ফাজিল (স্নাতক) সম্মান ২য় বর্ষ পরীক্ষা 2021
বিভাগ: আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ
বিষয়: কম্পিউটার লিটারেসি (কম্পিউটার লিটারেসি)
বিষয় কোড: 201207 | পূর্ণমান: ৮০ | সময়: ৪ ঘণ্টা
[দ্রষ্টব্য: ক বিভাগ হতে যে কোনো চারটি এবং খ বিভাগ হতে যে কোনো চারটি প্রশ্নের উত্তর দাও।]
ক বিভাগ — রচনামূলক প্রশ্ন
১. কম্পিউটার বলতে কী বুঝ? এর উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা কর।
[What do you mean by computer? Discuss it’s origin and development elaborately.]
ক. কম্পিউটারের সংজ্ঞা ও ধারণা:
কম্পিউটার (Computer): ‘Computer’ শব্দটি গ্রিক শব্দ ‘Compute’ থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ হিসাব করা বা গণনা করা। শাব্দিক অর্থে কম্পিউটার একটি গণনাকারী যন্ত্র হলেও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগে এটি একটি অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন, নির্ভরযোগ্য ও বহুমুখী স্বয়ংক্রিয় ইলেকট্রনিক ডেটা প্রসেসিং যন্ত্র (Electronic Data Processing Device)। এটি ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ইনপুট ডিভাইসের মাধ্যমে কাঁচা উপাত্ত (Data) গ্রহণ করে, মেমরিতে সংরক্ষিত সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রামের নির্দেশমালা অনুযায়ী তা প্রক্রিয়াকরণ (Processing) করে এবং চূড়ান্ত ফলাফল বা অর্থপূর্ণ তথ্য (Information) আউটপুট হিসেবে উপস্থাপন করে ও ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করে।
খ. কম্পিউটারের উৎপত্তি ও ইতিহাস:
মানবজাতির আদিম গণনাযন্ত্র থেকে শুরু করে আজকের আধুনিক সুপারকম্পিউটার পর্যন্ত কম্পিউটারের ইতিহাস দীর্ঘ ও রোমাঞ্চকর:
- অ্যাবাকাস (Abacus): খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে প্রাচীন ব্যবিলন ও চীনে কাঠের তৈরি ফ্রেমে তার ও পুঁতি গেঁথে প্রথম গণকযন্ত্র ‘অ্যাবাকাস’ উদ্ভাবিত হয়। এটিই কম্পিউটারের ইতিহাসের আদি পুরুষ।
- নেপিয়ারের হাড় (Napier’s Bones): ১৬১৭ সালে জন নেপিয়ার গুণ ও ভাগের কাজ সহজ করার জন্য সংখ্যা খোদাইকৃত কাঠের দণ্ড উদ্ভাবন করেন।
- প্যাসকেলের ক্যালকুলেটর (Pascaline): ১৬৪২ সালে ফরাসি গণিতবিদ ব্লেইজ প্যাসকেল সর্বপ্রথম গিয়ার ও চাকার সাহায্যে চালিত যোগ-বিয়োগের যান্ত্রিক গণকযন্ত্র উদ্ভাবন করেন।
- লিবনিজের রিকনার (Leibniz Calculator): ১৬৭১ সালে গটফ্রিড লিবনিজ প্যাসকেলের যন্ত্রকে উন্নত করে গুণ ও ভাগ সম্পাদনের যন্ত্র তৈরি করেন।
- চার্লস ব্যাবেজের অবদান: ১৮২২ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) বাষ্পচালিত ‘ডিফারেন্স ইঞ্জিন’ এবং ১৮৩৩ সালে স্মৃতি ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সমন্বিত ‘অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিন’ পরিকল্পনা করেন। এই যন্ত্রের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করেই আধুনিক কম্পিউটার নির্মিত হওয়ায় ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়। কবি লর্ড বায়রনের কন্যা অ্যাডা লাভলেস এতে প্রোগ্রামিং ধারণা যুক্ত করে বিশ্বের প্রথম প্রোগ্রামার হন।
গ. কম্পিউটারের প্রজন্মভিত্তিক ক্রমবিকাশ (Generations of Computer):
- প্রথম প্রজন্ম (১৯৪০–১৯৫৬): ভ্যাকিউম টিউব (Vacuum Tube) ব্যবহার করে নির্মিত। প্রধান মেমরি ছিল ম্যাগনেটিক ড্রাম। ভাষা ছিল মেশিন ভাষা। আকার ছিল বিরাট এবং প্রচুর তাপ উৎপন্ন হতো। উদাহরণ: ENIAC, UNIVAC, EDVAC।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৫৬–১৯৬৩): ভ্যাকিউম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর (Transistor) ব্যবহৃত হয়। চৌম্বকীয় কোর মেমরি এবং উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা (FORTRAN, COBOL) ব্যবহৃত হয়। আকার ও বিদ্যুৎ খরচ কমে আসে। উদাহরণ: IBM 1401, CDC 1604।
- তৃতীয় প্রজন্ম (১৯৬৪–১৯৭১): ট্রানজিস্টরের জায়গায় সমন্বিত বর্তনী বা আইসি (Integrated Circuit – IC) উদ্ভাবিত হয়। অপারেটিং সিস্টেমের আবির্ভাব ঘটে এবং কীবোর্ড ও মনিটরের মাধ্যমে ব্যবহার শুরু হয়। উদাহরণ: IBM 360, PDP-8।
- চতুর্থ প্রজন্ম (১৯৭১–বর্তমান): মাইক্রোপ্রসেসর ও VLSI (Very Large Scale Integration) প্রযুক্তির প্রয়োগ। এর ফলেই পার্সোনাল কম্পিউটার (PC), ল্যাপটপ ও ইন্টারনেটের বিপ্লব ঘটে। উদাহরণ: Intel প্রসেসরভিত্তিক আধুনিক কম্পিউটার, Apple Mac।
- পঞ্চম প্রজন্ম (বর্তমান ও ভবিষ্যৎ): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence), অপটিক্যাল ফাইবার, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এবং মানবীয় ভাষা বোঝার সক্ষমতাসম্পন্ন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কম্পিউটার।
২. সফটওয়্যার-এর সংজ্ঞা দাও। এর প্রকারভেদ সংক্ষেপে আলোচনা কর।
[Define the software. Discuss it’s classification in brief.]
ক. সফটওয়্যার (Software)-এর সংজ্ঞা:
কম্পিউটারের ভৌগোলিক হার্ডওয়্যার যন্ত্রাংশগুলোকে সচল ও কার্যকর করার জন্য এবং কোনো সুনির্দিষ্ট সমস্যা সমাধান বা কার্য সম্পাদনের জন্য সুসংগঠিতভাবে রচিত প্রোগ্রাম বা নির্দেশমালার সমষ্টিকে সফটওয়্যার (Software) বলা হয়। সহজ কথায়, হার্ডওয়্যার যদি হয় কম্পিউটারের দেহ, তবে সফটওয়্যার হলো তার প্রাণ। সফটওয়্যার স্পর্শ করা যায় না, কিন্তু হার্ডওয়্যারের মাধ্যমে দৃশ্যমান ফলাফল প্রদান করে।
খ. সফটওয়্যারের প্রকারভেদ:
ব্যবহার ও কার্যাবলির ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটার সফটওয়্যারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়:
- সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software):
যে সফটওয়্যার কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যার যন্ত্রাংশগুলোর পারস্পরিক যোগাযোগ স্থাপন করে, সমস্ত কাজ নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালনার প্ল্যাটফর্ম প্রস্তুত করে, তাকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে। এটি তিন ভাগে বিভক্ত:
- অপারেটিং সিস্টেম (Operating System): কম্পিউটারের মূল নিয়ন্ত্রণকারী মাস্টার প্রোগ্রাম। যেমন—Windows, macOS, Linux, Android।
- ইউটিলিটি সফটওয়্যার (Utility Software): সিস্টেমের রক্ষণাবেক্ষণ, ভাইরাসমুক্ত রাখা ও গতিশীলতা বজায় রাখার প্রোগ্রাম। যেমন—Antivirus, Disk Cleanup, Backup Software।
- ডিভাইস ড্রাইভার ও অনুবাদক প্রোগ্রাম: প্রিন্টার বা গ্রাফিক্স ড্রাইভার এবং কম্পাইলার, ইন্টারপ্রেটার ও অ্যাসেম্বলার।
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software):
ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন নির্দিষ্ট কোনো সমস্যা সমাধান বা বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য যে সমস্ত প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়, সেগুলোকে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বলা হয়। এটি দুই ভাগে বিভক্ত:
- প্যাকেজ সফটওয়্যার (Package Software): সাধারণ ব্যবহারকারীদের সার্বজনীন সুবিধার জন্য বাণিজ্যিকভাবে তৈরি সফটওয়্যার। যেমন—ওয়ার্ড প্রসেসিং (MS Word), স্প্রেডশীট (MS Excel), ডাটাবেজ (MS Access), প্রেজেন্টেশন (MS PowerPoint)।
- কাস্টমাইজড বা বিশেষায়িত সফটওয়্যার (Customized Software): কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির চাহিদামতো বিশেষভাবে তৈরি সফটওয়্যার। যেমন—ব্যাংকের কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার, এয়ারলাইন্স টিকিটিং সিস্টেম, মাদরাসা ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
৩. মাইক্রোসফট অফিস-এর আওতাভুক্ত প্রোগ্রামগুলো কী কী? আলোচনা কর।
[Discuss what are the programs of Microsoft office.]
ভূমিকা: মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক উদ্ভাবিত মাইক্রোসফট অফিস (Microsoft Office Suite) হলো বিশ্বব্যাপী সর্বাধিক জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত অফিস অটোমেশন সফটওয়্যার প্যাকেজ। এটি দাপ্তরিক নথি প্রস্তুত, হিসাব-নিকাশ, প্রেজেন্টেশন ও ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনার একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ প্যাকেজ।
মাইক্রোসফট অফিসের অন্তর্ভুক্ত প্রধান প্রধান প্রোগ্রামসমূহ:
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft Word):
- বিবরণ: এটি একটি শক্তিশালী ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম। এর মাধ্যমে যেকোনো ধরনের দাপ্তরিক চিঠি, বই, প্রবন্ধ, প্রশ্নপত্র, গবেষণাপত্র ও লিগ্যাল ডকুমেন্টস টাইপ, এডিট, ফরম্যাটিং ও প্রিন্ট করা যায়। এতে বানান সংশোধন (Spell Check), টেবিল তৈরি ও মেইল মার্জ সুবিধা রয়েছে।
- মাইক্রোসফট এক্সেল (Microsoft Excel):
- বিবরণ: এটি একটি বহু সুবিধাসম্পন্ন স্প্রেডশীট বা ইলেকট্রনিক হিসাবপত্র বিশ্লেষণকারী সফটওয়্যার। গাণিতিক হিসাব, অফিসিয়াল স্যালারি শিট, বার্ষিক বাজেট, পরীক্ষার রেজাল্ট শিট এবং চার্ট বা গ্রাফ তৈরিতে এক্সেল অনন্য।
- মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট (Microsoft PowerPoint):
- বিবরণ: এটি একটি আকর্ষণীয় মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন প্রোগ্রাম। বিভিন্ন টেক্সট, অডিও, ভিডিও, ছবি ও অ্যানিমেশন যুক্ত করে আকর্ষণীয় স্লাইড প্রস্তুত করে সভা, সেমিনার বা শ্রেণিকক্ষে বক্তব্য উপস্থাপনে পাওয়ারপয়েন্ট ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোসফট অ্যাক্সেস (Microsoft Access):
- বিবরণ: এটি একটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS)। বড় প্রতিষ্ঠানের গ্রাহক তালিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত তথ্য, মজুত পণ্য (Inventory) ইত্যাদি টেবিল, কোয়েরি, ফর্ম ও রিপোর্টের মাধ্যমে সুবিন্যস্তভাবে পরিচালনা করা যায়।
- মাইক্রোসফট আউটলুক (Microsoft Outlook):
- বিবরণ: এটি মূলত একটি পেশাদার পার্সোনাল ইনফরমেশন ম্যানেজার এবং কর্পোরেট ইমেইল ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার। এর মাধ্যমে ইমেইল আদান-প্রদান, ক্যালেন্ডার সূচি তৈরি, মিটিং শিডিউলিং ও টাস্ক ট্র্যাকিং করা যায়।
- মাইক্রোসফট ওয়াননোট (Microsoft OneNote):
- বিবরণ: দ্রুত ডিজিটাল নোট সংরক্ষণ, ক্লাসের নোট নেওয়া এবং গবেষণা তথ্যের খসড়া বিভিন্ন ডিভাইসের মাঝে ক্লাউডে সিনক্রোনাইজ করার ডিজিটাল নোটবুক।
৪. Microsoft Excel-এ কী কী কাজ করা যায়? একটি আদর্শ worksheet তৈরি কর।
[What can be done by Microsoft Excel? Make an ideal worksheet.]
ক. মাইক্রোসফট এক্সেল-এ সম্পন্নযোগ্য কার্যাবলি:
- জটিল গাণিতিক ও পরিসংখ্যানগত হিসাব: যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, গড়, শতকরা ইত্যাদি স্বয়ংক্রিয় ফর্মুলা ও ফাংশনের সাহায্যে মুহূর্তের মধ্যে সম্পন্ন করা।
- বেতন ও বাজেট শিট তৈরি: প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাসিক স্যালারি শিট, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও বার্ষিক আয়-ব্যয়ের বাজেট প্রস্তুতকরণ।
- ফলাফল ও গ্রেডিং শিট প্রস্তুত: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার নম্বর ইনপুট দিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মোট নম্বর, জিপিএ ও গ্রেড নির্ণয়।
- চার্ট ও গ্রাফিক্যাল বিশ্লেষণ: জটিল সংখ্যাত্মক তথ্যকে কলাম চার্ট, পাই চার্ট বা লাইন গ্রাফের মাধ্যমে ভিজ্যুয়াল রূপ দান করা।
- ডাটা ফিল্টারিং ও সর্টিং: বিশাল ডাটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে তথ্য বাছাই (Filter) ও বর্ণানুক্রমিক বা ক্রমানুসারে সাজানো (Sort)।
- আর্থিক ও লজিক্যাল ক্যালকুলেশন: ব্যাংকিং সুদ, কিস্তির পরিমাণ (PMT), লাভ-ক্ষতি ও যৌক্তিক শর্ত (IF Function) প্রয়োগ।
খ. একটি আদর্শ ওয়ার্কশীটের নমুনা (ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষার রেজাল্ট শিট):
নিচে মাইক্রোসফট এক্সেলে প্রস্তুতকৃত একটি আদর্শ ওয়ার্কশীটের সারণি উপস্থাপন করা হলো:
| রোল (A) | শিক্ষার্থীর নাম (B) | আল-কুরআন (C) | হাদীস (D) | আরবি সাহিত্য (E) | মোট নম্বর (F) | গড় (G) | ফলাফল (H) |
|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ১০১ | মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ | ৮৫ | ৯০ | ৮০ | ২৫৫ | ৮৫.০০ | কৃতকার্য |
| ১০২ | আহমাদ হাসান | ৭৫ | ৭০ | ৬৫ | ২১০ | ৭০.০০ | কৃতকার্য |
| ১০৩ | উসমান গণি | ৯০ | ৯২ | ৮৮ | ২৭০ | ৯০.০০ | কৃতকার্য |
| ১০৪ | যোবায়ের আহমেদ | ৩২ | ৫০ | ৪৫ | ১২৭ | ৪২.৩৩ | অকৃতকার্য |
ওয়ার্কশীটের ফর্মুলা বিবরণ:
- মোট নম্বরের ফর্মুলা (Cell F2):
=SUM(C2:E2) - গড় নম্বরের ফর্মুলা (Cell G2):
=AVERAGE(C2:E2) - ফলাফল নির্ধারণের লজিক্যাল ফর্মুলা (Cell H2):
=IF(AND(C2>=33,D2>=33,E2>=33),"কৃতকার্য","অকৃতকার্য")
৫. সংখ্যা পদ্ধতির অংক ও বেস বলতে কী বুঝ? বিভিন্ন প্রকার সংখ্যা পদ্ধতির বর্ণনা দাও।
[What is meant by digit and base of a number system? Describe the different kinds of number system.]
ক. অংক ও বেস (ভিত্তি)-এর ধারণা:
- অংক (Digit): সংখ্যা পদ্ধতিতে কোনো সংখ্যা লিখে প্রকাশ করার জন্য যে সমস্ত মৌলিক সাংকেতিক চিহ্ন বা প্রতীক ব্যবহার করা হয়, তাকে অংক বা ডিজিট বলে। যেমন দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯—এই দশটি প্রতীক হলো অংক। সকল অংকই সংখ্যা, কিন্তু সকল সংখ্যা অংক নয়।
- বেস বা ভিত্তি (Base): কোনো সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট যতগুলো মৌলিক অংক বা সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, সেই মোট সংখ্যাকে উক্ত সংখ্যা পদ্ধতির বেস বা ভিত্তি বলা হয়। যেমন দশমিক পদ্ধতিতে ১০টি অংক থাকায় এর বেস ১০; বাইনারিতে ২টি অংক থাকায় বেস ২।
খ. বিভিন্ন প্রকার সংখ্যা পদ্ধতির বিবরণ:
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স ও কম্পিউটারে ব্যবহৃত পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি প্রধানত চার প্রকার:
- দশমিক বা ডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System):
- বেস: ১০।
- অংকসমূহ: ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯ (মোট ১০টি)।
- ব্যবহার: মানবজাতির দৈনন্দিন স্বাভাবিক গণনা ও হিসাব-নিকাশের সার্বজনীন পদ্ধতি। যেমন—(২৫৮)১০।
- দ্বিমিক বা বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System):
- বেস: ২।
- অংকসমূহ: ০ এবং ১ (মোট ২টি)। প্রতিটি ০ বা ১ কে ‘বিট’ (Bit – Binary Digit) বলে।
- ব্যবহার: কম্পিউটার ও সকল ডিজিটাল ইলেকট্রনিক ডিভাইসের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ ভাষা। ইলেকট্রিক সিগন্যালের অনুপস্থিতি (০ ভোল্ট = ০) ও উপস্থিতিকে (৫ ভোল্ট = ১) নির্দেশ করে। যেমন—(১০১১০১)২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System):
- বেস: ৮।
- অংকসমূহ: ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭ (মোট ৮টি)।
- ব্যবহার: বাইনারি সংখ্যার ৩ বিটকে সংক্ষেপে ১ বিটে প্রকাশের জন্য কম্পিউটারের প্রাথমিক স্তরে ব্যবহৃত হয়। যেমন—(১৫৭)৮।
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System):
- বেস: ১৬।
- অংকসমূহ: মোট ১৬টি চিহ্ন—০ থেকে ৯ পর্যন্ত ১০টি সংখ্যা এবং A, B, C, D, E, F পর্যন্ত ৬টি ইংরেজি বর্ণ (যেখানে A=10, B=11, C=12, D=13, E=14, F=15)।
- ব্যবহার: আধুনিক কম্পিউটারের মেমরি অ্যাড্রেস নির্ধারণ, কালার কোড (HTML Color Codes যেমন #FFFFFF) এবং মাইক্রোপ্রসেসর নির্দেশমালায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। যেমন—(2A3F)১৬।
৬. ইন্টারনেট কী? এর প্রয়োজনীয়তা ও বহুমাত্রিক ব্যবহার আলোচনা কর।
[What is internet? Discuss it’s necessity and multiapplications.]
ক. ইন্টারনেট (Internet)-এর সংজ্ঞা:
ইন্টারনেট (Internet): ‘Internet’ হলো ‘Interconnected Network’-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত অসংখ্য ছোট-বড় কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে টেলিফোন লাইন, স্যাটেলাইট, অপটিক্যাল ফাইবার সাবমেরিন ক্যাবল ও প্রোটোকলের (TCP/IP) মাধ্যমে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত করে গড়ে তোলা পৃথিবীর বৃহত্তম ও উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক যোগাযোগ জালকে ইন্টারনেট বলা হয়। একে সংক্ষেপে ‘নেট’ (Net) বা ‘নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক’ বলা হয়।
খ. ইন্টারনেটের প্রয়োজনীয়তা:
- তথ্য প্রাপ্তির সহজলভ্যতা: জ্ঞান-বিজ্ঞানের যেকোনো শাখার অসীম তথ্যের ভাণ্ডারে মুহূর্তের মধ্যে প্রবেশ ও অনুসন্ধান করা সম্ভব।
- দ্রুত যোগাযোগ: সেকেন্ডের মধ্যে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে লিখিত বার্তা, অডিও ও জীবন্ত ভিডিও আদান-প্রদান করা যায়।
- সময়ের সাশ্রয় ও গ্লোবাল ভিলেজ: ভৌগোলিক দূরত্বের অবসান ঘটিয়ে বিশ্বকে একটি একক বৈশ্বিক গ্রামে রূপান্তর করেছে।
- কাগজবিহীন অফিস ও পরিবেশ সুরক্ষা: সমস্ত দাপ্তরিক কাজ ডিজিটাল ক্লাউডে সংরক্ষণের মাধ্যমে কাগজের অপচয় রোধ করছে।
গ. ইন্টারনেটের বহুমাত্রিক ব্যবহার:
- যোগাযোগ ও সামাজিক মাধ্যম: ইমেইল (Gmail), মেসেজিং (WhatsApp), এবং সোশ্যাল মিডিয়া (Facebook, Twitter/X, LinkedIn)-এর মাধ্যমে বৈশ্বিক যোগাযোগ রক্ষা করা।
- শিক্ষা ও গবেষণা (E-Learning): অনলাইন লাইব্রেরি, গুগল স্কলার, ভার্চুয়াল ক্লাসরুম (Zoom, Google Meet), এবং ওপেন কোর্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দূরশিক্ষণ গ্রহণ।
- ই-কমার্স ও অনলাইন ব্যাংকিং (E-Commerce & FinTech): ঘরে বসেই অনলাইনে কেনাকাটা (Amazon, Daraz) এবং মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (বিকাশ, নগদ) ও ক্রেডিট কার্ডে আন্তর্জাতিক লেনদেন।
- ইসলামী দাওয়াত ও গবেষণা: বিশ্বব্যাপী বিশুদ্ধ কুরআন-হাদীস প্রচার, লাইভ তাফসীর মাহফিল, ফতোয়া সেবা এবং আন্তর্জাতিক ইসলামিক পোর্টাল পরিচালনা।
- টেলিমেডিসিন ও স্বাস্থ্যসেবা: দূরবর্তী অঞ্চলে বসেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ ও ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন লাভ।
- বিনোদন ও সংবাদ: অনলাইন সংবাদপত্র, ইউটিউব, ওটিটি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জ্ঞান ও বিনোদন উপভোগ।
খ বিভাগ — সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
৭. (ক) আগামী দিনের কম্পিউটার সম্পর্কে তোমার ধারণা লেখ।
[Mention your idea about the future computing.]
আগামী দিনের কম্পিউটার (Future Computing)-এর রূপরেখা:
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিং (Quantum Computing): সাধারণ কম্পিউটারের বাইনারি বিটের (০ ও ১) পরিবর্তে কিউবিট (Qubit) ব্যবহার করবে, যা জটিলতম হিসাব মুহূর্তের মধ্যে সম্পন্ন করতে পারবে।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মানবিক সংযোগ (AI & Machine Learning): আগামী দিনের কম্পিউটার মানুষের অনুভূতি, কণ্ঠস্বর ও চোখের ইশারা বুঝে স্বাধীনভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও স্বয়ংক্রিয় কাজ পরিচালনা করবে।
- অদৃশ্য ও ন্যানো কম্পিউটার (DNA & Nanotechnology): আণবিক স্তরে তৈরি ডিএনএ ভিত্তিক অতি ক্ষুদ্র কম্পিউটার মানুষের রক্তনালীতে প্রবেশ করে রোগ নিরাময় করবে।
- ক্লাউড ও এজ কম্পিউটিং: কোনো স্থানীয় স্টোরেজের প্রয়োজন হবে না; সমস্ত প্রসেসিং মহাকাশ ও ক্লাউড সার্ভারে অতি দ্রুত সম্পন্ন হবে।
৭. (খ) OCR ও OMR এর মধ্যে পার্থক্য লেখ।
[Difference between OCR and OMR.]
| বৈশিষ্ট্য | OCR (Optical Character Reader) | OMR (Optical Mark Reader) |
|---|---|---|
| পূর্ণরূপ | Optical Character Recognition / Reader. | Optical Mark Recognition / Reader. |
| মূল কাজ | মুদ্রিত বা হাতে লেখা বর্ণ ও টেক্সটকে ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করে। | কাগজের নির্দিষ্ট স্থানে পেন্সিল বা কালির ভরাটকৃত দাগের উপস্থিতি শনাক্ত করে। |
| প্রক্রিয়াকরণ | শব্দের প্যাটার্ন ও অক্ষরের আকৃতি বিশ্লেষণ করে। | চিহ্নের ওপর আলোর প্রতিফলন পরিমাপ করে। |
| প্রধান ব্যবহার | পুরাতন বই স্ক্যান করে এডিটেবল করা, পাসপোর্ট রিডিং। | পরীক্ষার বহুনির্বাচনী (MCQ) উত্তরপত্র ও জরিপ মূল্যায়ন। |
৭. (গ) কীভাবে ডাটাকে তথ্যে রূপান্তর করা যায়?
[How data can be transformed into information?]
ডাটাকে তথ্যে রূপান্তরের প্রক্রিয়া (Data Processing Cycle):
উপাত্ত বা ডেটা (Data) হলো অসংগঠিত কাঁচামাল, যা সরাসরি কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। এই কাঁচা উপাত্তকে সুনির্দিষ্ট চারটি ধাপের মাধ্যমে অর্থপূর্ণ তথ্য (Information)-এ রূপান্তর করা হয়:
- ইনপুট (Input): কীবোর্ড বা স্ক্যানারের মাধ্যমে কাঁচা উপাত্ত সংগ্রহ করে কম্পিউটারে প্রবেশ করানো।
- প্রক্রিয়াকরণ (Processing): সিপিইউ (CPU) কর্তৃক সংগৃহীত উপাত্তকে সাজানো (Sorting), বাছাইকরণ (Filtering), গাণিতিক গণনা (Calculating) এবং যৌক্তিক বিশ্লেষণ করা।
- আউটপুট (Output): প্রক্রিয়াজাত অর্থপূর্ণ ফলাফল মনিটরে প্রদর্শন বা কাগজে মুদ্রণ করা, যা সিদ্ধান্ত গ্রহণের উপযোগী তথ্যে পরিণত হয়।
- স্টোরেজ (Storage): প্রাপ্ত তথ্যকে মেমরি বা হার্ডডিস্কে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যাতে পরবর্তীতে ব্যবহার করা যায়।
উদাহরণ: ‘রহিম’, ‘বাংলা’, ‘৮০’—এগুলো ডেটা। প্রক্রিয়াকরণের পর: “রহিম বাংলায় ৮০ নম্বর পেয়ে লেটার মার্কস পেয়েছে”—এটি একটি অর্থপূর্ণ তথ্য।
৭. (ঘ) মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে একটি টেবিল তৈরি করার ধাপগুলো লেখ।
[Write down the steps of creating a table in MS word.]
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে টেবিল তৈরির ধারাবাহিক ধাপ:
- যে স্থানে টেবিল তৈরি করতে চান, সেখানে মাউস কার্সার রাখুন।
- রিবন মেনুর ‘Insert’ ট্যাবে ক্লিক করুন।
- ‘Tables’ গ্রুপ থেকে ‘Table’ আইকনের ড্রপ-ডাউন তীরচিহ্নে ক্লিক করুন।
- প্রদর্শিত গ্রিড থেকে কাঙ্ক্ষিত রো (Row) এবং কলামের (Column) সংখ্যা ড্র্যাগ করে সিলেক্ট করুন; অথবা ‘Insert Table…’ অপশনে ক্লিক করে ডায়ালগ বক্সে নির্দিষ্ট রো ও কলামের সংখ্যা লিখে ‘OK’ চাপুন।
- ডকুমেন্টে টেবিল তৈরি হওয়ার পর প্রয়োজনীয় টেক্সট বা ডাটা এন্ট্রি করুন এবং ‘Table Design’ ট্যাব থেকে পছন্দমতো বর্ডার ও শেডিং যুক্ত করুন।
৭. (ঙ) স্প্রেডশীট বিশ্লেষণের ব্যবহার লেখ।
[Write down the use of spreadsheet analysis.]
স্প্রেডশীট বিশ্লেষণের মূল ব্যবহারসমূহ:
- বাজেটিং ও আর্থিক পূর্বাভাস: ভবিষ্যৎ আয়-ব্যয় এবং লাভ-ক্ষতির সম্ভাবনা বিশ্লেষণ (What-If Analysis)।
- ব্যবসায়িক মজুদ নিয়ন্ত্রণ (Inventory Control): পণ্য কেনাবেচা ও গুদামে মজুদের স্বয়ংক্রিয় হিসাব রাখা।
- বিজ্ঞান ও পরিসংখ্যান গবেষণা: বিশাল পরীক্ষামূলক উপাত্তের গড়, স্ট্যান্ডার্ড ডেভিয়েশন ও রিগ্রেশন বিশ্লেষণ।
- গ্রাফিকাল ট্রেন্ড পর্যবেক্ষণ: বিগত বছরগুলোর বিক্রয় বা ফলাফলের চার্ট তৈরি করে ভবিষ্যৎ ধারা নির্ধারণ করা।
৭. (চ) অপারেটিং সিস্টেমের কাজ কী?
[What is the functions of operating system?]
অপারেটিং সিস্টেম (Operating System – OS)-এর প্রধান কাজসমূহ:
- প্রসেসর ম্যানেজমেন্ট: সিপিইউ-এর সময় বিভিন্ন প্রসেস ও প্রোগ্রামের মাঝে সুষ্ঠুভাবে বণ্টন করা।
- মেমরি ম্যানেজমেন্ট: র্যাম (RAM) ও ভার্চুয়াল মেমরির স্থান বরাদ্দ ও মুক্ত করা।
- ফাইল ও ফোল্ডার ব্যবস্থাপনা: হার্ডডিস্কে সংরক্ষিত ফাইলের নামকরণ, সাজানো, নিরাপত্তা ও সংরক্ষণ পরিচালনা করা।
- ডিভাইস কন্ট্রোল: ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের (কীবোর্ড, মাউস, প্রিন্টার) সাথে সংযোগ সমন্বয় সাধন করা।
- ইউজার ইন্টারফেস প্রদান: ব্যবহারকারীর সাথে কম্পিউটারের যোগাযোগের জন্য গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) বা কমান্ড লাইন ইন্টারফেস নিশ্চিত করা।
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
১. কম্পিউটার লিটারেসি বলতে প্রকৃতপক্ষে কী বোঝায়?
কম্পিউটার লিটারেসি হলো দৈনন্দিন কাজ, পড়াশোনা ও পেশাগত ক্ষেত্রে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের মৌলিক জ্ঞান ও ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জন করা।
২. কম্পিউটারের জনক এবং আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে?
কম্পিউটারের জনক হলেন চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage)। আর আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞানের জনক বলা হয় অ্যালান টিউরিং (Alan Turing)-কে।
৩. হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে মূল সম্পর্ক কী?
হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটারের বাস্তব দৃশ্যমান ও স্পর্শযোগ্য যন্ত্রাংশ, আর সফটওয়্যার হলো সেই যন্ত্রাংশ পরিচালনার অদৃশ্য নির্দেশমালা। সফটওয়্যার ছাড়া হার্ডওয়্যার নিষ্ক্রিয় এবং হার্ডওয়্যার ছাড়া সফটওয়্যার অর্থহীন।
৪. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি কেন কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়?
কম্পিউটার একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা শুধুমাত্র বিদ্যুতের উপস্থিতি (১) এবং অনুপস্থিতি (০)—এই দুটি বৈদ্যুতিক সংকেত বুঝতে পারে। তাই বাইনারি পদ্ধতি কম্পিউটারের জন্য সম্পূর্ণ আদর্শ।
৫. মাইক্রোসফট এক্সেলে যোগ করার শর্টকাট ফর্মুলা কী?
মাইক্রোসফট এক্সেলে কোনো সারির সংখ্যা যোগ করার সবচেয়ে সহজ ফর্মুলা হলো =SUM(A1:A10) অথবা কীবোর্ডের Alt + = চাপলে স্বয়ংক্রিয় অটোসাম (AutoSum) সক্রিয় হয়।
৬. ইন্টারনেট ও ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ (WWW) কি একই বিষয়?
না, ইন্টারনেট হলো বিশ্বজুড়ে সংযুক্ত কম্পিউটারের বিশাল অবকাঠামোগত নেটওয়ার্ক; আর ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ (World Wide Web) হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে ওয়েবসাইটের তথ্য ও ওয়েবপেজ প্রদর্শনের একটি বিশেষ সেবা।