পরীক্ষা ২০২২
আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ
الصحيح لمسلم (আস-সহীহ লি মুসলিম)
নির্দেশাবলি: (الف) অংশ হতে ৫টি এবং (ب) অংশ হতে ১টি করে মোট ৬টি প্রশ্নের উত্তর দাও। প্রতিটি প্রশ্নের মান ডানপাশে নির্দেশিত।
مجموعة (الف) : (ক) অংশ — হাদিসের ব্যাখ্যা ও ফিকহী আলোচনা
যেকোনো ৫টি প্রশ্নের উত্তর দাও: মান ১৪ × ৫ = ৭০
১
حدثنى زهير بن حرب، حدثنا معاوية بن عمرو حدثنا ابو اسحاق الفزارى عن خالد الحذاء عن ابى قلابة عن قبيصة بن ذؤيب عن ام سلمة قالت دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم على ابى سلمة وقد شق بصره فاغمضه ثم قال ان الروح اذا قبض تبعه البصر فضج ناس من اهله فقال لا تدعوا على انفسكم الا بخير فان الملائكة يؤمنون على ما تقولون ثم قال اللهم اغفر لابى سلمة وارفع درجته فى المهديين واخلفه فى عقبه فى الغابرين واغفر لنا وله يا رب العالمين وافسح له فى قبره ونور له فيه-
[১. যুহায়ের ইবনে হারব … উম্মুল মুমিনীন হযরত উম্মে সালামা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আবু সালামা (রা)-এর ইন্তেকালের পর রাসূলুল্লাহ (সা) তাঁর নিকট এলেন, তখন তাঁর চোখ দুটি উন্মুক্ত ছিল। তিনি তাঁর চোখ বন্ধ করে দিলেন, অতঃপর বললেন: রূহ যখন কবজ করা হয় তখন চোখ তার অনুসরণ করে। এতে তাঁর পরিবারের লোকেরা কান্নাকাটি ও চিৎকার করতে লাগল। তখন নবীজি (সা) বললেন: তোমরা নিজেদের জন্য কল্যাণের দুআ ছাড়া আর কোনো বদদুআ করো না; কেননা তোমরা যা বলো ফেরেশতারা তার ওপর ‘আমিন’ বলেন। অতঃপর তিনি দুআ করলেন: হে আল্লাহ! আপনি আবু সালামাকে ক্ষমা করে দিন, হিদায়েতপ্রাপ্তদের মাঝে তাঁর মর্যাদা বৃদ্ধি করুন, তাঁর পশ্চাতে থাকা স্বজনদের অভিভাবক হোন, হে রাব্বুল আলামীন! আমাদের এবং তাঁকে ক্ষমা করে দিন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত ও নূরান্বিত করে দিন।]
الأسئلة الملحقة:
(الف) ما معنى الجنائز لغةً وشرعًا؟ ومتى شرعت؟ وما حكمها؟ بين- [মান: ৪]
[(ক) শাব্দিক ও পারিভাষিক অর্থে জানাজা কী? এটি কখন বিধিবদ্ধ হয় এবং এর শরয়ী বিধান কী? বর্ণনা কর।]
(ب) هل الميت يعذب فى قبره ببكاء اهله عليه؟ [মান: ৪]
[(খ) স্বজনদের বিলাপ করে কান্নার কারণে কি মৃত ব্যক্তিকে কবরে শাস্তি দেওয়া হয়?]
২
عن أبى هريرة (رض) يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الم تروا الانسان اذا مات شخص بصره قالوا بلى قال فذالك حين يتبع بصره نفسه-
[২. হযরত আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: তোমরা কি দেখনি মানুষ যখন মৃত্যুবরণ করে তখন তার চোখ অপলক হয়ে থাকে? সাহাবায়ে কেরাম বললেন: হ্যাঁ। তিনি বললেন: তা এ কারণে ঘটে যে, চোখ তখন বের হয়ে যাওয়া রূহের গমন পথের দিকে তাকিয়ে থাকে।]
الأسئلة الملحقة:
(الف) اكتب نبذة عن حياة أبى هريرة (رض)- [মান: ৪]
[(ক) হযরত আবু হুরায়রা (রা)-এর সংক্ষিপ্ত জীবনী লেখ।]
(ب) بين شده سكرات الموت فى ضوء القرآن والسنة- [মান: ৪]
[(খ) কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে মৃত্যুর কঠিন যন্ত্রণা বা সাকরাতুল মাওত বর্ণনা কর।]
৩
عن عطاء بن ميناء، انه سمعه يحدث عن ابى هريرة (رض) انه نهى عن بيعتين الملامسة والمنابذة اما الملامسة فان يلمس كل واحد منهما ثوب صاحبه بغير تأمل والمنابذة ان ينبذ كل واحد منهما ثوبه الى الاخر ولم ينظر واحد منهما إلى ثوب صاحبه-
[৩. আতা ইবনে মীনা হতে বর্ণিত, তিনি আবু হুরায়রা (রা)-কে বর্ণনা করতে শুনেছেন: রাসূলুল্লাহ (সা) দুই ধরনের কেনাবেচা নিষেধ করেছেন—মুলামাসা ও মুনাযাবা। মুলামাসা হলো ভালো করে না দেখে কেবল কাপড় স্পর্শ করলেই বিক্রি চূড়ান্ত মনে করা; আর মুনাযাবা হলো কাপড়ের গুণাগুণ না দেখে একজন অপরজনের দিকে কাপড় ছুঁড়ে মারলেই কেনাবেচা সম্পন্ন হওয়া।]
الأسئلة الملحقة:
(الف) ما معنى الملامسة والمنابذة لغة واصطلاحًا؟ وما حكمهما؟ بين- [মান: ৪]
[(ক) আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থে মুলামাসা ও মুনাযাবা কী? এগুলোর শরয়ী হুকুম বর্ণনা কর।]
(ب) ما حكمة النهى عن هذين البيعين؟ [মান: ৪]
[(খ) এ দুটি কেনাবেচা নিষিদ্ধ করার অন্তর্নিহিত হিকমত কী?]
৪
حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب حدثنا داؤد بن قيس عن موسى بن يسار عن ابى هريرة (رض) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من اشترى شاة مصراة فلينقلب بها فليحلبها فان رضى حلابها امسكها والا ردها ومعها صاع من تمر-
[৪. আব্দুল্লাহ ইবনে মাসলামা … হযরত আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা) ইরশাদ করেছেন: যে ব্যক্তি ওলানে দুধ আটকে রাখা প্রাণী (মুসাররাহ) ক্রয় করবে, সে যেন তা নিয়ে গিয়ে দোহন করে। অতঃপর দুধের পরিমাণে সন্তুষ্ট হলে প্রাণীটি রেখে দেবে, আর অসন্তুষ্ট হলে তা ফেরত দেবে এবং সাথে এক সা’ খেজুর প্রদান করবে।]
الأسئلة الملحقة:
(الف) ما معنى المصراة؟ وما حكم بيع المصراة؟ [মান: ৪]
[(ক) মুসাররাহ কী এবং প্রতারণামূলক মুসাররাহ কেনাবেচার শরয়ী হুকুম কী?]
(ب) بين اقسام البيع موضحًا- [মান: ৪]
[(খ) কেনাবেচার বিভিন্ন প্রকারভেদ স্পষ্টভাবে আলোচনা কর।]
৫
عن ابن جريج قال املى على نافع سمع عبد الله بن عمر يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا تبايع المتبايعان بالبيع فكل واحد منهما بالخيار من بيعه مالم يتفرقا أو يكون بيعهما عن خيار فقد وجب-
[৫. ইবনে জুরাইজ … হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা) ইরশাদ করেছেন: যখন দুজন কেনাবেচাকারী কোনো বিষয়ে সওদা করে, তখন তাদের প্রত্যেকেরই কেনাবেচা বাতিল করার অধিকার থাকে যতক্ষণ না তারা পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়, অথবা তাদের কেনাবেচা শর্তযুক্ত খিয়ারের ওপর সম্পন্ন হয়; আর যদি তাদের সওদা খিয়ারের ওপর সম্পন্ন হয় তবে তা কার্যকর হয়ে যায়।]
الأسئلة الملحقة:
(الف) ما المعنى الخيار فى البيع وما المراد بالخيار فى الحديث؟ [মান: ৪]
[(ক) কেনাবেচায় খিয়ার শব্দের অর্থ কী এবং হাদিসে খিয়ার দ্বারা কী উদ্দেশ্য করা হয়েছে?]
(ب) عرف البيع لغة وشرعًا مع بيان ركنه وشرطه- [মান: ৪]
[(খ) আভিধানিক ও শরয়ী পরিভাষায় বায় বা কেনাবেচার পরিচয় দাও এবং এর রুকন ও শর্তাবলি উল্লেখ কর।]
৬
عن ابى هريرة رضى الله تعالى عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يتلقى الركبان لبيع ولا يبيع بعضكم على بيع بعض ولا تناجشوا ولا يبيع حاضر لباد ولا تصروا الابل والغنم فمن اتبعها بعد ذالك فهو بخير النظرين بعد ان يحلبها فان رضيها امسكها وان سخطها ردها وصاعا من تمر-
[৬. হযরত আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা) ইরশাদ করেছেন: ব্যবসার উদ্দেশ্যে কাফেলার সাথে অগ্রিম সাক্ষাৎ করতে যেয়ো না, তোমাদের কেউ যেন অপরের কেনাবেচার ওপর কেনাবেচার দরদাম না করে, কৃত্রিমভাবে দাম বাড়িয়ো না, কোনো শহরবাসী যেন গ্রামবাসীর মাল বিক্রি না করে এবং উট ও বকরির ওলানে দুধ আটকিয়ে রেখো না। এরপর যে ব্যক্তি তা ক্রয় করবে, দোহনের পর সে দুটি পছন্দের অধিকারী হবে: যদি সন্তুষ্ট হয় তবে রাখবে, আর অপছন্দ হলে তা ফেরত দেবে এবং সাথে এক সা’ খেজুর প্রদান করবে।]
الأسئلة الملحقة:
(الف) ما اقوال العلماء فى بيع الحاضر للباد؟ بين بالدلائل- [মান: ৪]
[(ক) শহরবাসী কর্তৃক গ্রামবাসীর মাল বিক্রির ব্যাপারে ওলামায়ে কেরামের মতামত দলিলসহ আলোচনা কর।]
(ب) ما معنى تلقى الركبان والنجش؟ فصل احكامهما- [মান: ৪]
[(খ) ‘তাল্লাক্কির রুকবান’ ও ‘নাজাশ’ এর অর্থ কী? উভয়ের ফিকহী বিধান বিস্তারিত লেখ।]
৭
عن سلمان بن يسار عن ابى هريرة رضى الله تعالى عنه انه قال لمروان: احللت بيع الربوا؟ فقال مروان: ما فعلت فقال أبو هريرة احللت بيع الصكاك وقد نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن بيع الطعام حتى يستوفى فخطب مروان الناس فنهى عن بيعها قال سليمان فنظرت الى حرس يأخذونها من ايدى الناس-
[৭. সুলাইমান ইবনে ইয়াসার হতে বর্ণিত, হযরত আবু হুরায়রা (রা) মারওয়ানকে লক্ষ্য করে বললেন: তুমি কি সুদী কেনাবেচা হালাল করে দিয়েছ? মারওয়ান বললেন: আমি কী করেছি? আবু হুরায়রা (রা) বললেন: তুমি সনদের (রেশনের রসিদ বা ঋণপত্রের) কেনাবেচা বৈধ করেছ, অথচ রাসূলুল্লাহ (সা) হস্তগত করার পূর্বে খাদ্যদ্রব্য বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। অতঃপর মারওয়ান জনগণকে খুতবা দিলেন এবং তা বিক্রি করতে নিষেধ করলেন। সুলাইমান বলেন: আমি দেখলাম প্রহরীরা মানুষের হাত থেকে সেই সনদগুলো ছিনিয়ে নিচ্ছে।]
الأسئلة الملحقة:
(الف) اذكر اختلاف العلماء فى بيع المبيع قبل القبض مفصلًا- [মান: ৪]
[(ক) দখল বা কবজা করার পূর্বে ক্রয়কৃত পণ্য বিক্রির ব্যাপারে ওলামায়ে কেরামের মতপার্থক্য বিস্তারিত লেখ।]
(ب) هل يصح بيع الصبرة من الحنطة والتمر وغيرها جزافًا؟ [মান: ৪]
[(খ) গম, খেজুর ইত্যাদি খাদ্যশস্যের স্তূপ অনুমান করে (জুযাফান) বিক্রি করা কি সহীহ?]
৮
عن نافع عن عبد الله نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن المزابنة ان يبيع ثمر حائطه ان كانت نخلا بتمر كيلا وان كان كرما ان يبيعه بزبيب كيلا وان كان زرعا ان يبيعه بكيل طعام نهى عن ذالك كله وفى رواية قتيبة او كان زرعا-
[৮. নাফে … হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা) হতে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ (সা) মুযাবানা কেনাবেচা নিষেধ করেছেন—অর্থাৎ বাগানের কাঁচা খেজুর পরিমাপকৃত শুকনো খেজুরের বিনিময়ে বিক্রি করা, আঙ্গুর বাগানের ফল শুকনো কিসমিসের বিনিময়ে পরিমাপ করে বিক্রি করা এবং শস্যক্ষেতের ফসল পরিমাপকৃত খাদ্যশস্যের বিনিময়ে বিক্রি করা। তিনি এ সবগুলি থেকেই নিষেধ করেছেন।]
الأسئلة الملحقة:
(الف) ما معنى المزابنة والعرايا؟ فصل احكامهما مع بيان اقوال العلماء- [মান: ৪]
[(ক) মুযাবানা ও আরয়া কী? ওলামায়ে কেরামের মতামতসহ উভয়ের হুকুম বিস্তারিত বর্ণনা কর।]
(ب) هل يجوز بيع الاثمار بالخرص على الاشجار؟ بين- [মান: ৪]
[(খ) গাছের ফল পরিপক্ব হওয়ার পূর্বে অনুমানের ভিত্তিতে বিক্রি করা কি জায়েজ?]
مجموعة (ب) : (খ) অংশ — সংকলক ও গ্রন্থ পরিচিতি
যেকোনো ১টি প্রশ্নের উত্তর দাও: মান ১০ × ১ = ১০
৯
اكتب ترجمة الإمام مسلم بن الحجاج القشيرى ثم اكتب خدماته فى علم الحديث-
[৯. ইমাম মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ কুশায়রী (রহ)-এর সংক্ষিপ্ত জীবনী লেখ এবং হাদিসশাস্ত্রে তাঁর অবদানসমূহ আলোচনা কর।]
১০
وازن بين الصحيح لمسلم والصحيح للبخارى، أيهما أرجح وأصح؟ بين بالتفصيل-
[১০. সহীহ মুসলিম ও সহীহ বুখারীর মধ্যে তুলনামূলক পর্যালোচনা কর; উভয়ের মধ্যে কোনটি অধিক বিশুদ্ধ ও গ্রহণযোগ্য তা বিস্তারিত যুক্তি ও প্রমাণের আলোকে আলোচনা কর।]
প্রশ্নপত্রের গঠন ও বিশ্লেষণ
২০২২ সালের সহীহ মুসলিম (২০২৩০২) প্রশ্নপত্রে জানাজা, মৃত্যুর কঠিন সময় এবং ইসলামি বাণিজ্যিক লেনদেন (মুয়ামালাত)-এর গভীর ফিকহী বিষয়সমূহ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। মৃত ব্যক্তির চোখ বন্ধ করা ও মাগফিরাতের দুআ, নিষিদ্ধ মুলামাসা ও মুনাযাবা কেনাবেচা, প্রতারণামূলক মুসাররাহ সওদা, খিয়ারে মজলিস, কবজা করার পূর্বে পণ্য বা রেশনের চেক বিক্রি (বায়উস সুকুক) এবং অনুমানে ফল বিক্রির (মুযাবানা) নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত হাদিসগুলো সুন্দরভাবে বিন্যস্ত হয়েছে। সংকলক পর্যালোচনা অংশে বুখারী ও মুসলিমের তুলনামূলক শ্রেষ্ঠত্ব বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
১. সহীহ মুসলিমের ক্রয়-বিক্রয় অধ্যায়ের হাদিসসমূহ পরীক্ষার জন্য কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
ইসলামী অর্থনীতির মৌলিক নীতিমালা যেমন ধোঁকাবাজি (গারার), জুয়া, একচেটিয়া মজুতদারি এবং পণ্যের অস্তিত্বহীন অবস্থায় বিক্রয় নিষিদ্ধ করার মূল ভিত্তিগুলো এ অধ্যায়ের হাদিসসমূহে সুস্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে।
২. মুসাররাহ (المصراة) কেনাবেচার ক্ষেত্রে এক সা’ খেজুর ফেরত দেওয়ার হিকমত কী?
ক্রেতা প্রাণীটি ফেরত দেওয়ার আগ পর্যন্ত যে দুধ ব্যবহার বা পান করেছে, তার নিখুঁত ক্ষতিপূরণ হিসেবে রাসূলুল্লাহ (সা) একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ করে এক সা’ খেজুর প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন।
৩. পণ্য কবজায় নেওয়ার পূর্বে বিক্রির ব্যাপারে শরীয়তের সিদ্ধান্ত কী?
অধিকাংশ ফকীহর মতে খাদ্যদ্রব্য নিজের নিয়ন্ত্রণে বা শারীরিক হস্তগত করার পূর্বে পুনরায় বিক্রি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, কারণ এতে পণ্যের ধ্বংসের ঝুঁকি ও অসাধু ফাটকাবাজির সুযোগ তৈরি হয়।
৪. ইসলামে মুযাবানা (المزابنة) কেনাবেচা কেন নিষিদ্ধ করা হয়েছে?
গাছের কাঁচা ফল এবং শুকনো ফলের অনুমানের মধ্যে অসমতা থাকার কারণে সুদের সন্দেহ এবং অনিশ্চয়তা তৈরি হয়, তাই ইনসাফ নিশ্চিত করতে শরীয়ত এ ধরনের লেনদেন নিষিদ্ধ করেছে।
৫. মৃত্যুকালে উপস্থিত ব্যক্তিদের করণীয় কী?
মৃত্যুপথযাত্রীকে কালিমার তালকীন দেওয়া, মৃত্যুর পর চোখ বন্ধ করে দেওয়া, কল্যাণ ও ক্ষমার দুআ করা এবং চিৎকার করে বিলাপ না করে ধৈর্য ধারণ করা।
৬. এই পত্রের কার্যকর প্রস্তুতির জন্য কোন কিতাবগুলো অধ্যয়ন করা উচিত?
ইমাম নববীর ‘শারহু সহীহ মুসলিম’, আল্লামা তিবীর ভাষ্য এবং আধুনিক ইসলামী ব্যাংকিং ও মুয়ামালাতের ফিকহী কিতাবগুলো অধ্যয়ন করা অত্যন্ত উপকারী।