পরীক্ষা কোড: 204 | প্রশ্নপত্র কোড: 141
اختبار السنة الرابعة للفاضل (البكالوريوس) (الشرف)، لعام ۲۰۲۳
[ফাজিল স্নাতক (সম্মান) চতুর্থ বর্ষ পরীক্ষা, ২০২৩]
اللغة العربية وآدابها
[আরবি ভাষা ও সাহিত্য]
النثر الحديث-٢
[আধুনিক গদ্য-২]
বিষয় কোড: 204404
الوقت — ٤ ساعات | الدرجة الكاملة — ٨٠
[সময় — ৪ ঘণ্টা | পূর্ণমান — ৮০]
الملاحظة : أجب عن الأسئلة التالية- والأعداد بالهامش تدل على الدرجة الكاملة-
١- ترجم ستا من القطعات التالية:
[১. নিচের অনুচ্ছেদগুলো থেকে যেকোনো ছয়টির বাংলা অনুবাদ কর:]
(أ) دارت الأيام دورتها فاكتهلت الأم وشبّ الولد وانتقل همّ قلبها إلى قلبه وكان لا بد له أن يعيش، وأن يحس إلى تلك التي طالما أحسنت إليه فمشى يتصفح وجوه الرزق وجها وجها ويرد مناهله منهلا منهلا، حتى وقف به حظه على مهنة الرسم فأنسى بها، وما زال يعطيها من نفسه وجده حتى مهر فيها، والمهارة لا تدل على صاحبها وحدها بل هو الذي يدل عليها بجرأته ورقته-
[১. (ক) বাংলা অনুবাদ:]
“দিন আবর্তিত হতে লাগল। ফলে মা প্রৌঢ়ত্বে উপনীত হলেন আর ছেলেটি যৌবনে পদার্পণ করল। তখন মায়ের হৃদয়ের যাবতীয় দুশ্চিন্তা ও বোঝা সন্তানের হৃদয়ে স্থানান্তরিত হলো। তার জন্য বেঁচে থাকা এবং সেই মহীয়সী নারীর প্রতি অনুগ্রহ প্রদর্শন করা অপরিহার্য হয়ে দাঁড়াল, যিনি দীর্ঘকাল তার প্রতি অশেষ অনুগ্রহ করে এসেছেন। সুতরাং সে জীবিকার পথগুলোর এক একটি পথ অনুসন্ধান করতে লাগল এবং তার এক একটি উৎসে সন্ধান চালাতে লাগল। অবশেষে ভাগ্য তাকে চিত্রাঙ্কন পেশার সন্ধান এনে দিল এবং সে তাতে পরম আত্মতৃপ্তি লাভ করল। সে তার সমগ্র সত্তা ও নিষ্ঠা দিয়ে তাতে শ্রম দিতে থাকল, অবশেষে সে এই শিল্পে পূর্ণ পারদর্শিতা অর্জন করল। বস্তুত দক্ষতা নিজে একা তার অধিকারীর পরিচয় তুলে ধরে না, বরং ব্যক্তি নিজেই তার সাহস ও নান্দনিক রুচিবোধ দিয়ে সেই দক্ষতার প্রমাণ দেয়।”
(ب) وقف ابو عبد الله آخر ملوك غرناطة بعد انكساره أمام جيوش الملك فرديناند والملكة إيزابيلا على شاطئ الخليج الرومي تحت ذيل جبل طارق قبل نزوله إلى السفينة المعدة لحمله إلى أفريقيا وقد وقف حوله نساءه وأولاده وعظماء قومه من بنى أحمر فألقى على ملكه الذاهب نظرة طويلة لم يستوضحها إلا مبللة بالدمع- ثم أدنى رداءه من وجهه وأنشأ يبكى بكاء مرا وينشج نشيجا محزنا، حتى بكى من حوله لبكائه-
[১. (খ) বাংলা অনুবাদ:]
“গ্রানাডার সর্বশেষ মুসলিম সুলতান আবু আব্দুল্লাহ (মুহাম্মদ আস-সাগীর) রাজা ফার্দিনান্দ ও রানি ইসাবেলার যৌথ বাহিনীর কাছে শোচনীয় পরাজয়ের পর ভূমধ্যসাগরের উপকূলে জাবালুত তারিকের (জিব্রাল্টার) পাদদেশে এসে দাঁড়ালেন— আফ্রিকায় নির্বাসনে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত জাহাজে ওঠার ঠিক পূর্বমুহূর্তে। তখন তাঁর চারপাশে দাঁড়িয়েছিল তাঁর স্ত্রীগণ, সন্তানসন্ততি এবং বনু আহমারের সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিবর্গ। তিনি তাঁর হারানো সাম্রাজ্যের দিকে এক সুদীর্ঘ দৃষ্টি নিক্ষেপ করলেন, যা অশ্রুসিক্ত চোখ ছাড়া তিনি আর স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলেন না। অতঃপর তিনি নিজের চাদরটি মুখের কাছে টেনে আনলেন এবং কান্নায় ভেঙে পড়লেন— এক হৃদয়বিদারক আর্তনাদ ও করুণ ক্রন্দন করতে লাগলেন, এমনকি তাঁর কান্নার গভীরতায় তাঁর চারপাশের সকলেই ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠল।”
(ج) في الساعة التي دفن فيها هذان الشهيدان تحت تلك الشجرة المورقة على شاطئ ذلك النهر الجاري مرت بكوخ العجوز امرأة من جارتها كانت تعتادها الزيارة من حين إلى حين، فنظرت إلى مكانها الذي اعتادت أن تتخذه من حافة ذلك القبر المفتوح فرأته خاليا فأشرفت على الحفرة فوجدتها متردية فيها متلففة بترابها لا حراك بها-
[১. (গ) বাংলা অনুবাদ:]
“যে মুহূর্তে সেই প্রবহমান নদীর তীরে পত্রপল্লবে সুশোভিত বৃক্ষতলে এই দুই শহীদকে সমাহিত করা হলো, ঠিক সেই সময় বৃদ্ধা মায়ের কুটিরের পাশ দিয়ে তাঁর এক প্রতিবেশী নারী অতিক্রম করছিল, যে মাঝেমধ্যেই বৃদ্ধাকে দেখতে আসত। সে উন্মুক্ত কবরের কিনারায় বৃদ্ধার বসার স্বাভাবিক স্থানটির দিকে তাকাল, কিন্তু তা শূন্য দেখতে পেল। অতঃপর সে কবরের গহ্বরের মধ্যে উঁকি দিল এবং দেখতে পেল বৃদ্ধা সেই গর্তের ভেতরে নিথর পড়ে আছেন, তাঁর দেহ কবরের ধুলোবালিতে জড়িয়ে রয়েছে এবং তাতে জীবনের বিন্দুমাত্র স্পন্দন নেই।”
(د) سكن الغرفة العليا من المنزل المجاور لمنزلي من عهد قريب فتى في التاسعة عشر أو العشرين من عمره، وأحسب أنه طالب من طلبة المدارس العليا أو الوسطى في مصر، فقد كنت أراه من نافذة غرفة مكتبي، وكانت على حيال بعض نوافذ غرفته فأرى أمامي فتى شاحبا نحيلا منقبضا جالسا إلى مصباح منير في إحدى زوايا الغرفة ينظر في كتاب أو يكتب في دفتر ليستظهر قطعة أو يحفظ درسا فلم اكن أحفل بشيئ من أمره حتى عدت إلى منزلي-
[১. (ঘ) বাংলা অনুবাদ:]
“সম্প্রতি আমার বাড়ির পাশের ভবনের ওপরের তলার একটি কামরায় উনিশ কিংবা বিশ বছর বয়সী এক তরুণ বসবাস করতে শুরু করেছিল। আমার ধারণা সে ছিল মিসরের কোনো উচ্চ বা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। কেননা আমি আমার পড়ার ঘরের জানালা থেকে তাকে দেখতে পেতাম, যা তার ঘরের কয়েকটি জানালার মুখোমুখি ছিল। আমি আমার সম্মুখে এক পাণ্ডুরবর্ণ, শীর্ণকায় ও বিষণ্ন তরুণকে দেখতে পেতাম, যে কামরার এক কোণে একটি প্রজ্বলিত প্রদীপের সামনে বসে থাকত; সে কোনো কিতাবের দিকে তাকিয়ে থাকত অথবা কোনো অনুচ্ছেদ মুখস্থ করতে কিংবা পড়া মুখস্থ করতে খাতায় কিছু লিখত। তবে আমি সেদিন বাড়ি ফিরে আসার পূর্ব পর্যন্ত তার বিষয়ে কোনো বিশেষ কৌতূহল বোধ করিনি।”
(هـ) لم يبق لها بعد موت زوجها وأبويها إلا ولد صغير يؤنسها، وأخ شفيق يحنو عليها، وصبابة من المال تترشف الرزق منها ترشفا مصانعة للدهر فيها- أما الصبابة فقد نفدت، وأما الأخ فقد ضمه الدهر ضمة ذهبت بماله وبجميع ما تملك يده فهاجر هجرة بعيدة لا تعرف مصيره فيها، فأصبحت من بعده لا تملك مالا، ولا عضدا-
[১. (ঙ) বাংলা অনুবাদ:]
“স্বামী এবং পিতা-মাতার মৃত্যুর পর তার জন্য একমাত্র সান্ত্বনা দেওয়ার মতো একটি ছোট সন্তান, তার প্রতি পরম স্নেহশীল এক ভাই এবং সামান্য কিছু অবশিষ্টাংশ সম্পদ ছাড়া আর কিছুই বাকি ছিল না, যা দিয়ে সে কালের সাথে আপস করে কোনোমতে অল্প অল্প গ্রাস করে বেঁচে ছিল। কিন্তু সেই যৎসামান্য সম্পদটুকুও নিঃশেষ হয়ে গেল; আর ভাইয়ের ওপর কালের এমন নির্মম আঘাত নেমে এল যা তার সমস্ত অর্থসম্পদ ও হাতের সবকিছু কেড়ে নিল। ফলে সে এক দূর দেশে হিজরত করল যার পরিণতি সম্পর্কে বোনের কিছুই জানা ছিল না। পরিণামে সে ভাইয়ের প্রস্থানের পর সম্পূর্ণ নিঃস্ব হয়ে পড়ল— না রইল কোনো সম্পদ, না রইল কোনো সহায়তাকারী।”
(و) طارت شهرة الأمير النبيل بين الناس وتزاحموا حول الموكب لا ليروا القديس، فهم لا يجهلونه، بل ليتطلعوا إلى النبيل الوسيم كيف يبدو في ثياب الراهب- ينصرف الرجال عن الموكب وهم أرضى نفسا وأهنأ بطعامهم وشرابهم- أما الأمهات والجدات فكن يسبحن لله الذي سبقت إرادته، فاختار هذا الوليد لحياة كلها حرمانا وقسوة، وما كان أجدر شبابه بالتمتع واللعب-
[১. (চ) বাংলা অনুবাদ:]
“অভিজাত যুবরাজের সুখ্যাতি মানুষের মাঝে বিদ্যুৎগতিতে ছড়িয়ে পড়ল এবং শোভাযাত্রার চারপাশে মানুষ ভিড় জমাল— সাধু বা সন্তকে দেখার জন্য নয়, কারণ তিনি তাদের অজানা ছিলেন না; বরং সেই রূপবান অভিজাত পুরুষকে সন্ন্যাসীর পোশাকে কেমন দেখায় তা একপলক দেখার জন্য। পুরুষেরা সেই শোভাযাত্রা থেকে অত্যন্ত প্রফুল্লচিত্তে এবং নিজেদের পানাহারে তৃপ্তির অনুভূতি নিয়ে ফিরে যেত। পক্ষান্তরে মা ও দিদিমাগণ সেই মহান আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছিলেন যাঁর পূর্বনির্ধারিত ইচ্ছা কার্যকর হয়েছে, যিনি এই নবীন যুবককে এমন এক জীবনের জন্য মনোনীত করেছেন যা কেবল বঞ্চনা ও কঠোরতায় পূর্ণ; অথচ তার এই তারুণ্য তো আনন্দ-উপভোগ ও জীবনের উল্লাসের জন্যই সর্বাধিক উপযুক্ত ছিল।”
(ز) اللهم إنك تعلم أني غريب في هذه الدنيا لا سند لي فيها ولا عضد، وأني فقير لا أملك من متاع الحياة ما أعود به على نفسي وأني عاجز مستضعف لا أعرف السبيل إلى باب من أبواب الرزق بوجه ولا حيلة، وأن الضربة التي أصابت قلبي قد سحقته سحقا فلم يبق فيه حتى الذماء وإني أستحييك أن أمد يدى إلى هذه النفس التي أودعتها بيدك بين جنبي-
[১. (ছ) বাংলা অনুবাদ:]
“হে আল্লাহ! নিশ্চয় তুমি জানো আমি এই ধরাধামে এক নিঃসঙ্গ পরবাসী; এখানে আমার কোনো অবলম্বন নেই, কোনো সাহায্যকারী বাহু নেই। আমি এক নিঃস্ব কাঙ্গাল, আমার কাছে পার্থিব জীবনের এমন কোনো সম্পদ নেই যা দিয়ে আমি নিজেকে টিকিয়ে রাখব। আমি এক অক্ষম ও দুর্বল ব্যক্তি, জীবিকা উপার্জনের কোনো দরজার পথ বা কোনো উপায়ই আমার জানা নেই। আর যে নির্মম আঘাত আমার হৃদয়ে হানা দিয়েছে তা আমার অন্তরকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দিয়েছে, তাতে জীবনের অন্তিম নিঃশ্বাসটুকুও আর অবশিষ্ট নেই। তবে তোমার প্রতি আমার চরম লজ্জা ও ভয় জাগে যে, তুমি নিজ কুদরতি হাতে আমার বক্ষপঞ্জরের মাঝে যে পবিত্র আত্মাটি গচ্ছিত রেখেছ, আমি নিজ হাতে সেই আত্মার ওপর আঘাত হানব (আত্মহত্যা করব)।”
(ح) وقف الأمير أمام قصر الحمراء فرأى سماء تطاول السماء، وطودا يناطح الجوزاء، وهضبة تشرف على الهضاب، وسحابة تمر فوق السحاب، وجبلا تحسر عن قمته العيون، وتضل في جوانبه الظنون، وحصنا تتقاصر عنه يد الأيام، وتتهالت من حوله السنون والأعوام، ثم دخل فإذا ملك كبير وجنة وحرير، وقباب تفضى إليها النجوم بالأسرار، وأبراج تنزلق عن سطوحها يد الأقدار، وصحون مفروشة بألوان الحصباء-
[১. (জ) বাংলা অনুবাদ:]
“যুবরাজ আল-হামরা প্রাসাদের সম্মুখে এসে দাঁড়ালেন; তিনি দেখতে পেলেন যেন এক সুবিশাল আকাশ যা নীলাকাশকেও ছাড়িয়ে যেতে চায়, এক উত্তুঙ্গ পর্বত যা কালপুরুষ নক্ষত্রমণ্ডলীকে স্পর্শ করতে উদ্যত, এমন এক শৈলশিখর যা চারপাশের পাহাড়গুলোর ওপর আধিপত্য বিস্তার করে আছে, এক মেঘমালা যা মেঘের ওপর দিয়ে ভেসে যায়, এমন এক গিরিচূড়া যার উচ্চতা দেখতে গিয়ে চোখ ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং যার বাঁকে বাঁকে মানুষের কল্পনা হারিয়ে যায়। এক দুর্ভেদ্য দুর্গ যার সম্মুখে মহাকালের হাতও খাটো হয়ে যায় এবং যার পদপ্রান্তে শত শত শতাব্দী ও বছর বিলীন হয়ে গেছে। অতঃপর তিনি ভেতরে প্রবেশ করলেন; সেখানে দেখতে পেলেন এক বিশাল সাম্রাজ্য, মনোরম কানন, রেশমবস্ত্র, এমন সব গম্বুজ যার কাছে নক্ষত্ররাজি তাদের গোপন রহস্য প্রকাশ করে, এমন সব সুউচ্চ মিনার যার প্রাচীর বেয়ে নিয়তির হাতও পিছলে পড়ে এবং রঙিন মণিমুক্তা ও নুড়ি পাথরে সুসজ্জিত সুরম্য চত্বর।”
(ط) يا بني! أحمد الله أن هداك أنت ومن معك للحق ……… على يدي! إن الطريق الذي تريد أن تسلكه وعر، لا يقوى عليه إلا القديسون أمثالي؛ فامكث مكانك وأقبل على عملك، واسكن إلى زوجك، وداعب أولادك وبناتك، وأشرف على شئون خدمك وحشمك، حقولك وضياعك، وتمتع بأكلك وشربك، على أن تعدني أن تفعل الخير وتذكر الله- تمثله لنفسك في كل لحظة حتى تعلم أن كل ما حولك زائل، وأنك ملاق ربك فمحاسبك حسابا لا يضيع فيه مثقال ذرة من خير وشر-
[১. (ঝ) বাংলা অনুবাদ:]
“হে আমার বৎস! আমি আল্লাহর শোকরিয়া আদায় করছি যিনি আমার মাধ্যমে তোমাকে এবং তোমার সঙ্গীদের সত্যের সঠিক পথ প্রদর্শন করেছেন। তবে তুমি যে দুর্গম পথে চলতে চাইছ তা অত্যন্ত বন্ধুর ও কণ্টকাকীর্ণ; আমার মতো সিদ্ধপুরুষ ব্যতীত কেউ তার ভার বহন করতে সক্ষম নয়। অতএব তুমি তোমার স্থানেই অবস্থান কর, তোমার কাজে মনোনিবেশ কর, তোমার স্ত্রীর সান্নিধ্যে শান্তি খোঁজো, তোমার পুত্র-কন্যাদের সাথে স্নেহভরে খেলাধুলা কর, তোমার ভৃত্য-পরিজন, কৃষিক্ষেত ও সহায়-সম্পত্তির তত্ত্বাবধান কর এবং আনন্দচিত্তে পানাহার উপভোগ কর। কেবল এই শর্তে যে— তুমি আমার সাথে অঙ্গীকার করবে সর্বদা সৎকাজ করবে এবং আল্লাহকে স্মরণ করবে। প্রতিটি মুহূর্তে আল্লাহর উপস্থিতিকে নিজের সামনে কল্পনা করবে, যাতে তুমি জানতে পারো তোমার চারপাশের সবকিছুই নশ্বর এবং একদিন নিশ্চয় তুমি তোমার রবের সাথে সাক্ষাৎ করবে; আর তিনি এমন নিখুঁত হিসাব গ্রহণ করবেন যেখানে অণু পরিমাণ ভালো কিংবা মন্দ কর্মও হারিয়ে যাবে না।”
(ي) بعد مرور أربعة وعشرين عاما على تلك الحوادث لم يبق في إفريقيه حي من بني أحمر إلا فتى في العشرين من عمره اسمه ‘سعيد’ لم ير غرناطة ولا قصر الحمراء ولا المرج ولا جنة العريف ولا نهر شنيل وعين الدمع ولا جبل الثلج ولكنه كان يحفظ في ذاكرته من عهد الطفولة تلك الأناشيد الأندلسية البديعة التي كان يترنم بها نساء قومه حول مهده-
[১. (ঞ) বাংলা অনুবাদ:]
“সেই বেদনাদায়ক ঐতিহাসিক ঘটনাবলির চব্বিশটি বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর আফ্রিকা ভূখণ্ডে বনু আহমার রাজবংশের জীবিতদের মধ্যে কেবল বিশ বছর বয়সী ‘সাঈদ’ নামের এক যুবকই বেঁচে ছিল। সে কখনো চোখ মেলে গ্রানাডা নগরী দেখেনি, দেখেনি আল-হামরা প্রাসাদ, আল-মারজ উপত্যকা, জান্নাতুল আরিফ উদ্যান, জেনিল নদী, আইলুদ্ দাম’ ঝর্ণা কিংবা বরফাবৃত পর্বতমালা। কিন্তু সে তার শৈশবের স্মৃতিপটে গভীর যত্নে সংরক্ষণ করে রেখেছিল সেই অনুপম আন্দালুসীয় সুর ও সঙ্গীতগুলো, যা তার দোলনার চারপাশে বসে তার স্বজাতির নারীরা আবেগভরে গুঞ্জন করত।”
(ك) كتاب الكون يغنيكم عن كتابي، وآيات الله تغنينا عن آياتكم، وأناشد الطبيعة ونغماتها تغنينا عن أناشيدك ونغماتك…… هذا المجمل المترقرق في سماء الكون وأرضه، وناطقه وصامته ومتحركه وساكنه، إنما هو مرآة نقية صافية تنظر فيها فترى وجه الله الكريم مشرقا متلألئا، فتخر بين يديه ساجدين، ثم نصغى إليه لنستمع وحيه فنسمعه يقول لنا: “أيها الناس إنما خلق الجمال متعة لكم فتمتعوا به، وإنما خلقتم حياة للجمال فأحبوه”-
[১. (ট) বাংলা অনুবাদ:]
“মহাবিশ্বের উন্মুক্ত গ্রন্থ তোমাদেরকে আমার বই থেকে মুখাপেক্ষীহীন করে দেবে, আল্লাহর কুদরতি নিদর্শনসমূহ তোমাদের কাব্যপঙক্তি থেকে আমাদেরকে মুক্ত করবে, আর প্রকৃতির অনুপম সুর ও সঙ্গীত তোমাদের কৃত্রিম গান থেকে আমাদেরকে অমুখাপেক্ষী করবে… এই সুবিশাল মহাবিশ্বের আকাশ ও জমিনে, তার বাকশক্তিসম্পন্ন ও নির্বাক সৃষ্টিতে, তার গতিশীল ও স্থির সর্বত্র যে রূপলাবণ্য ঝলমল করছে, তা মূলত এক নিষ্কলুষ ও স্বচ্ছ দর্পণ; যার মধ্যে তাকালে পরম করুণাময় আল্লাহর জ্যোতির্ময় সত্তার দীপ্তি দেদীপ্যমান দেখতে পাওয়া যায়। তখন তোমরা তাঁর সম্মুখে সিজদাবনত হয়ে লুটিয়ে পড়বে। অতঃপর আমরা পরম মনোযোগ দিয়ে তাঁর ঐশী বাণীর আহ্বান শুনতে পাব; আমরা শুনতে পাব তিনি আমাদেরকে বলছেন: ‘হে মানবজাতি! নিশ্চয় এই পার্থিব সৌন্দর্য সৃষ্টি করা হয়েছে তোমাদের আনন্দের জন্য, অতএব তোমরা তা উপভোগ কর; আর তোমাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে এই সৌন্দর্যের প্রাণরূপে, সুতরাং তোমরা একে ভালোবাসো’।”
(ل) فإنى لجالس فى غرفتى صبيحة يوم إذ دخلت علىّ الخادم، وكانت إمرأة من النساء الصالحات المخلصات فتقدمت نحوى خجلة متعثرة، وقالت: قد أمرتنى سيدتى أن أقول لك يا سيدى إنها قد عزمت على تزويج ابنتها فى عهد قريب، وإنها ترى أن بقائك بجانبها بعد موت أبيها وبلوغكما هذا السن التى بلغتماها ربما يريبها عند خطيبها-
[১. (ঠ) বাংলা অনুবাদ:]
“একদিন প্রত্যুষে আমি আমার কামরায় উপবিষ্ট ছিলাম, এমন সময় পরিচারিকা আমার ঘরে প্রবেশ করল। সে ছিল এক পরহেযগার ও বিশ্বস্ত নারী। সে অত্যন্ত লজ্জিত ও কুণ্ঠিত পদক্ষেপে আমার দিকে অগ্রসর হলো এবং বলল: ‘আমার কর্ত্রী আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন আপনাকে এ কথা জানাতে— হে আমার মনিব! তিনি অতিসত্বর তাঁর কন্যার বিবাহ সম্পন্ন করার সংকল্প করেছেন। তিনি মনে করেন কন্যার পিতার মৃত্যুর পর এবং আপনাদের দুজনেরই বর্তমান বয়সে উপনীত হওয়ার প্রেক্ষিতে আপনার এভাবে তার পাশে অবস্থান করা হয়তো হবু বরের নিকট সন্দেহের উদ্রেক করতে পারে’।”
٢- اشرح بالعربية ثلاثا من القطعات التالية:
[২. নিচের যে-কোনো তিনটি অংশের আরবিতে বিশদ ব্যাখ্যা কর:]
(أ) ما أسعد الأمهات اللواتى يسبقن أولادهن إلى القبور-
[২. (ক) আরবি ব্যাখ্যা:]
الشرح والتحليل:
هذه العبارة المؤثرة مقتبسة من كتاب “العبرات” للأديب مصطفى لطفي المنفلوطي من قصة “الشهداء”. يعبر فيها الكاتب عن عمق الفاجعة الإنسانية ولوعة الثكل التي تصيب الأمهات عند فقد فلذات أكبادهن. فالأمومة عاطفة فطرية جياشة، وأشد ما يفتك بقلب الأم هو أن ترى ابنها يموت أمام عينيها ويدفن تحت التراب وهي حية ترزق. لذلك يرى الكاتب بفلسفته الحزينة أن الأمهات اللواتي يتوفاهن الله قبل أولادهن هن أسعد حالاً؛ لأنهن نَجَوْنَ من تجرع مرارة الفراق وعذاب الثكل الدائم. إن موت الولد يترك جرحاً غائراً لا يندمل في قلب الأم، فالموت المبكر للأم قبل أبنائها رحمة إلهية بها من رؤية مأساة قبورهم.
(ب) وهكذا اجتمعا تحت سقف واحد ذانك الصديقان الوفيان-
[২. (খ) আরবি ব্যাখ্যা:]
الشرح والتحليل:
هذه العبارة تمثل الذروة الدرامية والمأساوية في تصوير الوفاء والصدق بين الصديقين الحميمين في نصوص المنفلوطي. يصور الكاتب كيف أن تقلبات الدهر وظلم المجتمع ومرارة الفقر قد سحقت هذين الصديقين المخلصين، فلم يجدا في هذه الدنيا الفانية ملجأً ولا مأوى يحميهما سوى أن يجمعهما القدر تحت سقف واحد. وهذا السقف إما أن يكون سقف كوخ متواضع يتشاركان فيه لقمة العيش ودموع الألم، أو أنه كناية بلاغية بديعة عن “سقف القبر” واللحد الذي ضمهما معاً بعد رحيلهما عن عالم الأحياء. فالصداقة الحقيقية في المنظور الأدبي للمنفلوطي تتجاوز حدود المنفعة المادية لتصل إلى الاتحاد الروحي في مواجهة قسوة الحياة والخلود في رحاب الموت.
(ج) ثم أسبلت فوق تربتها دمعة كانت هى كل نصيبها من الدنيا-
[২. (গ) আরবি ব্যাখ্যা:]
الشرح والتحليل:
تجسد هذه القطعة قمة الرومانسية المأساوية والأسلوب العاطفي الباكي الذي اشتهر به مصطفى لطفي المنفلوطي في “العبرات”. يصور الكاتب مشهد فتاة بائسة أو أم حزينة تقف أمام قبر من تحب، ولم تكن تملك من حطام الدنيا الزائل ولا من متاعها أي شيء؛ فلا مال ولا جاه ولا عزاء. الشيء الوحيد الصادق الذي ملكته وقدمته هو “دمعة حارة” أسبلتها من مآقيها لتسقي بها تراب ذلك القبر. وهذه الدمعة في ميزان المشاعر الإنسانية النبيلة تزن الدنيا وما فيها؛ لأنها خلاصة روح معذبة، وتعبير خالص عن الحب والوفاء الأبدي الذي لا تشوبه شائبة من شوائب المادة الدنيوية.
(د) المهارة لا تدل على صاحبها وحدها، بل هو الذى يدل عليها بحيلته ورقته-
[২. (ঘ) আরবি ব্যাখ্যা:]
الشرح والتحليل:
يقدم الكاتب في هذه الجملة رؤية فلسفية وفنية عميقة حول مفهوم الإبداع والمهارة الحرفية. فالمهارة المجردة والقدرة الفنية لا تبرز إلى الوجود من تلقاء نفسها، ولا تستطيع أن تعلن عن وجود صاحبها ما لم يكن هذا الفنان يمتلك روحاً مبدعة، وجرأة أدبية، ورقة شعورية تمكنه من توظيف هذه المهارة في قوالب جمالية حية. إن الحيلة هنا تعني الحذق والذكاء في توجيه الموهبة، والرقة تعني الحس الجمالي المرهف. فالإنسان الصانع هو الذي يسكب من روحه ونبض قلبه في لوحته أو صنعته فتصبح المهارة دليلاً ناطقاً على عبقريته وشخصيته الفذة.
(هـ) لقد هون وجدى على هذا البائس المسكين أنى استطعت إمضاء وصيته كما أراد-
[২. (ঙ) আরবি ব্যাখ্যা:]
الشرح والتحليل:
تعبر هذه القطعة عن أسمى معاني الأمانة والوفاء بالعهود للموتى والبائسين. يتحدث الراوي عن حزنه الشديد ولوعته على فراق ذلك الشاب المسكين الذي طحنته مصائب الدهر، لكن الذي خفف من حزن الكاتب وهون من وطأة وجده وألمه هو شعوره بالراحة النفسية والضمير الحي؛ لأنه استطاع أن ينفذ وصية ذلك البائس بدقة وأمانة كما طلب قبل وفاته. إن أداء الأمانة ورعاية العهد للميت يمنح النفس سكينة ورضا، ويجعل الصديق يشعر بأنه أدى واجبه الإنساني والأخلاقي تجاه من انقطعت حيلته في هذه الحياة.
(و) إنك ضحكت بالأمس كثيرا، فابك اليوم بمقدار ما ضحكت بالأمس-
[২. (চ) আরবি ব্যাখ্যা:]
الشرح والتحليل:
تحمل هذه الحكمة الفلسفية تصويراً دقيقاً لطبيعة الدنيا المتقلبة وغدر الأيام ببني البشر. فالدهر لا يثبت على حال، ويوم لك ويوم عليك؛ فمن اغتر بإقبال الدنيا وضحك فيها بملء فيه غافلاً عن تقلباتها، فإنه سيواجه حتماً يوم البكاء والندم بمقدار ما أفرط في الضحك والغرور. هذه العبارة دعوة للاستيقاظ من سكرة الغفلة، والاعتدال في الفرح والحزن، وتذكر أن دوام الحال من المحال، وأن خلف كل ابتسامة عريضة في دار الغرور قد تختبئ دمعة حارقة إذا لم يكن الإنسان متسلحاً بالصبر والإيمان والتقوى.
٣- أجب بالعربية عن ثلاثة من الأسئلة التالية:
[৩. নিচের যে-কোনো তিনটি প্রশ্নের আরবিতে উত্তর দাও:]
(أ) اكتب خصائص قصة النثر الحديث-
[৩. (ক) আধুনিক গদ্য-গল্পের বৈশিষ্ট্যসমূহ সংক্ষেপে লেখ।]
الجواب:
تتميز القصة في النثر العربي الحديث بعدة خصائص فنية وموضوعية ميزتها عن المقامات والقصص التراثية القديمة، وأبرزها ما يلي:
١. الواقعية والارتباط بالمجتمع: معالجة قضايا الواقع المعاش ومشكلات الإنسان العربي كالفقر، والظلم الاجتماعي، والاستعمار، وحرية المرأة.
٢. الإحكام الفني والبناء الدرامي: الاعتماد على العناصر السردية المتكاملة من (البداية، والعقدة أو الحبكة، والحل أو النهاية) وفق تسلسل منطقي مدروس.
٣. التحليل النفسي للشخصيات: الغوص في أعماق النفس البشرية وتصوير الصراع الداخلي والهواجس والخلجات النفسية للشخصيات.
٤. اللغة السلسة المعبرة: التحرر من قيود السجع المتكلف والمحسنات البديعية الجافة، واستخدام لغة أدبية فصيحة، رقيقة، ومرنة تناسب لغة العصر والحوار الواقعي.
٥. البعد الإنساني والرمزي: حمل رسائل أخلاقية وإنسانية نبيلة، واستخدام الرمزية العميقة لنقد الواقع السياسي والاجتماعي.
(ب) اكتب نبذة عن حياة المنفلوطى بالاختصار-
[৩. (খ) আল-মানফালূতী এর সংক্ষিপ্ত জীবনী লেখ।]
الجواب:
مصطفى لطفي بن محمد لطفي المنفلوطي (١٨٧٦-١٩٢٤م):
هو كاتب وأديب وشاعر مصري نابغة، وأحد رواد النثر العربي الحديث وأصحاب الأسلوب الرومانسي العذب.
– مولده ونشأته: ولد في بلدة “منفلوط” بصعيد مصر عام ١٨٧٦م في أسرة حسينية شريفة مشهورة بالعلم والقضاء. حفظ القرآن الكريم في صغره بكتاب القرية.
– تعليمه: التحق بالأزهر الشريف بالقاهرة وأمضى فيه عشر سنوات، وتأثر تأثراً عميقاً بمدرسة الإمام المجدد محمد عبده الداعية للإصلاح والحرية الفكرية.
– مكانته وأسلوبه: تميز بأسلوب نثري فريد جمع بين فصاحة اللفظ الكلاسيكي ورقة المشاعر الرومانسية الحديثة، وسلاسة التركيب، فكان لأدبه تأثير ساحر في وجدان الشباب والناشئة.
– مؤلفاته: ترك للمكتبة العربية درراً أدبية خالدة، من أشهرها: “النظرات” (ثلاثة أجزاء)، و“العبرات”، ورواياته المعربة بأسلوبه: “الفضيلة” (بول وفرجيني)، و“ماجدولين” (تحت ظلال الزيزفون)، و“في سبيل التاج”، و“الشاعر” (سيرانو دي برجراك).
– وفاته: توفي بالقاهرة في ١٢ يوليو عام ١٩٢٤م عن عمر ناهز ثمانية وأربعين عاماً.
(ج) اذكر خمسة أسماء من الأدباء المشهورين فى العصر الحديث-
[৩. (গ) আধুনিক যুগের পাঁচজন প্রখ্যাত সাহিত্যিকের নাম লেখ।]
الجواب:
من أشهر رواد وأعلام الأدب العربي في العصر الحديث:
١. عميد الأدب العربي الدكتور طه حسين (١٨٨٩-١٩٧٣م) — صاحب كتاب “الأيام” و“في الشعر الجاهلي”.
٢. رائد القصة الواقعية الأستاذ نجيب محفوظ (١٩١١-٢٠٠٦م) — أديب نوبل العالمي وصاحب “الثلاثية”.
٣. رائد المسرح الذهني توفيق الحكيم (١٨٩٨-١٩٨٧م) — صاحب “أهل الكهف” و“عصفور من الشرق”.
٤. الكاتب والمفكر الكبير عباس محمود العقاد (١٨٨٩-١٩٦٤م) — صاحب سلسلة “العبقريات” الإسلامية.
٥. حجة الأدب الإسلامي مصطفى صادق الرافعي (١٨٨٠-١٩٣٧م) — صاحب “وحي القلم” و“إعجاز القرآن”.
(د) بين مساهمة نجيب محفوظ بالاختصار-
[৩. (ঘ) নাজীব মাহফুজের অবদান সংক্ষেপে বর্ণনা কর।]
الجواب:
يعد نجيب محفوظ (١٩١١-٢٠٠٦م) الأب الروحي والمؤسس الحقيقي للرواية العربية الحديثة بالمعايير الفنية العالمية:
١. نقل الرواية العربية إلى العالمية: هو أول أديب عربي ينال جائزة نوبل في الأدب عام ١٩٨٨م، مما جعل الأدب العربي محط أنظار العالم وترجمت أعماله لعشرات اللغات.
٢. تطوير الواقعية النقدية والاجتماعية: صور الحارة المصرية والطبقة الوسطى ببراعة نادرة في ملحمته الكبرى “الثلاثية” (بين القصرين، قصر الشوق، السكرية)، و“خان الخليلي”، و“زقاق المدق”.
٣. التجريب الفلسفي والرمزي: كتب روايات فلسفية ورمزية عميقة تعالج قضايا الوجود والعدالة والحرية مثل “أولاد حارتنا”، و“اللص والكلاب”، و“الثرثرة فوق النيل”، و“الشحاذ”.
٤. إثراء القصة القصيرة والسينما: ألف مجموعات قصصية بديعة مثل “خمارة القط الأسود”، وتحولت معظم رواياته إلى أفلام سينمائية شكلت وجدان المجتمع العربي.
(هـ) اكتب نبذة عن حياة يحيى حقى مختصرا-
[৩. (ঙ) ইয়াহইয়া হাক্কীর সংক্ষিপ্ত জীবনী লেখ।]
الجواب:
يحيى حقي (١٩٠٥-١٩٩٢م):
أديب وروائي مصري كبير، وواحد من أبرز رواد القصة القصيرة وفن المقال في الأدب العربي الحديث.
– مولده وتعليمه: ولد في حي السيدة زينب الشعبي بالقاهرة عام ١٩٠٥م لأسرة ذات أصول تركية محبة للأدب. تخرج في مدرسة الحقوق عام ١٩٢٥م.
– حياته المهنية: عمل في بداية حياته وكيلاً للنائب العام في صعيد مصر، ثم التحق بالسلك الدبلوماسي وعمل في قنصليات مصر بروما وباريس وأنقرة، وشغل منصب رئيس تحرير مجلة “المجلة” الثقافية المصرية الشهيرة.
– أسلوبه الفني: لقب بـ “صاحب القلم الأنيق” و“فنان النثر المركز”؛ حيث امتازت لغته بالاقتصاد اللغوي الشديد، والدقة التصويرية، والمزج العبقري بين الثقافة الغربية والروح الشعبية المصرية الأصيلة.
– أشهر أعماله: رائعته الخالدة “قنديل أم هاشم” (التي عالجت صراع العلم والإيمان بين الشرق والغرب)، و“دماء وطين”، و“صح النوم”، و“عنتر وجوليت”.
– وفاته: توفي في ديسمبر عام ١٩٩٢م بعد أن نال جائزة الملك فيصل العالمية للأدب تقديراً لعطائه الخالد.
(و) من هو الرّجل السعيد فى قصة ‘الرجل السعيد’؟
[৩. (চ) ‘আর-রাজুলুস সাঈদ’ গল্পের সুখী মানুষটি কে?]
الجواب:
“الرجل السعيد” هي إحدى القصص القصيرة الفلسفية الرائعة للأديب العالمي نجيب محفوظ (ضمن مجموعته “خمارة القط الأسود”).
والرجل السعيد في القصة هو بطلها الأستاذ (عيسى)، وهو موظف وصحفي عادي يستيقظ ذات صباح من نومه فيجد نفسه غارقاً فجأة ودون أي مقدمات أو أسباب مادية في حالة غير مسبوقة من السعادة المطلقة والنشوة الروحية الغامرة.
هذه السعادة الفجائية جعلته يرى العالم جميلاً كالفردوس، وامتلأ قلبه بحب جارف لجميع الناس حتى أعدائه وخصومه، وتلاشت من نفسه الهموم والأحقاد.
إلا أن هذه السعادة المفرطة تحولت مع تطور القصة إلى نوع من العبث والمأساة؛ إذ لم يصدقه أصدقاؤه وظنوا أنه أصيب بالجنون والهلوسة، مما دفعه في النهاية للذهاب إلى طبيب نفسي ليعالجه من “داء السعادة”! وترمز القصة فلسفياً إلى أن مجتمعاتنا المثقلة بالهموم والاضطراب أصبحت عاجزة عن استيعاب السعادة النقية الصافية وتعتبرها ضرباً من الخروج عن العقل.
٤- أجب عن أربعة من الأسئلة التالية:
[৪. নিচের যে-কোনো চারটি প্রশ্নের উত্তর দাও:]
(أ) من الشهداء فى قصة ‘الشهداء’ للمنفلوطى؟
[৪. (ক) আল-মানফালূতীর ‘আশ-শুহাদা’ গল্পের শহীদ কারা?]
উত্তর:
আল্লামা মুস্তফা লুৎফী আল-মানফালূতীর হৃদয়বিদারক গল্প ‘আশ-শুহাদা’ (الشهداء)-তে মূলত তিনজন ব্যক্তিকে শাহাদাতের সুউচ্চ মর্যাদায় ভূষিত করা হয়েছে:
- প্রথম শহীদ (দেশপ্রেমিক তরুণ মুজাহিদ): এক বীর যুবক, যে মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সম্মান রক্ষার জন্য হাসিমুখে যুদ্ধক্ষেত্রে গিয়ে শত্রুসেনাদের বিরুদ্ধে বীরত্বের সাথে লড়াই করে শাহাদাত বরণ করে।
- দ্বিতীয় শহীদ (স্নেহময়ী ভগিনী): সেই যুবকের একমাত্র স্নেহময়ী বোন, যে তার বীর ভাইয়ের শাহাদাতের নিদারুণ শোকে ও ভালোবাসার তীব্র যন্ত্রণায় হৃদয় ফেটে মৃত্যুবরণ করে।
- তৃতীয় শহীদ (বৃদ্ধা মা): তাঁদের বৃদ্ধা জননী, যিনি সন্তানদ্বয়ের বিয়োগব্যথা সইতে না পেরে কবরের পাশে দিনরাত অশ্রু বিসর্জন দিতে দিতে অবশেষে তাঁদের উন্মুক্ত কবরের গহ্বরেই প্রাণত্যাগ করেন।
(ب) اكتب ثلاثة من مؤلفات لنجيب محفوظ-
[৪. (খ) নাজীব মাহফুজের তিনটি গ্রন্থের নাম লেখ।]
উত্তর:
নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক নাজীব মাহফুজের বিখ্যাত তিনটি কালজয়ী গ্রন্থের নাম হলো:
- আস-সুলাসিয়্যাহ (الثلاثية – কায়রো ট্রিলজি): যার তিনটি খণ্ড হলো ‘বাইনাল ক্বাসরাইন’, ‘ক্বাসরুশ শাওক্ব’ এবং ‘আস-সুক্কারিয়্যাহ’।
- খানুল খলীলী (خان الخليلي): ঐতিহাসিক কায়রোর পটভূমিতে রচিত বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
- আল-লিসসু ওয়াল কিলাব (اللص والكلاب – চোর ও কুকুরের দল): অস্তিত্ববাদী ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
(ج) اكتب ثلاثة مؤلفات للمنفلوطى-
[৪. (গ) আল-মানফালূতীর তিনটি গ্রন্থের নাম লেখ।]
উত্তর:
প্রখ্যাত মিসরীয় সাহিত্যিক মুস্তফা লুৎফী আল-মানফালূতীর তিনটি অমর গ্রন্থের নাম হলো:
- আন-নাজারাআত (النظرات): তিন খণ্ডে প্রকাশিত তাঁর সুগভীর সামাজিক, সাহিত্যিক ও সংস্কারধর্মী প্রবন্ধ সংকলন।
- আল-ইবারাত (العبرات): হৃদয়স্পর্শী ও বেদনাবিধুর গল্পসমগ্র।
- আল-ফাদীলাহ (الفضيلة): ফরাসি সাহিত্যিক বার্নার্ডিন ডি সেন্ট পিয়েরের ‘পল অ্যান্ড ভার্জিনি’ উপন্যাসের বিশ্বখ্যাত আরবি রূপান্তর।
(د) متى حصل نجيب محفوظ على جائز نوبل ولماذا؟ بين-
[৪. (ঘ) নাজীব মাহফুজ কবে এবং কেন নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন? ব্যাখ্যা কর।]
উত্তর:
১. পুরস্কার প্রাপ্তির সাল: প্রখ্যাত মিসরীয় ঔপন্যাসিক নাজীব মাহফুজ ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দে সাহিত্যে মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনিই আরবি সাহিত্যের ইতিহাসে সাহিত্যে নোবেলজয়ী প্রথম এবং একমাত্র আরব সাহিত্যিক।
২. নোবেল পাওয়ার কারণ ও মূল্যায়ন: সুইডিশ নোবেল কমিটি তাঁদের আনুষ্ঠানিক সনদে উল্লেখ করেন যে, নাজীব মাহফুজ তাঁর অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময়ের সাহিত্যসাধনায় সমৃদ্ধ বাস্তবতাবাদ ও বহুমুখী রূপকধর্মী উপন্যাসের মাধ্যমে সমগ্র মানবজাতির চিরন্তন আশা, আকাঙ্ক্ষা ও সংকটকে রূপায়িত করেছেন। তাঁর সৃষ্ট শিল্পকর্ম মধ্যপ্রাচ্যের স্থানীয় গণ্ডি ছাড়িয়ে সার্বজনীন বিশ্বসাহিত্যের আঙিনায় আরবি ভাষাকে এক গৌরবোজ্জ্বল মর্যাদায় অভিষিক্ত করেছে।
(هـ) من هو الكاتب لقصة ‘اليتيم’؟ اكتب نبذة عن حياته-
[৪. (ঙ) ‘আল-ইয়াতীম’ গল্পের লেখক কে? তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনী লেখ।]
উত্তর:
১. লেখকের নাম: ‘আল-ইয়াতীম’ (اليتيم) গল্পের মহান লেখক হলেন আধুনিক আরবি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ভাবুক ও ঔপন্যাসিক মুস্তফা লুৎফী আল-মানফালূতী (مصطفى لطفي المنفلوطي)। গল্পটি তাঁর অমর সংকলন ‘আল-ইবারাত’-এর অন্তর্ভুক্ত।
২. লেখকের সংক্ষিপ্ত জীবনী: তিনি ১৮৭৬ সালে মিসরের উর্ধ্বাঞ্চলের ‘মানফালূত’ শহরে এক সম্ভ্রান্ত আলেম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাল্যকালে কুরআন হিফজ সম্পন্ন করে কায়রোর বিশ্ববিখ্যাত আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে দশ বছর উচ্চতর ইলম অর্জন করেন। সেখানে তিনি যুগস্রষ্টা সংস্কারক শায়খ মুহাম্মদ আবদুহু (রহ.)-এর সান্নিধ্য পেয়ে স্বাধীন ও আধুনিক মুক্তচিন্তায় উদ্বুদ্ধ হন। তিনি ক্লাসিক্যাল আরবি ভাষার গভীরতার সাথে আধুনিক মানবতাবাদী রোমান্টিক সংবেদনশীলতার অপূর্ব মেলবন্ধন ঘটিয়ে এক অনন্য نثر বা গদ্যশৈলী আবিষ্কার করেন। ১৯২৪ সালের ১২ জুলাই তিনি ইন্তেকাল করেন।
(و) متى سقطت غرناطة؟ ومن هو آخر ملوكها؟ بين بالاختصار-
[৪. (চ) গ্রানাডা কবে পতন হয়েছিল? এর সর্বশেষ রাজা কে ছিলেন? সংক্ষেপে লেখ।]
উত্তর:
১. পতনের তারিখ ও সাল: মুসলিম স্পেনের (আন্দালুস) সর্বশেষ দুর্গ গ্রানাডার (غرناطة) পতন ঘটেছিল ১৪৯২ খ্রিস্টাব্দের ২ জানুয়ারি (৮৯৭ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে)। খ্রিষ্টান রাজা ফার্দিনান্দ ও রানি ইসাবেলার দীর্ঘ আট মাসের সর্বাত্মক অবরোধের পর এর পতন ঘটে।
২. সর্বশেষ সুলতানের পরিচয়: গ্রানাডার সর্বশেষ মুসলিম শাসক ছিলেন বনু নাসর বা বনু আহমার রাজবংশের সুলতান আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ আস-সাগীর (দ্বাদশ মুহাম্মদ)। গ্রানাডা সমর্পণের পর তিনি যখন নির্বাসনে যাওয়ার পথে পাহাড়ের চূড়া থেকে শেষবারের মতো তাঁর হারানো সাম্রাজ্যের দিকে তাকিয়ে অশ্রু বিসর্জন দিচ্ছিলেন, তখন তাঁর গর্ভধারিণী মা আয়েশা বিনতে মুহাম্মদ ঐতিহাসিক সেই বাক্যটি বলেছিলেন:
“ابْكِ مِثْلَ النِّسَاءِ مُلْكاً مُضَاعاً * لَمْ تُحَافِظْ عَلَيْهِ مِثْلَ الرِّجَالِ”
(যে সাম্রাজ্যকে তুমি পুরুষের মতো লড়াই করে রক্ষা করতে পারলে না, তার জন্য আজ নারীর মতো অশ্রু বিসর্জন দাও!)।
(ز) من هو الكاتب لجَنَّةِ الأطفال؟ اكتب نبذة عن حياته بالاختصار-
[৪. (ছ) ‘জান্নাতুল আতফাল’ গল্পের লেখক কে? তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনী সংক্ষেপে লেখ।]
উত্তর:
১. লেখকের পরিচয়: ‘জান্নাতুল আতফাল’ (جنة الأطفال) গল্পের অমর রূপকার হলেন বিশ্ববিখ্যাত সাহিত্যিক ও নোবেল বিজয়ী ঔপন্যাসিক নাজীব মাহফুজ (نجيب محفوظ)। এটি তাঁর গভীর মনস্তাত্ত্বিক ও দার্শনিক ছোটগল্পসমূহের একটি, যেখানে একটি নিষ্পাপ শিশুর অস্তিত্ব ও স্রষ্টা সম্পর্কিত সরল অথচ গভীর প্রশ্নাবলি চিত্রিত হয়েছে।
২. সংক্ষিপ্ত জীবনী: নাজীব মাহফুজ ১৯১১ সালের ১১ ডিসেম্বর মিসরের রাজধানী কায়রোর আল-জামালিয়্যাহ মহল্লায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কায়রো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৩৪ সালে দর্শনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি তাঁর সমগ্র জীবন সাহিত্য সৃষ্টি ও কায়রোর সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রামের রূপায়ণে উৎসর্গ করেন। ১৯৫৬-৫৭ সালে প্রকাশিত তাঁর ‘কায়রো ট্রিলজি’ তাঁকে অবিসংবাদিত শ্রেষ্ঠত্ব এনে দেয় এবং ১৯৮৮ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। ২০০৬ সালের ৩০ আগস্ট তিনি কায়রোতে মৃত্যুবরণ করেন।
(ح) اكتب خلاصة قصة ‘الخمارة القط الأسود’ مختصرا-
[৪. (জ) ‘খামারাতুল ক্বিতত্বিল আসওয়াদ’ গল্পের সারসংক্ষেপ সংক্ষেপে লেখ।]
উত্তর:
গল্পের মূল সারসংক্ষেপ:
‘খামারাতুল ক্বিতত্বিল আসওয়াদ’ (কালো বিড়াল পান্থশালা) নাজীব মাহফুজের একটি তীব্র রাজনৈতিক ও অস্তিত্ববাদী রূপক ছোটগল্প।
একটি পানশালায় নিয়মিত সাধারণ মানুষ একত্রিত হয়ে পানাহার করত, তাস খেলত, গান গাইত এবং নির্ভাবনায় জীবনের ক্লান্তি ভুলে থাকত। হঠাৎ একদিন এক বিশালদেহী, ভয়ংকর ও রহস্যাবৃত অচেনা ব্যক্তি সেখানে প্রবেশ করে কোনো কথা না বলে কোণার একটি টেবিলে বসে শীতল দৃষ্টিতে সবার দিকে তাকিয়ে থাকে। তার নিঃশব্দ উপস্থিতি পুরো পানশালার আনন্দময় পরিবেশকে এক নিমিষে স্তব্ধ ও ভীতিকর করে তোলে। আগন্তুকের চোখ থেকে যেন এক অদৃশ্য কর্তৃত্ব ও ত্রাস ঝরে পড়ছিল। ফলে সাধারণ মানুষগুলো তাদের স্বতঃস্ফূর্ত হাসি-আনন্দ বন্ধ করে সন্ত্রস্ত গোলামে পরিণত হয়। কেউই তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পায় না।
প্রতীকী তাৎপর্য: নাজীব মাহফুজ এই গল্পের মাধ্যমে স্বৈরতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, পুলিশি রাষ্ট্রের ভয় এবং সাধারণ জনগণের নির্বাক অসহায়ত্বকে রূপক আঙ্গিকে ফুটিয়ে তুলেছেন— যেখানে একটি জাতির বাকস্বাধীনতা ও মুক্তজীবনের স্পৃহা এক অদৃশ্য একনায়কতান্ত্রিক ভয়ের কাছে জিম্মি হয়ে পড়ে।
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন ১: আধুনিক আরবি গদ্যের বিকাশে আল-মানফালূতীর অবদান কী?
উত্তর: মুস্তফা লুৎফী আল-মানফালূতী প্রাচীন আরবি ভাষার কৃত্রিম ছন্দোবদ্ধতা ও অলঙ্কারবহুলতা ভেঙে আধুনিক আবেগময়, প্রাঞ্জল ও হৃদয়গ্রাহী রোমান্টিক গদ্যরীতি প্রবর্তন করেন।
প্রশ্ন ২: নাজীব মাহফুজ কবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান?
উত্তর: মিসরীয় ঔপন্যাসিক নাজীব মাহফুজ ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দে তাঁর বাস্তববাদী ও রূপকধর্মী সাহিত্যকর্মের জন্য প্রথম এবং একমাত্র আরব সাহিত্যিক হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
প্রশ্ন ৩: ‘আল-ইবারাত’ গ্রন্থের মূল উপজীব্য বিষয় কী?
উত্তর: আল-মানফালূতীর ‘আল-ইবারাত’ হলো দুঃখ, ত্যাগ, আত্মমর্যাদা এবং সমাজের অসহায় নিপীড়িত মানুষের বেদনার্ত বাস্তব চিত্র নিয়ে রচিত হৃদয়স্পর্শী গল্পসমগ্র।
প্রশ্ন ৪: আন্দালুসের সর্বশেষ স্বাধীন মুসলিম শহরের নাম কী এবং এর পতন কবে হয়েছিল?
উত্তর: আন্দালুসের সর্বশেষ মুসলিম রাজ্য ছিল গ্রানাডা (গারনাতা), যার পতন হয়েছিল ১৪৯২ খ্রিস্টাব্দের ২ জানুয়ারি সুলতান দ্বাদশ মুহাম্মদ (আবু আব্দুল্লাহর) আত্মসমর্পণের মাধ্যমে।
প্রশ্ন ৫: ইয়াহইয়া হাক্কীর বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের নাম কী?
উত্তর: ইয়াহইয়া হাক্কীর সর্বাধিক বিখ্যাত শিল্পকর্ম হলো ‘ক্বান্দীলু উম্মি হাশিম’ (قنديل أم هاشم), যেখানে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের বিশ্বাস ও বিজ্ঞানের দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
প্রশ্ন ৬: ফাজিল ৪র্থ বর্ষের ২০৪৪০৪ পরীক্ষার জন্য সেরা প্রস্তুতি কীভাবে নেওয়া উচিত?
উত্তর: আধুনিক গদ্য-২ পত্রে পূর্ণ নম্বর পাওয়ার জন্য পাঠ্য গল্পগুলোর নির্বাচিত অনুচ্ছেদসমূহের প্রাঞ্জল বাংলা অনুবাদ, আরবি শরাহ এবং লেখকদের পরিচিতি ও সাহিত্যিক অবদানের ওপর পূর্ণ দখল রাখা আবশ্যক।