر سعيدات؛ لأنهن استرحن من عذاب رؤية موت الأبناء، ورحلن عن الدنيا وهن مطمئنات على حياة أبنائهن، ولم يتجرعن غصة الثكل القاتلة التي لا تندمل أبدًا.

(সংক্ষিপ্ত বাংলা সারসংক্ষেপ: যে মা সন্তানের মৃত্যুর পূর্বে পরপারে চলে যান তিনি সৌভাগ্যবতী, কারণ তাঁকে নিজ চোখের সামনে সন্তানের মৃত্যুশোক সহ্য করতে হয়নি।)

(د) «وقلت لا بد أن يكون وراء هذا المنظر الضارع الشاحب نفس قريحة معذبة»

الشرح الأدبي بالعربية:
يعبر الكاتب عن دقة بصيرته النفسية وعمق تعاطفه مع الإنسان المعذب؛ فعندما رأى ملامح ذلك الشاب الشاحبة وجسده النحيل وعينيه الذابلتين، أدرك بفطنته أن هذا المظهر الخارجي البائس ليس مجرد مرض جسدي عارض، وإنما هو انعكاس لألم داخلي دفين، ونفس محطمة تكتوي بنار الحزن والهموم الخفية. فالوجه مرآة الروح، وكل جسد نحيل ضارع يحمل خلفه قصة مأساة ومعاناة لا يعلمها إلا الله.

(ه) «طوبى لمن يخلو الإنسان من هموم»

الشرح الأدبي بالعربية:
هذه العبارة كلمة حكمة وغبطة؛ وكلمة ‘طوبى’ تعني دوام الخير والسعادة وحسن المآل في الدنيا والآخرة. فالإنسان في هذه الحياة الدنيا محاط بالأكدار والمخاوف والهموم المتعلقة بالرزق والمرض ومستقبل الأيام، فمن وفقه الله تعالى لراحة البال وصلاح الحال وخلو الصدر من الأحقاد والهموم، فقد حاز النعيم الحقيقي الذي لا يشترى بكنوز الأرض.


٣- أجب بالعربية عن ثلاثة من الأسئلة التالية:

[৩. আরবিতে যে কোনো তিনটি প্রশ্নের উত্তর দাও:]

(الف) نبذة من حياة مصطفى لطفي المنفلوطي (আল-মানফালূতীর সংক্ষিপ্ত জীবনী)

الإجابة بالعربية:
১. اسمه ومولده: هو مصطفى لطفي بن محمد حسن لطفي المنفلوطي، أديب وشاعر مصري نابغة، وأحد رواد النهضة الأدبية والإنشائية في العصر الحديث. وُلد في مدينة ‘منفلوط’ بمحافظة أسيوط في صعيد مصر عام ١٢٩٣هـ الموافق ١٨٧٦م، من أسرة شريفة حسينية توارثت القضاء والرياسة الشرعية.
২. نشأته وتعليمه: حفظ القرآن الكريم في كتاب بلدته وهو في التاسعة من عمره، ثم أرسله والده إلى الجامع الأزهر الشريف بالقاهرة، فتلقى علوم اللغة العربية والدين والأدب لمدة عشر سنوات. وكان شغوفًا بقراءة كتب التراث العربي القديم كالجاحظ وابن المقفع والمتنبي.
৩. أسلوبه الأدبي: تميز أسلوبه بالرقة والعذوبة والبيان البديع الموسيقي، والبعد عن التكلف والسجع الممقوت. وتغلب على كتاباته النبرة الحزينة والشفقة على الفقراء والمستضعفين.
৪. أهم مؤلفاته: كتاب «النظرات» (ثلاثة أجزاء)، وكتاب «العبرات»، وروايات معربة من الأدب الفرنسي مثل: «في سبيل التاج»، و«الفضيلة» (بول وفرجيني)، و«ماجدولين»، و«الشاعر».
৫. وفاته: توفي المنفلوطي بالقاهرة في شوال ١٣٤٢هـ الموافق يوليو ١٩٢٤م، وترك بصمة خالدة في النثر العربي الحديث.


(ب) تعريف النثر وبيان أنواعه (গদ্যের সংজ্ঞা ও প্রকারভেদ)

الإجابة بالعربية:
১. تعريف النثر:
النثر في اللغة هو الإشاعة والإلقاء والتفريق. وفي الاصطلاح الأدبي: «هو الكلام الجميل المنسق البليغ الذي لا يتقيد بوزن شعري ولا قافية محددة، ويعتمد على العقل والمنطق وسلامة الفكرة مع جمال الأسلوب وحسن التعبير»

.
২. أنواع النثر العربي: ينقسم النثر إلى قسمين رئيسيين:
القسم الأول: النثر الفني الأدبي (الإنشائي): وهو الذي يخاطب العاطفة والوجدان بأسلوب رفيع وتصوير بديع، ومن أهم أنواعه الحديثة:

  • المقالة الأدبية (Essay): قطعة نثرية متوسطة الطول تعالج فكرة معينة بأسلوب شائق.
  • القصة والرواية (Novel and Short Story): تصوير أحداث وشخصيات واقعية أو خيالية ضمن حبكة فنية.
  • المسرحية النثرية (Drama): نصوص أدبية قائمة على الحوار والصراع لتمثيلها على المسرح.
  • الخطابة (Oratory): فن مشافهة الجماهير للتأثير فيهم وإقناعهم.
  • الرسائل الأدبية (Epistles): المراسلات الوجدانية والإخوانية والديوانية.

القسم الثاني: النثر العلمي (التفسيري): وهو الكلام الذي ينقل الحقائق العلمية والتاريخية بعبارات واضحة مجردة من الخيال والعاطفة.


(ج) من هو يحيى حقي في النثر العربي؟ (ইয়াহইয়া হাক্কীর পরিচয়)

الإجابة بالعربية:
يحيى حقي (١٩٠٥ – ١٩٩٢م): هو كاتب وروائي وأديب مصري رائد، يُعد واحدًا من الآباء المؤسسين للقصة القصيرة والرواية الحديثة في الأدب العربي، ولُقّب بـ «صاحب القنديل»

و«عاشق الكلمة».
حياته وإنجازاته: تخرج في مدرسة الحقوق عام ١٩٢٥م، وعمل في السلك الدبلوماسي المصري وسافر إلى دول أوروبية وعربية، مما أتاح له الاطلاع العميق على الآداب العالمية. تميز أسلوبه بالإيجاز المعجز، ودقة التصوير، والاهتمام بالطبقات الكادحة والشعبية المصرية البسيطة.
أشهر أعماله: رائعته الخالدة «قنديل أم هاشم» التي عالجت الصراع الحضاري بين الشرق والغرب، ومجموعته «دماء وطين»، و«صح النوم»، و«أم العواجز». نال جائزة الدولة التقديرية وجائزة الملك فيصل العالمية للأدب العربي عام ١٩٩٠م.


(د) خلاصة قصة ‘الرجل السعيد’ لنجيب محفوظ (‘সুখী মানুষ’ গল্পের সারসংক্ষেপ)

الإجابة بالعربية:
قصة «الرجل السعيد» هي إحدى أروع القصص الرمزية الفلسفية للأديب العالمي نجيب محفوظ، نشرت ضمن مجموعته القصصية «خمارة القط الأسود» (١٩٦٩م).
ملخص القصة: تبدأ الأحداث مع بطل القصة (الأستاذ عماد) الذي يستيقظ ذات صباح ليجد نفسه مغمورًا بحالة مفاجئة وغير مسبوقة من ‘السعادة المطلقة’ والبهجة الشاملة دون أي سبب خارجي مبرر. يشعر بأن العالم كله جميل، ويمتلئ قلبه بحب كل الناس وحتى الحيوانات والأشياء، وتختفي من ذاكرته كل الهموم والأحقاد.
لكن هذه السعادة المفرطة تتحول تدريجيًا إلى عبء ومأساة؛ فالناس من حوله في العمل والشارع لا يفهمون حالته وينظرون إليه بريبة وسخرية. وعندما يذهب إلى الطبيب شاكيًا من هذه السعادة غير الطبيعية، يحيله الطبيب إلى طبيب نفسي! وهنا يطرح نجيب محفوظ تساؤله الفلسفي العميق: هل الإنسان العصري مهيأ للعيش في سعادة نقية؟ أم أن مجتمعنا الحديث أصبح غارقًا في المادية والهموم لدرجة أن من يبتسم بسعادة يُعد مريضًا وشاذًا؟


(ه) خصائص قصة النثر الحديث (আধুনিক গদ্য গল্পের বৈশিষ্ট্যসমূহ)

الإجابة بالعربية:
تميزت القصة في النثر العربي الحديث بعدة خصائص ومقومات فنية جعلتها تختلف عن المقامات والحكايات القديمة، ومن أبرزها:

  1. الوحدة الفنية والموضوعية: التركيز على موقف محدد أو شخصية رئيسية لتحقيق انطباع شعوري موحد لدى القارئ.
  2. الواقعية ومعالجة قضايا المجتمع: تصوير هموم الناس البسطاء، ومكافحة الفقر والظلم الاجتماعي، ونقد التخلف والخرافات.
  3. التحليل النفسي للشخصيات: الغوص في أعماق النفس البشرية والكشف عن الصراعات الداخلية والمشاعر المتباينة.
  4. اللغة الحية السلسة: التخلص من التكلف اللفظي والسجع القديم، واستخدام لغة عربية فصيحة ومعاصرة تجمع بين الجمال والوضوح.
  5. الحبكة الفنية والصراع الدرامي: بناء القصة على هيكل محكم يتدرج من البداية والعقدة وتأزم الأحداث وصولاً إلى الحل أو النهاية المفتوحة.

٤- أجب عن أربعة من الأسئلة التالية:

[৪. নিচের প্রশ্নগুলোর মধ্য থেকে যে কোনো চারটির উত্তর দাও:]

(الف) اكتب ثلاثة مؤلفات المنفلوطى-

[(ক) আল-মানফালূতীর তিনটি গ্রন্থের নাম লেখ।]

মুস্তফা লুৎফী আল-মানফালূতী রচিত বিশ্ববিখ্যাত তিনটি প্রামাণ্য গ্রন্থ হলো:

  1. আন-নাজ়ারাত (النظرات): তিন খণ্ডে সমাপ্ত তাঁর মৌলিক সামাজিক, নৈতিক ও ধর্মীয় প্রবন্ধ সংকলন।
  2. আল-ইবারাত (العبرات): বাস্তব জীবনের হৃদয়বিদারক ট্র্যাজেডি নিয়ে রচিত ৯টি বিখ্যাত ছোটগল্পের সংকলন।
  3. ফী সাবীলিত তাজ (في سبيل التاج): ফরাসি সাহিত্যিক ফ্রাঁসোয়া কোপের নাটক অবলম্বনে রচিত দেশপ্রেমের অমর আখ্যান।

(ب) متى سقطت غرناطة؟ ومن هو أخر ملوكها؟ بين موجزًا-

[(খ) গ্রানাডার পতন কবে হয়েছিল এবং এর শেষ সুলতান কে ছিলেন? সংক্ষেপে বর্ণনা কর।]

১. পতনের সাল: হিজরী ৮৯৭ সালের ২রা রবিউল আউয়াল মোতাবেক ১৪৯২ খ্রিস্টাব্দের ২রা জানুয়ারি মুসলিম স্পেনের সর্বশেষ দুর্গ গ্রানাডার (غرناطة) পতন ঘটেছিল।
২. শেষ সুলতান: গ্রানাডার বনু নাসর (নাসরী) বংশের শেষ সুলতান ছিলেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ দ্বাদশ (أبو عبد الله محمد الثاني عشر), যাঁকে স্প্যানিশ ইতিহাসে ‘বোয়াবদিল’ (Boabdil) বলা হয়। খ্রিস্টান রাজা ফার্দিনান্দ ও রাণী ইসাবেলার কাছে আত্মসমর্পণের পর তিনি মরক্কোর ফেজ শহরে নির্বাসিত হন।


(ج) ما العبرة في قصة ‘اليتيم’ للمنفلوطى؟ اكتب-

[(গ) আল-মানফালূতীর ‘আল-ইয়াতীম’ (এতিম) গল্পের মূল শিক্ষা কী? লেখ।]

আল-মানফালূতীর ‘আল-ইয়াতীম’ গল্পের মূল শিক্ষণীয় বিষয়সমূহ নিম্নরূপ:

  • মা-বাবার নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগের কৃতজ্ঞতা: পিতা-মাতা সন্তানের মুখে হাসি ফোটাতে গিয়ে কীভাবে তিলে তিলে নিজের জীবন বিলিয়ে দেন, তা উপলব্ধি করে তাঁদের প্রতি আজীবন সেবা ও শ্রদ্ধা নিবেদন করা।
  • শ্রমের মর্যাদা ও আত্মনির্ভরশীলতা: চরম দারিদ্র্যের মাঝেও ভিক্ষাবৃত্তি না করে হালাল উপার্জনের মাধ্যমে কঠোর পরিশ্রমের বদৌলতে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়া।
  • পার্থিব জীবনের নশ্বরতা: অর্থ-সম্পদ চিরস্থায়ী নয়, বরং সততা, মানবপ্রেম ও ধৈর্যই হলো মানুষের প্রকৃত সম্বল।

(د) من هو الرجل السعيد في قصة ‘الرجل السعيد’؟

[(ঘ) ‘আর-রাজুলুস সাঈদ’ গল্পের সুখী মানুষটি কে?]

নজীব মাহফূযের প্রতীকী ছোটগল্প ‘আর-রাজুলুস সাঈদ’-এর কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো উস্তায ইমাদ (الأستاذ عماد)। সে একজন মধ্যবয়সী প্রতিষ্ঠিত সংবাদকর্মী বা বুদ্ধিজীবী। সে একদিন ভোরে কোনো বাহ্যিক কারণ ছাড়াই নিজের অন্তরে এক অলৌকিক ও পরম সুখের অনুভূতি লাভ করে, যা চারপাশের ভোগবাদী সমাজের কাছে মানসিক ভারসাম্যহীনতা বলে মনে হয়েছিল।


(ه) من الشهداء في قصة ‘الشهداء’ للمنفلوطى؟

[(ঙ) আল-মানফালূতীর ‘আশ-শুহাদা’ গল্পের শহীদ কারা?]

আল-মানফালূতীর ‘আশ-শুহাদা’ (الشهداء) গল্পে মূলত রূপকার্থে সমাজ ও পারিপার্শ্বিকতার নির্মমতায় জীবন উৎসর্গকারী নির্দোষ ব্যক্তিদের শহীদ আখ্যা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে সমাজের তথাকথিত ধনিক শ্রেণীর অবিচার, মিথ্যা সামাজিক মর্যাদা ও অর্থলিপ্সার যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে যে সৎ ও প্রেমময় তরুণ-তরুণী বা আত্মত্যাগী মানুষেরা অকালে আত্মাহুতি দিতে বাধ্য হয়, তারাই হলেন এই গল্পের মর্মস্পর্শী শহীদ।


(و) متى حصل نجيب محفوظ على جائز نوبل؟ ولماذا؟

[(চ) নজীব মাহফূয কবে নোবেল পুরস্কার পান এবং কেন?]

১. নোবেল প্রাপ্তির সাল: প্রখ্যাত মিশরীয় ঔপন্যাসিক নজীব মাহফূয ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দে সাহিত্যে মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ছিলেন আরবি সাহিত্যের ইতিহাসে নোবেল জয়ী প্রথম সাহিত্যিক।
২. নোবেল প্রাপ্তির কারণ: সুইডিশ নোবেল একাডেমি তাঁর মূল্যায়নে উল্লেখ করেছিল: “তিনি এমন এক অনন্য কথাসাহিত্য সৃষ্টি করেছেন যা সমৃদ্ধ সূক্ষ্ম বাস্তববাদ ও মননশীল রূপকের সমন্বয়ে সমগ্র মানবজাতির জন্য একটি সর্বজনীন আবেদন তৈরি করেছে।” বিশেষ করে তাঁর সুবিখ্যাত ‘কায়রো ট্রিলজি’ (বাইনাল কাসরাইন, কাসরুশ শাওক্ব, আস-সুক্কারিয়্যাহ)-তে কায়রোর মধ্যবিত্ত জীবনের তিন প্রজন্মের সামাজিক, রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক রূপ নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য তাঁকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।


সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. আধুনিক গদ্য-২ বিষয়ের বিষয় কোড কত?

ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাজিল (অনার্স) ৪র্থ বর্ষের আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের আধুনিক গদ্য-২ বিষয়ের কোড হলো ২০৪৪০৪।

২. মুস্তফা লুৎফী আল-মানফালূতী কোন সাহিত্য ধারার জন্য বিখ্যাত?

তিনি আধুনিক আরবি গদ্যে অনুভূতিপ্রবণ রোমান্টিক শৈলী, সমাজকল্যাণমূলক বাস্তববাদ এবং প্রাঞ্জল সঙ্গীতময় ভাষাভঙ্গির জন্য প্রবাদপুরুষ হিসেবে স্বীকৃত।

৩. আরবি সাহিত্যে প্রথম নোবেল বিজয়ী কে?

আরবি সাহিত্যে সর্বপ্রথম ও একমাত্র নোবেল বিজয়ী লেখক হলেন মিশরের বিশ্বনন্দিত কথাশিল্পী নজীব মাহফূয (১৯৮৮ সালে)।

৪. ‘আল-ইবারাত’ গ্রন্থে মোট কয়টি গল্প অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?

আল-মানফালূতীর অমর ছোটগল্প সংকলন ‘আল-ইবারাত’-এ বাস্তব জীবন ও সমাজ সংস্কারের ওপর ভিত্তি করে মোট ৯টি হৃদয়স্পর্শী ট্র্যাজেডি গল্প রয়েছে।

৫. মুসলিম স্পেনের শেষ রাজধানী গ্রানাডার পতন কবে হয়?

১৪৯২ খ্রিস্টাব্দের ২রা জানুয়ারি রাজা ফার্দিনান্দ ও রাণী ইসাবেলার সম্মিলিত খ্রিস্টান বাহিনীর নিকট গ্রানাডার শেষ সুলতান আবু আব্দুল্লাহর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে পতন ঘটে।

৬. আধুনিক আরবি গদ্য ও প্রাচীন গদ্যের প্রধান পার্থক্য কী?

প্রাচীন গদ্য ছিল বহুল অলঙ্কার ও কঠিন সজ্জাময় (যেমন মাক্বামাত); পক্ষান্তরে আধুনিক গদ্য হলো সোজাসাপ্টা, বাস্তবধর্মী, মনস্তাত্ত্বিক এবং সাধারণ মানুষের জীবনের গল্পভিত্তিক।

টেলিটক ছবি ও স্বাক্ষর রিসাইজার (৩০০×৩০০ ও ৩০০×৮০)
সরকারি চাকরি ও ভর্তির অনলাইন আবেদনের জন্য ছবি ও সইয়ের মাপ ঠিক রাখুন ১০০% নির্ভুলভাবে।
ছবি ও সই রিসাইজ করুন