জরুরি নোটিশ 🔔 নতুন: ২০২৬ সালের সকল শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ও গাইড বই প্রকাশিত হয়েছে!

আশ-শিরুল কাদিম-২ (Ash-Shirul-Qadim-2) – 204305, আরবি ভাষা ও সাহিত্য – ফাজিল অনার্স ৩য় বর্ষ পরীক্ষা ২০২০

Abswer.com Abswer.com
20 September, 2026
৩১ মিনিট পড়ার সময়
৯ বার পঠিত

সরাসরি Telegram-এ সকল বই ও সাজেশন পান!

আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে সবার আগে নতুন বই ও রুটিন ডাউনলোড করুন।

টেলিগ্রামে যুক্ত হোন 🚀

ফাজিল (স্নাতক) সম্মান ৩য় বর্ষ পরীক্ষা ২০২০
বিভাগ: আরবি ভাষা ও সাহিত্য
বিষয়: আশ-শিরুল কাদীম-২ (الشعر القديم-2 – Classical Arabic Poetry-II)
বিষয় কোড: ২০৪৩০৫ | পূর্ণমান: ৮০ | সময়: ৪ ঘণ্টা


١- ترجم ثلاث قطع شعرية مما يلي إلى البنغالية:

[১. নিচের কবিতাংশগুলো থেকে যেকোনো তিনটির প্রাঞ্জল বাংলা অর্থ লেখ:]

(أ) معلقة زهير بن أبي سلمى المزني

أَمِنْ أُمِّ أَوْفَى دِمْنَةٌ لَمْ تَكَلَّمِ * بِحَوْمَانَةِ الدُّرَّاجِ فَالمُتَثَلَّمِ
وَدَارٌ لَهَا بِالرَّقْمَتَيْنِ كَأَنَّهَا * مَرَاجِعُ وَشْمٍ فِي نَوَاشِرِ مِعْصَمِ

[১. (ক) হাওমানাতুদ দাররাজ ও মুতাসাল্লাম প্রান্তরে পড়ে থাকা এই নীরব বিরান ভিটেমাটি কি প্রিয়তমা উম্মে আওফার, যা কোনো কথাই বলছে না?
এবং রাক্বমাতাইন উপত্যকায় অবস্থিত তাঁর এই স্মৃতিবিজড়িত আবাস্থলটি দেখতে ঠিক কোনো তরুণীর কবজির চামড়ায় পুনরায় ফুটিয়ে তোলা উল্কির নকশার মতো প্রতীয়মান হচ্ছে।]

(ب) من خمريات أبي نواس

دَعِ الأَطْلَالَ تَسْفِيهَا الجَنُوبُ * وَتُبْلِي عَهْدَ جِدَّتِهَا الخُطُوبُ
وَنَادِ مَعَ التَّعَجُّبِ دَارَ قَوْمٍ * عَفَا عَنْهَا الأَنِيسُ فَلَا تُجِيبُ

[১. (খ) বিরান প্রাচীন ধ্বংসাবশেষকে তুমি পেছনে ফেলে আসো, যার ওপর দক্ষিণা বাতাস ধূলিকণা উড়িয়ে নিয়ে যায় এবং কালের নানামুখী দুর্যোগ যার নতুনের দীপ্তিকে জীর্ণ-মলিন করে দেয়।
আর চরম বিস্ময় নিয়ে তুমি সেই সম্প্রদায়ের আবাস্থলকে ডেকে ওঠো, যার সকল সহচর-সঙ্গী বিলীন হয়ে গেছে, ফলে যে ডাকার কোনো প্রতিউত্তর দিতে পারে না।]

(ج) رثاء البصرة لابن الرومي

زَادَ عَنْ مَقْلَتِي لَذِيذُ المَنَامِ * شُغْلُهَا بِالدُّمُوعِ وَالتَّسْجَامِ
أَيُّ نَوْمٍ مِنْ بَعْدِ مَا حَلَّ بِالبَصْرَةِ * مِنْ تِلْكُمُ الهَنَاتِ العِظَامِ

[১. (গ) অশ্রুধারার অবিরাম প্রবাহ ও ক্রন্দনে নিমগ্ন থাকার কারণে আমার চোখ দুটি থেকে সুমধুর ঘুম চিরতরে হারিয়ে গেছে।
ঐতিহাসিক বসরা নগরীতে ঘটে যাওয়া সেই ভয়াবহ জাতীয় বিপর্যয় ও ধ্বংসযজ্ঞের পর কোনো বিবেকবান মানুষের চোখে কীভাবে ঘুমের পরশ নামতে পারে?]

(د) سيفيات المتنبي

عَلَى قَدْرِ أَهْلِ العَزْمِ تَأْتِي العَزَائِمُ * وَتَأْتِي عَلَى قَدْرِ الكِرَامِ المَكَارِمُ
وَتَعْظُمُ فِي عَيْنِ الصَّغِيرِ صِغَارُهَا * وَتَصْغُرُ فِي عَيْنِ العَظِيمِ العَظَائِمُ

[১. (ঘ) সংকল্পবান ব্যক্তিদের হিম্মত ও ইচ্ছাশক্তির পরিমাণ অনুসারেই মহান সাফল্য ও বিজয় অর্জিত হয়, আর সম্মানিত মহামানবদের বদান্যতা অনুসারেই গৌরবময় দান ও কীর্তি প্রকাশিত হয়।
তুচ্ছ ও ক্ষুদ্রমনা ব্যক্তিদের চোখে সামান্য তুচ্ছ প্রতিবন্ধকতাও পাহাড়সম বিশাল বলে প্রতীয়মান হয়, পক্ষান্তরে উচ্চাকাঙ্ক্ষী মহান ব্যক্তিদের দৃষ্টিতে মহা মহা সংকটও তুচ্ছ ও সহজ বলে গণ্য হয়।]


٢- اشرح بالبنغالية اثنين مما يلى:

[২. নিচের চরণগুলো থেকে যেকোনো দুটির ভাবার্থ বাংলায় ব্যাখ্যা কর:]

(أ) «فَلَمَّا عَرَفْتُ الدَّارَ قُلْتُ لِرَبْعِهَا * أَلَا انْعَمْ صَبَاحًا أَيُّهَا الرَّبْعُ وَاسْلَمِ»

[২. (ক) “অতঃপর যখন আমি সেই বিরান আবাস্থলকে চিনতে পারলাম, তখন তার গৃহপ্রাঙ্গণকে সম্বোধন করে বললাম: হে বসতবাড়ি! তোমার সকাল কল্যাণময় হোক এবং তুমি ধ্বংস থেকে নিরাপদ থাক।”]

কাব্যিক প্রেক্ষাপট ও ভাবার্থ:
এটি মহাকবি জুহাইর ইবনে আবি সুলমার বিখ্যাত মুআল্লাকার অংশ। দীর্ঘ বিশ বছর পর কবি প্রিয়ার পরিত্যক্ত বাসস্থানের সন্ধান পেয়ে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েন। আরবরা প্রভাতকালীন শান্তির দোয়ার মাধ্যমে প্রিয়জনকে শুভকামনা জানাত। কবি এখানে মাটির ধ্বংসাবশেষের সাথে একাত্ম হয়ে প্রিয়ার প্রতি গভীর ভালোবাসা ও অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন।

(খ) «هَلِ الحَدَثُ الحَمْرَاءُ تَعْرِفُ لَوْنَهَا * وَتَعْلَمُ أَيُّ السَّاقِيَيْنِ الغَمَائِمُ»

[২. (খ) “লাল দুর্গ ‘আল-হাদাস’ কি তার প্রকৃত রক্তিম রং জানে, এবং সে কি জানে তার তৃষ্ণা নিবারণকারী দুই মেঘমালার মধ্যে কোনটি আসল মেঘ?”]

কাব্যিক প্রেক্ষাপট ও ভাবার্থ:
এটি আবুল তাইয়্যিব আল-মুতানাব্বীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বীরত্বগাঁথা কবিতা। সাইফুদ্দৌলা আল-হামদানী রোমানদের হাত থেকে আল-হাদাস দুর্গ পুনরুদ্ধার করেন। দুর্গটির নাম ছিল ‘লাল দুর্গ’। কবি রূপক অলংকারে বলছেন—দুর্গটি আজ তার প্রাচীরে শত্রুসেনাদের ঝরে পড়া লাল রক্তে ভিজে আসল রক্তিম রূপ পেয়েছে। এখানে এক মেঘ হলো আকাশের বারিপাত আর অন্য মেঘ হলো সাইফুদ্দৌলার রক্তক্ষয়ী তরবারি।

(গ) «يُحَدِّثُنَا عَمَّا يَكُونُ مُنَجِّمٌ * وَيَكْذِبُ مَا يَأْتِيهِ وَالقَوْلُ آثِمُ»

[২. (গ) “জ্যোতিষী আমাদের ভবিষ্যতের আগাম বার্তা শোনায়, কিন্তু তার কাছে যা কিছু আসে তা মিথ্যা প্রমাণিত হয় এবং তার ভবিষ্যৎবাণী সম্পূর্ণরূপে পাপযুক্ত।”]

কাব্যিক প্রেক্ষাপট ও ভাবার্থ:
আব্বাসীয় কবি আবু তাম্মাম তাঁর ‘আম্মুরিয়াহ বিজয়ের কাসীদায়’ এই পঙক্তি উচ্চারণ করেন। আম্মুরিয়াহ আক্রমণের পূর্বে জ্যোতিষীরা খলীফা মু’তাসিম বিল্লাহকে সতর্ক করেছিল যে এখন যুদ্ধ করলে পরাজয় নিশ্চিত। কিন্তু খলীফা সেই কুসংস্কার উড়িয়ে দিয়ে তরবারির শক্তিতে ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেন। কবি প্রমাণ করেন যে ভবিষ্যৎ একমাত্র আল্লাহর হাতে, জ্যোতিষীর গণনা প্রতারণা ছাড়া কিছুই নয়।


٣- اشرح بالعربية اثنين مما يلي:

[৩. নিচের চরণগুলো থেকে যেকোনো দুটির তাৎপর্যপূর্ণ আরবি ব্যাখ্যা লেখ:]

(أ) «لِسَانُ الفَتَى نِصْفٌ وَنِصْفٌ فُؤَادُهُ * فَلَمْ يَبْقَ إِلَّا صُورَةُ اللَّحْمِ وَالدَّمِ»

[৩. (ক) মানুষের আসল অস্তিত্ব তার জিহ্বা ও অন্তর…]

الشرح الأدبي:
هَذَا البَيْتُ الخَالِدُ مِنْ حِكَمِ الشَّاعِرِ الحَكِيمِ زُهَيْرِ بْنِ أَبِي سُلْمَى فِي مُعَلَّقَتِهِ. يُقَرِّرُ الشَّاعِرُ حَقِيقَةَ الإِنْسَانِ وَجَوْهَرَهُ، فَيَقُولُ: إِنَّ قِيمَةَ المَرْءِ وَفَضْلَهُ لَا يَقُومَانِ عَلَى ضَخَامَةِ جَسَدِهِ أَوْ حُسْنِ مَظْهَرِهِ، وَإِنَّمَا يَتَقَوَّمُ الإِنْسَانُ بِعُنْصُرَيْنِ جَوْهَرِيَّيْنِ: لِسَانِهِ الَّذِي يُعَبِّرُ بِهِ عَنِ البَيَانِ وَالحِكْمَةِ، وَقَلْبِهِ الَّذِي يَعْقِلُ بِهِ الحَقَائِقَ وَيَخْتَزِنُ الشَّجَاعَةَ وَالإِيمَانَ؛ فَإِذَا خَلَا الإِنْسَانُ مِنْ نُطْقٍ سَدِيدٍ وَفُؤَادٍ بَصِيرٍ، لَمْ يَكُنْ سِوَى هَيْكَلٍ عَظْمِيٍّ صُورِيٍّ مِنْ لَحْمٍ وَدَمٍ لَا قِيمَةَ لَهُ.

(ب) «لَرَأَيْنَا مُسْتَيْقِظِينَ أُمُورًا * حَسِبْنَا أَنْ تَكُونَ رُؤْيَا مَنَامِ»

[৩. (খ) ابن الرومي في رثاء البصرة]

الشرح الأدبي:
يَصِفُ ابْنُ الرُّومِيِّ الفَوَاجِعَ المُرَوِّعَةَ الَّتِي حَلَّتْ بِمَدِينَةِ البَصْرَةِ إِبَّانَ فِتْنَةِ الزَّنْجِ؛ حَيْثُ رَأَى النَّاسُ بِأَعْيُنِهِمْ فِي حَالَةِ اليَقَظَةِ مِنْ أَهْوَالِ القَتْلِ وَالدَّمَارِ وَسَفْكِ الدِّمَاءِ مَا كَانُوا يَظُنُّونَ أَنَّهُ كَابُوسٌ أَوْ أَضْغَاثُ أَحْلَامٍ لَا يُمْكِنُ أَنْ تَقَعَ فِي الوَاقِعِ، لِشِدَّةِ هَوْلِهَا وَفَظَاعَتِهَا.

(ج) «ذَكَرَ الصَّبُوحَ بِسَحْرَةٍ فَارْتَاحَا * وَأَمَاتَ لَيْلَ هُمُومِهِ فَاسْتَرَاحَا»

[৩. (গ) خمريات أبي نواس]

الشرح الأدبي:
يُعَبِّرُ أَبُو نُوَاسٍ عَنْ مَذْهَبِهِ الخَمْرِيِّ؛ حَيْثُ تَذَكَّرَ شُرْبَ الخَمْرِ فِي وَقْتِ السَّحَرِ قَبْلَ بُزُوغِ الفَجْرِ، فَنَشَطَتْ نَفْسُهُ وَفَرِحَتْ، وَاسْتَطَاعَ بِذَلِكَ أَنْ يَقْضِيَ عَلَى أَحْزَانِ اللَّيْلِ وَهُمُومِ الدُّنْيَا، طَالِبًا الرَّاحَةَ وَالنَّشْوَةَ الزَّائِفَةَ فِي كَأْسِهِ.


٤- أجب عن اثنين من الأسئلة التالية بالعربية:

[৪. নিচের প্রশ্নগুলো থেকে যেকোনো দুটির প্রামাণ্য আরবি উত্তর দাও:]

(أ) ما هي المعلقات؟ ولم سميت بذلك؟ وكم عددها؟

[৪. (ক) মুআল্লাকাত কী? এ নামকরণের কারণ এবং এর সংখ্যা কত?]

الجواب:
تَعْرِيفُ المَعَلَّقَاتِ: هِيَ قَصَائِدُ طِوَالٌ مِنْ عُيُونِ الشِّعْرِ الجَاهِلِيِّ، بَلَغَتِ الذِّرْوَةَ فِي الفَصَاحَةِ وَالبَلَاغَةِ وَتَصْوِيرِ الحَيَاةِ العَرَبِيَّةِ القَدِيمَةِ.
سَبَبُ التَّسْمِيَةِ: سُمِّيَتْ بِالمُعَلَّقَاتِ لِأَنَّهَا كُتِبَتْ بِمَاءِ الذَّهَبِ عَلَى أَقْمِشَةِ القَبَاطِيِّ وَعُلِّقَتْ عَلَى أَسْتَارِ الكَعْبَةِ المُشَرَّفَةِ إِعْجَابًا بِهَا وَتَشْرِيفًا، وَقِيلَ: لِأَنَّهَا كَانَتْ تَعْلَقُ بِالأَذْهَانِ وَالقُلُوبِ لِسُهُولَةِ حِفْظِهَا وَجَوْدَتِهَا.
عَدَدُهَا: المَشْهُورُ عِنْدَ جُمْهُورِ الرُّوَاةِ أَنَّهَا سَبْعٌ، وَأَصْحَابُهَا: امْرُؤُ القَيْسِ، طَرَفَةُ بْنُ العَبْدِ، زُهَيْرُ بْنُ أَبِي سُلْمَى، لَبِيدُ بْنُ رَبِيعَةَ، عَمْرُو بْنُ كُلْثُومٍ، عَنْتَرَةُ بْنُ شَدَّادٍ، وَالحَارِثُ بْنُ حِلِّزَةَ. وَزَادَ بَعْضُهُمْ ثَلَاثَةً (النَّابِغَةَ الذُّبْيَانِيَّ، الأَعْشَى، وَعَبِيدَ بْنَ الأَبْرَصِ) فَتَصِيرُ عَشْرًا.

(ب) من هو المتنبي؟ ولم لقب بالمتنبي؟

[৪. (খ) আল-মুতানাব্বী কে এবং তাঁকে কেন মুতানাব্বী বলা হয়?]

الجواب:
هُوَ: أَبُو الطَّيِّبِ أَحْمَدُ بْنُ الحُسَيْنِ الجُعْفِيُّ الكِنْدِيُّ، وُلِدَ بِالكُوفَةِ فِي مَحَلَّةِ كِنْدَةَ سَنَةَ ٣٠٣ هـ. وَهُوَ شَاعِرُ العَرَبِيَّةِ الأَكْبَرُ وَنَادِرَةُ زَمَانِهِ، وَصَاحِبُ الأَمْثَالِ السَّائِرَةِ وَالحِكَمِ الخَالِدَةِ.
سَبَبُ لَقَبِهِ: لُقِّبَ بِـ «المُتَنَبِّي» لِأَنَّهُ ادَّعَى النُّبُوَّةَ فِي بَادِيَةِ السَّمَاوَةِ فِي شَبَابِهِ وَاتَّبَعَهُ بَعْضُ أَهْلِ البَادِيَةِ، فَحَبَسَهُ لُؤْلُؤٌ أَمِيرُ حِمْصَ حَتَّى تَابَ وَرَجَعَ عَنْ دَعْوَاهُ، وَقِيلَ لُقِّبَ بِذَلِكَ لِقَوْلِهِ: «أَنَا فِي أُمَّةٍ أَرَاكِ تَرَاكِ * صَاغَ فِي نُبْأَةِ الكَلَامِ نَبِيًّا» لِشِدَّةِ بَلَاغَتِهِ وَعُلُوِّ كَعْبِهِ فِي الشِّعْرِ.

(ج) من هو شاعر الفلسفة في الأدب العربي؟ تحدث عنه بإيجاز-

[৪. (গ) আরবি সাহিত্যের দার্শনিক কবি কে? তাঁর সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।]

الجواب:
شَاعِرُ الفَلْسَفَةِ الأَوَّلُ فِي الأَدَبِ العَرَبِيِّ هُوَ «أَبُو العَلَاءِ المَعَرِّيُّ» (أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سُلَيْمَانَ المَعَرِّيُّ، تُوُفِّيَ ٤٤٩ هـ). كَانَ ضَرِيرًا رَهِينَ المَحْبَسَيْنِ (مَحْبَسِ العَمَى وَمَحْبَسِ البَيْتِ). تَمَيَّزَ شِعْرُهُ بِالتَّأَمُّلِ العَمِيقِ فِي مَصِيرِ الإِنْسَانِ وَحَقِيقَةِ الوُجُودِ وَالمَوْتِ، وَمِنْ أَبْرَزِ آثَارِهِ دِيوَانُ «سِقْطُ الزَّنْدِ» وَ«اللُّزُومِيَّاتُ» وَرِسَالَةُ «الغُفْرَانِ». كَمَا يُعَدُّ أَبُو تَمَّامٍ وَالمُتَنَبِّي مِنْ شُعَرَاءِ الفَلْسَفَةِ وَالحِكْمَةِ العَقْلِيَّةِ أَيْضًا.


٥- أجب عن أربعة من الأسئلة التالية:

[৫. নিচের প্রশ্নগুলো থেকে যেকোনো চারটির বিশদ উত্তর দাও:]

(أ) اكتب خلاصة معلقة زهير بن أبي سلمى المزني-

[৫. (ক) জুহাইর ইবনে আবি সুলমার মুআল্লাকার সারসংক্ষেপ লেখ।]

জুহাইর ইবনে আবি সুলমা হলেন জাহেলী যুগের শ্রেষ্ঠ শান্তির কবি। তাঁর মুআল্লাকাটি রচিত হয়েছিল ‘দাহিস ও গাবরা’র রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ অবসানের প্রেক্ষাপটে।
মূল বিষয়বস্তু:
১. আত্বলাল বা স্মৃতিচারণ: প্রিয়া উম্মে আওফার পরিত্যক্ত ভিটেমাটি দর্শনে গভীর বিরহ প্রকাশ।
২. শান্তিদূতদের স্তুতি: হরম ইবনে সিনান এবং আল-হারিস ইবনে আওফ—এই দুই মহান নেতা নিজেদের সম্পদ থেকে তিন হাজার উট প্রদান করে গোত্রীয় যুদ্ধ থামিয়েছিলেন। কবি তাঁদের অকুন্ঠ প্রশংসা করেন।
৩. যুদ্ধের ভয়াবহতা: যুদ্ধকে একটি আগ্রাসী রাক্ষসীর সাথে তুলনা করে কবি বলেন, যুদ্ধ কোনো কল্যাণ আনে না, কেবল ধ্বংস ডেকে আনে।
৪. নৈতিক উপদেশ ও প্রজ্ঞা: দীর্ঘ ৮০ বছর বেঁচে থাকার অভিজ্ঞতা থেকে কবি জীবনের নিখুঁত সত্য ও উপদেশমালা উপহার দেন (যেমন—যে ব্যক্তি বিনয়ী হয় সে সম্মানিত হয়, ইত্যাদি)।

(খ) تحدث عن خصائص شعر المتنبي ومكانته الأدبية-

[৫. (খ) আল-মুতানাব্বীর কাব্যের বৈশিষ্ট্য ও সাহিত্যিক মর্যাদা।]

সাহিত্যিক মর্যাদা: আল-মুতানাব্বী হলেন আরবি সাহিত্যের সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। তাঁর সম্পর্কে বলা হয়: «مَلَأَ الدُّنْيَا وَشَغَلَ النَّاسَ» (তিনি বিশ্ব কাঁপিয়েছেন এবং মানুষকে মুগ্ধতায় ব্যস্ত রেখেছেন)।
কাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. হিম্মত ও আত্মমর্যাদাবোধ: তাঁর কবিতায় পৌরুষত্ব, আত্মবিশ্বাস ও বীরত্ব ধ্বনিত হয়।
২. দার্শনিক প্রজ্ঞা ও দৃষ্টান্ত (الأمثال والحكم): তাঁর বহু পঙক্তি প্রবাদবাক্য হিসেবে গোটা বিশ্বে প্রচলিত।
৩. যুদ্ধ ও বীরত্বগাথা (الحماسة): সাইফুদ্দৌলার যুদ্ধক্ষেত্রের নিখুঁত ও জীবন্ত চিত্রাঙ্কন।
৪. শক্তিশালী শব্দচয়ন ও ধ্বনিমাধুর্য: কঠিন ও ভাবগম্ভীর শব্দের অভূতপূর্ব সমন্বয়।

(গ) اكتب عن ابن زيدون وقصيدته النونية الشهيرة في نجدة الأندلس-

[৫. (গ) ইবনে যায়দুন এবং তাঁর বিখ্যাত নূনিয়্যাহ কাসীদা।]

আবু উমর আহমদ ইবনে যায়দুন ছিলেন আন্দালুসের (মুসলিম স্পেন) শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক ও জাতীয় কবি। কর্ডোভার রাজকুমারী ও বিদুষী কবি ওয়াল্লাদাহ বিনতে আল-মুসতাকফীর সাথে তাঁর অমর প্রেম ও বিরহ সাহিত্যের এক কালজয়ী অধ্যায়।
তাঁর সুপ্রসিদ্ধ নূনিয়্যাহ কাসীদা «أَضْحَى التَّنَائِي بَدِيلًا مِنْ تَدَانِينَا * وَنَابَ عَنْ طِيبِ لُقْيَانَا تَجَافِينَا» বিরহ সাহিত্যের এক অতুলনীয় শিখর। এতে তিনি প্রিয়ার বিরহ এবং একই সাথে আন্দালুসের রাজনৈতিক সংকট ও পারস্পরিক অনৈক্যের মর্মান্তিক চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন।

(ঘ) اكتب نبذة عن حياة الشاعر البحتري وخصائص شعره-

[৫. (ঘ) মহাকবি আল-বুহতরীর জীবন ও কাব্যরীতি।]

আবু উবাদাহ আল-ওয়ালীদ ইবনে উবাইদ আল-বুহতরী আনুমানিক ২০৬ হিজরীতে সিরিয়ার মানবিজে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আব্বাসীয় যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গীতিকবি। তিনি খলীফা মুতাওয়াক্কিলের রাজকবি ছিলেন।
কাব্যরীতি: আল-বুহতরীর কবিতাকে ‘মুসিকে বা সঙ্গীতের ঝর্ণাধারা’ বলা হয়। তাঁর কবিতার ভাষা অত্যন্ত সহজ, মিষ্টি ও অলংকারসমৃদ্ধ। তাঁর বিখ্যাত ‘সীনিয়্যাহ’ কাসীদায় তিনি পারস্যের মাদায়েনের প্রাচীন ভগ্ন রাজপ্রাসাদ (আইওয়ানে কিসরা) দর্শনের ঐতিহাসিক স্মৃতিচারণ করেন।

(هـ) بين مضامين قصيدة ابن الرومي ‘رثاء البصرة’ (أي نوم)-

[৫. (ঙ) ইবনুর রুমীর ‘রিসাউল বাসরা’ (বসরার শোকগাথা) কবিতার মূলভাব।]

আলী ইবনে আব্বাস ইবনুর রুমী ছিলেন আব্বাসীয় যুগের চিত্রধর্মী শোকগাথার অপ্রতিদ্বন্দ্বী রূপকার। ২৫৭ হিজরীতে জাঞ্জদের (আফ্রিকান দাস বিদ্রোহ) বর্বর হামলায় তিলোত্তমা বসরা নগরী সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয় এবং লক্ষ লক্ষ নিরীহ মানুষ নিহত হন। এই মর্মান্তিক ধ্বংসযজ্ঞ দেখে ইবনুর রুমী রচনা করেন তাঁর বিখ্যাত কাসীদা «أَيُّ نَوْمٍ مِنْ بَعْدِ مَا حَلَّ بِالبَصْرَةِ»। কবিতার মূলভাব হলো: প্রিয় শহরের মসজিদ-মাদ্রাসা ধ্বংসের আর্তনাদ, নারীর সম্ভ্রমহানি, রক্তের গঙ্গা এবং মুসলিম উম্মাহর নির্লিপ্ততার প্রতি তীব্র ধিক্কার।

(و) اكتب عن حياة أبي نواس وخمرياته وموقفه منها في أواخر حياته-

[৫. (চ) আবু নুওয়াসের জীবন, মদ্যকাব্য এবং শেষ জীবনের তওবা।]

হাসান ইবনে হানি আবু নুওয়াস ১৪৫ হিজরীতে পারস্যের আহওয়াজে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন আব্বাসীয় নবধারার সাহিত্যের অগ্রনায়ক। তিনি প্রাচীন মরুভূমির স্মৃতিচারণ (আত্বলাল) প্রত্যাখ্যান করে শহুরে ভোগবিলাস ও মদ্যকাব্য (খামরিয়্যাত)-এর সূচনা করেন।
শেষ জীবনের তওবা ও যুহদিয়াত: যৌবনে উশৃঙ্খল জীবনযাপন করলেও জীবনের শেষভাগে তিনি চরম অনুতপ্ত হয়ে মহান আল্লাহর দরবারে খাঁটি তওবা করেন। শেষ বয়সে তাঁর রচিত মোনাজাত ও তওবার কবিতাগুলো (الزهديات) অত্যন্ত আবেগঘন ও হৃদয়ে দোলা দেয়। মৃত্যুকালে তাঁর বালিশের নিচে পাওয়া গিয়েছিল বিখ্যাত সেই পঙক্তি: «يَا رَبِّ إِنْ عَظُمَتْ ذُنُوبِي كَثْرَةً * فَلَقَدْ عَلِمْتُ بِأَنَّ عَفْوَكَ أَعْظَمُ» (হে রব! আমার পাপ যদি অগণিতও হয়, তবে আমি নিশ্চিত জানি যে আপনার ক্ষমা তার চেয়েও বহুগুণ মহান!)।


সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. ফাজিল ৩য় বর্ষের আশ-শিরুল কাদীম-২ বিষয়ের বিষয় কোড কত?

ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাজিল (অনার্স) ৩য় বর্ষের আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের আশ-শিরুল কাদীম-২ পত্রের কোড হলো ২০৪৩০৫।

২. জাহেলী যুগের শ্রেষ্ঠ শান্তির কবি কাকে বলা হয়?

মুআল্লাকার অন্যতম রচয়িতা জুহাইর ইবনে আবি সুলমা আল-মুযানীকে শান্তির কবি বলা হয়।

৩. আল-মুতানাব্বী কোন দরবারের রাজকবি ছিলেন?

তিনি আলেপ্পোর (হালব) হামদানী শাসক সাইফুদ্দৌলা আল-হামদানীর রাজকবি ছিলেন।

৪. ‘রিসাউল বাসরা’ বা বসরার শোকগাথা কার রচনা?

আব্বাসীয় যুগের বিখ্যাত কবি ইবনুর রুমী (علي بن العباس بن الرومي) এটি রচনা করেন।

৫. মুআল্লাকার সর্বমোট সংখ্যা কতটি বলে সর্বাধিক প্রসিদ্ধ?

সর্বাধিক বিশুদ্ধ ও প্রসিদ্ধ মতানুসারে মুআল্লাকা ৭টি, তবে কারও মতে ১০টি।

৬. আন্দালুসের শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক কবি হিসেবে কে পরিচিত?

কর্ডোভার কবি ইবনে যায়দুন (ابن زيدون) আন্দালুসের শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে পরিচিত।

টেলিটক ছবি ও স্বাক্ষর রিসাইজার (৩০০×৩০০ ও ৩০০×৮০)
সরকারি চাকরি ও ভর্তির অনলাইন আবেদনের জন্য ছবি ও সইয়ের মাপ ঠিক রাখুন ১০০% নির্ভুলভাবে।
ছবি ও সই রিসাইজ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *