পরীক্ষা কোড: ২০২ | প্রশ্নপত্র কোড: ০৫৯
اختبار السنة الثانية للفاضل البكالوريوس (الشرف)، لعام ٢٠٢٣
[ফাজিল স্নাতক (সম্মান) দ্বিতীয় বর্ষ পরীক্ষা, ২০২৩]
اللغة العربية وآدابها
[আরবি ভাষা ও সাহিত্য]
قواعد اللغة العربية-٢
[আরবি ব্যাকরণ-২]
বিষয় কোড: ২০৪২০৩
الزمن: ٤ ساعات | الدرجات الكاملة: ٨٠
[সময়: ৪ ঘণ্টা | পূর্ণমান: ৮০]
الملاحظة: أجب عن أربعة من مجموعة (أ) وعن أربعة من مجموعة (ب)
[দ্রষ্টব্য: ক-বিভাগ থেকে যেকোনো ৪টি এবং খ-বিভাগ থেকে যেকোনো ৪টি প্রশ্নের উত্তর দাও।]
مجموعة (أ) / ক-বিভাগ (الدرجة— ٤ × ١٥ = ٦٠)
(أجب عن أربعة من الأسئلة الآتية)
١- عَرِّفِ الفِعْلَ الرُّبَاعِيَّ، وَاذْكُرْ أَقْسَامَهُ مِنَ المُجَرَّدِ وَالمَزِيدِ فِيهِ مَعَ ذِكْرِ الصَّرْفِ الصَّغِيرِ لِمَصْدَرِ ‘وَسْوَسَة’-
[১. রুবায়ী (চার অক্ষরবিশিষ্ট) ক্রিয়ার সংজ্ঞা দাও। এর মুজাররাদ ও মাযীদের প্রকারভেদ উল্লেখ করো এবং ‘ওয়াসওয়াসাহ’ মাসদারের সারফে সাগীর লিপিবদ্ধ করো।]
ভূমিকা: ইলমুস সরফের আলোচনায় ক্রিয়ামূলের মূল অক্ষরের সংখ্যার ভিত্তিতে ফেলকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়: সুলাসী (ثلاثي – তিন অক্ষরবিশিষ্ট) এবং রুবায়ী (رباعي – চার অক্ষরবিশিষ্ট)।
১. ফেল রুবায়ীর পরিচয়:
- আভিধানিক অর্থ: ‘রুবায়ী’ (الرباعي) শব্দটি ‘আরবাআতুন’ (أربعة) থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ চার অক্ষরবিশিষ্ট বা চতুর্ভুজাকৃতি।
- পারিভাষিক সংজ্ঞা: যে ক্রিয়ার মাদী বা অতীতকালের প্রথম সীগাহয় (واحد مذكر غائب) মূল অক্ষর হিসেবে চারটি হরফ বিদ্যমান থাকে, তাকে ‘ফেল রুবায়ী’ বলা হয়। যেমন: دَحْرَجَ (সে গড়িয়ে দিল), زَلْزَلَ (সে প্রকম্পিত করল)।
২. ফেল রুবায়ীর প্রকারভেদ: ফেল রুবায়ী প্রধানত দুই প্রকার:
- ক. রুবায়ী মুজাররাদ (الرباعي المجرد): যে রুবায়ী ক্রিয়ায় চারটি হরফই মূল (حروف أصلية) এবং তাতে কোনো অতিরিক্ত হরফ যুক্ত থাকে না। এর প্রসিদ্ধ বাব একটিই— فَعْلَلَ يُفَعْلِلُ فَعْلَلَةً وَفِعْلاَلاً (যেমন: دَحْرَجَ يُدَحْرِجُ دَحْرَجَةً)। এছাড়া এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ (মুলহাক্ব) কয়েকটি বাব রয়েছে, যেমন: حَوْقَلَ (বাবে ফাও’আলা), بَيْطَرَ (বাবে ফায়’আলা)।
- খ. রুবায়ী মাযীদ ফীহ (الرباعي المزيد فيه): যে রুবায়ী ক্রিয়ার চারটি মূল অক্ষরের সাথে এক বা একাধিক অতিরিক্ত হরফ যুক্ত হয়। এটি আবার দুই প্রকার:
- এক অক্ষর বৃদ্ধি (ما زيد فيه حرف واحد): শুরুতে ‘তা’ (ت) যুক্ত হয়। এর বাব একটি— تَفَعْلَلَ يَتَفَعْلَلُ تَفَعْلُلاً (যেমন: تَدَحْرَجَ يَتَدَحْرَجُ تَدَحْرُجًا)।
- দুই অক্ষর বৃদ্ধি (ما زيد فيه حرفان): এর দুটি বাব রয়েছে:
১) اِفْعَنْلَلَ يَفْعَنْلِلُ اِفْعِنْلاَلاً (যেমন: اِحْرَنْجَمَ يَحْرَنْجِمُ اِحْرِنْجَامًا – ভিড় জমানো)।
২) اِفْعَلَلَّ يَفْعَلِلُّ اِفْعِلاَّلاً (যেমন: اِقْشَعَرَّ يَقْشَعِرُّ اِقْشِعْرَارًا – লোম শিউরে ওঠা)।
৩. ‘ওয়াসওয়াসাহ’ (وسوسة) মাসদারের সারফে সাগীর (الصرف الصغير):
এটি বাবে ফা’লালা (فعللة)-এর রুবায়ী মুজাররাদে মুযাআফ (المضاعف الرباعي):
| ক্রিয়া ও প্রকার | আরবি রূপান্তর (الصيغة) | অর্থ |
|---|---|---|
| الفعل الماضي (الأثبات) | وَسْوَسَ | সে কুপ্ররোচনা দিল |
| الفعل المضارع (الأثبات) | يُوَسْوِسُ | সে কুপ্ররোচনা দিচ্ছে বা দেবে |
| المصدر | وَسْوَسَةً وَوِسْوَاسًا | কুপ্ররোচনা দেওয়া |
| اسم الفاعل | فَهُوَ مُوَسْوِسٌ | অতএব সে কুপ্ররোচনাকারী |
| الماضي المجهول | وُسْوِسَ | তার প্রতি প্ররোচনা দেওয়া হলো |
| المضارع المجهول | يُوَسْوَسُ | তার প্রতি প্ররোচনা দেওয়া হচ্ছে |
| اسم المفعول | فَذَاكَ مُوَسْوَسٌ (بِهِ) | অতএব সে যার প্রতি প্ররোচনা দেওয়া হয়েছে |
| فعل الأمر | اَلأَمْرُ مِنْهُ: وَسْوِسْ | তুমি প্ররোচনা দাও |
| فعل النهي | وَالنَّهْيُ عَنْهُ: لاَ تُوَسْوِسْ | তুমি প্ররোচনা দিও না |
| اسم الظرف | وَالظَّرْفُ مِنْهُ: مُوَسْوَسٌ | প্ররোচনা দেওয়ার স্থান বা কাল |
٢- مَا المُرَادُ بِاسْمِ التَّفْضِيلِ؟ بَيِّنْ كَيْفِيَّةَ بِنَائِهِ وَاسْتِعْمَالِهِ، وَاذْكُرْ أَوْزَانَهُ مُمَثَّلاً وَمُوَضَّحًا-
[২. ইসমে তাফযীল বলতে কী বোঝায়? এর গঠনপদ্ধতি ও ব্যবহাররীতি বর্ণনা করো এবং উদাহরণসহ এর বিভিন্ন ওজন উল্লেখ করো।]
১. ইসমে তাফযীলের পরিচয়:
- ‘তাফযীল’ (التفضيل) অর্থ প্রাধান্য দেওয়া, শ্রেষ্ঠত্ব দান করা।
- পরিভাষায়: اسم مشتق من المصدر يدل على أن شيئين اشتركا في صفة وزاد أحدهما على الآخر فيها
(যে মুশতাক্ব বা কৃদন্ত বিশেষ্য পদ দ্বারা বোঝানো হয় যে দুটি বস্তু বা ব্যক্তির মধ্যে একটি সাধারণ গুণ বিদ্যমান আছে, কিন্তু তাদের একজন অপরজনের চেয়ে সেই গুণে অধিক বা শ্রেষ্ঠ—তাকে ইসমে তাফযীল বা আতিশায়িক নামবিশেষ্য বলা হয়)। যেমন: زَيْدٌ أَكْبَرُ مِنْ عَمْرٍو (যায়েদ আমরের চেয়ে বড়)।
২. ইসমে তাফযীল গঠনের আবশ্যকীয় শর্তাবলী:
সরাসরি ইসমে তাফযীল গঠন করার জন্য ক্রিয়াটির মধ্যে ৮টি শর্ত থাকা আবশ্যক:
- ক্রিয়াটিকে সুলাসী (ثلاثي – তিন অক্ষরবিশিষ্ট) হতে হবে।
- মুতাছাররিফ (متصرف – রূপান্তরশীল) হতে হবে; জামিদ (যেমন: نعم, بئس, عسى) হলে চলবে না।
- তাম বা পূর্ণাঙ্গ ক্রিয়া হতে হবে; নাকেস (যেমন: كان وأخواتها) হলে চলবে না।
- মুছবাত (مثبت – ইতিবাচক) হতে হবে; মানফী (নেতিবাচক) হলে চলবে না।
- কাবেলুত তাফাযুল (قابل للتفاضل) তথা কম-বেশির উপযোগী গুণ হতে হবে (যেমন: مات বা فني – মৃত্যু বা ধ্বংসের ক্ষেত্রে তারতম্য হয় না, তাই এগুলো থেকে হয় না)।
- মা’রূফ (معروف – কর্তৃবাচ্য) হতে হবে।
- যার সিফাত ‘আফ’আলু’ (أفعل) ওজনে এসে স্ত্রীলিঙ্গে ‘ফা’লাউ’ (فعلاء) অর্থাৎ রঙ ও শারীরিক ত্রুটি বোঝায় না (যেমন: أحمر – حمراء বা أعمى – عمياء হতে সরাসরি হবে না)।
- যদি শর্ত অপূর্ণ থাকে, তবে পরোক্ষভাবে أَشَدُّ বা أَكْثَرُ এর পর মূল ক্রিয়ার মাসদারকে তামীয হিসেবে এনে গঠন করতে হয় (যেমন: أَكْثَرُ اسْتِخْرَاجًا)।
৩. ইসমে তাফযীলের মৌলিক ওজনসমূহ (الأوزان):
- পুংলিঙ্গ (المذكر): أَفْعَلُ (একবচন: أَكْبَرُ, দ্বিবচন: أَكْبَرَانِ, বহুবচন: أَكْبَرُونَ / أَكَابِرُ)।
- স্ত্রীলিঙ্গ (المؤنث): فُعْلَى (একবচন: كُبْرَى, দ্বিবচন: كُبْرَيَانِ, বহুবচন: كُبْرَيَاتٌ / كُبَرُ)।
৪. ইসমে তাফযীলের ব্যবহাররীতি (أحوال استعماله): ইসমে তাফযীল ৩ ভাবে ব্যবহৃত হয়:
- ‘মিন’ (مِنْ)-এর সাথে ব্যবহৃত হওয়া: এক্ষেত্রে ইসমে তাফযীল সর্বদা একবচন ও পুংলিঙ্গ (مفرد مذكر) হিসেবে বহাল থাকে। যেমন: زَيْدٌ أَفْضَلُ مِنْ عَمْرٍو এবং فَاطِمَةُ أَفْضَلُ مِنْ زَيْنَبَ।
- আলিফ-লাম (ال)-যুক্ত হয়ে ব্যবহৃত হওয়া: এক্ষেত্রে ইসমে তাফযীল তার পূর্ববর্তী বিশেষ্যের (মাউসুফ) সাথে বচন ও লিঙ্গে সম্পূর্ণরূপে সাদৃশ্য রক্ষা করে চলে এবং ‘মিন’ ব্যবহৃত হয় না। যেমন: الرَّجُلُ الأَفْضَلُ, المَرْأَةُ الفُضْلَى, الرِّجَالُ الأَفَاضِلُ।
- ইযাফত (মুদ্বাফ) হয়ে ব্যবহৃত হওয়া:
– অনির্দিষ্ট (নাকেরা) শব্দের দিকে মুদ্বাফ হলে সর্বদা একবচন পুংলিঙ্গ থাকবে (যেমন: زَيْدٌ أَفْضَلُ رَجُلٍ)।
– নির্দিষ্ট (মা’রিফা) শব্দের দিকে মুদ্বাফ হলে একবচন রাখা অথবা মাউসুফের অনুগামী করা উভয়ই জায়েয (যেমন: عُمَرُ أَفْضَلُ النَّاسِ অথবা أَكَابِرُ قَوْمِهِمْ)।
٣- مَا المُرَادُ بِخَصَائِصِ الأَبْوَابِ؟ اُكْتُبْ خَصَائِصَ بَابِ التَّفْعِيلِ وَالاسْتِفْعَالِ وَالانْفِعَالِ-
[৩. খাসায়েসুল আবওয়াব বলতে কী বোঝায়? বাবে তাফঈল, ইসতিফ’আল ও ইনফিয়া’লের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ উল্লেখ করো।]
১. খাসায়েসুল আবওয়াবের পরিচয়:
ইলমুস সরফের পরিভাষায়, সুলাসী মুজাররাদের ধাতুমূলের সাথে যখন অতিরিক্ত হরফ যুক্ত করে বিভিন্ন মাযীদ ফীহ-এর বাবে স্থানান্তর করা হয়, তখন তার মূল অর্থের সাথে নতুন অর্থ ও ব্যাকরণিক পরিবর্তন যুক্ত হয়। বাবের পরিবর্তনের কারণে ক্রিয়ার অর্থের এই বৈচিত্র্য ও ব্যাকরণিক বিশেষত্বসমূহকে ‘খাসায়েসুল আবওয়াব’ (خصائص الأبواب) বা বাবসমূহের স্বাতন্ত্র্য বলা হয়।
২. বাবে তাফঈল (التفعيل)-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- তা’দিয়াহ (التعدية – সকর্মক করা): অকর্মক (লাযেম) ক্রিয়াকে সকর্মক (মুতা’আদ্দী) করা অথবা এক-মাফঊলবিশিষ্ট ক্রিয়াকে দুই-মাফঊলবিশিষ্ট করা। যেমন: فَرِحَ زَيْدٌ (যায়েদ আনন্দিত হলো – লাযেম) থেকে فَرَّحْتُ زَيْدًا (আমি যায়েদকে আনন্দিত করলাম – মুতা’আদ্দী)।
- তাকছীর (التكثير – আধিক্য প্রকাশ): কাজে বা কর্মে ব্যাপকতা ও তীব্রতা বোঝানো। যেমন: قَطَّعَ الحَبْلَ (সে দড়িটিকে টুকরো টুকরো করে কাটল), غَلَّقَتِ الأَبْوَابَ (সে সমস্ত দরজা শক্তভাবে বন্ধ করল)।
- সালব বা ইযালাহ (السلب والإزالة – দূরীকরণ): কোনো বস্তু থেকে কোনো কিছু দূর বা অপসারিত করা। যেমন: قَشَّرْتُ الفَاكِهَةَ (আমি ফলের খোসা ছাড়িয়ে ফেললাম)।
- نسبت (نسبة الشيئ إلى أصله): কাউকে কোনো কিছুর সাথে সম্পর্কিত বা অভিযুক্ত করা। যেমন: فَسَّقْتُهُ (আমি তাকে ফাসিক বলে সাব্যস্ত করলাম), كَفَّرْتُهُ (তাকে কাফির আখ্যা দিলাম)।
৩. বাবে ইসতিফ’আল (الاستفعال)-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- তালাব (الطلب – প্রার্থনা বা যাচ্ঞা করা): কোনো কর্ম সম্পাদনের জন্য প্রার্থনা করা। এটি এই বাবের প্রধান বৈশিষ্ট্য। যেমন: غَفَرَ (ক্ষমা করা) থেকে اِسْتَغْفَرَ (ক্ষমা প্রার্থনা করা), اِسْتَسْقَى (বৃষ্টি প্রার্থনা করা)।
- সাইরূরাহ বা তাহাউল (الصيرورة – রূপান্তরিত হওয়া): কোনো অবস্থায় পরিবর্তিত হওয়া। যেমন: اِسْتَحْجَرَ الطِّينُ (কাদা পাথরে রূপান্তরিত হলো)।
- ই’তিক্বাদ বা ওয়াজদান (الاعتقاد والوجدان – বিশ্বাস বা আবিষ্কার): কোনো বস্তুকে কোনো গুণে গুণান্বিত পাওয়া। যেমন: اِسْتَعْظَمْتُ الأَمْرَ (আমি বিষয়টিকে গুরুতর বলে দেখতে পেলাম)।
- মুতায়া’আত (المطاوعة): বাবে ইফ’আলের কর্মপ্রভাব গ্রহণ করা। যেমন: أَحْضَرْتُهُ فَاسْتَحْضَرَ (আমি তাকে হাজির করলাম ফলে সে হাজির হলো)।
৪. বাবে ইনফিয়া’ল (الانفعال)-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- মুতায়া’আত (المطاوعة): বাবে ইনফিয়া’লের সবচেয়ে প্রধান ও একচ্ছত্র বৈশিষ্ট্য হলো ‘মুতায়া’আত’ তথা সুলাসী মুজাররাদের কোনো সকর্মক (মুতা’আদ্দী) ক্রিয়ার প্রভাব বা প্রতিক্রিয়া গ্রহণ করে নিজেকে সম্পূর্ণরূপে অকর্মক (লাযেম) ক্রিয়ায় পরিণত করা।
উদাহরণ: كَسَرْتُ الزُّجَاجَ فَانْكَسَرَ (আমি কাচটি ভেঙে ফেললাম, ফলে তা ভেঙে গেল)। এখানে ‘কাসারা’ ছিল মুতা’আদ্দী, আর ‘ইনকাসারা’ হলো লাযেম। - কেবলমাত্র শারীরিক বা দৃশ্যমান ক্রিয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য: এই বাবটি কেবল পঞ্চ ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য ও প্রত্যক্ষ শারীরিক কর্মের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়; মানসিক বা আত্মিক ক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয় না (যেমন: عَلِمْتُهُ فَعَلِمَ বলা হয়, فَانْعَلَمَ বলা যায় না)।
٤- اُذْكُرْ أَبْوَابَ الثُّلاَثِيِّ المُجَرَّدِ السِّتَّةَ مَعَ ذِكْرِ الصَّرْفِ الصَّغِيرِ مِنْ مَصْدَرِ ‘الحُضُور’ وَ’الخُرُوج’-
[৪. সুলাসী মুজাররাদের ছয়টি বাবের নাম উল্লেখ করো এবং ‘হুযূর’ ও ‘খুরুজ’ মাসদার থেকে সারফে সাগীর লিপিবদ্ধ করো।]
১. সুলাসী মুজাররাদের ছয়টি বাব (أبواب الثلاثي المجرد الستة):
অতীতকাল (মাদী) ও বর্তমানকাল (মুযারে)-এর আইন (ع) কালিমার হরকতের পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে সুলাসী মুজাররাদের বাবকে ছয় ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে:
| ক্রম | বাবের নাম ও পরিমাপ (الوزن) | হরকত কাঠামো | প্রসিদ্ধ উদাহরণ |
|---|---|---|---|
| ১ | বাবে নাসারা-ইয়ানসুরু (نَصَرَ يَنْصُرُ) | ফাতহা – দাম্মাহ (فتح ضم) | نَصَرَ يَنْصُرُ نَصْرًا (সাহায্য করা) |
| ২ | বাবে যরাবা-ইয়াযরিবু (ضَرَبَ يَضْرِبُ) | ফাতহা – কাসরাহ (فتح كسر) | ضَرَبَ يَضْرِبُ ضَرْبًا (প্রহার করা) |
| ৩ | বাবে ফাতাহা-ইয়াফতাহু (فَتَحَ يَفْتَحُ) | ফাতহা – ফাতহা (فتحتان) | فَتَحَ يَفْتَحُ فَتْحًا (উন্মুক্ত করা) |
| ৪ | বাবে সামিআ-ইয়াসমাউ (سَمِعَ يَسْمَعُ) | কাসরাহ – ফাতহা (كسر فتح) | سَمِعَ يَسْمَعُ سَمْعًا (শ্রবণ করা) |
| ৫ | বাবে কারুমা-ইয়াকরুমু (كَرُمَ يَكْرُمُ) | দাম্মাহ – দাম্মাহ (ضمتان) | كَرُمَ يَكْرُمُ كَرَمًا (সম্মানিত হওয়া) |
| ৬ | বাবে হাসিবা-ইয়াহসিবু (حَسِبَ يَحْسِبُ) | কাসরাহ – কাসরাহ (كسرتان) | حَسِبَ يَحْسِبُ حِسْبَانًا (গণনা করা) |
২. ‘হুজুর’ (الحضور) মাসদারের সারফে সাগীর (বাবে নাসারা-ইয়ানসুরু):
| الماضي: حَضَرَ (সে উপস্থিত হলো) | المضارع: يَحْضُرُ (সে উপস্থিত হচ্ছে) | المصدر: حُضُورًا (উপস্থিত হওয়া) |
| اسم الفاعل: فَهُوَ حَاضِرٌ (উপস্থিত ব্যক্তি) | الماضي المجهول: حُضِرَ | المضارع المجهول: يُحْضَرُ (به) |
| اسم المفعول: فَذَاكَ مَحْضُورٌ (به) | الأمر: اُحْضُرْ (উপস্থিত হও) | النهي: لاَ تَحْضُرْ (উপস্থিত হয়ো না) |
| الظرف: مَحْضَرٌ (উপস্থিতির স্থান বা সময়) | ||
৩. ‘খুরুজ’ (الخروج) মাসদারের সারফে সাগীর (বাবে নাসারা-ইয়ানসুরু):
| الماضي: خَرَجَ (সে বের হলো) | المضارع: يَخْرُجُ (সে বের হচ্ছে) | المصدر: خُرُوجًا (বের হওয়া) |
| اسم الفاعل: فَهُوَ خَارِجٌ (বহির্গমনকারী) | الماضي المجهول: خُرِجَ (به) | المضارع المجهول: يُخْرَجُ (به) |
| اسم المفعول: فَذَاكَ مَخْرُوجٌ (به) | الأمر: اُخْرُجْ (বের হও) | النهي: لاَ تَخْرُجْ (বের হয়ো না) |
| الظرف: مَخْرَجٌ (বের হওয়ার স্থান বা পথ) | ||
٥- مَا هُوَ الفِعْلُ المُعْتَلُّ؟ وَاذْكُرْ أَقْسَامَهُ، ثُمَّ اكْتُبْ صِيَغَ الفِعْلِ المُضَارِعِ مِنْ مَصْدَرِ ‘البَيْع’-
[৫. ফেলে মু’তাল কাকে বলে? এর প্রকারভেদ উল্লেখ করো এবং ‘বাই’ (ক্রয়-বিক্রয়) মাসদার থেকে ফেলে মুযারের ১৪টি সীগাহ লিপিবদ্ধ করো।]
১. ফেলে মু’তালের পরিচয় ও প্রকারভেদ:
- যে ক্রিয়ার মূল অক্ষরে (حروف أصلية) এক বা একাধিক হরফে ইল্লত (حروف العلة: ا، و، ي) বিদ্যমান থাকে, তাকে ফেলে মু’তাল (الفعل المعتل) বলা হয়।
- হরফে ইল্লতের অবস্থানের ভিত্তিতে এটি চার প্রকার:
- মিসাল (المثال): যার ফা-কালিমায় হরফে ইল্লত থাকে। যেমন: وَعَدَ (মিছালে ওয়াবী), يَسَرَ (মিছালে ইয়ায়ী)।
- আজওয়াফ (الأجوف): যার আইন-কালিমায় হরফে ইল্লত থাকে। যেমন: قَالَ (মূল: قَوَلَ – আজওয়াফে ওয়াবী), بَاعَ (মূল: بَيَعَ – আজওয়াফে ইয়ায়ী)।
- নাকেস (الناقص): যার লাম-কালিমায় হরফে ইল্লত থাকে। যেমন: دَعَا (মূল: دَعَوَ – নাকেসে ওয়াবী), رَمَى (মূল: رَمَيَ – নাকেসে ইয়ায়ী)।
- লাফীফ (اللفيف): যার মূল অক্ষরে দুটি হরফে ইল্লত থাকে। এটি দুই প্রকার:
– লাফীফে মাকরূন (مقرون): দুটি হরফে ইল্লত পাশাপাশি থাকলে (যেমন: طَوَى)।
– লাফীফে মাফরূক্ব (مفروق): মাঝে অন্য হরফ দ্বারা পৃথক থাকলে (যেমন: وَقَى)।
২. ‘আল-বাই’ (البيع)’ মাসদার থেকে ফেলে মুযারের ১৪টি সীগাহ (বাবে যরাবা-ইয়াযরিবু):
| সীগাহর পরিচয় (الصيغة) | আরবি রূপ (المضارع) | অর্থ |
|---|---|---|
| واحد مذكر غائب | يَبِيعُ | সে একজন পুরুষ বিক্রি করছে বা করবে |
| تثنية مذكر غائب | يَبِيعَانِ | তারা দুজন পুরুষ বিক্রি করছে বা করবে |
| جمع مذكر غائب | يَبِيعُونَ | তারা সকল পুরুষ বিক্রি করছে বা করবে |
| واحد مؤنث غائب | تَبِيعُ | সে একজন স্ত্রী বিক্রি করছে বা করবে |
| تثنية مؤنث غائب | تَبِيعَانِ | তারা দুজন স্ত্রী বিক্রি করছে বা করবে |
| جمع مؤنث غائب | يَبِعْنَ | তারা সকল স্ত্রী বিক্রি করছে বা করবে |
| واحد مذكر حاضر | تَبِيعُ | তুমি একজন পুরুষ বিক্রি করছ বা করবে |
| تثنية مذكر حاضر | تَبِيعَانِ | তোমরা দুজন পুরুষ বিক্রি করছ বা করবে |
| جمع مذكر حاضر | تَبِيعُونَ | তোমরা সকল পুরুষ বিক্রি করছ বা করবে |
| واحد مؤنث حاضر | تَبِيعِينَ | তুমি একজন স্ত্রী বিক্রি করছ বা করবে |
| تثنية مؤنث حاضر | تَبِيعَانِ | তোমরা দুজন স্ত্রী বিক্রি করছ বা করবে |
| جمع مؤنث حاضر | تَبِعْنَ | তোমরা সকল স্ত্রী বিক্রি করছ বা করবে |
| واحد متكلم | أَبِيعُ | আমি বিক্রি করছি বা করব |
| جمع متكلم | نَبِيعُ | আমরা বিক্রি করছি বা করব |
٦- مَا المُرَادُ بِالإِعْلاَلِ بِحَذْفِ أَحْرُفِ العِلَّةِ؟ اُذْكُرْ مَوَاضِعَ حَذْفِ الوَاوِ وَاليَاءِ مُمَثَّلاً وَمُوَضَّحًا-
[৬. হরফে ইল্লত বিলুপ্তির মাধ্যমে ই’লাল বলতে কী বোঝায়? ওয়াও এবং ইয়া হরফ বিলুপ্ত হওয়ার প্রধান স্থানসমূহ উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো।]
১. হরফে ইল্লত বিলুপ্তির মাধ্যমে ই’লালের পরিচয়:
- ইলমুস সরফে হরফে ইল্লতের (ا، و، ي) মধ্যে পরিবর্তন সাধন করাকে ই’লাল (الإعلال) বলা হয়।
- ই’লাল তিন প্রকার: ১. হরফে ইল্লতকে অন্য হরফে রূপান্তর (الإعلال بالقلب), ২. হরকত স্থানান্তর বা বিলোপ (الإعلال بالإسكان), এবং ৩. হরফে ইল্লতকে সম্পূর্ণরূপে ফেলে দেওয়া বা বিলুপ্ত করা (الإعلال بالحذف)।
- উচ্চারণের সহজতা ও দুটি সাকিনের একত্রীকরণ (التقاء الساكنين) দূর করার জন্য হরফে ইল্লতকে পুরোপুরি মুছে ফেলাকে ‘ই’লাল বিল হাযফ’ বলা হয়।
২. ওয়াও (و) হরফ বিলুপ্ত হওয়ার প্রধান স্থানসমূহ:
- মিছালে ওয়াবীর মুযারেতে: বাবে যরাবা ও ফাতাহার ফেলে মুযারের শুরুতে ইয়া (ي) বা অন্যান্য আলামতে মুযারে থাকলে এবং আইন-কালিমা যের বা যবরবিশিষ্ট হলে ফা-কালিমার ওয়াও পড়ে যায়। যেমন: وَعَدَ থেকে يَوْعِدُ হওয়ার কথা ছিল, ওয়াও বিলুপ্ত হয়ে হয়েছে يَعِدُ; وَهَبَ থেকে يَهَبُ।
- মিছালে ওয়াবীর আমরে: মুযারে থেকে যখন আমর গঠন করা হয় তখন সেই কর্তিত রূপ থেকেই গঠিত হয়। যেমন: يَعِدُ থেকে আমর হয়েছে عِدْ, يَضَعُ থেকে ضَعْ।
- দুটি সাকিন একত্রিত হলে: আজওয়াফে ওয়াবীর শেষে সাকিন হলে মাঝের ওয়াও পড়ে যায়। যেমন: يَقُولُ থেকে জযম অবস্থায় لَمْ يَقُلْ (মূল: لم يَقُولْ) এবং আমরে قُلْ।
৩. ইয়া (ي) হরফ বিলুপ্ত হওয়ার প্রধান স্থানসমূহ:
- আজওয়াফে ইয়ায়ীর শেষে সাকিন হলে: দুটি সাকিনের মিলনের কারণে মাঝের ইয়া বিলুপ্ত হয়। যেমন: يَبِيعُ থেকে জযম অবস্থায় لَمْ يَبِعْ (মূল: لم يَبِيعْ) এবং আমরে بِعْ।
- নাকেসের আমরের শেষাক্ষর থেকে: নাকেস ক্রিয়ার ক্ষেত্রে আমরের সীগাহয় শেষাক্ষরের ইয়া আবশ্যিকভাবে বিলুপ্ত হয়। যেমন: رَمَى يَرْمِي থেকে আমর হয়েছে اِرْمِ (শেষের ইয়া বিলুপ্ত)।
- বাবে তাফা’উলের মাসদারে: নাকেসের ক্ষেত্রে শেষাক্ষরের ইয়া তানবীনের কারণে বিলুপ্ত হয়। যেমন: تَرَقٍّ (মূল: ترقيٌ)।
٧- مَا هُوَ الإِمْلاَءُ وَمَا أَهَمُّ أَحْكَامِهِ؟ وَمَا الفَرْقُ بَيْنَ هَمْزَةِ الوَصْلِ وَهَمْزَةِ القَطْعِ؟
[৭. ইলমুল ইমলা কাকে বলে এবং এর প্রধান বিধান কী? হামযাতুল ওসল ও হামযাতুল ক্বাতি’র মধ্যকার পার্থক্য বিস্তারিত লেখো।]
১. ইলমুল ইমলার পরিচয় ও গুরুত্ব:
- ‘ইমলা’ (الإملاء) শব্দের অর্থ মুখে বলে অন্যকে দিয়ে নির্ভুলভাবে লেখানো (الرسم الإملائي)।
- পরিভাষায় যে শাস্ত্রের মাধ্যমে আরবি হরফ ও শব্দসমূহের লিখিত রূপ, হরকত, আলিফ-লাম, তা-মারবূতাহ এবং হামযার সঠিক লিখনরীতি ও নিয়মকানুন শিক্ষা দেওয়া হয়, তাকে ‘ইলমুল ইমলা’ বলা হয়। এর মূল লক্ষ্য হলো আরবি লেখায় ভুলভ্রান্তি থেকে কলমকে রক্ষা করা।
২. হামযাতুল ওসল ও হামযাতুল ক্বাতি’র মধ্যকার পার্থক্য:
| তুলনার ক্ষেত্র | হামযাতুল ওসল (همزة الوصل) | হামযাতুল ক্বাতি’ (همزة القطع) |
|---|---|---|
| উচ্চারণরীতি | বাক্যের শুরুতে উচ্চারিত হয়, কিন্তু পূর্ববর্তী শব্দের সাথে মিলিয়ে পড়ার সময় তার উচ্চারণ সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়। | বাক্যের শুরুতে হোক বা শব্দের মাঝে হোক—সর্বাবস্থায় স্পষ্ট অক্ষরে উচ্চারিত হয়। |
| লিখনরীতি | চিহ্নবিহীন শুধু আলিফ (ا) লেখা হয়, উপরে বা নিচে কোনো ছোট হামযা (ء) লেখা হয় না (যেমন: ابن، اسم)। | আলিফের উপরে ফাতহা বা দাম্মাহ হলে (أ) এবং নিচে কাসরাহ হলে (إ) আকারে হামযা লেখা বাধ্যতামূলক। |
| যাচাই করার নিয়ম | পূর্বে ‘ওয়াও’ (و) বা ‘ফা’ (ف) যুক্ত করলে যদি উচ্চারণ না হয় তবে ওসল (যেমন: وَاسْمُهُ – ওয়াসমুহু)। | পূর্বে ‘ওয়াও’ যুক্ত করলেও স্পষ্ট উচ্চারিত হবে (যেমন: وَأَكْرَمَ – ওয়া আক্বরামা)। |
| স্থানসমূহ | আলিফ-লাম (ال), সুলাসী আমরের হামযা (اُنْصُرْ), খুমাসী ও সুদাসী বাবের মাদী, আমর ও মাসদার এবং নির্দিষ্ট ১০টি বিশেষ্যে (اسم، ابن، امرؤ ইত্যাদি)। | সুলাসী মাদীর মূল হামযা (أَخَذَ), বাবে ইফ’আলের মাদী, আমর ও মাসদার (أَكْرَمَ، أَكْرِمْ، إِكْرَامًا) এবং সমস্ত সর্বনাম ও অব্যয় (إِنَّ، أَنَّ، إِلَى ইত্যাদি)। |
٨- اُذْكُرْ مَوَاضِعَ اسْتِخْدَامِ ‘النُّقْطَة’ وَ’النُّقْطَتَانِ الرَّأْسِيَّتَانِ’ وَ’الفَاصِلَة المَنْقُوطَة’ مُمَثَّلاً وَمُوَضَّحًا-
[৮. আরবি বিরামচিহ্নে নুকতা (দাঁড়ি), কোলন এবং সেমিকোলনের ব্যবহারস্থল উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো।]
ভূমিকা: আরবি ভাষায় বক্তব্যকে সুবিন্যস্ত, অর্থবহ ও পাঠকদের জন্য বোধগম্য করার উদ্দেশ্যে যে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নসমূহ ব্যবহার করা হয় তাকে ‘আলামাতুত তারক্বীম’ (علامات الترقيم) বলা হয়।
১. আন-নুক্বতাহ (النقطة – পূর্ণ দাঁড়ি বা ফুলস্টপ [.]):
- ব্যবহারস্থল: যখন কোনো বাক্য সম্পূর্ণরূপে শেষ হয় এবং তার অর্থ পরিপূর্ণরূপে প্রকাশ পায়, তখন তার শেষে নুকতা বসে। এছাড়া কোনো অনুচ্ছেদ (প্যারাগ্রাফ)-এর সমাপ্তিতে এটি বসে।
- উদাহরণ: الدِّينُ النَّصِيحَةُ. (দ্বীন হলো শুভকামনা।), العِلْمُ نُورٌ وَالجَهْلُ ظَلاَمٌ.
২. আন-নুক্বতাতান আর-রা’সিয়্যাতান (النقطتان الرأسيتان – কোলন [:]):
- ব্যবহারস্থল:
- কোনো উক্তি বা কথার উদ্ধৃতি দেওয়ার পূর্বে (যেমন: قال، يقول، حكى শব্দের পর)। উদাহরণ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «طَلَبُ العِلْمِ فَرِيضَةٌ».
- কোনো সাধারণ বিষয়ের প্রকারভেদ বা বিভাজন উল্লেখ করার পূর্বে। উদাহরণ: أَقْسَامُ الكَلِمَةِ ثَلاَثَةٌ: اسْمٌ، وَفِعْلٌ، وَحَرْفٌ.
- কোনো শব্দের সংজ্ঞা বা ব্যাখ্যা দেওয়ার ক্ষেত্রে। উদাহরণ: الفِعْلُ: هُوَ كَلِمَةٌ دَلَّتْ عَلَى مَعْنًى فِي نَفْسِهَا مُقْتَرِنٍ بِزَمَانٍ.
৩. আল-ফাসিলাতুল মানক্বূতাহ (الفاصلة المنقوطة – সেমিকোলন [؛]):
- ব্যবহারস্থল:
- দুটি দীর্ঘ বাক্যের মাঝে, যেখানে দ্বিতীয় বাক্যটি প্রথম বাক্যের কারণ (سبب বা علة) নির্দেশ করে।
উদাহরণ: اجْتَهِدْ فِي دِرَاسَتِكَ؛ لِأَنَّ العِلْمَ سَبِيلُ النَّجَاحِ. (তোমার পড়ালেখায় পরিশ্রম করো; কেননা জ্ঞানই সফলতার পথ)। - যেখানে দ্বিতীয় বাক্যটি প্রথম বাক্যের ফলাফল (نتيجة) প্রকাশ করে।
উদাহরণ: أَهْمَلَ الطَّالِبُ وَاجِبَاتِهِ؛ فَرَسَبَ فِي الامْتِحَانِ. (শিক্ষার্থীটি তার দায়িত্বে অবহেলা করেছিল; ফলে সে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলো)।
- দুটি দীর্ঘ বাক্যের মাঝে, যেখানে দ্বিতীয় বাক্যটি প্রথম বাক্যের কারণ (سبب বা علة) নির্দেশ করে।
مجموعة (ب) / খ-বিভাগ (الدرجة— ٤ × ٥ = ٢٠)
(أجب عن أربعة من الأسئلة الآتية)
٩- عَرِّفِ الفِعْلَ المُضَارِعَ، وَاذْكُرْ صِيَغَهُ مِنْ مَصْدَرِ ‘الجُلُوس’ مَعَ التَّرْجَمَةِ البَنْغَالِيَّةِ-
[৯. ফেলে মুযারের পরিচয় দাও এবং ‘জুলুস’ (বসা) মাসদার থেকে বাংলা অর্থসহ এর সীগাহসমূহ লেখো।]
১. ফেলে মুযারের সংজ্ঞা: যে ক্রিয়াপদ বর্তমান বা ভবিষ্যৎ কালের কোনো কাজ করা বা হওয়া নির্দেশ করে, তাকে ফেলে মুযারে (الفعل المضارع) বলা হয়। এর শুরুতে চারটি হরফের (أ، ن، ي، ت – أَتَيْنَ) যেকোনো একটি যুক্ত থাকে।
২. ‘জুলুস’ (الجلوس) মাসদার থেকে ফেলে মুযারের রূপান্তর (বাবে যরাবা):
| সীগাহর নাম | আরবি শব্দ | বাংলা অর্থ |
|---|---|---|
| واحد مذكر غائب | يَجْلِسُ | সে একজন পুরুষ বসছে বা বসবে |
| تثنية مذكر غائب | يَجْلِسَانِ | তারা দুজন পুরুষ বসছে বা বসবে |
| جمع مذكر غائب | يَجْلِسُونَ | তারা সকল পুরুষ বসছে বা বসবে |
| واحد مؤنث غائب | تَجْلِسُ | সে একজন স্ত্রী বসছে বা বসবে |
| تثنية مؤنث غائب | تَجْلِسَانِ | তারা দুজন স্ত্রী বসছে বা বসবে |
| جمع مؤنث غائب | يَجْلِسْنَ | তারা সকল স্ত্রী বসছে বা বসবে |
| واحد مذكر حاضر | تَجْلِسُ | তুমি একজন পুরুষ বসছ বা বসবে |
| تثنية مذكر حاضر | تَجْلِسَانِ | তোমরা দুজন পুরুষ বসছ বা বসবে |
| جمع مذكر حاضر | تَجْلِسُونَ | তোমরা সকল পুরুষ বসছ বা বসবে |
| واحد مؤنث حاضر | تَجْلِسِينَ | তুমি একজন স্ত্রী বসছ বা বসবে |
| تثنية مؤنث حاضر | تَجْلِسَانِ | তোমরা দুজন স্ত্রী বসছ বা বসবে |
| جمع مؤنث حاضر | تَجْلِسْنَ | তোমরা সকল স্ত্রী বসছ বা বসবে |
| واحد متكلم | أَجْلِسُ | আমি বসছি বা বসব |
| جمع متكلم | نَجْلِسُ | আমরা বসছি বা বসব |
١٠- اُذْكُرْ أَوْزَانَ صِيغَةِ المُبَالَغَةِ المَشْهُورَةِ مُمَثَّلاً-
[১০. সিগায়ে মুবালাগার প্রসিদ্ধ পাঁচটি ওজন উদাহরণসহ উল্লেখ করো।]
১. সিগায়ে মুবালাগার পরিচয়: ইসমে ফায়েলের অর্থে যখন আধিক্য, তীব্রতা বা ব্যাপকতা প্রকাশ করা হয়, তখন তাকে সিগায়ে মুবালাগাহ (صيغة المبالغة) বলা হয়।
২. প্রসিদ্ধ ৫টি ক্বিয়াসী ওজন ও উদাহরণ:
- فَعَّالٌ (ফা’আল): যেমন— غَفَّارٌ (পরম ক্ষমাশীল), عَلاَّمٌ (মহাজ্ঞানী), تَوَّابٌ।
- مِفْعَالٌ (মিফ’আল): যেমন— مِقْدَامٌ (অসীম সাহসী বীর), مِعْطَاءٌ (প্রচুর দানশীল)।
- فَعُولٌ (ফাঊল): যেমন— غَفُورٌ (অত্যন্ত ক্ষমাশীল), شَكُورٌ (অত্যন্ত কৃতজ্ঞ), صَبُورٌ।
- فَعِيلٌ (ফাঈল): যেমন— عَلِيمٌ (মহাজ্ঞানী), سَمِيعٌ (সর্বশ্রোতা), رَحِيمٌ।
- فَعِلٌ (ফাঈল – আইন যের): যেমন— حَذِرٌ (চরম সতর্ক), فَطِنٌ (অত্যন্ত বিচক্ষণ)।
١١- اكْتُبْ صِيَغَ اسْمِ التَّفْضِيلِ مِنْ مَصْدَرِ ‘السَّمْع’ مَعَ التَّرْجَمَةِ-
[১১. ‘সাম’ (শ্রবণ করা) মাসদার থেকে ইসমে তাফযীলের সকল সীগাহ বাংলা অর্থসহ লেখো।]
| সীগাহ ও লিঙ্গ | আরবি ওজন ও শব্দ | বাংলা অর্থ |
|---|---|---|
| واحد مذكر | أَسْمَعُ (أَفْعَلُ) | অধিক শ্রবণকারী একজন পুরুষ |
| تثنية مذكر | أَسْمَعَانِ (أَفْعَلاَنِ) | অধিক শ্রবণকারী দুজন পুরুষ |
| جمع مذكر سالم | أَسْمَعُونَ (أَفْعَلُونَ) | অধিক শ্রবণকারী সকল পুরুষ |
| جمع مذكر مكسر | أَسَامِعُ (أَفَاعِلُ) | অধিক শ্রবণকারী সকল পুরুষ (ভগ্ন বহুবচন) |
| واحد مؤنث | سُمْعَى (فُعْلَى) | অধিক শ্রবণকারী একজন স্ত্রী |
| تثنية مؤنث | سُمْعَيَانِ (فُعْلَيَانِ) | অধিক শ্রবণকারী দুজন স্ত্রী |
| جمع مؤنث سالم | سُمْعَيَاتٌ (فُعْلَيَاتٌ) | অধিক শ্রবণকারী সকল স্ত্রী |
| جمع مؤنث مكسر | سُمَعٌ (فُعَلٌ) | অধিক শ্রবণকারী সকল স্ত্রী (ভগ্ন বহুবচন) |
١٢- مَا المُرَادُ بِالمَصْدَرِ؟ وَاذْكُرْ أَنْوَاعَهُ المَشْهُورَةَ-
[১২. মাসদার বলতে কী বোঝায়? এর প্রসিদ্ধ প্রকারসমূহ উল্লেখ করো।]
১. মাসদারের পরিচয়: যে বিশেষ্য পদ কোনো নির্দিষ্ট কালের (অতীত, বর্তমান বা ভবিষ্যৎ) সাথে সংশ্লিষ্ট না হয়ে কেবলমাত্র কাজের মূল ভাব বা নামকরণে ব্যবহৃত হয়, তাকে মাসদার (المصدر) বা ভাববাচক বিশেষ্য বলা হয়। বসরাবাসী বৈয়াকরণদের মতে, মাসদারই হলো সমস্ত ক্রিয়াপদ ও মুশতাক্বাত পদের মূল উৎস।
২. মাসদারের প্রসিদ্ধ প্রকারভেদ:
- মাসদারে আসলী (المصدر الأصلي): যা ক্রিয়ার সাধারণ মূল মাসদার। যেমন: ضَرْبًا (প্রহার করা), كِتَابَةً (লেখা)।
- মাসদারে মীমী (المصدر الميمي): যার শুরুতে অতিরিক্ত মীম (م) যুক্ত থাকে। যেমন: مَضْرَبٌ, مَوْعِدٌ, مَخْرَجٌ।
- মাসদারে সানায়ী বা কৃত্রিম মাসদার (المصدر الصناعي): যেকোনো বিশেষ্যের শেষে ইয়া-এ মুশাদ্দাদাহ ও তা-মারবূতাহ (ـيّة) যুক্ত করে গঠিত হয়। যেমন: إِنْسَانِيَّةٌ (মানবতা), إِسْلاَمِيَّةٌ (ইসলামিয়াত)।
- মাসদারে মাররাহ (مصدر المرة): যা কাজের একবার সংঘটন বোঝায় (ওজন: فَعْلَةٌ)। যেমন: ضَرْبَةٌ (একবার প্রহার)।
- মাসদারে হাইআহ (مصدر الهيئة): যা কাজের ধরন বা রূপ বোঝায় (ওজন: فِعْلَةٌ)। যেমন: جِلْسَةٌ (বসার বিশেষ ধরন)।
١٣- هَاتِ أَمْثِلَةً لِلثُّلاَثِيِّ المَزِيدِ بِحَرْفٍ، وَبِحَرْفَيْنِ، وَبِثَلاَثَةِ أَحْرُفٍ-
[১৩. এক অক্ষর, দুই অক্ষর এবং তিন অক্ষর অতিরিক্তযুক্ত সুলাসী মাযীদ ফীহ-এর উদাহরণ দাও।]
- ১. সুলাসী মাযীদ বিহুরূফিন ওয়াহিদ (بحرف واحد – এক অক্ষর বৃদ্ধি, ৩টি বাব):
- বাবে ইফ’আল (হামযা বৃদ্ধি): أَكْرَمَ يُكْرِمُ إِكْرَامًا (সম্মান করা)।
- বাবে তাফঈল (আইন তাসদীদ বৃদ্ধি): عَلَّمَ يُعَلِّمُ تَعْلِيمًا (শিক্ষা দেওয়া)।
- বাবে মুফা’আলাহ (আলিফ বৃদ্ধি): قَاتَلَ يُقَاتِلُ مُقَاتَلَةً (যুদ্ধ করা)।
- ২. সুলাসী মাযীদ বিহরফাইন (بحرفين – দুই অক্ষর বৃদ্ধি, ৫টি বাব):
- বাবে ইনফি’আল (হামযা ও নূন বৃদ্ধি): اِنْكَسَرَ يَنْكَسِرُ اِنْكِسَارًا (ভেঙে যাওয়া)।
- বাবে ইফতি’আল (হামযা ও তা বৃদ্ধি): اِجْتَمَعَ يَجْتَمِعُ اِجْتِمَاعًا (একত্রিত হওয়া)।
- বাবে তাফা’উল (তা ও আইন তাসদীদ বৃদ্ধি): تَعَلَّمَ يَتَعَلَّمُ تَعَلُّمًا (জ্ঞানার্জন করা)।
- বাবে তাফা’উল (তা ও আলিফ বৃদ্ধি): تَقَاتَلَ يَتَقَاتَلُ تَقَاتُلاً (পরস্পর যুদ্ধ করা)।
- বাবে ইফ’ইলাল (হামযা ও লাম তাসদীদ বৃদ্ধি): اِحْمَرَّ يَحْمَرُّ اِحْمِرَارًا (লাল হওয়া)।
- ৩. সুলাসী মাযীদ বি সালাছাতি আহরুফ (بثلاثة أحرف – তিন অক্ষর বৃদ্ধি, ৪টি বাব):
- বাবে ইসতিফ’আল (হামযা, সীন ও তা বৃদ্ধি): اِسْتَغْفَرَ يَسْتَغْفِرُ اسْتِغْفَارًا (ক্ষমা প্রার্থনা করা)।
- বাবে ইফ’ঈ’আল (اِفْعَوْعَلَ): اِعْشَوْشَبَ يَعْشَوْشِبُ اِعْشِيشَابًا (ভূমি ঘাসযুক্ত হওয়া)।
١٤- اسْتَخْرِجِ الأَفْعَالَ وَأَبْوَابَهَا مِنَ النَّصِّ الآتِي: «يَسْتَغْفِرُ المُؤْمِنُ رَبَّهُ، وَيَتَدَبَّرُ فِي آيَاتِهِ، فَيَنْشَرِحُ صَدْرُهُ، وَيُكْرِمُ ضَيْفَهُ»-
[১৪. প্রদত্ত অনুচ্ছেদ থেকে ক্রিয়াপদসমূহ এবং তাদের বাবের নাম বের করো।]
| বাক্যের ফেল (الفعل) | মাদী ও মূলধাতু (الماضي والمادة) | বাবের নাম (الباب) | প্রকার (النوع) |
|---|---|---|---|
| يَسْتَغْفِرُ | اِسْتَغْفَرَ (غ-ف-ر) | বাবে ইসতিফ’আল (الاستفعال) | সুলাসী মাযীদ বি সালাছাতি আহরুফ |
| يَتَدَبَّرُ | تَدَبَّرَ (د-ب-ر) | বাবে তাফা’উল (التفعّل) | সুলাসী মাযীদ বিহরফাইন |
| يَنْشَرِحُ | اِنْشَرَحَ (ش-ر-ح) | বাবে ইনফি’আল (الانفعال) | সুলাসী মাযীদ বিহরফাইন |
| يُكْرِمُ | أَكْرَمَ (ك-ر-م) | বাবে ইফ’আল (الإفعال) | সুলাসী মাযীদ বিহুরূফ |
١٥- مَا الفَرْقُ بَيْنَ الاسْمِ المَقْصُورِ وَالمَنْقُوصِ وَالمَمْدُودِ؟ هَاتِ أَمْثِلَةً-
[১৫. ইসমে মাকসূর, মানকূস ও মামদূদের মধ্যকার পার্থক্য উদাহরণসহ লেখো।]
| নাম | সংজ্ঞা ও রূপ | উদাহরণ | ই’রাবের অবস্থা |
|---|---|---|---|
| আল-মাকসূর (المقصور) | যে মু’রাব বিশেষ্যের শেষে একটি অবিচ্ছেদ্য আলিফে মাকসূরাহ (আলিফ বা ইয়া রূপে) থাকে এবং তার পূর্বাক্ষরে ফাতহা থাকে। | الفَتَى (যুবক), العَصَا (লাঠি), مُوسَى | তিন অবস্থাতেই (রফ’, নাসব, জার) ই’রাব তাক্বদীরী বা উহ্য থাকে। |
| আল-মানকূস (المنقوص) | যে মু’রাব বিশেষ্যের শেষে একটি মূল ইয়া (ي) থাকে এবং তার পূর্বাক্ষরে কাসরাহ (যের) থাকে। | القَاضِي (বিচারক), الدَّاعِي (আহ্বায়ক) | রফ’ ও জারের হালতে ই’রাব তাক্বদীরী (উহ্য) থাকে, তবে নাসবের হালতে স্পষ্ট ফাতহা গ্রহণ করে (যেমন: رَأَيْتُ القَاضِيَ)। |
| আল-মামদূদ (الممدود) | যে মু’রাব বিশেষ্যের শেষে অতিরিক্ত আলিফের পর একটি হামযা (ـاء) থাকে। | السَّمَاءُ (আকাশ), الصَّحْرَاءُ (মরুভূমি), حَمْرَاءُ | তিন অবস্থাতেই প্রকাশ্য হরকত (যম্মা, ফাতহা, কাসরা) গ্রহণ করে। |
١٦- عَلِّلِ الأَفْعَالَ الآتِيَةَ: بِعْتُ، زِنُوا، قُمْ-
[১৬. নিম্নোক্ত ক্রিয়াপদগুলোর রূপান্তরের ব্যাকরণিক কারণ (তালীল) বিশ্লেষণ করো: بِعْتُ، زِنُوا، قُمْ।]
- بِعْتُ (বিকতু):
– এটি মূলত ছিল بَيَعْتُ (বাবে যরাবা থেকে ওয়াহিদ মুতাকাল্লিম)।
– নিয়ম অনুযায়ী, আইন-কালিমার হরফে ইল্লত ‘ইয়া’ হরকতবিশিষ্ট এবং তার পূর্বাক্ষর ‘বা’-এ ফাতহা থাকায় ইয়াটি আলিফে রূপান্তরিত হয়ে بَاعْتُ হয়।
– অতঃপর আলিফ সাকিন এবং ‘তা’-এর পূর্বে ‘আইন’ সাকিন হওয়ায় দুটি সাকিন একত্রিত হয় (التقاء الساكنين)। ফলে আলিফটি বিলুপ্ত হয়ে যায়।
– মূল বাবের আইন-কালিমার কাসরাহ নির্দেশ করার জন্য প্রথমাক্ষরে যের দিয়ে بِعْتُ রূপ ধারণ করেছে। - زِنُوا (যিনূ):
– এটি বাবে যরাবা থেকে وَزَنَ يَزِنُ এর আমরে হাযেরের জমা মুযাক্কারের সীগাহ (মূলত ছিল: تَزِنُونَ)।
– মুযারেতে ইয়া এবং কাসরার মাঝে ওয়াও আসার কারণে ওয়াও পড়ে গিয়ে يَزِنُ হয়েছিল।
– আমর গঠনের সময় আলামতে মুযারে ‘তা’ ফেলে দেওয়া হয় এবং শেষে নূনে এরাবী বিলুপ্ত করে জমার ওয়াও ও আলিফ যোগ করা হয়। যেহেতু প্রথমাক্ষর ‘যা’ হরকতবিশিষ্ট (যেরযুক্ত), তাই শুরুতে হামযার প্রয়োজন হয়নি; সরাসরি زِنُوا হয়েছে। - قُمْ (ক্বুম):
– এটি বাবে নাসারা থেকে قَالَ يَقُولُ-এর মতো قَامَ يَقُومُ-এর আমরে হাযেরের ওয়াহিদ মুযাক্কার সীগাহ (মূল ছিল: تَقُومُ)।
– আমর গঠনের সময় আলামতে মুযারে ‘তা’ ফেলে দেওয়া হয় এবং শেষাক্ষরে ওয়াকফের কারণে সাকিন দেওয়া হয়। ফলে শব্দটি দাঁড়ায় قُوْمْ।
– এখানে ওয়াও সাকিন এবং মীম সাকিন—দুটি সাকিন একত্রিত হওয়ায় (التقاء الساكنين) দুর্বল হরফ ‘ওয়াও’ বিলুপ্ত হয়ে যায়। ফলে শব্দটি قُمْ রূপ লাভ করে।
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
১. ফাজিল ২য় বর্ষের আরবি ব্যাকরণ-২ বিষয়ের মান বণ্টন কেমন?
কাওয়াইদুল লুগাতিল আরাবিয়্যাহ-২ (কোড: ২০৪২০৩) বিষয়ের পূর্ণমান ৮০ নম্বর এবং সময় ৪ ঘণ্টা। ক-বিভাগ থেকে ৪টি বড় প্রশ্নে ৬০ নম্বর এবং খ-বিভাগ থেকে ৪টি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নে ২০ নম্বর থাকে।
২. সারফে সাগীর ও সারফে কাবীর-এর মধ্যে পার্থক্য কী?
সারফে কাবীর হলো একটি নির্দিষ্ট ক্রিয়ার ১৪টি সীগাহর বিস্তারিত রূপান্তর; আর সারফে সাগীর হলো একটি ক্রিয়ামূল বা বাব থেকে অতীত, বর্তমান, মাসদার, ইসমে ফায়েল, মাক্ববুল, আমর, নাহী ও যরফের সমন্বিত সংক্ষিপ্ত রূপান্তর।
৩. তালীল (الإعلال) লেখার সময় কোন বিষয়গুলো উল্লেখ করা আবশ্যক?
তালীলে শব্দের আদি রূপ (মূলত কী ছিল), কোন সরফী নিয়মের অধীনে পরিবর্তন হলো এবং দুটি সাকিনের একত্রীকরণ বা হরকত লোপ পেয়ে বর্তমান রূপ কীভাবে গঠিত হলো তা ধাপে ধাপে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হয়।
৪. সুলাসী মাযীদ ফীহ-এর মোট বাব কতটি?
সুলাসী মাযীদ ফীহ-এর মোট প্রসিদ্ধ বাব ১২টি, যা অতিরিক্ত হরফের সংখ্যার ভিত্তিতে তিন ভাগে বিভক্ত: এক হরফ বৃদ্ধি (৩টি বাব), দুই হরফ বৃদ্ধি (৫টি বাব) এবং তিন হরফ বৃদ্ধি (৪টি বাব)।
৫. হামযাতুল ওসল ও ক্বাতি নির্ণয়ের সবচেয়ে সহজ কৌশল কী?
শব্দের পূর্বে একটি ‘ওয়াও’ (و) যুক্ত করে পড়তে হবে। যদি হামযার উচ্চারণ বিলুপ্ত হয়ে পরবর্তী অক্ষরের সাথে মিলে যায় তবে তা ওসল; আর যদি স্পষ্ট উচ্চারিত হয় তবে তা ক্বাতি।
৬. খ-বিভাগের সংক্ষিপ্ত ব্যাকরণিক প্রশ্নের উত্তর কীভাবে দেওয়া উচিত?
খ-বিভাগে ৫ নম্বরের জন্য সরাসরি মূল ব্যাকরণিক সংজ্ঞা, সংশ্লিষ্ট ওজনের ছক এবং নির্ভুল হরকতসহ কমপক্ষে ২টি করে প্রামাণ্য উদাহরণ উপস্থাপন করাই পূর্ণ নম্বর পাওয়ার সর্বোত্তম উপায়।