জরুরি নোটিশ 🔔 নতুন: ২০২৬ সালের সকল শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ও গাইড বই প্রকাশিত হয়েছে!

বাংলাদেশ স্টাডিজ (Bangladesh Studies) – 202107, আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ – ফাজিল অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষা ২০২০

Abswer.com Abswer.com
22 September, 2026
৪২ মিনিট পড়ার সময়
৭ বার পঠিত

সরাসরি Telegram-এ সকল বই ও সাজেশন পান!

আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে সবার আগে নতুন বই ও রুটিন ডাউনলোড করুন।

টেলিগ্রামে যুক্ত হোন 🚀

ফাজিল (স্নাতক) সম্মান ১ম বর্ষ পরীক্ষা ২০২০
বিভাগ: আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ
বিষয়: বাংলাদেশ স্টাডিজ (Bangladesh Studies)
বিষয় কোড: 202107 | সময়: ৪ ঘণ্টা | পূর্ণমান: ৮০

২০২০ সালের ফাজিল (স্নাতক) সম্মান ১ম বর্ষের আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের আবশ্যকীয় বিষয় বাংলাদেশ স্টাডিজ (Bangladesh Studies, বিষয় কোড: 202107) পরীক্ষাটি বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাস, ভাষা আন্দোলন, ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা, সাংবিধানিক অধিকার এবং ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর ভিত্তি করে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। নিচে আরবি ও বাংলা উভয় ভাষার সমন্বয়ে সকল প্রশ্নের বিশদ ও প্রাতিষ্ঠানিক সমাধান পরিবেশন করা হলো।

مجموعة (أ) [ক-বিভাগ: রচনামূলক প্রশ্ন]

١- ما هي حركة اللغة؟ تحدث عن حركة اللغة في استقلال بنغلاديش-

[১. ভাষা আন্দোলন কী? বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ভাষা আন্দোলনের ভূমিকা আলোচনা কর।]

ভূমিকা

বাঙালি জাতির আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠা ও স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ অভ্যুদয়ের অবিনাশী সূতিকাগার হলো ১৯৫২ সালের রক্তস্নাত ভাষা আন্দোলন। এটি কেবল মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার সংগ্রাম ছিল না, বরং পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শোষণের বিরুদ্ধে প্রথম প্রত্যক্ষ গণজাগরণ ছিল।

ভাষা আন্দোলনের পরিচয়

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পর পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ৫৬ শতাংশের ভাষা বাংলা হওয়া সত্ত্বেও পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র শুরু করে। এর প্রতিবাদে মাতৃভাষা বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে বাংলার ছাত্র, বুদ্ধিজীবী ও আপামর জনতা যে ঐতিহাসিক সংগ্রাম পরিচালনা করে এবং ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ অসংখ্য শহীদের বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করে, তাকে ভাষা আন্দোলন বলা হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ভাষা আন্দোলনের ভূমিকা

  1. বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ: ভাষা আন্দোলন ধর্মের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত কৃত্রিম দ্বিজাতিতত্ত্বের অসারতা প্রমাণ করে ভাষা ও সংস্কৃতির ভিত্তিতে ধর্মনিরপেক্ষ ও অবিভাজ্য ‘বাঙালি জাতীয়তাবাদ’ গড়ে তোলে।
  2. শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ: এই আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালিরা প্রথম উপলব্ধি করতে পারে যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য প্রতিরোধ ছাড়া বিকল্প নেই।
  3. পরবর্তী গণআন্দোলনের প্রেরণা: ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পথ ধরেই রচিত হয় ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের বিজয়, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফা এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান।
  4. সাংস্কৃতিক জাগরণ ও আত্মপ্রত্যয়: শহীদের রক্তে ভেজা একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালিকে যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে নির্ভীক প্রতিবাদ করার চিরন্তন নৈতিক সাহস এনে দেয়।
  5. ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ: ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত ধারাবাহিকতাই একাত্তরের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ, যার মাধ্যমে বিশ্ব মানচিত্রে সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম হয়।
  6. আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক ২১শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষণার মাধ্যমে এই আত্মত্যাগ বিশ্বজুড়ে গৌরবান্বিত হয়।

٢- تحدث عن أسباب “قضية مؤامرة أغورتلا” ونتائجها مفصলা-

[২. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার কারণ ও ফলাফল বিস্তারিত আলোচনা কর।]

ভূমিকা

১৯৬৮ সালের প্রথমভাগে পাকিস্তান সরকার বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তাকে নস্যাৎ করার লক্ষ্যে ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য’ শীর্ষক এক কুখ্যাত মামলা দায়ের করে, যা ইতিহাসে ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ নামে পরিচিত।

মামলার কারণসমূহ

  • ছয় দফা আন্দোলনের জনপ্রিয়তা দমন: ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধুর পেশকৃত স্বায়ত্তশাসনের ম্যাগনাকার্টা খ্যাত ‘ছয় দফা’ পূর্ব বাংলার জনগণের মুক্তিসনদে পরিণত হয়, যা পাকিস্তানি জান্তাকে ভীতসন্ত্রস্ত করে তোলে।
  • বাঙালি নেতৃত্বকে চিরতরে স্তব্ধ করার অপপ্রয়াস: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ দেশপ্রেমিক বাঙালি সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের রাষ্ট্রদ্রোহী হিসেবে চিত্রিত করে ফাঁসি দেওয়ার ষড়যন্ত্র করা হয়।
  • ভারতের সাথে আঁতাতের মিথ্যা অভিযোগ: মামলায় অভিযোগ করা হয় যে আসামিরা ভারতীয় কর্মকর্তাদের সাথে ত্রিপুরার আগরতলায় বৈঠক করে অস্ত্র সংগ্রহের মাধ্যমে সশস্ত্র অভ্যুত্থান ঘটিয়ে পূর্ব পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করার চক্রান্ত করেছিল।
  • সেনাবাহিনীতে বাঙালি অফিসারদের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া: পাকিস্তান সামরিক বাহিনীতে কর্মরত বাঙালি অফিসার ও জওয়ানদের দেশপ্রেমকে অপরাধ হিসেবে দেখিয়ে পদোন্নতি ও সামরিক নেতৃত্ব থেকে বঞ্চিত করা।

মামলার ফলাফল ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব

  1. উত্তাল ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান: এই মামলার প্রতিবাদে সমগ্র পূর্ব বাংলা ছাত্র-জনতার বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সমাজের ১১ দফা আন্দোলনের সাথে একাত্ম হয়ে এক অপ্রতিরোধ্য গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি হয়।
  2. মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তি: প্রবল গণবিক্ষোভের মুখে ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আইয়ুব খান মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধুসহ সকল আসামিকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে বাধ্য হন।
  3. ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত: মুক্তির পরদিন ২৩শে ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ঐতিহাসিক সংবর্ধনায় শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
  4. আইয়ুব খানের পতন: এই ঐতিহাসিক মামলার তীব্র প্রতিক্রিয়ায় ১৯৬৯ সালের ২৫শে মার্চ পাকিস্তানের লৌহমানব খ্যাত ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
  5. একাত্তরের স্বাধীনতার পথ সুগম: আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা উল্টো বাঙালির স্বাধীনতা আন্দোলনকে অপ্রতিরোধ্য চূড়ান্ত গতি এনে দেয়।

٣- عرف الدستور- ثم بين الحقوق الأساسية المذكورة في بنغلاديش-

[৩. সংবিধানের সংজ্ঞা দাও। বাংলাদেশের সংবিধানে উল্লিখিত মৌলিক অধিকারসমূহ বর্ণনা কর।]

সংবিধানের সংজ্ঞা

সংবিধান হলো কোনো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ও মৌলিক দলিল, যার মাধ্যমে রাষ্ট্রের প্রকৃতি, শাসনব্যবস্থার কাঠামো, সরকারের বিভিন্ন বিভাগের এখতিয়ার ও পারস্পরিক সম্পর্ক এবং নাগরিকদের অধিকার ও কর্তব্য নির্ধারিত হয়।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানী লর্ড ব্রাইস (Lord Bryce)-এর মতে: “সংবিধান হলো এমন এক জীবনপদ্ধতি যা রাষ্ট্র নিজের জন্য বেছে নিয়েছে।”
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোনো আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসামঞ্জস্য হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে।

বাংলাদেশের সংবিধানে উল্লিখিত মৌলিক অধিকারসমূহ

বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে (অনুচ্ছেদ ২৭ থেকে ৪৪ পর্যন্ত) নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের সুদৃঢ় নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে:

  1. আইনের দৃষ্টিতে সমতা (অনুচ্ছেদ ২৭): সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
  2. ধর্ম প্রভৃতি কারণে বৈষম্য বিলোপ (অনুচ্ছেদ ২৮): কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করবে না।
  3. সুযোগের সমতা (অনুচ্ছেদ ২৯): প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকবে।
  4. জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার (অনুচ্ছেদ ৩২): আইনানুযায়ী ব্যতীত কোনো ব্যক্তিকে তার জীবন বা ব্যক্তি-স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।
  5. গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কে রক্ষা-কবচ (অনুচ্ছেদ ৩৩): গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে বিলম্ব না করে গ্রেফতারের কারণ জানাতে হবে এবং আইনজীবীর পরামর্শ ও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করতে হবে।
  6. জবরদস্তিমূলক শ্রম নিষিদ্ধকরণ (অনুচ্ছেদ ৩৪): সকল প্রকার জবরদস্তিমূলক শ্রম বা বেগার খাটা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
  7. চলাফেরার স্বাধীনতা (অনুচ্ছেদ ৩৬): আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে বাংলাদেশের সর্বত্র অবাধ চলাফেরা ও বসবাসের অধিকার।
  8. সমাবেশ ও সংগঠনের স্বাধীনতা (অনুচ্ছেদ ৩৭ ও ৩৮): শান্তিপূর্ণভাবে নিরস্ত্র অবস্থায় সমবেত হওয়ার এবং সমিতি বা ইউনিয়ন গঠন করার অধিকার।
  9. চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতা (অনুচ্ছেদ ৩৯): প্রত্যেক নাগরিকের চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে বাক-স্বাধীনতা ও সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতা।
  10. ধর্মীয় স্বাধীনতা (অনুচ্ছেদ ৪১): প্রত্যেক নাগরিকের যেকোনো ধর্ম অবলম্বন, পালন ও প্রচারের অবাধ অধিকার।
  11. সম্পত্তির অধিকার (অনুচ্ছেদ ৪২): আইনানুযায়ী সম্পত্তি অর্জন, ধারণ, হস্তান্তর বা অন্যভাবে বিলি-ব্যবস্থা করার অধিকার।
  12. মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ (অনুচ্ছেদ ৪৪ ও ১০২): কোনো মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়েরের অধিকার।

٤- اكتب ما تعرف عن مشكلة البطالة وحلها في بنغلاديش-

[৪. বাংলাদেশের বেকার সমস্যা ও তার সমাধান সম্পর্কে যা জান লেখ।]

ভূমিকা

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামগ্রিক জাতীয় সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান অন্তরায় হলো তীব্র বেকার সমস্যা। কর্মক্ষম, সুস্থ ও আগ্রহী হওয়া সত্ত্বেও প্রচলিত মজুরিতে যখন মানুষ উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান থেকে বঞ্চিত থাকে, তখন তাকে বেকারত্ব বলে।

বেকার সমস্যার কারণসমূহ

  • জনসংখ্যার দ্রুত বৃদ্ধি: সীমিত ভূখণ্ডে জনসংখ্যার অত্যধিক বৃদ্ধি শ্রমবাজারে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।
  • কর্মমুখী শিক্ষার অভাব: প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা মূলত সাধারণ ও তত্ত্বনির্ভর; কারিগরি, ভোকেশনাল ও ব্যবহারিক দক্ষতার অভাব প্রকট।
  • শিল্পায়নের মন্থর গতি: প্রয়োজনীয় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ ও ভারী শিল্পের অভাবের কারণে পর্যাপ্ত নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না।
  • কৃষিতে প্রচ্ছন্ন বেকারত্ব: কৃষি খাতে আধুনিক প্রযুক্তির প্রভাবে উদ্বৃত্ত শ্রমশক্তির উপযুক্ত বিকল্প ব্যবস্থা হচ্ছে না।
  • পুঁজির অপ্রতুলতা ও উদ্যোক্তা তৈরির সংকট: সহজ শর্তে জামানতবিহীন ঋণ ও সহায়ক নীতিমালার অভাবে তরুণরা উদ্যোক্তা হতে পারছে না।

বেকার সমস্যা সমাধানের কার্যকর উপায়

  1. কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার: সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি আইসিটি, ভোকেশনাল ও পেশাভিত্তিক ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর সর্বাধিক জোর দেওয়া।
  2. কৃষিভিত্তিক আধুনিক শিল্পায়ন: কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প এবং ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের ব্যাপক বিকাশ ঘটানো।
  3. সহজ শর্তে যুব ঋণ ও স্টার্টআপ ফান্ড: তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে জামানতবিহীন ঋণ ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা।
  4. তথ্যপ্রযুক্তি ও ফ্রিল্যান্সিং খাতের উন্নয়ন: ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ দিয়ে আউটসোর্সিং ও সফটওয়্যার রফতানিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন।
  5. বিদেশে দক্ষ জনশক্তি রফতানি: অদক্ষ শ্রমিকের পরিবর্তে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন দক্ষ ও কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন কর্মী বিদেশে প্রেরণ।
  6. অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ: বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (SEZ) স্থাপন করে স্থানীয় ও বহুজাতিক কোম্পানিকে বিনিয়োগে উৎসাহিত করা।

٥- ما هي الصناعات المشهورة في بنغلاديش؟ تحدث عن دور صناعة الثياب في تنمية اقتصاد بنغلاديش-

[৫. বাংলাদেশের প্রসিদ্ধ শিল্পগুলো কী? বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে পোশাক শিল্পের ভূমিকা আলোচনা কর।]

বাংলাদেশের প্রসিদ্ধ শিল্পসমূহ

স্বাধীনতা-উত্তরকালে কৃষিপ্রধান দেশ হলেও সাম্প্রতিক দশকে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য শিল্প রূপান্তর প্রত্যক্ষ করেছে। দেশের প্রধান প্রধান শিল্পগুলো হলো:

  • তৈরি পোশাক শিল্প (Ready-Made Garments – RMG): দেশের প্রধান রফতানি খাত।
  • পাট ও পাটজাত দ্রব্য শিল্প: ঐতিহ্যবাহী ‘সোনালী আঁশ’ ভিত্তিক পরিবেশবান্ধব শিল্প।
  • চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য শিল্প: মূল্যবান ফিনিশড চামড়া ও জুতা রফতানিকারক খাত।
  • ওষুধ শিল্প (Pharmaceuticals): অভ্যন্তরীণ চাহিদার ৯৮% পূরণ করে বিশ্বব্যাপী দেড় শতাধিক দেশে ওষুধ রফতানিকারক খাত।
  • চা শিল্প: সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী বাগানভিত্তিক রফতানি শিল্প।
  • জাহাজ নির্মাণ ও সিমেন্ট-ইস্পাত শিল্প: ভারী নির্মাণ খাতের অবকাঠামোগত ভিত্তি।
  • তথ্যপ্রযুক্তি ও সফটওয়্যার শিল্প: উদীয়মান ডিজিটাল সেবা ও আউটসোর্সিং খাত।

অর্থনৈতিক উন্নয়নে পোশাক শিল্পের ভূমিকা

  1. বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান উৎস: বাংলাদেশের মোট রফতানি আয়ের প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশই আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে, যা জাতীয় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে সুদৃঢ় রাখে।
  2. ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি: প্রত্যক্ষভাবে প্রায় ৪০ লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান এই খাতে হয়েছে, যার অধিকাংশই অনগ্রসর নারী সমাজ।
  3. নারীর ক্ষমতায়ন: গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে পারিবারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সামাজিক মর্যাদায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে।
  4. লিংকেজ শিল্পের বিকাশ: বোতাম, সুতা, প্যাকেজিং, পরিবহন, ব্যাংকিং ও বিমা খাতের মতো অসংখ্য ব্যাকওয়ার্ড ও ফরোয়ার্ড লিংকেজ শিল্পের বিকাশ ঘটিয়েছে।
  5. জিডিপিতে অবদান: দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (GDP)-এ পোশাক শিল্পের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অবদান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

٦- اكتب أسماء أشهر الأنهار في بنغلاديش ثم بين دور الأنهار في التنمية الاقتصادية لبنغلاديش-

[৬. বাংলাদেশের প্রসিদ্ধ নদীসমূহের নাম লেখ। অতঃপর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নদীসমূহের ভূমিকা আলোচনা কর।]

বাংলাদেশের প্রসিদ্ধ নদীসমূহ

বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়। এ দেশে জালের মতো ছড়িয়ে আছে শত শত নদ-নদী। প্রধান প্রধান নদীগুলো হলো:

  • পদ্মা: হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে সৃষ্ট গঙ্গার প্রধান শাখা, যা বাংলাদেশে প্রবেশ করে পদ্মা নামে পরিচিত।
  • মেঘনা: আসামের বরাক নদী থেকে সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিত প্রবাহ হিসেবে কালনী হয়ে চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সাথে মিলিত হয়েছে। এটি বাংলাদেশের গভীরতম ও অন্যতম প্রশস্ত নদী।
  • যমুনা: তিব্বতের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা নদী।
  • কর্ণফুলী: পার্বত্য চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম বন্দরের প্রাণপ্রবাহ।
  • অন্যান্য উল্লেখযোগ্য নদী: তিস্তা, সুরমা, কুশিয়ারা, শীতলক্ষ্যা, বুড়িগঙ্গা, গোমতী, আত্রাই ও মধুমতী।

অর্থনৈতিক উন্নয়নে নদীসমূহের ভূমিকা

  1. কৃষিকাজ ও পলিমাটি সঞ্চয়: বর্ষাকালে নদীর বন্যায় বিধৌত উর্বর পলিমাটি মাটির উর্বরতা বাড়ায়, যার ফলে ধান, পাট ও শাকসবজির বাম্পার ফলন হয়। নদীনালা দেশের প্রধান সেচকাজের উৎস।
  2. অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ও যোগাযোগ: স্বল্প খরচে যাত্রী ও ভারী পণ্য পরিবহনে নৌপথ জাতীয় অর্থনীতির প্রাণভোমরা হিসেবে কাজ করে।
  3. মৎস্য সম্পদের প্রাচুর্য: নদীসমূহ সুস্বাদু ইলিশসহ মিঠাপানির বিপুল মাছের প্রধান উৎস, যা প্রোটিনের সিংহভাগ চাহিদা পূরণ করে এবং বিদেশে রফতানি হয়।
  4. বিদ্যুৎ উৎপাদন: কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিয়ে নির্মিত জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র জাতীয় গ্রিডে পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।
  5. শিল্প কারখানা স্থাপন: কাঁচামাল ও পণ্য পরিবহনের সুবিধার জন্য দেশের প্রায় সকল বড় বড় শিল্পাঞ্চল নদীর তীরে গড়ে উঠেছে।

مجموعة (ب) [খ-বিভাগ: সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন]

٧- بين الموقع الجغرافي وحدود بنغلاديش-

[৭. বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানার বিবরণ দাও।]

ভৌগোলিক অবস্থান: বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি নদীমাতৃক ও উর্বর বদ্বীপ রাষ্ট্র। এটি ২০°৩৪’ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৬°৩৮’ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১’ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২°৪১’ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত। দেশের মোট আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার (বা ১,৪৮,৪৬০ বর্গকিলোমিটার)। কর্কটক্রান্তি রেখা দেশের ঠিক মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
সীমানা:

  • উত্তরে: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় রাজ্য।
  • দক্ষিণে: বঙ্গোপসাগর (Bay of Bengal)।
  • পূর্বে: ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম রাজ্য এবং মিয়ানমার (বার্মা)।
  • পশ্চিমে: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য।

٨- تحدث عن دور انتخابات العام ۱۹۷۰م في استقلال بنغلاديش-

[৮. বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ১৯৭০ এর নির্বাচনের প্রভাব আলোচনা কর।]

উত্তর: ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক চূড়ান্ত মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনা ছিল:

  1. আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক গণরায়: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদের পূর্ব পাকিস্তানের ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি (সাতটি সংরক্ষিত নারী আসনসহ) আসনে নিরঙ্কুশ ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করে।
  2. ছয় দফার বৈধতা প্রমাণ: এই নির্বাচন প্রমাণ করে যে ছয় দফা কোনো দলীয় দাবি ছিল না, বরং তা ছিল পূর্ব বাংলার সমগ্র জনগণের অবিসংবাদিত গণতান্ত্রিক অভিপ্রায়।
  3. ক্ষমতা হস্তান্তরে পাকিস্তানি জান্তার চক্রান্ত: ইয়াহিয়া খান ও জুলফিকার আলী ভুট্টো বিজয়ী সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানিয়ে জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করে এবং একাত্তরের ২৫শে মার্চ রাতে কাপুরুষোচিত গণহত্যা চালায়।
  4. স্বাধীনতার নৈতিক ভিত্তি: গণতান্ত্রিক নির্বাচনে অর্জিত এই নিরঙ্কুশ বিজয় বাঙালি জাতিকে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার চূড়ান্ত রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক নৈতিক বৈধতা প্রদান করে।

٩- بين تاريخ المدرسة العالية الحكومية بداكا-

[৯. সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া ঢাকা এর ইতিহাস বর্ণনা কর।]

উত্তর: উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী প্রাচীনতম ইসলামি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া ঢাকা।

  • প্রতিষ্ঠা: ১৭৮০ সালের অক্টোবর মাসে ব্রিটিশ ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস কর্তৃক কলকাতায় এটি ‘কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসা’ নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রথম হেড মাওলানা ছিলেন বাহরুল উলুম মোল্লা মাজদুদ্দীন।
  • ঢাকায় স্থানান্তর: ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর প্রতিষ্ঠানটি কলকাতা থেকে ঢাকায় স্থানান্তরিত হয় এবং প্রথমে চকবাজারের ইসলামিক ইন্টারমিডিয়েট কলেজে কার্যক্রম শুরু করে। পরবর্তীতে বকশীবাজারে নিজস্ব সুরম্য ভবনে স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত হয়।
  • ভূমিকা: আলিয়া মাদ্রাসা ঐতিহ্যবাহী ইসলামি শিক্ষা এবং আধুনিক সাধারণ শিক্ষার সমন্বয়ে অগণিত যুগশ্রেষ্ঠ ফকিহ, মুহাদ্দিস, গবেষক, সাহিত্যিক ও জাতীয় নেতৃত্ব তৈরি করেছে এবং বাংলাদেশে মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকীকরণে পথিকৃতের ভূমিকা পালন করছে।

١٠- اكتب ما تعرف عن ثورة عام ১৯৬৯م الشعبية-

[১০. ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কে যা জান লেখ।]

উত্তর: পাকিস্তানি স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের দীর্ঘ এক দশকের স্বৈরতন্ত্র, সামরিক নিপীড়ন এবং আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিরুদ্ধে ১৯৬৯ সালে পূর্ব পাকিস্তানের সর্বস্তরের ছাত্র, শ্রমিক ও জনতার যে সম্মিলিত ও ঐতিহাসিক বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল, তাকে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান বলা হয়।
ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ১১ দফা দাবির সমর্থনে সারা দেশে লাগাতার ধর্মঘট ও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ২০শে জানুয়ারি ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান আসাদ এবং ১৫ই ফেব্রুয়ারি ক্যান্টনমেন্টে বন্দী সার্জেন্ট জহুরুল হক ও ১৮ই ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহা পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিতে শহীদ হলে আন্দোলন দাবানলের মতো জ্বলে ওঠে। এই অপ্রতিরোধ্য গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করতে, বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে এবং অবশেষে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন।

١١- تحدث عن مساهمة المرأة في التنمية الاقتصادية لبنغلاديش-

[১১. বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নারীর অবদান আলোচনা কর।]

উত্তর: বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধাংশ নারী। বর্তমান বাংলাদেশে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে নারীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য:

  • পোশাক শিল্পে নেতৃত্ব: দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক শিল্পের ৮০ শতাংশেরও বেশি কর্মী নারী, যাদের শ্রমে দেশ বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে।
  • কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি: বীজ সংরক্ষণ, ফসল প্রক্রিয়াজাতকরণ, হাঁস-মুরগি ও গবাদিপশু পালন, মাছ চাষ এবং সামাজিক বনায়নে নারীদের প্রত্যক্ষ ভূমিকা গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রেখেছে।
  • ক্ষুদ্রঋণ ও আত্মকর্মসংস্থান: গ্রামীণ ব্যাংক, আশা, ব্র্যাকসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার ক্ষুদ্রঋণের সাহায্যে লক্ষ লক্ষ নারী হস্তশিল্প, কুটির শিল্প ও ক্ষুদ্র ব্যবসার মাধ্যমে নিজেদের স্বাবলম্বী করেছেন।
  • শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও করপোরেট খাত: আধুনিক বাংলাদেশে শিক্ষকতা, নার্সিং, চিকিৎসাসেবা, প্রশাসন, পুলিশ ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানে নারীদের কার্যকর উপস্থিতি জাতীয় উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে ব্যাপক অবদান রাখছে।

١٢- تحدث عن أبرز انجازات الحكومة في حقل النقل البري-

[১২. সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে সরকারের উল্লেখযোগ্য অর্জনসমূহ আলোচনা কর।]

উত্তর: সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক নেটওয়ার্কে যুগান্তকারী অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। প্রধান উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলো হলো:

  1. পদ্মা সেতু নির্মাণ: দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলাকে রাজধানী ঢাকার সাথে সরাসরি সড়কপথে সংযুক্ত করে জাতীয় অর্থনীতিতে বিপ্লব এনেছে এই বহুমুখী সেতু।
  2. ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: রাজধানীর যানজট নিরসন ও দ্রুত বিমানবন্দর-কুতুবখালী যাতায়াতের জন্য প্রথম আধুনিক উড়াল সড়ক।
  3. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল (কর্ণফুলী টানেল): চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নদীর তলদেশীয় সুড়ঙ্গপথ, যা যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
  4. জাতীয় মহাসড়ক চার লেনে ও ছয় লেনে উন্নীতকরণ: ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-ময়মনসিংহ, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েসহ প্রধান জাতীয় করিডোরগুলোকে আন্তর্জাতিক মানের মহাসড়কে রূপান্তর।
  5. শত সেতু ও কালভার্ট উদ্বোধন: দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে নদী-বাধার অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে একযোগে শত শত সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করে নিরবচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে।

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

ভাষা আন্দোলনের মূল চেতনা কী ছিল?

ভাষা আন্দোলনের মূল চেতনা ছিল মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা, আত্মপরিচয়ের প্রতিষ্ঠা এবং সকল প্রকার সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে অসাম্প্রদায়িক জাতীয়তাবাদী প্রতিরোধ।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি কে ছিলেন এবং এর ঐতিহাসিক তাৎপর্য কী?

মামলার প্রধান আসামি ছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এ মামলার গণবিক্ষোভ থেকেই ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান ঘটে এবং শেখ মুজিবুর রহমান ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত হন।

বাংলাদেশের সংবিধানে মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে কী প্রতিকার পাওয়া যায়?

সংবিধানের ৪৪ ও ১০২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে তিনি প্রতিকার চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়ের করতে পারেন।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তৈরি পোশাক খাতের গুরুত্ব কতটুকু?

তৈরি পোশাক খাত বাংলাদেশের মোট রফতানি আয়ের প্রায় ৮৫ শতাংশ যোগান দেয় এবং প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে নারীর ক্ষমতায়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।

১৯৭০ সালের নির্বাচনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব কী ছিল?

৭০-এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ের মাধ্যমে বাঙালি জাতির স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসনের দাবি আন্তর্জাতিকভাবে গণতান্ত্রিক বৈধতা লাভ করে।

কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসা কত সালে ঢাকায় স্থানান্তরিত হয়?

১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত বিভাগের পর ঐতিহাসিক কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসা ঢাকায় স্থানান্তরিত হয়ে ‘সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া ঢাকা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

টেলিটক ছবি ও স্বাক্ষর রিসাইজার (৩০০×৩০০ ও ৩০০×৮০)
সরকারি চাকরি ও ভর্তির অনলাইন আবেদনের জন্য ছবি ও সইয়ের মাপ ঠিক রাখুন ১০০% নির্ভুলভাবে।
ছবি ও সই রিসাইজ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *