رَبِّ اجْعَلْنِیْ مُقِیْمَ الصَّلٰوةِ وَ مِنْ ذُرِّیَّتِیْ ۖۗ رَبَّنَا وَ تَقَبَّلْ دُعَآءِ۴۰
উচ্চারণ: রাব্বিজ ‘আলনী মুকীমাসসালা-তি ওয়া মিন যুররিইইয়াতী রাব্বানা-ওয়া তাকাব্বাল দু‘আই।
অর্থ: হে আমার পরওয়ারদেগার! আমাকে ও আমার বংশধরকে ভালো নামাজী বানান। হে আমাদের পালনকর্তা! আমার দু‘আ কবুল করুন।১৭
ফযিলত: ১৭. এ দু‘আ উচ্চারিত হয়েছিল আল্লাহর খলীল ইবরাহীম আ.-এর যবানে। অতঃপর কুরআন একে দলিল ও দৃষ্টান্ত বানিয়ে কিয়ামত পর্যন্ত সকল হকপন্থীর জন্য বর্ণনা করেছে। اجْعَلْنِیْ مُقِیْمَ الصَّلٰوةِ (ভালো নামাজী বানান)। আল্লাহর খলীল ইবরাহীম আ.-এর মতো মাকবুল বান্দা যখন ভালো নামাজী হওয়ার প্রার্থনা করছেন, তখন সহজেই বোঝা যায়, আল্লাহর দরবারে নামাজের গুরুত্ব কত বেশি। مُقِیْمَ الصَّلٰوةِ মুকীম শব্দটি ইশারা করছে, নামাজ শুধু কোনোভাবে পড়া নয়, নামাজের সব শর্ত ও রোকন উত্তমরূপে আদায় করা কাম্য। الصَّلٰوةِ এ দু‘আ থেকে বোঝা যায়, যে ব্যক্তি নামাজের বিষয়ে যত্নবান হবে, সে আল্লাহর অন্যান্য হকও আদায় করবে। وَ مِنْ ذُرِّیَّتِیْ এ থেকে বোঝা যায়, যা নিজের জন্য প্রয়োজন, তা সন্তানের জন্যও প্রার্থনা করা নবীগণের সুন্নত ও তরীকা।
উৎস: -সূরা ইবরাহীম : ৪০