জরুরি নোটিশ 🔔 নতুন: ২০২৬ সালের সকল শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ও গাইড বই প্রকাশিত হয়েছে!

Computer (কম্পিউটার) – 205202, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি – ফাজিল অনার্স ২য় বর্ষ পরীক্ষা ২০২২

Abswer.com Abswer.com
21 September, 2026
৫০ মিনিট পড়ার সময়
৮ বার পঠিত

সরাসরি Telegram-এ সকল বই ও সাজেশন পান!

আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে সবার আগে নতুন বই ও রুটিন ডাউনলোড করুন।

টেলিগ্রামে যুক্ত হোন 🚀

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি (Islamic History & Culture) — ফাজিল অনার্স ২য় বর্ষ পরীক্ষা ২০২২
বিষয়: Computer (কম্পিউটার) | বিষয় কোড: 205202
পূর্ণমান: ৮০ | সময়: ৪ ঘণ্টা

ক বিভাগ — রচনামূলক প্রশ্ন

(যে কোনো চারটি প্রশ্নের উত্তর দাও | মান: ১৫ × ৪ = ৬০)

১। কম্পিউটার কী? এর উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ সম্পর্কে বর্ণনা কর।

[What is computer? Describe about the origin and development of it.]

উত্তরঃ

কম্পিউটারের সংজ্ঞা:
‘Computer’ শব্দটি গ্রিক শব্দ ‘Compute’ থেকে এসেছে, যার আভিধানিক অর্থ গণনা করা বা হিসাব করা। সাধারণ অর্থে কম্পিউটার হলো একটি আধুনিক উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে নির্দেশ ও উপাত্ত (Data) গ্রহণ করে, প্রক্রিয়াকরণ (Process) করে এবং অত্যন্ত দ্রুত ও নির্ভুলভাবে প্রত্যাশিত ফলাফল (Information) প্রদর্শন করে।

কম্পিউটারের উৎপত্তি ও ঐতিহাসিক পটভূমি:
প্রাচীন মানবসমাজ যখন প্রথম গণনার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে, তখন থেকেই কম্পিউটারের ইতিহাসের সূচনা হয়। খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে ব্যবিলনীয় সভ্যতায় আবিষ্কৃত ‘অ্যাবাকাস’ (Abacus)-কে কম্পিউটারের ইতিহাসের আদি যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এরপর ১৬৪২ সালে ফরাসি বিজ্ঞানী ব্লেইজ প্যাসকেল প্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর ‘প্যাসকেলাইন’ আবিষ্কার করেন। ১৮৩৩ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ মেকানিক্যাল ডিজিটাল গণকযন্ত্র ‘ডিফারেন্স ইঞ্জিন’ ও পরবর্তীতে সর্বজনীন প্রোগ্রামযোগ্য ‘অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিন’ (Analytical Engine)-এর নকশা প্রণয়ন করেন। এই ইঞ্জিনে ইনপুট, মেমোরি, প্রসেসর ও আউটপুটের মৌলিক ধারণা অন্তর্ভুক্ত ছিল, যার ওপর ভিত্তি করেই আধুনিক কম্পিউটারের কাঠামো গড়ে উঠেছে। এজন্য চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।

কম্পিউটারের প্রজন্মভিত্তিক ক্রমবিকাশ:

  • প্রথম প্রজন্ম (১৯৪০-১৯৫৬): ভ্যাকুয়াম টিউব (Vacuum Tube) ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহৃত হতো। মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ চালিত এই প্রজন্মের কম্পিউটারের আকার ছিল দানবীয় এবং প্রচণ্ড তাপ উৎপন্ন করত। উদাহরণ: ENIAC, EDVAC, UNIVAC-1।
  • দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৫৬-১৯৬৩): ট্রানজিস্টর (Transistor) আবিষ্কারের ফলে কম্পিউটারের আকার নাটকীয়ভাবে হ্রাস পায় এবং গতি বৃদ্ধি পায়। উচ্চস্তরের ভাষা যেমন FORTRAN, COBOL প্রবর্তিত হয়। উদাহরণ: IBM 1401, IBM 1620।
  • তৃতীয় প্রজন্ম (১৯৬৪-১৯৭১): সমন্বিত বর্তনী বা আইসি (Integrated Circuit – IC) ব্যবহারের সূচনা। মনিটর, কীবোর্ড ও অপারেটিং সিস্টেমের ব্যবহার শুরু হয়। উদাহরণ: IBM 360, PDP-8।
  • চতুর্থ প্রজন্ম (১৯৭১-বর্তমান): মাইক্রোপ্রসেসর (LSI ও VLSI প্রযুক্তি) ভিত্তিক ব্যক্তিগত কম্পিউটার (PC)-এর বিকাশ ঘটে। সেমিকন্ডাক্টর মেমোরি, দ্রুতগতির ইন্টারনেট এবং গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) জনপ্রিয় হয়। উদাহরণ: IBM PC, Apple Macintosh।
  • পঞ্চম প্রজন্ম (বর্তমান ও ভবিষ্যৎ): অতি উচ্চমাত্রার সমন্বিত বর্তনী (ULSI), কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence), সুপারকম্পিউটার, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এবং প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ (NLP)-এর ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠছে।

২। ওয়ার্কশীট কী? কীভাবে একটি ওয়ার্কশীট তৈরি করা যায় বর্ণনা কর।

[What is worksheet? Describe how to make a worksheet.]

উত্তরঃ

ওয়ার্কশীট (Worksheet)-এর ধারণা:
স্প্রেডশিট সফটওয়্যারে (যেমন: মাইক্রোসফট এক্সেল) রো (Row) এবং কলামের (Column) সমন্বয়ে গঠিত দ্বিমাত্রিক ছকবিশিষ্ট কার্যক্ষেত্রকে ওয়ার্কশীট বা স্প্রেডশিট বলা হয়। একাধিক ওয়ার্কশীট সমন্বিত হয়ে একটি ওয়ার্কবুক (Workbook) গঠিত হয়। অনুভূমিক সমান্তরাল সারিগুলোকে ‘রো’ (যা ১, ২, ৩ ইত্যাদি সংখ্যা দ্বারা চিহ্নিত) এবং উলম্ব সারিগুলোকে ‘কলাম’ (যা A, B, C ইত্যাদি বর্ণমালা দ্বারা চিহ্নিত) বলা হয়। রো এবং কলামের মিলনস্থলকে বলা হয় সেল (Cell) (যেমন: A1, B5)।

মাইক্রোসফট এক্সেলে একটি নতুন ওয়ার্কশীট তৈরি ও সাজানোর ধারাবাহিক পদ্ধতি:

  1. এক্সেল প্রোগ্রাম চালু করা: কম্পিউটারের Start Menu থেকে ‘Microsoft Excel’ অ্যাপ্লিকেশনে ক্লিক করে প্রোগ্রাম ওপেন করতে হবে। এরপর ‘Blank Workbook’-এ ক্লিক করে একটি নতুন ফাইল খুলতে হবে।
  2. নতুন ওয়ার্কশীট যোগ করা: একটি ওয়ার্কবুকে ডিফল্টভাবে ‘Sheet1’ থাকে। উইন্ডোর নিচে থাকা প্লাস (+) চিহ্নে ক্লিক করে বা কীবোর্ড শর্টকাট Shift + F11 চেপে সহজেই নতুন ওয়ার্কশীট যুক্ত করা যায়।
  3. হেডিং ও ডেটা এন্ট্রি: প্রথম সারিতে প্রয়োজনীয় কলাম হেডিং (যেমন: Roll, Name, Subject, Marks, Grade ইত্যাদি) টাইপ করতে হবে এবং নির্দিষ্ট সেলসমূহে সংশ্লিষ্ট ডেটা ইনপুট দিতে হবে।
  4. ফরমেটিং প্রয়োগ: তথ্য দৃষ্টিনন্দন ও সুস্পষ্ট করতে ফন্ট সাইজ, বোল্ড, টেক্সট কালার, ব্যাকগ্রাউন্ড ফিল এবং ‘All Borders’ ব্যবহার করে ছকটি স্পষ্ট করতে হবে।
  5. ফর্মুলা ও ফাংশন প্রয়োগ: স্বয়ংক্রিয় যোগফল নির্ণয়ে =SUM(C2:C10), গড় নির্ণয়ে =AVERAGE(C2:C10) ইত্যাদি সূত্র প্রয়োগ করা যায়।
  6. ফাইল সংরক্ষণ (Save): কাজ শেষে কীবোর্ডের Ctrl + S চেপে অথবা File > Save As-এ গিয়ে নির্দিষ্ট ড্রাইভে উপযুক্ত নামে ফাইলটি সংরক্ষণ করতে হবে।

৩। হার্ডডিস্ক ও ফ্লপিডিস্ক কী? হার্ডডিস্ক ও ফ্লপিডিস্কের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ কর।

[What are Hard disk and Floppy disk? Determine the difference between Hard disk and Floppy disk.]

উত্তরঃ

হার্ডডিস্ক (Hard Disk):
হার্ডডিস্ক হলো কম্পিউটারের প্রধান স্থায়ী সহায়ক মেমোরি বা সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস। এটি এক বা একাধিক চৌম্বকীয় আস্তরণযুক্ত ধাতব চাকতি (Platters), স্পিন্ডল মোটর এবং রিড/রাইট হেডের সমন্বয়ে একটি বায়ুরোধী ধাতব বাক্সে গঠিত। এতে অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়্যার এবং বিপুল পরিমাণ স্থায়ী ফাইল সুরক্ষিতভাবে জমা থাকে।

ফ্লপিডিস্ক (Floppy Disk):
ফ্লপিডিস্ক হলো পাতলা, নমনীয় প্লাস্টিক বা মাইলার শিটের ওপর ম্যাগনেটিক অক্সাইডের প্রলেপ দেওয়া একটি বহনযোগ্য পোর্টেবল সেকেন্ডারি মেমোরি ডিভাইস, যা একটি চারকোনা প্লাস্টিক কভারের মধ্যে সুরক্ষিত থাকত। এটি ডেটা আদান-প্রদানে ব্যবহৃত হতো।

হার্ডডিস্ক ও ফ্লপিডিস্কের তুলনামূলক পার্থক্য:

তুলনার বিষয় হার্ডডিস্ক (Hard Disk Drive) ফ্লপিডিস্ক (Floppy Diskette)
ধারণক্ষমতা (Capacity) বিপুল ধারণক্ষমতাসম্পন্ন (বর্তমানে ৫০০ জিবি থেকে ১০ টেরাবাইট বা ততোধিক)। অত্যন্ত সীমিত ধারণক্ষমতাসম্পন্ন (সর্বাধিক প্রচলিত ৩.৫ ইঞ্চি ডিস্কের ক্ষমতা ছিল মাত্র ১.৪৪ মেগাবাইট)।
গঠন প্রকৃতি শক্ত ধাতব চাকতি দিয়ে গঠিত এবং কম্পিউটারের কেসিংয়ের ভেতরে স্থায়ীভাবে যুক্ত থাকে। নমনীয় প্লাস্টিক শিট দ্বারা গঠিত এবং সহজে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহনযোগ্য ছিল।
ডেটা স্থানান্তর গতি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে (SATA বা NVMe ইন্টারফেসে প্রতি সেকেন্ডে শত শত মেগাবাইট)। গতি অত্যন্ত ধীরগতির (কিলোবাইট রেঞ্জে)।
স্থায়িত্ব ও নির্ভরযোগ্যতা দীর্ঘস্থায়ী এবং উচ্চ নির্ভরযোগ্যতাসম্পন্ন। সহজেই ধুলোবালি বা চুম্বকের সংস্পর্শে নষ্ট হয়ে যেত।
বর্তমান ব্যবহার আধুনিক কম্পিউটারে এখনো ব্যাপক আকারে ব্যবহৃত হচ্ছে। পেনড্রাইভ ও ক্লাউড স্টোরেজের কারণে বর্তমানে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত।

৪। অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বলতে কী বুঝ? সিস্টেম সফটওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের মধ্যে পার্থক্য কী?

[What do you mean by application software? What are the difference between application software and system software?]

উত্তরঃ

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software):
ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট কোনো বাস্তব সমস্যা সমাধান বা সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে তৈরি প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টিকে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলে। যেমন: অফিশিয়াল টাইপিংয়ের জন্য MS Word, হিসাব-নিকাশের জন্য MS Excel, ফটো এডিটিংয়ের জন্য Adobe Photoshop, এবং ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের জন্য Google Chrome।

সিস্টেম সফটওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের পার্থক্য:

তুলনার বিষয় সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software) অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software)
সংজ্ঞা ও উদ্দেশ্য কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম চালানোর পরিবেশ তৈরি করে। ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট বাস্তব চাহিদা ও সমস্যার সমাধান করে।
নির্ভরশীলতা এটি স্বাধীনভাবে কম্পিউটারে কাজ করে; অন্যান্য সফটওয়্যারের ওপর নির্ভরশীল নয়। এটি সিস্টেম সফটওয়্যার (অপারেটিং সিস্টেম) ছাড়া সচল হতে পারে না।
ব্যবহারকারী মিথস্ক্রিয়া সরাসরি ব্যাকগ্রাউন্ডে কাজ করে; ব্যবহারকারীর সাথে যোগাযোগ কম। ব্যবহারকারী সরাসরি এই সফটওয়্যারের ইউজার ইন্টারফেসে কাজ করেন।
ইনস্টলেশন ও প্রয়োজনীয়তা কম্পিউটার চালু করার জন্য এটি অপরিহার্য (যেমন: Windows বা Linux ছাড়া পিসি চালু হবে না)। কম্পিউটার চলার জন্য বাধ্যতামূলক নয়; ব্যবহারকারীর প্রয়োজনমাফিক ইনস্টল করা হয়।
উদাহরণ Windows 10/11, Linux, Device Drivers, BIOS ইত্যাদি। MS Office, VLC Media Player, Maktabah Shamela ইত্যাদি।

৫। বায়োস কী? বায়োস সেটআপ করার পদ্ধতি লেখ।

[What is BIOS? Write the method to setup BIOS.]

উত্তরঃ

বায়োস (BIOS)-এর সংজ্ঞা:
BIOS-এর পূর্ণরূপ হলো Basic Input/Output System। এটি মাদারবোর্ডের রম (ROM) চিপে সংরক্ষিত একটি ফার্মওয়্যার (Firmware) বা স্থায়ী প্রোগ্রাম, যা কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথে প্রথম কার্যকর হয়। বায়োসের প্রধান কাজ হলো POST (Power-On Self-Test) সম্পাদন করে কম্পিউটারের সমস্ত হার্ডওয়্যার (CPU, RAM, কীবোর্ড, ডিস্ক ড্রাইভ ইত্যাদি) সচল আছে কিনা তা যাচাই করা এবং হার্ডডিস্ক থেকে অপারেটিং সিস্টেমকে লোড করে রমে হস্তান্তর করা।

বায়োস সেটআপ (BIOS Setup) করার পদ্ধতি:

  1. পিসি রিস্টার্ট করা: কম্পিউটারটি চালু (Power on) অথবা রিস্টার্ট করতে হবে।
  2. বায়োস কী (BIOS Key) চাপ দেওয়া: কম্পিউটার স্টার্ট হওয়ার সাথে সাথে স্ক্রিনে প্রথম লোগো দৃশ্যমান হওয়ার মুহূর্তেই নির্দিষ্ট বাটন (মাদারবোর্ড ভেদে Delete, F2, F10, বা Esc) বারবার চাপতে হবে।
  3. বায়োস ইউটিলিটি স্ক্রিন: সফলভাবে প্রবেশ করলে নীল বা আধুনিক গ্রাফিক্যাল UEFI BIOS স্ক্রিন প্রদর্শিত হবে।
  4. কীবোর্ড নেভিগেশন: অ্যারো কী (Arrow keys), Enter এবং Esc কী ব্যবহার করে বিভিন্ন ট্যাবে (যেমন: Main, Advanced, Boot, Security) যাওয়া যায়।
  5. বুট অর্ডার পরিবর্তন (Boot Sequence): নতুন উইন্ডোজ ইনস্টল করতে হলে ‘Boot’ ট্যাবে গিয়ে ‘First Boot Device’ হিসেবে USB ড্রাইভ বা DVD-ROM নির্বাচন করতে হয়।
  6. সময় ও তারিখ নির্ধারণ: মাদারবোর্ডের সিস্টেম ক্লক পরিবর্তন করা যায় ‘Standard/Main’ অপশন থেকে।
  7. সেভ ও এক্সিট (Save & Exit): প্রয়োজনীয় কনফিগারেশন শেষে কীবোর্ডের F10 চেপে ‘Yes’ সিলেক্ট করে পরিবর্তনসমূহ সেভ করে বের হয়ে আসতে হয়। এরপর কম্পিউটার স্বাভাবিকভাবে রিস্টার্ট হবে।

৬। টপোলজি কী? বিভিন্ন প্রকার টপোলজির বর্ণনা দাও।

[What is topology? Describe different types of topology.]

উত্তরঃ

টপোলজি (Network Topology)-র সংজ্ঞা:
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন কম্পিউটার ও ডিভাইসসমূহ (নোড) পরস্পরের সাথে কীভাবে ভৌগোলিক ও জ্যামিতিক নকশায় সংযুক্ত রয়েছে, সেই সংযোগ কাঠামো বা লেআউটকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলা হয়।

প্রধান প্রধান নেটওয়ার্ক টপোলজির বিবরণ:

  • ১. বাস টপোলজি (Bus Topology): একটি মাত্র মূল ব্যাকবোন ক্যাবলের সাথে নেটওয়ার্কের সবগুলো কম্পিউটার সরাসরি সংযুক্ত থাকে। ক্যাবলের দুই প্রান্তে টার্মিনেটর থাকে। এটি স্থাপন সহজ ও সাশ্রয়ী, তবে মূল ক্যাবল নষ্ট হলে সমগ্র নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পড়ে।
  • ২. স্টার টপোলজি (Star Topology): এই টপোলজিতে একটি কেন্দ্রীয় হাব (Hub) বা সুইচের (Switch) সাথে প্রতিটি কম্পিউটার পৃথকভাবে সংযুক্ত থাকে। বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। এতে একটি কম্পিউটার নষ্ট হলেও নেটওয়ার্কের বাকি কম্পিউটারগুলোর কাজে কোনো বিঘ্ন ঘটে না।
  • ৩. রিং টপোলজি (Ring Topology): প্রতিটি কম্পিউটার তার পাশের দুটি কম্পিউটারের সাথে বৃত্তাকারে সংযুক্ত হয়ে একটি বন্ধ লুপ তৈরি করে। ডেটা কেবল একমুখী পরিভ্রমণ করে। যেকোনো একটি নোড নষ্ট হলে সম্পূর্ণ লুপ বিচ্ছিন্ন হয়।
  • ৪. ট্রি টপোলজি (Tree Topology): হায়ারার্কিকাল বা বৃক্ষসদৃশ টপোলজি, যা মূলত একাধিক স্টার টপোলজিকে পরস্পরের সাথে যুক্ত করে শাখা-প্রশাখা আকারে গঠিত হয়। বড় বড় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ফ্লোর বা ডিপার্টমেন্টে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
  • ৫. মেশ টপোলজি (Mesh Topology): নেটওয়ার্কের প্রতিটি কম্পিউটার অন্য প্রতিটি কম্পিউটারের সাথে সরাসরি পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট লিংকে যুক্ত থাকে। এতে ডেটা নিরাপত্তা ও স্থানান্তর গতি সর্বোচ্চ, কিন্তু তারের সংখ্যা ও ব্যয় সবচেয়ে বেশি।
  • ৬. হাইব্রিড টপোলজি (Hybrid Topology): ভিন্ন ভিন্ন দুই বা ততোধিক টপোলজি (যেমন বাস, স্টার ও রিং) সমন্বয়ে গঠিত জটিল ও বিস্তৃত নেটওয়ার্ককে হাইব্রিড টপোলজি বলে। যেমন: ইন্টারনেট।

৭। ইলমে হাদিস চর্চায় আরবি সফটওয়্যার এর ভূমিকা বর্ণনা কর।

[Describe the role of Arabic software in the study of Ilm-Hadith.]

উত্তরঃ

ভূমিকা:
ইলমে হাদিস হলো ইসলামি উলুমের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও বিশেষায়িত আরবি ইসলামিক সফটওয়্যার ইলমে হাদিসের গবেষণা, হাদিস যাচাই-বাছাই ও তাহকিক প্রক্রিয়াকে অভাবনীয় গতিশীলতা ও নির্ভুলতা দান করেছে।

ইলমে হাদিস চর্চায় আরবি সফটওয়্যারের অবদানসমূহ:

  1. হাদিসের দ্রুত অনুসন্ধান (Instant Search): ঐতিহ্যগতভাবে শত শত খণ্ডের কিতাব ঘেঁটে একটি হাদিসের মূল মতন বা সনদ খুঁজে পেতে যেখানে দিনের পর দিন ব্যয় হতো, সেখানে আল-মাকতাবাতুশ শামেলা (Maktabah Shamela) বা মাওসুয়াতুল হাদিস আশ-শরিফ-এর সার্চ বক্সে মাত্র একটি শব্দ বা রাবীর নাম টাইপ করে সেকেন্ডের মধ্যে মূল কিতাবের পৃষ্ঠা ও হাদিস নম্বরসহ তা খুঁজে পাওয়া যায়।
  2. হাদিসের তাখরিজ (Takhrij al-Hadith): একটি নির্দিষ্ট হাদিস সিহাহ সিত্তাহসহ অপরাপর হাদিস সংকলনগুলোতে (মুসনাদ, মুসান্নাফ, মুজাম ইত্যাদি) কোথায় কোথায় বর্ণিত হয়েছে, তা এক ক্লিকে ক্রস-রেফারেন্সের মাধ্যমে বের করা সম্ভব হচ্ছে।
  3. আসমাউর রিজাল ও জারহ-তাদিল পরীক্ষণ: হাদিসের সনদ বিশ্লেষণের জন্য সফটওয়্যারগুলোতে হাজার হাজার রাবীর জীবনী, বিশ্বস্ততা ও নির্ভরযোগ্যতা সংক্রান্ত মুহাদ্দিসগণের মতামত (ইবনে হাজার, মিজ্জি, যাহাবি প্রমুখের উদ্ধৃতি) সন্নিবেশিত থাকে। ফলে রাবীর পরিচয় ও তার গ্রহণযোগ্যতা নিমেষেই যাচাই করা যায়।
  4. সনদ বৃক্ষ (Isnad Tree Visualizer): আধুনিক সফটওয়্যারে হাদিসের স্তরভিত্তিক সনদগুলো গ্রাফিক্যাল ডায়াগ্রাম বা গাছের আকারে প্রদর্শিত হয়, যার মাধ্যমে মুতাওয়াতির, মাশহুর, বা গরিব হাদিসের সনদ সূত্র সুস্পষ্টভাবে বোঝা যায়।
  5. সহজ বহনযোগ্যতা ও অর্থনৈতিক সাশ্রয়: লক্ষাধিক টাকার বিশাল লাইব্রেরির হাজার হাজার খণ্ড কিতাব একটি ছোট্ট মেমোরি কার্ড বা ল্যাপটপে বিনামূল্যে বহন করা সম্ভব হচ্ছে, যা গবেষক ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জনকে বহু গুণে সহজ করেছে।

৮। BCD কোড কী? ১—২০ পর্যন্ত ডেসিমেল সংখ্যাগুলো লেখ এবং তার সমমানের বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাগুলো লেখ।

[What is BCD Code? Write 1 to 20 Decimal numbers and convert to similar Binary, Octal and Hexa-decimal number.]

উত্তরঃ

BCD কোড (Binary Coded Decimal):
BCD-এর পূর্ণরূপ হলো Binary Coded Decimal। এটি কোনো স্বাধীন সংখ্যা পদ্ধতি নয়, বরং দশমিক সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে (০ থেকে ৯ পর্যন্ত) পৃথকভাবে ৪-বিট (4-bit) বাইনারি কোডে রূপান্তর করার একটি আধুনিক পদ্ধতি। যেমন: দশমিক সংখ্যা (25)10-এর BCD মান হবে (0010 0101)BCD। ইলেকট্রনিক ক্যালকুলেটর, ডিজিটাল ঘড়ি ও ডিসপ্লে সিস্টেমে BCD কোড বহুল ব্যবহৃত হয়।

১ থেকে ২০ পর্যন্ত ডেসিমেল সংখ্যার বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেল রূপান্তর চার্ট:

Decimal (১০ ভিত্তিক) Binary (২ ভিত্তিক) Octal (৮ ভিত্তিক) Hexadecimal (১৬ ভিত্তিক) BCD Code (৪-বিট গ্রুপ)
1 00001 1 1 0001
2 00010 2 2 0010
3 00011 3 3 0011
4 00100 4 4 0100
5 00101 5 5 0101
6 00110 6 6 0110
7 00111 7 7 0111
8 01000 10 8 1000
9 01001 11 9 1001
10 01010 12 A 0001 0000
11 01011 13 B 0001 0001
12 01100 14 C 0001 0010
13 01101 15 D 0001 0011
14 01110 16 E 0001 0100
15 01111 17 F 0001 0101
16 10000 20 10 0001 0110
17 10001 21 11 0001 0111
18 10010 22 12 0001 1000
19 10011 23 13 0001 1001
20 10100 24 14 0010 0000

খ বিভাগ — সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

(যে কোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও | মান: ১০ × ২ = ২০)

৯। টিকা লেখ: (ক) র‍্যাম ও রম এর পার্থক্য লেখ; (খ) তথ্য প্রযুক্তি।

[Write short notes: (a) Write down the difference between Ram and Rom; (b) Information Technology.]

উত্তরঃ

(ক) র‍্যাম (RAM) ও রম (ROM)-এর পার্থক্য:

  • পূর্ণরূপ: RAM হলো Random Access Memory এবং ROM হলো Read Only Memory।
  • প্রকৃতি: র‍্যাম হলো উদ্বায়ী বা অস্থায়ী মেমোরি (Volatile Memory); বিদ্যুৎ চলে গেলে এর সব ডেটা মুছে যায়। অন্যদিকে রম হলো স্থায়ী মেমোরি (Non-volatile); বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলেও এর সংরক্ষিত ডেটা সুরক্ষিত থাকে।
  • কাজের ধরন: প্রসেসর র‍্যামে ডেটা পড়তে (Read) এবং লিখতে (Write) উভয় কাজই দ্রুতগতিতে করতে পারে। কিন্তু রমে মূলত সংরক্ষিত ডেটা কেবল পড়া যায়, সাধারণ অবস্থায় কোনো ডেটা লেখা বা মুছে ফেলা যায় না।
  • সংরক্ষিত তথ্য: কম্পিউটারে চলমান অ্যাপ্লিকেশন ও খোলা ফাইলের ডেটা সাময়িকভাবে র‍্যামে অবস্থান করে। রমে কম্পিউটারের বেসিক ইনপুট-আউটপুট সিস্টেম (BIOS) এবং বুটিং প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সঞ্চিত থাকে।

(খ) তথ্য প্রযুক্তি (Information Technology):
তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ, বিশ্লেষণ, রূপান্তর এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বৈদ্যুতিন মাধ্যমে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্যভাবে আদান-প্রদান করার সার্বিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকেই তথ্য প্রযুক্তি (IT) বলা হয়। কম্পিউটার হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট, টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সংযোগ হলো তথ্যপ্রযুক্তির মূল ভিত্তি। আধুনিক সমাজব্যবস্থায় শিক্ষা, চিকিৎসা, অর্থনীতি, প্রশাসনিক কাজ ও দৈনন্দিন যোগাযোগ তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে স্বয়ংক্রিয় ও পেপারলেস প্রক্রিয়ায় রূপান্তরিত হয়েছে।

১০। কম্পিউটারে “Mausuatul Hadith Al-Sharif” প্রোগ্রাম ব্যবহার করে কোনো হাদিস খুঁজে বের করার পদ্ধতির বিবরণ দাও।

[Describe the procedure to find out hadith by using “Mausuatul Hadith Al-Sharif” software in a computer.]

উত্তরঃ

‘মাওসুয়াতুল হাদিস আশ-শরিফ’ সফটওয়্যার ব্যবহারের পদ্ধতি:
মাওসুয়াতুল হাদিস আশ-শরিফ (Mausuatul Hadith Al-Sharif) হলো ইসলামি বিশ্বের অন্যতম আন্তর্জাতিক মানের হাদিস গবেষণা সফটওয়্যার। এর মাধ্যমে দ্রুত হাদিস খুঁজে বের করার ধারাবাহিক পদক্ষেপ নিচে বর্ণনা করা হলো:

  1. সফটওয়্যার ওপেন করা: ডেস্কটপ বা স্টার্ট মেনু থেকে Mausuatul Hadith Al-Sharif অ্যাপ্লিকেশনটি ডাবল ক্লিক করে চালু করতে হবে।
  2. সার্চ মেনু নির্বাচন (Bahath): সফটওয়্যারের প্রধান ইন্টারফেসের টুলবার থেকে ‘Bahath’ বা সার্চ অপশন (আত-তাহকিক ওয়াল বাহাস) নির্বাচন করতে হবে।
  3. অনুসন্ধানের ক্যাটাগরি নির্ধারণ: ব্যবহারকারী মূলত তিনটি পদ্ধতিতে সার্চ করতে পারেন:
    • মতন অনুযায়ী (Search by Text): হাদিসের একটি বা একাধিক পরিচিত আরবি শব্দ টাইপ করা।
    • কিতাব ও অধ্যায় অনুযায়ী (Search by Book/Bab): সরাসরি বুখারি, মুসলিম, তিরমিজি ইত্যাদি কিতাব সিলেক্ট করে নির্দিষ্ট অধ্যায়ে প্রবেশ করা।
    • রাবীর নাম অনুযায়ী (Search by Narrator): কোনো নির্দিষ্ট সাহাবি বা বর্ণনাকারীর সূত্রে বর্ণিত হাদিস অনুসন্ধান করা।
  4. ফিল্টারিং ও এক্সিকিউশন: নির্দিষ্ট কিতাবগুলোতে টিক চিহ্ন দিয়ে ‘Search’ আইকনে ক্লিক করতে হবে।
  5. ফলাফল পরীক্ষণ: স্ক্রিনে সংশ্লিষ্ট সমস্ত হাদিসের তালিকা সংশ্লিষ্ট কিতাবের খণ্ড ও হাদিস নম্বরসহ প্রদর্শিত হবে। যেকোনো হাদিসের ওপর ক্লিক করলে তার পূর্ণ সনদ, আরবি মূল ইবারত, শরাহ ও হুকুম দৃশ্যমান হয়।

১১। সোশ্যাল মিডিয়া কী? শিক্ষাক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়া কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে?

[What is social media? How can social media play a role in education?]

উত্তরঃ

সোশ্যাল মিডিয়ার সংজ্ঞা:
সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হলো ইন্টারনেট ও ওয়েব প্রযুক্তিভিত্তিক এমন কিছু ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বা অ্যাপ্লিকেশন, যার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে মানুষ পারস্পরিক যোগাযোগ স্থাপন, নিজস্ব মতামত ও বিষয়বস্তু (লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও) তৈরি এবং তাৎক্ষণিকভাবে শেয়ার করতে পারে। উদাহরণ: Facebook, YouTube, WhatsApp, LinkedIn, X (Twitter) ইত্যাদি।

শিক্ষাক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা:

  • ভার্চুয়াল স্টাডি গ্রুপ ও সহযোগিতা: ফেসবুক গ্রুপ বা হোয়াটসঅ্যাপ স্টাডি গ্রুপের মাধ্যমে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ক্লাসের বাইরেও ২৪ ঘণ্টা যেকোনো পাঠ্য সমস্যা নিয়ে সরাসরি আলোচনা করতে পারে।
  • দূরশিক্ষণ ও ভিডিও লেকচার: ইউটিউব এবং ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে যেকোনো জটিল বিষয়ের ক্লাস রেকর্ড করে রাখা যায়, যা শিক্ষার্থীরা সুবিধাজনক সময়ে বারবার দেখে পাঠ আয়ত্ত করতে পারে।
  • শিক্ষা উপাদান শেয়ারিং: লেকচার শিট, পরীক্ষার সাজেশন, বইয়ের পিডিএফ এবং শিক্ষামূলক তথ্যাদি কয়েক সেকেন্ডে বহু শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়।
  • বিশেষজ্ঞদের সাথে নেটওয়ার্কিং: লিংকডইন বা একাডেমিক ফোরামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গবেষক এবং শিক্ষকদের সাথে সংযুক্ত হয়ে গবেষণামূলক দিকনির্দেশনা লাভ করতে পারে।
  • বিজ্ঞপ্তি ও নোটিশ দ্রুত পৌঁছানো: পরীক্ষার সময়সূচি, পরীক্ষার ফলাফল এবং প্রাতিষ্ঠানিক জরুরি নোটিশ কোনো প্রকার বিলম্ব ছাড়াই সোশ্যাল মিডিয়ার অফিসিয়াল পেজের মাধ্যমে নিশ্চিত করা যায়।

১২। ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলতে কী বুঝ? ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের প্রকারভেদ বিস্তারিত আলোচনা কর।

[What is mean by data transmission mode? Discuss in detail the types of data transmission modes.]

উত্তরঃ

ডাটা ট্রান্সমিশন মোড (Data Transmission Mode)-এর সংজ্ঞা:
এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে অথবা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডেটা স্থানান্তরের দিক বা প্রবাহের দিককে (Direction of Data Flow) ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। ডেটা কোন দিক থেকে কোন দিকে প্রবাহিত হচ্ছে তার ওপর ভিত্তি করে এই মোড নির্ধারিত হয়।

ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের প্রকারভেদ:
ডেটা প্রবাহের বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ট্রান্সমিশন মোডকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়:

  1. সিমপ্লেক্স মোড (Simplex Mode):
    এই পদ্ধতিতে ডেটা কেবল এক দিকে প্রবাহিত হতে পারে; অর্থাৎ প্রেরক কেবল ডেটা পাঠাতে পারে কিন্তু গ্রহণ করতে পারে না, এবং প্রাপক কেবল গ্রহণ করতে পারে কিন্তু উত্তর পাঠাতে পারে না।
    উদাহরণ: রেডিও সম্প্রচার, টেলিভিশন ব্রডকাস্ট, এবং কীবোর্ড থেকে সিপিইউ-তে ডেটা প্রেরণ।
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড (Half-Duplex Mode):
    এই পদ্ধতিতে উভয় দিক থেকেই ডেটা স্থানান্তর সম্ভব, তবে একই সাথে নয়; অর্থাৎ এক প্রান্ত ডেটা পাঠানোর সময় অন্য প্রান্তকে ডেটা গ্রহণ করতে হয় এবং পাঠানো শেষ হলে অপর প্রান্ত উত্তর পাঠাতে পারে।
    উদাহরণ: ওয়াকিটকি (Walkie-Talkie), যেখানে এক পক্ষ কথা বলার পর ‘Over’ বলে অপর পক্ষকে কথা বলার সুযোগ দেয়।
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স মোড (Full-Duplex Mode):
    এই পদ্ধতিতে একই সময়ে উভয় দিক থেকে যুগপৎভাবে (Simultaneously) ডেটা আদান-প্রদান করা যায়। এটি সর্বাধিক দক্ষ ও আধুনিক ট্রান্সমিশন মোড।
    উদাহরণ: মোবাইল টেলিফোন যোগাযোগ, ভিডিও কনফারেন্সিং এবং ইন্টারনেটের ডেটা আদান-প্রদান।

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন ১: ফাজিল অনার্স ২য় বর্ষ কম্পিউটার পরীক্ষায় কয়টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়?

উত্তর: ক বিভাগ (রচনামূলক) থেকে ৮টির মধ্যে যেকোনো ৪টি (৪ × ১৫ = ৬০) এবং খ বিভাগ (সংক্ষিপ্ত) থেকে ৪টির মধ্যে যেকোনো ২টি (২ × ১০ = ২০), সর্বমোট ৮০ নম্বরের উত্তর দিতে হয়।

প্রশ্ন ২: কম্পিউটারের জনক এবং আধুনিক কম্পিউটারের জনকের মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর: চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয় মেকানিক্যাল অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের ধারণার জন্য, আর অ্যালান টুরিংকে আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞানের জনক বলা হয়।

প্রশ্ন ৩: বায়োস (BIOS) কম্পিউটারের কোন অংশে সংরক্ষিত থাকে?

উত্তর: বায়োস মাদারবোর্ডের নন-ভোলাটাইল রম (ROM) বা ফ্ল্যাশ মেমোরি চিপে প্রস্তুতকারক কোম্পানি কর্তৃক স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে।

প্রশ্ন ৪: BCD কোড এবং সাধারণ বাইনারি সংখ্যার প্রধান পার্থক্য কী?

উত্তর: সাধারণ বাইনারিতে সম্পূর্ণ সংখ্যাটির সরাসরি ভিত্তি পরিবর্তন করা হয়, কিন্তু BCD কোডে প্রতিটি দশমিক ডিজিটকে পৃথকভাবে ৪-বিট বাইনারিতে রূপান্তর করা হয়।

প্রশ্ন ৫: লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে (LAN) সবচেয়ে জনপ্রিয় টপোলজি কোনটি?

উত্তর: আধুনিক লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে উচ্চ নির্ভরযোগ্যতা ও সহজ সমস্যা সমাধানের সুবিধার্থে স্টার টপোলজি (Star Topology) সবচেয়ে জনপ্রিয়।

প্রশ্ন ৬: ওয়াকিটকি এবং মোবাইল ফোনের ডেটা ট্রান্সমিশন মোডের পার্থক্য কী?

উত্তর: ওয়াকিটকি হলো হাফ-ডুপ্লেক্স মোড (এক সময়ে এক পক্ষ কথা বলতে পারে), আর মোবাইল ফোন হলো ফুল-ডুপ্লেক্স মোড (একই সাথে উভয় পক্ষ কথা বলতে পারে)।

টেলিটক ছবি ও স্বাক্ষর রিসাইজার (৩০০×৩০০ ও ৩০০×৮০)
সরকারি চাকরি ও ভর্তির অনলাইন আবেদনের জন্য ছবি ও সইয়ের মাপ ঠিক রাখুন ১০০% নির্ভুলভাবে।
ছবি ও সই রিসাইজ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *