ফাজিল (স্নাতক) সম্মান ৪র্থ বর্ষ পরীক্ষা-২০২৩
বিভাগ: আরবি ভাষা ও সাহিত্য
বিষয়: আরবি উপন্যাস ও নাটক (الرواية والمسرحية)
বিষয় কোড: ২০৪৪০৬
সময়: ৪ ঘণ্টা | পূর্ণমান: ৮০
قسم الرواية (الدرجات: ٤٠)
[১. বাংলা অনুবাদ]: উপন্যাস অংশ (মোট নম্বর: ৪০)
١- ترجم العبارات الآتية (ثلاثا فقط): (الدرجات: ٣ × ٥ = ١٥)
[১. বাংলা অনুবাদ]: নিম্নে প্রদত্ত অনুচ্ছেদগুলো থেকে যেকোনো তিনটির বাংলায় অনুবাদ লিখ।
ভূমিকা: আধুনিক আরবি উপন্যাসের স্বর্ণযুগে মিসরীয় সাহিত্যিকগণ সমাজ-বাস্তবতা, গ্রামীণ জীবন ও মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েনকে অনবদ্য শিল্পরূপ দিয়েছেন। নিম্নে প্রদত্ত অনুচ্ছেদগুলোতে নোবেলজয়ী নাজিব মাহফুজের ‘আল-লিসসু ওয়াল কিলাব’, ড. মুহাম্মদ হুসাইন হাইকালের ‘যায়নাব’ এবং আব্বাস মাহমুদ আল-আক্বাদের ‘সারা’ উপন্যাসের বাস্তব প্রতিফলন ঘটেছে। পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ প্রস্তুতির জন্য প্রতিটি অনুচ্ছেদের অনুবাদ ও বিশ্লেষণ নিচে প্রদত্ত হলো:
(أ) نظر إلى الباب المفتوح- المفتوح دائما كما عهده من أقصى الزمن، وهو يقترب منه ضارباً في طريق الجبل، مثوى ذكريات ورحمة في حي الدراسة القائم بين ذراعي المقطم، الأرض أطفال ورمال ودواب، وهو من التعب والانفعال يلهث، وجرت عيناه وراء الصغيرات من البنات بلا ملل، وما أكثر الكسالى المستلقين في ظل الجبل- بعيدا عن الشمس المائلة-
[অনুবাদ]:
উৎস ও প্রেক্ষাপট: এ অনুচ্ছেদটি নোবেলজয়ী সাহিত্যিক নাজিব মাহফুজ (نجيب محفوظ)-এর বিখ্যাত প্রতীকী ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস “اللص والكلاب” (চোর ও কুকুরগুলো) থেকে সংকলিত। কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে নায়ক সাঈদ মাহরান যখন বিশ্বাসঘাতক স্ত্রী ও ধূর্ত বন্ধু রউফ ইলওয়ানের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়ে দিশেহারা, তখন সে আধ্যাত্মিক আশ্রয় খুঁজতে পীর শায়খ আলী আল-জুনায়েদীর দরবারে উপস্থিত হয়।
“সে উন্মুক্ত দরজাটির দিকে তাকাল—যে দরজাটি সুদূর অতীতকাল থেকেই তার চিরচেনা রূপ নিয়ে সর্বদা খোলাই থাকত। সে পাহাড়ের মেঠোপথ বেয়ে সেটির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল; মুকাত্তাম পাহাড়ের দুই বাহুর মাঝে অবস্থিত ‘আদ-দিরাসাহ’ মহল্লায় স্মৃতি ও রহমতের সেই নিভৃত আলয়। চারিদিকের মাটিতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে অবুঝ শিশু, বালুরাশি ও গৃহপালিত চতুষ্পদ জন্তু। ক্লান্তি ও তীব্র মানসিক উত্তেজনায় সে হাঁপাচ্ছিল। তার ব্যাকুল চোখ দুটি কোনো বিরক্তি ছাড়াই ছোট ছোট বালিকাদের পেছনে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। আর ঢলে পড়া সূর্যের প্রখর রোদ থেকে দূরে পাহাড়ের ছায়ায় কত অলস মানুষই না গা এলিয়ে শুয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিল!”
(ب) فقال الشيخ بعتاب: توضأ واقرأ: “قل إن كنتم تحبون الله فاتبعوني يحببكم الله”- واقرأ “ولو طوعتك لنفسى” ورَدّد قول القائل: “المحبة هي الموافقة أي الطاعة له فيما أمر، والانتهاء عما زجر، والرضا بما حكم وقرر”- ها هو أبي يسمع ويهز رأسه طربًا، ويرمقني باسما كأنما يقول لي: اسمع وتعلّم، وأنا سعيد وأود غبطة، لأتسلق النخلة أو أرمي طوبة لأسقط بلحة، وأترنم سرّا مع المنشدين، ومع العودة ذات مساء إلى بيت الطلبة بالجيزة، رأيتها مقبلة تحمل سلة جميلة وجذابة، طاوية هيكلها على جميع ما قدر لي من هناء الجنة وعذاب الجحيم-
[অনুবাদ]:
উৎস ও প্রেক্ষাপট: এটি আধুনিক আরবি সাহিত্যে আধ্যাত্মিক তাসাউফ ও পার্থিব ভালোবাসার মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব সম্বলিত আত্মজৈবনিক উপন্যাস “حضرة المحترم” / “قنديل أم هاشم”-এর ভাবধারায় রচিত এক গভীর অনুভূতিপূর্ণ দৃশ্য।
“শায়খ মৃদু অনুযোগের সুরে বললেন: অযু করে নাও এবং তিলাওয়াত কর—’বলুন! তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবেসে থাক, তবে আমার অনুসরণ কর, তবেই আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন।’ আরও পড়—’যদি আমি তোমাকে আমার প্রবৃত্তির অনুগত করতাম…’। এবং পুনরাবৃত্তি কর সেই জ্ঞানীর বাণী: ‘প্রকৃত ভালোবাসা হলো একাত্ম হওয়া; অর্থাৎ তিনি যা আদেশ করেছেন তাতে অনুগত থাকা, যা নিষেধ করেছেন তা থেকে বিরত থাকা, এবং তিনি যা ফায়সালা ও নির্ধারণ করেছেন তাতে সন্তুষ্ট থাকা।’—এই যে আমার পিতা মনোযোগ দিয়ে শুনছেন এবং মুগ্ধতায় মাথা নাড়ছেন, আর মুচকি হেসে আমার দিকে তাকাচ্ছেন যেন আমাকে বলছেন: শোন এবং শিক্ষা গ্রহণ কর! তখন আমি আনন্দে আত্মহারা হয়ে খেজুর গাছে চড়তে চাই কিংবা পাকা খেজুর ফেলার জন্য ঢিল ছুঁড়তে চাই, আর নিভৃতে গায়কদের সাথে গুনগুন করে গান গাই। এরপর একদিন সন্ধ্যায় গিজার ছাত্রাবাসে ফেরার পথে হঠাৎ তাকে দেখলাম—সে একটি সুন্দর ও আকর্ষণীয় ঝুড়ি হাতে এগিয়ে আসছে; তার সেই লাবণ্যময় অবয়বে যেন লুকিয়ে রয়েছে আমার তকদিরে নির্ধারিত জান্নাতের সমস্ত স্বর্গীয় সুখ এবং জাহান্নামের সমুদয় নির্মম যন্ত্রণা!”
(ج) في الصباح حضر الكثيرون منهم من جديد إلى الكاتب، ومن جديد عبس في وجههم قائلاً أن ليس معه “فكة” وبالرغم من إلحاح بعضهم وإقرار الآخرين عملهم فقد خرج المالك وهم لا يزالون يناكفون الشيخ على، والشيخ على لا يسمع كلامهم- فذهب منهم من يشكو للسيد محمود أمره، وإن كان يعلم أن السيد يعيرهم في الغالب أذنا صماء-
[অনুবাদ]:
উৎস ও প্রেক্ষাপট: এটি বিশিষ্ট মিসরীয় কথাসাহিত্যিক ইউসুফ ইদরীস (يوسف إدريس)-এর বিখ্যাত গ্রামীণ বাস্তবতাবাদী উপন্যাস “الحرام” (আল-হারাম) থেকে চয়ন করা হয়েছে। মিসরের ভাসমান মৌসুমি দিনমজুরদের (عمال التراحيل) ওপর জোতদার ও তাদের কর্মচারীদের চরম শোষণ ও বঞ্চনার বাস্তব রূপ ফুটে উঠেছে এখানে।
“সকালবেলা তাদের অনেকেই পুনরায় সেরেস্তাদার/হিসাবরক্ষকের (আল-কাতিব) কাছে হাজির হলো। কিন্তু হিসাবরক্ষক আবার তাদের মুখের ওপর ভ্রু কুঁচকে কর্কশ ভাষায় বলে দিল যে তার কাছে কোনো ‘ভাংতি পয়সা’ নেই! তাদের কারও কারও অনুনয়-বিনয় এবং অন্যদের কাজের স্বীকৃতি থাকা সত্ত্বেও ভূস্বামী প্রস্থান করল, অথচ তারা তখনও শায়খ আলীর সাথে বাগবিতণ্ডায় লিপ্ত ছিল; আর শায়খ আলী তাদের কথায় কর্ণপাতই করছিল না। ফলে তাদের মধ্য থেকে কেউ কেউ তাদের দুঃখ-বেদনার প্রতিকার চাইতে মালিক সাইয়্যেদ মাহমুদের কাছে গেল, যদিও সে ভালো করেই জানত যে সাইয়্যেদ সাধারণত তাদের অভিযোগের প্রতি বধির কানই পেতে রাখবেন।”
(د) تقضت أيام بعد ذلك وزينب تذهب لنقاوة القطن تحت رياسة إبراهيم حتى إذا جاء وقت الحصاد انتقلت هي وأختها- وأخذ الرياسة عليهم حسين أبو سعيد- فكانتا تذهبان هما والعمال تحت جناح الليل والأمين، وينامون في الغيظ، تكلؤهم السماء حتى منتصف الليل- ثم يقومون وقد أعطت الرطوبة عيدان الغلة شيئا من اللين بحيث لا تتقصف تحت كل يد لامسة، فيجيئون بشر اشرهم على هذه المزرعة الواسعة-
[অনুবাদ]:
উৎস ও প্রেক্ষাপট: এটি আধুনিক আরবি সাহিত্যের প্রথম স্বার্থক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত ড. মুহাম্মদ হুসাইন হাইকাল (محمد حسين هيكل)-এর কালজয়ী উপন্যাস “زينب” (যায়নাব) থেকে গৃহীত। মিসরের পল্লী অঞ্চলের তুলোখেতে কিষাণ-কিষাণীদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও সাধারণ গ্রামীণ জীবনের চমৎকার দৃশ্যপট এখানে চিত্রিত।
“এরপর বেশ কয়েকটা দিন অতিবাহিত হলো। যায়নাব ইব্রাহিমের তদারকিতে তুলো বাছাইয়ের কাজে যেতে থাকল। অবশেষে যখন ফসল কাটার মৌসুম এল, তখন সে ও তার বোন নতুন কাজে স্থানান্তরিত হলো এবং তাদের ওপর দলনেতা নিযুক্ত হলো হুসাইন আবু সাঈদ। ফলে তারা দু’জন ও অন্যান্য শ্রমিকরা রাতের শান্ত ও নিরাপদ আঁচলের নিচে কাজে যেত এবং মধ্যরাত পর্যন্ত উন্মুক্ত আকাশের নিচে শান্তভাবে ঘুমিয়ে থাকত। অতঃপর তারা জাগ্রত হতো যখন নৈশ আর্দ্রতা শস্যের ডালপালাকে কিছুটা নমনীয় করে তুলত, যাতে স্পর্শ করলেই তা ভেঙে না যায়। তখন তারা এই সুবিশাল খামারে পূর্ণ উদ্যমে ও আনন্দের সাথে সমবেত হতো।”
(هـ) … وهي تعلم أنه يغالط ويراوغ في الجواب، وأحبّتْ أن تشعر أنه لا يقبل تلك الممثلة الجميلة إذا أتيح له تقبيلها …. وهي تعلم أنه لا يقول صدقا ولا يعمد إلى الصراحة! …….. وقالت وهي تضحك: لقد نجوت! إن قبلة خيالك هي خيانة في الضمير، ولا فرق بين خيانة الضمير وخيانة الواقع إلا التنفيذ-
[অনুবাদ]:
উৎস ও প্রেক্ষাপট: এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদ আব্বাস মাহমুদ আল-আক্কাদ (عباس محمود العقاد)-এর একমাত্র মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস “سارة” (সারা) থেকে গৃহীত। নায়ক হাম্মাম ও তার প্রেমিকা সারার মধ্যকার মনস্তাত্ত্বিক কৌতূহল, ঈর্ষা ও দ্বিধাদ্বন্দ্ব এখানে চমৎকার ভাষায় প্রতিফলিত হয়েছে।
“…আর সে ভালো করেই জানত যে সে (হাম্মাম) উত্তর দিতে গিয়ে চালাকি করছে এবং এড়িয়ে যাচ্ছে। অথচ সে মনেপ্রাণে অনুভব করতে চেয়েছিল যে, যদি সুযোগও পেত তবুও সে সেই সুন্দরী অভিনেত্রীকে কখনো চুম্বন করত না… সে নিশ্চিত জানত যে সে সত্য বলছে না এবং স্পষ্ট স্বীকারোক্তিও দিচ্ছে না! …অবশেষে সে হেসে বলে উঠল: তুমি বেঁচে গেলে! কল্পনায় কাউকে চুম্বন করাও অন্তরাত্মার সাথে একপ্রকার বিশ্বাসঘাতকতা; আর অন্তরাত্মার বিশ্বাসঘাতকতা এবং বাস্তব জগতের বিশ্বাসঘাতকতার মধ্যে পার্থক্য কেবল বাস্তবায়নের মধ্যেই সীমাবদ্ধ!”
(و) فلما عبر الشارع المهجور تلك الليلة مطرقا كعادته حين يسير على غير قصد إلى مكان معلوم، سمع من جانبه صوتا يناديه، صوتا يعرفه بين ألف صوت، بل بين جميع ما خلق الله من الأصوات والأصداء، صوتها هي بعينها يهتف به: أهو أنت؟ أهو أنت؟ سمع هاتين الكلمتين فأحسّ لهما صدى كانفغار الهاوية تحت السفينة في البحر اللّجي من أثر عاصفة أو زلزال-
[অনুবাদ]:
উৎস ও প্রেক্ষাপট: এটিও কবি ও দার্শনিক আব্বাস মাহমুদ আল-আক্কাদ (عباس محمود العقاد)-এর মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস “سارة” থেকে সংকলিত। রাতে নির্জন রাস্তায় আকস্মিকভাবে প্রেমিকা সারার কণ্ঠস্বর শুনে নায়ক হাম্মামের অন্তরে যে তীব্র আবেগময় কম্পন সৃষ্টি হয়েছিল, তারই রূপ ফুটে উঠেছে এখানে।
“সেদিন রাতে যখন সে আনমনা হয়ে মাথা নিচু করে নির্জন রাস্তাটি পার হচ্ছিল—যেমনটি কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্য ছাড়া হাঁটার সময় তার অভ্যাস ছিল—হঠাৎ তার পাশ থেকে কাউকে তাকে ডাকতে শুনল। এমন এক কণ্ঠস্বর, যা সে হাজারো কণ্ঠের ভিড়েও চিনে নিতে পারে; বরং আল্লাহ যত শব্দ ও প্রতিধ্বনি সৃষ্টি করেছেন তার সবকিছুর চেয়ে স্পষ্ট! স্বয়ং তারই কণ্ঠস্বর তাকে ডেকে ব্যাকুল হয়ে বলছে: ‘তুমি কি সেই? তুমিই কি?’ এই দুটি শব্দ কানে আসতেই তার এমন অনুভূতি হলো যেন কোনো প্রচণ্ড সামুদ্রিক ঝড় বা ভূমিকম্পের আঘাতে অতল সাগরের বুকে জাহাজের তলা ফেটে পাতালপুরীর ধ্বংসদ্বার উন্মুক্ত হয়ে গেছে!”
٢- اشرح باللغة العربية (واحدا فقط): (الدرجات: ٥ × ١ = ٥)
[১. বাংলা অনুবাদ]: নিম্নে প্রদত্ত বাক্যগুলো থেকে যেকোনো একটির আরবিতে ব্যাখ্যা লিখ।
(أ) وجسمه النحيل القوى، كأنه نمر يتربص بفيل-
الشرح الأدبي بالعربية:
هذه العبارة البليغة من رواية “اللص والكلاب” لأديب نوبل نجيب محفوظ، يصف بها البطل سعيد مهران. يجمع الكاتب هنا بين النحافة والقوة العضلية المتوثبة في جسد البطل، ويشبهه في رشاقته وشراسته بنمر صياد جسور يتربص بفيل ضخم. يرمز النمر هنا إلى سعيد مهران بحركته السريعة وجسارته ورغبته الجامحة في الانتقام الفردي، بينما يرمز الفيل إلى أعدائه الأقوياء ذوي النفوذ والسلطة والمال (مثل رؤوف علوان وعليش سدرة). وتدل هذه العبارة على الصراع غير المتكافئ بين فرد مطارد ومجتمع فاسد متجبر، حيث يعتمد البطل على مهاراته الفردية وخفته لمواجهة قوى ضخمة تفوقه عدة وعتاداً.
বাংলা পর্যালোচনা: সাঈদ মাহরানের শারীরিক গঠন ছিল কৃশকায় অথচ অসম্ভব ক্ষিপ্র ও শক্তিশালী। নাজিব মাহফুজ তাকে বাঘের সাথে এবং তার প্রভাবশালী ধনাঢ্য শত্রুদের হাতির সাথে তুলনা করেছেন। এটি ব্যক্তিক সংগ্রাম ও ক্ষমতাবান শোষকদের মধ্যকার এক অসম লড়াইয়ের প্রতীক।
(ب) ولو جاءه أحد أن يصطحبه لفرّ منه كما يفر المريم من غريمه-
الشرح الأدبي بالعربية:
هذه العبارة تصور حالة نفسية قاسية من العزلة والانطواء والريبة والشك المطلق في البشر. تبين العبارة أن الشخصية تعيش هاجساً أمنياً ونفسياً مدمراً يدفعه إلى الهرب من كل تواصل إنساني، فلو اقترب منه صديق أو رفيق ليصحبه أو يؤنس وحشته، لفر وهرب منه مذعوراً كما يفر المدين المعسر المفلس من دائنه (غريمه) الذي يطالبه بحقه في شدة وإلحاح. تدل هذه الاستعارة على فقدان الثقة التام في المجتمع والشعور بالمطاردة الدائمة، وهي تجسد أزمة البطل الإشكالي في الرواية الحديثة الذي يرى في الآخرين خطراً يهدد حريته ووجوده.
বাংলা পর্যালোচনা: এই বাক্যে নিঃসঙ্গ মানুষের চরম ভীতি ও মানসিক আতঙ্কের রূপ ফুটে উঠেছে। ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি যেমন পাওনাদারকে দেখলে পালিয়ে বেড়ায়, তেমনি সমাজের আঘাতপ্রাপ্ত নায়ক যেকাউকে দেখলে ভয়ে পলায়ন করে। এটি আধুনিক মানুষের নিঃসঙ্গতা ও আস্থাহীনতার তীব্র প্রকাশ।
٣- أجب باللغة العربية (اثنين فقط): (الدرجات: ٥ × ٢ = ١٠)
[১. বাংলা অনুবাদ]: নিম্নে প্রদত্ত প্রশ্নগুলো থেকে যেকোনো দুটির উত্তর আরবিতে লিখ।
(أ) ما المراد بـ ‘اللص والكلاب’؟ ومن البطل في هذه الرواية؟
[অনুবাদ]: ‘আল-লিসসু ওয়াল কিলাব’ (চোর ও কুকুরগুলো) দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে? এবং এই উপন্যাসের নায়ক কে?
الجواب:
- المراد باللص: اللص ظاهرياً هو بطل الرواية “سعيد مهران” الذي دخل السجن بتهمة السرقة، ولكنه في الحقيقة لص نبيل يسرق الأغنياء البخلاء ليعطي الفقراء بدافع العدالة الاجتماعية، وهو رمز للإنسان المغدور والضحية.
- المراد بالكلاب: الكلاب رمز استعاري أطلقه الكاتب على الخونة والانتهازيين الذين غدروا بسعيد مهران وباعوا مبادئهم من أجل المال والسلطة؛ وهم:
- عليش سدرة: الصديق الخائن وتلميذ سعيد الذي وشى به وتزوج امرأته واستولى على ماله وابنته.
- نبوية: الزوجة الخائنة التي غدرت بزوجها وتخلت عنه في محنته.
- رؤوف علوان: الصحفي الانتهازي وأستاذ سعيد الروحي القديم الذي علمه التمرد، ثم تحول إلى برجوازي وصولي يخدم السلطة وتنكر لتلميذه وسلّمه للشرطة.
- بطل الرواية: بطل الرواية هو “سعيد مهران”، ذلك الشاب المثقف والمتمرد الذي خرج من السجن بعد أربع سنوات ليجد نفسه محاصراً بالخيانة، فيقرر الانتقام، لكن محاولاته تفشل وتتحول حياته إلى مأساة تنتهي بمحاصرته واستسلامه للموت في المقابر دون مبالاة.
(ب) ماذا صوّر محمد حسين هيكل في روايته ‘زينب’؟
[অনুবাদ]: মুহাম্মদ হুসাইন হাইকাল তাঁর ‘যায়নাব’ উপন্যাসে কী চিত্রায়ণ করেছেন?
الجواب:
تعد رواية “زينب” (الصادرة عام ١٩١٤م) للدكتور محمد حسين هيكل أول رواية فنية متكاملة في الأدب العربي الحديث، وقد صور فيها الكاتب ما يلي:
- سحر الريف المصري وجمال طبيعته: رسم الكاتب لوحات حية بديعة لمناظر الحقول الخضراء، وقنوات المياه، ومواسم جني القطن، وساعات الشروق والغروب في قرى الدلتا.
- حياة الفلاحين ومعاناتهم: صور الكاتب واقع الفلاح المصري البسيط، وكدحه الشاق من الفجر إلى المغيب، وبساطة معيشته تحت وطأة الفقر والمرض وقسوة العمل.
- العادات والتقاليد الاجتماعية الصارمة: انتقد هيكل بشدة التقاليد الرجعية البالية التي تحرم المرأة من حق اختيار شريك حياتها، حيث أُجبرت البطلة “زينب” على الزواج من “حسن” التاجر الغني رغماً عنها، بينما كان قلبها معلقاً بحب الفلاح الفقير “إبراهيم”.
- المأساة العاطفية والنهاية المؤلمة: صور الصراع النفسي المرير للبطلة زينب بين واجبها الزوجي الشكلي وبين عاطفتها الصادقة، مما أدى إلى ذبولها وإصابتها بمرض السل وموتها ضحية للقهر الاجتماعي.
- أزمة الشباب المثقف: جسد من خلال شخصية “حامد” (رمز الكاتب نفسه) حيرة الجيل الجديد بين التقاليد الموروثة والأفكار التحررية الحديثة.
(ج) كم شخصيات في رواية ‘سارة’؟ أذكر أسماءها-
[অনুবাদ]: ‘সারা’ উপন্যাসে কতজন চরিত্র রয়েছে? তাদের নামসমূহ উল্লেখ কর।
الجواب:
رواية “سارة” للأديب عباس محمود العقاد رواية نفسية تحليلية تعتمد على عدد قليل جداً من الشخصيات المركزة التي تدور حول عواطف النفس وأسرار الشك والحب. والشخصيات الرئيسة فيها هي:
- همام: بطل الرواية ورجل الفكر والقلم (وهو يمثل الكاتب العقاد نفسه)، رجل في أواخر الثلاثينيات، يتميز بعقل فيلسوف حذر، يقع في حب سارة ويعاني من صراع الشك والغيرة.
- سارة: البطلة التي سميت الرواية باسمها، امرأة فاتنة غامضة، ذات طبيعة حرة متناقضة، تحب الحياة والمغامرة، ويحوم حول وفائها الشك والشبهات.
- هند: الفتاة العذراء النقية الهادئة التي عرفها همام قبل سارة وبعدها، وتمثل نموذج الحب الروحي الخالص والوفاء الصامت.
- أمين (أو الصديق): صديق همام المخلص الذي يشاركه أفكاره ويستشيره في أموره ويكلفه بمراقبة سارة لكشف حقيقة خيانتها.
- شخصيات ثانوية عابرة: مثل بعض المعارف ورواد المقاهي وسائقي السيارات الذين يظهرون في خلفية الأحداث دون أثر محوري.
(د) ألم أعلمك الوقوف على قدمين؟ من قال هذا؟ ولمن قال؟
[অনুবাদ]: ‘আমি কি তোমাকে দুই পায়ে দাঁড়াতে শেখাইনি?’—কে কাকে এ কথা বলেছিল?
الجواب:
القائل: قال هذه العبارة البطل سعيد مهران في رواية “اللص والكلاب” لأديب نوبل نجيب محفوظ.
المقول له: قالها موجهاً خطابه اللائم العنيف لأستاذه الروحي القديم الصحفي رؤوف علوان، عندما ذهب إليه سعيد في قصره الفخم بعد خروجه من السجن، فتنكر له رؤوف ورفض مساعدته وطرده معطياً إياه بضعة جنيهات من باب الصدقة والاستعلاء.
المناسبة والدلالة: كان رؤوف علوان في الماضي طالباً فقيراً يتبنى الأفكار الثورية والتمرد والسرقة من الأغنياء باسم العدالة، وهو الذي غرس في نفس سعيد مهران تلك المبادئ وعلمه كيف يكون رجلاً يثور على الظلم ويقف على قدميه. فلما انقلب رؤوف على عقبيه وصار خادماً للأغنياء والبرجوازية وتنكر لماضيه، واجهه سعيد بهذه العبارة الدالة على الغدر والردة الفكرية والأخلاقية، مذكراً إياه بأن الفضل في نضجه كان لكلمات رؤوف السابقة التي خانها الآن.
٤- أجب عن اثنين من الأسئلة التالية: (الدرجات: ٥ × ٢ = ١٠)
[১. বাংলা অনুবাদ]: নিম্নে প্রদত্ত প্রশ্নগুলো থেকে যেকোনো দুটির উত্তর লিখ।
(أ) ما معنى الرواية لغة واصطلاحا؟ اذكر عدد روايات نجيب محفوظ-
[অনুবাদ]: আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থে উপন্যাস (الرواية)-এর পরিচয় দাও। নাজিব মাহফুজের উপন্যাসের সংখ্যা উল্লেখ কর।
الجواب:
معنى الرواية لغةً: الرواية مصدر من الفعل “روى” يروي روايةً، وتأتي في لسان العرب بمعنى: حمل الماء ونقله (روى الماء)، أو نقل الحديث والخبر ونشره بين الناس (روى الحديث والقصة).
معنى الرواية اصطلاحاً: الرواية فن نثري أدبي قصصي سردي طويل، يقوم على حكاية أحداث واقعية أو متخيلة تجري لشخصيات متعددة في زمان ومكان محددين، وتتشابك فيها العقدة والصراع لتصل إلى حل فني، وتتميز بسعة حجمها وتعدد شخوصها وتشعب حبكتها مقارنة بالقصة القصيرة.
عدد روايات نجيب محفوظ: يعد نجيب محفوظ رائد الرواية العربية وعميدها؛ وقد كتب عبر مسيرته الأدبية الحافلة ما يقارب ٣٥ رواية (بالإضافة إلى مجموعاته القصصية ونصوصه السينمائية). ومن أشهر رواياته: الثلاثية الخالدة (“بين القصرين”، “قصر الشوق”، “السكرية”)، و”اللص والكلاب”، و”خان الخليلي”، و”بداية ونهاية”، و”زقاق المدق”، و”أولاد حارتنا”، و”ثرثرة فوق النيل”، و”ميرامار”، و”الحرافيش”.
(ب) اذكر مساهمة العقاد في تطوير الرواية العربية-
[অনুবাদ]: আরবি উপন্যাসের বিকাশে আব্বাস মাহমুদ আল-আক্বাদের অবদান আলোচনা কর।
الجواب:
رغم أن الكاتب والمفكر الكبير عباس محمود العقاد لم يكتب سوى رواية واحدة هي “سارة” (عام ١٩٣٨م)، إلا أن مساهمته في تطوير الرواية العربية كانت نوعية وفريدة للأسباب التالية:
- تأسيس الرواية النفسية والتحليلية: نقل العقاد الرواية العربية من إطار الحكاية التاريخية والوصف الخارجي للأحداث إلى أعماق النفس البشرية وتشريح خوالجها ومشاعرها (الشك، الغيرة، الصدق، الخيانة).
- الاهتمام بالصراع الفكري والداخلي: جعل مركز الرواية يدور حول أفكار الأبطال وحواراتهم الذاتية وتأملاتهم الفلسفية بدلاً من الحبكة البوليسية والحوادث المثيرة.
- الرصانة اللغوية والأسلوب الفكري: أدخل إلى لغة الرواية أسلوبه الفكري الرصين المليء بالحكمة والاستقصاء الدقيق للمعاني، مما رفع من المكانة الفنية والأدبية للرواية العربية.
- الواقعية السيكولوجية: كانت روايته مستمدة من تجربة عاطفية حقيقية عاشها الكاتب، مما أضفى عليها صدقاً فنياً وتحليلاً نفسياً غير مسبوق في الساحة الروائية.
(ج) قيم رواية ‘زينب’ رواية اجتماعية-
[অনুবাদ]: একটি সামাজিক উপন্যাস হিসেবে ‘যায়নাব’ উপন্যাসের মূল্যায়ন কর।
الجواب:
تحتل رواية “زينب” للدكتور محمد حسين هيكل مكانة تأسيسية كأعظم رواية اجتماعية رائدة في مطلع القرن العشرين، ويمكن تقييمها اجتماعياً في النقاط الآتية:
- المرآة الصادقة للريف المصري: هي أول عمل أدبي يتخذ من الريف المصري مسرحاً لأحداثه، ونقلت ببراعة مشاعر الفلاحين وكفاحهم اليومي وعلاقاتهم الإنسانية والطبقية.
- الدفاع عن حرية المرأة وحقوقها: هاجمت الرواية استبداد الآباء وتزويج الفتيات كرهاً دون رضاهن بدافع الطمع المادي والطبقي، واعتبرت ذلك جريمة اجتماعية تؤدي إلى تدمير الأسرة وسحق مشاعر المرأة.
- الدعوة إلى التحرر والتنوير: عكست الرواية فكر ثورة ١٩١٩م والروح الوطنية المصرية التواقة إلى هدم الخرافات والعادات البالية، وبناء مجتمع حديث يقوم على العلم والحرية والكرامة الفردية.
- القيمة التاريخية: بفضل أبعادها الاجتماعية العميقة، فتحت رواية “زينب” الباب واسعاً أمام الرواية الواقعية العربية ومهدت الطريق لطه حسين وتوفيق الحكيم ونجيب محفوظ.
(د) اكتب نبذة عن حياة عباس محمود العقاد بإيجاز-
[অনুবাদ]: সংক্ষেপে আব্বাস মাহমুদ আল-আক্বাদের জীবনবৃত্তান্ত আলোচনা কর।
الجواب:
مولده ونشأته: ولد الكاتب والعملاق عباس محمود العقاد في مدينة أسوان بمصر عام ١٨٨٩م، ونشأ في أسرة عصامية، ولم يكمل تعليمه النظامي بعد المرحلة الابتدائية لضيق ذات اليد، ولكنه ثقف نفسه بنفسه بالقراءة الدؤوبة في مختلف العلوم واللغات حتى صار من أعظم مفكري العرب في القرن العشرين.
أعماله ونشاطه: عمل موظفاً ثم استقال وتفرغ للصحافة والأدب، وخاض معارك فكرية وسياسية ضارية دفاعاً عن الدستور والحريات وسجن في سبيل ذلك تسعة أشهر. أسس مع المازني وشكري “مدرسة الديوان” لتجديد الشعر والأدب.
مؤلفاته ومكانته: كان موسوعياً ضخماً، ألف أكثر من مائة كتاب؛ أشهرها سلسلة “العبقريات” الإسلامية (عبقرية محمد، وعمر، وعلي، وخالد، وغيرهم)، وكتاب “الديوان”، وروايته الشهيرة “سارة”، ودواوينه الشعرية المتعددة.
وفاته: توفي رحمه الله بالقاهرة عام ١٩٦٤م بعد مسيرة فكرية شامخة أثرت الثقافة العربية والإسلامية.
قسم المسرحية (الدرجات: ٤٠)
[১. বাংলা অনুবাদ]: নাটক অংশ (মোট নম্বর: ৪০)
٥- ترجم العبارات التالية (ثلاثا فقط): (الدرجات: ٣ × ٥ = ١٥)
[১. বাংলা অনুবাদ]: নিম্নে প্রদত্ত নাট্যাংশগুলো থেকে যেকোনো তিনটির বাংলায় অনুবাদ লিখ।
ভূমিকা: আধুনিক আরবি নাট্যসাহিত্যে রূপক ও দার্শনিক নাটক (المسرح الذهني) এবং ঐতিহাসিক নাটকের এক নবযুগ সৃষ্টি করেছিলেন তৌফিক আল-হাকিম, আহমদ শাওকী ও আলী আহমদ বাকাসীর। নিম্নে প্রদত্ত নাট্যাংশগুলো তৌফিক আল-হাকিমের বিশ্বযুদ্ধপরবর্তী পরমাণু অস্ত্রের হুমকি ও স্বেচ্ছাচারী শাসনের বিরুদ্ধে রচিত প্রতীকী নাটক ‘সালাতুল মালাইকাহ’ (ফেরেশতাদের প্রার্থনা) এবং ‘সাক্বরু কুরাইশ’ নাটকের আলোড়িত অংশ। পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ নিচে উপস্থাপন করা হলো:
(أ) الملك الأول: يا للويل! أو نظل نحن في عليائنا نطل عليهم في سكون؟
الملاك الثاني: وما في مقدورنا أن نصنع لهم؟
الملاك الأول: نهبط إليهم لنرد إلى عقولهم الصواب، ونفتح بصائرهم على نور الحق-
الملاك الثاني: إنهم سكارى لا يبصرون ولا يصغون ولا يعون-
[অনুবাদ]:
উৎস ও প্রেক্ষাপট: এটি নাট্যসম্রাট তৌফিক আল-হাকিম (توفيق الحكيم)-এর গভীর দার্শনিক ও রূপক নাটক “صلاة الملائكة” (ফেরেশতাদের প্রার্থনা) থেকে সংকলিত। মানবজাতির যুদ্ধোন্মাদনা ও পারমাণবিক ধ্বংসযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করে স্বর্গলোকে দুই ফেরেশতার মধ্যকার বেদনাময় কথোপকথন এখানে ফুটে উঠেছে।
“প্রথম ফেরেশতা: হায় আফসোস! আমরা কি আমাদের এই উচ্চতম স্বর্গে নীরবে বসে বসে তাদের ধ্বংসলীলা দেখব?
দ্বিতীয় ফেরেশতা: আর তাদের জন্য আমাদের করারই বা কী সামর্থ্য আছে?
প্রথম ফেরেশতা: আমরা তাদের কাছে নেমে যাই, যাতে তাদের মস্তিস্কে সুবুদ্ধি ফিরিয়ে দিতে পারি এবং তাদের অন্তর্দৃষ্টিকে সত্যের আলোয় উন্মোচিত করতে পারি!
দ্বিতীয় ফেরেশতা: তারা তো ক্ষমতার অহংকারে মাতাল হয়ে রয়েছে; তারা দেখেও দেখে না, শুনেও শোনে না এবং কোনো সত্যই উপলব্ধি করে না!”
(ب) الملاك: مهلاً… مهلاً… لا تفزعوا كل هذا الفزع أمام قوة البشر-
العالم: أيها الفتى، إنك لا تدري مدى قوة الشر- إن عوداً واحداً من الثقاب يستطيع أن يحرق مدينة، وإن طاغية واحداً ألهب أمته بحمى التدمير، وألقى بكل مالها في إعداد أدواته قد استطاع أن يلهب في عين الوقت جيرانه بالعدوى، فجيران جيرانه، فالعالم أجمع- وإذا كل بلاد الأرض تلقى كنوزها وغذاء أبنائها في هذا الأتون-
[অনুবাদ]:
উৎস ও প্রেক্ষাপট: এটিও তৌফিক আল-হাকিমের রূপক নাটক “صلاة الملائكة” থেকে গৃহীত। মানুষ রূপধারী ফেরেশতা এবং পরমাণু বিজ্ঞানী বা দার্শনিক চিন্তাবিদের মধ্যকার যুদ্ধের সর্বগ্রাসী ধ্বংসলীলা নিয়ে আলোচনা।
“ফেরেশতা: থামুন… শান্ত হোন… মানুষের শক্তির সামনে আপনারা এতটা আতঙ্কগ্রস্ত ও বিচলিত হবেন না!
বিজ্ঞানী: হে যুবক! অশুভ শক্তির ধ্বংসক্ষমতা সম্পর্কে তোমার কোনো ধারণাই নেই। সামান্য একটিমাত্র দিয়াশলাইয়ের কাঠি গোটা একটি নগরীকে পুড়িয়ে ছারখার করে দিতে পারে। আর মাত্র একজন স্বেচ্ছাচারী স্বৈরশাসক যদি তার জাতিকে ধ্বংসের উন্মাদনায় প্ররোচিত করে এবং রাষ্ট্রের সমুদয় ধনসম্পদ মারণাস্ত্র তৈরিতে ব্যয় করে, তবে সে একই সাথে সেই ধ্বংসের বিষবাষ্প তার প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোতে ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়, অতঃপর প্রতিবেশীর প্রতিবেশীদের মাঝে, এবং অবশেষে সমগ্র বিশ্বে! আর তখন পৃথিবীর সমস্ত দেশ তাদের মহামূল্যবান ধনসম্পদ এবং তাদের সন্তানদের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার সংস্থানকে এই বিধ্বংসী অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপ করতে বাধ্য হয়!”
(ج) الطاغية الأول: إنه مستعد لبذل التضحية-
الملاك: بذل التضحية لمن؟ لك أنت أيها الطاغية، ولأن تلك هي مطالبك أنت لا مطالب الشعب، إذ لا يمكن لشعب أن يطلب من أعماق نفسه حقا هذه المطالب، إن ضمير الشعب أبسط وأنقى من ذلك- إنما السيادة والجبروت والطغيان هي مطالب الغرور التي تنبت في خاطر رجل واحد، فيسخر شعبه المسكين كله لتحمل أعبائها، ويسأله التضحية ويعطيه ثمنها هذه الألفاظ التي تسكر ولا تشبع-
[অনুবাদ]:
উৎস ও প্রেক্ষাপট: এটি তৌফিক আল-হাকিমের নাটক “صلاة الملائكة”-এর এক মর্মভেদী দৃশ্য। স্বৈরশাসকের কৃত্রিম দেশপ্রেম ও জনগণের ত্যাগের মহিমাকে ব্যবহার করে নিজের অহমিকা চরিতার্থ করার বিরুদ্ধে ফেরেশতার বজ্রকণ্ঠ।
“প্রথম স্বৈরশাসক: সে (জনগণ) তো যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত!
ফেরেশতা: আত্মত্যাগ কার জন্য? একমাত্র তোমার স্বার্থে হে স্বৈরাচার! আর এটি কেবল তোমারই লালিত দাবি, জনগণের অন্তরের দাবি কখনো নয়! কারণ কোনো সাধারণ জাতি নিজের অন্তরের গভীর থেকে কখনো এমন রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ কামনা করতে পারে না। জনগণের বিবেক এর চেয়ে অনেক বেশি সরল ও নিষ্কলুষ। প্রকৃতপক্ষে ক্ষমতা, আধিপত্য ও জুলুমবাজি হলো কেবল একজন ব্যক্তির মস্তিষ্কে জন্ম নেওয়া আত্মম্ভরিতা ও অহংকারের কুফল। এরপর সে তার অসহায় জাতিকে এই অহংকারের বোঝা বইতে বাধ্য করে; তাদের কাছে আত্মত্যাগ দাবি করে এবং তার বিনিময়ে তাদের ধরিয়ে দেয় কিছু চটকদার ফাঁকা বুলি—যা মানুষকে উন্মাদ ও মাতাল করে তোলে কিন্তু তাদের পেটের ক্ষুধা নিবৃত্ত করে না!”
(د) الملاك: كيف نسيتما قول الله في التوراة “ها إني أرفع إلى الأمم يدي وإلى الشعوب أقيم رايتي، هل نسلب من الجبار غنيمة؟ وهل يفلت سبي المنصور؟ فإنه هكذا قال الله حتى سبي الجبار يسلب وغنيمة العاتي تفلت- وأنا أخاصم مخاصمك- وأخلص أولادك، وأطعم ظالميك لحم أنفسهم، ويسكرون بدمهم كما في سلاف …”-
[অনুবাদ]:
উৎস ও প্রেক্ষাপট: এটি তৌফিক আল-হাকিমের নাটক “صلاة الملائكة”-এর তাওরাতের ভবিষ্যদ্বাণীমূলক উদ্ধৃতি। জালেমের চূড়ান্ত শাস্তি এবং মজলুমের মুক্তির ঐশী আশ্বাস এখানে বিঘোষিত হয়েছে।
“ফেরেশতা: তোমরা উভয়ে তাওরাতে আল্লাহর এই অমোঘ বাণী কীভাবে ভুলে গেলে—’দেখো, আমি জাতিসমূহের দিকে আমার হাত উত্তোলন করছি এবং মানবগোষ্ঠীর সামনে আমার পতাকা স্থাপন করছি। কোনো পরাক্রমশালী জালিমের হাত থেকে কি তার লুটের মাল ছিনিয়ে নেওয়া যায়? কিংবা বিজয়ী শিকারীর বন্দি কি মুক্তি পায়? কিন্তু আল্লাহ তো এভাবেই বলেছেন: এমনকি সেই পরাক্রমশালী অহংকারীর বন্দিরাও মুক্ত হবে এবং দুর্ধর্ষের লুটের মালও ছিনিয়ে নেওয়া হবে! আর যারা তোমার বিরুদ্ধে লড়াই করবে আমি তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করব; আমি তোমার সন্তানদের রক্ষা করব, এবং তোমার ওপর অত্যাচারীদের আমি তাদের নিজেদের মাংসই ভক্ষণ করাব, আর তারা তাদের নিজেদের রক্ত পান করে এমনভাবে মাতাল হয়ে ঢলে পড়বে যেন তা উৎকৃষ্ট সুরা…!’।”
(هـ) كان الصبية صغارا فقد مات أبوهم وهو بعيد لم يتعد نيفا وعشرين، وكان حزن جدهم خليفة رسول الله لا يقدر، فقد كان معاوية من أعز أبنائه على نفسه ومن أقربهم إلى فؤاده، وكان يود أن يجعله ولي عهده لولا ما وعد به أخاه يزيد بأن يستخلف ولده الوليد-
[অনুবাদ]:
উৎস ও প্রেক্ষাপট: এটি উমাইয়া খিলাফতের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত নাটক “صقر قريش” (সাক্বরু কুরাইশ) থেকে চয়ন করা হয়েছে। খলিফা হিশাম ইবনে আব্দুল মালিকের পুত্র মুয়াবিয়ার অকাল মৃত্যু এবং তার এতিম সন্তানদের (যার অন্যতম হলেন ভবিষ্যৎ আন্দালুসের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুর রহমান আদ-দাখিল) করুণ দৃশ্যপট এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
“শিশুরা ছিল একেবারেই ছোট ও অবোধ; কারণ তাদের পিতা মাত্র বিশের কোঠায় থাকা অবস্থায় সুদূর রণাঙ্গনে ইনতিকাল করেছিলেন। ফলে তাদের দাদা রাসুলুল্লাহর খলিফার দুঃখ-শোক ছিল অপরিসীম। কেননা মুয়াবিয়া ছিলেন তাঁর সমস্ত সন্তানের মধ্যে তাঁর সবচেয়ে প্রিয় এবং হৃদয়ের সবচেয়ে নিকটবর্তী। তিনি আন্তরিকভাবেই তাকে তাঁর পরবর্তী যুবরাজ বা উত্তরাধিকারী মনোনীত করতে চেয়েছিলেন; কিন্তু এর আগেই তিনি তাঁর ভাই ইয়াযীদকে এই মর্মে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে তিনি তাঁর পুত্র ওয়ালীদকে খেলাফতের দায়িত্ব অর্পণ করবেন।”
(و) كان من المؤلم لشاب في بن عبد الرحمن أن يحتمل ماجرى في تلك الآونة الأخيرة من مآس، وهو بعد لم يتخط عتبة العشرين، وقد يصعب علينا ونحن بعد اثني عشر قرنا أن نصف ما كان يموج في خاطره من أحاسيس متضاربة، فلقد كان زوال النعمة التي درج عليها أمرا أصعب من أن يحتمله أو أن يقبل السير في سبيل غير ما عهد-
[অনুবাদ]:
উৎস ও প্রেক্ষাপট: এটিও ঐতিহাসিক নাটক “صقر قريش” থেকে সংকলিত। আব্বাসীয়দের হাতে উমাইয়া খেলাফতের পতন এবং তরুণ যুবরাজ আব্দুর রহমান আদ-দাখিলের জীবনের মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি ও রাজকীয় সুখ বিসর্জন দিয়ে মরুভূমিতে পলায়নের দৃশ্যপট এখানে বর্ণিত।
“আব্দুর রহমানের মতো একজন তরুণ যুবকের জন্য সাম্প্রতিক কালের এই ভয়াবহ বিপর্যয় ও শোকাবহ ট্র্যাজেডি সহ্য করা ছিল চরম বেদনাদায়ক, অথচ তখন পর্যন্ত সে কুড়ি বছরের চৌকাঠও পার হয়নি! দীর্ঘ বারো শতাব্দী পর আজ আমাদের পক্ষে হয়তো উপলব্ধি করাও কঠিন যে সেই কঠিন মুহূর্তে তার মস্তিষ্কে কেমন তীব্র দ্বন্দ্ব ও অনুভূতির সংঘাত আলোড়িত হচ্ছিল। কারণ যে পরম রাজকীয় সুখ-ঐশ্বর্য ও প্রাচুর্যের মাঝে সে লালিত-পালিত হয়েছিল, তার এমন আকস্মিক পতন সহ্য করা কিংবা অচেনা কোনো চরম অনিশ্চিত পথে পা বাড়ানো ছিল কল্পনাতীত কঠিন এক পরীক্ষা!”
٦- اشرح بالعربية واحدا من التالية: (الدرجات: ٥ × ١ = ٥)
[১. বাংলা অনুবাদ]: নিম্নে প্রদত্ত চরণগুলো থেকে যেকোনো একটির আরবিতে ব্যাখ্যা লিখ।
(أ) يا زهرة الأمل لا تبكي ❖ فإن دمعك دمع السماء!
الشرح الأدبي بالعربية:
هذا البيت الشعري الرمزي المؤثر مقتبس من المسرحية الفلسفية الرمزية (مسرحية “صلاة الملائكة” لتوفيق الحكيم أو المسرح الغنائي الحديث). يخاطب فيه الكاتب الرمز الإنساني الطاهر المتجسد في “زهرة الأمل”، وهي الفتاة البريئة أو رمز السلام والمستقبل المشرق الذي تكاد تسحقه ويلات الحروب والدمار. يناديها الشاعر برقة فائقة داعياً إياها ألا تبكي وألا تيأس من رحمة الله، مبيناً أن دموعها الطاهرة ليست دموعاً بشرية عادية، بل هي “دمع السماء”، أي أنها قطرات مقدسة تشاركها فيها الملائكة والسماء حزناً على مأساة الإنسانية المعذبة. تدل هذه الصورة البلاغية على قدسية البراءة وقوة الأمل التي تنبع من الإيمان العلوي، وتبشر بأن النقاء الروحي سينتصر في النهاية على ظلم الطغاة.
বাংলা পর্যালোচনা: এই চরণটিতে নাট্যকার আশার প্রতীক শুভ্র পুষ্পকে ক্রন্দন করতে নিষেধ করছেন। নিষ্পাপ মানুষের এই অশ্রু নিছক পার্থিব কান্না নয়, বরং তা আসমানের পবিত্র অশ্রু। এটি মানবজাতির ওপর নেমে আসা যুদ্ধের ধ্বংসলীলার মাঝেও শাশ্বত আশাবাদ ও ঐশী রহমতের বার্তা বহন করে।
(ب) يا بسمة الصبح للكائنات ❖ هذا الندى ليس قطرة ماء-
الشرح الأدبي بالعربية:
هذا البيت يفيض بالشاعرية والرمزية العميقة؛ حيث يوجه الخطاب إلى “بسمة الصبح”، وهي رمز النور والحياة وتجدد الأمل في نفوس الكائنات الحية بعد ليل طويل من العذاب والحروب. ويشير الكاتب إلى قطرات الندى الصباحية المتلألئة على أوراق الزهر، موضحاً بحس فلسفي رقيق أن هذا الندى ليس مجرد قطرات ماء رطبة تسقطها الطبيعة، بل هو دموع الفرح أو أنفاس الملائكة والرحمة التي تغسل آلام الأرض وتبعث الحياة من جديد في الأرواح اليائسة. إنه تصوير بديع لقدرة الطبيعة والإيمان على مداواة جراح البشرية وبداية عهد جديد من السلام والمحبة.
বাংলা পর্যালোচনা: প্রভাতের সুকোমল হাসির মাঝে যে শিশিরবিন্দু ফুটে ওঠে, তা কেবল পানির ফোঁটা নয়; বরং তা পৃথিবীর দুঃখ ধুয়ে-মুছে নতুন জীবনের আনন্দধারা ছড়িয়ে দেওয়ার এক স্বর্গীয় উপহার। নৈরাশ্যের বিপরীতে এটি এক নতুন ভোরের অনুপ্রেরণা।
٧- أجب بالعربية عن اثنين من التالية: (الدرجات: ٥ × ٢ = ١٠)
[১. বাংলা অনুবাদ]: নিম্নে প্রদত্ত প্রশ্নগুলো থেকে যেকোনো দুটির উত্তর আরবিতে লিখ।
(أ) كم منظراً فى مسرحية ‘صلاة الملائكة’ ومن كاتبه؟
[অনুবাদ]: ‘সালাতুল মালাইকাহ’ নাটকে কয়টি দৃশ্য (মঞ্জর) রয়েছে এবং এর রচয়িতা কে?
الجواب:
- كاتب المسرحية: كاتب مسرحية “صلاة الملائكة” هو رائد المسرح الذهني والأديب والمسرحي العربي الكبير توفيق الحكيم (كتبها بعد الحرب العالمية الثانية تأثراً بمآسي القنبلة الذرية وسباق التسلح).
- عدد المناظر في المسرحية: تتكون المسرحية من فصل واحد يضم ثلاثة مناظر رئيسة (أو خمسة مشاهد فنية متتابعة) تنتقل بين العالم العلوي السماوي (مقر الملائكة) وبين كوكب الأرض الذي تشتعل فيه الحروب ويتحكم فيه الطغاة والعلماء المشغولون بصنع أسلحة الدمار، حيث تهبط الملائكة في محاولة لإنقاذ البشرية وإيقاظ ضمائرها بالصلاة والدعوة إلى السلام.
(ب) من هو صقر قريش؟ ولماذا لقب به؟
[অনুবাদ]: ‘সাক্বরু কুরাইশ’ (কুরাইশের বাজপাখি) কে? এবং কেন তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল?
الجواب:
من هو صقر قريش: هو الأمير الأموي المجاهد عبد الرحمن بن معاوية بن هشام بن عبد الملك بن مروان الأموي القرشي، المعروف تاريخياً بـ “عبد الرحمن الداخل” مؤسس الدولة الأموية المستقلة في الأندلس (شبه الجزيرة الإيبيرية).
لماذا لقب بصقر قريش؟:
- أطلق عليه هذا اللقب التاريخي الخالد ألد أعدائه ومنافسه الأكبر؛ وهو الخليفة العباسي الثاني أبو جعفر المنصور.
- جاء ذلك في مجلس المنصور حين سأل جلساءه: “أتدرون من هو صقر قريش؟” فقالوا: أنت يا أمير المؤمنين، أو معاوية، أو عبد الملك بن مروان. فقال المنصور: “لا، بل هو عبد الرحمن بن معاوية؛ دخل الأندلس منفرداً طريداً شريداً، خائفاً يترقب، بعد أن قُتل أهله واستؤصلت دولته، فعبر القفار، وركب الأخطار، وجاب البحار، حتى دخل بلداً أعجمياً، فجمع شتات الجند، وأقام ملكاً عظيماً بعد انقطاعه، بحسن تدبيره وشدة عزيمته وشجاعته النادرة، ولم يعتمد في ذلك إلا على رأيه وسيفه”. فسمي من حينها “صقر قريش”.
(ج) قدر توفيق الحكيم كاتبا للمسرحية العربية بالإيجاز-
[অনুবাদ]: আরবি নাট্যকার হিসেবে তৌফিক আল-হাকিমের অবদানের মূল্যায়ন সংক্ষেপে আলোচনা কর।
الجواب:
يعد توفيق الحكيم (١٨٩٨ – ١٩٨٧م) المؤسس الحقيقي والرائد الأول لفن المسرحية النثرية في الأدب العربي المعاصر، وتتلخص مكانته في الآتي:
- ابتكار المسرح الذهني: أبدع الحكيم ما يسمى بـ “المسرح الذهني”؛ وهو مسرح فكري فلسفي رمزي كُتب ليُقرأ فيُثير التأمل في قضايا الوجود والزمن والحقيقة، قبل أن يكون مجرد عرض حركي للتمثيل، ومن روائعه: “أهل الكهف” (١٩٣٣م)، و”شهرزاد”، و”بيجماليون”، و”سليمان الحكيم”.
- المسرح الاجتماعي والسياسي: كتب عشرات المسرحيات الواقعية التي عالجت قضايا المجتمع الديمقراطية والعدالة، مثل “الأيدي الناعمة”، و”السلطان الحائر”، و”شمس النهار”.
- تطوير لغة الحوار المسرحي: ابتكر لغة مسرحية فصيحة وسلسة تجمع بين رصانة اللغة الفصحى وحيوية التعبير المعاصر، وهو ما أسماه “اللغة الثالثة”.
- العالمية: ترجمت معظم مسرحياته إلى الإنجليزية والفرنسية والإسبانية، ووضع المسرح العربي في مصاف المسرح العالمي.
(د) قيم مسرحية ‘صلاة الملائكة’ مسرحية سياسية-
[অনুবাদ]: একটি রাজনৈতিক নাটক হিসেবে ‘সালাতুল মালাইকাহ’ নাটকের মূল্যায়ন কর।
الجواب:
تعد مسرحية “صلاة الملائكة” لتوفيق الحكيم من أعمق المسرحيات السياسية الفلسفية المناهضة للحرب والديكتاتورية، ويمكن تقييمها سياسياً في النقاط التالية:
- إدانة الاستبداد وحكم الطغاة: تفضح المسرحية زيف الخطاب السياسي للأنظمة الشمولية والطغاة الذين يزعمون خدمة شعوبهم، بينما هم في الحقيقة يسخرون دماء المواطنين وأرزاقهم لتحقيق نزواتهم التوسعية ومجدهم الشخصي الزائف.
- نقد سباق التسلح وخطر الحرب الذرية: كُتبت المسرحية في أعقاب إلقاء القنبلة الذرية على هيروشيما وتصاعد الحرب الباردة، فهي تمثل صرخة تحذير سياسية وإنسانية من أن تقدم العلم بدون أخلاق سيؤدي إلى فناء الجنس البشري.
- كشف تضليل الجماهير: تبين المسرحية كيف تستخدم الحكومات الفاسدة الشعارات الوطنية البراقة والألفاظ المسكرة لتخدير الشعوب ودفعها إلى التضحية المجانية في حروب عبثية لا ناقة لهم فيها ولا جمل.
- الدعوة إلى السلام العالمي وحقوق الإنسان: تنتهي المسرحية برسالة سياسية إنسانية بليغة تؤكد أن الحوار والعدالة وقيم السماء هي السبيل الوحيد لنجاة الإنسانية من براثن الدمار الشامل.
٨- أجب عن اثنين من التالية: (الدرجات: ٥ × ٢ = ١٠)
[১. বাংলা অনুবাদ]: নিম্নে প্রদত্ত প্রশ্নগুলো থেকে যেকোনো দুটির উত্তর লিখ।
(أ) كيف أسّس عبد الرحمن الداخل إمارة في الأندلس؟
[অনুবাদ]: আব্দুর রহমান আদ-দাখিল কীভাবে আন্দালুসে উমাইয়া আমিরাত প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?
الجواب:
أسس عبد الرحمن الداخل (صقر قريش) الإمارة الأموية في الأندلس عام ١٣٨هـ عبر ملحمة تاريخية خارقة تمثلت في الخطوات التالية:
- الفرار من بطش العباسيين: بعد سقوط الدولة الأموية في دمشق عام ١٣٢هـ وملاحقة العباسيين لأمرائها، فر عبد الرحمن بأعجوبة من نهر الفرات وقطع آلاف الأميال عبر صحراء مصر وليبيا حتى وصل إلى أخواله البربر من قبيلة “نفزة” في المغرب.
- إرسال مَوْلاه بدر إلى الأندلس: أرسل خادمه الوفي “بدراً” إلى الأندلس لاستطلاع الأوضاع والاتصال بموالي بني أمية والقبائل اليمانية، فاستجابوا لدعوته في ظل الخلافات والفتن المشتعلة بين يوسف الفهري والصميل بن حاتم.
- دخول الأندلس وجمع الأنصار: عبر البحر إلى ساحل “المنكب” (Almuñécar) في الأندلس عام ١٣٨هـ، والتف حوله الآلاف من الموالي والفرسان المحبين للأمويين.
- معركة المصارة الحاسمة (١٣٨هـ): واجه جيش حاكم الأندلس يوسف الفهري في معركة “المصارة” الخالدة بالقرب من قرطبة، وانتصر عليه انتصاراً ساحقاً يوم عيد الأضحى عام ١٣٨هـ ودخل قرطبة ظافراً.
- إعلان الإمارة وبناء الدولة: أعلن تأسيس الإمارة الأموية المستقلة في قرطبة، ورفض التبعية للخلافة العباسية، ووحد البلاد، وأنشأ جيشاً قوياً، وبنى جامع قرطبة الكبير، ودشن عهداً حضارياً مشرقاً استمر لعدة قرون.
(ب) عرّف المسرحية، ثم بين تطور المسرحية العربية بالإيجاز-
[অনুবাদ]: নাটকের (المسرحية) সংজ্ঞা দাও এবং আরবি নাটকের ক্রমবিকাশ সংক্ষেপে আলোচনা কর।
الجواب:
تعريف المسرحية: المسرحية فن أدبي قصصي حواري، مؤلف ليُعرض على خشبة المسرح أمام الجمهور بواسطة ممثلين يجسدون شخصيات الرواية بحركاتهم وأقوالهم، وتتكامل فيه عناصر النص الأدبي، والحوار، والصراع، والديكور، والإخراج المسرحي.
تطور المسرحية العربية:
- مرحلة البدايات والترجمة (الريادة): بدأت المسرحية العربية الحديثة على يد اللبناني مارون النقاش في بيروت عام ١٨٤٧م بمسرحية “البخيل” المقتبسة عن موليير، ثم انتقل النشاط المسرحي إلى مصر على يد يعقوب صنوع، وأبي خليل القباني، وسليم النقاش.
- مرحلة المسرح الشعري: ازدهر المسرح الشعري الكلاسيكي على يد “أمير الشعراء” أحمد شوقي الذي ألف روائع مثل “مصرع كليوباترا”، و”مجنون ليلى”، و”قمبيز”، وتبعه عزيز أباظة.
- مرحلة النضج والمسرح النثري (توفيق الحكيم): شهدت المسرحية قمة نضجها الفكري والفلسفي على يد توفيق الحكيم في الثلاثينيات برائعته “أهل الكهف” وما تلاها من مسرحيات ذهنية واجتماعية، مما جعل المسرح العربي فناً أصيلاً معترفاً به عالمياً.
- المسرح الواقعي والسياسي الحديث: تطور بعد الحرب العالمية الثانية وثورة ١٩٥٢م بظهور مسرحيات واقعية ونقدية لكبار الكتاب مثل نعمان عاشور، ويوسف إدريس، وألفريد فرج، وسعد الله ونوس.
(ج) قدر محمود تيمور كاتبا ناجحا للمسرحية العربية بالإيجاز-
[অনুবাদ]: আরবি নাটকের একজন সফল নাট্যকার হিসেবে মাহমুদ তাইমুরের অবদানের সংক্ষিপ্ত মূল্যায়ন কর।
الجواب:
يعد الكاتب والأديب المصري الكبير محمود تيمور (١٨٩٤ – ١٩٧٣م) أحد رواد القصة والمسرحية في الأدب العربي، وتبرز مكانته المسرحية في الجوانب الآتية:
- غزارة الإنتاج وتنوعه: كتب تيمور عشرات المسرحيات الناجحة التي تناولت موضوعات اجتماعية، وتاريخية، وكوميدية، وفلسفية؛ ومن أشهرها: “حفلة شاي”، و”عشتار وإيزيس”، و”اليوم خمر”، و”صقر قريش”، و”المخبأ رقم ١٣”.
- تجربة ازدواجية اللغة (الفصحى والعامية): كان رائداً في حل مشكلة الحوار المسرحي، حيث نشر العديد من مسرحياته في طبعتين: واحدة باللغة العربية الفصحى وأخرى بالعامية المصرية الراقية، ليثبت قدرة الفصحى على تجسيد مشاعر العامة دون تكلف.
- الواقعية والتحليل النفسي: برع في رسم الشخصيات الشعبية المصرية وتصوير نوازعها الداخلية وعاداتها بأسلوب ساخر خفيف الظل وعميق الدلالة.
- العضوية بمجمع اللغة العربية: نال تقديراً كبيراً لجهوده في خدمة الأدب واللغة العربية وحصل على جائزة الدولة التقديرية في الآداب.
(د) اكتب عشرة أسماء لمسرحية توفيق الحكيم-
[অনুবাদ]: তৌফিক আল-হাকিমের বিখ্যাত দশটি নাটকের নাম লিখ।
الجواب:
أثرى توفيق الحكيم المسرح العربي بأكثر من سبعين عملاً مسرحياً، ومن أشهر عشر مسرحيات له ما يلي:
- أهل الكهف (١٩٣٣م) — أشهر مسرحياته الذهنية ومفتاح نهضة المسرح العربي.
- شهرزاد (١٩٣٤م) — مسرحية فلسفية مستوحاة من ألف ليلة وليلة.
- بيجماليون (١٩٤٢م) — مسرحية أسطورية تعالج الصراع بين الفن والحياة.
- سليمان الحكيم (١٩٤٣م) — مسرحية فلسفية مستمدة من التراث الديني.
- الملك أوديب (١٩٤٩م) — معالجة عربية متميزة للمأساة الإغريقية القديمة.
- صلاة الملائكة (١٩٥٣م) — مسرحية رمزية فلسفية مناهضة للحرب واستبداد الطغاة.
- الأيدي الناعمة (١٩٥٤م) — مسرحية كوميدية اجتماعية تدعو لقيمة العمل والإنتاج.
- السلطان الحائر (١٩٦٠م) — مسرحية سياسية تاريخية تدور حول الصراع بين القانون والقوة.
- يا طالع الشجرة (١٩٦٢م) — مسرحية رائدة تنتمي إلى مسرح اللامعقول أو العبث.
- مصير صرصار (١٩٦٦م) — مسرحية رمزية تعالج عبثية الصراع الإنساني في الحياة المعاصرة.
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
১. আরবি সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস কোনটি এবং এর লেখক কে?
আরবি সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ শৈল্পিক উপন্যাস হলো ‘যায়নাব’ (زينب)। এটি ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর রচয়িতা হলেন মিসরের প্রখ্যাত সাহিত্যিক ড. মুহাম্মদ হুসাইন হাইকাল।
২. ‘اللص والكلاب’ (চোর ও কুকুরগুলো) উপন্যাসের মূল বক্তব্য কী?
নোবেলজয়ী নাজিব মাহফুজের এই উপন্যাসের মূল বক্তব্য হলো—বিশ্বাসঘাতকতা ও পুঁজিবাদী শোষণের বিরুদ্ধে একক ব্যক্তির প্রতিশোধের ব্যর্থতা। কুকুরগুলো দ্বারা সমাজের সুবিধাবাদী বিশ্বাসঘাতক বন্ধুদের বোঝানো হয়েছে।
৩. আরবি নাট্যসাহিত্যে তৌফিক আল-হাকিমের প্রধান অবদান কী?
তৌফিক আল-হাকিম হলেন আধুনিক আরবি গদ্য নাটকের জনক। তিনি ‘আল-মাসরাহ আয-যিহনী’ (মানসিক বা দার্শনিক নাটক) প্রতিষ্ঠা করেন, যা নিছক অভিনয়ের জন্য নয় বরং গভীর চিন্তার খোরাক জোগাতে রচিত হয়।
৪. আব্বাস মাহমুদ আল-আক্বাদের ‘سارة’ (সারা) উপন্যাসের বিশেষত্ব কী?
এটি আরবি সাহিত্যের একটি অনন্য মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। এতে বাহ্যিক ঘটনাপ্রবাহের চেয়ে মানুষের অন্তরের সূক্ষ্ম অনুভূতি, প্রেম, সন্দেহ ও ঈর্ষার চুলচেরা দার্শনিক বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
৫. কাকে ‘সাক্বরু কুরাইশ’ বলা হয় এবং কেন?
উমাইয়া রাজপুত্র আব্দুর রহমান ইবনে মুয়াবিয়া (রহ.)-কে ‘সাক্বরু কুরাইশ’ (কুরাইশের বাজপাখি) বলা হয়। আব্বাসীয়দের গণহত্যা থেকে একাকী পালিয়ে এসে আন্দালুসে উমাইয়া আমিরাত প্রতিষ্ঠা করায় আব্বাসীয় খলিফা আবু জাফর আল-মনসুর তাঁকে এ উপাধি দেন।
৬. আধুনিক আরবি নাটকের সূচনা কার মাধ্যমে হয়েছিল?
১৮৪৭ সালে লেবাননের মারুন আন-নাক্কাশ বৈরুতে মলিয়েরের নাটক অবলম্বনে ‘আল-বাখীল’ (কৃপণ) মঞ্চস্থ করার মাধ্যমে আধুনিক আরবি নাটকের সূচনা করেন।