বর্তমানে আমাদের ঘরে বরকত নেই। রিযিকে বরকত নেই। খাবারে বরকত নেই । রুজিতে বরকত নেই। রোজগারে বরকত নেই। সময়ে বরকত নেই। এ নিয়ে হাহুতাশেরও অন্ত নেই। নবীজি ﷺ সহজ একটা সমাধান দিয়ে গেছেন। সাহাবীরা পেয়ারা নবীর কাছে অনুযোগের স্বরে বললেন:
– আমরা খানা খাই, কিন্তু পেট ভরে না। তৃপ্ত হতে পারি না ।
– সম্ভবত তোমরা আলাদা আলাদা খাও?
– জ্বি জ্বি ঠিক তাই!
– একসাথে খেতে বসবে। আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করবে। আল্লাহ বরকত দিবেন।
(আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)
– মাত্র দুইটা কাজ করতে বলেছেন নবীজি । তাতেই বরকত দেখা দিবে:-
ক: একসাথে মানে একপ্লেটে খেতে বসা ।
খ: শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়া ।
এখানে বরকত বলে শুধু খাবারের বরকত ও শরীরে তার প্রভাবের কথাই নবীজি বলেননি, পারিবারিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে দেখা দিবে। একসাথে নিয়মিত খেতে বসলে, পরিবারে ভুল বোঝাবুঝি, রেষারেষি হওয়া সম্ভব? সবাই সবার প্রতি সহানুভূতিশীল থাকলে বরকত না এসে পারে?