۞ إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ ۚ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا
উচ্চারণ: ইন্নাল্লা-হা ওয়া মালা-য়িকাতাহূ ইউসাল্লূনা ‘আলান নাবিয়্যি, ইয়া- আইয়্যুহাল্লাযীনা আ-মানূ সাল্লূ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লিমূ তাসলীমা-।
অর্থ: নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি দরূদ প্রেরণ করেন। হে ঈমানদারগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি দরূদ পাঠ করো এবং অধিক পরিমাণে সালাম পেশ করো।
ফযিলত: হযরত মুহাম্মাদ (ﷺ) আল্লাহ তা‘আলার আখেরী রাসূল। তাই তাঁর প্রতি বিশ্বাস ও আনুগত্য ছাড়া আল্লাহকে বিশ্বাস ও আল্লাহর আনুগত্যের দাবি অর্থহীন। আল্লাহ তাআলাকে পাওয়ার একমাত্র পথ হযরত মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর অনুসরণ। তাই তাঁর জন্য হৃদয়ের গভীরে মহব্বত ও ভালোবাসা পোষণ করা এবং দরূদ ও সালাম পেশ করা প্রত্যেক উম্মতের ঈমানী কর্তব্য। ১. দরূদ পাঠকারীর রহমত, মাগফিরাত ও মর্যাদা বুলন্দ হয়। ২. দরূদ পাঠকারীর জন্য ফেরেশতারা মাগফিরাতের দু‘আ করেন। ৩. দরূদ পাঠকারীর জন্য শাফা’আত অবধারিত হয়। ৪. দরূদ পাঠকারী কিয়ামতের দিন নবীজি (ﷺ)-এর সবচেয়ে নিকটবর্তী হবে। ৫. দরূদ পাঠকারীর উভয় জগতের সকল আশা পূরণ হয়। ৬. দরূদ পাঠ করার ফলে সদকার সওয়াব অর্জিত হয়। ৭. দরূদ বিহীন দু‘আ আসমান-যমীনের মাঝে ঝুলন্ত থাকে। ৮. উম্মতের সালাম নবীজি (ﷺ)-এর নিকট পৌঁছানো হয়।
উৎস: সূরা আল-আহযাব (৩৩), আয়াত: ৫৬