জরুরি নোটিশ 🔔 নতুন: ২০২৬ সালের সকল শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ও গাইড বই প্রকাশিত হয়েছে!

কম্পিউটার (Computer) – 205202, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি – ফাজিল অনার্স ২য় বর্ষ পরীক্ষা ২০২১

Abswer.com Abswer.com
21 September, 2026
১২ মিনিট পড়ার সময়
১০ বার পঠিত

সরাসরি Telegram-এ সকল বই ও সাজেশন পান!

আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে সবার আগে নতুন বই ও রুটিন ডাউনলোড করুন।

টেলিগ্রামে যুক্ত হোন 🚀

ফাজিল (স্নাতক) সম্মান ২য় বর্ষ পরীক্ষা ২০২১
বিভাগ: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি
বিষয়: কম্পিউটার (Computer)
বিষয় কোড: 205202 | সময়: ৪ ঘণ্টা | পূর্ণমান: ৮০

২০২১ সালের ফাজিল (স্নাতক) সম্মান ২য় বর্ষের ‘কম্পিউটার’ (বিষয় কোড: 205202) পরীক্ষায় কম্পিউটারের ঐতিহাসিক বিবর্তন, সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU)-এর স্থাপত্য, উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম, ওয়ার্ড প্রসেসিং মার্জিন সেটআপ, কীবোর্ডের গঠন, নেটওয়ার্ক টপোলজি ও সংগঠন, ডিজিটাল ইসলামি গবেষণা সফটওয়্যার ‘আল-মাকতাবাতুশ শামেলা’ এবং অফিস অ্যাপ্লিকেশনের ব্যবহারবিধি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। নিম্নে প্রতিটি প্রশ্নের প্রমিত, পূর্ণাঙ্গ ও অ্যাকাডেমিক সমাধান উপস্থাপন করা হলো।

ক বিভাগ (রচনামূলক প্রশ্ন)

১। কম্পিউটার কী? কম্পিউটারের প্রকারভেদসহ এর উৎপত্তি ও বিকাশ আলোচনা কর।

[What is computer? Discuss its origins and developments including the types of computer.]

উত্তর:

ভূমিকা: ল্যাটিন শব্দ ‘Computare’ (যার অর্থ গণনা করা) থেকে ইংরেজি ‘Computer’ শব্দের উৎপত্তি। আদি যুগে কম্পিউটার নিছক একটি দ্রুতগতির হিসাবযন্ত্র হিসেবে আবির্ভূত হলেও আধুনিক যুগে এটি একটি স্বয়ংক্রিয়, প্রোগ্রামযোগ্য উচ্চগতির ইলেকট্রনিক ডেটা প্রসেসিং যন্ত্রে রূপান্তরিত হয়েছে।

কম্পিউটারের সংজ্ঞা:
কম্পিউটার হলো এমন একটি বহুমুখী ইলেকট্রনিক যন্ত্র যা ব্যবহারকারীর নিকট থেকে ইনপুট হিসেবে কাঁচা উপাত্ত (Data) ও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনাবলি গ্রহণ করে, তা মেমোরিতে সংরক্ষণপূর্বক প্রসেসরের মাধ্যমে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে প্রক্রিয়াকরণ করে এবং ফলাফল বা প্রয়োজনীয় তথ্য (Information) আউটপুট হিসেবে প্রদান করে।

কম্পিউটারের উৎপত্তি ও ঐতিহাসিক বিকাশ:
কম্পিউটারের ইতিহাস মানব সভ্যতার গণনা পদ্ধতির ক্রমবিকাশের ইতিহাস:
১. অ্যাবাকাস ও আদি গণকযন্ত্র: খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে ব্যবিলন ও চীনে উদ্ভাবিত কাঠে বসানো পুঁতির ফ্রেম ‘অ্যাবাকাস’ হলো প্রথম গণকযন্ত্র। ১৬৪২ সালে ব্লেইজ প্যাসকেল তৈরি করেন প্রথম যান্ত্রিক যোগ-বিয়োগের ক্যালকুলেটর ‘প্যাসকেলাইন’।
২. চার্লস ব্যাবেজ ও আধুনিক কম্পিউটারের ভিত্তি: ব্রিটিশ গণিতবিদ চার্লস ব্যাবেজ ১৮২২ সালে ‘ডিফারেন্স ইঞ্জিন’ এবং ১৮৩৩ সালে আধুনিক কম্পিউটারের স্থাপত্যভিত্তিক ‘অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন’ পরিকল্পনা করেন, যাতে ইনপুট, মেমোরি, প্রসেসিং ইউনিট (Mill) ও আউটপুট ধারণা ছিল। এজন্য চার্লস ব্যাবেজকে ‘কম্পিউটারের জনক’ বলা হয়। লেডি অ্যাডা অগাস্টা লাভলেস বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রাম প্রণয়ন করেন।
৩. প্রজন্মভিত্তিক বিবর্তন:
– প্রথম প্রজন্ম (১৯৪০-১৯৫৬): ভ্যাকুয়াম টিউব ভিত্তিক বৃহৎ আকারের কম্পিউটার (যেমন: ENIAC, UNIVAC)।
– দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৫৬-১৯৬৩): ট্রানজিস্টর ব্যবহারের ফলে আকার ছোট ও গতি বৃদ্ধি পায় (যেমন: IBM 1401)।
– তৃতীয় প্রজন্ম (১৯৬৪-১৯৭১): ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) উদ্ভাবন এবং কীবোর্ড ও মনিটরের প্রবর্তন।
– চতুর্থ প্রজন্ম (১৯৭১-বর্তমান): মাইক্রোপ্রসেসর (VLSI প্রযুক্তি) এবং ব্যক্তিগত কম্পিউটারের (PC) বিশ্বব্যাপী বিপ্লব।
– পঞ্চম প্রজন্ম (বর্তমান ও ভবিষ্যৎ): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ন্যানোপ্রযুক্তি ও কোয়ান্টাম কম্পিউটিং।

কম্পিউটারের বিস্তারিত শ্রেণিবিভাগ:
কার্যনীতি, আকার ও ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে নিম্নোক্ত শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়:
১. কার্যনীতির ভিত্তিতে:
– অ্যানালগ কম্পিউটার: ভৌত পরিমাপ যেমন: চাপ, তাপমাত্রা, তরল প্রবাহ বা ভোল্টেজের অবিচ্ছিন্ন পরিবর্তন পরিমাপে ব্যবহৃত হয় (যেমন: স্পিডোমিটার)।
– ডিজিটাল কম্পিউটার: বাইনারি ডিজিট ০ ও ১-এর মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ করে। বর্তমান আধুনিক সকল কম্পিউটারই ডিজিটাল।
– হাইব্রিড কম্পিউটার: অ্যানালগ ও ডিজিটালের সমন্বয় (যেমন: হাসপাতালের আইসিইউতে ব্যবহৃত ইসিজি মনিটর)।
২. আকার ও ক্ষমতার ভিত্তিতে (ডিজিটাল কম্পিউটার):
– সুপার কম্পিউটার: বিশ্বের সর্বাপেক্ষা দ্রুতগতির ও ক্ষমতাসম্পন্ন বৃহৎ কম্পিউটার, যা আবহাওয়ার পূর্বাভাস, পারমাণবিক গবেষণা ও মহাকাশ অভিযানে ব্যবহৃত হয়।
– মেইনফ্রেম কম্পিউটার: বিশালাকার ডাটাবেস প্রক্রিয়াকরণে সক্ষম কেন্দ্রীয় কম্পিউটার, ব্যাংক ও বিমান সংস্থায় ব্যবহৃত হয়।
– মিনি কম্পিউটার: মাঝারি আকৃতির মাল্টি-ইউজার কম্পিউটার।
– মাইক্রোকম্পিউটার (পিসি): একক ব্যবহারকারীর জন্য ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, নোটবুক ও ট্যাবলেট।

২। সিপিইউ কী? কম্পিউটারের সংগঠন আলোচনা কর।

[What is CPU? Discuss the organization of computer.]

উত্তর:

সিপিইউ (CPU – Central Processing Unit)-এর সংজ্ঞা:
সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট হলো কম্পিউটারের প্রধানতম হার্ডওয়্যার উপাদান, যা কম্পিউটারের সকল প্রকার গণনা, যৌক্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং অন্যান্য যন্ত্রাংশের কার্যকারিতা সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ করে। এজন্য সিপিইউ-কে “কম্পিউটারের মস্তিষ্ক” (Brain of the Computer) বলা হয়। আধুনিক পিসিতে এটি সিলিকন চিপে তৈরি একটিমাত্র একক মাইক্রোপ্রসেসর (যেমন: Intel Core i7, AMD Ryzen)।

কম্পিউটারের মৌলিক সংগঠন (Computer Organization):
জন ভন নিউম্যান কর্তৃক প্রদত্ত ক্লাসিক্যাল স্থাপত্য অনুযায়ী একটি আদর্শ ডিজিটাল কম্পিউটার ব্যবস্থা চারটি প্রধান কার্যকরী ব্লকের সমন্বয়ে গঠিত:

১. ইনপুট ইউনিট (Input Unit): ব্যবহারকারী বা বাহ্যিক উৎস থেকে কাঁচা ডেটা ও প্রোগ্রামিং নির্দেশনাবলি গ্রহণ করে তা মেশিনের পাঠযোগ্য বাইনারি সংকেতে রূপান্তর করে মেমোরিতে প্রেরণ করে। উদাহরণ: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, মাইক্রোফোন।

২. সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU): এটি মূলত তিনটি অভ্যন্তরীণ অংশের সমন্বয়ে গঠিত:
– নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit – CU): এটি কম্পিউটারের সার্বিক ট্রাফিক পুলিশের মতো কাজ করে। মেমোরি থেকে নির্দেশ আনা (Fetch), তা ব্যাখ্যা করা (Decode) এবং সঠিক ইউনিটে তা কার্যকর করার সংকেত পাঠানো এর কাজ।
– গাণিতিক ও যুক্তি ইউনিট (Arithmetic and Logic Unit – ALU): সকল প্রকার গাণিতিক কাজ (যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ) এবং যৌক্তিক তুলনা (>, <, =, সত্য/মিথ্যা) এই ইউনিটে সম্পন্ন হয়।
– রেজিস্টার স্মৃতি (Registers): সিপিইউ-এর অভ্যন্তরে অবস্থিত অত্যন্ত উচ্চগতির ক্ষণস্থায়ী মেমোরি, যা প্রসেসিং চলাকালীন তাৎক্ষণিক ডেটা ও নির্দেশনাবলি ধরে রাখে (যেমন: Accumulator, Program Counter)।

৩. মেমোরি বা স্টোরেজ ইউনিট (Memory Unit): প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় ডেটা ও ফলাফল সংরক্ষণ করে। এতে দ্রুতগতির প্রাথমিক মেমোরি (RAM/ROM) এবং দীর্ঘমেয়াদি মাধ্যমিক স্টোরেজ (SSD/HDD) অন্তর্ভুক্ত।

৪. আউটপুট ইউনিট (Output Unit): প্রক্রিয়াকৃত তথ্য বাইনারি থেকে পুনরায় মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে পর্দায় প্রদর্শন বা প্রিন্ট করে। উদাহরণ: মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার।

৩। উইন্ডোজ বলতে কী বুঝ? উইন্ডোজ এর বিকাশ সম্বন্ধে বিস্তারিত আলোচনা কর।

[What do you mean by windows? Discuss in detail about the development of windows.]

উত্তর:

ভূমিকা: মার্কিন টেক জায়ান্ট মাইক্রোসফট (Microsoft) কর্পোরেশন কর্তৃক উদ্ভাবিত ‘উইন্ডোজ’ (Windows) হলো বিশ্বব্যাপী পার্সোনাল কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের মাঝে সর্বাধিক সমাদৃত গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।

উইন্ডোজের সংজ্ঞা:
উইন্ডোজ হলো এমন একটি সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের শারীরিক হার্ডওয়্যার এবং ব্যবহারকারীর প্রয়োগিক সফটওয়্যারের মধ্যে একটি সুদৃঢ় ও ব্যবহারকারী-বান্ধব গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস স্থাপন করে। এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি মেনু, আইকন, পয়েন্টার এবং উইন্ডো ফ্রেম ব্যবহারের মাধ্যমে মাউসের ক্লিকেই যেকোনো জটিল কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম, ফলে পূর্ববর্তী কমান্ড-লাইন ভিত্তিক এমএস-ডস (MS-DOS)-এর জটিল কোডিং মনে রাখার ঝামেলা চিরতরে দূর হয়।

উইন্ডোজের ঐতিহাসিক ক্রমবিকাশ:
উইন্ডোজের বিবর্তন তথ্যপ্রযুক্তির ইতিহাসে এক যুগান্তকারী অধ্যায়:
১. উইন্ডোজ ১.০ (১৯৮৫): মাইক্রোসফটের প্রথম গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস যা ডস অপারেটিং সিস্টেমের ওপর চলে মাউস ব্যবহারের সুবিধা নিয়ে আসে।
২. উইন্ডোজ ৩.০ ও ৩.১ (১৯৯০-১৯৯২): রঙিন আইকন, উন্নত গ্রাফিক্স ও মেমোরি ব্যবস্থাপনার কারণে এটি প্রথম বাণিজ্যিক বৈশ্বিক সাফল্য লাভ করে।
৩. উইন্ডোজ ৯৫ (১৯৯৫): এটি ছিল উইন্ডোজের সত্যিকারের বৈপ্লবিক রূপান্তর। এতে প্রথম বিখ্যাত ‘স্টার্ট বাটন’ (Start Button), টাস্কবার এবং প্লাগ অ্যান্ড প্লে (Plug and Play) সুবিধা প্রবর্তিত হয়।
৪. উইন্ডোজ ৯৮ ও উইন্ডোজ ২০০০: ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার সমন্বয় এবং নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা উন্নত করা হয়।
৫. উইন্ডোজ এক্সপি (Windows XP – ২০০১): স্থিতিশীলতা, নজরকাড়া ব্লু-ইন্টারফেস এবং দুর্দান্ত গতিশীলতার জন্য দীর্ঘ এক দশক এটি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম ছিল।
৬. উইন্ডোজ ৭ (২০০৯): উইন্ডোজ ভিসতার ত্রুটি দূর করে অত্যন্ত দ্রুতগতির, সুশৃঙ্খল ও আধুনিক উইন্ডোজ হিসেবে বিশ্বব্যাপী বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করে।
৭. উইন্ডোজ ১০ ও ১১ (২০১৫ ও ২০২১): ক্লাউড প্রযুক্তি, কর্টানা ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট, ভার্চুয়াল ডেস্কটপ এবং উন্নত সাইবার নিরাপত্তা সমন্বয় করে উইন্ডোজ ১০ এবং সেন্ট্রাল টাস্কবার ও ফ্লুয়েন্ট ডিজাইন নিয়ে উইন্ডোজ ১১ আধুনিক প্রযুক্তির শীর্ষে অবস্থান করছে।

৪। মার্জিন সেট আপ বলতে কী বুঝায়? বিস্তারিত আলোচনা কর।

[What do you mean by margin set up? Discuss elaborately.]

উত্তর:

মার্জিন সেটআপের সংজ্ঞা:
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা যেকোনো ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যারে একটি দলিলের পৃষ্ঠা সজ্জার সময় কাগজের মূল চারপাশের প্রান্ত (Edges) থেকে লেখার মূল টেক্সটের মধ্যবর্তী যে ফাঁকা স্থান বা নিষ্ক্রিয় সীমানা নির্ধারণ করা হয়, তাকে মার্জিন (Page Margin) বলে। আর নথির সৌন্দর্য, প্রিন্টিং ও বাঁধাইয়ের সুবিধার জন্য এই পরিমাপ যথাযথভাবে নির্ধারণ করার প্রক্রিয়াকে মার্জিন সেটআপ (Margin Set up) বলা হয়।

মার্জিনের প্রধান অংশসমূহ:
একটি স্ট্যান্ডার্ড ডকুমেন্টে চারটি প্রধান মার্জিন থাকে:
১. টপ মার্জিন (Top Margin): কাগজের শীর্ষভাগ থেকে লেখার উপরিভাগের দূরত্ব (সাধারণত ১ ইঞ্চি)।
২. বটম মার্জিন (Bottom Margin): কাগজের নিচের সীমানা থেকে লেখার শেষ লাইনের দূরত্ব।
৩. লেফট মার্জিন (Left Margin): পৃষ্ঠার বাম পাশ থেকে টেক্সটের ফাঁকা পরিমাপ।
৪. রাইট মার্জিন (Right Margin): পৃষ্ঠার ডান পাশ থেকে লেখার ফাঁকা পরিমাপ।
৫. গাটার মার্জিন (Gutter Margin): বই বা থিসিস স্পাইরাল বা আঠা দিয়ে বাঁধাই (Binding) করার জন্য বাম পাশে বা উভয় পাশে অতিরিক্ত যে শূন্যস্থান বরাদ্দ রাখা হয়, তাকে গাটার মার্জিন বলা হয়।

মার্জিন সেটআপের বিস্তারিত পদ্ধতি (MS Word-এ):
১. ওয়ার্ড ডকুমেন্টের মেনুবার থেকে ‘Layout’ অথবা ‘Page Layout’ ট্যাবে ক্লিক করতে হবে।
২. বাম পাশে থাকা ‘Margins’ আইকনে ক্লিক করতে হবে।
৩. একটি ড্রপডাউন মেনু প্রদর্শিত হবে যাতে পূর্বনির্ধারিত কিছু টেমপ্লেট থাকে: Normal (চারপাশে ১ ইঞ্চি), Narrow (চারপাশে ০.৫ ইঞ্চি), Moderate, বা Wide।
৪. ব্যবহারকারী নিজস্ব মাপে মার্জিন দিতে চাইলে মেনুর নিচে ‘Custom Margins…’-এ ক্লিক করে প্রদর্শিত ‘Page Setup’ ডায়ালগ বক্সে ইঞ্চি বা সেন্টিমিটারে Top, Bottom, Left ও Right-এর মান টাইপ করে ‘OK’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।

মার্জিন সেটআপের গুরুত্ব: উপযুক্ত মার্জিন ছাড়া কোনো অফিশিয়াল ডকুমেন্ট, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বা গবেষণা থিসিস প্রমিত রূপ পায় না এবং প্রিন্ট করার সময় লেখা কেটে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

৫। কী-বোর্ডের বিভিন্ন কী এর ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা কর।

[Describe elaborately the various keys used on the keyboard.]

উত্তর:

ভূমিকা: কীবোর্ড হলো কম্পিউটারের প্রধান ও সর্বজনীন টেক্সট ইনপুট ডিভাইস। একটি আদর্শ আধুনিক এনহ্যান্সড কীবোর্ডে সাধারণত ১০১ থেকে ১০৫টি কী (Key) থাকে। এদের কাজের ধরন অনুযায়ী প্রধান কয়েকটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়:

১. টাইপরাইটার / অ্যালফানিউমেরিক কী (Alphanumeric Keys):
– অক্ষর কী (A-Z / a-z): যেকোনো ভাষা কম্পোজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
– সংখ্যা কী (০-৯): সাধারণ সংখ্যা টাইপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
– স্পেসবার (Spacebar): কীবোর্ডের নিচের সবচেয়ে দীর্ঘতম কী, যা দুটি শব্দের মাঝে ফাঁকা তৈরি করে।
– ব্যাকস্পেস (Backspace): কার্সারের বাম পাশের কোনো বর্ণ বা শব্দ মুছে ফেলার জন্য ব্যবহৃত হয়।

২. ফাংশন কী (Function Keys – F1 to F12):
কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে অবস্থিত ১২টি বিশেষ কী। নির্দিষ্ট সফটওয়্যারে এদের সুনির্দিষ্ট কমান্ড থাকে:
– F1: ইউনিভার্সাল হেল্প (Help) মেনু চালু করা।
– F2: ফাইল বা ফোল্ডার রিনেম (Rename) করা।
– F5: ওয়েবপেজ বা উইন্ডোজ স্ক্রিন রিফ্রেশ (Refresh) করা এবং পাওয়ার পয়েন্টে স্লাইডশো শুরু করা।
– F7: এম এস ওয়ার্ডে স্পেলিং ও গ্রামার চেক চালু করা।
– F12: ওয়ার্ডে ‘Save As’ কমান্ড কার্যকর করা।

৩. কন্ট্রোল বা মডিফায়ার কী (Modifier Keys):
এগুলো সাধারণত এককভাবে কাজ করে না, বরং অন্য কী-এর সাথে সমন্বিত কমান্ডের জন্য ব্যবহৃত হয়:
– Ctrl (Control): শর্টকাটের জন্য ব্যবহৃত হয় (যেমন: Ctrl+C = Copy, Ctrl+V = Paste, Ctrl+S = Save)।
– Alt (Alternate): মেনু ও সিস্টেম কমান্ড সক্রিয় করে (যেমন: Alt+F4 = প্রোগ্রাম বন্ধ করা)।
– Shift: অক্ষরের ক্যাপিটাল লেটার টাইপ এবং চিহ্নের উপরের প্রতীক টাইপ করতে ব্যবহৃত হয়।
– Caps Lock: স্থায়ীভাবে সব ইংরেজি অক্ষর বড় হাতের (Capital) করতে টগল কী হিসেবে কাজ করে।
– Esc (Escape): কোনো চলমান প্রক্রিয়া বা ডায়ালগ বক্স বাতিল বা বাতিল করা।

৪. নেভিগেশন ও কার্সার মুভমেন্ট কী (Navigation Keys):
– তীরচিহ্ন কী (Arrow Keys): কার্সারকে উপরে, নিচে, ডানে ও বামে সরাতে।
– Home / End: লাইনের শুরুতে বা শেষে কার্সার নিয়ে যাওয়া।
– Page Up / Page Down: নথির সম্পূর্ণ এক পৃষ্ঠা উপরে বা নিচে যাওয়া।
– Delete: কার্সারের ডান পাশের অক্ষর মুছে ফেলা।

৫. নিউমেরিক কীপ্যাড (Numeric Keypad): কীবোর্ডের ডান পাশে অবস্থিত ক্যালকুলেটরের মতো অংশ, যা দ্রুত গাণিতিক হিসাব ও ডেটা এন্ট্রির কাজে ব্যবহৃত হয় (Num Lock অন থাকা অবস্থায়)।

৬। নেটওয়ার্কের সংগঠনসমূহের বিস্তারিত বর্ণনা দাও।

[Describe elaborately the network organizations.]

উত্তর:

ভূমিকা: তথ্য, ফাইল ও হার্ডওয়্যার সম্পদ (যেমন: প্রিন্টার, স্টোরেজ) ভাগাভাগি করার জন্য একাধিক কম্পিউটারের মধ্যকার সংযোগ কাঠামোকে নেটওয়ার্ক সংগঠন বা নেটওয়ার্ক টপোলজি (Network Topology) বলা হয়।

প্রধান নেটওয়ার্ক সংগঠনসমূহ:

১. বাস সংগঠন (Bus Topology):
এ সংগঠনে একটিমাত্র কেন্দ্রীয় মূল তার বা ব্যাকবোন কেবলের (Coaxial cable) সাথে নেটওয়ার্কের সকল ওয়ার্কস্টেশন যুক্ত থাকে।
– সুবিধা: গঠন অত্যন্ত সহজ, স্বল্প তারের প্রয়োজন হয় এবং খরচ খুব কম।
– অসুবিধা: মূল ব্যাকবোন কেবল কোনো কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে সমগ্র নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়ে।

২. স্টার সংগঠন (Star Topology):
এ ব্যবস্থায় প্রতিটি কম্পিউটার একটি কেন্দ্রীয় সুইচ (Switch) বা হাব (Hub)-এর সাথে সরাসরি পৃথক কেবল দিয়ে সংযুক্ত থাকে। আধুনিক অফিস ও ল্যাবে এটি সর্বাধিক ব্যবহৃত।
– সুবিধা: কোনো একটি কম্পিউটার বা তার নষ্ট হলেও অন্য কম্পিউটারগুলোর সংযোগে কোনো ব্যাঘাত ঘটে না। নতুন ডিভাইস যুক্ত করা অত্যন্ত সহজ।
– অসুবিধা: কেন্দ্রীয় সুইচ বা হাব বিকল হলে সমগ্র নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যায়।

৩. রিং সংগঠন (Ring Topology):
এ সংগঠনে প্রতিটি কম্পিউটার তার পাশের দুটি কম্পিউটারের সাথে বৃত্তাকারে সংযুক্ত হয়ে একটি বন্ধ লুপ তৈরি করে। ডেটা একটি নির্দিষ্ট দিকে টোকেন আকারে ঘোরে।
– সুবিধা: কোনো কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক ডিভাইসের প্রয়োজন হয় না।
– অসুবিধা: বৃত্তের যেকোনো একটি নোড নষ্ট হলে সম্পূর্ণ ডেটা প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়।

৪. মেশ সংগঠন (Mesh Topology):
এ ব্যবস্থায় প্রতিটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কের অন্য সকল কম্পিউটারের সাথে পৃথক ও সরাসরি ডেডিকেটেড লাইনে সংযুক্ত থাকে।
– সুবিধা: সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষা পায় এবং একটি লাইন অকেজো হলেও বিকল্প সংযোগ পথ থাকে।
– অসুবিধা: প্রচুর তারের প্রয়োজন হয় এবং স্থাপন ব্যয় অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও জটিল।

৫. ট্রি সংগঠন (Tree Topology):
এটি মূলত শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট বৃক্ষের ন্যায় হায়ারার্কিকাল সংগঠন, যা মূলত একাধিক স্টার টপোলজির সমন্বয়ে গঠিত। বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক স্তরে এটি অত্যন্ত কার্যকর।

৬. হাইব্রিড সংগঠন (Hybrid Topology):
বাস, স্টার, রিং ইত্যাদি দুই বা ততোধিক ভিন্নধর্মী টপোলজির সংমিশ্রণে গঠিত বৃহৎ আকারের জটিল নেটওয়ার্ক (যেমন: ইন্টারনেট)।

খ বিভাগ (সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন)

৭। কম্পিউটার মেমরি কী? মেমরিকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়? আলোচনা কর।

[What is computer memory? How many kinds of memory? Discuss.]

উত্তর:
সংজ্ঞা: কম্পিউটার ব্যবস্থায় প্রসেসিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচা ডেটা, প্রোগ্রাম কোড এবং প্রক্রিয়াকৃত ফলাফল যে ইলেকট্রনিক চিপ বা চৌম্বকীয় আধারে সাময়িক বা স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে, তাকে কম্পিউটার মেমোরি (Computer Memory) বলে।
মেমরির শ্রেণিবিভাগ:
কম্পিউটার মেমোরিকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়:
১. প্রাথমিক বা প্রধান মেমোরি (Primary Memory): যা সরাসরি প্রসেসরের বাস সিস্টেমের সাথে সংযুক্ত থাকে। এটি দুই প্রকার: (ক) RAM: বিদ্যুৎ থাকলে ডেটা থাকে, বন্ধ হলে মুছে যায় (উদ্বায়ী)। (খ) ROM: স্থায়ী নির্দেশনাসম্পন্ন অনুদ্বায়ী মেমোরি।
২. সহায়ক বা সেকেন্ডারি মেমোরি (Secondary Memory): যেখানে বিপুল পরিমাণ ডেটা আজীবন সংরক্ষণ করা যায় (যেমন: হার্ড ডিস্ক, এসএসডি, পেনড্রাইভ, অপটিক্যাল ডিস্ক)।
এছাড়া দ্রুতগতির বাফারিং-এর জন্য রয়েছে ক্যাশ মেমোরি ও সিপিইউ-র অভ্যন্তরীণ রেজিস্টার।

৮। যে কোনো দুটি বিষয়ে টীকা লেখ :

[Write short notes (any two)] :

(ক) মাল্টিমিডিয়া ও ICT (Multimedia and ICT)

উত্তর:
‘মাল্টিমিডিয়া’ হলো টেক্সট, অডিও, স্থিরচিত্র, গ্রাফিক্স, ভিডিও এবং অ্যানিমেশনের এক সমন্বিত ডিজিটাল উপস্থাপন মাধ্যম। আর ‘ICT’ (Information and Communication Technology) হলো তথ্য প্রক্রিয়াকরণ, সঞ্চয় ও যোগাযোগের সামগ্রিক প্রযুক্তিকাঠামো। আধুনিক শিক্ষায় প্রজেক্টর ও অ্যানিমেশনের মাধ্যমে জটিল বিষয় সহজবোধ্য করতে মাল্টিমিডিয়া ও আইসিটি এক বৈপ্লবিক ভূমিকা রাখছে।

(খ) অনলাইন শিক্ষা (Online Education)

উত্তর:
ইন্টারনেট, কম্পিউটার বা স্মার্টফোন ব্যবহার করে দূরবর্তী স্থান থেকে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে (যেমন: Zoom, Google Classroom, YouTube) শিক্ষাগ্রহণ ও পাঠদান কার্যক্রমকেই অনলাইন শিক্ষা (E-learning) বলা হয়। করোনা মহামারীর সময় এর উপযোগিতা বৈশ্বিকভাবে প্রমাণিত হয়। এর মাধ্যমে স্থান-কালের সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচার ঘরে বসেই শোনা সম্ভব হয়।

(গ) ইন্টারনেট (Internet)

উত্তর:
ইন্টারনেট হলো ‘International Network’-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত লক্ষ লক্ষ ব্যক্তিগত, সরকারি, বাণিজ্যিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটারগুলোর এক সুবিশাল আন্তঃসংযুক্ত জাল। ১৯৬৯ সালে মার্কিন প্রতিরক্ষাদপ্তরের ‘আরপানেট’ (ARPANET) প্রকল্পের মাধ্যমে এর সূচনা ঘটে। বর্তমান বিশ্বের যাবতীয় যোগাযোগ, বাণিজ্য ও গবেষণার মূল মেরুদণ্ড হলো ইন্টারনেট।

(ঘ) আল-মাকতাবাতুল আলফিয়া (Al-Maktabatul Alfia)

উত্তর:
‘আল-মাকতাবাতুল আলফিয়া’ (المكتبة الألفية للسنة النبوية) হলো একটি বিশেষায়িত ইসলামি ডিজিটাল হাদিস এনসাইক্লোপিডিয়া সফটওয়্যার। এতে সহস্রাধিক মৌলিক হাদিস কিতাব, রাবিদের জীবনী এবং সনদ যাচাই সংক্রান্ত বিপুল ডাটাবেস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ইসলামি গবেষকদের জন্য এটি স্বল্প সময়ে হাদিস অনুসন্ধান ও তুলনামূলক সনদ পর্যালোচনার এক অনন্য সহায়ক টুল।

৯। কম্পিউটারে ‘Al-Maktabatus-Shamela’ প্রোগ্রাম ব্যবহার করে কোনো হাদিস খুঁজে বের করার পদ্ধতির বিবরণ দাও।

[Describe the procedure to find out hadith by using ‘Al-Maktabatus-Shamela’ software in a computer.]

উত্তর:
‘আল-মাকতাবাতুশ শামেলা’ (المكتبة الشاملة) হলো ইসলামি গবেষণার ইতিহাসে সর্ববৃহৎ ডিজিটাল লাইব্রেরি সফটওয়্যার, যাতে তাফসির, হাদিস, ফিকহ ও ইতিহাসের হাজার হাজার মূল আরবি কিতাবের স্ক্যান ও টেক্সট সংরক্ষিত রয়েছে।
এতে হাদিস খোঁজার ধারাবাহিক পদ্ধতি নিম্নরূপ:
১. শামেলা সফটওয়্যার ওপেন করে উপরের টুলবার থেকে ‘Search’ বা দূরবীন (বা কিতাব) আইকনে ক্লিক করতে হবে।
২. অনুসন্ধান উইন্ডো এলে বাম পাশের ক্যাটাগরি তালিকা থেকে ‘হাদিস’ (كتب الحديث) এবং ‘শুরাহুল হাদিস’ গ্রুপগুলো টিক চিহ্ন দিয়ে নির্বাচন করতে হবে।
৩. সার্চ বক্সে কাঙ্ক্ষিত হাদিসের কোনো একটি বিরল বা গুরুত্বপূর্ণ শব্দমূল (যেমন: إنما الأعمال بالنيات) টাইপ করতে হবে।
৪. ‘بحث’ (Search) বাটনে ক্লিক করলে মাত্র ২-৩ সেকেন্ডের মধ্যে উক্ত শব্দযুক্ত সকল কিতাবের সংশ্লিষ্ট পৃষ্ঠার তালিকা ও হাদিস স্ক্রিনে ফুটে উঠবে।
৫. তালিকার যেকোনো হাদিসে ক্লিক করলে মূল কিতাবের খণ্ড, পৃষ্ঠা ও হাদিস নম্বর সহ মূল আরবি নস ও সনদ প্রদর্শিত হবে।

১০। মাইক্রোসফট অফিস এর MS word, MS Excel এর ব্যবহার প্রণালি আলোচনা কর।

[Describe the using system of MS word, MS Excel of microsoft office.]

উত্তর:
১. এম এস ওয়ার্ড (MS Word)-এর ব্যবহার প্রণালি: এটি বিশ্বের শীর্ষ ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম। স্টার্ট মেনু থেকে ওয়ার্ড ওপেন করে ‘Blank Document’ নিয়ে টাইপিং শুরু করতে হয়। এতে বিভিন্ন ফন্ট (যেমন: SutonnyMJ, Kalpurush, Times New Roman), সাইজ, বোল্ড, ইতালিক, প্যারাগ্রাফ অ্যালাইনমেন্ট এবং টেবিল সন্নিবেশ করে প্রাতিষ্ঠানিক স্মারক, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও বই পুস্তক সুবিন্যস্তভাবে কম্পোজ, প্রিন্ট ও পিডিএফ আকারে সংরক্ষণ করা যায়।
২. এম এস এক্সেল (MS Excel)-এর ব্যবহার প্রণালি: এটি একটি বিশ্বমানের স্প্রেডশিট বা ইলেকট্রনিক হিসাবরক্ষণ সফটওয়্যার। এটি সারি (Row) ও স্তম্ভ (Column)-এর সমন্বয়ে গঠিত কোষ (Cell)-ভিত্তিক গ্রিড নিয়ে কাজ করে। এতে জটিল গাণিতিক হিসাব, বার্ষিক আয়-ব্যয়, মাদ্রাসার পরীক্ষার ফলাফল গ্রেডিংসহ তৈরি (IF, SUM, AVERAGE ইত্যাদি সূত্রের মাধ্যমে) এবং তথ্যের পাই-চার্ট বা বার-গ্রাফ প্রস্তুতের কাজে নিখুঁতভাবে ব্যবহৃত হয়।

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন ১: চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয় কেন?

উত্তর: চার্লস ব্যাবেজ ১৮৩৩ সালে ‘অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন’ নামক যে যান্ত্রিক কম্পিউটারের নকশা প্রণয়ন করেন, তাতে আধুনিক কম্পিউটারের মৌলিক উপাদান ইনপুট, মেমোরি, প্রসেসর ও আউটপুটের মূল ধারণা প্রথম উপস্থাপিত হয়েছিল।

প্রশ্ন ২: সিপিইউ-এর তিনটি প্রধান অংশের নাম কী?

উত্তর: সিপিইউ মূলত কন্ট্রোল ইউনিট (CU), গাণিতিক ও যুক্তি ইউনিট (ALU) এবং অভ্যন্তরীণ রেজিস্টার স্মৃতির (Registers) সমন্বয়ে গঠিত।

প্রশ্ন ৩: স্টার টপোলজির প্রধান সুবিধা কী?

উত্তর: স্টার টপোলজিতে কোনো একটি কম্পিউটারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন বা নষ্ট হলেও অন্য কোনো কম্পিউটারের তথ্য আদান-প্রদানে কোনো ব্যাঘাত ঘটে না।

প্রশ্ন ৪: ‘আল-মাকতাবাতুশ শামেলা’ সফটওয়্যারটি কোন বিষয়ের গবেষণায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?

উত্তর: এটি তাফসির, হাদিস, ফিকহ, উসুল এবং ইসলামি ইতিহাসের প্রাচীন ও আধুনিক হাজার হাজার আরবি রেফারেন্স গ্রন্থ মুহূর্তের মধ্যে অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।

প্রশ্ন ৫: ডকুমেন্টে গাটার মার্জিন (Gutter Margin) কেন রাখা হয়?

উত্তর: বই, থিসিস বা অফিশিয়াল নথি বাঁধাই বা স্পাইরাল করার সময় যেন লেখার কোনো অংশ ঢাকা না পড়ে, সেজন্য বাঁধাইয়ের পাশে অতিরিক্ত ফাঁকা স্থান হিসেবে গাটার মার্জিন রাখা হয়।

প্রশ্ন ৬: এম এস এক্সেল সফটওয়্যারের মূল বৈশিষ্ট্য কী?

উত্তর: এটি একটি গ্রিডভিত্তিক স্প্রেডশিট সফটওয়্যার, যাতে জটিল গাণিতিক হিসাব, পরিসংখ্যান, বাজেট ও পরীক্ষার গ্রেডশিট স্বয়ংক্রিয় সূত্রের মাধ্যমে নিখুঁতভাবে তৈরি করা যায়।

টেলিটক ছবি ও স্বাক্ষর রিসাইজার (৩০০×৩০০ ও ৩০০×৮০)
সরকারি চাকরি ও ভর্তির অনলাইন আবেদনের জন্য ছবি ও সইয়ের মাপ ঠিক রাখুন ১০০% নির্ভুলভাবে।
ছবি ও সই রিসাইজ করুন ➜

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *