اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أُنْزِلُ بِكَ حَاجَتِيْ وَإِنْ قَصُرَ رَأْيِيْ وَضَعُفَ عَمَلِىْ، اِفْتَقَرْتُ إِلٰى رَحْمَتِكَ، فَأَسْأَلُكَ يَا قَاضِيَ الْأُمُوْرِ! وَيَا شَافِيَ الصُّدُوْرِ! كَمَا تُجِيْرُ بَيْنَ الْبُحُوْرِ أَنْ تُجِيْرَنِيْ مِنْ عَذَابِ السَّعِيْرِ وَمِنْ دَعْوَةِ الثُّبُوْرِ، وَمِنْ فِتْنَةِ الْقُبُوْرِ.
অর্থ: ইয়া আল্লাহ! আমি আমার প্রয়োজন আপনার কাছেই নিবেদন করছি, যদিও আমার বুদ্ধি অক্ষম, আমার কর্ম অপারগ, আমি ভিখারী আপনার রহমতের। সুতরাং হে সর্বকর্মবিধায়ক! হে সকল অন্তরের উপশমদাতা! যেভাবে আপনি সমুদ্রের মাঝে দাঁড় করিয়েছেন (অদৃশ্য) প্রাচীর, আমাকেও (ঐ রকম) জাহান্নামের আযাব থেকে, আক্ষেপ-আর্তনাদ থেকে ও কবরের ফিতনা থেকে প্রাচীর দ্বারা দূরে রাখুন। (এটাও তো আপনার পক্ষে কিছুমাত্র কঠিন নয়)।১৩৬
ফযিলত: ১৩৬. اِفْتَقَرْتُ إِلٰى رَحْمَتِكَ (আমি ভিখারী আপনার রহমতের)। সকল দু‘আ ও দরখাস্ত, আবেদন ও নিবেদনের চাবিকাঠিই তো হচ্ছে বান্দার সমর্পণ ও করুণাভিক্ষা।
উৎস: -কানযুল উম্মাল