قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ
لَا أَعْبُدُ مَا تَعْبُدُونَ
وَلَا أَنتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ
وَلَا أَنَا عَابِدٌ مَّا عَبَدتُّمْ
وَلَا أَنتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ
لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِيَ دِينِ
উচ্চারণ: কুল ইয়াআইয়ুহাল কা-ফিরূন।
লাআ‘বুদুমা-তা‘বুদূন।
ওয়ালাআনতুম ‘আ-বিদূনা মাআ‘বুদ।
ওয়ালা আনা ‘আ-বিদুম মা-‘আবাত্তুম,
ওয়ালাআনতুম ‘আ-বিদূনা মাআ‘বুদ।
লাকুম দীনুকুম ওয়ালিয়া দীন।
অর্থ: ১. বলুন: হে কাফিরগণ!
২. আমি তাদের ইবাদত করি না যাদের তোমরা পূজা কর,
৩. এবং তোমরাও তাঁর ইবাদতকারী নও যাঁর ইবাদত আমি করি;
৪. আর আমি তাদের পূজক নই যাদের পূজা তোমরা করেছ,
৫. এবং তোমরাও তাঁর ইবাদতকারী নও যাঁর ইবাদত আমি করি;
৬. তোমাদের দ্বীন তোমাদের জন্য, আর আমার দ্বীন আমার জন্য।
ফযিলত: ১. হযরত আবূ হুরায়রা (রাযি) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী কারীম (ﷺ) ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজে “সূরা কাফিরুন” ও “সূরা কুল হুআল্লাহু আহাদ” তিলাওয়াত করতেন। ২. ফারওয়া বিন নওফল (রহ) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, একদা নবী (ﷺ) তাকে বলেন, তুমি শোয়ার সময় সূরা কাফিরুন তিলাওয়াত করবে। কেননা, এ সূরা শিরক থেকে মুক্তকারী। ৩. আমর ইবনে মালিক বলেন, আবূল জাওযা বলতেন, তোমরা অধিক পরিমাণে সূরা কাফিরুন তিলাওয়াত কর! এবং শিরক থেকে বেঁচে থাক। ৪. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি সূরা কাফিরুন তিলাওয়াত করল! সে যেন কুরআনে কারীমের এক চতুর্থাংশ তিলাওয়াত করল। এবং শয়তানের ধোঁকা ও শিরক থেকে নিজেকে মুক্ত করল। এবং (কিয়ামতের) মহাভীতি থেকে নিজেকে দুশ্চিন্তা মুক্ত করল। ৫. হযরত ইবনে আব্বাস (রাযি) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন, ইযা যুল যিলাত–এর সাওয়াব অর্ধেক কুরআনের সমান; কুল হুয়াল্লাহু আহাদ এক–তৃতীয়াংশ কুরআনের সমান; কুল ইয়া আয়্যূহাল কাফিরূন এক–চতুর্থাংশ কুরআনের সমান। ৬. এই সূরা মুসাফির অবস্থায় তিলাওয়াতের দ্বারা সাথী সঙ্গী ও পাথেয়ে বৃদ্ধি পায়।
উৎস: সূরা আল-কাফিরুন (১০৯), আয়াত: ১-৬; মাক্কী সূরা