জরুরি নোটিশ 🔔 নতুন: ২০২৬ সালের সকল শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ও গাইড বই প্রকাশিত হয়েছে!

আশ-শিরুল কাদিম-২ (Ash-Shirul-Qadim-2) – 204305, আরবি ভাষা ও সাহিত্য – ফাজিল অনার্স ৩য় বর্ষ পরীক্ষা ২০২৩

Abswer.com Abswer.com
20 September, 2026
৬০ মিনিট পড়ার সময়
৭ বার পঠিত

সরাসরি Telegram-এ সকল বই ও সাজেশন পান!

আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে সবার আগে নতুন বই ও রুটিন ডাউনলোড করুন।

টেলিগ্রামে যুক্ত হোন 🚀

ফাজিল (স্নাতক) সম্মান ৩য় বর্ষ পরীক্ষা ২০২৩
বিভাগ: আরবি ভাষা ও সাহিত্য
বিষয়: প্রাচীন কবিতা-২ (الشعر القديم-٢)
বিষয় কোড: ২০৪৩০৫ | পূর্ণমান: ৮০ | সময়: ৪ ঘণ্টা

١- ترجم الأبيات الآتية (ثلاثة فقط) :

[১. নিচের কবিতাংশগুলোর প্রাঞ্জল ভাবার্থ ও বিশদ ব্যাখ্যা উপস্থাপন কর:]


الجواب:

(أ) الأبيات:
كَأَنَّ فُتَاتَ العِهْنِ فِي كُلِّ مَنْزِلٍ * نَزَلْنَ بِهِ حَبُّ الفَنَا لَمْ يُحَطَّمِ
فَلَمَّا وَرَدْنَ المَاءَ زُرْقًا جِمَامُهُ * وَضَعْنَ عِصِيَّ الحَاضِرِ المُتَخَيِّمِ
ظَهَرْنَ مِنَ السُّوبَانِ ثُمَّ جَزَعْنَهُ * عَلَى كُلِّ قَيْنِيٍّ قَسِيبٍ وَمُفْأَمِ
فَأَقْسَمْتُ بِالبَيْتِ الَّذِي طَافَ حَوْلَهُ * رِجَالٌ بَنَوْهُ مِنْ قُرَيْشٍ وَجُرْهُمِ-

[১ (ক). জুহাইর ইবনে আবি সুলমার কাসিদার ভাবার্থ ও কাব্যিক রূপান্তর:]

কাব্যিক রূপান্তর:
১. কাফেলাটি যে যে মনজিলে যাত্রাবিরতি করেছিল, সেখানে ছড়িয়ে থাকা তাদের রেশমি লাল পশমের টুকরোগুলো দেখতে যেন বুনো গাছের রক্তিম পাকা ফল (আল-ফানা), যা এখনো পায়ের নিচে পিষ্ট হয়ে ভেঙে যায়নি।
২. অবশেষে যখন তারা এমন এক জলাশয়ে এসে পৌঁছাল যার জলরাশি ছিল অত্যন্ত স্বচ্ছ, স্নিগ্ধ ও নীলকান্তমণির মতো দ্যুতিময়, তখন তারা স্থায়ীভাবে তাঁবু গেড়ে সেখানে গৃহবাসী মানুষের মতো ভ্রমণের লাঠি নামিয়ে রাখল।
৩. তারা সুউচ্চ ‘সাওবান’ উপত্যকা অতিক্রম করল এবং এমন সব উৎকৃষ্ট কাইনি হাওদায় চড়ে পথ চলল যা ছিল সুদৃঢ়, প্রশস্ত এবং আকর্ষণীয়ভাবে কারুকার্যখচিত।
৪. অতঃপর আমি শপথ করছি সেই পবিত্র ঘরের (পবিত্র কাবা শরিফ), যার তাওয়াফ করে সেইসব বীর পুরুষ, যাকে নির্মাণ করেছিল কুরাইশ ও জুরহুম গোত্রের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ।
সাহিত্যিক তাৎপর্য: প্রাক-ইসলামি যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শান্তিবাদী কবি জুহাইর ইবনে আবি সুলমা তাঁর অমর মুয়াল্লাকায় দাহিস ও গাবরা যুদ্ধের রক্তাক্ত অধ্যায় বন্ধে মধ্যস্থতাকারী দুই মহান নেতা—হারিস ইবনে আওফ ও হারিম ইবনে সিনানের প্রশংসা এবং শান্তির শপথ করতে গিয়ে কা’বাঘরের পবিত্রতার কসম খেয়েছেন।

(ب) الأبيات:
عَلَى قَدْرِ أَهْلِ العَزْمِ تَأْتِي العَزَائِمُ * وَتَأْتِي عَلَى قَدْرِ الكِرَامِ المَكَارِمُ
وَتَعْظُمُ فِي عَيْنِ الصَّغِيرِ صِغَارُهَا * وَتَصْغُرُ فِي عَيْنِ العَظِيمِ العَظَائِمُ
يُكَلِّفُ سَيْفُ الدَّوْلَةِ الجَيْشَ هَمَّهُ * وَقَدْ عَجَزَتْ عَنْهُ الجُيُوشُ الخَضَارِمُ
وَيَطْلُبُ عِنْدَ النَّاسِ مَا عِنْدَ نَفْسِهِ * وَذَلِكَ مَا لَا تَدَّعِيهِ الضَّرَاغِمُ-

[১ (খ). মহাকবি আল-মুতানাব্বির সাইফিয়্যাত কাসিদার ভাবার্থ ও রূপান্তর:]

কাব্যিক রূপান্তর:
১. সংকল্পবান ও দৃঢ়চেতা মানুষের হিম্মত ও সক্ষমতার পরিমাপ অনুযায়ীই বড় বড় কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয়; আর মহৎ ও দানশীল ব্যক্তিদের মর্যাদা অনুযায়ীই মহৎ দান ও কীর্তি আবির্ভূত হয়।
২. ক্ষুদ্রমনা ও নীচ অন্তঃকরণের মানুষের চোখে ক্ষুদ্র সাধারণ বিপদও পর্বতসম বিশাল মনে হয়; পক্ষান্তরে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন মহান মানুষের চোখে মহাবিপদ ও পর্বতসম দুর্যোগও নিতান্ত তুচ্ছ ও ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র গণ্য হয়।
৩. সেনাপতি সাইফুদ দাওলা নিজের বিশাল সৈন্যবাহিনীকে তাঁর নিজ উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও অদম্য সাহসিকতার সমকক্ষ হতে বাধ্য করেন, অথচ তাঁর সেই সংকল্প পূরণ করতে গিয়ে সমুদ্রের মতো সুবিশাল সৈন্যবাহিনীও অক্ষম ও ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
৪. তিনি সাধারণ মানুষের মাঝেও নিজের মতো নিঃস্বার্থ বীরত্ব ও অটল আত্মবলিদান প্রত্যাশা করেন; অথচ তিনি যে অতুলনীয় পরাক্রমের অধিকারী, স্বয়ং বনের সিংহও তেমন দাবি করার সাহস রাখে না!
সাহিত্যিক তাৎপর্য: আল-মুতানাব্বি রচিত এই অমর স্তুতিগাথা হামদানি শাসক সাইফুদ দাওলার রোমান বিজয়ের প্রেক্ষিতে রচিত। এটি আত্মমর্যাদাবোধ, প্রজ্ঞা ও বীররসাত্মক অভিব্যক্তির এক অনুপম সাহিত্যিক নির্দশন।

(ج) الأبيات:
مَا أَقْدَرَ اللهَ أَنْ يُدْعَى بَرِيَّتَهُ * مِنْ تُرْبِهِمْ فَيَعُودُوا كَالَّذِي كَانُوا
مَا أَحْسَنَ الأَرْضَ لَوْ كَانَتْ بِغَيْرِ أَذًى * وَنَحْنُ فِيهَا لِذِكْرِ اللهِ سُكَّانُ
يَكْفِيكَ حُزْنًا ذَهَابُ الصَّالِحِينَ مَعًا * وَنَحْنُ بَعْدَهُمْ فِي الأَرْضِ قُطَّانُ
سَاسَ الأَنَامَ شَيَاطِينٌ مُسَلَّطَةٌ * فِي كُلِّ مِصْرٍ مِنَ الوَالِينَ شَيْطَانُ-

[১ (গ). আবুল আতাহিয়ার যুহদ বা বৈরাগ্যমূলক কবিতার ভাবার্থ ও রূপান্তর:]

কাব্যিক রূপান্তর:
১. মহান আল্লাহ কতই না পরাক্রমশালী ও অসীম ক্ষমতার অধিকারী! তিনি যখন মাটির নিচ থেকে তাঁর সমস্ত সৃষ্টিকে পুনরুত্থানের জন্য ডাকবেন, তখন তারা নিমিষেই পূর্বের ন্যায় অবিকল জীবিত হয়ে ফিরে আসবে।
২. এই পৃথিবী কতই না চমৎকার ও শান্তিময় হতো যদি এখানে কোনো পাপ, জুলুম ও কষ্ট-যন্ত্রণা না থাকত, আর আমরা কেবল মহান আল্লাহর সার্বক্ষণিক জিকির ও স্মরণে এতে বসবাসকারী হতাম!
৩. মানুষের জন্য পরম শোক ও অনুতাপের জন্য এটাই কি যথেষ্ট নয় যে, সমস্ত নেককার ও সৎ মানুষ দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছেন; অথচ আমরা তাঁদের অবর্তমানে এখনো এই নশ্বর ধরায় স্থায়ী বাসিন্দার ন্যায় পড়ে আছি!
৪. মানুষের শাসনভার আজ চেপে বসেছে আধিপত্যকামী শয়তানদের হাতে; প্রত্যেকটি শহরে ও জনপদে শাসকদের মধ্য থেকেই এক একজন শয়তান যেন রাজত্ব করছে!
সাহিত্যিক তাৎপর্য: বৈরাগ্যবাদের প্রধান কবি আবুল আতাহিয়া দুনিয়ার মোহমুক্তি, পুনরুত্থান দিবসের বাস্তবতা এবং সমকালীন দুর্নীতিপরায়ণ শাসকদের অনৈতিকতার বিরুদ্ধে এই কবিতায় স্পষ্ট সামাজিক চাবুক হেনেছেন।

(د) الأبيات:
ذَكَرَ الصَّبُوحَ بِسُحْرَةٍ فَارْتَاحَا * وَأَمَّلَهُ دِيكُ الصَّبَاحِ صِيَاحَا
أَوْفَى عَلَى شَعَفِ الجِدَارِ بِسُدْفَةٍ * غَرِدًا يُصَفِّقُ بِالجَنَاحِ جَنَاحَا
بَادِرْ صَبَاحَكَ بِالصَّبُوحِ وَلَا تَكُنْ * كَمُسَوِّفِينَ غَدَوْا عَلَيْكَ شِحَاحَا
إِنَّ الصَّبُوحَ جَلَاءُ كُلِّ مُخَمَّرٍ * بَدَرَتْ يَدَاهُ بِكَاسِهِ إِلَّا صَبَاحَا-

[১ (ঘ). আবু নুওয়াসের খামরিয়্যাত বা সুরাকাব্যের ভাবার্থ ও রূপান্তর:]

কাব্যিক রূপান্তর:
১. শেষ রাতে হঠাৎ সুবাসিত প্রভাতি সুরা পানের কথা তার মনে পড়ে গেল, আর অমনি তার চিত্ত আনন্দে ব্যাকুল হয়ে উঠল; আর ভোরের মোরগের সুতীব্র ডাক তার সেই আশাকে আরো জাগিয়ে তুলল।
২. রাতের আঁধারের শেষ প্রহরে মোরগটি প্রাচীরের চূড়ায় চড়ে বসল; তারপর আনন্দে মিষ্টি সুরে গান গাইতে গাইতে এক পাখা দিয়ে অপর পাখায় সশব্দে তালি বাজাল।
৩. অতএব হে সখা! প্রত্যুষের আগেই সুরা পানে এগিয়ে চলো, তাদের মতো অলস ও কালক্ষেপণকারী হয়ো না যারা কৃপণতা করে সুরা পানের মুহূর্তগুলোকে বিনষ্ট করে।
৪. নিশ্চয়ই সকালের তাজা পানীয় অন্তরের সকল ক্লান্তি, দুশ্চিন্তা ও নেশার গ্লানিকে ধুয়ে মুছে দেয়, যার হাত ভোরে উঠেই সুরাপাত্রের দিকে প্রসারিত হয়।
সাহিত্যিক তাৎপর্য: আব্বাসীয় যুগের অন্যতম প্রধান কবি আবু নুওয়াস মরুভূমির তাঁবু ও ফেলে আসা স্মৃতিচিহ্নে ক্রন্দন করার জাহিলি ঐতিহ্যকে প্রত্যাখ্যান করে নাগরিক বিলাসবহুল জীবন এবং সুরার স্তুতিতে এই কবিতাটি রচনা করেন।

(هـ) الأبيات:
يَا لَيْتَ شِعْرِي وَلَمْ نُعْتِبْ أَعَادِيَكُمْ * هَلْ نَالَ حَظًّا مِنَ العُتْبَى أَعَادِينَا
لَمْ نَعْتَقِدْ بَعْدَكُمْ إِلَّا الوَفَاءَ لَكُمْ * رَأْيًا وَلَمْ نَتَقَلَّدْ غَيْرَهُ دِينَا
مَا حَقُّنَا أَنْ تُقِرُّوا عَيْنَ ذِي حَسَدٍ * بِنَا وَلَا تَسُرُّوا كَاشِحًا فِينَا
كُنَّا نَرَى اليَأْسَ تُسْلِينَا عَوَارِضُهُ * وَقَدْ يَئِسْنَا فَمَا لِلْيَأْسِ يُغْرِينَا-

[১ (ঙ). ইবনে যায়দুনের কাসীদায়ে নূনিয়্যাহ-এর ভাবার্থ ও রূপান্তর:]

কাব্যিক রূপান্তর:
১. হায়! আমি যদি জানতে পারতাম—যেখানে আমরা কখনো আপনাদের শত্রুদের মনোরঞ্জন করিনি বা তাদের কথায় কান দেইনি, সেখানে আমাদের শত্রুরা কি আপনাদের কাছ থেকে কোনো সন্তুষ্টি বা সহানুভূতি লাভ করল?
২. আপনাদের থেকে দূরে যাওয়ার পরও আপনাদের প্রতি অটল বিশ্বস্ততা বজায় রাখাই আমাদের একমাত্র মতাদর্শ এবং একেই আমরা নিজেদের অলঙ্ঘনীয় ধর্ম ও ঈমান হিসেবে ধারণ করে রেখেছি।
৩. আমাদের এমন কোনো অপরাধ ছিল না যে আপনারা আমাদের শাস্তি দিয়ে ঈর্ষান্বিত শত্রুদের চোখকে শীতল করবেন, কিংবা আমাদের ধ্বংস দেখে পরশ্রীকাতর বিদ্বেষীদের মনে আনন্দের সঞ্চার করবেন!
৪. এক সময় আমরা ভেবেছিলাম যে নিরাশার আগমন হয়তো আমাদের যন্ত্রণাকে ভুলিয়ে দেবে এবং সান্ত্বনা দেবে; কিন্তু হায়! আজ আমরা চূড়ান্ত নিরাশ হয়েও কোনো সান্ত্বনা পাচ্ছি না, নিরাশা কেন যেন আমাদেরকে কোনো সান্ত্বনা দিতে পারছে না!
সাহিত্যিক তাৎপর্য: আন্দালুসের কালজয়ী কবি ইবনে যায়দুন রাজকুমারী ওয়াল্লাদার প্রেমে বিরহগ্রস্ত হয়ে কারাগার ও নির্বাসনে বসে এই হৃদয়বিদারক নূনিয়্যাহ কাসীদা রচনা করেন, যা আরবি রোমান্টিক ও বিরহ কাব্যের এক অনন্য চূড়া।

٢- اشرح من الأبيات التالية (اثنين فقط) :

[২. নিম্নোক্ত পঙক্তিগুলোর বিস্তৃত ও তথ্যবহুল ব্যাখ্যা প্রস্তুত কর:]


الجواب:

(أ) وَقَفْتُ بِهَا مِنْ بَعْدِ عِشْرِينَ حِجَّةً * فَلَأْيًا عَرَفْتُ الدَّارَ بَعْدَ تَوَهُّمِ-

[২ (ক). ব্যাখ্যা ও সাহিত্যিক মূল্যায়ন:]

প্রসঙ্গ: চরণটি জাহিলি যুগের বিখ্যাত মুয়াল্লাকা রচয়িতা যুহাইর ইবনে আবি সুলমার আত্মজৈবনিক শোক ও স্মৃতিচারণমূলক মুয়াল্লাকার প্রারম্ভিক অংশ থেকে চয়ন করা হয়েছে।
ব্যাখ্যা: কবি তাঁর প্রেমাষ্পদ উম্মে আওফার সাথে দীর্ঘ বিশটি বসন্তকাল পর তাঁর পরিত্যক্ত বাসস্থানে এসে দাঁড়িয়েছেন। কালের নিষ্ঠুর আবর্তে, মরুভূমির তীব্র ধূলিঝড়ে এবং দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে সেই জনপদ সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। কবির চোখের সামনে কোনো স্পষ্ট চিহ্ন অবশিষ্ট নেই। দীর্ঘ সময় ধরে গভীর দৃষ্টিতে পর্যবেক্ষণ ও চিন্তা-ভাবনা করার পর এবং বহু দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও অনুমানের পর কবি নিশ্চিত হলেন যে এটিই সেই পরম কাঙ্ক্ষিত প্রেমিকার স্মৃতিবিজড়িত ঘর। এখানে ‘فلأيا’ শব্দটির মাধ্যমে কবির অন্তরের প্রচণ্ড কষ্ট, দ্বিধা এবং কষ্টসাধ্য আবিষ্কারের চমৎকার মানসিক অবস্থা ফুটে উঠেছে। এটি প্রাক-ইসলামি কবিতার ‘আল-উকুফ আলাল আতলাল’ (ধ্বংসাবশেষে দাঁড়িয়ে রোদন) রীতির এক কালজয়ী নিদর্শন।

(ب) يُحَدِّثُنَا عَمَّا يَكُونُ مُنَجِّمٌ * وَلَمْ يَدْرِ إِلَّا اللهُ مَا هُوَ كَائِنُ-

[২ (খ). ব্যাখ্যা ও সাহিত্যিক মূল্যায়ন:]

প্রসঙ্গ: পঙক্তিটি আব্বাসীয় যুগের খ্যাতনামা যুহদিয়া (বৈরাগ্যমূলক) ধারার কবি আবুল আতাহিয়ার এক অনন্য আধ্যাত্মিক কবিতা থেকে গৃহীত।
ব্যাখ্যা: কবি এই চরণে তৎকালীন সমাজে ছড়িয়ে পড়া কুসংস্কার এবং জ্যোতিষীদের ভবিষ্যৎ বাণীর ভণ্ডামিকে সরাসরি খণ্ডন করেছেন। জ্যোতিষীরা নক্ষত্রপুঞ্জের গতিবিধি ও হিসাব-নিকাশ দেখিয়ে মানবজাতিকে ভবিষ্যতের সুখ-দুঃখের মিথ্যা সংবাদ শোনায় এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করে। কিন্তু কবি তাওহিদের অকাট্য দর্শনের আলোকে স্মরণ করিয়ে দেন যে, ভবিষ্যতের অদৃশ্য জগতের (ইলমুল গায়েব) একমাত্র মালিক হলেন মহান আল্লাহ রব্বুল আলামিন। আল্লাহ ছাড়া আসমান ও জমিনের কারোই ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানার অনুমাত্র ক্ষমতা নেই। অতএব মানুষের উচিত ভাগ্যগণনাকারীদের ধোঁকা থেকে দূরে থেকে একক পরাক্রমশালী সৃষ্টিকর্তার ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল ও ভরসা রাখা।

(ج) عَجِبَ الوُشَاةُ مِنَ اللُّحَاةِ وَقَوْلِهِمْ * دَعْ مَا نَرَاكَ ضَعُفْتَ عَنْ إِخْفَائِهِ-

[২ (গ). ব্যাখ্যা ও সাহিত্যিক মূল্যায়ন:]

প্রসঙ্গ: পঙক্তিটি আন্দালুসীয় প্রেমের কবি ইবনে যায়দুনের বিরহগাথা থেকে সংকলিত।
ব্যাখ্যা: এই চরণে কবি তাঁর গোপন প্রেমের ওপর চতুর্দিক থেকে ধেয়ে আসা আক্রমণ, নিন্দা ও চক্রান্তের চিত্র এঁকেছেন। ‘আল-উশাত’ হলো সেইসব চক্রান্তকারী ও কানভাঙানি দেওয়া ব্যক্তি যারা প্রেমিকের সম্পর্ক ভেঙে দিতে সচেষ্ট থাকে; আর ‘আল-লুহাত’ হলো তিরস্কারকারী দল। তারা উভয়ে কবির প্রেমের গভীরতা ও শারীরিক শীর্ণতা দেখে বিস্মিত হয়ে উপহাস করে বলে: “তুমি যাকে আড়াল করতে এত দুর্বল ও ব্যর্থ হয়ে পড়েছ, সেই প্রেম পরিত্যাগ করো না কেন?!” কবির অন্তরে প্রেমের আগুন এতটাই প্রজ্জ্বলিত হয়েছিল যে বাহ্যিক কোনো শক্তি বা হাজারো তিরস্কার তাঁকে ওয়াল্লাদার প্রেম থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। এটি প্রেমের আত্মত্যাগ ও শত্রুদের নির্মমতার জীবন্ত রূপ।

(د) لِسَانُ الفَتَى نِصْفٌ وَنِصْفٌ فُؤَادُهُ * فَلَمْ يَبْقَ إِلَّا صُورَةُ اللَّحْمِ وَالدَّمِ-

[২ (ঘ). ব্যাখ্যা ও সাহিত্যিক মূল্যায়ন:]

প্রসঙ্গ: এটি মহাকবি যুহাইর ইবনে আবি সুলমার অমর মুয়াল্লাকার হিকমত ও জীবনদর্শনের শ্রেষ্ঠ নীতিবাক্যসমূহের একটি।
ব্যাখ্যা: প্রজ্ঞাবান কবি যুহাইর মানুষের প্রকৃত সত্তা ও মানবীয় মর্যাদার এক অপূর্ব মনস্তাত্ত্বিক ও দার্শনিক সংজ্ঞা প্রদান করেছেন। কবির মতে, একজন যুবকের শারীরিক উচ্চতা, রূপলাবণ্য বা বাহ্যিক আবরণ কোনো আসল মাপকাঠি নয়। একজন মানুষের মূল পরিচয় নির্ভর করে দুটি প্রধান উপাদানের ওপর: প্রথমত, তার সংযত, মিষ্ট ও প্রজ্ঞাময় জিহ্বা (বাকশক্তি); দ্বিতীয়ত, তার নির্মল, সাহসী ও সুবিচারক হৃদয় (অন্তর)। মানুষের এই বাকশক্তি ও হৃদয় বাদ দিলে দেহের অবশিষ্ট অংশটি নিছক গোশত ও রক্তের একটি কাঠামো ছাড়া আর কিছুই নয়। যদি কারো জিহ্বা চরিত্রহীন হয় এবং অন্তর কলুষিত হয়, তবে তার মানুষের আকৃতি থাকলেও সে পশুর সমান। এই প্রজ্ঞাপূর্ণ চরণটি আরবি সাহিত্যের সর্বকালের অন্যতম সেরা প্রবাদে পরিণত হয়েছে।

٣- اشرح باللغة العربية من الأبيات التالية (اثنين فقط) :

[৩. নিম্নোক্ত পঙক্তিগুলোর আরবি ভাষায় প্রাঞ্জল ব্যাখ্যা প্রস্তুত কর:]


الجواب:

(أ) لَدَى أَسَدٍ شَاكِي السِّلَاحِ مُقَذَّفٍ * لَهُ لِبَدٌ أَظْفَارُهُ لَمْ تُقَلَّمِ-

الشرح والتحليل الأدبي:
هذا البيت الرائع من معلقة الشاعر الجاهلي الحكيم زهير بن أبي سلمى (وقيل لكعب بن زهير في وصف الشجاعة)، وفيه يصور الشاعر صورة الفارس البطل المقاتل تصويرًا مجازيًا مذهلًا، حيث يشبهه بالأسد الضاري الشجاع في ساحة الحرب. ومعنى “شاكي السلاح” أي تام السلاح وكامله، حاد السيوف والرماح. و”مقذف” أي جسيم قوي مدرب يرمى به في أعظم المهالك فلا يهاب الردى. وقوله “له لبد أظفاره لم تقلم” تشبيه لشعر عنقه المتراكم وجسارته بمخالب الأسد الفتاكة التي لم تقطع ولم تهن، دلالة على استمرار سطوته وشدة فتك أعدائه، وهو رمز للبطولة العربية الأصيلة في الدفاع عن الحياض وإخماد نيران الفتنة.

(ب) دَعِ الأَطْلَالَ تَسْفُهَا الجَنُوبُ * وَتَبْلَى عَهْدَ جِدَّتِهَا الخُطُوبُ-

الشرح والتحليل الأدبي:
هذا البيت يمثل الثورة التجديدية الكبرى التي قادها الشاعر العباسي أبو نواس (الحسن بن هانئ) ضد التقاليد الشعرية القديمة. يقول الشاعر: اتركوا البكاء على الأطلال البالية والديار الدارسة التي تسفي عليها رياح الجنوب التراب وتمحوها صروف الدهر ونوازله. ويرى أبو نواس أن الوقوف على الديار القديمة ضرب من الجمود العقلي والرجعية التي لا تناسب العصر العباسي الزاهر بحضارته وبساتينه ومجالسه المترفة. وبدلًا من البكاء على آثار خولة أو دعد، يدعو إلى الإقبال على مباهج الحياة الحاضرة وشرب الراح والتمتع بجمال الطبيعة الحية، مما جعل هذا البيت رمزًا للمذهب التجديدي في الشعر العربي.

(ج) لَرَأَيْنَا مُسْتَيْقِظِينَ أُمُورًا * حَسِبْنَا أَنْ تَكُونَ رُؤْيَا مَنَامِ-

الشرح والتحليل الأدبي:
هذا البيت الحزين مقتبس من رائية الشاعر العباسي الفيلسوف ابن الرومي في رثاء مدينة البصرة بعد فتنة الزنج سنة ٢٥٧ هـ. يعبر الشاعر في هذا البيت عن هول المصائب والفواجع التي نزلت بالمسلمين في البصرة، حيث شهد الناس في يقظتهم وحقيقتهم من المذابح المروعة وانتهاك الحرمات وتدمير المساجد ما لا يمكن أن يتصوره عقل أو يقع حتى في أسوأ الكوابيس والأحلام. فالمعنى أن الفظائع التي وقعت على أرض الواقع كانت أشد غرابة ورعبًا من أوهام المنام، وهو تعبير بليغ عن الدهشة والفجيعة الوطنية والإنسانية التي تركت جرحًا غائرًا في قلب الأمة الإسلامية.

(د) يَا لَائِمِي كُفَّ المَلَامَ عَنِ الَّذِي * أَضْنَاهُ طُولُ سَقَامِهِ وَشَقَائِهِ-

الشرح والتحليل الأدبي:
ينتمي هذا البيت إلى رقة الغزل الوجداني وشعر الشكوى والعتاب. يخاطب الشاعر فيه عاذله ولائمه الذي يكثر من لومه وعتابه على فرط حبه وهيامه، فيقول له: يا من تلومني على وجدي وغرامي، كف عني عتابك وارحم حالي؛ فإن اللوم لا يجدي نفعًا لمن أهلكه المرض وأضناه طول السقم والشقاء الناتج عن فراق الحبيب. فالشاعر يرى أن اللائم يجهل حقيقة لوعة العشق، ولو ذاق طعم الهوى لعذره بدلًا من أن يزيده ألمًا فوق ألمه. ويمتاز البيت بعذوبة الألفاظ وصدق العاطفة وجمال الإيقاع الموسيقي المعبر عن انكسار النفس وتألمها.

٤- أجب عن اثنين من الأسئلة التالية باللغة العربية :

[৪. নিম্নোক্ত প্রশ্নগুলোর পূর্ণাঙ্গ আরবি উত্তর প্রস্তুত কর:]


الجواب:

(أ) اكتب خصائص أشعار زهير بن أبي سلمى-

الجواب الكامل:
يعد الشاعر الحكيم زهير بن أبي سلمى المزني أحد فحول شعراء المعلقات في العصر الجاهلي، وتمتاز أشعاره بخصائص أدبية وفكرية رفيعة قل نظيرها، منها:
١- الحوليات والتنقيح: كان زهير ينظم القصيدة في أربعة أشهر، ويهذبها وينقحها في أربعة أشهر، ويعرضها على خواصه في أربعة أشهر، فلا تخرج للناس إلا بعد حول كامل، لذلك سميت قصائده بالحوليات، فكانت خالية من السقطات اللفظية والمعنوية.
٢- الدعوة إلى السلام ونبذ الحروب: انفرد زهير عن شعراء الجاهلية بنزعته الإنسانية الصادقة ودعوته إلى حقن الدماء وإخماد نيران الحروب العبثية (كحرب داحس والغبراء)، ومدح صانعي السلام هرم بن سنان والحارث بن عوف.
٣- فيض الحكمة والموعظة البالغة: امتلأت معلقته بالأمثال السائرة والحكم الخالدة في تقلبات الدهر، وضبط اللسان، وحسن الجوار، ومصانعة الناس بالحسنى.
٤- البعد عن الإقواء والتكلف والمديح الكاذب: شهد له عمر بن الخطاب رضي الله عنه بأنه “كان لا يمدح الرجل إلا بما فيه”، مبتعدًا عن المبالغات الفارغة والكذب.

(ب) ما المعلقة؟ وما أسباب تسميتها بالمعلقة؟

الجواب الكامل:
تعريف المعلقة:
المعلقات هي قصائد طوال من عيون الشعر العربي الجاهلي، بلغت الذروة في الفصاحة، وجزالة اللفظ، وقوة السبك، وتنوع الأغراض من وصف، وغزل، وحماسة، وحكمة. وهي سبع قصائد على المشهور (أو عشر عند التبريزي).
أسباب تسميتها بالمعلقات:
ذكر مؤرخو الأدب والنقاد عدة أسباب لتسميتها بهذا الاسم، أبرزها:
١- التعليق على جدار الكعبة: قيل لأن العرب اختارتها من بين سائر الأشعار لجودتها، فكتبت بماء الذهب على أقمشة القباطي وعُلقت على أستار الكعبة المشرفة تعظيمًا لها وتخليدًا لذكرها.
٢- التعليق في الأذهان والقلوب: قيل إنها لعذوبتها ورصانة ألفاظها وقوة تأثيرها علقت في نفوس العرب وحفظتها قلوبهم وسارت بها الركبان.
٣- تشبيهها بنفائس العقود (العِلْق): مشتقة من الشيء النفيس المسمى “العِلْق”، كأنها العقود والقلائد الثمينة من الجواهر والدرر التي تعلق على صدور الحسان لشرفها وحسنها.

(ج) اكتب خصائص الشعر الجاهلي-

الجواب الكامل:
يتميز الشعر العربي في العصر الجاهلي بخصائص فنية وموضوعية جعلته ديوان العرب وسجل حياتهم الخالد، ومن أهم هذه الخصائص:
١- الصدق والواقعية في التصوير: كان الشاعر الجاهلي يصور بيئته الصحراوية البدوية تصويرًا حقيقيًا صادقًا بلا تزوير، فوصف الناقة، والفرس، والليل، والصيد، ومجالس الشرب، والحروب.
٢- جزالة الألفاظ ومتانة التراكيب: تميزت لغة الشعر بالفصاحة الفطرية، والخشونة الملائمة لطبيعة الصحراء، مع خلوها من الزخارف البديعية المتكلفة والتعقيد اللفظي.
٣- الافتتاح بالأطلال والغزل العفيف: التزام بناء القصيدة التقليدي المبتدئ بالوقوف على الديار الدارسة والبكاء على فراق الأحبة (النسيب).
٤- وحدة البيت وتعدد الأغراض: كانت القصيدة الواحدة تنتقل من الغزل إلى وصف الرحلة، ثم الفخر أو المديح أو الحماسة، حيث يعتبر كل بيت وحدة قائمة بذاتها.
٥- العصبية القبلية: طغيان روح الفخر بالقبيلة والذود عن حياضها والثأر للكرامة، مما كان يمثل المحرك الأساسي لحياة العربي الجاهلي.

(د) اكتب نبذة من حياة الشاعر البحتري-

الجواب الكامل:
اسمه ونشأته:
هو أبو عبادة الوليد بن عبيد بن يحيى الطائي، المعروف بـ “البحتري” (٢٠٤ – ٢٨٤ هـ / ٨٢٠ – ٨٩٧ م). ولد في مدينة منبج بالشام، ونشأ في قبيلته طيء، فنهل من فصاحة البادية وصفاء لغتها.
سيرته الأدبية ومكانته:
اتصل بالشاعر الكبير أبي تمام وتتلمذ عليه، فأثنى أبو تمام على موهبته وتنبأ له بمستقبل باهر. رحل البحتري إلى بغداد وسر من رأى (سامراء)، واتصل بخلفاء بني العباس ووزرائهم، ونال حظوة عظيمة عند الخليفة المتوكل ووزيره الفتح بن خاقان.
مذهبه الشعري وآثاره:
يمثل البحتري قمة “عمود الشعر العربي”؛ حيث تميز شعره بالموسيقى الساحرة، ورشاقة الألفاظ، والبعد عن التعقيد الفلسفي الذي اشتهر به أبو تمام. اشتهر بروائعه في وصف الطبيعة و”سينيته” الشهيرة في وصف إيوان كسرى التي تعد معجزة من معجزات الشعر العربي، فضلًا عن ديوانه الكبير وكتاب الحماسة، وقيل فيه: “أبو تمام والبحتري حكيمان، والشاعر المتنبي”.

٥- أجب عن الاسئلة التالية (أربعة فقط) :

[৫. নিম্নোক্ত প্রশ্নগুলোর প্রামাণ্য ও পূর্ণাঙ্গ উত্তর প্রস্তুত কর:]


الجواب:

(أ) ما هي فنون الشعر في العصر العباسي؟

[৫ (ক). আব্বাসীয় যুগের কবিতার প্রধান প্রধান কাব্যরীতি ও শিল্পকলা:]

আব্বাসীয় যুগে সামাজিক রূপান্তর, বিভিন্ন জাতির সম্মিলন এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রভাবে কবিতায় সনাতন ধারার পাশাপাশি বহু নতুন কাব্যরীতির উন্মেষ ঘটে। এর প্রধান রূপগুলো হলো:
১. আল-মাদহ বা স্তুতিগান (المديح): পূর্বের চেয়ে এটি অধিক গভীরতা লাভ করে; খলিফাদের বীরত্ব ও ইসলামি সাম্রাজ্য রক্ষার জিহাদী উদ্দীপনা এতে রূপায়িত হয় (যেমন আবু তাম্মাম ও মুতানাব্বি)।
২. আল-ওয়াসফ বা নব আঙ্গিকের বর্ণনা (الوصف المستحدث): প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলী, সুরম্য প্রাসাদ, ঝর্ণা, ফুলের বাগান, যুদ্ধের প্রযুক্তি এবং শিকারের নিখুঁত চিত্রায়ন (যেমন বুহতরী ও ইবনুল মু’তায)।
৩. আল-হিজা বা তীব্র রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যঙ্গ (الهجاء السياسي والاجتماعي): ব্যক্তির সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে সামাজিক অনাচার ও দুর্নীতিকে রূপক ব্যঙ্গের মাধ্যমে উন্মোচন (যেমন ইবনুর রূমী)।
৪. আয-যুহদ ওয়াল হিকমাহ বা বৈরাগ্য ও দর্শন (الزهد والحكمة): পার্থিব মোহ ও ভোগবাদের তীব্র প্রতিবাদে আখেরাতের স্মরণ ও আধ্যাত্মিক জাগরণ (যেমন আবুল আতাহিয়া)।
৫. আল-খামরিয়্যাত বা সুরাকাব্য (الخمريات): নাগরিক বিলাসিতার পটভূমিতে সুরার নান্দনিক বর্ণনা (যেমন আবু নুওয়াস)।
৬. আল-গজল বা প্রেমকাব্য (الغزل): এতে দুই ধারা দৃশ্যমান হয়—মার্জিত আধ্যাত্মিক প্রেম এবং দরবারি ভোগবাদী প্রেম।
৭. আশ-শি’রুত তা’লিমি বা শিক্ষামূলক জ্ঞানকাব্য (الشعر التعليمي): ব্যাকরণ, ইতিহাস ও ফিকহের মাসআলা ছন্দের মাধ্যমে উপস্থাপন।

(ب) اكتب نبذة من حياة المتنبي-

[৫ (খ). মহাকবি আল-মুতানাব্বির জীবন ও সাহিত্যিক অবদান:]

নাম ও জন্ম: কবিসম্রাট আল-মুতানাব্বির আসল নাম আবু তাইয়্যিব আহমদ ইবনুল হুসাইন আল-জু’ফী আল-কিন্দি। তিনি ৩০৩ হিজরি (৯১৫ খ্রি.) কুফার কিন্দাহ মহল্লায় জন্মগ্রহণ করেন।
শিক্ষা ও প্রতিভার বিকাশ: ছোটবেলা থেকেই তিনি অসাধারণ মেধা ও মুখস্থশক্তির অধিকারী ছিলেন। তিনি বাগদাদ ও দামেস্কের প্রখ্যাত আলেমদের নিকট ভাষা, ব্যাকরণ ও সাহিত্যের পাঠ নেন এবং বেদুইনদের বিশুদ্ধ আরবি ভাষা আয়ত্ত করতে মরুভূমিতে দীর্ঘ সময় কাটান।
রাজনৈতিক অস্থিরতা ও উপাধি: যৌবনে তিনি সমসাময়িক রাজনৈতিক অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন এবং সিরিয়ার বেদুইনদের মাঝে নেতৃত্ব দেন। এ সময় তাঁর বিরুদ্ধে নবুয়তের মিথ্যা দাবির অভিযোগ এনে তাঁকে কারারুদ্ধ করা হয়, যেখান থেকে তাঁর উপাধি হয় ‘আল-মুতানাব্বি’। তবে ঐতিহাসিকদের মতে, তাঁর কবিতার অলৌকিক আভিজাত্যের কারণেই রূপক অর্থে তাঁকে এই উপাধি দেওয়া হয়।
দরবারি জীবন ও শাহাদাত: তিনি আলেপ্পোর হামদানি শাসক সাইফুদ দাওলার দরবারে নয় বছর অবস্থান করেন এবং তাঁর অমর ‘সাইফিয়্যাত’ কাসিদাসমূহ রচনা করেন। পরবর্তীতে মিশরের শাসক কাফুর আল-ইখশিদির দরবারে যান। ৩৫৪ হিজরিতে (৯৬৫ খ্রি.) ইরাকে ফেরার পথে ফাতাক আল-আসাদি নামক ডাকাত সর্দার কর্তৃক তিনি তাঁর পুত্র ও ভৃত্যসহ বীরোচিত লড়াই করে শাহাদাতবরণ করেন।

(ج) ما معنى الشعر لغة واصطلاحًا-

[৫ (গ). কবিতার শাব্দিক ও পারিভাষিক সংজ্ঞা:]

১. আভিধানিক অর্থ (الشعر لغة):
আরবি ‘শি’র’ (شعر) শব্দটি ‘শা’আরা’ (شعر – يشعر – شعورا) ধাতু থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ—অনুভব করা, উপলব্ধি করা, সচেতন হওয়া বা সূক্ষ্মভাবে জানা। যেমন কুরআনে বলা হয়েছে: وَمَا يَشْعُرُونَ (তারা উপলব্ধি করতে পারে না)। যিনি সাধারণ মানুষের চেয়ে বেশি গভীর অনুভূতি ও সূক্ষ্ম অন্তর্দৃষ্টি রাখেন, তাকে ‘শা’ইর’ (কবি) বলা হয়।
২. পারিভাষিক অর্থ (الشعر اصطلاحًا):
সাহিত্য ও অলংকারশাস্ত্রের ইমামগণের মতে কবিতার সুনির্দিষ্ট পারিভাষিক সংজ্ঞা হলো:
“الشِّعْرُ هُوَ الكَلَامُ المَوْزُونُ المُقَفَّى الدَّالُّ عَلَى مَعْنًى بِالقَصْدِ”
অর্থাৎ: “সুনির্দিষ্ট ছন্দ ও অন্ত্যমিল বিশিষ্ট এমন সুসংবদ্ধ বাক্যমালা, যা ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো নির্দিষ্ট ভাব বা অর্থ প্রকাশের উদ্দেশ্যে রচিত হয়।”
এখানে প্রধান শর্ত চারটি: (ক) আল-কালাম (অর্থপূর্ণ বাক্য), (খ) আল-ওয়াযন (আরুজ শাস্ত্রের নির্দিষ্ট ছন্দ বা বহর), (গ) আল-কাফিয়াহ (পঙক্তির শেষ মিল), এবং (ঘ) আল-ক্বাসদ (কাব্যিক সংকল্প বা স্বতঃস্ফূর্ত ছন্দময় পরিকল্পনা)।

(د) ما الخمريات؟ وما خصائصها؟

[৫ (ঘ). আল-খামরিয়্যাতের সংজ্ঞা ও এর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:]

সংজ্ঞা: ‘খামরিয়্যাত’ (الخمريات) হলো আরবি কবিতার একটি বিশেষায়িত ধারা, যেখানে মদ্য, সুরাপাত্র, সুরা পরিবেশনের আসর, সাকীর রূপ এবং সুরার প্রতিক্রিয়াকে কেন্দ্র করে নান্দনিক কাব্য রচিত হয়। আব্বাসীয় কবি আবু নুওয়াস এই ধারাকে আরবি সাহিত্যে একটি স্বতন্ত্র ও পূর্ণাঙ্গ রূপ প্রদান করেন।
প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. ঐতিহ্যবাহী অতুলালের বিদ্রোহ: মরুভূমির বালুকাভূমিতে দাঁড়িয়ে কান্নাকাটি করার প্রাচীন জাহিলি ধারা বর্জন করে সরাসরি সুরা ও আনন্দঘন নগরজীবনের প্রশংসা।
২. নিখুঁত বর্ণনাকৌশল ও স্বচ্ছতা: সুরার স্ফটিক স্বচ্ছতা, তার লালিমাময় দীপ্তি এবং পানপাত্রে আলো প্রতিফলনের বৈজ্ঞানিক ও সূক্ষ্ম চিত্রায়ন।
৩. সঙ্গীত ও সাকীর বর্ণনা: গান-বাজনার আসর, মার্জিত বংশমর্যাদাসম্পন্ন রূপবান সাকী এবং সুরার পাত্রের নান্দনিক অঙ্গসজ্জার বিবরণ।
৪. সরল ও প্রাণবন্ত ভাষা: জাহিলি কবিতার প্রাচীন ও দুর্বোধ্য শব্দের পরিবর্তে মার্জিত, সুমধুর ও নাগরিক বাগধারার সার্থক ব্যবহার।

(هـ) اكتب خلاصة القصيدة ‘أي نوم’-

[৫ (ঙ). ইবনুর রূমীর বিখ্যাত কাসীদা “আইয়্যু নাওম”-এর মূলভাব ও সারসংক্ষেপ:]

প্রেক্ষাপট: ২৫৭ হিজরিতে আব্বাসীয় খেলাফতের অধীনে দক্ষিণাঞ্চলীয় বাণিজ্য নগরী বসরায় সংঘটিত রক্তক্ষয়ী ‘জাঞ্জ বিদ্রোহ’ (ثورة الزنج)-এর নির্মম গণহত্যার ওপর ভিত্তি করে মহাকবি ইবনুর রূমী এই শোকগাথাটি রচনা করেন।
মূল বক্তব্য ও সারসংক্ষেপ:
১. নিদ্রাহীন হাহাকার: কবি তাঁর চোখের ঘুম চিরতরে হারিয়ে ফেলার ঘোষণা দিয়ে কবিতা শুরু করেন। তিনি বলেন—যেখানে বসরার লাখ লাখ নিরপরাধ মুসলিমকে জবাই করা হয়েছে, পবিত্র মসজিদের মিম্বর রক্তে রঞ্জিত হয়েছে, সেখানে কোনো আত্মমর্যাদাসম্পন্ন মুমিনের চোখে কীভাবে ঘুম আসতে পারে?!
২. বর্বরতার চিত্র: বিদ্রোহী জাঞ্জরা নারীদের সম্মানহানি করেছে, শিশুদের মায়ের কোল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যা করেছে এবং শতাব্দীর জ্ঞানভাঙার সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার আগুনে ভস্মীভূত করেছে।
৩. উম্মাহর প্রতি জাগরণী বার্তা: কবি সমকালীন খলিফা ও মুসলিম উম্মাহকে ভর্ৎসনা করে তাঁদের নির্লিপ্ততার বিরুদ্ধে হুংকার দেন এবং নির্যাতিত বসরার সাহায্যার্থে দ্রুত অস্ত্র তুলে নেওয়ার আহ্বান জানান। এটি আরবি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক ও মানবিক শোকগাথা।

(و) اكتب أربعة أبيات (غير ما ذكر في السؤال)-

[৫ (চ). পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত চারটি প্রখ্যাত প্রজ্ঞাপূর্ণ চরণ:]

মহাকবি যুহাইর ইবনে আবি সুলমার বিখ্যাত মুয়াল্লাকা থেকে সংকলিত চারটি কালজয়ী হিকমতপূর্ণ চরণ নিম্নে পেশ করা হলো:

وَمَنْ يَكُ ذَا فَضْلٍ فَيَبْخَلْ بِفَضْلِهِ * عَلَى قَوْمِهِ يُسْتَغْنَ عَنْهُ وَيُذْمَمِ
وَمَنْ يَجْعَلِ المَعْرُوفَ مِنْ دُونِ عِرْضِهِ * يَفِرْهُ وَمَنْ لَا يَتَّقِ الشَّتْمَ يُشْتَمِ
وَمَنْ هَابَ أَسْبَابَ المَنَايَا يَنَلْنَهُ * وَإِنْ يَرْقَ أَسْبَابَ السَّمَاءِ بِسُلَّمِ
وَمَهْمَا تَكُنْ عِنْدَ امْرِئٍ مِنْ خَلِيقَةٍ * وَإِنْ خَالَهَا تَخْفَى عَلَى النَّاسِ تُعْلَمِ

সারার্থ:
১. যে ব্যক্তি প্রাচুর্য ও সম্পদের মালিক হয়েও নিজ সম্প্রদায়ের প্রয়োজনে কৃপণতা করে, তাকে সমাজ বর্জন করে এবং সে সর্বত্র নিন্দিত হয়।
২. যে ব্যক্তি নিজ সম্মান বাঁচাতে সৎকর্মকে ঢাল বানায়, তার মান অক্ষুণ্ণ থাকে; আর যে গালিগালাজকে পরোয়া করে না, সে নিজেই গালির পাত্র হয়।
৩. মৃত্যুর কারণসমূহকে যে ভয় পায়, মৃত্যু তাকে স্পর্শ করবেই—এমনকি সে যদি সিঁড়ি বেয়ে আকাশে পালিয়েও যায়।
৪. মানুষের অন্তরে যে চরিত্রই লুকায়িত থাকুক না কেন, সে যদি ভাবে তা মানুষের চোখ এড়িয়ে যাবে, তবুও একদিন তা মানুষের সামনে প্রকাশিত হয়েই পড়ে।

(ز) اكتب أغراض الشعر العباسي باختصار-

[৫ (ছ). সংক্ষেপে আব্বাসীয় কবিতার মূল বিষয়বস্তু ও উদ্দেশ্যসমূহ:]

আব্বাসীয় যুগে কবিতার প্রচলিত উদ্দেশ্যের ব্যাপক আধুনিকায়ন ঘটে। প্রধান উদ্দেশ্যগুলো হলো:
১. আল-মাদহ (المديح): রাজদরবার কেন্দ্রিক স্তুতিগাথা, যা কেবল অর্থের জন্য নয় বরং খিলাফতের আদর্শ ও রোমানদের বিরুদ্ধে বিজয়ের মহাকাব্য হিসেবে রূপ লাভ করে।
২. আল-ওয়াসফ (الوصف): সুরম্য বাগান, ঝর্ণা, সুসজ্জিত প্রাসাদ ও যুদ্ধক্ষেত্রের আধুনিক ও চিত্তাকর্ষক বর্ণনা।
৩. আয-যুহদ ওয়াল হিকমাহ (الزهد والحكمة): পার্থিব ভোগবিলাসের বিপরীতে আখেরাতমুখী চেতনা ও তাওহিদের দাওয়াত প্রচার।
৪. আল-হিজা (الهجاء): রাজনৈতিক শত্রু ও সামাজিক অবক্ষয়কে লক্ষ্য করে রচিত শাণিত ও তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ।
৫. আল-গজল (الغزل): মানবিক অনুভূতি ও প্রেমের স্নিগ্ধ কাব্যিক প্রকাশ।
৬. আর-রিছা (الرثاء): আত্মীয়-স্বজন ও ধ্বংসপ্রাপ্ত নগরীর ওপর রচিত হৃদয়বিদারক শোকগাথা।

(ح) ما الفرق بين الشعر الجاهلي والشعر الإسلامي؟ بين مختصرا-

[৫ (জ). জাহিলি কবিতা ও ইসলামি কবিতার মৌলিক পার্থক্য:]

ইসলামের আবির্ভাবের ফলে কবিতার চিন্তা, চেতনা ও কাঠামোতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হয়। প্রধান পার্থক্যগুলো হলো:
১. ধর্মীয় বিশ্বাস ও আকীদাহ: জাহিলি কবিতা পৌত্তলিকতা, অন্ধ ভাগ্যবাদ এবং কুসংস্কার দ্বারা প্রভাবিত ছিল; পক্ষান্তরে ইসলামি কবিতা তাওহিদ, রিসালাত, আখিরাত এবং তাকওয়ার আলোকে রচিত।
২. জাতীয়তাবোধ ও আনুগত্য: জাহিলি কবিতায় ছিল গোত্রীয় অন্ধ পক্ষপাতিত্ব ও আসাবিয়্যাহ (عصبية قبيلة); আর ইসলামি কবিতায় গোত্রীয় সীমারেখা ভেঙে বিশ্বজনীন উম্মাহর ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠিত হয়।
৩. নৈতিক মানদণ্ড: জাহিলি কবিতায় মদ্যপান, জুয়া, অবাধ যৌনতা ও অন্যায় রক্তপাতের গৌরব করা হতো; পক্ষান্তরে ইসলামি কবিতায় পবিত্র চরিত্র, সত্যের পথে সংগ্রাম, ন্যায়পরায়ণতা ও সৎকাজের আদেশ এবং অসৎকাজের নিষেধ প্রাধান্য পায়।
৪. ভাষা ও শৈলী: জাহিলি কবিতার ভাষা ছিল মরুভূমির মতো রুক্ষ, জটিল ও কঠিন শব্দে ভারাক্রান্ত; কিন্তু কুরআনে কারিমের সান্নিধ্যে এসে ইসলামি কবিতার ভাষা হয়ে ওঠে মার্জিত, সুমিষ্ট, হৃদয়স্পর্শী ও শালীন।

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. কবি যুহাইর ইবনে আবি সুলমাকে কেন শান্তির কবি বলা হয়?

তিনি তাঁর বিখ্যাত মুয়াল্লাকায় দাহিস ও গাবরার রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছিলেন এবং রক্তপণ দিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী দুই মহান নেতার ঐতিহাসিক স্তুতি গেয়ে শান্তির গান গেয়েছেন।

২. আল-মুতানাব্বির কাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?

আল-মুতানাব্বির কবিতার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো হিমালয়সম আত্মমর্যাদাবোধ, শৌর্যবীর্যের মহাকাব্যিক রূপায়ন এবং গভীর দার্শনিক প্রজ্ঞাপূর্ণ নীতিবাক্য যা আরবি সাহিত্যে প্রবাদতুল্য।

৩. আব্বাসীয় যুগের কবি আবুল আতাহিয়ার প্রধান অবদান কী?

তিনি রাজকীয় ভোগবিলাস ও পার্থিব মোহের বিপরীতে আখেরাতমুখী চেতনা, বৈরাগ্য ও তাওহিদভিত্তিক হিকমতের কবিতা (যুহদিয়্যাত) রচনা করে আরবি সাহিত্যে অমরত্ব লাভ করেন।

৪. আবু নুওয়াসের কবিতার প্রধান বৈপ্লবিক সংস্কার কী ছিল?

আবু নুওয়াস প্রাচীন বেদুইন রীতির মরুভূমির তাঁবুর ধ্বংসাবশেষ দেখে কান্নার প্রথা বর্জন করে সরাসরি নাগরিক সভ্যতার আনন্দ, বাগান ও সুরাকাব্যের (খামরিয়্যাত) সূচনা করেন।

৫. ইবনুর রূমীর ‘আইয়্যু নাওম’ কাসীদার ঐতিহাসিক পটভূমি কী?

২৫৭ হিজরিতে বর্বর জাঞ্জ বিদ্রোহীদের দ্বারা সমৃদ্ধ বসরা নগরীর নির্মম গণহত্যা, মসজিদ ধ্বংস ও নারীদের সম্ভ্রম লুণ্ঠনের হৃদয়বিদারক ট্র্যাজেডির ওপর এটি রচিত এক কালজয়ী শোকগাথা।

৬. জাহিলি যুগের শ্রেষ্ঠ কাসিদাসমূহকে কেন ‘মুয়াল্লাকাত’ বলা হতো?

আরবের সাহিত্যিক ও পণ্ডিতরা অসাধারণ গুণগত মানের কারণে শ্রেষ্ঠ সাতটি কাসিদাকে সোনার জলে লিখে পবিত্র কাবাঘরের দেয়ালে ঝুলিয়ে রেখেছিলেন বলে এগুলোকে মুয়াল্লাকাত বলা হয়।

টেলিটক ছবি ও স্বাক্ষর রিসাইজার (৩০০×৩০০ ও ৩০০×৮০)
সরকারি চাকরি ও ভর্তির অনলাইন আবেদনের জন্য ছবি ও সইয়ের মাপ ঠিক রাখুন ১০০% নির্ভুলভাবে।
ছবি ও সই রিসাইজ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *