জরুরি নোটিশ 🔔 নতুন: ২০২৬ সালের সকল শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ও গাইড বই প্রকাশিত হয়েছে!

আশ-শিরুল কাদিম-২ (Ash-Shirul-Qadim-2) – 204305, আরবি ভাষা ও সাহিত্য – ফাজিল অনার্স ৩য় বর্ষ পরীক্ষা ২০২১

Abswer.com Abswer.com
20 September, 2026
৪০ মিনিট পড়ার সময়
৬ বার পঠিত

সরাসরি Telegram-এ সকল বই ও সাজেশন পান!

আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে সবার আগে নতুন বই ও রুটিন ডাউনলোড করুন।

টেলিগ্রামে যুক্ত হোন 🚀

ফাজিল (স্নাতক) সম্মান ৩য় বর্ষ পরীক্ষা ২০২১
বিভাগ: আরবি ভাষা ও সাহিত্য
বিষয়: প্রাচীন কবিতা-২ (الشعر القديم-2)
বিষয় কোড: ২০৪৩০৫ | পূর্ণমান: ৮০ | সময়: ৪ ঘণ্টা

مجموعة (أ) – রচনামূলক প্রশ্ন ও সমাধান

١- ترجم هذه الأبيات الآتية (ثلاثا فقط):

[১. নিচের কবিতাংশগুলো থেকে যেকোনো তিনটির প্রাঞ্জল ভাবার্থ ও বিশদ ব্যাখ্যা লেখ:]


(الف)
تبصر خليلي هل ترى من ظعائن * تحملن بالعلياء من فوق جرثم
جعلن القنان عن يمين وحزنه * وكم بالقنان من محل ومحرم
علون بأنماط عتاق وكلّة * وراد حواشيها مشاكلة الدم
ظهرن من السوبان ثم جزعنه * على كل قيني قشيب ومفأم-

[১ (ক). হে আমার অন্তরঙ্গ বন্ধু! চেয়ে দেখো, তুমি কি উটের পিঠে আরোহিত মহিলাদের সেই কাফেলা দেখতে পাচ্ছ, যারা উঁচু ভূমির উপর দিয়ে জুরসুমের জলধারার ওপর দিয়ে এগিয়ে চলেছে? তারা কানান পাহাড় ও এর অসমতল পথকে তাদের ডানপাশে রেখেছে; আর কানান উপত্যকায় কত পরিচিত প্রিয়জন ও পরদেশী আশ্রয় গ্রহণ করে থাকে! তারা হাওদার ওপর মূল্যবান সূক্ষ্ম কারুকার্যময় রেশমি চাদর ও লোহিত বর্ণের পর্দা বিছিয়েছে, যার প্রান্তদেশ জমাট রক্তের মতো লাল বর্ণ ধারণ করেছে। অতঃপর তারা সুবান উপত্যকা অতিক্রম করল অত্যন্ত পরিপাটি ও নতুন সজ্জিত সুসজ্জিত হাওদায় আরোহণ করে।]


(ب)
يحدثنا عما يكون منجم * ولم يدر إلا الله ما هو كائن
ويذكر من شأن القرآن شدائدا * وفي أي دهر لم تُبَتَّ القرائن
أرى الحيرة البيضاء حارت قصورها * خلاء ولم تثبت لكسرى المدائن
وهجَّنَ لذات الملوك زوالُها * كما غدرت بالمنذرين الهجائن-

[১ (খ). জ্যোতিষী আমাদের অনাগত ভবিষ্যৎ সম্পর্কে গণনা করে শোনায়, অথচ আল্লাহ তায়ালা ছাড়া কেউ জানে না ভবিষ্যতে কী ঘটতে যাচ্ছে! সে দুর্যোগ ও বিপর্যয়কর পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে, কিন্তু এমন কোন যুগ আছে যেখানে বিপদাপদের পূর্বাভাস ও লক্ষণসমূহ প্রকাশিত হয়নি? আমি দেখছি ঐতিহাসিক শ্বেতশুভ্র হীরা নগরীর সুরম্য অট্টালিকাসমূহ আজ হতবিহ্বল ও জনশূন্য ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে, আর পারস্যের প্রতাপশালী কিসরাদের রাজধানী মাদাইনও চিরস্থায়ী হয়নি। পৃথিবীর এই নশ্বর পতন বাদশাহদের যাবতীয় ভোগ-বিলাসকে অর্থহীন ও ধিক্কৃত করে দিয়েছে, ঠিক যেভাবে সাধারণ নীচ শ্রেণীর সৈন্যরা মুনযির রাজাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল।]


(ج)
يفدى أتم الطير عمرا سلاحه * نسور الملا أحداثها والقشاعم
وما ضرها خلق بغير مخالب * وقد خلقت أسيافه والقوائم
هل الحدث الحمراء تعرف لونها * وتعلم أي الساقيين الغمائم
سقتها الغمام الغر قبل نزوله * فلما دنا منها سقتها الجماجم-

[১ (গ). মরুভূমির নবীন ও প্রাচীন দীর্ঘায়ুপ্রাপ্ত শকুন ও ঈগল পাখি সাইফুদ্দৌলার অসির প্রতি উৎসর্গিত হতে চায়; কারণ তাঁর তরবারিই তাদের সর্বদা আহার জুগিয়ে থাকে! শকুনদের কোনো নখ বা থাবা ছাড়া সৃষ্টি করা হলেও তাদের কোনো ক্ষতি হয়নি, কারণ সাইফুদ্দৌলার ধারালো তরবারি ও বীরত্বপূর্ণ বাহুযুগল তাদের শিকারের বিকল্প হিসেবে তৈরি হয়েছে। রক্তিম দুর্গ ‘হাদাস’ কি আজ নিজের আসল রং চিনতে পারছে, আর সে কি জানে মেঘের বারিধারা এবং সাইফুদ্দৌলার অসির মধ্যে কে তাকে প্রকৃত পানি পান করিয়েছে? তাঁর আগমনের পূর্বে তো সাদা মেঘমালা তাকে বৃষ্টি দান করত; কিন্তু তিনি যখন ময়দানে উপস্থিত হলেন, তখন শত্রুসেনার কর্তিত মাথার খুলি ও প্রবাহিত রক্তের বন্যা তাকে প্লাবিত করল।]


(د)
دع الألبان يشربها رجال * رقيق العيش بينهم غريب
إذا راب الحليب قُبِلْ عليه * ولا تحرج فما في ذاك حوب
فأطيب منه صافية شمول * يطوف بكأسها ساق أديب
أقامت حقبة في قعر دنّ * تفور وما يحس لها لهيب-

[১ (ঘ). বেদুইন পুরুষদের জন্য দুধ পান করা ছেড়ে দাও, যাদের জীবনে আরাম-আয়েশ ও সভ্য সংস্কৃতির লেশমাত্র নেই। যখন দুধ টক বা নষ্ট হয়ে যায়, তখনও তারা সানন্দে তা পান করে এবং কোনো পাপ বা অসঙ্কোচ বোধ করে না। অথচ এর চেয়ে কতই না উত্তম সুরভিত স্বচ্ছ পানীয়, যার পেয়ালা হাতে নিয়ে সুশ্রী ও মার্জিত পরিবেশক ঘুরে ঘুরে পরিবেশন করে। যা দীর্ঘকাল ধরে মাটির মটকার তলদেশে সংরক্ষিত ছিল, যা আলোড়িত হয় কিন্তু যার কোনো দৃশ্যমান অগ্নিশিখা অনুভব করা যায় না।]


(هـ)
إن هذا من الأمور لأمر * كاد أن لا يقوم في الأوهام
لرأينا مستيقظين أمورًا * حسبنا أن تكون رؤيا منام
أقدم الخائن اللعين عليها * وعلى الله أيّما إقدام
وتسمى بغير حق إماما * ولا هدى الله سعيه من إمام-

[১ (ঙ). নিশ্চয়ই এই ঘটনাটি এমন এক বিস্ময়কর ও নজিরবিহীন বিপর্যয় যা সাধারণ কল্পনার ভেতরেও ধারণ করা অসম্ভব! আমরা জাগ্রত অবস্থায় স্বচক্ষে এমন সব বিভীষিকাময় দৃশ্য অবলোকন করলাম, যা আমরা কেবল দুঃস্বপ্নের মধ্যেই সম্ভব বলে ভাবতাম। সেই অভিশপ্ত বিশ্বাসঘাতক এমন এক ধৃষ্টতাপূর্ণ কুকর্মে লিপ্ত হয়েছে এবং মহান আল্লাহর বিরুদ্ধে চরম ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করেছে। সে অন্যায়ভাবে নিজেকে মুসলমানদের ইমাম ও নেতা বলে দাবি করেছে; আল্লাহ তায়ালা কখনোই এমন ভণ্ড নেতার অপচেষ্টাকে সফল করবেন না!]

٢- اشرح من الأبيات التالية (اثنين فقط):

[২. নিচের কবিতাংশগুলো থেকে যে কোনো দুটির ব্যাখ্যা কর:]


(الف) أمن أم أوفى دمنة لم تكلم * بحومانة الدراج فالمتথلم-

[২ (ক). উম্মে আওফার পরিত্যক্ত স্মৃতিচিহ্নগুলো কি হাওমানাতুদ দাররাজ ও মুতাসালাম নামক প্রান্তরে নিথর ও নির্বাক দাঁড়িয়ে আছে?]

ব্যাখ্যা:
এটি জাহেলি যুগের প্রখ্যাত কবি জুহাইর ইবনে আবি সুলমার বিখ্যাত মুয়াল্লাকার উদ্বোধনী পঙ্ক্তি। জাহেলি কবিদের রীতি অনুযায়ী কবি তাঁর প্রাক্তন প্রিয়া ‘উম্মে আওফা’-এর স্মৃতিবিজড়িত বিরান মরুভূমির ধ্বংসাবশেষ (আত্বলাল) দেখে গভীর আবেগ প্রকাশ করেছেন। দীর্ঘ বিশ বছর পর কবি সেই স্থানে এসে প্রিয়ার তাঁবুর চিহ্ন ও উনুনের কালো পাথর দেখে বেদনাভ্রান্ত চিত্তে অতীতের সুখস্মৃতি স্মরণ করছেন। এটি কেবল প্রেমের স্মৃতিচারণ নয়, বরং মানবজীবনের ক্ষণস্থায়িত্ব ও সময়ের পরিবর্তনের এক বিষাদময় কাব্যিক দর্শন।


(ب) ولا تأخذ عن الأعراب لهوًا * ولا عيشًا فعيشهم جديب-

[২ (খ). বেদুইনদের কাছ থেকে বিনোদন গ্রহণ করো না এবং তাদের মতো জীবনযাপনও গ্রহণ করো না; কারণ তাদের জীবন অত্যন্ত শুষ্ক ও রূঢ়।]

ব্যাখ্যা:
এটি আব্বাসীয় যুগের আধুনিকতাবাদী কবি আবু নুওয়াসের এক যুগান্তকারী সমালোচনামূলক শ্লোক। তিনি জাহেলি যুগের মরুচারী বেদুইনদের শুষ্ক ও কষ্টকর জীবনযাত্রার বিপরীতে বাগদাদের উন্নত, মার্জিত ও নগরকেন্দ্রিক সভ্যতাকে তুলে ধরেছেন। কবি বলতে চান, মরুভূমির রুক্ষ মানুষেরা সভ্য সমাজের পরিশীলিত রুচি ও সৌন্দর্যের মর্ম বোঝে না; তাই তাদের জীবনদর্শন আধুনিক মানুষের জন্য আদর্শ হতে পারে না। এটি মূলত প্রাচীন মরু সংস্কৃতির বিরুদ্ধে শহুরে নাগরিক জীবনের বিদ্রোহের প্রতীক।


(ج) لسان الفتى نصف ونصف فؤاده * فلم يبق إلا صورة اللحم والدم-

[২ (গ). যুবকের অর্ধেক সত্তা হলো তার জিহ্বা (বাকশক্তি) এবং বাকি অর্ধেক তার অন্তঃকরণ (জ্ঞান ও প্রজ্ঞা); এছাড়া বাকিটুকু নিছক রক্ত ও মাংসের অবয়ব।]

ব্যাখ্যা:
জুহাইর ইবনে আবি সুলমার মুয়াল্লাকার এই বিখ্যাত প্রবাদতুল্য পঙ্ক্তিটি মানুষের প্রকৃত মূল্যায়নের মানদণ্ড নির্ধারণ করে। কবির মতে, মানুষের বাইরের রূপ-সৌন্দর্য বা স্থূল দৈহিক গঠন তার শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে না। একজন মানুষের আসল পরিচয় নিহিত থাকে দুটি জিনিসের মধ্যে—তার মার্জিত ও সত্যনিষ্ঠ বাকশক্তি (জিহ্বা) এবং তার বিবেক, সততা ও প্রজ্ঞাময় হৃদয় (অন্তর)। এই দুটি গুণ যদি কোনো ব্যক্তির না থাকে, তবে সে নিছক এক খণ্ড মাংসপিণ্ড ছাড়া আর কিছুই নয়।

٣- اشرح باللغة العربية من الأبيات التالية (اثنين فقط):

[৩. নিচের কবিতাংশগুলো থেকে যে কোনো দুটির আরবিতে ব্যাখ্যা কর:]


(الف) لعمرى لقد خادعت نفسي برهة * وصدقت في أشياء من هو مائن-

[৩ (ক). আমার জীবনের শপথ! আমি দীর্ঘকাল নিজেকে প্রতারিত করেছি এবং বহু বিষয়ে মিথ্যুকের কথা সত্য বলে বিশ্বাস করেছি।]

الشرح بالعربية:
يقسم الشاعر بحياته في نبرة مليئة بالندم والاعتراف بالخطأ والحسرة على ما مضى من العمر في الغفلة وحسن الظن بمن لا يستحق. والمعنى: أقسم بعمري لقد انخدعتُ طويلاً بالأماني الكاذبة والأوهام الزائفة، وصدّقتُ أقوال المنافقين والكذابين الذين يظهرون الصداقة والوفاء ويبطنون المكر والخيانة. ولكنه بعد أن جرّب صروف الدهر واختبر حقيقة الناس، استيقظت بصيرته وزالت الغشاوة عن عينيه، فعلم أن الاعتماد على وعود اللئام جهل وخسران، وأن الحكمة تقتضي تمييز الصادق من الكاذب قبل الوقوع في شباك الخديعة.


(ب) ذاد عن مقلتي لذيذ المنام * شغلها عنه بالدموع السجام-

[৩ (খ). অশ্রুর অবিরাম বর্ষণ আমার চোখের পাতা থেকে মধুর নিদ্রাকে তাড়িয়ে দিয়েছে।]

الشرح بالعربية:
يصور الشاعر في هذا البيت شدة الحزن والأسى واللوعة التي حلت بقلبه حتى حرمته لذة النوم والراحة. والمعنى: أن الهموم المتراكمة والمصائب الجليلة قد طردت الكرى عن عينيه، فبات ساهراً يعاني ألم الفراق أو لوعة النكبة، ولم يعد لعينيه شأن طوال الليل إلا سكب الدموع الغزيرة المتتابعة التي لا تنقطع كالمطر الساكب. فالدموع المستمرة هي التي شغلت مقلتيه عن أن تنعما بالغموض، وفي هذا البيت كناية بديعة واستعارة مؤثرة تعكس صدق المعاناة النفسية وثقل الألم في أعماق الشاعر.


(ج) دع الأطلال تسفيها الجنوب * وتبلى عهد جدتها الخطوب-

[৩ (গ). প্রাচীন স্মৃতিচিহ্নগুলোকে ত্যাগ করো—দক্ষিণা বাতাস তার ওপর ধূলি উড়িয়ে দিক এবং কালের দুর্যোগ তার নবীনত্বকে বিলীন করে দিক!]

الشرح بالعربية:
يمثل هذا البيت ثورة أدبية صريحة قادها الشاعر أبو نواس ضد المنهج التقليدي للقصيدة العربية القديمة، الذي كان يفرض على الشاعر أن يبدأ قصيدته بالبكاء على الأطلال والديار الخالية في الصحراء. يقول الشاعر: اتركوا تلك الديار البالية والآثار الدارسة للرياح الجنوبية تسفي عليها الرمال وتدفن معالمها، ودعوا عوادي الدهر ونوائبه تمحو ما تبقى من حداثتها؛ فإن الوقوف على التراب والبكاء على الأحجار البالية لا يرجع حبيباً ولا ينفع حياً، وعليكم بدلاً من ذلك بالإقبال على مباهج الحياة الحاضرة ومجالس الأنس الحية في المدن الحاضرة.

مجموعة (ب) – সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন ও সমাধান

٤- أجب عن اثنين من الأسئلة التالية باللغة العربية:

[৪. নিচের যে কোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর আরবিতে দাও:]


(الف) كم عددًا للمعلقة؟ من هم أصحاب المعلقة؟ بين-

[৪ (ক). মুয়াল্লাকাতের সংখ্যা কত এবং এর কবিগণ কারা? বিশদ আলোচনা কর।]

الجواب:
١- عدد المعلقات (মুয়াল্লাকাতের সংখ্যা): المشهور عند جمهور أئمة الأدب ونقاده (كرواية حماد الراوية) أن المعلقات سبع قصائد طوال، وتسمى «السبع الطوال». وذهب بعض العلماء كابن الأنباري والتبريزي إلى أنها عشر معلقات بإضافة ثلاثة شعراء آخرين.
٢- أصحاب المعلقات السبع (সাত মুয়াল্লাকার কবিগণ):
– امرؤ القيس الكندي: أمير شعراء الجاهلية وصاحب: (قفا نبك من ذكرى حبيب ومنزل).
– طَرَفَة بن العبد البكري: الشاعر الشاب الحكيم وصاحب: (لخولة أطلال ببرقة ثهمد).
– زهير بن أبي سُلمى المزني: شاعر الحكمة والسلام وصاحب: (أمن أم أوفى دمنة لم تكلم).
– لبيد بن ربيعة العامري: الشاعر المخضرم وصاحب: (عفت الديار محلها فمقامها).
– عمرو بن كلثوم التغلبي: شاعر الفخر والحماسة وصاحب: (ألا هبي بصحنك فاصبحينا).
– عنترة بن شداد العبسي: فارس الصحراء وبطل الحرب وصاحب: (هل غادر الشعراء من متردم).
– الحارث بن حِلِّزة اليشكري: المرتجل الحكيم وصاحب: (آذنتنا ببينها أسماء).
(والثلاثة المكملون للعشرة هم: الأعشى ميمون، والنابغة الذبياني، وعبيد بن الأبرص).


(ب) اكتب حياة زهير بن أبي سلمى-

[৪ (খ). প্রখ্যাত জাহেলি কবি জুহাইর ইবনে আবি সুলমার জীবন ও সাহিত্যকর্ম আলোচনা কর।]

الجواب:
هو زهير بن أبي سُلمى ربيعة بن رياح المزني، أحد فحول شعراء الجاهلية وحكيمها الأكبر، ولد نحو سنة ٥٢٠م في غطفان في بيت عريق كله شعراء (أبوه وخاله وأختاه وابناه كعب وبجير كانوا شعراء). اشتهر بالحكمة، والوقار، وعفة اللسان، والدعوة إلى السلام ونبذ الحروب العبثية.
مدح في معلقته العظيمة السيدين الكريمين: هرم بن سنان والحارث بن عوف لتحملهما ديات القتلى وإنهاء حرب داحس والغبراء بين عبس وذبيان. وكان يسمى شعره «الحوليات» لأنه كان ينظم القصيدة في أربعة أشهر، ويهذبها في أربعة أشهر، ويعرضها على خواصه في أربعة أشهر فلا تخرج للناس إلا بعد حول كامل (سنة). توفي قبيل بعثة النبي ﷺ بقليل معتقداً بالبعث والتوحيد الفطري.


(ج) اكتب خصائص شعر البحتري-

[৪ (গ). প্রখ্যাত কবি আল-বুহতুরির কাব্যরীতির প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ তুলে ধর।]

الجواب:
أبو عبادة الوليد بن عبيد البحتري (٢٠٦-٢٨٤هـ) هو أحد أركان الشعر في العصر العباسي، ويتميز شعره بخصائص فريدة:
١- سلاسة العبارة والموسيقى العذبة: اشتهر شعره بالديباجة المشرقة، وحسن الرنين الموسيقي، والبعد عن التكلف والتعقيد.
٢- الوصف الرائع للطبيعة والعمران: يعد أعظم شعراء الوصف في عصره، ومن أروع قصائده سينّيته الخالدة في وصف «إيوان كسرى» وبائيته في وصف «بركة المتوكل».
٣- المحافظة على عمود الشعر العربي: التزم بالأوزان التقليدية والأسلوب العربي الأصيل دون إفراط في الصنعة البديعية أو الفلسفية كأبي تمام؛ ولذا قيل: «أبو تمام حكيم، والبحتري شاعر، والمتنبي ملأ الدنيا وشغل الناس».


(د) من هو أبو نواس؟ اكتب حياته مفصلا-

[৪ (ঘ). আবু নুওয়াস কে? তাঁর বিশদ জীবনী ও সাহিত্যকর্ম আলোচনা কর।]

الجواب:
هو الحسن بن هانئ بن عبد الأول الصباحي، المعروف بـ «أبي نواس»، ولد في الأهواز سنة ١٤٥هـ من أب عربي وأم فارسية، ونشأ في البصرة ثم انتقل إلى بغداد واتصل بالبرامكة والخليفة هارون الرشيد والأمين.
يعد زعيم التجديد الشعري في العصر العباسي، وأشهر شعراء الخمريات والمجون في الأدب العربي. تميز شعره بالثورة على تقاليد القصيدة الجاهلية، والجرأة، والواقعية، وجمال التصوير، وحلاوة الموسيقى اللفظية. وفي أواخر حياته تاب عن المجون وأنشد قصائد خالدة في الزهد والاستغفار، ومنها قوله المشهور: «يا رب إن عظمت ذنوبي كثرة * فلقد علمت بأن عفوك أعظم». توفي ببغداد سنة ١٩٨هـ.

٥- أجب عن الأسئلة التالية (أربعة فقط):

[৫. নিচের যে কোনো চারটি প্রশ্নের উত্তর দাও:]


(الف) اكتب خصائص قصيدة أبي الطيب المتنبي-

[৫ (ক). মহামতি কবি আবুল তাইয়্যিব আল-মুতানাব্বির কবিতার প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর।]

উত্তর:
মুতানাব্বি (৩০৩-৩৫৪ হিজরি) আরবি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠতম কবি। তাঁর কবিতার অনন্য বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. উচ্চমার্গীয় আত্মমর্যাদা ও শৌর্যবীর্য (الفخر والحماسة): তিনি নিজের মেধা, তরবারি ও বীরত্ব নিয়ে অদ্বিতীয় গৌরব প্রকাশ করতেন। তাঁর বিখ্যাত উক্তি: الخيل والليل والبيداء تعرفني * والسيف والرمح والقرطاس والقلم
২. গভীর দার্শনিক প্রজ্ঞা ও হিকমত: মানুষের স্বভাব, সময় ও ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা এবং ক্ষমতার সংকট নিয়ে তাঁর প্রতিটি কবিতায় অসংখ্য প্রবাদতুল্য দার্শনিক শ্লোক রয়েছে।
৩. শব্দচয়নে গম্ভীরতা ও বলিষ্ঠতা (فخامة الألفاظ): তাঁর ভাষা অত্যন্ত ওজস্বী, ছন্দময় এবং সুরম্য অলংকারপূর্ণ।
৪. সাইফুদ্দৌলার যুদ্ধক্ষেত্রের প্রত্যক্ষ চিত্রায়ণ: রোমানদের বিরুদ্ধে সাইফুদ্দৌলার বীরত্বপূর্ণ যুদ্ধের জীবন্ত ও রোমাঞ্চকর বিবরণ তাঁর কবিতাকে অমর করেছে।


(ব) اكتب خصائص معلقة زهير بن أبي سلمى-

[৫ (খ). জুহাইর ইবনে আবি সুলমার মুয়াল্লাকার প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর।]

উত্তর:
জুহাইরের মুয়াল্লাকা জাহেলি যুগের সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ ও রুচিশীল কবিতা হিসেবে স্বীকৃত। এর বৈশিষ্ট্য:
১. শান্তির বার্তা ও যুদ্ধের অসারতা: দীর্ঘ চল্লিশ বছরের রক্তক্ষয়ী ‘দাহিস ও গাবরা’ যুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞ তুলে ধরে তিনি শান্তির গুরুত্ব প্রচার করেছেন।
২. দানবীরদের অকপট প্রশংসা: হরিম বিন সিনান ও হারেস বিন আউফ—যাঁরা নিজ অর্থে রক্তের ক্ষতিপূরণ দিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন—তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন।
৩. প্রবাদতুল্য হিকমত ও নৈতিক শিক্ষা: কবিতার শেষাংশে জীবনের অভিজ্ঞতা, মৃত্যু, সহনশীলতা ও ব্যক্তিত্বের মর্যাদা নিয়ে রচিত অমর প্রবাদসমূহ স্থান পেয়েছে।
৪. অশ্লীলতা ও অতিশয়োক্তি বর্জন: সত্যবাদী ও শালীন কবি হিসেবে তিনি সত্য ছাড়া মিথ্যা প্রশংসা করতেন না।


(ج) تحدث عن عبقرية أبي العلاء المعري الشعرية-

[৫ (গ). প্রখ্যাত অন্ধ কবি আবুল আলা আল-মা’আররির কাব্যিক প্রতিভা বিশ্লেষণ কর।]

উত্তর:
আবু আলা আল-মা’আররি (৩৬৩-৪৪৯ হিজরি) শৈশবে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েও আরবি ভাষা ও দর্শনের সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করেন। তাঁর কাব্যপ্রতিভা:
১. লুজুমিয়্যাত ও অনন্য ছন্দশৈলী (لزوم ما لا يلزم): তিনি স্বেচ্ছায় কঠিন ছন্দ ও অন্ত্যমিল বেছে নিয়ে শত শত দার্শনিক কবিতা রচনা করেছেন।
২. দার্শনিক সংশয়বাদ ও মানবপ্রেম: সমাজ, ধর্ম, ভণ্ডামি ও মানুষের দুঃখ-কষ্ট নিয়ে তাঁর কবিতা গভীর দার্শনিক চিন্তার খোরাক জোগায়। তাঁর বিখ্যাত দিওয়ান সাকতুয যান্দ (سقط الزند)আল-লুজুমিয়্যাত
৩. রিসালাতুল গুফরান: তাঁর এই রূপক গ্রন্থটি পরকাল, জান্নাত-জাহান্নাম ও প্রাচীন কবিদের কাল্পনিক সংলাপের ওপর রচিত এক বিস্ময়কর সৃষ্টি, যা বিশ্বসাহিত্যে দান্তের ‘ডিভাইন কমেডি’কে প্রভাবিত করেছিল।


(د) اكتب أغراض الشعر الجاهلي-

[৫ (ঘ). প্রাক-ইসলামি বা জাহেলি কবিতার প্রধান প্রধান আলোচ্য বিষয় (উদ্দেশ্য) আলোচনা কর।]

উত্তর:
জাহেলি কবিতা ছিল তৎকালীন আরবের সামগ্রিক জীবনের জীবন্ত দর্পণ (دیوان العرب)। এর প্রধান আলোচ্য বিষয়সমূহ:
১. নাসীব বা প্রেমগীতি (النسيب والغزل): প্রিয়ার স্মৃতিচারণ এবং বিরান মরুভূমিতে ক্রন্দন।
২. ফাখ্র বা আত্মগৌরব (الفخر): নিজের বংশ, গোত্র ও সাহসিকতার প্রশংসা।
৩. হামাসা বা বীরত্বগাথা (الحماسة): যুদ্ধক্ষেত্রের তরবারি চালনা ও বীরত্বের উদ্দীপনাময় বর্ণনা।
৪. মাদহ বা স্তুতিগান (المدح): রাজা-বাদশাহ ও গোত্রনেতাদের দানশীলতার প্রশংসা।
৫. হিজা বা ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ (الهجاء): শত্রু গোত্রের কাপুরুষতা ও কৃপণতার নিন্দা।
৬. রিছা বা শোকগাথা (الرثاء): নিহত বীরদের স্মরণে বিলাপ ও বেদনা প্রকাশ।
৭. ওয়াসফ বা প্রাকৃতিক বর্ণনা (الوصف): মরুভূমি, উট, ঘোড়া ও বন্য পশুর সূক্ষ্ম রূপচিত্রায়ণ।


(هـ) تحدث عن تطور الشعر العربي في العصر العباسي-

[৫ (ঙ). আব্বাসীয় যুগে আরবি কবিতার বিকাশ ও বিবর্তন আলোচনা কর।]

উত্তর:
আব্বাসীয় যুগে (১৩২-৬৫৬ হি.) জ্ঞান-বিজ্ঞান, দর্শন ও বিদেশি সংস্কৃতির প্রভাবে আরবি কবিতায় এক বিরাট বিপ্লব ঘটে:
১. ঐতিহ্যবাহী ফ্রেমওয়ার্কের বিলোপ: মরুভূমি ও উটের কান্নার পরিবর্তে নাগরিক জীবন, সুরম্য প্রাসাদ, ফোয়ারা, বাগান ও সুরার বর্ণনা প্রাধান্য পায়।
২. নতুন কাব্যাঙ্গন সৃষ্টি: যুহদ বা বৈরাগ্যমূলক কবিতা (আবু নুওয়াস ও আবুল আতাহিয়্যাহ), দার্শনিক চিন্তা (মা’আররি ও মুতানাব্বি) এবং ইলমি কবিতা (শিক্ষা ও ইতিহাসের পদ্য)।
৩. অলংকার ও বালাগাতের বিকাশ (الصنعة البديعية): বাশার ইবনে বুরদ, আবু তাম্মাম ও ইবনুল মুতায্যের হাত ধরে রূপক, অনুপ্রাস ও তিবাক-এর সূক্ষ্ম শিল্পময় প্রয়োগ ঘটে।
৪. সহজ ও মার্জিত ভাষা: জটিল মরু শব্দের পরিবর্তে মিষ্টি, সাবলীল ও সংগীতময় আধুনিক নাগরিক ভাষার প্রচলন হয়।


(و) قيم القصيدة النونية للشاعر ابن زيدون-

[৫ (চ). স্পেনের শ্রেষ্ঠ প্রেমিক কবি ইবনে যায়দুনের কালজয়ী ‘নুনিয়া’ কাসিদার মূল্যায়ন কর।]

উত্তর:
আন্দালুসের (মুসলিম স্পেন) রাজকবি ইবনে যায়দুন (৩৯৪-৪৬৩ হি.) তাঁর প্রণয়িনী কর্ডোভার রাজকুমারী ওয়াল্লাদা বিনতে আল-মুসতাকফির বিচ্ছেদে এই অমর নুনিয়া কাসিদা রচনা করেন।
১. উদ্বোধনী আবেদন: কবিতার প্রারম্ভিক পঙ্ক্তিটি বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম সেরা বিরহসঙ্গীত:
أضحى التنائي بديلاً من تدانينا * ونابَ عن طيبِ لقيانا تجافينا
(আমাদের পরস্পরের নৈকট্যের বদলে আজ সুদূর দূরত্ব নির্ধারিত হলো, আর মধুর মিলনের স্থান নিল দুঃসহ বিচ্ছেদ!)
২. কাব্যিক বৈশিষ্ট্য: এটি ‘নুন’ (ن) অক্ষরের অন্ত্যমিলে দীর্ঘ ৫০টি শ্লোকে রচিত। এতে গভীর আত্মমর্যাদা, খাঁটি প্রেম, বেদনার অশ্রু এবং কর্ডোভার সুরম্য বাগানের স্নিগ্ধ রূপায়ণে ভরা।
৩. মূল্যায়ন: কবিদের নিকট এটি আন্দালুসীয় সাহিত্যের মুকুটমণি। এই কবিতার অনুসরণে পরবর্তীকালে আহমদ শাওকিসহ বহু আধুনিক কবি অনুকরণমূলক কাসিদা রচনা করেছেন।

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন ১: ‘মুয়াল্লাকাত’ শব্দের অর্থ কী এবং এগুলোকে কেন এই নাম দেওয়া হয়েছিল?

উত্তর: ‘মুয়াল্লাকাত’ শব্দের অর্থ ঝুলিয়ে রাখা বস্তুসমূহ; জাহেলি যুগের শ্রেষ্ঠ সাতটি দীর্ঘ কবিতাকে স্বর্ণাক্ষরে লিখে কাবাঘরের দেওয়ালে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল বলে এদের মুয়াল্লাকাত বলা হয়।

প্রশ্ন ২: জাহেলি যুগের কবি জুহাইর ইবনে আবি সুলমাকে কেন ‘হাকিমুশ শুয়ারা’ বলা হয়?

উত্তর: কারণ তাঁর কবিতায় রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞের বিপরীতে শান্তির আহ্বান, প্রজ্ঞা, সংযম এবং অমর নৈতিক বাণী ফুটে উঠেছে।

প্রশ্ন ৩: কবি আল-মুতানাব্বির আসল নাম কী এবং কেন তাঁকে ‘মুতানাব্বি’ বলা হয়?

উত্তর: তাঁর আসল নাম আবুল তাইয়্যিব আহমদ বিন আল-হুসাইন আল-জু’ফি; যৌবনে তিনি অলৌকিক বাগ্মীতার কারণে কুফার মরুভূমিতে নবুয়তের দাবি করেছিলেন বলে তাঁকে ‘মুতানাব্বি’ (নবুয়তের দাবিদার) উপাধি দেওয়া হয়।

প্রশ্ন ৪: আব্বাসীয় যুগের কোন কবি সবচেয়ে বেশি মদ্য ও নাগরিক বিলাসের কবিতা রচনা করেছেন?

উত্তর: কবি আবু নুওয়াস (আল-হাসান ইবনে হানি); তিনি প্রাচীন মরুর উট ও তাঁবুর পরিবর্তে নগরজীবন ও মদের প্রশংসায় কবিতা লিখে নতুন যুগের সূচনা করেন।

প্রশ্ন ৫: স্পেনের (আন্দালুস) কোন কবিকে ‘বুহতুরিয়ে মাগরিব’ বলা হয়?

উত্তর: বিখ্যাত কবি ইবনে যায়দুনকে তাঁর কাব্যশৈলীর মাধুর্য ও সাবলীলতার কারণে ‘আন্দালুসের বুহতুরি’ বা পশ্চিমের বুহতুরি বলা হয়।

প্রশ্ন ৬: প্রাচীন কবিতার পরীক্ষায় ব্যাখ্যা ও সারসংক্ষেপে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়ার উপায় কী?

উত্তর: কবিতার ঐতিহাসিক পটভূমি (مناسبة النص), অন্তর্নিহিত অর্থ, মূল শিক্ষা এবং অলংকার শাস্ত্রের (বালাগাত) প্রভাব স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করা।

টেলিটক ছবি ও স্বাক্ষর রিসাইজার (৩০০×৩০০ ও ৩০০×৮০)
সরকারি চাকরি ও ভর্তির অনলাইন আবেদনের জন্য ছবি ও সইয়ের মাপ ঠিক রাখুন ১০০% নির্ভুলভাবে।
ছবি ও সই রিসাইজ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *