জরুরি নোটিশ 🔔 নতুন: ২০২৬ সালের সকল শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ও গাইড বই প্রকাশিত হয়েছে!

আল-হাসুব (কম্পিউটার) (Al-Hasub Computer) – 204302, আরবি ভাষা ও সাহিত্য – ফাজিল অনার্স ৩য় বর্ষ পরীক্ষা ২০২০

Abswer.com Abswer.com
20 September, 2026
৩২ মিনিট পড়ার সময়
১০ বার পঠিত

সরাসরি Telegram-এ সকল বই ও সাজেশন পান!

আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে সবার আগে নতুন বই ও রুটিন ডাউনলোড করুন।

টেলিগ্রামে যুক্ত হোন 🚀

ফাজিল (স্নাতক) সম্মান ৩য় বর্ষ পরীক্ষা ২০২০
বিভাগ: আরবি ভাষা ও সাহিত্য
বিষয়: কম্পিউটার (الحاسوب – Computer)
বিষয় কোড: ২০৪৩০২ | পূর্ণমান: ৮০ | সময়: ৪ ঘণ্টা


ক-বিভাগ : রচনামূলক প্রশ্নাবলি (মান: ৫ × ১০ = ৫০)

১। কম্পিউটার কী? পার্সোনাল কম্পিউটারের প্রকারভেদ বিস্তারিত আলোচনা কর।

[1. What is a computer? Discuss the classification of personal computers in detail.]

ক. কম্পিউটারের সংজ্ঞা

কম্পিউটার (Computer) শব্দটি গ্রিক শব্দ ‘Compute’ থেকে এসেছে, যার অর্থ হিসাব বা গণনা করা। সাধারণ অর্থে কম্পিউটার একটি অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন স্বয়ংক্রিয় ইলেকট্রনিক গণনাযন্ত্র। তবে আধুনিক সংজ্ঞানুসারে, কম্পিউটার হলো এমন একটি ইলেকট্রনিক মেমোরিযুক্ত স্বয়ংক্রিয় জটিল যন্ত্র যা ব্যবহারকারীর নিকট থেকে উপাত্ত (Data) ইনপুট হিসেবে গ্রহণ করে, স্মৃতিতে জমা রেখে পূর্বপ্রদত্ত নির্দেশাবলি (Programs) অনুযায়ী অত্যন্ত দ্রুত ও নির্ভুলভাবে প্রক্রিয়া (Process) করে এবং সুনির্দিষ্ট ফলাফল (Information/Output) প্রদান করে। চার্লস ব্যাবেজকে (Charles Babbage) কম্পিউটারের আদি জনক বলা হয়।

খ. পার্সোনাল কম্পিউটারের (PC) ধারণা ও শ্রেণিবিভাগ

পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer – PC) বা ব্যক্তিগত কম্পিউটার হলো মাইক্রোপ্রসেসর প্রযুক্তিনির্ভর একক ব্যবহারকারী উপযোগী কম্পিউটার। আকার, কর্মক্ষমতা ও বহনযোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে পার্সোনাল কম্পিউটারকে প্রধানত নিম্নোক্ত শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়:

  1. ডেস্কটপ কম্পিউটার (Desktop PC): এটি একটি নির্দিষ্ট স্থানে টেবিল বা ডেস্কের ওপর রেখে ব্যবহারের জন্য উপযোগী। এতে আলাদা সিস্টেম ইউনিট (CPU Casing), মনিটর, কীবোর্ড ও মাউস যুক্ত থাকে। এটি অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন ও সহজে আপগ্রেড করা যায়।
  2. ল্যাপটপ কম্পিউটার (Laptop PC): এটি ব্যাটারিচালিত ও সহজে বহনযোগ্য একটি ব্রিফকেস সদৃশ কম্পিউটার। কোলে (Lap) রেখে ব্যবহার করা যায় বলে একে ল্যাপটপ বলা হয়। এতে মনিটর, কীবোর্ড, টাচপ্যাড এবং প্রসেসর একক কাঠামোয় সমন্বিত থাকে।
  3. নোটবুক কম্পিউটার (Notebook PC): ল্যাপটপের চেয়েও আরও হালকা, পাতলা এবং ছোট আকারের পিসি, যা একটি সাধারণ খাতার মতো বইয়ের ব্যাগে বহন করা যায়।
  4. ট্যাবলেট পিসি (Tablet PC): এটি কি-বোর্ড বা মাউসের পরিবর্তে টাচস্ক্রিন (Touchscreen) ইনপুটের মাধ্যমে পরিচালিত স্লেট আকারের কম্পিউটার। এতে ডিজিটাল পেন বা আঙুলের স্পর্শে কাজ করা যায়।
  5. পামটপ / পিডিএ (Palmtop / PDA): হাতের তালুতে (Palm) রেখে ব্যবহার উপযোগী অতি ক্ষুদ্র কম্পিউটার। আধুনিক স্মার্টফোনগুলো পামটপের উন্নত রূপ।

২। ডিভাইস কী? কম্পিউটারের প্রধান প্রধান ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসগুলোর বিবরণ দাও।

[2. What is a device? Describe the major input and output devices of a computer.]

ক. ডিভাইসের পরিচয়

কম্পিউটার প্রযুক্তির ভাষায় ‘ডিভাইস’ (Device) বলতে কোনো সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য নির্মিত ইলেকট্রনিক ও যান্ত্রিক হার্ডওয়্যার সরঞ্জামকে বোঝায়। কম্পিউটার সিস্টেম মূলত বিভিন্ন ইনপুট, আউটপুট ও স্টোরেজ ডিভাইসের সুসমন্বিত নেটওয়ার্ক।

খ. ইনপুট ডিভাইস (Input Devices)

যেসব ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশের মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন তথ্য, উপাত্ত ও কমান্ড প্রেরণ করে, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে। প্রধান প্রধান ইনপুট ডিভাইস নিম্নরূপ:

  • কীবোর্ড (Keyboard): সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রাথমিক টেক্সট ইনপুট ডিভাইস। এর মাধ্যমে বর্ণ, সংখ্যা ও বিভিন্ন কমান্ড প্রবিষ্ট করানো হয়।
  • মাউস (Mouse): একটি বহুল ব্যবহৃত হ্যান্ড-হেল্ড পয়েন্টিং ডিভাইস। এর সাহায্যে স্ক্রিনে কার্সর নাড়িয়ে ক্লিক, ড্র্যাগ ও সিলেক্ট করা হয়।
  • স্ক্যানার (Scanner): যেকোনো মুদ্রিত ছবি বা নথিপত্রকে হুবহু ডিজিটাল চিত্রে রূপান্তর করে কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে।
  • মাইক্রোফোন (Microphone): মানুষের কণ্ঠস্বর বা যেকোনো অডিও সংকেতকে ইলেকট্রনিক ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে।
  • ওয়েবক্যাম ও ওএমআর (OMR/OCR): ছবি/ভিডিও ধারণ এবং অপটিক্যাল চিহ্ন বা ক্যারেক্টার পড়ার কাজে ব্যবহৃত হয়।

গ. আউটপুট ডিভাইস (Output Devices)

কম্পিউটার প্রসেসিং সম্পন্ন হওয়ার পর ফলাফল বা উপাত্ত মানুষের বোধগম্য আকারে প্রদর্শনের কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশকে আউটপুট ডিভাইস বলে। প্রধান আউটপুট ডিভাইসসমূহ:

  • মনিটর (Monitor): প্রধান ভিজ্যুয়াল ডিসপ্লে ইউনিট (VDU)। এটি প্রক্রিয়াকৃত ফলাফল স্ক্রিনে প্রদর্শন করে (যেমন CRT, LCD, LED ও OLED)।
  • প্রিন্টার (Printer): ডিজিটাল ফলাফলকে কাগজের পাতায় স্থায়ীভাবে ছাপানোর কাজে ব্যবহৃত হয় (যেমন লেজার প্রিন্টার, ইঙ্কজেট প্রিন্টার)।
  • স্পিকার ও হেডফোন (Speaker): কম্পিউটারের অডিও বা শব্দ আউটপুট শোনা যায়।
  • মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Projector): মনিটরের ছোট ডিসপ্লেকে বৃহৎ পর্দায় বিবর্ধিত আকারে প্রদর্শন করে।

৩। সফটওয়্যার কাকে বলে? Application সফটওয়্যার ও System সফটওয়্যারের পার্থক্য আলোচনা কর।

[3. What is software? Discuss the differences between Application software and System software.]

ক. সফটওয়্যারের সংজ্ঞা

সফটওয়্যার (Software) হলো কতগুলো প্রোগ্রাম, কার্যপ্রণালী ও নির্দেশমালার সমষ্টি, যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে সচল করে এবং নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য হার্ডওয়্যারকে নির্দেশনা প্রদান করে। হার্ডওয়্যার যদি কম্পিউটারের দেহ হয়, তবে সফটওয়্যার হলো তার প্রাণ বা আত্মা।

খ. Application ও System সফটওয়্যারের পার্থক্য

সফটওয়্যারকে সাধারণত দুটি মূল ভাগে ভাগ করা যায়। এদের মধ্যকার পার্থক্য নিম্নরূপ:

  • ১. কার্যগত উদ্দেশ্য:
    সিস্টেম সফটওয়্যার: কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যার পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ ও সার্বিক পরিবেশ বজায় রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়।
    অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার: ব্যবহারকারীর কোনো নির্দিষ্ট বাস্তব জীবনের কার্য সম্পাদনের জন্য নির্মিত হয় (যেমন হিসাব-নিকাশ, টাইপিং)।
  • ২. নির্ভরশীলতা:
    সিস্টেম সফটওয়্যার: স্বাধীনভাবে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার লেভেলে সরাসরি কাজ করে।
    অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার: সিস্টেম সফটওয়্যারের উপস্থিতি ছাড়া একা কাজ করতে পারে না।
  • ৩. ব্যবহারকারীর সাথে মিথস্ক্রিয়া:
    সিস্টেম সফটওয়্যার: ব্যবহারকারীর সাথে পটভূমিতে (Background) পরোক্ষভাবে কাজ করে।
    অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার: ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারফেসের মাধ্যমে এর সাথে যুক্ত হন।
  • ৪. ইনস্টলেশন ও রানিং টাইম:
    সিস্টেম সফটওয়্যার: কম্পিউটার চালু হওয়ার সাথে সাথে সক্রিয় হয় এবং বন্ধ হওয়া পর্যন্ত চলে।
    অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার: ব্যবহারকারীর প্রয়োজনে চালু ও বন্ধ করা হয়।
  • ৫. উদাহরণ:
    সিস্টেম সফটওয়্যার: Windows, Linux, Android, Device Drivers।
    অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার: MS Word, MS Excel, Adobe Photoshop, Web Browser।

৪। মাইক্রো কম্পিউটারের বহুল ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমসমূহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।

[4. Give a brief description of the widely used operating systems for microcomputers.]

ক. অপারেটিং সিস্টেমের (OS) ধারণা

অপারেটিং সিস্টেম হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের প্রধান নিয়ন্ত্রক প্রোগ্রাম, যা কম্পিউটারের সমস্ত হার্ডওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারকে সমন্বয় করে এবং ব্যবহারকারীর সাথে কম্পিউটারের যোগাযোগ স্থাপন করে।

খ. বহুল ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমসমূহ

  1. মাইক্রোসফট উইন্ডোজ (Microsoft Windows):
    • বর্তমানে ডেস্কটপ ও ল্যাপটপে সর্বাধিক জনপ্রিয় গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
    • মাইক্রোসফট করপোরেশন কর্তৃক উদ্ভাবিত (যেমন Windows XP, 7, 10 ও 11)।
    • এটি অত্যন্ত ব্যবহারকারী-বান্ধব (User-friendly), সহজ প্লাগ-অ্যান্ড-প্লে সমর্থন করে এবং বিশাল সফটওয়্যার লাইব্রেরি সমৃদ্ধ।
  2. লিনাক্স (Linux):
    • লিনাস টরভাল্ডস কর্তৃক উদ্ভাবিত একটি শক্তিশালী ওপেন সোর্স (Open Source) ও বিনামূল্যে ব্যবহারযোগ্য অপারেটিং সিস্টেম।
    • এর বিভিন্ন ডিস্ট্রিবিউশন রয়েছে, যেমন Ubuntu, Fedora, Debian ও RedHat।
    • লিনাক্স অত্যন্ত নিরাপদ, ভাইরাসমুক্ত এবং সার্ভার ও প্রোগ্রামারদের কাছে সর্বাধিক সমাদৃত।
  3. ম্যাক ওএস (macOS):
    • অ্যাপল (Apple Inc.) কর্তৃক তাদের নিজস্ব ম্যাকিনটোশ কম্পিউটারের জন্য বিশেষভাবে তৈরি।
    • এর ইন্টারফেস নান্দনিক, দ্রুতগতির এবং উচ্চমাত্রার সাইবার সুরক্ষাসম্পন্ন। মাল্টিমিডিয়া ও গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য এটি আদর্শ।
  4. ডস (MS-DOS):
    • মাইক্রোসফটের আদি ক্যারেক্টার ইউজার ইন্টারফেস (CUI) ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। এতে মাউসের ব্যবহার ছিল না, কীবোর্ডে টেক্সট কমান্ড টাইপ করে কাজ করতে হতো।

৫। কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং কী? বিভিন্ন প্রকার নেটওয়ার্ক টপোলজি আলোচনা কর।

[5. What is computer networking? Discuss the different types of network topologies.]

ক. কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং-এর সংজ্ঞা

তথ্য আদান-প্রদান এবং হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার রিসোর্স (যেমন প্রিন্টার, ইন্টারনেট, ফাইল) ভাগাভাগি করার লক্ষ্যে যখন দুই বা ততোধিক কম্পিউটার কোনো ক্যাবল বা ওয়্যারলেস মাধ্যমে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তখন তাকে কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং বলে।

খ. নেটওয়ার্ক টপোলজির প্রকারভেদ (Network Topologies)

নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত কম্পিউটারগুলোর পারস্পরিক সংযোগ কাঠামোর নকশাকে টপোলজি বলে। প্রধান টপোলজিসমূহ নিম্নরূপ:

  • ১. বাস টপোলজি (Bus Topology): এতে একটিমাত্র মূল ক্যাবল বা ব্যাকবোন লাইনের সাথে সবগুলো কম্পিউটার সারিবদ্ধভাবে যুক্ত থাকে। ক্যাবল কম লাগে, তবে মূল ব্যাকবোন নষ্ট হলে সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পড়ে।
  • ২. স্টার টপোলজি (Star Topology): এটি বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয়। এতে সব কম্পিউটার একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইস (Hub বা Switch)-এর সাথে যুক্ত থাকে। কোনো একটি কম্পিউটার নষ্ট হলেও নেটওয়ার্কের অন্য কম্পিউটারে বিঘ্ন ঘটে না।
  • ৩. রিং টপোলজি (Ring Topology): প্রতিটি কম্পিউটার বৃত্তাকারে তার পাশাপাশি দুটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে। ডেটা একদিকে চক্রাকারে প্রবাহিত হয়। একটি নোড বিকল হলে পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়।
  • ৪. মেশ টপোলজি (Mesh Topology): প্রতিটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কের অন্য প্রতিটি কম্পিউটারের সাথে সরাসরি পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট লাইনে সংযুক্ত থাকে। এটি সর্বোচ্চ গতি ও নির্ভরযোগ্য কিন্তু অত্যন্ত ব্যয়বহুল।
  • ৫. ট্রি টপোলজি (Tree Topology): একাধিক স্টার টপোলজিকে পরস্পরের সাথে যুক্ত করে বৃক্ষের শাখা-প্রশাখার মতো অনুক্রমিক কাঠামো তৈরি করা হয়।

৬। ই-মেইল এড্রেস কী? ই-মেইল পাঠানোর পদ্ধতি বর্ণনা কর।

[6. What is an email address? Describe the procedure for sending an email.]

ক. ই-মেইল এড্রেস ও এর গঠন

ই-মেইল (Electronic Mail) হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর দ্রুততম পদ্ধতি। বিশ্বের প্রতিটি ইন্টারনেটে যুক্ত ব্যক্তির জন্য একটি অনন্য ডিজিটাল ঠিকানাকে ই-মেইল এড্রেস বলে।
একটি ই-মেইল ঠিকানার দুটি অংশ থাকে, যা @ (At the rate) চিহ্ন দ্বারা বিভক্ত:
username@domainname.com (যেমন: student.iau@gmail.com)। এখানে ‘student.iau’ হলো ব্যবহারকারীর নাম এবং ‘gmail.com’ হলো ই-মেইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের ডোমেইন নাম।

খ. একটি ই-মেইল পাঠানোর পদ্ধতি

  1. লগইন করা: ওয়েব ব্রাউজারে গিয়ে ই-মেইল সেবাদাতার ওয়েবসাইটে (যেমন www.gmail.com) নিজের ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে একাউন্টে প্রবেশ করা।
  2. কম্পোজ (Compose) অপশনে ক্লিক: নতুন বার্তা লেখার জন্য স্ক্রিনের ‘Compose’ বা ‘+’ চিহ্নে ক্লিক করতে হবে।
  3. প্রাপকের ঠিকানা (To): ‘To’ বক্সে প্রাপকের সঠিক ই-মেইল ঠিকানা লিখতে হবে। একাধিক ব্যক্তিকে পাঠাতে ‘Cc’ (Carbon Copy) বা ‘Bcc’ (Blind Carbon Copy) ব্যবহার করা যায়।
  4. বিষয় নির্ধারণ (Subject): বার্তার মূল প্রতিপাদ্য খুব সংক্ষেপে ‘Subject’ লাইনে লিখতে হয়।
  5. মূল বার্তা ও ফাইল সংযুক্তি (Body & Attachment): মূল টেক্সট এরিয়ায় বার্তা লিখতে হবে। কোনো ছবি, পিডিএফ বা ডকুমেন্ট পাঠাতে পেপারক্লিপ আইকনে ক্লিক করে ফাইল যুক্ত করতে হবে।
  6. সেন্ড (Send): সমস্ত তথ্য যাচাই করে নীল ‘Send’ বাটনে ক্লিক করলেই বার্তাটি পলকের মধ্যে প্রাপকের ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।

খ-বিভাগ : সংক্ষিপ্ত টীকা (মান: ৪ × ৭.৫ = ৩০)

৭। যেকোনো চারটির ওপর প্রামাণ্য সংক্ষিপ্ত টীকা লেখ:

[7. Write authoritative short notes on any four of the following: (a) WWW (World Wide Web), (b) Differences between RAM and ROM, (c) Main functions of CPU, (d) Facebook, (e) Units of memory measurement, (f) Advantages of Internet.]

(ক) WWW (World Wide Web)

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) হলো বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরস্পর সংযুক্ত হাইপারটেক্সট ডকুমেন্টের বিশাল আন্তর্জাতিক ভাণ্ডার। ১৯৮৯ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী স্যার টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners-Lee) সুইজারল্যান্ডের সার্ন (CERN) গবেষণাগারে এটি উদ্ভাবন করেন। এটি মূলত HTTP (Hypertext Transfer Protocol) প্রটোকলের মাধ্যমে কাজ করে এবং ওয়েব ব্রাউজারের সাহায্যে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের টেক্সট, ছবি ও ভিডিও ব্রাউজ করা যায়।

(খ) RAM ও ROM-এর পার্থক্য

RAM (Random Access Memory): এটি কম্পিউটারের প্রাথমিক অস্থায়ী মেমরি। কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় প্রসেসর এতে দ্রুত ডেটা পড়ে ও লেখে। বিদ্যুৎ চলে গেলে এর সমস্ত তথ্য মুছে যায় (Volatile Memory)।
ROM (Read Only Memory): এটি কম্পিউটারের স্থায়ী মেমরি। এতে কম্পিউটার চালুর মৌলিক নির্দেশাবলি (BIOS/Firmware) প্রস্তুতকারক কোম্পানি কর্তৃক স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা থাকে। বিদ্যুৎ চলে গেলেও এর তথ্য বিনষ্ট হয় না (Non-volatile)।

(গ) CPU-এর প্রধান কাজ

সিপিইউ (Central Processing Unit) হলো কম্পিউটারের মস্তিষ্কস্বরূপ। এর তিনটি মূল অংশ রয়েছে: গাণিতিক ও যুক্তি ইউনিট (ALU), নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit) এবং মেমরি রেজিস্টার। সিপিইউ মেমরি থেকে নির্দেশ গ্রহণ করে (Fetch), নির্দেশ ডিকোড করে (Decode), গাণিতিক হিসাব ও যৌক্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে (Execute) এবং সমস্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে সমন্বয় বিধান করে।

(ঘ) ফেসবুক (Facebook)

ফেসবুক হলো বিশ্বের সর্ববৃহৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (Social Media Platform)। ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মার্ক জাকারবার্গ তাঁর সহপাঠীদের সাথে নিয়ে এটি প্রতিষ্ঠা করেন। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা প্রোফাইল তৈরি, স্ট্যাটাস শেয়ার, টেক্সট ও ভিডিও চ্যাট এবং ব্যবসায়িক পেজ ও গ্রুপ পরিচালনা করতে পারেন। শিক্ষামূলক জ্ঞানচর্চায় ও বৈশ্বিক যোগাযোগে এটি যুগান্তকারী ভূমিকা রেখেছে।

(ঙ) মেমরি পরিমাপের একক

কম্পিউটারের ডিজিটাল মেমরি বাইনারি সংখ্যা ০ এবং ১ (বিট)-এর মাধ্যমে পরিমাপ করা হয়। এর এককসমূহ নিম্নরূপ:

  • ৮ বিট (Bit) = ১ বাইট (Byte) [১টি ক্যারেক্টার সংরক্ষণে ১ বাইট লাগে]
  • ১০২৪ বাইট = ১ কিলোবাইট (KB)
  • ১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
  • ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
  • ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)

(চ) ইন্টারনেটের সুবিধাসমূহ

ইন্টারনেট (International Network) সমগ্র বিশ্বকে একটি গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত করেছে। এর প্রধান সুবিধাসমূহ হলো: ১. মুহূর্তের মধ্যে বিশ্বব্যাপী তথ্য আদান-প্রদান ও যোগাযোগ, ২. ই-লার্নিং ও দূরশিক্ষণের মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে জ্ঞানার্জন, ৩. ই-কমার্স ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ঘরে বসে লেনদেন, এবং ৪. কর্মসংস্থান ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের অবারিত সুযোগ সৃষ্টি।


সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. ফাজিল ৩য় বর্ষের কম্পিউটার বিষয়ের বিষয় কোড কত?

ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাজিল (অনার্স) ৩য় বর্ষের আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের কম্পিউটার (الحاسوب) বিষয়ের বিষয় কোড হলো ২০৪৩০২।

২. কম্পিউটারের মস্তিষ্ক কাকে বলা হয়?

সিপিইউ (Central Processing Unit – CPU)-কে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা প্রাণকেন্দ্র বলা হয়।

৩. স্থায়ী ও অস্থায়ী মেমরির উদাহরণ কী?

RAM হলো অস্থায়ী বা উদ্বায়ী (Volatile) মেমরি এবং ROM হলো স্থায়ী (Non-volatile) মেমরি।

৪. টিম বার্নার্স-লি কিসের জন্য বিখ্যাত?

তিনি ১৯৮৯ সালে ইন্টারনেটের বহুল ব্যবহৃত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) উদ্ভাবন করেন।

৫. সবচেয়ে নিরাপদ ও ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?

লিনাক্স (Linux) হলো একটি ওপেন সোর্স, অত্যন্ত নিরাপদ ও ভাইরাসমুক্ত অপারেটিং সিস্টেম।

৬. ১ গিগাবাইট (GB) সমান কত মেগাবাইট (MB)?

১ গিগাবাইট (1 GB) সমান ১০২৪ মেগাবাইট (1024 MB)।

টেলিটক ছবি ও স্বাক্ষর রিসাইজার (৩০০×৩০০ ও ৩০০×৮০)
সরকারি চাকরি ও ভর্তির অনলাইন আবেদনের জন্য ছবি ও সইয়ের মাপ ঠিক রাখুন ১০০% নির্ভুলভাবে।
ছবি ও সই রিসাইজ করুন ➜

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *