জরুরি নোটিশ 🔔 নতুন: ২০২৬ সালের সকল শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ও গাইড বই প্রকাশিত হয়েছে!

কাওয়াইদুল লুগাতিল আরাবিয়্যাহ (Qawaidul Lughatil Arabiyyah) – 203203, দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ – ফাজিল অনার্স ২য় বর্ষ পরীক্ষা 2023

Abswer.com Abswer.com
21 September, 2026
৩৭ মিনিট পড়ার সময়
৭ বার পঠিত

সরাসরি Telegram-এ সকল বই ও সাজেশন পান!

আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে সবার আগে নতুন বই ও রুটিন ডাউনলোড করুন।

টেলিগ্রামে যুক্ত হোন 🚀

ফাজিল (স্নাতক) সম্মান ২য় বর্ষ পরীক্ষা ২০২৩
বিভাগ: দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ
বিষয়: ক্বাওয়াইদুল লুগাতিল আরাবিয়্যাহ (قواعد اللغة العربية)
বিষয় কোড: ২০৩২০৩
পূর্ণমান: ৮০ | সময়: ৪ ঘণ্টা

القسم الأول: علم النحو (১ম অংশ: ইলমুন নাহু)

١- أجب عن الأسئلة الآتية في علم النحو-

[১. ইলমুন নাহুর নিম্নোক্ত প্রশ্নাবলীর বিশদ উত্তর দাও।]

(أ) عرف علم النحو، وما موضوعه وغايته؟

[ক. ইলমুন নাহু-এর সংজ্ঞা দাও, এর আলোচ্য বিষয় ও উদ্দেশ্য কী?]

  • ইলমুন নাহুর আভিধানিক অর্থ: ‘আন-নাহউ’ (النحو) শব্দটির একাধিক অর্থ রয়েছে—যেমন উদ্দেশ্য (القصد), দৃষ্টান্ত (المثل), দিক বা অভিমুখ (الجهة), পরিমাণ (المقدار) ইত্যাদি।
  • পারিভাষিক সংজ্ঞা: প্রখ্যাত নাহুবিদ আল্লামা ইবনে মালিক ও জুরজানী (রহ.)-এর মতে: “عِلْمُ النَّحْوِ هُوَ عِلْمٌ بِأُصُولٍ يُعْرَفُ بِهَا أَحْوَالُ أَوَاخِرِ الْكَلِمِ إِعْرَابًا وَبِنَاءً، وَكَيْفِيَّةُ تَرْكِيبِ بَعْضِهَا مَعَ بَعْضٍ” অর্থাৎ, ইলমুন নাহু এমন একটি শাস্ত্র যার মৌলিক নিয়মাবলীর মাধ্যমে আরবি বাক্যের অন্তর্ভুক্ত শব্দসমূহের শেষ অক্ষরের অবস্থা (এরাব ও বিনা) এবং শব্দগুলোকে পরস্পরের সাথে সংযোজন করে শুদ্ধ বাক্য গঠনের নিয়ম জানা যায়।
  • আলোচ্য বিষয় (الموضوع): ইলমুন নাহুর আলোচ্য বিষয় হলো ‘আল-কালিমাহ ওয়াল কালাম’ (الكلمة والكلام)—অর্থাৎ আরবি শব্দ ও অর্থবোধক পূর্ণাঙ্গ বাক্য।
  • উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য (الغاية والهدف): আরবি ভাষায় কথা বলা, পড়া ও লেখার ক্ষেত্রে বাক্যগত পদবিন্যাস ও শেষের হরকতে অনিচ্ছাকৃত ভুল (লহন) থেকে জিহ্বাকে রক্ষা করা এবং পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহর মর্মার্থ বিশুদ্ধভাবে উপলব্ধি করা।

(ب) عرف الإعراب والبناء مع الأمثلة-

[খ. উদাহরণসহ এরাব ও বিনার পরিচয় দাও।]

  • ১. এরাব (الإعراب):

    আমিল বা কারণভেদে শব্দের শেষাক্ষরের যে পরিবর্তন সাধিত হয় তাকে এরাব বলে। অর্থাৎ: “الْإِعْرَابُ هُوَ تَغْيِيرُ أَوَاخِرِ الْكَلِمِ لِاخْتِلَافِ الْعَوَامِلِ الدَّاخِلَةِ عَلَيْهَا”। যে শব্দের শেষ হরকত পরিবর্তিত হয় তাকে ‘মু’রাব’ (المعرب) বলে।
    উদাহরণ: ‘যায়েদ’ (زيد) শব্দটির রূপভেদ:
    – পেশযুক্ত: جَاءَ زَيْدٌ (এখানে যায়েদ ফায়েল হওয়ায় রফা হয়েছে)।
    – যবরযুক্ত: رَأَيْتُ زَيْدًا (এখানে মাফউল হওয়ায় নাসব হয়েছে)।
    – যেরযুক্ত: مَرَرْتُ بِزَيْدٍ (হরফে জারের কারণে যার হয়েছে)।

  • ২. বিনা (البناء):

    আমিল বা কার্যকারকের পরিবর্তন সত্ত্বেও শব্দের শেষাক্ষরের অবস্থা অপরিবর্তিত থাকাকে বিনা বলে। অর্থাৎ: “الْبِنَاءُ هُوَ لُزُومُ آخِرِ الْكَلِمَةِ حَالَةً وَاحِدَةً لِغَيْرِ اعْتِلَالٍ”। এমন অবিচল শব্দকে ‘মাবনী’ (المبني) বলে।
    উদাহরণ: ইসমে ইশারা ‘হাযা’ (هَٰذَا):
    جَاءَ هَٰذَا (ফায়েল হলেও শেষাক্ষর অপরিবর্তিত)।
    رَأَيْتُ هَٰذَا (মাফউল হলেও শেষাক্ষর সুকুনযুক্ত রয়েছে)।
    مَرَرْتُ بِهَٰذَا (হরফে জার আসলেও এর রূপ বদলায়নি)।

(ج) ما هي علامات الإعراب الأصلية والفرعية؟ بين بالتفصيل-

[গ. এরাবের মূল ও শাখাগত চিহ্নগুলো কী কী? বিস্তারিত আলোচনা কর।]

আরবি ব্যাকরণে এরাবের রূপ চারটি: রফা (الرفع), নাসব (النصب), জার (الجر), এবং জাযম (الجزم)। এরাব প্রকাশের চিহ্নসমূহ দুই প্রকার:

  1. ১. মূল চিহ্নসমূহ (العلامات الأصلية):
    • দ্বম্মা বা পেশ (الضمة): রফার মূল চিহ্ন (যেমন: جَاءَ الْمُعَلِّمُ)।
    • ফাতহা বা যবর (الفتحة): নাসবের মূল চিহ্ন (যেমন: رَأَيْتُ الْمُعَلِّمَ)।
    • কাসরা বা যের (الكسرة): জারের মূল চিহ্ন (যেমন: مَرَرْتُ بِالْمُعَلِّمِ)।
    • সুকুন বা জযম (السكون): ফেলে মুযারির জাযমের মূল চিহ্ন (যেমন: لَمْ يَذْهَبْ)।
  2. ২. শাখাগত চিহ্নসমূহ (العلامات الفرعية):

    মূল চিহ্নের পরিবর্তে অন্য কোনো হরফ বা হরকত ব্যবহার হওয়াকে শাখাগত চিহ্ন বলে। প্রধান ক্ষেত্রসমূহ:

    • আসমাউল খামসাহ (الأَسْمَاءُ الْخَمْسَةُ): (أبوك، أخوك، حَمُوك، فُوك، ذُو مَالٍ) — রফায় ওয়াও (جَاءَ أَبُوكَ), নাসবে আলিফ (رَأَيْتُ أَبَاكَ), জারে ইয়া (مَرَرْتُ بِأَبِيكَ)।
    • তাছনিয়াহ (المثنى): রফায় আলিফ (جَاءَ الرَّجُلَانِ), নাসব ও জারে ইয়া-ই-মাক্ববল মাফতূহ (رَأَيْتُ الرَّجُلَيْنِ)।
    • জমা মুযাক্কার সালেম (جمع المذكر السالم): রফায় ওয়াও (جَاءَ الْمُسْلِمُونَ), নাসব ও জারে ইয়া-ই-মাক্ববল মাকসূর (رَأَيْتُ الْمُسْلِمِينَ)।
    • জমা মুয়ান্নাস সালেম (جمع المؤنث السالم): নাসবের হালতে ফাতহার পরিবর্তে কাসরা (خَلَقَ اللَّهُ السَّمَاوَاتِ)।
    • গাইরে মুনসারিফ (الممنوع من الصرف): জারের হালতে কাসরার পরিবর্তে ফাতহা (صَلَّيْتُ فِي مَسَاجِدَ)।
    • আফ’আলে খামসাহ: রফায় নূন সাবিত থাকা এবং নাসব ও জাযমে নূন বিলুপ্ত হওয়া।

(د) عرف المبتدأ والخبر واذكر أقسام الخبر مع الأمثلة-

[ঘ. মুবতাদা ও খবরের পরিচয় দাও এবং উদাহরণসহ খবরের প্রকারভেদ উল্লেখ কর।]

  • মুবতাদা (المبتدأ): এমন মারফূ ইসম যা শাব্দিক আমিল থেকে মুক্ত হয়ে বাক্যের শুরুতে অবস্থান করে এবং যার সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রদান করা হয় (যেমন: “الْعِلْمُ نُورٌ” বাক্যে الْعِلْمُ হলো মুবতাদা)।
  • খবর (الخبر): এমন মারফূ পদ যা মুবতাদার সাথে মিলিত হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থবোধক বাক্য গঠন করে (যেমন: উক্ত বাক্যে نُورٌ হলো খবর)।
  • খবরের প্রকারভেদ (أقسام الخبر): খবর প্রধানত তিন প্রকার:
    1. মুফরাদ (مفرد): একক শব্দ, যা বাক্য বা বাক্যাংশ নয় (যেমন: زَيْدٌ قَائِمٌ)।
    2. জুমলাহ (جملة): পূর্ণ বাক্য হিসেবে খবর হওয়া। এটি দুই প্রকার:
      • জুমলা ইসমিয়্যাহ: الْحَدِيقَةُ أَزْهَارُهَا جَمِيلَةٌ (বাগানটির ফুলগুলো সুন্দর)।
      • জুমলা ফেলিয়্যাহ: الْمُسْلِمُ يُصَلِّي (মুসলিম ব্যক্তি সালাত আদায় করে)।
    3. শিবহু জুমলাহ (شبه جملة): বাক্যাংশ। এটি দুই প্রকার:
      • জার ও মাজরূর: الْكِتَابُ عَلَى الْمَكْتَبِ (বইটি টেবিলের ওপর)।
      • যরফ (স্থান বা কালবাচক): الْعُصْفُورُ فَوْقَ الشَّجَرَةِ (পাখিটি গাছের উপরে)।

(هـ) ما هي النواسخ للجملة الاسمية؟ وضح حكم “إن وأخواتها” و”كان وأخواتها”-

[ঙ. জুমলা ইসমিয়্যাহর নাওয়াসেখ কী? ইন্না ও তার সমজাতীয় এবং কানা ও তার সমজাতীয়গুলোর বিধান স্পষ্ট কর।]

নাওয়াসেখ (النواسخ): যে সকল হরফ বা ফেল জুমলা ইসমিয়্যাহর শুরুতে প্রবেশ করে মুবতাদা ও খবরের মৌলিক এরাব পরিবর্তন (নাসখ) করে দেয়, সেগুলোকে নাওয়াসেখ বলে।

  • ১. কানা ও তার সমজাতীয় ফেলসমূহ (كان وأخواتها):

    এগুলো হলো আফ’আলে নাকিসাহ (كان، أصبح، أضحى، ظل، بات، صار، ليس، ما زال…).
    বিধান: এগুলো মুবতাদাকে রফা প্রদান করে এবং তাকে ‘ইসমু কানা’ বলা হয়; আর খবরকে নাসব প্রদান করে এবং তাকে ‘খবারু কানা’ বলা হয়।
    উদাহরণ: “كَانَ اللَّهُ غَفُورًا رَحِيمًا” (আল্লাহ হলেন ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু)।

  • ২. ইন্না ও তার সমজাতীয় হরফসমূহ (إنّ وأخواتها):

    এগুলো হলো হরূফে মুশাব্বাহা বিলফেল (إنّ، أنّ، كأنّ، لكنّ، ليت، لعلّ).
    বিধান: এগুলো ঠিক কানার বিপরীত আমল করে। অর্থাৎ মুবতাদাকে নাসব প্রদান করে এবং তাকে ‘ইসমু ইন্না’ বলা হয়; আর খবরকে রফা প্রদান করে এবং তাকে ‘খবারু ইন্না’ বলা হয়।
    উদাহরণ: “إِنَّ اللَّهَ سَمِيعٌ عَلِيمٌ” (নিশ্চয় আল্লাহ সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ)।

(و) عرف الحال والتمييز مع ذكر الفروق بينهما بالأمثلة-

[চ. উদাহরণসহ হাল ও তামঈজের পরিচয় দাও এবং এদের মধ্যকার পার্থক্যগুলো উল্লেখ কর।]

  • হাল (الحال): এমন মানসূব ইসম যা ফেল বা ক্রিয়া সংঘটিত হওয়ার সময় ফায়েল বা মাফউলের শারীরিক বা মানসিক অবস্থা বর্ণনা করে। যেমন: جَاءَ زَيْدٌ رَاكِبًا (যায়েদ আরোহী অবস্থায় আসল—এখানে رَاكِبًا হলো হাল)।
  • তামঈজ (التمييز): এমন মানসূব ইসম যা পূর্ববর্তী কোনো অস্পষ্ট ইসম (যাত) বা বাক্যের (নিসবাত) অস্পষ্টতা ও সন্দেহ দূর করে নির্দিষ্ট করে দেয়। যেমন: اشْتَرَيْتُ عِشْرِينَ كِتَابًا (আমি বিশটি বই কিনলাম—এখানে كِتَابًا হলো তামঈজ)।
  • পার্থক্যসমূহ:
    1. হাল সাধারণত মুশতাক্ব বা উদ্ভূত গুণবাচক শব্দ হয়; পক্ষান্তরে তামঈজ সাধারণত জামিদ বা স্থির মূলশব্দ হয়।
    2. হাল কোনো অবস্থার ব্যাখ্যা দেয় (কেমন অবস্থায় ছিল); আর তামঈজ সত্তা বা পরিমাণের অস্পষ্টতা দূর করে (কোন জিনিসটি)।
    3. হাল কখনো জুমলা বা বাক্যের আকারে আসতে পারে; কিন্তু তামঈজ সর্বদা মুফরাদ বা একক শব্দ হয়।

القسم الثاني: علم الصرف (২য় অংশ: ইলমুস সারফ)

٢- أجب عن الأسئلة الآتية في علم الصرف-

[২. ইলমুস সারফের নিম্নোক্ত প্রশ্নাবলীর বিশদ উত্তর দাও।]

(أ) عرف علم الصرف، وما فائدته وموضوعه؟

[ক. ইলমুস সারফের সংজ্ঞা দাও, এর উপকারিতা ও আলোচ্য বিষয় কী?]

  • আভিধানিক অর্থ: ‘আস-সারফ’ (الصرف) শব্দের অর্থ রূপান্তর করা, পরিবর্তন করা (التحويل والتغيير)।
  • পারিভাষিক সংজ্ঞা: “عِلْمُ الصَّرْفِ عِلْمٌ يُعْرَفُ بِهِ صِيَغُ الْكَلِمَاتِ وَأَحْوَالُ أَبْنِيَتِهَا مِمَّا لَيْسَ بِإِعْرَابٍ وَلَا بِنَاءٍ” অর্থাৎ, ইলমুস সারফ এমন একটি শাস্ত্র যার মাধ্যমে আরবি শব্দের রূপমূল, গঠনপ্রকৃতি এবং এক শব্দ থেকে অন্য শব্দে রূপান্তরের নিয়মাবলী জানা যায়।
  • আলোচ্য বিষয় (الموضوع): পরিবর্তনশীল আরবি শব্দসমূহ—তথা মুতামাক্কিন ইসম (الأسماء المعربة) এবং মুতাসাররিফ ফেল (الأفعال المتصرفة)। স্থির বা অপরিবর্তনশীল মাবনী শব্দ এতে আলোচিত হয় না।
  • উপকারিতা ও ফায়দা (الفائدة): শব্দের রূপমূল নির্ণয়, বিশুদ্ধ উচ্চারণ, সঠিক অর্থ অনুধাবন এবং শব্দ গঠন সংক্রান্ত ব্যাকরণিক ভুল থেকে কলম ও কণ্ঠকে সুরক্ষিত রাখা।

(ب) ما هو الميزان الصرفي؟ وزن الكلمات الآتية: (استغفر، تدارس، انتصر، زلزل)-

[খ. মীযানুস সারফী (রূপমূলীয় পরিমাপক) কী? শব্দগুলোর ওজন নির্ণয় কর।]

  • মীযানুস সারফী: আরবি ভাষার অধিকাংশ শব্দের মূল হরফ তিনটি হওয়ায় সারফবিদগণ শব্দ পরিমাপের জন্য ف – ع – ل (ফা-আইন-লাম) বর্ণ তিনটিকে একটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বা দাঁড়িপাল্লা হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। মূল হরফের সমান্তরালে মূল হরফ এবং অতিরিক্ত হরফের সমান্তরালে সেই অতিরিক্ত হরফ বসিয়ে শব্দের ওজন নির্ণয় করাকে মীযানুস সারফী বলে।
  • শব্দগুলোর ওজন ও বিশ্লেষণ:
    1. اسْتَغْفَرَ: ওজন اسْتَفْعَلَ (বাব: ইসতিফআল; মূল হরফ: غ-ف-ر; অতিরিক্ত: আলিফ, সীন, তা)।
    2. تَدَارَسَ: ওজন تَفَاعَلَ (বাব: তাফা’উল; মূল হরফ: د-ر-س; অতিরিক্ত: তা, আলিফ)।
    3. انْتَصَرَ: ওজন افْتَعَلَ (বাব: ইফতিআল; মূল হরফ: ن-ص-ر; অতিরিক্ত: হামযায়ে ওয়াসল, তা)।
    4. زَلْزَلَ: ওজন فَعْلَلَ (রুবায়ী মুজাররাদ; চার হরফই মূল হরফ)।

(ج) بين أقسام الفعل باعتبار الصحة والاعتلال مع الأمثلة-

[গ. সহীহ ও মু’তাল বিবেচনায় ক্রিয়ার প্রকারভেদ উদাহরণসহ বর্ণনা কর।]

মূল বর্ণে হরফে ইল্লাত (واو – ياء – ألف) থাকা বা না থাকার ভিত্তিতে ফেল প্রধানত দুই প্রকার:

  1. ১. আল-ফেলুস সহীহ (الفعل الصحيح): যার মূল হরফে কোনো হরফে ইল্লাত থাকে না। এটি তিন প্রকার:
    • সালেম (سالم): হরফে ইল্লাত, হামযাহ ও একজাতীয় দুই হরফমুক্ত (যেমন: نَصَرَ، ضَرَبَ)।
    • মাহমুয (مهموز): মূল হরফে হামযাহ থাকা (যেমন: أَكَلَ، سَأَلَ، قَرَأَ)।
    • মুদা’আফ (مضاعف): একই জাতীয় হরফ পাশাপাশি এসে তাশদীদ হওয়া (যেমন: مَدَّ، فَرَّ)।
  2. ২. আল-ফেলুল মু’তাল (الفعل المعتل): যার মূল হরফে এক বা একাধিক হরফে ইল্লাত থাকে। এটি চার প্রকার:
    • মিসাল (مثال): ফা-কালিমায় হরফে ইল্লাত (যেমন: وَعَدَ، يَسَرَ)।
    • আজওয়াফ (أجوف): আইন-কালিমায় হরফে ইল্লাত (যেমন: قَالَ، بَاعَ)।
    • নাক্বিস (ناقص): লাম-কালিমায় হরফে ইল্লাত (যেমন: دَعَا، رَمَى)।
    • লাফীফ (لفيف): দুটি হরফে ইল্লাত থাকা। এটি দুই প্রকার—মাফরূক (وَقَى) ও মাক্বরূন (طَوَى)।

(د) عرف اسم الفاعل واسم المفعول واذكر طريقة صياغتهما من الثلاثي وغير الثلاثي-

[ঘ. ইসমে ফায়েল ও ইসমে মাফউলের পরিচয় দাও এবং সুলাসী ও গাইরে সুলাসী থেকে এগুলো গঠনের নিয়ম উল্লেখ কর।]

  • ইসমে ফায়েল (اسم الفاعل): যে ইসম ক্রিয়া সম্পাদনকারী কর্তাকে নির্দেশ করে (যেমন: كَاتِبٌ – লেখক)।
  • ইসমে মাফউল (اسم المفعول): যে ইসমের ওপর ক্রিয়ার কাজ সংঘটিত হয় (যেমন: مَكْتُوبٌ – লিখিত)।
  • গঠন প্রণালী:
    1. সুলাসী মুজাররাদ থেকে:
      • ইসমে ফায়েল গঠিত হয় فَاعِلٌ ওজনে (যেমন: نَصَرَ থেকে نَاصِرٌ, عَلِمَ থেকে عَالِمٌ)।
      • ইসমে মাফউল গঠিত হয় مَفْعُولٌ ওজনে (যেমন: نَصَرَ থেকে مَنْصُورٌ, كَتَبَ থেকে مَكْتُوبٌ)।
    2. গাইরে সুলাসী মুজাররাদ (অতিরিক্ত অক্ষরযুক্ত) থেকে:
      • ফেলে মুযারির শুরুতে মুযারির আলামতের স্থানে একটি পেশযুক্ত মীম (مُـ) যুক্ত করতে হবে।
      • শেষের পূর্বের হরফে যের (কাসরা) দিলে হবে ইসমে ফায়েল (যেমন: أَكْرَمَ – يُكْرِمُ থেকে مُكْرِمٌ)।
      • শেষের পূর্বের হরফে যবর (ফাতহা) দিলে হবে ইসমে মাফউল (যেমন: أَكْرَمَ – يُكْرَمُ থেকে مُكْرَمٌ)।

القسم الثالث: الترجمة (৩য় অংশ: ভাষান্তর)

٣- أجب عن أسئلة الترجمة باللغتين-

[৩. উভয় ভাষার ভাষান্তর প্রশ্নাবলীর যথাযথ সমাধান কর।]

(أ) ترجم القطعة الآتية إلى اللغة البنغالية:

“العِلْمُ نُورٌ وَالْجَهْلُ ظَلَامٌ، بِالْعِلْمِ تُبْنَى الأُمَمُ وَتَرْتَقِي الشُّعُوبُ، وَالإِسْلَامُ يَحُثُّ عَلَى طَلَبِ العِلْمِ مِنَ المَهْدِ إِلَى اللَّحْدِ، قَالَ النَّبِيُّ ﷺ: طَلَبُ العِلْمِ فَرِيضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ-“

বাংলা রূপান্তর:
জ্ঞান হলো আলো এবং অজ্ঞতা হলো অন্ধকার। জ্ঞানের মাধ্যমেই জাতিসমূহ গড়ে ওঠে এবং মানবসমাজ উন্নতির শিখরে আরোহণ করে। ইসলাম দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত জ্ঞান অর্জনের জন্য জোর তাগিদ দিয়েছে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: “জ্ঞান অন্বেষণ করা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর একান্ত অপরিহার্য কর্তব্য।”

(ب) ترجم الجمل الآتية إلى اللغة العربية:

  1. ১. আল্লাহ আমাদের একমাত্র রব।
    اللَّهُ رَبُّنَا وَحْدَهُ، لَا رَبَّ لَنَا سِوَاهُ-
  2. ২. কুরআন মানবজাতির হেদায়েতের জন্য নাযিল হয়েছে।
    نَزَلَ القُرْآنُ الكَرِيمُ هِدَايَةً لِلنَّاسِ أَجْمَعِينَ-
  3. ৩. সত্যবাদিতা মানুষকে মুক্তি দেয় আর মিথ্যা ধ্বংস করে।
    الصِّدْقُ يُنْجِي وَالكَذِبُ يُهْلِكُ-
  4. ৪. ছাত্ররা লাইব্রেরিতে বই পড়ছে।
    يَقْرَأُ الطُّلَّابُ الكُتُبَ فِي المَكْتَبَةِ-
  5. ৫. সর্বদা সত্য কথা বলবে।
    قُلِ الحَقَّ دَائِمًا-

القسم الرابع: الرسائل والطلبات (৪র্থ অংশ: আবেদনপত্র ও চিঠিপত্র)

٤- اكتب طلباً أو رسالة وفقاً للنموذج الآتي-

[৪. আবেদনপত্র ও চিঠিপত্রের পূর্ণাঙ্গ নমুনা।]

নমুনা ১: অসুস্থতাজনিত ছুটির জন্য অধ্যক্ষের নিকট আবেদনপত্র (طلب إجازة مرضية)

التاريخ: ٢٠ أكتوبر ٢٠٢٣م
إلى: فضيلة عميد الكلية المحترم
الكلية: كلية الدعوة الإسلامية، دكا
الموضوع: طلب إجازة بسبب ظروف صحية طارئة

السلام عليكم ورحمة الله وبركاته،
أما بعد،
أحيط فضيلتكم علماً بأنني طالب بالفرقة الثانية بقسم الدعوة والدراسات الإسلامية بالكلية. ونظراً لإصابتي بوعكة صحية وحمى شديدة، نصحني الطبيب بالراحة التامة لمدة ثلاثة أيام ابتداءً من اليوم. ومرفق بطيه التقرير الطبي المعتمد.

لذا، أرجو من فضيلتكم التكرم بالموافقة على منحي إجازة لمدة ثلاثة أيام، وجزاكم الله خيراً وأحسن إليكم.

مقدمه الطالب:
محمد عبد الله
الفرقة الثانية، قسم الدعوة والدراسات الإسلامية
رقم الجلوس: ۲۰৩২০১

নমুনা ২: বাংলাদেশে ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানিয়ে বন্ধুর নিকট পত্র (دعوة صديق لزيارة بنغلاديش)

التاريخ: ۲۵ أكتوبر ۲۰۲۳م
صديقي العزيز/ أحمد،
السلام عليكم ورحمة الله وبركاته،
تحية طيبة وبعد،
يسرني جداً أن أكتب إليك هذه الرسالة لأطمئن على صحتك ودراستك. كما يسعدني كثيراً أن أوجه إليك دعوة كريمة لزيارة وطني الجميل “بنغلاديش” خلال العطلة القادمة. إن بنغلاديش بلد غني بجمال الطبيعة الخضراء، وتوجد فيه أطول شواطئ رملية في العالم في “كوكس بازار”، وأكبر غابات المانجروف في “سوندربان”، إضافة إلى المعالم الإسلامية والمساجد التاريخية القديمة.

ستقضي معنا أوقاتاً ممتعة وستتعرف على ثقافة شعبنا المضياف وتذوق أطعمتنا التقليدية الشهية. إنني في انتظار ردك الكريم وموعد وصولك بفارغ الصبر.

دمت في حفظ الله ورعايته،
أخوك المخلص:
محمد رفيق، دكا، بنغلاديش


القسم الخامس: المقالات والإنشاء (৫ম অংশ: আরবি প্রবন্ধ রচনা)

٥- اكتب مقالة أدبية موجزة في أحد الموضوعات الآتية-

[৫. নির্ধারিত তিনটি বিষয়ে প্রমিত আরবি প্রবন্ধ।]

الموضوع الأول: أهمية الدعوة الإسلامية في العصر الحاضر (বর্তমান যুগে ইসলামি দাওয়াতের গুরুত্ব)

إن الدعوة إلى الله تعالى هي وظيفة الأنبياء والمرسلين، وهي من أعظم القربات التي يتقرب بها العبد إلى ربه. وفي عصرنا الحاضر، أصبحت الحاجة إلى الدعوة الإسلامية أشد إلحاحاً من أي وقت مضى، نظراً لكثرة الفتن الفكرية، وانتشار الشبهات الإلحادية، وتغلغل الماديات والشهوات في عقول الشباب والناشئة. إن العالم اليوم يعيش في أزمة روحية وأخلاقية خانقة، ولا يمكن إنقاذه إلا بنور الإسلام وتعاليمه السمحة. ويجب على الدعاة المعاصرين استخدام أحدث الوسائل التكنولوجية، وشبكات التواصل الاجتماعي، والمنصات الرقمية لتقديم الإسلام بصورته النقية المشرقة القائمة على الرحمة والعدل والاعتدال، مصداقاً لقوله تعالى: “ادْعُ إِلَىٰ سَبِيلِ رَبِّكَ بِالْحِكْمَةِ وَالْمَوْعِظَةِ الْحَسَنَةِ”.

الموضوع الثاني: فضل العلم والمعرفة في الإسلام (ইসলামে জ্ঞান ও বিদ্যার মর্যাদা)

رفع الإسلام شأن العلم والمعرفة إلى مكانة رفيعة لا تدانيها مكانة في أي تشريع آخر. وكانت أول كلمة نزلت من القرآن الكريم هي الأمر بالقراءة في قوله تعالى: “اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ”، مما يدل دلالة قاطعة على أن الإسلام دين المعرفة والاستنارة. وقد فضل الله العلماء على سائر الخلق فقال سبحانه: “قُلْ هَلْ يَسْتَوِي الَّذِينَ يَعْلَمُونَ وَالَّذِينَ لَا يَعْلَمُونَ”. كما بين النبي ﷺ أن طلب العلم طريق موصل إلى الجنة، حيث قال: “مَنْ سَلَكَ طَرِيقًا يَلْتَمِسُ فِيهِ عِلْمًا سَهَّلَ اللَّهُ لَهُ بِهِ طَرِيقًا إِلَى الْجَنَّةِ”. إن العلم النافع يبني الحضارات، ويحرر العقول من الخرافات، ويهدي القلوب إلى توحيد الخالق وعبادته على بصيرة.

الموضوع الثالث: مكانة الأخلاق في بناء المجتمع (সমাজ গঠনে চরিত্র ও নৈতিকতার স্থান)

الأخلاق هي الركيزة الأساسية التي تقوم عليها المجتمعات الإنسانية، وبها تدوم الحضارات وتزدهر الأمم، فإذا انهارت الأخلاق انهارت معها كل مقومات البقاء والاستقرار، كما قال الشاعر العربي: “وإنما الأمم الأخلاق ما بقيت ** فإن هم ذهبت أخلاقهم ذهبوا”. وقد حصر النبي صلى الله عليه وسلم الغاية الكبرى من بعثته في ترسيخ الفضائل، فقال: “إِنَّمَا بُعِثْتُ لِأُتَمِّمَ مَكَارِمَ الأَخْلَاقِ”. والمسلم الحق يتصف بالصدق والأمانة، والتواضع والرحمة، والوفاء بالعهود، والابتعاد عن الظلم والغش والكراهية. وبانتشار هذه القيم الأخلاقية الرفيعة يعم السلام والأمان، وتتماسك أواصر الأخوة بين أفراد المجتمع ليكونوا كالجسد الواحد إذا اشتكى منه عضو تداعى له سائر الجسد بالسهر والحمى.


সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন ১: ইলমুন নাহুর আলোচ্য বিষয় কী?

উত্তর: ইলমুন নাহুর আলোচ্য বিষয় হলো আরবি ভাষার শব্দ (আল-কালিমাহ) এবং অর্থপূর্ণ বাক্য (আল-কালাম)।

প্রশ্ন ২: এরাবের মূল চিহ্ন কয়টি ও কী কী?

উত্তর: এরাবের মূল চিহ্ন চারটি: দ্বম্মা বা পেশ (রফা), ফাতহা বা যবর (নাসব), কাসরা বা যের (জার), এবং সুকুন বা জযম (জাযম)।

প্রশ্ন ৩: কানা ও তার সমজাতীয় ফেলগুলোর ব্যাকরণিক আমল কী?

উত্তর: কানা ও তার সমজাতীয় ফেলসমূহ মুবতাদাকে রফা (পেশ) দেয় এবং খবরকে নাসব (যবর) প্রদান করে।

প্রশ্ন ৪: মীযানুস সারফী বা রূপমূলীয় পরিমাপকের মূল বর্ণগুলো কী?

উত্তর: সারফ শাস্ত্রে শব্দ পরিমাপের মূল তিনটি হরফ হলো ফা (ف), আইন (ع) এবং লাম (ل)।

প্রশ্ন ৫: সুলাসী মুজাররাদ থেকে ইসমে ফায়েল কোন ওজনে আসে?

উত্তর: সুলাসী মুজাররাদ থেকে ইসমে ফায়েল সর্বদা ‘ফা-ইলুন’ (فَاعِلٌ) ওজনে গঠিত হয় (যেমন: কাতিবুন, নাসীরুন)।

প্রশ্ন ৬: হাল ও তামঈজের প্রধান অমিল কোনটি?

উত্তর: হাল সাধারণত কোনো অবস্থার ব্যাখ্যা দেয় এবং গুণবাচক শব্দ হয়, আর তামঈজ সত্তা বা সংখ্যার অস্পষ্টতা দূর করে এবং বস্তুবাচক মূলশব্দ হয়।

টেলিটক ছবি ও স্বাক্ষর রিসাইজার (৩০০×৩০০ ও ৩০০×৮০)
সরকারি চাকরি ও ভর্তির অনলাইন আবেদনের জন্য ছবি ও সইয়ের মাপ ঠিক রাখুন ১০০% নির্ভুলভাবে।
ছবি ও সই রিসাইজ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *