ফাজিল (স্নাতক) সম্মান ২য় বর্ষ পরীক্ষা ২০২৩
বিভাগ: আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ
বিষয়: কাওয়াইদুল লুগাতিল আরাবিয়্যাহ (قواعد اللغة العربية)
বিষয় কোড: 201203 | পূর্ণমান: ৮০ | সময়: ৪ ঘণ্টা
[দ্রষ্টব্য: ১ নং প্রশ্ন থেকে ৩টি, ২ নং প্রশ্ন থেকে ২টি এবং ৩, ৪ ও ৫ নং সহ মোট ৭টি প্রশ্নের উত্তর দাও।]
١- اجب عن ثلاثة من الأسئلة التالية (علم النحو):
[১. ইলমুন নাহু অংশ থেকে যে কোনো তিনটি প্রশ্নের পূর্ণাঙ্গ উত্তর:]
(الف) عرف علم النحو ثم تحدث عن موضوعه وغرضه وفائدته مفصلا.
[ইলমুন নাহুর সংজ্ঞা, আলোচ্য বিষয়, উদ্দেশ্য ও উপকারিতা:]
১. ইলমুন নাহুর সংজ্ঞা (تعريف علم النحو):
- আভিধানিক অর্থ: ‘নাহু’ (النحو) শব্দের একাধিক আভিধানিক অর্থ রয়েছে; যেমন—আল-ক্বাসদ (উদ্দেশ্য করা), আল-মিছল (সদৃশ হওয়া), আল-জিহাহ (দিক বা অভিমুখ) এবং আল-মিকদার (পরিমাণ)।
- পারিভাষিক সংজ্ঞা: প্রখ্যাত বৈয়াকরণদের মতে:
عِلْمُ النَّحْوِ هُوَ عِلْمٌ بِأُصُولٍ يُعْرَفُ بِهَا أَحْوَالُ أَوَاخِرِ الْكَلِمِ الثَّلَاثِ إِعْرَابًا وَبِنَاءً، وَكَيْفِيَّةُ تَرْكِيبِ بَعْضِهَا مَعَ بَعْضٍ.
অর্থাৎ, ইলমুন নাহু এমন কিছু নিয়মনীতির জ্ঞান, যার দ্বারা বাক্যে ব্যবহৃত তিনটি পদের (ইসম, ফেয়েল ও হরফ) শেষাক্ষরের অবস্থা—ই’রাব (পরিবর্তনশীলতা) ও বিনা (অপরিবর্তনশীলতা) এবং বাক্য গঠনের পারস্পরিক সমন্বয়পদ্ধতি জানা যায়।
২. ইলমুন নাহুর বিষয়বস্তু (موضوعه):
ইলমুন নাহুর আলোচ্য বিষয় হলো আরবী শব্দাবলী (الكلمة) এবং পূর্ণাঙ্গ বাক্য (الكلام) এই দিক থেকে যে, বাক্যে সংযুক্ত হওয়ার পর তাদের শেষাক্ষরের রূপ ও ই’রাব কী হবে।
৩. ইলমুন নাহুর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য (غرضه):
আরবী ভাষা বলা, লেখা ও পড়ার ক্ষেত্রে শব্দ এবং বাক্যের শেষাংশে অনিচ্ছাকৃত ভুলত্রুটি (লহন) থেকে রসনা ও লেখনীকে রক্ষা করা।
৪. ইলমুন নাহুর ফযীলত ও উপকারিতা (فائدته):
- পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহর বিশুদ্ধ অর্থ ও মর্ম অনুধাবন করা।
- আরবী সাহিত্যের অন্তর্নিহিত ভাব বিশুদ্ধভাবে আত্মস্থ করা।
- আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও পরকালীন মুক্তি লাভ করা। এজন্যই প্রবাদ রয়েছে: “النحو في الكلام كالملح في الطعام” (খাবারে লবণের মতো কথায় নাহু অপরিহার্য)।
(ب) ما الكلمة؟ وكم قسما لها؟ عرف كل قسم ممثلا مع ذكر علامات الاسم موضحا.
[কালিমাহ-র সংজ্ঞা, প্রকারভেদ এবং ইসমের আলামতসমূহ:]
১. কালিমাহ-র পরিচয় (تعريف الكلمة):
কালিমাহ বলা হয় একক অর্থ প্রকাশের জন্য গঠিত মূল শব্দকে। আল্লামা ইবনে হিশাম বলেন: “الْكَلِمَةُ قَوْلٌ مُفْرَدٌ” (কালিমাহ হলো এমন একক অর্থবোধক উক্তি যা একা ব্যবহৃত হয়)।
২. কালিমাহ-র প্রকারভেদ (أقسام الكلمة):
আরবী ভাষায় কালিমাহ প্রধানত তিন প্রকার:
- ইসম (الاسم): যা নিজস্ব সত্তাগত অর্থ প্রকাশ করে এবং তিনটি কালের (অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ) কোনোটির সাথে সংশ্লিষ্ট থাকে না। যেমন: رَجُلٌ (পুরুষ), كِتَابٌ (বই)।
- ফেয়েল (الفعل): যা নিজস্ব অর্থ প্রকাশ করে এবং তিন কালের কোনো একটি কালের সাথে অপরিহার্যভাবে যুক্ত থাকে। যেমন: كَتَبَ (সে লিখেছে), يَكْتُبُ (সে লিখছে)।
- হরফ (الحرف): যা অন্য পদের (ইসম বা ফেয়েল) সাথে যুক্ত হওয়া ছাড়া নিজের পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। যেমন: فِي (মধ্যে), مِنْ (হতে)।
৩. ইসমের বিশিষ্ট আলামতসমূহ (علامات الاسم):
- তানভীন গ্রহণ করা: শব্দের শেষে তানভীন হওয়া; যেমন—زَيْدٌ (যাইদুন)।
- শুরুতে আলিফ-লাম (ال) যুক্ত হওয়া: যেমন—الْكِتَابُ (আল-কিতাবু)।
- জের বা কাসরা গ্রহণ করা: শব্দটির শেষাক্ষর মাররূর হওয়া; যেমন—بِالْقَلَمِ (বিল ক্বলামি)।
- শুরুতে হরফে জার আসা: যেমন—عَلَى الْمَكْتَبِ (ডেস্কের ওপর)।
- মুসনাদ ইলাইহ হওয়া: বাক্যের উদ্দেশ্য (মুসনাদ ইলাইহ বা মুক্তাদা/ফায়েল) হওয়া; যেমন—خَالِدٌ قَائِمٌ (খালিদ দণ্ডায়মান)।
- মুদাফ (সংযোজিত) হওয়া: যেমন—غُلَامُ زَيْدٍ (যায়েদের গোলাম)।
- নিদা বা আহ্বানের হরফ গ্রহণ করা: যেমন—يَا رَحْمَنُ (ইয়া রাহমান)।
(ج) عرف المعرفة والنكرة ثم اذكر أقسام المعرفة مفصلا.
[মারেফা ও নাকারার পরিচয় এবং মারেফার প্রকারভেদ:]
১. মারেফা ও নাকারার পরিচয়:
- নাকারা (النكرة): অনির্দিষ্ট সাধারণ নামবাচক পদকে নাকারা বলে, যা স্বজাতীয় সকলের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে প্রযোজ্য হয়। যেমন: رَجُلٌ (যেকোনো লোক), مَدِينَةٌ (যেকোনো শহর)।
- মারেফা (المعرفة): সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানকে নির্দেশকারী পদকে মারেফা বলে। যেমন: مَكَّةُ (মক্কা), مُحَمَّدٌ (মুহাম্মদ)।
২. মারেফার সাতটি প্রকার (أقسام المعرفة السبعة):
| প্রকার | আরবী নাম | সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য | উদাহরণ |
|---|---|---|---|
| ১. যমীর (সর্বনাম) | الضمائر | উহ্য নাম বা ব্যক্তির পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দ। | هُوَ، أَنْتَ، أَنَا |
| ২. আলাম (নির্দিষ্ট বিশেষ্য) | العلم | নির্দিষ্ট ব্যক্তি, নদী, পাহাড় বা দেশের নিজস্ব নাম। | زَيْدٌ، مَكَّةُ، النِّيلُ |
| ৩. ইসমুল ইশারাহ (ইঙ্গিতসূচক সর্বনাম) | اسم الإشارة | ইঙ্গিত দ্বারা নির্দিষ্ট করা শব্দ। | هَذَا، هَذِهِ، ذَلِكَ |
| ৪. ইসমুল মাউসূল (সম্বন্ধসূচক সর্বনাম) | الاسم الموصول | পরবর্তী বাক্য (সিলাহ) দ্বারা নির্দিষ্ট হওয়া শব্দ। | الَّذِي، الَّتِي، الَّذِينَ |
| ৫. মুআররাফ বিল-লাম (আলিফ-লামযুক্ত) | المعرف بأل | নাকারা শব্দের শুরুতে আলিফ-লাম যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট হওয়া। | الرَّجُلُ، الْكِتَابُ |
| ৬. মুদাফ ইলাল মারেফা (নির্দিষ্টের দিকে সম্বন্ধযুক্ত) | المضاف إلى معرفة | পূর্বোক্ত মারেফা পদগুলোর কোনো একটির দিকে ইযাফাত হওয়া। | كِتَابُ زَيْدٍ، قَلَمِي |
| ৭. মুনাদা (আহ্বানকৃত ব্যক্তি) | المعرف بالنداء | নির্দিষ্ট করে হরফে নিদা দ্বারা সম্বোধিত হওয়া। | يَا رَجُلُ (হে লোক!) |
(د) ما الإعراب وكم نوعا لإعراب الإسم؟ بين إعراب الاسم المقصور والاسم المنقوص ممثلا وموضحا.
[ই’রাবের পরিচয়, প্রকারভেদ এবং মাকসূর ও মানকূস ইসমের ই’রাব:]
১. ই’রাবের সংজ্ঞা (تعريف الإعراب):
আমিলের পরিবর্তনের কারণে শব্দের শেষাক্ষরে যে বাহ্যিক বা অনুমিত পরিবর্তন (যম্মা, ফাতহা, কাসরা বা হরফ) ঘটে, তাকে ই’রাব বলে।
২. ইসমের ই’রাবের প্রকারভেদ:
ইসমের ক্ষেত্রে ই’রাব প্রধানত তিন প্রকার: ১. রাফা (الرفع – পেশের অবস্থা), ২. নাসাব (النصب – জবরের অবস্থা), এবং ৩. জার (الجر – যেরের অবস্থা)। ইসমের মধ্যে কোনো জযম (সাকিন) নেই।
৩. ইসমুল মাকসূর ও ইসমুল মানকূসের ই’রাব:
- ইসমুল মাকসূর (الاسم المقصور): যে মু’রাব ইসমের শেষে আলিফে মাকসূরাহ থাকে। যেমন: مُوسَى (মূসা), الْعَصَا (লাঠি)।
ই’রাবের নিয়ম: তিন অবস্থাতেই ই’রাব তাক্বদীরী বা অনুমিত হয় (হরকতের উচ্চারণ অসম্ভব হওয়ার কারণে)।
উদাহরণ:- হালতে রাফা: جَاءَ مُوسَى (মূসা আগমন করল – অনুমিত পেশ)।
- হালতে নাসাব: رَأَيْتُ مُوسَى (আমি মূসাকে দেখলাম – অনুমিত জবর)।
- হালতে জার: مَرَرْتُ بِمُوسَى (আমি মূসার পাশ দিয়ে গেলাম – অনুমিত যের)।
- ইসমুল মানকূস (الاسم المنقوص): যে মু’রাব ইসমের শেষে ইয়া-য়ে লাযিমা থাকে এবং তার পূর্বাক্ষরে কাসরা হয়। যেমন: الْقَاضِي (বিচারক), الدَّاعِي (আহ্বানকারী)।
ই’রাবের নিয়ম: রাফা ও জার অবস্থায় ই’রাব অনুমিত হয় (উচ্চারণ কষ্টসাধ্য হওয়ার কারণে), কিন্তু নাসাব অবস্থায় প্রকাশ্য ফাতহা (জবর) হয়।
উদাহরণ:- হালতে রাফা: جَاءَ الْقَاضِي (বিচারক এলেন – অনুমিত পেশ)।
- হালতে নাসাব: رَأَيْتُ الْقَاضِيَ (আমি বিচারককে দেখলাম – প্রকাশ্য জবর)।
- হালতে জার: مَرَرْتُ بِالْقَاضِي (আমি বিচারকের পাশ দিয়ে গেলাম – অনুমিত যের)।
٢- اجب عن اثنين من الأسئلة التالية (علم الصرف):
[২. ইলমুস সারফ অংশ থেকে যে কোনো দুটি প্রশ্নের পূর্ণাঙ্গ উত্তর:]
(الف) ما الفعل؟ وكم قسما له من حيث الزمن؟ عرف كل قسم ثم اذكر كيفية صياغة الفعل المضارع موضحا.
[ফেয়েলের পরিচয়, কালের দিক থেকে প্রকারভেদ এবং মুদারে গঠনের নিয়ম:]
১. ফেয়েলের পরিচয় (تعريف الفعل):
যে শব্দ স্বীয় অর্থ নিজে প্রকাশ করে এবং তিন কালের (অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ) কোনো একটি কালের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকে, তাকে ফেয়েল বলে। যেমন: ضَرَبَ (সে প্রহার করেছে)।
২. যামান বা কালের দিক থেকে ফেয়েলের প্রকারভেদ:
- আল-ফেয়েলুল মাযী (الفعل الماضي): যা অতীতকালে কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায়। যেমন: نَصَرَ (সে সাহায্য করল)।
- আল-ফেয়েলুল মুদারে (الفعل المضارع): যা বর্তমান বা ভবিষ্যৎকালে কোনো কাজ করা বা হওয়া বোঝায়। যেমন: يَنْصُرُ (সে সাহায্য করছে বা করবে)।
- আল-ফেয়েলুল আমর (فعل الأمر): যা দ্বারা ভবিষ্যৎকালে কোনো কাজের আদেশ বা প্রার্থনা করা হয়। যেমন: اُنْصُرْ (তুমি সাহায্য কর)।
৩. ফেয়েলে মুদারে গঠনের নিয়ম (كيفية صياغة الفعل المضارع):
- ফেয়েলে মাযীর শুরুতে মুদারের চারটি আলামতের (أ، ن، ي، ت – আতাইনা) যেকোনো একটি যোগ করতে হবে।
- চার অক্ষরবিশিষ্ট মাযী (রুবায়ী) হলে আলামতে মুদারে পেশবিশিষ্ট হবে (যেমন: يُكْرِمُ), অন্যথায় (সুলাসী ও খুমাসী/সুদাসী) আলামতে মুদারে যবরবিশিষ্ট হবে (যেমন: يَضْرِبُ)।
- ফা-কালিমাহ সাকিন হবে (যেমন: يَـنْـصُرُ)।
- আইন কালিমার হরকত বাব অনুযায়ী যম্মা, ফাতহা বা কাসরা হবে (যেমন: يَنْصُرُ، يَفْتَحُ، يَضْرِبُ)।
- লাম কালিমায় মূল অবস্থা হিসেবে পেশ (যম্মা) হবে (যেমন: يَذْهَبُ)।
(ب) عرف الفعل الثلاثي والرباعي ثم اذكر أوزان الثلاثي المزيد فيه والرباعي المزيد فيه مع إعطاء مثالين لكل وزن.
[সুলাসী ও রুবায়ীর পরিচয় এবং তাদের মাযীদ ফীহর ওযানসমূহ:]
১. সুলাসী ও রুবায়ীর পরিচয়:
- সুলাসী (الثلاثي): যার মাযীর মূল রূপ তিনটি হরফ বিশিষ্ট। যেমন: كَتَبَ।
- রুবায়ী (الرباعي): যার মাযীর মূল রূপ চারটি মৌলিক হরফ বিশিষ্ট। যেমন: دَحْرَجَ।
২. সুলাসী মাযীদ ফীহর প্রধান ওযানসমূহ ও উদাহরণ:
| বাব ও ওযান | উদাহরণ ১ | উদাহরণ ২ | অর্থের পরিবর্তন |
|---|---|---|---|
| أَفْعَلَ – يُفْعِلُ (إِفْعَال) | أَكْرَمَ (সম্মান করল) | أَنْزَلَ (নাযিল করল) | লাযিমকে মুতাআদ্দী করা |
| فَعَّلَ – يُفَعِّلُ (تَفْعِيل) | عَلَّمَ (শিক্ষা দিল) | قَدَّسَ (পবিত্র করল) | তাকসীর বা আধিক্য প্রকাশ |
| فَاعَلَ – يُفَاعِلُ (مُفَاعَلَة) | قَاتَلَ (লড়াই করল) | جَاهَدَ (সংগ্রাম করল) | মুশারাকাত (উভয়মুখী কর্ম) |
| تَفَعَّلَ – يَتَفَعَّلُ (تَفَعُّل) | تَعَلَّمَ (শিখল) | تَكَلَّمَ (কথা বলল) | তাক্বাল্লুব বা পর্যায়ক্রমিক গ্রহণ |
| تَفَاعَلَ – يَتَفَاعَلُ (تَفَاعُل) | تَعَاوَنَ (সহযোগিতা করল) | تَقَابَلَ (সাক্ষাৎ করল) | পারস্পরিক কর্মসম্পাদন |
| اِفْتَعَلَ – يَفْتَعِلُ (اِفْتِعَال) | اِجْتَمَعَ (একত্রিত হলো) | اِكْتَسَبَ (উপার্জন করল) | ইজতিহাদ ও চেষ্টা করা |
| اِنْفَعَلَ – يَنْفَعِلُ (اِنْفِعَال) | اِنْكَسَرَ (ভেঙে গেল) | اِنْطَلَقَ (প্রস্থান করল) | মুতাবাআত (প্রভাব গ্রহণ) |
| اِسْتَفْعَلَ – يَسْتَفْعِلُ (اِسْتِفْعَال) | اِسْتَغْفَرَ (ক্ষমা চাইল) | اِسْتَخْرَجَ (বের করল) | طلب বা আবেদন করা |
৩. রুবায়ী মাযীদ ফীহর ওযানসমূহ:
- ১. تَفَعْلَلَ – يَتَفَعْلَلُ (تَفَعْلُل): যেমন—تَدَحْرَجَ (গড়িয়ে পড়ল), تَزَلْزَلَ (প্রকম্পিত হলো)।
- ২. اِفْعَنْلَلَ – يَفْعَنْلِلُ (اِفْعِنْلَال): যেমন—اِحْرَنْجَمَ (ভিড় জমাল), اِفْرَنْقَعَ (ছত্রভঙ্গ হলো)।
- ৩. اِفْعَلَلَّ – يَفْعَلِلُّ (اِفْعِلَّال): যেমন—اِقْشَعَرَّ (লোম খাড়া হলো), اِطْمَأَنَّ (প্রশান্ত হলো)।
٣- ترجم النص الآتي إلى العربية الفصحى:
[৩. প্রদত্ত বাংলা অনুচ্ছেদের প্রাঞ্জল আরবী রূপান্তর]
মূল বাংলা অনুচ্ছেদ:
“আল-কুরআন সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানি কিতাব। এটি একসাথে অবতীর্ণ হয়নি; বরং বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষাপটে তেইশ বছর ধরে অবতীর্ণ হয়েছে। কুরআন তেলাওয়াত অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইবাদত। প্রত্যেক হরফ তেলাওয়াতের বিনিময়ে আল্লাহ তায়ালা দশটি নেকী দান করবেন। কুরআন শেখা ও শিখানো উত্তম কাজ। নবী (স) বলেছেন— “তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তি উত্তম, যে কুরআন শিখে এবং শিখায়।””
الترجمة إلى العربية الفصحى:
الْقُرْآنُ الْكَرِيمُ هُوَ آخِرُ الْكُتُبِ السَّمَاوِيَّةِ وَأَفْضَلُهَا. لَمْ يَنْزِلْ جُمْلَةً وَاحِدَةً، بَلْ نَزَلَ مُنَجَّمًا عَلَى مَدَارِ ثَلَاثٍ وَعِشْرِينَ سَنَةً حَسَبَ الْوَقَائِعِ وَالْأَحْدَاثِ. وَتِلَاوَةُ الْقُرْآنِ مِنْ أَفْضَلِ الْعِبَادَاتِ، حَيْثُ يُعْطِي اللهُ تَعَالَى عَشْرَ حَسَنَاتٍ بِكُلِّ حَرْفٍ يُتْلَى مِنْهُ. وَتَعَلُّمُ الْقُرْآنِ وَتَعْلِيمُهُ مِنْ أَحْسَنِ الْأَعْمَالِ؛ كَمَا قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «خَيْرُكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ الْقُرْآنَ وَعَلَّمَهُ».
٤- اكتب طلبا إلى مدير المدرسة تطلب منه تعيينك محاضرا.
[৪. মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল সমীপে প্রভাষক পদে নিয়োগের আবেদনপত্র:]
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
التاريخ: ١٥ من أكتوبر ٢٠٢৩م
إلى: فضيلة الشيخ مدير المدرسة المحترم
الموضوع: طلب التعيين في وظيفة محاضر للغة العربية والدراسات الإسلامية.
السلام عليكم ورحمة الله وبركاته،
أما بعد،
فإني أتشرف بأن أرفع إلى فضيلتكم هذا الطلب، مفيدًا بأنني قد تخرجت من الجامعة الإسلامية وحصلت على شهادة الفاضل (الماجستير) في قسم القرآن والدراسات الإسلامية بدرجة ممتازة، ولدي إلمام واسع باللغة العربية والعلوم الشرعية مع خبرة في التدريس.
ولما كانت مدرستكم الموقرة منارةً للعلم والتربية، فإنني أرغب بشدة في خدمة أبناء المسلمين من خلال الانضمام إلى هيئة التدريس لديكم بوظيفة “محاضر”. وأعاهدكم على بذل قصارى جهدي في أداء واجبي التعليمي والتربوي بأمانة وإخلاص.
وتجدون طيه سيرتي الذاتية وصورًا من المؤهلات العلمية.
شاكرًا ومقدرًا حسن تعاونكم، ودمتم في رعاية الله وتوفيقه.
مقدم الطلب:
محمد عبد الله بن رشيد
داكا، بنغلاديش
٥- اكتب مقالة عربية حول: “قيمة الوقت” (أو الخلق الحسن / الجامعة الإسلامية العربية، داكا):
[৫. আরবী প্রবন্ধ রচনা: “সময়ের মূল্য” (قيمة الوقت):]
قِيمَةُ الْوَقْتِ فِي الْإِسْلَامِ وَأَهَمِّيَّتُهُ فِي حَيَاةِ الْإِنْسَانِ
المقدمة:
الوقت هو أثمن ما يملكه الإنسان في هذا الوجود، فهو وعاء الحياة وميدان العمل، ورأس مال المسلم الذي يبني به سعادته في الدنيا وفوزه في الآخرة. إن الثواني والدقائق التي تمر لا تعود أبدًا، ولذا قيل قديمًا: «الوقت كالسيف، إن لم تقطعه قطعك».
مكانة الوقت في القرآن والسنة:
عظم الإسلام شأن الوقت وأعلى من قدره، وقد أقسم الله سبحانه وتعالى بأجزاء الوقت في مواضع شتى من كتابه العزيز تأكيدًا على أهميته؛ فأقسم بالفجر، وبالضحى، وبالعصر، فقال تعالى: ﴿وَالْعَصْرِ * إِنَّ الْإِنْسَانَ لَفِي خُسْرٍ * إِلَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ وَتَوَاصَوْا بِالْحَقِّ وَتَوَاصَوْا بِالصَّبْرِ﴾. كما حث النبي صلى الله عليه وسلم على اغتنام الوقت، فقال: «نِعْمَتَانِ مَغْبُونٌ فِيهِمَا كَثِيرٌ مِنَ النَّاسِ: الصِّحَّةُ وَالْفَرَاغُ».
مسؤولية الإنسان عن وقته يوم القيامة:
سيسأل العبد يوم الحساب عن كل لحظة قضاها في عمره، فقد روي عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال: «لا تَزُولُ قَدَمَا عَبْدٍ يَوْمَ الْقِيَامَةِ حَتَّى يُسْأَلَ عَنْ عُمُرِهِ فِيمَا أَفْنَاهُ، وَعَنْ شَبَابِهِ فِيمَا أَبْلاهُ». فالوقت أمانة عظمى يجب استثمارها في طاعة الله، واكتساب العلوم النافعة، وعمارة الأرض بالخير.
واجب المسلم نحو الوقت:
يجب على المسلم تنظيم وقته بدقة، والابتعاد عن التسويف والكسل، ومجالسة البطالين، وتضييع الساعات فيما لا طائل من ورائه. فكل يوم تطلع شمسه ينادي: «يا ابن آدم، أنا خلق جديد، وعلى عملك شهيد، فاغتنم مني فإني لا أعود إلى يوم القيامة».
الخاتمة:
إن نجاح الأمم وازدهار الحضارات رهن باحترام أبنائها لقيمة الوقت واستغلال طاقاتهم في البناء والإنتاج. فلنحرص جميعًا على ملء أوقاتنا بما يرضي الله ويخدم ديننا ووطننا الحبيب.
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
১. ফাজিল ২য় বর্ষের ‘কাওয়াইদুল লুগাতিল আরাবিয়্যাহ’ পরীক্ষার মান বণ্টন কেমন?
মোট পূর্ণমান ৮০। ব্যাকরণ (নাহু ও সারফ), আরবী অনুবাদ, দরখাস্ত/চিঠি এবং আরবী প্রবন্ধ রচনা থেকে নির্ধারিত সংখ্যক প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়।
২. ইলমুন নাহু শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য কী?
আরবী ভাষায় বাক্য গঠন এবং পদের শেষাক্ষরের পরিবর্তন বা ই’রাব নির্ণয়ে অনিচ্ছাকৃত ভুলত্রুটি থেকে নিজেকে রক্ষা করা।
৩. ইসমুল মাকসূর ও ইসমুল মানকূসের প্রধান পার্থক্য কী?
মাকসূরের শেষে আলিফে মাকসূরাহ থাকে এবং তিন অবস্থাতেই ই’রাব তাক্বদীরী হয়; আর মানকূসের শেষে ইয়া থাকে এবং নাসাব অবস্থায় প্রকাশ্য জবর হয়।
৪. সুলাসী মুজাররাদ ও সুলাসী মাযীদ ফীহর মধ্যে পার্থক্য কী?
সুলাসী মুজাররাদে কেবল তিনটি মূলবর্ণ থাকে; আর মাযীদ ফীহ-তে মূল তিনটি অক্ষরের সাথে অতিরিক্ত এক বা একাধিক বর্ণ যোগ করা হয়।
৫. আরবী দরখাস্ত লেখার মৌলিক নিয়মাবলী কী?
তারিখ, সম্বোধন, স্পষ্ট বিষয়বস্তু, বিনম্র আবেদন এবং শেষে আবেদনকারীর নাম ও ঠিকানা আরবী ভাষায় যথাযথভাবে উল্লেখ করা।
৬. মারেফা ও নাকারার মূল পার্থক্য কী?
নাকারা হলো যেকোনো অনির্দিষ্ট সাধারণ বস্তু বা ব্যক্তির নাম, আর মারেফা হলো সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম।