জরুরি নোটিশ 🔔 নতুন: ২০২৬ সালের সকল শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ও গাইড বই প্রকাশিত হয়েছে!

আধুনিক মিশর ও সুদানের ইতিহাস (History of Modern Egypt and Sudan) – 205305, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি – ফাজিল অনার্স ৩য় বর্ষ পরীক্ষা 2023

Abswer.com Abswer.com
20 September, 2026
৪১ মিনিট পড়ার সময়
৭ বার পঠিত

সরাসরি Telegram-এ সকল বই ও সাজেশন পান!

আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে সবার আগে নতুন বই ও রুটিন ডাউনলোড করুন।

টেলিগ্রামে যুক্ত হোন 🚀

ফাজিল (স্নাতক) সম্মান ৩য় বর্ষ পরীক্ষা 2023
বিভাগ: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি
বিষয়: আধুনিক মিশর ও সুদানের ইতিহাস
বিষয় কোড: 205305 | পূর্ণমান: ৮০ | সময়: ৪ ঘণ্টা
[দ্রষ্টব্য: (ক) বিভাগ থেকে ৪টি এবং (খ) বিভাগ থেকে ৪টি প্রশ্নের উত্তর দাও।]


ক বিভাগ: রচনামূলক প্রশ্নাবলি

১. ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট কর্তৃক মিশর অভিযানের কারণ ও ফলাফল লিখ।

[Write the causes and results of the invasion Egypt by the French Emperor Napoleon Bonaparte.]

ক. নেপোলিয়নের মিশর অভিযানের কারণসমূহ (১৭৯৮ খ্রি.):

  1. ব্রিটিশ ভারতের বাণিজ্যপথে আঘাত হানা: ব্রিটেনের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি ছিল ভারত উপনিবেশ। মিশর দখল করে লোহিত সাগরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ভারতে ব্রিটিশ আধিপত্য খর্ব করা এবং মহীশূরের বীর টিপু সুলতানের সাথে হাত মিলিয়ে ব্রিটিশদের ভারত থেকে বিতাড়ন করা নেপোলিয়নের প্রধান ভূকৌশলগত উদ্দেশ্য ছিল।
  2. ফরাসি ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্য বিস্তার: ভূমধ্যসাগরে ফরাসি আধিপত্য কায়েমি করা এবং সাত বছরের যুদ্ধে উত্তর আমেরিকায় হারানো ফরাসি উপনিবেশের ক্ষতিপূরণ হিসেবে মিশরকে একটি স্থায়ী ফরাসি কলোনিতে রূপান্তর করা।
  3. মামলুকদের স্বেচ্ছাচারিতার অবসান: মিশরে নামমাত্র উসমানীয় শাসন থাকলেও বাস্তবে মামলুক আমীরদের দুর্নীতি ও ফরাসি বণিকদের ওপর হয়রানি বন্ধের অজুহাত দেখানো হয়।

খ. অভিযানের ফলাফল ও ঐতিহাসিক প্রভাব:

  1. পিরামিডের যুদ্ধ ও কায়রো দখল: ১৭৯৮ সালের ২১ জুলাই ‘পিরামিডের যুদ্ধে’ নেপোলিয়নের আধুনিক ফরাসি পদাতিক বাহিনী মুরাদ বে ও ইব্রাহিম বের মামলুক অশ্বারোহী বাহিনীকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করে কায়রো দখল করে।
  2. নীলনদের যুদ্ধে ফরাসি নৌবহর ধ্বংস: ব্রিটিশ অ্যাডমিরাল হোরাশিও নেলসন আবু কির উপসাগরে নীল নদের ঐতিহাসিক নৌযুদ্ধে ফরাসি নৌবহরকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিলে নেপোলিয়ন মিশরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরিশেষে ১৭৯৯ সালে গোপনে নেপোলিয়ন ফ্রান্সে ফিরে যান এবং ১৮০১ সালে ফরাসি সেনাবাহিনী মিশর ত্যাগ করতে বাধ্য হয়।
  3. মিশরের আধুনিক জাগরণ ও রসেটা পাথর আবিষ্কার: নেপোলিয়নের সাথে আসা ১৬৭ জন বিজ্ঞানী ও প্রত্নতাত্ত্বিক ‘ইনস্টিটিউট ডি ইজিপ্ট’ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রাচীন মিশরীয় হায়ারোগ্লিফিক লিপির রহস্য উন্মোচনকারী বিশ্বখ্যাত ‘রসেটা পাথর’ (Rosetta Stone) আবিষ্কৃত হয় এবং আধুনিক ছাপাখানার সংস্পর্শে মিশর মধ্যযুগীয় অন্ধত্ব থেকে আধুনিক যুগে প্রবেশ করে।
  4. মুহাম্মদ আলীর উত্থানের পথ সুগম: ফরাসি আক্রমণ মামলুকদের মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়, যার ফলে তরুণ আলবেনীয় সেনা কর্মকর্তা মুহাম্মদ আলী পাশার মিশরের ক্ষমতায় উত্থানের ঐতিহাসিক সুযোগ সৃষ্টি হয়।

২. আধুনিক মিশরে মুহাম্মদ আলী পাশার সংস্কার কর্মসূচি আলোচনা কর।

[Discuss the reforms scheme introduced by Muhammad Ali Pasha in Modern Egypt.]

ক. পটভূমি:

মুহাম্মদ আলী পাশা (১৮০৫-১৮৪৮) ছিলেন আধুনিক মিশরের অবিসংবাদিত রূপকার ও স্থপতি (Father of Modern Egypt)। ১৮১১ সালে কায়রো দুর্গে এক ভোজসভায় আমন্ত্রণ জানিয়ে রক্তক্ষয়ী হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে ৪৭০ জন মামলুক নেতাকে নিশ্চিহ্ন করে তিনি নিরঙ্কুশ ক্ষমতার অধিকারী হন এবং মিশরকে একটি আধুনিক শক্তিশালী রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করতে ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন।

খ. বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার কর্মসূচি:

  1. সামরিক সংস্কার ও আধুনিক সেনাবাহিনী: তিনি মামলুকদের ভাড়াটে সৈন্যদের বদলে স্থানীয় মিশরীয় কৃষকদের (ফালাহীন) নিয়ে একটি জাতীয় স্থায়ী সেনাবাহিনী গড়ে তোলেন। ফরাসি সামরিক কর্মকর্তা কর্নেল সেভ (সুলাইমান পাশা)-এর তত্ত্বাবধানে পশ্চিমা সামরিক প্রশিক্ষণ ও সমরাস্ত্র কারখানা (আলেকজান্দ্রিয়ার তোপখানা) স্থাপন করেন।
  2. কৃষি বিপ্লব ও দীর্ঘ আঁশের তুলা চাষ: তিনি জমির ওপর রাষ্ট্রের একক নিয়ন্ত্রণ কায়েম করেন। ফরাসি প্রকৌশলীদের সাহায্যে নীল নদের ওপর ব্যারেজ ও ডেল্টা বাঁধ নির্মাণ করে সুদূরপ্রসারী সেচ খাল খনন করেন। বিশ্বমানের দীর্ঘ আঁশের জুমেল তুলা (Jumel Cotton) চাষ বাধ্যতামূলক করেন, যা মিশরের প্রধান রপ্তানি পণ্যে পরিণত হয়ে কোষাগারকে ধনবান করে তোলে।
  3. শিল্পায়ন ও একচেটিয়া বাণিজ্য নীতি: বস্ত্রকল, চিনি কারখানা, অস্ত্র কারখানা ও কাগজের কল স্থাপন করেন। বৈদেশিক বাণিজ্যে তিনি রাষ্ট্রীয় একচেটিয়া ব্যবস্থা (Monopoly System) প্রবর্তন করে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করেন।
  4. শিক্ষা ও সংস্কৃতির নবজাগরণ: তিনি প্রকৌশল, চিকিৎসা, ফার্মেসি ও সামরিক বিদ্যায়তন গড়ে তোলেন। ফ্রান্সে প্রথম শিক্ষা প্রতিনিধি দল (মিশন) পাঠান যার নেতা রিফা আত-তাহতাওয়ী আধুনিক শিক্ষার আলো মিশরে আনেন। তিনি বুলাক সরকারি মুদ্রণালয় স্থাপন করেন এবং মিশরের প্রথম সরকারি সংবাদপত্র ‘আল-ওয়াকায়ি আল-মিসরিয়া’ প্রকাশ করেন।

৩. ১৯৩৬ সালের ইঙ্গ-মিশরীয় চুক্তির প্রধান ধারাসমূহ আলোচনা কর। এ চুক্তির দ্বারা মিশর কি পূর্ণ স্বাধীনতা পেয়েছিল?

[Discuss the main provisions of the Anglo-Egyptian Treaty of 1936 was Egypt got the full freedom under this Treaty?]

ক. ১৯৩৬ সালের ইঙ্গ-মিশরীয় চুক্তির প্রধান ধারাসমূহ:

ইতালির মুসোলিনি কর্তৃক আবিসিনিয়া (ইথিওপিয়া) দখলের পর সম্ভাব্য বিশ্বযুদ্ধের হুমকিতে ব্রিটেন ও মিশরের ওয়াফদ দলীয় প্রধানমন্ত্রী মুস্তফা আল-নাহাস পাশার মধ্যে ১৯৩৬ সালের ২৬ আগস্ট লন্ডনে ২০ বছর মেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়:

  1. মিশর থেকে ব্রিটিশ সামরিক দখলদারিত্ব প্রত্যাহার করা হবে; তবে কৌশলগত সুয়েজ খাল অঞ্চলের নিরাপত্তায় ১০,০০০ পদাতিক ও ৪০০ বিমানসেনা মোতায়েন থাকবে।
  2. যুদ্ধকালীন জরুরি পরিস্থিতিতে মিশর তার বন্দর, বিমানবন্দর ও রেলপথ ব্রিটিশ বাহিনীর ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেবে।
  3. সুদানে ১৮৯৯ সালের ব্রিটিশ-মিশরীয় যৌথ শাসন (Condominium) বহাল থাকবে এবং মিশরের সেনাবাহিনী সুদানে অবস্থান করতে পারবে।
  4. ব্রিটেন জাতিসংঘে (League of Nations) মিশরের পূর্ণ সদস্যপদ লাভের সমর্থন জানাবে এবং বিদেশিদের জন্য বিশেষ সুবিধা ‘ক্যাপিচুলেশন’ (Capitulations) বিলুপ্তির ব্যবস্থা করবে।

খ. মিশর কি পূর্ণ স্বাধীনতা পেয়েছিল? (মূল্যায়ন):

না, এ চুক্তির মাধ্যমে মিশর কখনোই পূর্ণ সার্বভৌম স্বাধীনতা লাভ করেনি; বরং এটি ছিল ব্রিটিশ আধিপত্যের ওপর একটি আনুষ্ঠানিক আইনি প্রলেপ। সুয়েজ খালে ব্রিটিশ সৈন্যের উপস্থিতি মিশরের সার্বভৌমত্বের মুখে চপেটাঘাত ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত লর্ড কিলেয়ার্ন ট্যাংক দিয়ে রাজপ্রাসাদ ঘেরাও করে রাজা ফারুককে প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তনে বাধ্য করে প্রমাণ করেন যে মিশরের চাবিকাঠি এখনো লন্ডনের হাতে। এ কারণেই ১৯৫১ সালে নাহাস পাশা এ চুক্তি একতরফা বাতিল করেন এবং ১৯৫২ সালে বিপ্লব ঘটে।


৪. ১৯৫২ সালের মিশরীয় বিপ্লবের পটভূমি পর্যালোচনা কর। এতে কর্নেল নাসেরের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

[Review the background of the Egyptian Revolution of 1952. Explain the role of Colonel Nasser in this Context.]

ক. ১৯৫২ সালের বিপ্লবের পটভূমি:

  1. ১৯৪৮ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে শোচনীয় ব্যর্থতা: মিশরের সেনাবাহিনী ফিলিস্তিন যুদ্ধে পাঠানো হলেও রাজদরবারের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা সৈন্যদের ত্রুটিপূর্ণ অস্ত্র সরবরাহ করে, যার ফলে মিশরীয় সৈন্যরা অবরুদ্ধ ও নিহত হয়। এতে তরুণ সামরিক অফিসারদের মনে রাজতন্ত্রের প্রতি তীব্র ঘৃণা জন্মে।
  2. রাজা ফারুকের লাগামহীন দুর্নীতি ও লাম্পট্য: রাজা ফারুক ও তাঁর দরবারের বিলাসিতা, স্বেচ্ছাচারিতা এবং জনগণের চরম দারিদ্র্য রাজতন্ত্রকে জনবিচ্ছিন্ন করে তোলে।
  3. কায়রো অগ্নিকাণ্ড (ব্ল্যাক স্যাটারডে – জানুয়ারি ১৯৫২): ইসমাইলিয়াতে ব্রিটিশদের হাতে ৫০ জন মিশরীয় পুলিশ নিহত হলে কায়রোতে তীব্র দাঙ্গা ও শহরজুড়ে অগ্নিকাণ্ড ঘটে, যা সরকারের নিয়ন্ত্রণহীনতাকে স্পষ্ট করে।

খ. বিপ্লবে কর্নেল জামাল আব্দুল নাসেরের ঐতিহাসিক ভূমিকা:

  1. ফ্রি অফিসার্স মুভমেন্ট (Free Officers Movement) গঠন: কর্নেল নাসের গোপনে দেশপ্রেমিক তরুণ অফিসারদের একত্রিত করে ফ্রি অফিসার্স গঠন করেন এবং জেনারেল মুহাম্মদ নাগিবকে সামনে রেখে ১৯৫২ সালের ২৩ জুলাই এক রক্তপাতহীন সামরিক অভ্যুত্থান সম্পন্ন করেন।
  2. রাজতন্ত্রের বিলুপ্তি ও প্রজাতন্ত্র ঘোষণা: রাজা ফারুককে সিংহাসনচ্যুত করে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়। ১৯৫৩ সালের ১৮ জুন শতবর্ষের রাজতন্ত্র বিলুপ্ত করে মিশরকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয় এবং পরবর্তীতে নাসের একক রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
  3. সুয়েজ খাল জাতীয়করণ (১৯৫৬): নাসেরের সর্বশ্রেষ্ঠ বীরত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল ১৯৫৬ সালের ২৬ জুলাই সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করা। এর ফলে ইঙ্গ-ফরাসি-ইসরায়েলি যৌথ আক্রমণ নাসেরের দৃঢ়তায় আন্তর্জাতিক চাপে ব্যর্থ হয় এবং নাসের সমগ্র আরব বিশ্বের জাতীয়তাবাদী মুক্তির প্রতীকে পরিণত হন।
  4. আসোয়ান বাঁধ ও ভূমি সংস্কার: তিনি আসোয়ান হাই ড্যাম নির্মাণ করে কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব আনেন এবং সামন্ততান্ত্রিক জমিদারদের জমি বাজেয়াপ্ত করে ভূমিহীন কৃষকদের মাঝে বণ্টন করেন।

৫. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি কী? মধ্য-প্রাচ্যের ইতিহাসে এর প্রভাব নিরূপণ কর।

[What is Camp David Treaty? Assess its impact on the history of the Middle-East.]

ক. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির পরিচয়:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় মেরিল্যান্ডের ক্যাম্প ডেভিড অবকাশ যাপন কেন্দ্রে একটানা ১২ দিন আলোচনার পর ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন-এর মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তিকে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords) বলা হয়। এর ভিত্তিতে ১৯৭৯ সালে ওয়াশিংটনে আনুষ্ঠানিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ইসরায়েল ১৯৬৭ সালে দখলকৃত মিশরের সিনাই উপদ্বীপ ফেরত দেয় এবং মিশর প্রথম আরব দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েল রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয় ও কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।

খ. মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব:

  1. আরব ঐক্যে মারাত্মক ফাটল ও মিশরের একঘরে হওয়া: ফিলিস্তিনিদের স্বাধিকারের প্রশ্নকে পাশ কাটিয়ে একক শান্তি চুক্তি করায় সমগ্র আরব বিশ্ব ক্ষুব্ধ হয়। আরব লীগ থেকে মিশরকে বহিষ্কার করা হয় এবং কায়রো থেকে আরব লীগের সদর দপ্তর তিউনিসে সরিয়ে নেওয়া হয়। প্রায় সকল আরব দেশ মিশরের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে।
  2. সামরিক ভারসাম্যের ইতি ও ইসরায়েলের আগ্রাসন বৃদ্ধি: আরবের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক শক্তি মিশর যুদ্ধ থেকে সরে দাঁড়ানোয় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আরবদের যৌথ প্রতিরোধের সম্ভাবনা চিরতরে বিনষ্ট হয়। এর সুযোগ নিয়ে ১৯৮২ সালে ইসরায়েল লেবাননে বিধ্বংসী আক্রমণ চালায়।
  3. আনোয়ার সাদাত হত্যাকাণ্ড (১৯৮১): ইসলামপন্থী ও আরব জাতীয়তাবাদীরা সাদাতের এ পদক্ষেপকে মুসলিম উম্মাহর সাথে চরম বিশ্বাসঘাতকতা মনে করে। ১৯৮১ সালের ৬ অক্টোবর সামরিক কুচকাওয়াজে খালেদ আল-ইস্তাম্বুলির নেতৃত্বাধীন ইসলামি জিহাদ সাদাতকে গুলি করে হত্যা করে।

৬. ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত সুদানের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায় আলোচনা কর।

[Discuss the various aspects of the Sudanese nationalist movement up to 1956.]

ক. প্রাথমিক পর্যায় ও মাহদি আন্দোলন:

১৮৮১ সালে মুহাম্মদ আহমদ আল-মাহদির নেতৃত্বে ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সশস্ত্র জিহাদ সূচিত হয়। ১৮৮৫ সালে খার্তুমে ব্রিটিশ গভর্নর চার্লস গর্ডনকে হত্যা করে স্বাধীন মাহদি রাষ্ট্র কায়েম হয়। তবে ১৮৯৮ সালে ওমদুরমানের যুদ্ধে জেনারেল কিচেনার মাহদি বাহিনীকে পরাস্ত করে সুদানে ব্রিটিশ-মিশরীয় যৌথ শাসন (Condominium) চাপিয়ে দেয়।

খ. আধুনিক জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের বিকাশ:

  1. হোয়াইট ফ্ল্যাগ লীগ ও ১৯২৪ সালের অভ্যুত্থান: আলী আব্দুর লতিফের নেতৃত্বে তরুণ সুদানী অফিসাররা হোয়াইট ফ্ল্যাগ লীগ গঠন করে নীল উপত্যকার ঐক্যের ডাক দেন। ১৯২৪ সালে তাদের সশস্ত্র অভ্যুত্থান ব্রিটিশরা কঠোরভাবে দমন করে।
  2. গ্র্যাজুয়েটস কংগ্রেস (Graduates’ General Congress, 1938): শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সুদানীদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এ সংগঠনটি সুদানের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার ও শিক্ষার অধিকারের জোরালো দাবি তোলে।
  3. দুটি বিপরীতমুখী রাজনৈতিক ধারার উদ্ভব: সুদানের রাজনীতি দুটি ধারায় বিভক্ত হয়—ইসমাইল আল-আজহারির নেতৃত্বে ‘আশিকা পার্টি’ (মিশরের সাথে নীল উপত্যকার ফেডারেল ঐক্যের সমর্থক); অপরদিকে আব্দুর রহমান আল-মাহদির উম্মা পার্টি (মিশর ব্যতীত সম্পূর্ণ স্বাধীন সুদানের সমর্থক)।

গ. ১৯৫৩ সালের চুক্তি ও পূর্ণ স্বাধীনতা (১৯৫৬):

১৯৫২ সালের মিশরীয় বিপ্লবের পর জামাল আব্দুল নাসের সুদানের ওপর মিশরের দাবি ত্যাগ করে সুদানীদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার মেনে নেন। ১৯৫৩ সালে ব্রিটিশ-মিশরীয় চুক্তির মাধ্যমে সুদানে তিন বছরের অন্তর্বর্তী স্বায়ত্তশাসন দেওয়া হয়। অবশেষে ১৯৫৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর সুদানের পার্লামেন্ট সর্বসম্মত স্বাধীনতার প্রস্তাব পাস করে এবং ১৯৫৬ সালের ১ জানুয়ারি সুদান একটি স্বাধীন সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।


৭. খেদিভ ইসমাইল পাশার প্রবর্তিত সংস্কারসমূহ ব্যাখ্যা কর।

[Explain the reforms introduced by Khidiv Ismail Pasha.]

ক. খেদিভ ইসমাইলের লক্ষ্য:

খেদিভ ইসমাইল পাশা (১৮৬৩-১৮৭৯) ছিলেন মিশরের অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী ও পাশ্চাত্যপ্রেমী শাসক। তাঁর ঐতিহাসিক ঘোষণা ছিল: “আমার দেশ আর কেবল আফ্রিকার অংশ নয়; আমরা এখন ইউরোপের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।”

খ. প্রধান সংস্কারসমূহ:

  1. সুয়েজ খালের উদ্বোধন (১৮৬৯): ফার্ডিন্যান্ড ডি লেসেপসের খননকৃত সুয়েজ খাল ১৮৬৯ সালে রাজকীয় আড়ম্বরে উদ্বোধন করেন, যাতে ইউরোপের রানি ও রাজন্যবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে কায়রো অপেরা হাউস নির্মাণ এবং ভের্দির বিখ্যাত ‘আইডা’ অপেরা রচনা করা হয়।
  2. নগর উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন: প্যারিসের আদলে তিনি কায়রো শহরকে পুনর্নির্মাণ করেন—প্রশস্ত রাজপথ, গ্যাসবাতি, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং আধুনিক প্রাসাদ গড়ে তোলেন। আলেকজান্দ্রিয়া ও সুয়েজের নৌবন্দর সম্প্রসারণ করেন।
  3. রেলপথ ও টেলিগ্রাফের বিস্তার: তিনি মিশরে প্রায় ১,২০০ মাইল দীর্ঘ আধুনিক রেলপথ এবং ৫,০০০ মাইলের বেশি টেলিগ্রাফ লাইন স্থাপন করেন। শত শত নতুন সেচ খাল খনন করে আবাদি জমির পরিমাণ বহুগুণ বৃদ্ধি করেন।
  4. শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশ: তিনি আধুনিক জাতীয় গ্রন্থাগার (দারুল কুতুব), ভৌগোলিক সমিতি এবং মিশরের প্রথম বালিকা বিদ্যালয় (সিইউফিয়া স্কুল) প্রতিষ্ঠা করেন। বিচার ব্যবস্থায় ইউরোপীয় ধাঁচের ‘মিক্সড কোর্ট’ (Mixed Courts) চালু করেন।

গ. ঋণজাল ও পরিণতি:

বিপুল অর্থ অপচয় ও ইউরোপীয় ব্যাংকগুলোর উচ্চ সুদের ঋণের কারণে মিশর দেউলিয়া হয়ে পড়ে। ১৮৭৫ সালে বাধ্য হয়ে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন ডিজরেইলির কাছে সুয়েজ খালের মিশরের মালিকানাধীন ৪৪% শেয়ার নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করেন এবং ১৮৭৯ সালে উসমানীয় সুলতান কর্তৃক বরখাস্ত হন, যা ১৮৮২ সালে মিশরে ব্রিটিশ দখলদারিত্ব ডেকে আনে।


৮. নীল নদের পানি প্রবাহ বিতর্ক সুদানের প্রজাতান্ত্রিক বিপ্লবে এর প্রভাব নিরূপণ কর।

[Assess the influence of Sudanese republican revolution on the Nile Water dispute.]

ক. ১৯২৯ সালের নীল নদ পানি চুক্তির বৈষম্য:

১৯২৯ সালে ব্রিটিশরা মিশরের সাথে একটি একতরফা নীল নদ পানি চুক্তি স্বাক্ষর করে, যেখানে মোট বার্ষিক পানির ৮৫% (৪৮ বিলিয়ন ঘনমিটার) একাই মিশরকে দেওয়া হয় এবং সুদানকে দেওয়া হয় মাত্র ৪ বিলিয়ন ঘনমিটার। উপরন্তু উজানের দেশগুলোতে নীল নদের ওপর কোনো প্রকার বাঁধ নির্মাণে মিশরের ভেটো ক্ষমতা দেওয়া হয়।

খ. সুদানের প্রজাতান্ত্রিক বিপ্লব ও পানি বিরোধের প্রভাব:

  1. স্বাধীনতা উত্তর সুদানের প্রতিবাদ: ১৯৫৬ সালে স্বাধীন হওয়ার পর সুদানের প্রজাতান্ত্রিক সরকার ১৯২৯ সালের দাসত্বমূলক চুক্তি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে এবং তাদের কৃষির বিস্তারে (গেজিরা স্কিম) পানির ন্যায্য হিস্যা দাবি করে।
  2. আসোয়ান বাঁধ নির্মাণে সংকট: মিশরের প্রেসিডেন্ট নাসের যখন বিশাল আসোয়ান হাই ড্যাম নির্মাণের উদ্যোগ নেন, তখন সুদান সীমান্তে ওয়াদি হালফা অঞ্চল নিমজ্জিত হওয়ার ঝুঁকি দেখা দেয়। সুদান সরকার পানি বণ্টন চুক্তি ব্যতীত আসোয়ান বাঁধে সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানায়।
  3. ঐতিহাসিক ১৯৫৯ সালের নীল নদ পানি চুক্তি (1959 Nile Waters Agreement): সুদানের তীব্র কূটনৈতিক চাপের মুখে উভয় প্রজাতান্ত্রিক দেশ ১৯৫৯ সালে নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করে। এতে সুদানের পানির হিস্যা চারগুণের বেশি বৃদ্ধি করে ১৮.৫ বিলিয়ন ঘনমিটার করা হয় এবং মিশরের হিস্যা ৫৫.৫ বিলিয়ন ঘনমিটার নির্ধারিত হয়। সুদানকে আসোয়ান বাঁধে নিমজ্জিত এলাকার জন্য ১৫ মিলিয়ন মিশরীয় পাউন্ড ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। এভাবেই সুদানের প্রজাতান্ত্রিক বিপ্লব নীল নদের পানি বিতর্কের ঐতিহাসিক সুরাহা নিশ্চিত করে।

খ বিভাগ: সংক্ষিপ্ত প্রশ্নাবলি

৯। মিশরীয় বিপ্লবে ওয়াফদ পার্টির ভূমিকা লিখ।

[Write the role of Wafd Party in Egyptian revolution.]

১৯১৮ সালে সাদ জাগলুল পাশার নেতৃত্বে গঠিত ওয়াফদ পার্টি (Wafd Party) ছিল আধুনিক মিশরের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের মূল পুরোধা। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর প্যারিস শান্তি সম্মেলনে মিশরের স্বাধীনতার দাবি তুলতে একটি প্রতিনিধি দল (আরবিতে ওয়াফদ) গঠনের মাধ্যমে এর জন্ম হয়:

  • ১৯১৯ সালের বিপ্লব: ব্রিটিশরা সাদ জাগলুলকে মাল্টায় নির্বাসনে দিলে সমগ্র মিশরে তীব্র গণবিপ্লব শুরু হয়। এর মুখে বাধ্য হয়ে ১৯২২ সালে ব্রিটিশরা শর্তসাপেক্ষে মিশরকে স্বাধীন রাজতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করে। পরবর্তীতে ১৯৩৬ সালের ইঙ্গ-মিশরীয় চুক্তি এবং ১৯৫১ সালে তা বাতিলের ক্ষেত্রে ওয়াফদ পার্টি অগ্রণী ভূমিকা রাখে।

১০। সুয়েজ খালের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

[Analyze the economic importance of the Suez Canal.]

১৮৬৯ সালে ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরের সংযোগকারী ১৯৩ কিলোমিটার দীর্ঘ সুয়েজ খাল চালু হয়। এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম:

  • দূরত্ব ও সময় সাশ্রয়: আফ্রিকা মহাদেশ ঘুরে উত্তমাশা অন্তরীপ হয়ে ইউরোপ থেকে এশিয়ার দূরত্ব প্রায় ৭,০০০ থেকে ৯,০০০ কিলোমিটার হ্রাস পায় এবং সময় বাঁচে প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন।
  • বিশ্ববাণিজ্যের ধমনী: বিশ্ববাণিজ্যের প্রায় ১২% পণ্য এবং বৈশ্বিক তেল পরিবহনের এক বিশাল অংশ এ খালের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়। এটি মিশরের বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনের সর্বপ্রধান উৎসের একটি।

১১। সুদানী বিপ্লবের গুরুত্ব বর্ণনা কর।

[Describe the significance of Sudanese Revolution.]

সুদানের জাতীয়তাবাদী বিপ্লব ও মুক্তি সংগ্রাম আফ্রিকার ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায়:

  • আফ্রিকায় ঔপনিবেশিক শৃঙ্খলমুক্তি: ১৯৫৬ সালের ১ জানুয়ারি সুদানের স্বাধীনতা ছিল সাহারা মরুভূমির দক্ষিণাঞ্চলীয় আফ্রিকার প্রথম স্বাধীনতাগুলোর একটি, যা ঘানা ও আলজেরিয়াসহ গোটা কৃষ্ণ আফ্রিকায় উপনিবেশবিরোধী বিদ্রোহের জোয়ার এনে দেয়।
  • যৌথ শাসনের অবসান: এটি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ ও মিশরের আধা-ঔপনিবেশিক শাসনের যৌথ শোষণের চির অবসান ঘটায় এবং সুদানকে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে একটি স্বাধীন কণ্ঠস্বর হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।

১২। প্রেসিডেন্ট হুসনী মুবারকের পররাষ্ট্র নীতি আলোচনা কর।

[Discuss the foreign policy of President Husni Mubarak.]

আনোয়ার সাদাত হত্যাকাণ্ডের পর ১৯৮১ সালে ক্ষমতায় এসে প্রেসিডেন্ট হুসনী মুবারক তিন দশক (১৯৮১-২০১১) মিশরের পররাষ্ট্রনীতি অত্যন্ত ভারসাম্যের সাথে পরিচালনা করেন:

  • আরব বিশ্বের সাথে সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা: ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির কারণে আরব বিশ্ব থেকে একঘরে হয়ে পড়া মিশরকে তিনি পুনরায় আরব লীগে ফিরিয়ে আনেন এবং সদর দপ্তর তিউনিস থেকে পুনরায় কায়রোতে স্থানান্তর করান।
  • পশ্চিমা ও মার্কিন সুসম্পর্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কৌশলগত মিত্রতা বজায় রেখে প্রতি বছর শত শত কোটি ডলার সামরিক ও অর্থনৈতিক অনুদান নিশ্চিত করেন এবং ফিলিস্তিন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় প্রধান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেন।

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. আধুনিক মিশরের জনক কাকে বলা হয় এবং কেন?

মুহাম্মদ আলী পাশাকে আধুনিক মিশরের জনক বলা হয়; কারণ তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে সামরিক, কৃষি, শিল্প ও শিক্ষাব্যবস্থায় আধুনিকায়ন করে মধ্যযুগীয় মিশরকে একটি শক্তিশালী আধুনিক রাষ্ট্রে রূপান্তর করেন।

২. সুয়েজ খাল আনুষ্ঠানিকভাবে কত সালে উন্মুক্ত করা হয়?

১৮৬৯ সালের ১৭ নভেম্বর খেদিভ ইসমাইল পাশার আমলে রাজকীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের জন্য সুয়েজ খাল উন্মুক্ত করা হয়।

৩. ১৯৫২ সালের মিশরীয় বিপ্লবে কোন রাজাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছিল?

১৯৫২ সালের ২৩ জুলাই ফ্রি অফিসার্স আন্দোলনের মাধ্যমে রাজা ফারুককে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়।

৪. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি কত সালে কাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?

১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিনের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

৫. সুদান কত সালে ব্রিটিশ-মিশরীয় শাসন থেকে পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে?

১৯৫৬ সালের ১ জানুয়ারি সুদান আনুষ্ঠানিকভাবে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

৬. মিশরীয় জাতীয়তাবাদী ‘ওয়াফদ’ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

১৯১৮ সালে প্রখ্যাত মিশরীয় জাতীয়তাবাদী নেতা সাদ জাগলুল পাশা ওয়াফদ পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন।

টেলিটক ছবি ও স্বাক্ষর রিসাইজার (৩০০×৩০০ ও ৩০০×৮০)
সরকারি চাকরি ও ভর্তির অনলাইন আবেদনের জন্য ছবি ও সইয়ের মাপ ঠিক রাখুন ১০০% নির্ভুলভাবে।
ছবি ও সই রিসাইজ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *