اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَتَّخِذُ عِنْدَكَ عَهْدًا لَّنْ تُخْلِفَنِيْهِ، فَإِنَّمَاۤ أَنَا بَشَرٌ، فَأَيُّمَا مُؤْمِنٍ اٰذَيْتُهٗ أَوْ شَتَمْتُهٗ أَوْ جَلَدْتُّهٗ أَوْ لَعَنْتُهٗ فَاجْعَلْهَا لَهٗ صَلٰوةً وَّزَكوٰةً وَّقُرْبَةً تُقَرِّبُهٗ بِهَاۤ إِلَيْكَ.
অর্থ: ইয়া আল্লাহ! আপনার নিকট থেকে একটি প্রতিশ্রুতি নিচ্ছি, আপনি কখনো এর অন্যথা কোরেন না। আমি তো একজন মানবমাত্র। সুতরাং যে মুসলিমকেই আমি কষ্ট দেই বা কটু কথা বলি কিংবা প্রহার করি বা অভিশাপ দেই আপনি একে তার জন্য কোরেন আশীর্বাদ ও পবিত্রতা এবং আপনার নৈকট্যের উপায়।১৪৪
ফযিলত: ১৪৪. আল্লাহু আকবার! মাসুম ও নিষ্পাপ নবী নিজের জন্য এ প্রার্থনা জরুরি মনে করেছেন, যাঁর চেয়ে বেশি নম্র, ভদ্র, সজ্জন ও সহনশীল হওয়া সম্ভবই নয়। তাহলে এ তো বলাই বাহুল্য যে, আমাদের জন্য ঐ দু‘আ মুখে ও অন্তরে জারি থাকা কত জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসের সকল দু‘আই স্বস্থানে অতুলনীয়। তবে কিছু দু‘আ প্রজ্ঞা ও মহিমায় এমনই ভাস্বর যে, অজান্তেই অন্তর মাত হয়ে যায়। উপরের দু‘আটি ঐসব সুন্দরতম দু‘আর একটি।
উৎস: -আল-হিযবুল আ’যম