জরুরি নোটিশ 🔔 নতুন: ২০২৬ সালের সকল শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ও গাইড বই প্রকাশিত হয়েছে!

কাওয়াইদুল লুগাতিল আরাবিয়্যাহ (Qawaidul Lughatil Arabiyyah) – 201203, আল-কুরআন এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ – ফাজিল অনার্স ২য় বর্ষ পরীক্ষা 2020

Abswer.com Abswer.com
21 September, 2026
৩৭ মিনিট পড়ার সময়
৯ বার পঠিত

সরাসরি Telegram-এ সকল বই ও সাজেশন পান!

আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে সবার আগে নতুন বই ও রুটিন ডাউনলোড করুন।

টেলিগ্রামে যুক্ত হোন 🚀

ফাজিল (স্নাতক) সম্মান ২য় বর্ষ পরীক্ষা 2020
বিভাগ: আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ
বিষয়: কাওয়াইদুল লুগাতিল আরাবিয়্যাহ (قواعد اللغة العربية)
বিষয় কোড: 201203 | পূর্ণমান: ৮০ | সময়: ৪ ঘণ্টা
[দ্রষ্টব্য: ১ নং প্রশ্ন হতে ৩টি, ২ নং হতে ২টি এবং ৩, ৪ ও ৫ নং প্রশ্নসহ মোট ৮টি প্রশ্নের উত্তর দাও।]


١- اجب عن ثلاثة من الأسئلة التالية:

[১. নিম্নোক্ত প্রশ্নগুলোর মধ্য হতে যে কোনো তিনটি প্রশ্নের উত্তর দাও:]

(أ) عرف الكلمة لغة واصطلاحا- وكم قسما لها؟ بيّن بالتفصيل والتمثيل-

[(ক) কালিমার আভিধানিক ও পারিভাষিক সংজ্ঞা দাও। উহা কত প্রকার? উদাহরণসহ বিস্তারিত বর্ণনা কর।]

  1. কালিমার শাব্দিক অর্থ: ‘আল-কালিমাহ’ (الْكَلِمَةُ) শব্দটি ‘কালমুন’ (كَلْمٌ) মূলধাতু থেকে নির্গত, যার আভিধানিক অর্থ আঘাত করা, জখম করা অথবা কথা বলা। কথা মানুষের অন্তরে দাগ কাটে বা প্রভাব ফেলে বলেই একে কালিমা বলা হয়।
  2. পারিভাষিক সংজ্ঞা: প্রখ্যাত বৈয়াকরণ আল্লামা ইবনে হিশাম (রহ.) বলেন:

    الْكَلِمَةُ قَوْلٌ مُفْرَدٌ

    “একক অর্থবোধক বা স্বয়ংসম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশক একক শব্দকেই কালিমা বলা হয়।”

  3. কালিমার প্রকারভেদ: কালিমা প্রধানত তিন প্রকার:
    • ইসম (الاسم – বিশেষ্য/নামপদ): যে শব্দ অন্য কোনো শব্দের সাহায্য ছাড়া নিজের অর্থ নিজে পূর্ণরূপে প্রকাশ করতে পারে এবং যার অর্থের মধ্যে অতীত, বর্তমান বা ভবিষ্যৎ—কোনো কালের সম্পৃক্ততা থাকে না। যেমন: ‘মুহাম্মাদুন’ (مُحَمَّدٌ), ‘কিতাবুন’ (كِتَابٌ)
    • ফিল (الفعل – ক্রিয়া): যে শব্দ অন্য শব্দের সাহায্য ছাড়া নিজের অর্থ নিজে প্রকাশ করে এবং তার মধ্যে তিন কালের (অতীত, বর্তমান বা ভবিষ্যৎ) কোনো একটি কাল পাওয়া যায়। যেমন: ‘কাতাffiবা’ (كَتَبَ – সে লিখেছে), ‘ইয়াকতুবু’ (يَكْتُبُ – সে লিখছে বা লিখবে)
    • হরফ (الحرف – অব্যয়): যে শব্দ অন্য শব্দের (ইসম বা ফিল) সাথে মিলিত না হয়ে নিজে কোনো স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। যেমন: ‘ফি’ (فِي – মধ্যে), ‘মিন’ (مِنْ – থেকে)

(ب) عرف الجملة- ثم بيّن أقسام الجملة مع الأمثلة-

[(খ) জুমলাহর সংজ্ঞা দাও। অতঃপর উদাহরণসহ জুমলাহর প্রকারভেদ বর্ণনা কর।]

  1. জুমলাহর পরিচয়: আরবি ব্যাকরণে দুই বা ততোধিক শব্দের সুবিন্যস্ত সমন্বয়ে যখন একটি পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য বা অর্থবোধক মনের ভাব প্রকাশিত হয়, তখন তাকে জুমলাহ (الجملة) বা কালাম (الكلام) বলা হয়। আল্লামা ইবনে হাজার (রহ.) বলেন:

    الجُمْلَةُ هِيَ كَلَامٌ تَامٌّ يُفِيدُ فَائِدَةً يَحْسُنُ السُّكُوتُ عَلَيْهَا

    “জুমলাহ হলো এমন পূর্ণাঙ্গ বাক্য যা শুনে শ্রোতা সম্পূর্ণ তৃপ্ত হয় এবং তার কোনো জিজ্ঞাসা অবশিষ্ট থাকে না।”

  2. জুমলাহর মৌলিক প্রকারভেদ: প্রারম্ভিক শব্দের প্রকৃতি বিবেচনায় জুমলাহ প্রধানত দুই প্রকার:
    • জুমলায়ে ইসমিয়্যাহ (الجملة الاسمية): যে বাক্য কোনো ইসম (নামপদ) দিয়ে শুরু হয়। এর প্রধান দুটি অংশ—মুবতাদা (مبتدأ) ও খবর (خبر)। যেমন: ‘আল-ইলমু নূরুন’ (العِلْمُ نُورٌ – জ্ঞানই আলো)
    • জুমলায়ে ফিলিয়্যাহ (الجملة الفعلية): যে বাক্য কোনো ফিল (ক্রিয়া) দিয়ে শুরু হয়। এর প্রধান অংশ হলো—ফিল (فعل) ও ফায়েল (فاعل)। যেমন: ‘নাসারা যাইদুন’ (نَصَرَ زَيْدٌ – জায়েদ সাহায্য করল)

(ج) عرف الاسم المعرب- وكم قسما له؟ بيّن كل قسم مفصلا وممثلا-

[(গ) ইসম মু’রাবের সংজ্ঞা দাও এবং উহা কত প্রকার? প্রত্যেক প্রকার উদাহরণসহ বিস্তারিত বর্ণনা কর।]

  1. ইসম মু’রাবের সংজ্ঞা: যে ইসমের শেষাক্ষরের রূপ বা হরকত (পেশ, যবর, যের) বাক্যে তার পূর্ববর্তী আমিল (শাসনকারী শব্দ)-এর পরিবর্তনের কারণে পরিবর্তিত হয়, তাকে ইসম মু’রাব (الاسم المعرب) বা আল-মুরাক্কাব আল-মুতামাক্কিন বলে। যেমন: ‘জাআ যাইদুন’ (জায়েদ এল), ‘রায়াইতু যাইদান’ (আমি জায়েদকে দেখলাম), ‘মারারতু বিযাইদিন’ (আমি জায়েদের পাশ দিয়ে গেলাম)
  2. মু’রাবের প্রকারভেদ: গাইরে মাবনী ইসম প্রধানত ১৬ প্রকার (যেমন—মুফরাদ মুনসারিফ সহীহ, জারী মাজরা সহীহ, জামা মুকাসসার, জামা মুয়ান্নাস সালেম, গাইরে মুনসারিফ, আসমায়ে সিত্তাহ মুকাব্বারা ইত্যাদি)। মূল ইরাবের দিক থেকে এগুলো তিন শ্রেণীতে বিভক্ত:
    • হরকত দ্বারা ইরাব (إعراب بالحركات): পেশ, যবর ও যের দ্বারা ইরাব গ্রহণকারী। যেমন: মুফরাদ মুনসারিফ সহীহ (জায়েদুন, যাইদান, যাইদিন)।
    • হরফ দ্বারা ইরাব (إعراب بالحروف): ওয়াও, আলিফ ও ইয়া দ্বারা ইরাব গ্রহণকারী। যেমন: আসমায়ে সিত্তাহ মুকাব্বারা (আবুকা, আবাকা, আবীকা)।
    • তাক্বদীরী বা আনুমানিক ইরাব (إعراب تقديري): দৃশ্যমান হরকত গ্রহণ করতে পারে না এমন ইসম। যেমন: ইসমে মাকসূর (মুসা, ঈসা)।

(د) ما هي الأسماء المرفوعات؟ وكم هي؟ اكتب بالأمثلة-

[(ঘ) আসমায়ে মারফু’আত কী এবং কয়টি? উদাহরণসহ লেখ।]

  1. মারফু’আতের পরিচয়: বাক্যের যে সকল ইসম হালতে রাফ’ বা রফ’ (পেশ বা পেশের স্থলাভিষিক্ত হরফ) গ্রহণ করে, তাদেরকে আসমায়ে মারফু’আত (الأسماء المرفوعات) বলা হয়।
  2. মারফু’আতের সংখ্যা (মোট ৮টি):
    • ফায়েল (الفاعل – কর্তা): যেমন: ‘ক্বামা যাইদুন’ (قَامَ زَيْدٌ)
    • নায়েবে ফায়েল (نائب الفاعل – কর্মবাচ্যের কর্তা): যেমন: ‘কুতিবা আদ-দারসু’ (كُتِبَ الدَّرْسُ)
    • মুবতাদা (المبتدأ – উদ্দেশ্য): যেমন: ‘আল্লাহু গাফুরুন’ (اللهُ غَفُورٌ)
    • খবর (الخبر – বিধেয়): যেমন: ‘মুহাম্মাদুন রাসূলুল্লাহ’ (مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللهِ)
    • কানা ও তার সমজাতীয় ক্রিয়ার ইসম (اسم كان وأخواتها): যেমন: ‘কানা যাইদুন আলিমা’ (كَانَ زَيْدٌ عَالِمًا)
    • ইন্না ও তার সমজাতীয় অব্যয়ের খবর (خبر إن وأخواتها): যেমন: ‘ইন্নাল্লাহা সামি’উন’ (إِنَّ اللهَ سَمِيعٌ)
    • মা ও লা-এর ইসম (اسم ما ولا المشبهتين بليس): যেমন: ‘মা যাইদুন ক্বা-ইমান’ (مَا زَيْدٌ قَائِمًا)
    • নাফি জেনসের খবর (خبر لا لنفي الجنس): যেমন: ‘লা রাজুলা ক্বা-ইমুন’ (لَا رَجُلَ قَائِمٌ)

(هـ) عرف الحال- وماذا حكم الحال و ذو الحال؟ بيّن بالتفصيل-

[(ঙ) ‘হাল’-এর সংজ্ঞা দাও। হাল ও যুল হালের হুকুম কী? বিস্তারিত বর্ণনা কর।]

  1. হাল (الحال)-এর সংজ্ঞা: ক্রিয়া সংঘটিত হওয়ার সময় ফায়েল (কর্তা) বা মাফ’উল (কর্ম)-এর আকস্মিক অবস্থা বা পরিস্থিতি বর্ণনা করে এমন মানসূব (যবরযুক্ত) ইসমকে হাল বলা হয়। আর যার অবস্থা বর্ণনা করা হয় তাকে যুল হাল (ذو الحال) বলে। যেমন: ‘জাআ যাইদুন রাকিবান’ (جَاءَ زَيْدٌ رَاكِبًا – জায়েদ আরোহী অবস্থায় এল)। এখানে ‘যাইদুন’ যুল হাল এবং ‘রাকিবান’ হলো হাল।
  2. হাল ও যুল হালের হুকুম:
    • হালের হুকুম: হাল সর্বদা নসবযুক্ত (মানসূব) হবে এবং সাধারণত নাকেরা (অনির্দিষ্ট) ও মুশতাক্ব (উৎপন্ন শব্দ) হবে।
    • যুল হালের হুকুম: যুল হাল সর্বদা মারেফা (নির্দিষ্ট) হবে এবং বাক্যের গঠন অনুযায়ী মারফু, মানসূব বা মাজরুর যেকোনো অবস্থানে থাকতে পারে।
    • বচন ও লিঙ্গের সামঞ্জস্য: হাল তার যুল হালের সাথে লিঙ্গ (পুংলিঙ্গ/স্ত্রীলিঙ্গ) ও বচনে (একবচন, দ্বিবচন, বহুবচন) সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

٢- اجب عن اثنين من الأسئلة التالية:

[২. নিম্নোক্ত প্রশ্নগুলোর মধ্য হতে যে কোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও:]

(أ) عرف علم الصرف- ثم بيّن موضوعه وغرضه-

[(ক) ইলমুস সারফের সংজ্ঞা দাও। অতঃপর উহার আলোচ্য বিষয় ও উদ্দেশ্য বর্ণনা কর।]

  1. ইলমুস সারফের সংজ্ঞা: ‘সারফ’ (الصرف) শব্দের আভিধানিক অর্থ রূপান্তর বা পরিবর্তন করা। পারিভাষিক সংজ্ঞায় আল্লামা জুরজানী (রহ.) বলেন:

    عِلْمُ الصَّرْفِ هُوَ عِلْمٌ بِأُصُولٍ يُعْرَفُ بِهَا صِيَغُ الْكَلِمَاتِ وَأَحْوَالُهَا الَّتِي لَيْسَتْ بِإِعْرَابٍ وَلَا بِنَاءٍ

    “ইলমুস সারফ হলো এমন সুনির্দিষ্ট নিয়ম-নীতির জ্ঞান, যার মাধ্যমে মূলধাতু থেকে বিভিন্ন অর্থ প্রকাশের জন্য শব্দমালার অভ্যন্তরীণ রূপান্তর, ওজন এবং গঠনগত পরিবর্তন জানা যায়।”

  2. আলোচ্য বিষয় (موضوع): ইলমুস সারফের মূল বিষয়বস্তু হলো রূপান্তরযোগ্য আরবি শব্দাবলি—বিশেষ করে মুরাক্কাব আল-মুতামাক্কিন ইসম এবং মুতাছাররিফ ক্রিয়া (আফ’আল)। হরফ এবং অপরিবর্তনশীল মাবনী শব্দের ওপর ইলমুস সারফ আলোচনা করে না।
  3. উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য (غرض):
    • শব্দ গঠনে ও উচ্চারণে মুখকে ভুল-ভ্রান্তি থেকে রক্ষা করা।
    • একই মূলধাতু থেকে শত শত নতুন অর্থবোধক শব্দ ও সীগাহ গঠনের কলাকৌশল আয়ত্ত করা।
    • কুরআন ও হাদিসের আরবি পাঠ নির্ভুলভাবে অনুধাবন করা।

(ب) عرف الاسم المشتق ثم اذكر الأسماء المشتقة بالأمثلة-

[(খ) ইসমে মুশতাকের সংজ্ঞা দাও। অতঃপর উদাহরণসহ আসমায়ে মুশতাক্কাহ উল্লেখ কর।]

  1. ইসমে মুশতাকের পরিচয়: যে ইসম কোনো মূলধাতু বা মাসদার (مصدر) থেকে সুনির্দিষ্ট নিয়মে ওজনে রূপান্তরিত হয়ে গঠিত হয় এবং কোনো কার্যসম্পাদনকারী, কর্ম, স্থান, সময় বা যন্ত্রের অর্থ প্রকাশ করে, তাকে ইসমে মুশতাক্ব (الاسم المشتق) বলা হয়। যেমন: ‘দরবুন’ (আঘাত করা) মাসদার থেকে ‘দারিবুন’ (আঘাতকারী)।
  2. আসমায়ে মুশতাক্কাহর প্রকারভেদ (মোট ৭টি প্রধান রূপ):
    • ইসমে ফায়েল (اسم الفاعل – কর্তাবাচক নামপদ): যেমন: ‘নাসিরুন’ (نَاصِرٌ – সাহায্যকারী)
    • ইসমে মাফ’উল (اسم المفعول – কর্মবাচক নামপদ): যেমন: ‘মানসুরুন’ (مَنْصُورٌ – যাকে সাহায্য করা হয়েছে)
    • সিফাতে মুশাব্বাহাহ (الصفة المشبهة – স্থায়ী গুণবাচক নামপদ): যেমন: ‘হাসানুন’ (حَسَنٌ – সুন্দর), ‘কারিমুন’ (كَرِيمٌ – দয়ালু)
    • ইসমে তাফদীল (اسم التفضيل – তুলনাবাচক নামপদ): যেমন: ‘আকবারু’ (أَكْبَرُ – সবচেয়ে বড়)
    • ইসমে যরফ (اسم الظرف – স্থান বা কালবাচক নামপদ): যেমন: ‘মাজলিসুন’ (مَجْلِسٌ – বসার স্থান/সময়), ‘মাসজিদুন’ (مَسْجِدٌ)
    • ইসমে আলাহ (اسم الآلة – যন্ত্রবাচক নামপদ): যেমন: ‘মিফতাহুন’ (مِفْتَاحٌ – চাবি), ‘মিবরাদুন’ (مِبْرَدٌ – করাত)
    • ইসমে মুবালাগা (اسم المبالغة – আধিক্যবাচক নামপদ): যেমন: ‘আল্লামাতুন’ (عَلَّامَةٌ – মহাপণ্ডিত), ‘গাফফারুন’ (غَفَّارٌ)

(ج) عرف الإعلال- وكم قسما له؟ بيّن بالتفصيل-

[(গ) ই’লালের সংজ্ঞা দাও এবং উহা কত প্রকার? বিস্তারিত বর্ণনা কর।]

  1. ই’লাল (الإعلال)-এর সংজ্ঞা: উচ্চারণের সহজীকরণ ও শ্রুতিমাধুর্যের উদ্দেশ্যে কোনো শব্দে বিদ্যমান ইল্লতের হরফসমূহকে (আলিফ, ওয়াও, ইয়া – ا، و، ي) পরিবর্তন করা, বিলুপ্ত করা বা সাকিন করার নিয়মকে ই’লাল বলা হয়।
  2. ই’লালের প্রকারভেদ (প্রধানত ৩ প্রকার):
    • ই’লাল বিল ক্বলব (إعلال بالقلب – পরিবর্তন): এক হরফে ইল্লতকে অন্য হরফে রূপান্তর করা। যেমন: ‘ক্বাওয়ালা’ (قَوَلَ) শব্দ থেকে ওয়াওকে আলিফ বানিয়ে ‘ক্বালা’ (قَالَ) করা হয়েছে।
    • ই’লাল বিল ইসকান (إعلال بالإسكان – হরকত অপসারণ বা শান্তকরণ): হরফে ইল্লত থেকে হরকত দূর করে সাকিন করা বা পূর্ববর্তী সহীহ হরফে হরকত স্থানান্তর করা। যেমন: ‘ইয়াক্বউলু’ (يَقْوُلُ) থেকে ওয়াওয়ের পেশ ক্বাফে দিয়ে ‘ইয়াক্বূলু’ (يَقُولُ) করা হয়েছে।
    • ই’লাল বিল হাযফ (إعلال بالحذف – বিলোপকরণ): হরফে ইল্লতকে সম্পূর্ণ মুছে বা ফেলে দেওয়া। যেমন: ‘ওয়া’আদা’ (وَعَدَ) থেকে মুদারে করার সময় ওয়াও ফেলে দিয়ে ‘ইয়া’ইদু’ (يَعِدُ) এবং আমর ‘ই’দ’ (عِدْ) করা হয়েছে।

(د) ما هو الإبدال؟ اكتب مواضع الإبدال بالتمثيل-

[(ঘ) ইবদাল কী? উদাহরণসহ ইবদালের স্থানসমূহ লেখ।]

  1. ইবদাল (الإبدال)-এর সংজ্ঞা: উচ্চারণের কষ্ট দূর করে বাক্যকে সাবলীল করার লক্ষ্যে একটি হরফের স্থানে অন্য একটি হরফকে প্রতিস্থাপন করাকে ইবদাল বলা হয়। হরফে ইল্লত এবং হরফে সহীহ উভয়ের মধ্যেই ইবদাল হতে পারে। যেমন: ‘ইফতি’আল’ (افتعال) বাবের ‘তা’ (ت) হরফটি তোয়া (ط) বা দাল (د)-এ রূপান্তরিত হওয়া।
  2. ইবদালের প্রধান স্থান ও উদাহরণ:
    • ইফতি’আল বাবের ‘তা’ কে ‘তোয়া’ দ্বারা পরিবর্তন: যদি ইফতি’আল বাবের ফা’ কালিমায় হুরূফে ইতবাক্ব (ص، ض، ط، ظ) আসে, তবে বাবের ‘তা’ হরফটি ‘তোয়া’ (ط)-তে পরিণত হয়। যেমন: ‘ইদতারা’ (إِضْتَرَّ) থেকে হয়ে যায় ‘ইদত্বাররা’ (اضْطَرَّ); ‘ইসতাবারা’ (إِصْتَبَرَ) থেকে ‘ইস্তাবার’ (اصْطَبَرَ)
    • ইফতি’আল বাবের ‘তা’ কে ‘দাল’ দ্বারা পরিবর্তন: ফা’ কালিমায় د، ذ، ز আসলে বাবের ‘তা’ হরফটি ‘দাল’ (د)-এ পরিণত হয়। যেমন: ‘ইযদাহারা’ (إِزْتَهَرَ) থেকে হয়ে যায় ‘ইযদাহারা’ (ازْدَهَرَ)
    • ওয়াও ও ইয়া-কে হামযায় পরিবর্তন: আলিফে যায়েদার পর ওয়াও বা ইয়া আসলে তা হামযায় রূপান্তরিত হয়। যেমন: ‘ক্বা-ওয়িলুন’ থেকে ‘ক্বা-ইলুন’ (قَائِلٌ), ‘বা-য়ি’উন’ থেকে ‘বা-ই’উন’ (بَائِعٌ)

٣- ترجم النص الآتى إلى العربية الفصحى:

[৩. নিম্নোক্ত অনুচ্ছেদটির বিশুদ্ধ আরবিতে অনুবাদ কর:]

বাংলা অনুচ্ছেদ:

“বাংলাদেশ একটি স্বাধীন মুসলিম দেশ। বাংলাদেশ আমাদের জন্মভূমি। এ দেশকে আমরা অনেক ভালোবাসি। এ দেশের জনগণের মাতৃভাষা বাংলা। ১৯৫২ সালে বাংলা ভাষার জন্য অনেকে জীবন দান করেছেন। একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এটা বাংলা ভাষার জন্য বিরাট গৌরব।”

বিশুদ্ধ আরবি অনুবাদ (الترجمة إلى العربية الفصحى):

بَنْغَلَادِيشُ دَوْلَةٌ إِسْلَامِيَّةٌ مُسْتَقِلَّةٌ. بَنْغَلَادِيشُ هِيَ مَسْقَطُ رَأْسِنَا وَوَطَنُنَا الْحَبِيبُ. نَحْنُ نُحِبُّ هَذَا الْبَلَدَ حُبًّا جَمًّا. وَاللُّغَةُ الْأُمُّ لِشَعْبِ هَذَا الْبَلَدِ هِيَ اللُّغَةُ الْبَنْغَالِيَّةُ. وَقَدْ ضَحَّى كَثِيرٌ مِنَ النَّاسِ بِأَرْوَاحِهِمْ مِنْ أَجْلِ اللُّغَةِ الْبَنْغَالِيَّةِ فِي عَامِ ١٩٥٢م. وَيَوْمُ الْحَادِي وَالْعِشْرِينَ مِنْ فِبْرَايِرَ هُوَ الْيَوْمُ الدَّوْلِيُّ لِلُّغَةِ الْأُمِّ، وَهَذَا مَفْخَرَةٌ عَظِيمَةٌ وَشَرَفٌ كَبِيرٌ لِلُّغَةِ الْبَنْغَالِيَّةِ.


٤- اكتب رسالة إلى أبيك تخبره عن نجاحك في الامتحان-

[৪. পরীক্ষায় তোমার সাফল্যের খবর জানিয়ে পিতার নিকট একটি পত্র লেখ:]

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيمِ

التاريخ: ٢٠ أكتوبر ٢٠٢০م
المكان: دكا، بنغلاديش

والدي العزيز المحترم،
السلام عليكم ورحمة الله وبركاته، أما بعد:

أرجو أن تكونوا بأتم الصحة والعافية مع سائر أفراد الأسرة الكريمة بفضل الله تعالى. وأنا هنا بخير والحمد لله.

يطيب لي ويسعدني جدا أن أزف إليكم بشرى سارة، وهي أن نتائج امتحانات السنة الثانية للفاضل (الشرف) قد أعلنت بالأمس، وبفضل الله تعالى ثم بدعواتكم الصالحة قد نجحت في الامتحان بدرجة الامتياز وحصلت على المركز الأول في الكلية. إن هذا النجاح ثمرة جهودكم المباركة وتربيتكم الفاضلة لي.

أرجو منكم دوام الدعاء لي بالتوفيق والنجاح في المراحل القادمة لخدمة الإسلام والوطن. أبلغوا سلامي الحار إلى والدتي الحبيبة وأشواقي إلى إخوتي الصغار.

والسلام عليكم ورحمة الله وبركاته

ابنكم المخلص:
[اسم الطالب]


٥- اكتب مقالة عربية حول: حب الوطن (স্বদেশপ্রেম)

[৫. ‘হুব্বুল ওয়াতান’ বা স্বদেশপ্রেম বিষয়ে একটি উচ্চমানসম্পন্ন আরবি প্রবন্ধ:]

حُبُّ الْوَطَنِ مِنَ الْإِيمَانِ

المقدمة: الوطن هو المهد الذي ولد فيه الإنسان، ونشأ على أرضه، واستنشق هواءه، وارتوى من مائه، وعاش بين أهله وأحبائه. لذلك فإن حب الوطن عاطفة فطرية نبيلة متجذرة في أعماق النفس البشرية، وقد حث الإسلام الحنيف على حب الوطن والوفاء له والتضحية في سبيله.

مكانة حب الوطن في الإسلام: لم يتجاهل الإسلام المشاعر الإنسانية النبيلة، بل صبغها بصبغة الإيمان والتقوى. وقد ضرب لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أروع الأمثلة في حب موطنه مكة المكرمة؛ فعندما أخرجه المشركون منها وقف يخاطبها بحزن عميق قائلا: “والله إنك لخير أرض الله، وأحب أرض الله إلى الله، ولولا أني أخرجت منك ما خرجت” (رواه الترمذي). وهذا دليل قاطع على أن التعلق بالأوطان والحنين إليها سنة نبوية شريفة.

واجبات المواطن نحو وطنه: إن حب الوطن لا يقتصر على مجرد المشاعر والشعارات العاطفية الجوفاء، بل يتطلب عملا جادا وواجبا مقدسا، ومن أهم هذه الواجبات:

  • الدفاع عن حياضه: حماية حدود الوطن وسيادته من أي عدوان خارجي بكل غال ونفيس، وبذل الأرواح لحفظ أمنه واستقراره.
  • المساهمة في بنائه وازدهاره: العمل بإخلاص وأمانة في كل المجالات التعليمية والاقتصادية والصناعية، ونبذ الفساد والكسل.
  • نشر السلام والعدل: التزام القوانين والحفاظ على الممتلكات العامة وترسيخ روح الأخوة والتسامح بين جميع أبناء الوطن بمختلف أطيافهم.

الخاتمة: إن حب الوطن دين وإيمان وعطاء مستمر. وواجب علينا نحن الطلاب والشباب أن نكون جنودا مخلصين لبناء وطننا العزيز بنغلاديش ورفع رايته شامخة خفاقة بين الأمم والشعوب.


সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. কালিমার প্রধান প্রকারভেদ কী কী?

আরবি ব্যাকরণে কালিমা প্রধানত তিন প্রকার: ইসম (বিশেষ্য/নামপদ), ফিল (ক্রিয়া/যাতে কাল সম্পৃক্ত থাকে) এবং হরফ (অব্যয়/যা অন্য পদের সাহায্য ছাড়া অর্থ প্রকাশ করতে পারে না)।

২. জুমলায়ে ইসমিয়্যাহ এবং জুমলায়ে ফিলিয়্যাহর মধ্যে পার্থক্য কী?

যে বাক্য ইসম (নামপদ) দিয়ে শুরু হয় তাকে জুমলায়ে ইসমিয়্যাহ বলে (এর মূল অংশ মুবতাদা ও খবর); আর যে বাক্য ফিল (ক্রিয়াপদ) দিয়ে শুরু হয় তাকে জুমলায়ে ফিলিয়্যাহ বলে (এর মূল অংশ ফিল ও ফায়েল)।

৩. আসমায়ে মারফু’আত কয়টি ও কী কী?

মারফু’আত হলো ৮টি: ফায়েল, নায়েবে ফায়েল, মুবতাদা, খবর, কানা ও সমজাতীয় ক্রিয়ার ইসম, ইন্না ও সমজাতীয় হরফের খবর, মা ও লা-এর ইসম এবং লা নাফি জেনসের খবর।

৪. ইলমুস সারফের মূল উদ্দেশ্য কী?

মূল ধাতু থেকে সুনির্দিষ্ট ওজনে বিভিন্ন সীগাহ তৈরি করা, আরবি শব্দের গঠনগত রূপান্তর আয়ত্ত করা এবং উচ্চারণগত ভুল থেকে মুখ ও জিহ্বাকে রক্ষা করাই ইলমুস সারফের উদ্দেশ্য।

৫. ‘ই’লাল’ ও ‘ইবদাল’-এর মধ্যে পার্থক্য কী?

‘ই’লাল’ কেবল হরফে ইল্লতকে (আলিফ, ওয়াও, ইয়া) পরিবর্তন, বাদ বা সাকিন করাকে বোঝায়; আর ‘ইবদাল’ হলো যেকোনো হরফের (সহীহ বা ইল্লত) পরিবর্তে অন্য হরফ প্রতিস্থাপন করা।

৬. ‘হাল’ এবং ‘যুল হাল’-এর ইরাবি হুকুম কী?

হাল সর্বদা নসবযুক্ত (মানসূব) ও অনির্দিষ্ট (নাকেরা) হয়; আর যুল হাল সর্বদা নির্দিষ্ট (মারেফা) হয় এবং বাক্যের অবস্থান অনুযায়ী মারফু, মানসূব বা মাজরুর হতে পারে।

টেলিটক ছবি ও স্বাক্ষর রিসাইজার (৩০০×৩০০ ও ৩০০×৮০)
সরকারি চাকরি ও ভর্তির অনলাইন আবেদনের জন্য ছবি ও সইয়ের মাপ ঠিক রাখুন ১০০% নির্ভুলভাবে।
ছবি ও সই রিসাইজ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *