জরুরি নোটিশ 🔔 নতুন: ২০২৬ সালের সকল শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ও গাইড বই প্রকাশিত হয়েছে!

দিরাসাতুন মিনাল কুরআনিল কারীম-২ (Dirasat minal Quranil Karim-2) – 201/204201, আরবি ভাষা ও সাহিত্য – ফাজিল অনার্স ২য় বর্ষ পরীক্ষা ২০১৮

Abswer.com Abswer.com
21 September, 2026
৪৬ মিনিট পড়ার সময়
১৩ বার পঠিত

সরাসরি Telegram-এ সকল বই ও সাজেশন পান!

আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে সবার আগে নতুন বই ও রুটিন ডাউনলোড করুন।

টেলিগ্রামে যুক্ত হোন 🚀

পরীক্ষা কোড: ২০২ | সেট কোড-৩৯
اختبار السنة الثانية للفاضل البكالوريوس (الشرف)، لعام ٢٠١٨م
[ফাজিল স্নাতক (সম্মান) দ্বিতীয় বর্ষ পরীক্ষা, ২০১৮]
اللغة العربية وآدابها
[আরবি ভাষা ও সাহিত্য]
دراسات من القرآن الكريم-٢
[দিরাসাতুন মিনাল কুরআনিল কারীম-২]
বিষয় কোড: ২০১ (২০৪২০১)
الزمن — ٤ ساعات | الدرجات الكاملة — ٨٠
[সময় — ৪ ঘণ্টা | পূর্ণমান — ৮০]
الملاحظة: الأعداد بالهامش تدل على الدرجات الكاملة
[দ্রষ্টব্য: বাম পাশে উল্লিখিত সংখ্যা প্রশ্নের পূর্ণমান জ্ঞাপক। প্রতিটি প্রশ্নের পূর্ণাঙ্গ উত্তর প্রদান করা হলো।]


١- تَرْجِمْ قِطْعَتَيْنِ مِنَ التَّالِيَةِ :- (الدرجات: ٨ × ٢ = ١٦)

[১. নিম্নের যে কোনো দুটি অংশের সরল অর্থ ও ভাবার্থ বর্ণনা করো: (ক) সূরা আল-হুজুরাত: ৯-১১ (খ) সূরা আল-মুমতাহিনাহ: ১-৩ (গ) সূরা আত-তাহরীম: ১-৫]

(أ) قوله تعالى: ﴿وَإِن طَائِفَتَانِ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ اقْتَتَلُوا فَأَصْلِحُوا بَيْنَهُمَا ۖ فَإِن بَغَتْ إِحْدَاهُمَا عَلَى الْأُخْرَىٰ فَقَاتِلُوا الَّتِي تَبْغِي حَتَّىٰ تَفِيءَ إِلَىٰ أَمْرِ اللَّهِ ۚ فَإِن فَاءَتْ فَأَصْلِحُوا بَيْنَهُمَا بِالْعَدْلِ وَأَقْسِطُوا ۖ إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُقْسِطِينَ * إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ إِخْوَةٌ فَأَصْلِحُوا بَيْنَ أَخَوَيْكُمْ ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ * يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا يَسْخَرْ قَوْمٌ مِّن قَوْمٍ عَسَىٰ أَن يَكُونُوا خَيْرًا مِّنْهُمْ وَلَا نِسَاءٌ مِّن نِّسَاءٍ عَسَىٰ أَن يَكُنَّ خَيْرًا مِّنْهُنَّ ۖ وَلَا تَلْمِزُوا أَنفُسَكُمْ وَلَا تَنَابَزُوا بِالْأَلْقَابِ ۖ بِئْسَ الِاسْمُ الْفُسُوقُ بَعْدَ الْإِيمَانِ ۚ وَمَن لَّمْ يَتُبْ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ﴾ (سورة الحجرات: ٩-١١)

সরল মর্মার্থ: “আর মুমিনদের দুই দল যদি পরস্পরে যুদ্ধে লিপ্ত হয়, তবে তোমরা তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দাও। অতঃপর যদি তাদের এক দল অন্য দলের ওপর সীমালঙ্ঘন করে, তবে যে দলটি সীমালঙ্ঘন করে তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো—যতক্ষণ না তারা আল্লাহর আদেশের দিকে ফিরে আসে। যদি ফিরে আসে, তবে তাদের মধ্যে ন্যায়পরায়ণতার সাথে আপস-মীমাংসা করে দাও এবং সুবিচার করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ সুবিচারকারীদের ভালোবাসেন। নিশ্চয়ই মুমিনরা পরস্পর ভাই ভাই; কাজেই তোমরা তোমাদের ভাইদের মধ্যে মীমাংসা করে দাও এবং আল্লাহকে ভয় করো, যাতে তোমরা অনুগৃহীত হতে পারো। হে ঈমানদারগণ! কোনো পুরুষ সম্প্রদায় যেন অন্য কোনো পুরুষ সম্প্রদায়কে উপহাস না করে, হতে পারে তারা এদের চেয়ে উত্তম; আর কোনো নারী সম্প্রদায়ও যেন অন্য নারীদের উপহাস না করে, হতে পারে তারা এদের চেয়ে উত্তম। আর তোমরা একে অপরকে দোষারোপ করো না এবং মন্দ উপনামে ডেকো না। ঈমান আনার পর ফাসেক্বী নাম কতই না নিকৃষ্ট! আর যারা তওবা করে না, তারাই তো যালেম।”

শিক্ষা ও মূল বক্তব্য: সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা, পারস্পরিক বিবাদ নিষ্পত্তি এবং মুসলিম ভ্রাতৃত্বের ওপর আঘাত হানে এমন কুৎসিত আচরণ যেমন ঠাট্টা-বিদ্রূপ, খোঁটা দেওয়া ও অপবাদ দেওয়া ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।


(ب) قوله تعالى: ﴿يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا عَدُوِّي وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاءَ تُلْقُونَ إِلَيْهِم بِالْمَوَدَّةِ وَقَدْ كَفَرُوا بِمَا جَاءَكُم مِّنَ الْحَقِّ يُخْرِجُونَ الرَّسُولَ وَإِيَّاكُمْ ۙ أَن تُؤْمِنُوا بِاللَّهِ رَبِّكُمْ إِن كُنتُمْ خَرَجْتُمْ جِهَادًا فِي سَبِيلِي وَابْتِغَاءَ مَرْضَاتِي ۚ تُسِرُّونَ إِلَيْهِم بِالْمَوَدَّةِ وَأَنَا أَعْلَمُ بِمَا أَخْفَيْتُمْ وَمَا أَعْلَنتُمْ ۚ وَمَن يَفْعَلْهُ مِنكُمْ فَقَدْ ضَلَّ سَوَاءَ السَّبِيلِ * إِن يَثْقَفُوكُمْ يَكُونُوا لَكُمْ أَعْدَاءً وَيَبْسُطُوا إِلَيْكُمْ أَيْدِيَهُمْ وَأَلْسِنَتَهُم بِالسُّوءِ وَوَدُّوا لَوْ تَكْفُرُونَ * لَن تَنفَعَكُمْ أَرْحَامُكُمْ وَلَا أَوْلَادُكُمْ ۚ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يَفْصِلُ بَيْنَكُمْ ۚ وَاللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌ﴾ (سورة الممتحنة: ١-٣)

সরল মর্মার্থ: “হে ঈমানদারগণ! তোমরা আমার শত্রু ও তোমাদের শত্রুদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না; তোমরা তাদের প্রতি ভালোবাসার বার্তা পাঠাও, অথচ তোমাদের কাছে যে সত্য এসেছে তারা তা অস্বীকার করেছে এবং রাসুলকে ও তোমাদেরকে এই অপরাধে বহিষ্কার করেছে যে তোমরা তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহর ওপর ঈমান এনেছ। যদি তোমরা আমার পথে জিহাদ করার উদ্দেশ্যে এবং আমার সন্তুষ্টি লাভের কামনায় বের হয়ে থাকো (তবে কেন এমন করছ?)। তোমরা গোপনে তাদের সাথে বন্ধুত্বের ভাব দেখাচ্ছ, অথচ তোমরা যা গোপন করো এবং যা প্রকাশ করো তা আমি সর্বাধিক অবগত। তোমাদের মধ্যে যে এরূপ করে, সে নিশ্চিতভাবেই সরল পথ থেকে বিচ্যুত হয়। যদি তারা তোমাদের ওপর প্রাধান্য বিস্তার করতে পারে, তবে তারা তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু হয়ে দাঁড়াবে এবং তাদের হাত ও মুখ দ্বারা তোমাদের অনিষ্ট সাধন করবে; আর তারা কামনা করে যেন তোমরা কাফির হয়ে যাও। কিয়ামতের দিন তোমাদের আত্মীয়-স্বজন ও সন্তান-সন্ততি কোনো কাজে আসবে না; আল্লাহ তোমাদের মাঝে ফয়সালা করে দেবেন। আর তোমরা যা করো আল্লাহ তার সম্যক দ্রষ্টা।”

শিক্ষা ও মূল বক্তব্য: জাতীয় স্বার্থ ও ঈমানী ঐক্যের বিপরীতে ইসলামদ্রোহী কাফিরদের সাথে গোপন বন্ধুত্ব স্থাপন করা হারাম। কিয়ামতের ময়দানে আত্মীয়তা কোনো পরিত্রাণ দিতে পারবে না।


(ج) قوله تعالى: ﴿يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكَ ۖ تَبْتَغِي مَرْضَاتَ أَزْوَاجِكَ ۚ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ * قَدْ فَرَضَ اللَّهُ لَكُمْ تَحِلَّةَ أَيْمَانِكُمْ ۚ وَاللَّهُ مَوْلَاكُمْ ۖ وَهُوَ الْعَلِيمُ الْحَكِيمُ * وَإِذْ أَسَرَّ النَّبِيُّ إِلَىٰ بَعْضِ أَزْوَاجِهِ حَدِيثًا فَلَمَّا نَبَّأَتْ بِهِ وَأَظْهَرَهُ اللَّهُ عَلَيْهِ عَرَّفَ بَعْضَهُ وَأَعْرَضَ عَن بَعْضٍ ۖ فَلَمَّا نَبَّأَهَا بِهِ قَالَتْ مَنْ أَنبَأَكَ هَٰذَا ۖ قَالَ نَبَّأَنِيَ الْعَلِيمُ الْخَبِيرُ…﴾ (سورة التحريم: ١-٥)

সরল মর্মার্থ: “হে নবী! আল্লাহ আপনার জন্য যা হালাল করেছেন, আপনি আপনার স্ত্রীদের সন্তুষ্টি লাভের আশায় তা কেন নিজের ওপর হারাম করছেন? অথচ আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের জন্য কসম থেকে মুক্ত হওয়ার বিধান নির্ধারণ করে দিয়েছেন। আর আল্লাহই তোমাদের অভিভাবক এবং তিনিই সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। আর স্মরণ করুন, যখন নবী তাঁর স্ত্রীদের একজনের নিকট একটি গোপন কথা প্রকাশ করেছিলেন; অতঃপর যখন তিনি তা অন্যকে জানিয়ে দিলেন এবং আল্লাহ নবীকে তা অবগত করলেন, তখন নবী তার কিছু অংশ প্রকাশ করলেন এবং কিছু অংশ এড়িয়ে গেলেন। অতঃপর নবী যখন স্ত্রীকে তা জানালেন, তখন স্ত্রী বললেন: আপনাকে এ সংবাদ কে দিল? নবী বললেন: আমাকে সর্বজ্ঞাতা ও সর্বজ্ঞানী আল্লাহ অবহিত করেছেন…”

শিক্ষা ও মূল বক্তব্য: হালাল বস্তুকে নিজের ওপর হারাম করা সমীচীন নয় এবং পারিবারিক গোপনীয়তা রক্ষা করা দ্বীনদারিতার অংশ।


٢- اِشْرَحْ قِطْعَتَيْنِ مِنَ التَّالِيَةِ بِالعَرَبِيَّةِ :- (الدرجات: ٨ × ٢ = ١٦)

[২. নিম্নের যে কোনো দুটি অংশের আরবিতে ব্যাখ্যা ও শানে নুযূল বর্ণনা করো:]

(أ) الشرح لقوله تعالى: ﴿يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اجْتَنِبُوا كَثِيرًا مِّنَ الظَّنِّ إِنَّ بَعْضَ الظَّنِّ إِثْمٌ﴾ (سورة الحجرات: ١٢)

  • المعنى العام والشرح: يأمر الله سبحانه وتعالى عباده المؤمنين بالابتعاد عن الظنون السيئة بالمسلمين الصالحين؛ لأن سوء الظن يؤدي إلى التباغض وتفكك الروابط الأخوية. وقوله «إن بعض الظن إثم» يعني أن الظن المجرد عن الدليل والقرائن في حق المؤمن تهمة باطلة يترتب عليها العقاب والذنب. قال رسول الله ﷺ: «إياكم والظن، فإن الظن أكذب الحديث».
  • الحكمة والآداب المستنبطة: حماية أعراض المسلمين من التدنيس بالشكوك والتهم الجزافية، وبناء المجتمع الإسلامي على أساس الثقة والمحبة وسلامة الصدور.

(ب) الشرح لقوله تعالى: ﴿اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانشَقَّ الْقَمَرُ﴾ (سورة القمر: ١)

  • المعنى العام والشرح: هذه الآية الكريمة تتحدث عن معجزة حسية باهرة وقعت للنبي ﷺ بمكة المكرمة عندما طلب كفار قريش آية على نبوته، فأشار النبي ﷺ إلى القمر فانشق فلقتين— فلقة على جبل أبي قبيس وفلقة على جبل قعيقعان. والآية تدل على قرب القيامة؛ لأن انشقاق القمر من أشراط الساعة الكبرى، ولأن بعثة النبي ﷺ خاتم النبيين نفسها من علامات اقتراب القيامة.
  • سبب النزول: روى الإمام البخاري عن عبد الله بن مسعود رضي الله عنه قال: انشق القمر على عهد رسول الله ﷺ شقتين، فقال رسول الله ﷺ: «اشهدوا». فكذب المشركون وقالوا: سحرنا محمد، فأنزل الله الآية الكريمة بيانا لصدق نبيه ﷺ.

(ج) الشرح لقوله تعالى: ﴿وَلَوْ أَنَّهُمْ صَبَرُوا حَتَّىٰ تَخْرُجَ إِلَيْهِمْ لَكَانَ خَيْرًا لَّهُمْ﴾ (سورة الحجرات: ٥)

  • المعنى العام والشرح: تؤدب هذه الآية الكريمة الأعراب الذين كانوا ينادون النبي ﷺ من وراء الحجرات بصوت مرتفع دون توقير أو مراعاة لوقته ومقامه الشريف. فالآية ترشدهم إلى أن الصبر وانتظار خروج النبي ﷺ إليهم في وقته المعتاد كان خيرا لهم في الدنيا بتعليمهم الأدب وفي الآخرة بنيل الأجر والثواب.
  • سبب النزول: نزلت في وفد بني تميم حين قدموا المدينة وأتوا حجرات أزواج النبي ﷺ وجعلوا ينادون: يا محمد! اخرج إلينا! فعلمهم الله الأدب مع رسوله الكريم ﷺ.

(د) الشرح لقوله تعالى: ﴿يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا نَاجَيْتُمُ الرَّسُولَ فَقَدِّمُوا بَيْنَ يَدَيْ نَجْوَاكُمْ صَدَقَةً﴾ (سورة المجادلة: ١٢)

  • المعنى العام والشرح: أمر الله المسلمين بأن يقدموا صدقة للفقراء بين يدي مناجاة النبي ﷺ والتحدث معه سرا. والحكمة من هذا الأمر هي إجلال مقام النبوة، وتمييز المؤمن الصادق من المنافق، وتخفيف الضغط والمشقة عن النبي ﷺ حتى لا يتزاحم الناس عليه في الأمور التافهة. وكان علي بن أبي طالب رضي الله عنه أول من عمل بهذه الآية حيث تصدق بدينار، ثم نسخ هذا الحكم بالآية التي تليها رحمة وتخفيفا من الله تعالى: «أأشفقتم أن تقدموا بين يدي نجواكم صدقات».

٣- أَجِبْ عَنِ اثْنَيْنِ مِنَ التَّالِيَةِ :- (الدرجات: ٨ × ٢ = ١٦)

[৩. মুখস্থ কুরআন লিখন: নিম্নের যে কোনো দুটি অংশের মূল কুরআনুল কারীমের সংশ্লিষ্ট আয়াতসমূহ পূর্ণাঙ্গ লেখো:]

(أ) من سورة الحجرات: من «يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّا خَلَقْنَاكُم مِّن ذَكَرٍ وَأُنثَىٰ» إلى آخر السورة (الآيات: ١٣-١٨)

﴿يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّا خَلَقْنَاكُم مِّن ذَكَرٍ وَأُنثَىٰ وَجَعَلْنَاكُمْ شُعُوبًا وَقَبَائِلَ لِتَعَارَفُوا ۚ إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِندَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ ۚ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ * قَالَتِ الْأَعْرَابُ آمَنَّا ۖ قُل لَّمْ تُؤْمِنُوا وَلَٰكِن قُولُوا أَسْلَمْنَا وَلَمَّا يَدْخُلِ الْإِيمَانُ فِي قُلُوبِكُمْ ۖ وَإِن تُطِيعُوا اللَّهَ وَرَسُولَهُ لَا يَلِتْكُم مِّنْ أَعْمَالِكُمْ شَيْئًا ۚ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ * إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ الَّذِينَ آمَنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ ثُمَّ لَمْ يَرْتَابُوا وَجَاهَدُوا بِأَمْوَالِهِمْ وَأَنفُسِهِمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ۚ أُولَٰئِكَ هُمُ الصَّادِقُونَ * قُلْ أَتُعَلِّمُونَ اللَّهَ بِدِينِكُمْ وَاللَّهُ يَعْلَمُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۚ وَاللَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ * يَمُنُّونَ عَلَيْكَ أَنْ أَسْلَمُوا ۖ قُل لَّا تَمُنُّوا عَلَيَّ إِسْلَامَكُم ۖ بَلِ اللَّهُ يَمُنُّ عَلَيْكُمْ أَنْ هَدَاكُمْ لِلْإِيمَانِ إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ * إِنَّ اللَّهَ يَعْلَمُ غَيْبَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۚ وَاللَّهُ بَصِيرٌ بِمَا تَعْمَلُونَ﴾


(ب) من سورة الرحمن: من «يَا مَعْشَرَ الْجِنِّ وَالْإِنسِ» إلى «كَأَنَّهُنَّ الْيَاقُوتُ وَالْمَرْجَانُ» (الآيات: ٣٣-٥٨)

﴿يَا مَعْشَرَ الْجِنِّ وَالْإِنسِ إِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَن تَنفُذُوا مِنْ أَقْطَارِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ فَانفُذُوا ۚ لَا تَنفُذُونَ إِلَّا بِسُلْطَانٍ * فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ * يُرْسَلُ عَلَيْكُمَا شُوَاظٌ مِّن نَّارٍ وَنُحَاسٌ فَلَا تَنتَصِرَانِ * فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ * فَإِذَا انشَقَّتِ السَّمَاءُ فَكَانَتْ وَرْدَةً كَالدِّهَانِ * فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ * فَيَوْمَئِذٍ لَّا يُسْأَلُ عَن ذَنبِهِ إِنسٌ وَلَا جَانٌّ * فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ * يُعْرَفُ الْمُجْرِمُونَ بِسِيمَاهُمْ فَيُؤْخَذُ بِالنَّوَاصِي وَالْأَقْدَامِ * فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ * هَٰذِهِ جَهَنَّمُ الَّتِي يُكَذِّبُ بِهَا الْمُجْرِمُونَ * يَطُوفُونَ بَيْنَهَا وَبَيْنَ حَمِيمٍ آنٍ * فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ * وَلِمَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِ جَنَّتَانِ * فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ * ذَوَاتَا أَفْنَانٍ * فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ * فِيهِمَا عَيْنَانِ تَجْرِيَانِ * فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ * فِيهِمَا مِن كُلِّ فَاكِهَةٍ زَوْجَانِ * فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ * مُتَّكِئِينَ عَلَىٰ فُرُشٍ بَطَائِنُهَا مِنْ إِسْتَبْرَقٍ ۚ وَجَنَى الْجَنَّتَيْنِ دَانٍ * فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ * فِيهِنَّ قَاصِرَاتُ الطَّرْفِ لَمْ يَطْمِثْهُنَّ إِنسٌ قَبْلَهُمْ وَلَا جَانٌّ * فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ * كَأَنَّهُنَّ الْيَاقُوتُ وَالْمَرْجَانُ﴾


(ج) من سورة الواقعة: من «وَلَقَدْ عَلِمْتُمُ النَّشْأَةَ الْأُولَىٰ» إلى «وَأَنتُمْ حِينَئِذٍ تَنظُرُونَ» (الآيات: ٦٢-٨٤)

﴿وَلَقَدْ عَلِمْتُمُ النَّشْأَةَ الْأُولَىٰ فَلَوْلَا تَذَكَّرُونَ * أَفَرَأَيْتُم مَّا تَحْرُثُونَ * أَأَنتُمْ تَزْرَعُونَهُ أَمْ نَحْنُ الزَّارِعُونَ * لَوْ نَشَاءُ لَجَعَلْنَاهُ حُطَامًا فَظَلْتُمْ تَفَكَّهُونَ * إِنَّا لَمُغْرَمُونَ * بَلْ نَحْنُ مَحْرُومُونَ * أَفَرَأَيْتُمُ الْمَاءَ الَّذِي تَشْرَبُونَ * أَأَنتُمْ أَنزَلْتُمُوهُ مِنَ الْمُزْنِ أَمْ نَحْنُ الْمُنزِلُونَ * لَوْ نَشَاءُ جَعَلْنَاهُ أُجَاجًا فَلَوْلَا تَشْكُرُونَ * أَفَرَأَيْتُمُ النَّارَ الَّتِي تُورُونَ * أَأَنتُمْ أَنشَأْتُمْ شَجَرَتَهَا أَمْ نَحْنُ الْمُنشِئُونَ * نَحْنُ جَعَلْنَاهَا تَذْكِرَةً وَمَتَاعًا لِّلْمُقْوِينَ * فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِيمِ * فَلَا أُقْسِمُ بِمَوَاقِعِ النُّجُومِ * وَإِنَّهُ لَقَسَمٌ لَّوْ تَعْلَمُونَ عَظِيمٌ * إِنَّهُ لَقُرْآنٌ كَرِيمٌ * فِي كِتَابٍ مَّكْنُونٍ * لَّا يَمَسُّهُ إِلَّا الْمُطَهَّرُونَ * تَنزِيلٌ مِّن رَّبِّ الْعَالَمِينَ * أَفَبِهَٰذَا الْحَدِيثِ أَنتُم مُّدْهِنُونَ * وَتَجْعَلُونَ رِزْقَكُمْ أَنَّكُمْ تُكَذِّبُونَ * فَلَوْلَا إِذَا بَلَغَتِ الْحُلْقُومَ * وَأَنتُمْ حِينَئِذٍ تَنظُرُونَ﴾


٤- أَجِبْ عَنِ اثْنَيْنِ مِنَ التَّالِيَةِ بِالعَرَبِيَّةِ :- (الدرجات: ٨ × ٢ = ١٦)

[৪. নিম্নের যে কোনো দুটি প্রশ্নের আরবিতে উত্তর দাও:]

(أ) عَرِّفِ الظِّهَارَ، وَاكْتُبْ أَحْكَامَ العَوْدَةِ مِنْهُ فِي ضَوْءِ سُورَةِ المُجَادَلَةِ-

  • تعريف الظهار: الظهار لغةً مأخوذ من الظهر. وشرعاً: هو أن يشبّه الرجل زوجته (أو جزءاً شائعاً منها) بامرأة محرمة عليه تحريماً مؤبداً، كأمه أو أخته، كأن يقول لها: «أنتِ عليّ كظهر أمي». وكان هذا طلاقاً بائناً في الجاهلية، فجاء الإسلام وحرّمه وجعله منكراً من القول وزوراً وأوجب فيه الكفارة.
  • أحكام العودة والكفارة في ضوء سورة المجادلة: بيّن الله تعالى في سورة المجادلة أن من تظاهر من زوجته ثم أراد الرجوع إليها واستباحة وطئها، وجبت عليه كفارة مرتبة على النحو الآتي:
    1. عتق رقبة مؤمنة: قبل أن يمسها: ﴿فَتَحْرِيرُ رَقَبَةٍ مِّن قَبْلِ أَن يَتَمَاسَّا﴾.
    2. صيام شهرين متتابعين: لمن لم يجد الرقبة أو ثمنها: ﴿فَمَن لَّمْ يَجِدْ فَصِيَامُ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ مِن قَبْلِ أَن يَتَمَاسَّا﴾.
    3. إطعام ستين مسكيناً: لمن لم يستطع الصيام لعذر ككبر سن أو مرض: ﴿فَمَن لَّمْ يَسْتَطِعْ فَإِطْعَامُ سِتِّينَ مِسْكِينًا﴾ لكل مسكين نصف صاع من قمح أو صاع من تمر. ويحرم عليه مسيس زوجته حتى يفرغ من الكفارة بالترتيب الشرعي.

(ب) اُكْتُبْ خُلاَصَةَ سُورَةِ الصَّفِّ-

  • موضوعات سورة الصف:
    1. تسبيح الله وتنـزيهه: بدأت السورة بإعلان أن جميع ما في السماوات والأرض يسبح لله العزيز الحكيم.
    2. التحذير من مخالفة القول للعمل: عتاب المؤمنين الذين يقولون ما لا يفعلون: ﴿كَبُرَ مَقْتًا عِندَ اللَّهِ أَن تَقُولُوا مَا لَا تَفْعَلُونَ﴾.
    3. محبة الله للصفوف المتراصة في الجهاد: بيان أن الله يحب المؤمنين الذين يقاتلون في سبيله كأنهم بنيان مرصوص ثابت ومترابط.
    4. مواقف الأمم السابقة: تذكير بموقف بني إسرائيل من موسى عليه السلام وتكذيبهم لعيسى عليه السلام مع تبشيره بنبي يأتي من بعده اسمه «أحمد».
    5. التجارة الرابحة: دعوة المؤمنين إلى أعظم تجارة تنجي من العذاب الأليم: الإيمان بالله ورسوله والجهاد بالمال والنفس لنيل المغفرة وجنات عدن والنصر القريب.
    6. نصرة دين الله: الحث على الاقتداء بالحواريين في نصرة دين الله وإعلاء كلمته.

(ج) تَحَدَّثْ عَنِ الآدَابِ الاجْتِمَاعِيَّةِ الَّتِي وَرَدَ ذِكْرُهَا فِي سُورَةِ الحُجُرَاتِ-

  • تُسمى سورة الحجرات بـ «سورة الأخلاق والآداب»، وتضمنت منظومة اجتماعية وأخلاقية شاملة:
    1. التثبت من الأخبار: عدم تصديق الشائعات أو أقوال الفاسقين دون بينة: ﴿إِن جَاءَكُمْ فَاسِقٌ بِنَبَإٍ فَتَبَيَّنُوا﴾.
    2. الإصلاح بين المتخاصمين: وجوب سعي المجتمع لإنهاء الشقاق بين المسلمين بالعدل والقسط.
    3. تحريم السخرية والاستهزاء: نهي الرجال والنساء عن السخرية من الآخرين لأن ميزان التفاضل عند الله باطن.
    4. تحريم اللمز والتنابز بالألقاب: صيانة كرامة الإنسان وعدم ندائه بما يكره من الأسماء السيئة.
    5. اجتناب سوء الظن: منع التهم المبنية على الأوهام دون دليل.
    6. تحريم التجسس والغيبة: صيانة الحرمات الشخصية وتشبيه المغتاب بأنه يأكل لحم أخيه ميتاً.
    7. المساواة الإنسانية ونبذ العنصرية: تقرير أن معيار التفاضل الوحيد هو التقوى: ﴿إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِندَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ﴾.

(د) اُكْتُبْ سَبَبَ نُزُولِ أَوَائِلِ آيَاتِ سُورَةِ المُمْتَحَنَةِ-

  • سبب النزول: نزلت الآيات الأولى من سورة الممتحنة في الصحابي الجليل حاطب بن أبي بلتعة رضي الله عنه. وذلك عندما عزم النبي ﷺ على فتح مكة وسأل الله أن يعمي الأخبار عن قريش، كتب حاطب كتاباً إلى مشركي قريش يخبرهم بمسير النبي ﷺ إليهم، وأعطاه لامرأة لتسلمه إليهم مقابل جعل مالي، بدافع الخوف على أهله وأمواله المستضعفين في مكة إذ لم يكن له بها عشيرة تحميهم.
  • كشف الأمر وموقف النبي ﷺ: أطلع الله تعالى نبيه ﷺ بالوحي على أمر الكتاب، فأرسل علياً والمقداد والزبير رضي الله عنهم، فأدركوا المرأة في «روضة خاخ» واستخرجوا الكتاب من شعر رأسها. وحين واجه النبي ﷺ حاطباً قال: «ما حملك على هذا يا حاطب؟» فقال: والله ما فعلت ذلك كفراً ولا ارتداداً، وإنما خشيت على أهلي. فقال النبي ﷺ: «صدقكم»، وعفا عنه لشهوده بدراً، وأنزل الله: ﴿يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا عَدُوِّي وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاءَ﴾ تأديباً وتحذيراً لجميع الأمة.

٥- أَجِبْ عَنِ الأَسْئِلَةِ التَّالِيَةِ بِالعَرَبِيَّةِ :- (الدرجات: ٤ × ٤ = ١٦)

[৫. নিম্নের ব্যাকরণ ও তাফসীরভিত্তিক প্রশ্নসমূহের আরবিতে উত্তর দাও:]

(أ) مَعْنَى المُفْرَدَاتِ:

الكلمة معناها باللغة العربية বাংলা অর্থ
الذَّارِيَات الرياح التي تذرو التراب وتفرقه هبوباً বিক্ষিপ্তকারী বাতাসসমূহ
تُوَسْوِسُ تحدث وتلقي في النفس حديثاً خفياً من الخواطر কুপ্ররোচনা দেওয়া / অন্তরে উদ্রেক করা
عَتِيد حاضر مهيأ لا يغيب، وهو الملك الموكل بكتابة السيئات والحسنات সদা উপস্থিত ও প্রস্তুত পর্যবেক্ষক
نَقَّبُوا ساروا وطافوا وبحثوا في البلاد مهرباً من عذاب الله দেশ-দেশান্তরে বিচরণ ও অনুসন্ধান করেছিল
مَحِيص مهرب وملجأ ومفر ينجي من عذاب الله تعالى পলায়ন করার কোনো আশ্রয়স্থল বা স্থান

(ب) التَّحْلِيلُ الصَّرْفِيُّ وَالنَّحْوِيُّ لِلْكَلِمَاتِ:

الكلمة الصيغة والوزن الأصل والاشتقاق الإعراب والمعنى
مَسْطُور اسم مفعول، على وزن «مَفْعُول» من مصدر السطر، مادته (س-ط-ر)، ثلاثي مجرد مكتوب ومنظم في سطور (যেমন: في رق منشور)
أَكْمَام جمع تكسير (جمع قلة)، وزنه «أَفْعَال» مفرده: كِمّ أو كُمّ، مادته (ك-م-م) أغطية الثمار وأوعية الطلع (যেমন: والنخل ذات الأكمام)
العَصْف مصدر أو اسم جنس، وزنه «فَعْل» مادته (ع-ص-ف) أوراق الزرع وقشره الجاف بعد الحصاد والتبن (যেমন: والحب ذو العصف)
عَبْقَرِيّ اسم منسوب، وزنه «فَعْلَلِيّ» منسوب إلى عبقر (مكان باليمن يُنسب إليه كل فائق وحسن) الفرش والبسط الثمينة والفاخرة (যেমন: وعبقري حسان)
حِسَان جمع صفة مشبهة، وزنه «فِعَال» مفرده: حسنة أو حسناء، مادته (ح-س-ن) ذوات الحسن والجمال الباهر من الحور العين

(ج) المَوْضُوعَاتُ الَّتِي تُعَالِجُهَا سُورَةُ ق:

  • سورة «ق» سورة مكية نزلت لترسيخ العقيدة الإسلامية، وأبرز موضوعاتها:
    1. إثبات البعث والنشور: تفنيد مزاعم المشركين الذين استبعدوا إحياء العظام النخرة بعد الموت، والاستدلال بقدرة الله في خلق السماوات والأرض وإنزال الماء وإحياء الأرض الميتة.
    2. التذكير بمصائر الأمم المكذبة: كقوم نوح وأصحاب الرس وثمود وعاد وفرعون وقوم لوط، لبيان أن سنة الله نافذة في الظالمين.
    3. بيان علم الله المحيط بالإنسان: فهو أقرب إلى الإنسان من حبل الوريد، وملائكته تحصي كل لفظ يلفظه ﴿مَّا يَلْفِظُ مِن قَوْلٍ إِلَّا لَدَيْهِ رَقِيبٌ عَتِيدٌ﴾.
    4. تصوير سكرات الموت ومشاهد القيامة: الحشر وحوار جهنم حين يقال لها: هل امتلأتِ وتقول هل من مزيد، وتقريب الجنة للمتقين.

(د) تَفْسِيرُ قَوْلِهِ تَعَالَى: ﴿وَمَا يَنطِقُ عَنِ الْهَوَىٰ * إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْيٌ يُوحَىٰ﴾ (سورة النجم: ٣-٤):

  • التفسير الإجمالي: يُقسم الله تعالى في مطلع سورة النجم على براءة النبي ﷺ وصدقه، مؤكداً أن ما ينطق به النبي ﷺ من القرآن الكريم وسنته الشريفة ليس نابعاً عن رغبة شخصية أو هوى نفسي أو افتراء من عند نفسه؛ بل هو وحي إلهي خالص يوحيه الله سبحانه إليه بواسطة جبريل عليه السلام.
  • دلالة الآية على حجية السنة النبوية: تدل الآية دلالة قاطعة على عصمة النبي ﷺ في التبليغ الديني، وأن أقواله وسنته وحي من الله تعالى؛ ولذلك قال عبد الله بن عمرو رضي الله عنهما: كنت أكتب كل شيء أسمعه من رسول الله ﷺ، فقالت قريش: تكتب ورسول الله بشر يتكلم في الغضب والرضا؟ فأمسكت، فذكرت ذلك للنبي ﷺ فقال: «اكتب، فوالذي نفسي بيده ما يخرج منه إلا حق» وأشار إلى فمه الشريف.

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. দিরাসাতুন মিনাল কুরআনিল কারীম-২ কোর্সের মূল বিষয়বস্তু কী?

এই কোর্সে পবিত্র কুরআনের নির্দিষ্ট কিছু সূরার (যেমন: সূরা আল-হুজুরাত, আল-মুমতাহিনাহ, আত-তাহরীম, আল-মুজাদালাহ, ক্বাফ ও আর-রহমান) গভীর তাফসীর, শানে নুযূল, ব্যাকরণগত তাহলীল ও সামগ্রিক বিধান আলোচনা করা হয়।

২. সূরা আল-হুজুরাতকে কেন ‘আখলাকের সূরা’ বলা হয়?

কারণ এই সূরায় সামাজিক পারস্পরিক শিষ্টাচার, পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব, উপহাস ও গীবত নিষিদ্ধকরণ, তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং সাম্যের পূর্ণাঙ্গ ইসলামী রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।

৩. ইসলামে যিহারের (الظهار) শরয়ী বিধান কী?

যিহার হলো স্ত্রীকে নিজের মা বা বোনের মতো হারাম ঘোষণা করা। ইসলামে এটি একটি পাপ ও অন্যায় ঘোষণা করা হয়েছে এবং এর প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে সুনির্দিষ্ট ধারাবাহিক কাফফারা (গোলাম আযাদ, ৬০ দিন রোজা বা ৬০ জন মিসকীনকে খাবার) ফরয করা হয়েছে।

৪. সূরা আল-মুমতাহিনাহর প্রাথমিক আয়াতসমূহ কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে নাযিল হয়?

মক্কা বিজয়ের প্রাক্কালে সাহাবী হযরত হাতেব ইবনে আবি বালতা’আ (রা.) কর্তৃক মক্কায় নিজের দুর্বল স্বজনদের নিরাপত্তার আশঙ্কায় কুরাইশদের নিকট গোপন বার্তা পাঠানোর ঘটনায় এই সতর্কতামূলক আয়াতসমূহ নাযিল হয়।

৫. ‘ইন্না আকরামাকুম ইনদাল্লাহি আতক্বাকুম’-এর মূল মর্মার্থ কী?

এর মূল শিক্ষা হলো মহান আল্লাহর দরবারে বংশ, বর্ণ, জাতীয়তা বা সম্পদের কোনো প্রাধান্য নেই; একমাত্র তাক্বওয়া বা খোদাভীতিই হলো মানুষের মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বের একমাত্র মাপকাঠি।

৬. সুন্নাহ কি কুরআনের ন্যায় ওহীর মর্যাদা রাখে?

হ্যাঁ, সূরা আন-নাজমের ৩-৪ নম্বর আয়াত «وَمَا يَنطِقُ عَنِ الْهَوَىٰ إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْيٌ يُوحَىٰ» দ্বারা প্রমাণিত যে, রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর পবিত্র সুন্নাহও আল্লাহর পক্ষ থেকে ‘ওহীয়ে গাইরে মাতলু’ হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছে।

টেলিটক ছবি ও স্বাক্ষর রিসাইজার (৩০০×৩০০ ও ৩০০×৮০)
সরকারি চাকরি ও ভর্তির অনলাইন আবেদনের জন্য ছবি ও সইয়ের মাপ ঠিক রাখুন ১০০% নির্ভুলভাবে।
ছবি ও সই রিসাইজ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *