ফাজিল (স্নাতক) সম্মান ২য় বর্ষ পরীক্ষা 2021
বিভাগ: আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ
বিষয়: কাওয়াইদুল লুগাতিল আরাবিয়্যাহ (قواعد اللغة العربية)
বিষয় কোড: 201203 | পূর্ণমান: ৮০ | সময়: ৪ ঘণ্টা
[দ্রষ্টব্য: বাম পাশে উল্লিখিত সংখ্যা প্রশ্নের পূর্ণমান জ্ঞাপক।]
القسم الأول: علم النحو (নাহু অংশ) – পূর্ণমান: ৩০
١- أجب عن ثلاثة من الأسئلة التالية:
[১. নিম্নবর্ণিত প্রশ্নগুলো থেকে যে কোনো তিনটির উত্তর দাও:]
(الف) عرّف علم النحو ثم تحدث عن تاريخ نشأته-
[(ক) علم النحو এর সংজ্ঞা দাও এবং এর উৎপত্তির ইতিহাস আলোচনা কর।]
১. ইলমুন নাহুর পরিচয়:
- আভিধানিক অর্থ: ‘নাহু’ (النحو) শব্দের অর্থ পথ, দিক, দৃষ্টান্ত, পরিমাণ বা উদ্দেশ্য।
- পারিভাষিক সংজ্ঞা: ইলমুন নাহু হলো এমন একটি বিজ্ঞান, যার মাধ্যমে আরবি বাক্যের শব্দসমূহের পারস্পরিক সংযোগ, বাক্যের গঠনশৈলী এবং শব্দের শেষ অক্ষরের অবস্থা (ই’রাব বা হরকত পরিবর্তন) নির্ভুলভাবে জানা যায়।
২. ইলমুন নাহুর উৎপত্তির ইতিহাস:
ইসলামের প্রাথমিক যুগে অনারব অঞ্চল বিজিত হওয়ার পর অনারবদের সাথে আরবদের মেলামেশা বৃদ্ধি পায়। ফলে আরবি ভাষাভাষীদের মুখেও ব্যাকরণিক অশুদ্ধতা বা ‘লাহন’ (اللحن) প্রবেশ করতে শুরু করে। এ অবস্থায় কুরআন ও হাদিসের বিশুদ্ধ পাঠ ও অর্থ বিকৃতির আশঙ্কা তৈরি হয়।
হযরত আলী (রা.)-এর খেলাফতকালে তিনি জনৈক ব্যক্তিকে ব্যাকরণ ভুল করে তিলাওয়াত করতে শোনেন। তিনি অত্যন্ত ব্যথিত হয়ে প্রখ্যাত ভাষাবিদ হযরত আবুল আসওয়াদ আদ-দুয়ালী (রহ.)-কে ডেকে আরবি ভাষার মূল ভিত্তি—ইসম (বিশেষ্য), ফে’ল (ক্রিয়া) ও হরফ (অব্যয়)—এর মূলনীতি লিখে দেন এবং নির্দেশ দেন: «انْحُ هَذَا النَّحْوَ» (তুমি এই পদ্ধতিতে অগ্রসর হও)। হযরত আলীর এই নির্দেশনা থেকেই এ শাস্ত্রের নাম হয় ‘ইলমুন নাহু’। পরবর্তীতে বসরার খলীল ইবনে আহমাদ, সীবাওয়াইহ এবং কূফার আল-কিসাঈ ও আল-ফাররা প্রমুখ ভাষাবিদদের গবেষণায় এ শাস্ত্র পূর্ণাঙ্গ রূপ লাভ করে।
(ب) عرّف الفعل ثم بيّن أقسامه من حيث الزمن والتعدي واللزوم والجمود والتصرف ممثلاً-
[(খ) الفعل এর সংজ্ঞা দাও এবং কাল, সকর্মক-অকর্মক ও রূপান্তরশীলতার ভিত্তিতে এর প্রকারভেদ উদাহরণসহ বর্ণনা কর।]
১. ফে’ল (الفعل)-এর সংজ্ঞা: ফে’ল এমন একটি শব্দ, যা নিজস্ব অর্থ স্বয়ং প্রকাশ করতে পারে এবং তার অর্থের সাথে তিন কালের (অতীত, বর্তমান বা ভবিষ্যৎ) কোনো একটি কাল অপরিহার্যভাবে জড়িত থাকে। যেমন: كَتَبَ (সে লিখেছে), يَكْتُبُ (সে লিখছে বা লিখবে)।
২. বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ফে’লের প্রকারভেদ:
- যামানা বা কালের দিক থেকে:
- ফে’লে মাযী (الماضي): অতীতকালের ক্রিয়া, যেমন: نَصَرَ (সে সাহায্য করল)।
- ফে’লে মুযারে’ (المضارع): বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কালের ক্রিয়া, যেমন: يَنْصُرُ (সে সাহায্য করছে/করবে)।
- ফে’লে আমর (الأمر): আদেশসূচক ক্রিয়া, যেমন: اُنْصُرْ (তুমি সাহায্য কর)।
- তা’আদ্দী ও লুযূমের দিক থেকে (কর্মের প্রয়োজনীয়তা):
- মুতা’আদ্দী (المتعدي – সকর্মক): যে ক্রিয়ার অর্থ স্পষ্ট করতে কর্ম (মাফ’উল) প্রয়োজন হয়, যেমন: قَرَأَ زَيْدٌ الْكِتَابَ (যায়েদ কিতাবটি পড়ল)।
- লাযিম (اللازم – অকর্মক): যে ক্রিয়া কর্ম ব্যতীত কেবল কর্তাকে নিয়েই সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে, যেমন: جَلَسَ خَالِدٌ (খালেদ বসল)।
- জুমূদ ও তাছাররুফের দিক থেকে (রূপান্তরশীলতা):
- জামিদ্ (الجامد – অপরিবর্তনশীল): যে ক্রিয়ার অন্য কোনো কালের রূপান্তর হয় না, যেমন: لَيْسَ (নয়), عَسَى (হতে পারে), نِعْمَ (উত্তম), بِئْسَ (নিকৃষ্ট)।
- মুতাছাররিফ (المتصرف – পরিবর্তনশীল): যার অতীত, বর্তমান ও আদেশ সব রূপ গঠিত হয়, যেমন: عَلِمَ – يَعْلَمُ – اِعْلَمْ।
(ج) اذكر أقسام الجملة وموقعها الإعرابي مفصلاً وممثلاً-
[(গ) الجملة এর প্রকারভেদ এবং এর ব্যাকরণিক অবস্থান উদাহরণসহ বিস্তারিত আলোচনা কর।]
১. জুমলার মূল প্রকারভেদ:
- জুমলায়ে ইসমিয়্যাহ (الجملة الاسمية): যে বাক্য ইসম (বিশেষ্য) দিয়ে শুরু হয়। এর মূল দুটি অংশ: মুবতাদা (مبتدأ) ও খবর (خبر)। যেমন: «الْعِلْمُ نُورٌ» (জ্ঞান আলো)।
- জুমলায়ে ফে’লিয়্যাহ (الجملة الفعلية): যে বাক্য ফে’ল (ক্রিয়া) দিয়ে শুরু হয়। এর মূল অংশ: ফে’ল (فعل), ফায়েল (فاعل) এবং মাফ’উল (مفعول)। যেমন: «كَتَبَ التِّلْمِيذُ الدَّرْسَ» (ছাত্রটি পাঠ লিখেছে)।
২. ই’রাবের দৃষ্টিকোণ থেকে জুমলার প্রকার:
- যে বাক্যের ই’রাবের মহল বা স্থান আছে (৭টি): খবরের স্থানে আগত বাক্য (যেমন: زَيْدٌ أَبُوهُ قَائِمٌ), হালে আগত বাক্য, মাফ’উলের স্থানে আগত বাক্য, মুযাফ ইলাইহ-এর বাক্য ইত্যাদি।
- যে বাক্যের ই’রাবের কোনো স্থান নেই (৭টি): প্রারম্ভিক বাক্য (الجملة الابتدائية), সিলাহ্ বা সম্বন্ধযুক্ত বাক্য (صلة الموصول), শপথের জবাব (جواب القسم), শর্তের অপ্রাসঙ্গিক জবাব ইত্যাদি।
(د) تحدث عن مرفوعات الأسماء مفصلاً وممثلاً-
[(ঘ) مرفوعات الأسماء সম্পর্কে উদাহরণসহ বিস্তারিত আলোচনা কর।]
মারফূ’আত আল-আসমা (المرفوعات): যে সমস্ত ইসম রফ’ (পেশ) গ্রহণ করে। নাহুবিদদের সর্বসম্মত মতে মারফূ’আত প্রধানত ৮ প্রকার:
- ফায়েল (الفاعل – কর্তা): যার দ্বারা কোনো ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, যেমন: قَامَ زَيْدٌ।
- নায়েবে ফায়েল (نائب الفاعل – কর্মবাচ্যের কর্তা): মাফ’উল যখন ফায়েলের স্থলাভিষিক্ত হয়, যেমন: ضُرِبَ عَمْرٌو।
- মুবতাদা (المبتدأ – উদ্দেশ্য): জুমলায়ে ইসমিয়্যার প্রারম্ভিক মারফূ’ ইসম, যেমন: اللَّهُ رَبُّنَا।
- খবর (الخبر – বিধেয়): মুবতাদা সম্পর্কে যা বলা হয়, যেমন: مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ।
- কানা ও তার সমগোত্রীয় ক্রিয়ার ইসম (اسم كان وأخواتها): যেমন: كَانَ اللَّهُ عَلِيمًا।
- ইন্না ও তার সমগোত্রীয় হরফের খবর (خبر إنّ وأخواتها): যেমন: إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ।
- লাইসা-এর সাদৃশ্যপূর্ণ ‘মা’ ও ‘লা’-এর ইসম (اسم ما ولا المشبهتين بليس): যেমন: مَا هَذَا بَشَرًا।
- নাফীয়ে জিনসের ‘লা’-এর খবর (خبر لا لنفي الجنس): যেমন: لَا رَجُلَ فِي الدَّارِ حَاضِرٌ।
(هـ) ما النعت وكم قسمًا له؟ ما الأشياء التي يجب فيها التطابق بين النعت والمنعوت؟ بيّن مفصلاً وممثلاً-
[(ঙ) النعت কী এবং তা কত প্রকার? নাত ও মানউতের মধ্যে কোন কোন বিষয়ে মিল থাকা আবশ্যক? উদাহরণসহ আলোচনা কর।]
১. নাত (النعت – বিশেষণ)-এর সংজ্ঞা: নাত হলো এমন এক তাবে’ (অনুসারী পদ), যা তার পূর্ববর্তী পদের (মান’উত বা মাওসূফ) কোনো গুণ, বৈশিষ্ট্য বা দোষ প্রকাশ করে। যেমন: جَاءَ رَجُلٌ عَالِمٌ (একজন জ্ঞানী ব্যক্তি এলেন)।
২. নাতের প্রকারভেদ: নাত দুই প্রকার—
- না’তে হাক্বীক্বী (النعت الحقيقي): যা সরাসরি মাওসূফের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে, যেমন: قَرَأْتُ كِتَابًا مُفِيدًا।
- না’তে সাবাবী (النعت السببي): যা মাওসূফের সাথে সম্পৃক্ত অন্য কোনো বিষয়ের গুণ বর্ণনা করে, যেমন: جَاءَ الرَّجُلُ الْعَالِمُ أَبُوهُ (সেই ব্যক্তি এলো যার পিতা জ্ঞানী)।
৩. নাত ও মানউতের মধ্যে মিলের ক্ষেত্রসমূহ (১০টির মধ্যে ৪টিতে মিল আবশ্যক):
- ই’রাবের ক্ষেত্রে: রফ’, নসব ও জর-এর যে কোনো একটি।
- নির্দিষ্টতা ও অনির্দিষ্টতার ক্ষেত্রে: মারেফা অথবা নাকেরা।
- বচনের ক্ষেত্রে: ওয়াহেদ, তাছনিয়া অথবা জমা।
- লিঙ্গের ক্ষেত্রে: মুযাক্কার অথবা মুয়ান্নাস।
উদাহরণ: «رَأَيْتُ الطَّالِبَيْنِ الْمُجْتَهِدَيْنِ» — এখানে নাত ও মানউত উভয়েই মুসান্না (দ্বিবচন), মুযাক্কার (পুংলিঙ্গ), মারেফা (নির্দিষ্ট) এবং মানসূব (নসবপ্রাপ্ত)।
القسم الثاني: علم الصرف (সরফ অংশ) – পূর্ণমান: ২০
٢- أجب عن اثنين من الأسئلة التالية:
[২. নিম্নবর্ণিত প্রশ্নগুলো থেকে যে কোনো দুটির উত্তর দাও:]
(الف) عرّف علم الصرف ثم بيّن موضوعه وغرضه موضحًا-
[(ক) علم الصرف এর সংজ্ঞা দাও এবং এর আলোচ্য বিষয় ও উদ্দেশ্য স্পষ্ট কর।]
১. ইলমুস সরফের পরিচয়:
আভিধানিক অর্থ রূপান্তর করা বা ঘুরিয়ে দেওয়া। পারিভাষিক সংজ্ঞায়, যে শাস্ত্রের মাধ্যমে এক শব্দমূল (মাসদার) থেকে বিভিন্ন অর্থ প্রকাশের জন্য বিভিন্ন প্রকার শব্দের রূপান্তর ও গঠনপদ্ধতি জানা যায়, তাকে ইলমুস সরফ বলে।
২. আলোচ্য বিষয় (الموضوع): আরবি পরিবর্তনশীল শব্দসমূহ (الأسماء المعربة والأفعال المتصرفة)। অপরিবর্তনশীল শব্দ (মাবনী) এবং হরফ এর আলোচ্য বিষয় নয়।
৩. উদ্দেশ্য (الغرض): আরবি শব্দ গঠনে এবং উচ্চারণে ভুলত্রুটি থেকে জিহ্বাকে রক্ষা করা এবং কাঙ্ক্ষিত অর্থ প্রকাশের জন্য সঠিক শব্দ চয়ন করা।
(ب) عرّف الفعل الثلاثي والرباعي ثم اذكر أوزان الثلاثي المزيد فيه والرباعي المجرد والمزيد فيه-
[(খ) সুলাসী ও রূবাঈ ক্রিয়ার সংজ্ঞা দাও এবং সুলাসী মাযীদ ফীহ ও রূবাঈ মুজাররাদ ও মাযীদের ওযনসমূহ উল্লেখ কর।]
- সুলাসী (الثلاثي): যে ক্রিয়ার মূল বর্ণ (মাদ্দাহ) তিনটি, যেমন: ضَرَبَ।
- রূবাঈ (الرباعي): যে ক্রিয়ার মূল বর্ণ চারটি, যেমন: دَحْرَجَ।
- সুলাসী মাযীদ ফীহ-এর প্রসিদ্ধ বাবাসমূহ:
- বাব এফ’আল: أَفْعَلَ يُفْعِلُ إِفْعَالًا (أَكْرَمَ)
- বাব তাফ’ঈল: فَعَّلَ يُفَعِّلُ تَفْعِيلًا (عَلَّمَ)
- বাব মুফা’আলাহ: فَاعَلَ يُفَاعِلُ مُفَاعَلَةً (جَاهَدَ)
- বাব তাফা’উল: تَفَعَّلَ يَتَفَعَّلُ تَفَعُّلًا (تَعَلَّمَ)
- বাব তাফা’উল: تَفَاعَلَ يَتَفَاعَلُ تَفَاعُلًا (تَقَابَلَ)
- বাব ইফতি’আল: اِفْتَعَلَ يَفْتَعِلُ اِفْتِعَالًا (اِجْتَمَعَ)
- বাব ইনফি’আল: اِنْفَعَلَ يَنْفَعِلُ اِنْفِعَالًا (اِنْكَسَرَ)
- বাব ইসতিফ’আল: اِسْتَفْعَلَ يَسْتَفْعِلُ اِسْتِفْعَالًا (اِسْتَغْفَرَ)
- রূবাঈ মুজাররাদ: এর মাত্র একটি বাব রয়েছে—فَعْلَلَ يُفَعْلِلُ فَعْلَلَةً (যেমন: دَحْرَجَ يُدَحْرِجُ دَحْرَجَةً)।
- রূবাঈ মাযীদ ফীহ: تَفَعْلَلَ (تَدَحْرَجَ), اِفْعَنْلَلَ (اِحْرَنْجَمَ), اِفْعَلَلَّ (اِقْشَعَرَّ)।
(ج) ما المشتقات؟ بيّن أنواعها موضحًا-
[(গ) المشتقات কী? এর প্রকারসমূহ উদাহরণসহ বর্ণনা কর।]
মুশতাক্বাত (المشتقات)-এর পরিচয়:
যে সকল বিশেষ্য শব্দ মূলধাতু (মাসদার) থেকে নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট অর্থ ও গঠনে রূপান্তরিত হয়ে গঠিত হয়, তাদের আসমায়ে মুশতাক্বাহ্ বলে। প্রধান মুশতাক্বাতসমূহ নিম্নরূপ:
- ইসমু ফায়েল (اسم الفاعل – কর্তৃবাচক বিশেষ্য): যেমন: نَاصِرٌ (সাহায্যকারী)।
- ইসমু মাফ’উল (اسم المفعول – কর্মবাচক বিশেষ্য): যেমন: مَنْصُورٌ (সাহায্যপ্রাপ্ত)।
- সিফাতে মুশাব্বাহাহ্ (الصفة المشبهة – চিরস্থায়ী গুণবাচক বিশেষ্য): যেমন: حَسَنٌ (সুন্দর), كَرِيمٌ (মহানুভব)।
- ইসমু তাফযীল (اسم التفضيل – আতিশয্যবাচক বিশেষ্য): যেমন: أَكْبَرُ (অধিকতর বড়), أَعْلَمُ (সর্বজ্ঞানী)।
- ইসমু যরফ (اسم الظرف – স্থান বা কালবাচক বিশেষ্য): যেমন: مَسْجِدٌ (সিজদার স্থান), مَطْبَخٌ (রান্নার স্থান)।
- ইসমু আ-লাহ (اسم الآلة – যন্ত্র বা হাতিয়ারবাচক বিশেষ্য): যেমন: مِفْتَاحٌ (চাবি), قَلَمٌ (কলম)।
(د) عرّف همزة الوصل وهمزة القطع ثم اكتب مواضع استخدامهما ممثلاً-
[(ঘ) হামযাতুল ওছল ও হামযাতুল ক্বাত্ব’ এর সংজ্ঞা দাও এবং এদের ব্যবহারের স্থানগুলো উদাহরণসহ লেখ।]
- হামযাতুল ওছল (همزة الوصل): যে হামযা শব্দের শুরুতে উচ্চারিত হয় কিন্তু পূর্ববর্তী শব্দের সাথে মিলিয়ে পড়ার সময় বিলুপ্ত হয়ে যায়। এর নিদর্শন আলিফের উপর সাদের মাথা। স্থানসমূহ: আলিফ-লাম (ال), ইসতিফ’আল ও ইফতি’আল বাবের অতীত ও আমর (اِسْتَغْفَرَ، اِجْتَمَعَ), সুলাসী মুজাররাদের আমরের হামযা (اُنْصُرْ) এবং দশটি বিশেষ ইসম (اِسْمٌ، اِبْنٌ، اِمْرُؤٌ ইত্যাদি)।
- হামযাতুল ক্বাত্ব’ (همزة القطع): যে হামযা শব্দের শুরুতে বা মাঝে সর্বদা স্পষ্টভাবে উচ্চারিত হয়, পূর্ববর্তী শব্দের সাথে মিলিয়ে পড়লেও বাদ পড়ে না। স্থানসমূহ: বাবে ইফ’আলের অতীত, আমর ও মাসদার (أَكْرَمَ، أَكْرِمْ، إِكْرَامًا), মুযারে’ মারূফের মুতাকাল্লিমের হামযা (أَكْتُبُ), এবং হুরুফের হামযা (إِنَّ، أَنَّ، إِلَى)।
القسم الثالث: الترجمة والتعبير والإنشاء (অনুবাদ ও রচনা অংশ) – পূর্ণমান: ৩০
٣- ترجم الفقرة التالية إلى العربية الفصحى:
নামাজ ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম একটি স্তম্ভ। নবুওয়াতের দশম বছর মে’রাজের রাতে মুসলমানদের উপর নামাজ ফরজ করা হয়। নামাজই আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের সর্বোত্তম উপায়। নামাজ মানুষকে অন্যায় ও অশ্লীল কাজ থেকে বিরত রাখে। নামাজ হচ্ছে ঈমান ও কুফরের মধ্যে অন্যতম পার্থক্য নিরূপণকারী।
[Prayer is one of the five pillars of Islam. In the tenth year of Prophethood, on the night of Mi’raj, prayer was made obligatory upon Muslims. Prayer is the best means to attain proximity to Allah. Prayer restrains a person from shameful and unjust deeds. Prayer is a distinct demarcating criterion between faith and disbelief.]
আরবি তরজমা (الترجمة إلى العربية الفصحى):
«الصَّلَاةُ رُكْنٌ مِنْ أَرْكَانِ الْإِسْلَامِ الْخَمْسَةِ. فُرِضَتِ الصَّلَاةُ عَلَى الْمُسْلِمِينَ فِي لَيْلَةِ الْمِعْرَاجِ فِي السَّنَةِ الْعَاشِرَةِ مِنَ النُّبُوَّةِ. وَالصَّلَاةُ هِيَ أَفْضَلُ وَسِيلَةٍ لِنَيْلِ الْقُرْبِ مِنَ اللَّهِ تَعَالَى. إِنَّ الصَّلَاةَ تَنْهَى الْإِنْسَانَ عَنِ الْفَحْشَاءِ وَالْمُنْكَرِ، وَهِيَ الْفَارِقُ الرَّئِيسِيُّ بَيْنَ الْإِيمَانِ وَالْكُفْرِ.»
٤- اكتب رسالة إلى والدك تصف له بيئة المدرسة التي تدرس فيها-
[৪. তোমার পিতার নিকট মাদরাসার পরিবেশ বর্ণনা করে একটি পত্র লেখ:]
بسم الله الرحمن الرحيم
التاريخ: ۲۰ سبتمبر ۲۰۲১ م
المكان: دكا، بنغلاديش
والدي العزيز المحترم،
السلام عليكم ورحمة الله وبركاته، أما بعد:
أرجو من الله العلي القدير أن تكونوا في تمام الصحة والعافية مع سائر أفراد العائلة. أكتب إليك هذه الرسالة لأطلعك على بيئة مدرستنا المباركة التي أدرس فيها في مرحلة الفاضل الشرف.
إن مدرستنا تتميز ببيئة تعليمية وتربوية رائعة للغاية. الفصول الدراسية واسعة ومضاءة ونظيفة، وتضم مكتبة إسلامية ضخمة تحتوي على أمهات كتب التفسير والحديث والفقه واللغة العربية. أساتذتنا الكرام علماء مخلصون وذوو كفاءة عالية، يحرصون كل الحرص على ترقيتنا العلمية وتزكية نفوسنا. كما تقام في المدرسة حلقات تلاوة القرآن الكريم وصلاة الجماعة في المسجد بانتظام تام، إلى جانب الأنشطة الثقافية والخطابية.
أنا هنا سعيد جدا ومطمئن، وأبذل قصارى جهدي في التحصيل العلمي لتحقيق أمنياتكم الغالية. أرجو منكم صالح الدعاء في ظهر الغيب.
والسلام عليكم ورحمة الله وبركاته.
ابنك المخلص المحب،
محمد عبد الله
طالب الفاضل الشرف، السنة الثانية
٥- اكتب مقالة عربية حول: الجامعة الإسلامية العربية، داكا-
[৫. ‘ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা’ সম্পর্কে একটি আরবি প্রবন্ধ লেখ:]
الجامعة الإسلامية العربية، داكا (نشأتها ورسالتها)
المقدمة:
تعتبر الجامعة الإسلامية العربية بدكا صرحًا علميًا شامخًا ومعلمًا بارزًا في مسيرة التعليم الإسلامي والعربي في بنغلاديش. تأسست هذه الجامعة بموجب قانون البرلمان البنغلاديشي عام ۲۰۱۳م، بهدف الإشراف على كليات الفاضل والكامل وترقية مستواها الأكاديمي والفكري لمواكبة العصر الحديث.
أهداف الجامعة ورسالتها:
تهدف الجامعة إلى تحقيق نقلة نوعية في التعليم الديني من خلال الجمع بين الأصالة والمعاصرة. ومن أهم أهدافها:
- تطوير مناهج مدارس الفاضل والكامل بما يخدم العلوم الشرعية واللغة العربية والعلوم الحديثة.
- إعداد جيل من العلماء والدعاة المؤهلين القادرين على تمثيل الإسلام الوسطي وخدمة المجتمع والوطن.
- نشر لغة القرآن الكريم وتعزيز البحث العلمي الأكاديمي في مجالات الدراسات الإسلامية ومقارنة الأديان وتاريخ المسلمين.
الدور الأكاديمي والإشرافي:
تشرف الجامعة الإسلامية العربية على أكثر من ألف وخمسمائة مدرسة دينية عليا في شتى أرجاء البلاد، وتنظم الامتحانات بكفاءة وشفافية عالية، وتقدم درجات البكالوريوس والماجستير المعترف بها دوليًا ومحليًا.
الخاتمة:
إن الجامعة الإسلامية العربية تمثل حلم ملايين المسلمين في بنغلاديش، وهي أمل واعد في إحياء التراث الإسلامي وتنشئة قيادات علمية متميزة تقود الأمة نحو التقدم والرشاد.
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
১. কাওয়াইদুল লুগাতিল আরাবিয়্যাহ বিষয়ের প্রধান দুটি অংশ কী কী?
এ বিষয়ের মূল দুটি অংশ হলো বাক্যতত্ত্ব ও ব্যাকরণ বা ইলমুন নাহু এবং শব্দগঠন শাস্ত্র বা ইলমুস সরফ।
২. ইলমুন নাহুর প্রবর্তক কে ছিলেন?
আমীরুল মুমিনীন হযরত আলী (রা.)-এর দিকনির্দেশনায় প্রখ্যাত ভাষাবিদ হযরত আবুল আসওয়াদ আদ-দুয়ালী (রহ.) এ শাস্ত্র প্রবর্তন করেন।
৩. মারফূ’আত আল-আসমা কত প্রকার?
নাহুশাস্ত্রবিদদের মতে যে সকল বিশেষ্য রফ’ (পেশ) গ্রহণ করে তা প্রধানত ৮ প্রকার, যার মধ্যে ফায়েল, মুবতাদা ও খবর অন্যতম।
৪. সুলাসী ও রূবাঈ ক্রিয়ার পার্থক্য কী?
যে ক্রিয়ার মূল বর্ণ ৩টি তাকে সুলাসী এবং যার মূল বর্ণ ৪টি তাকে রূবাঈ ক্রিয়া বলা হয়।
৫. হামযাতুল ওছল ও হামযাতুল ক্বাত্ব’-এর মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
হামযাতুল ওছল পূর্ববর্তী শব্দের সাথে পড়ার সময় অনুচ্চারিত থাকে, কিন্তু হামযাতুল ক্বাত্ব’ সর্বদা স্পষ্টভাবে উচ্চারিত হয়।
৬. ফাজিল অনার্স পরীক্ষায় আরবি রচনায় কীভাবে ভালো নম্বর পাওয়া যায়?
শুদ্ধ ব্যাকরণ, প্রাঞ্জল ও সমৃদ্ধ শব্দভাণ্ডার এবং নির্ভুল বানানে ভূমিকা, মূল বিষয়বস্তু ও উপসংহার উপস্থাপন করলে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া যায়।