۞ اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلٰى مُحَمَّدٍ وَّاَنْزِلْهُ الْمَقْعَدَ الْمُقَرَّبَ عِنْدَكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সল্লিআ’লা- মুহাম্মাদিও ওয়া আনযিলহুল মাক্ব’আদাল মুক্বার্রবা ই’নদাকা ইয়াওমাল ক্বিয়ামাহ্।
অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর উপর রহমত বর্ষিত কর, এবং কিয়ামতের দিন তুমি তাঁকে তোমার নিকটতম স্থানে অধিষ্ঠিত কর।
ফযিলত: হযরত রুয়াইফি’ ইবনে ছাবেত আনছারী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি মুহাম্মাদের (ﷺ) উপর দরূদ পড়বে এবং বলবে, হে আল্লাহ্! রোজ কিয়ামতে তাকে তুমি তোমার নিকট সম্মানিত স্থান দান করো। তার জন্য আমার সুপারিশ সুনিশ্চিত হয়ে যাবে। মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ), হাদিস নং: ৯৩৬ এ হাদিসটি তাবারানীও তাঁর মু’জামে কবীর’ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। তাতে দু’আর প্রসঙ্গটি এভাবে বর্ণিত হয়েছে: مَنْ قَالَ اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَاَنْزِلْهُ الْمَقْعَدَ الْمُقَرَّبَ عِنْدَكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَجَبَتْ لَهُ شَفَاعَتِي এতে সালাত ও সালামের পূর্ণ শব্দগুলো এসে গেছে এবং তা অত্যন্ত মুখতসরও বটে। এমনি তো রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর গোটা উম্মতের জন্যে ইনশাল্লাহ শাফাআত করবেন। কিন্তু যে সব উম্মতীরা এ শব্দমালা যোগে তাঁর প্রতি দরূদ প্রেরণ করবে এবং আল্লাহ তা’আলার দরবারে তাঁর জন্যে এরূপ দু’আ করবে, তাদের ব্যাপারে শাফা’আত করাকে তিনি তাঁর বিশেষ কর্তব্য বলে জ্ঞান করবেন। আশা করা যায় যে, তিনি তাদের ব্যাপারে বিশেষ গুরুত্ব সহকারেই সুপারিশ করবেন। اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَاَنْزِلْهُ الْمَقْعَدَ الْمَقَرَّبَ عِنْدَكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ -হে আল্লাহ! মুহাম্মদ (ﷺ)-এর প্রতি রহম কর এবং কিয়ামতের দিন তাঁকে তোমার নিকটতম আসনে অধিষ্ঠিত কর। ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা’আরিফুল হাদিস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)