জরুরি নোটিশ 🔔 নতুন: ২০২৬ সালের সকল শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ও গাইড বই প্রকাশিত হয়েছে!

দরূদ শরীফ: গুরুত্ব, ফযিলত ও পড়ার উত্তম সময়

Abswer.com Abswer.com
1 February, 2025
৬ মিনিট পড়ার সময়
১৩ বার পঠিত

সরাসরি Telegram-এ সকল বই ও সাজেশন পান!

আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে সবার আগে নতুন বই ও রুটিন ডাউনলোড করুন।

টেলিগ্রামে যুক্ত হোন 🚀
ফযিলত: মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন: ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর উপর দরূদ পড়েন। হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর উপর দরূদ পড়ো এবং যথাযথভাবে সালাম জানাও।’ (সূরা আহযাব: ৫৬) দরূদ শরীফ পাঠ করা মুমিন জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইবাদত। এর মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর শাফায়াত এবং দুনিয়া ও আখেরাতের অশেষ কল্যাণ লাভ করা যায়।

【দরূদ শরীফ পাঠের ফযিলত ও হাদিস】

১. হযরত আবু তালহা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: ‘হযরত জিবরাঈল (আঃ) এইমাত্র আমার নিকট এসে বললেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ইরশাদ করেন- হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আপনি কি এতে আনন্দিত হবেন না যে, আপনার কোনো উম্মত যদি আপনার প্রতি একবার দরূদ পড়ে, তবে আমি তার উপর ১০টি রহমত নাযিল করি। আর যদি একবার সালাম দেয়, তবে আমি তার উপর ১০টি শান্তি নাযিল করি।’ (মুসনাদে আহমাদ)

২. হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেন: ‘তোমরা আমার কবরকে ঈদের স্থান বানিও না। আমার উপর দরূদ পড়ো। কেননা তোমরা যে অবস্থাতেই থাকো না কেন, তোমাদের দরূদ আমার নিকট পৌঁছানো হয়।’ (আবু দাউদ)

৩. হযরত আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেন: ‘যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার প্রতি ১০টি রহমত নাযিল করেন, ১০টি গুনাহ মাফ করেন এবং তার জন্য ১০টি মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।’ (সুনানুন নাসায়ী)

৪. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেন: ‘যখন বৃহস্পতিবার রাত আসে, তখন আল্লাহ এমন কিছু ফেরেশতা প্রেরণ করেন যাদের হাতে রুপার কাগজ ও স্বর্ণের কলম থাকে। তারা বৃহস্পতিবার দিন ও শুক্রবার রাতে দরূদ পাঠকারীদের দরূদসমূহ লিখতে থাকেন।’ (সায়াদাতুদ দারাঈন)

৫. হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেন: ‘নিশ্চয়ই আমার প্রতি দরূদ পড়াটা পুলসিরাতে নূর হিসেবে থাকবে। আর যে ব্যক্তি জুমার দিনে ৮০ বার দরূদ শরীফ পাঠ করবে, তার ৮০ বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’ (সায়াদাতুদ দারাঈন)

৬. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেন: ‘যে ব্যক্তি আমার উপর দরূদ শরীফ পড়া ভুলে গেছে, মূলত সে জান্নাতের পথই ভুলে গেছে।’ (ইবনে মাজাহ)

৭. হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেন: ‘যে ব্যক্তি আমার উপর একদিনে হাজার বার দরূদ শরীফ পাঠ করবে, বেহেশতে নিজের স্থান না দেখা পর্যন্ত সে মৃত্যুবরণ করবে না।’ (সায়াদাতুদ দারাঈন)

【দরূদ শরীফ পড়ার উত্তম সময়সমূহ】

১) নামাজের শেষ বৈঠকে তাশাহহুদ পাঠ করার পর।
২) জানাজার নামাজে ২য় তাকবির বলার পর।
৩) জুমার দিনে ও রাতে।
৪) মুয়াজ্জিনের আজান শোনার পর।
৫) মসজিদে প্রবেশের সময় এবং মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময়।
৬) সাফা ও মারওয়া সায়ি করার সময়।
৭) কোনো দ্বীনী মজলিস বা বৈঠক থেকে ওঠার পূর্বে।
৮) সকাল ও সন্ধ্যায়।
৯) কোনো পাঠ শুরু করার পূর্বে এবং শেষ করার পর।
১০) দোয়া বা মোনাজাত করার সময় (দোয়ার শুরুতে ও শেষে)।

টেলিটক ছবি ও স্বাক্ষর রিসাইজার (৩০০×৩০০ ও ৩০০×৮০)
সরকারি চাকরি ও ভর্তির অনলাইন আবেদনের জন্য ছবি ও সইয়ের মাপ ঠিক রাখুন ১০০% নির্ভুলভাবে।
ছবি ও সই রিসাইজ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *