জরুরি নোটিশ 🔔 নতুন: ২০২৬ সালের সকল শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ও গাইড বই প্রকাশিত হয়েছে!

কাওয়াইদুল লুগাতিল আরাবিয়্যাহ (Qawaidul Lughatil Arabiyyah) – 201203, আল-কুরআন এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ – ফাজিল অনার্স ২য় বর্ষ পরীক্ষা 2022

Abswer.com Abswer.com
21 September, 2026
৫৪ মিনিট পড়ার সময়
১১ বার পঠিত

সরাসরি Telegram-এ সকল বই ও সাজেশন পান!

আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে সবার আগে নতুন বই ও রুটিন ডাউনলোড করুন।

টেলিগ্রামে যুক্ত হোন 🚀

ফাজিল (স্নাতক) সম্মান ২য় বর্ষ পরীক্ষা 2022
বিভাগ: আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ
বিষয়: কাওয়াইদুল লুগাতিল আরাবিয়্যাহ (قواعد اللغة العربية)
বিষয় কোড: 201203 | পূর্ণমান: ৮০ | সময়: ৪ ঘণ্টা
[দ্রষ্টব্য: ডান পাশে উল্লেখিত সংখ্যা প্রশ্নের পূর্ণমান জ্ঞাপক।]


الجزء الأول: علم النحو (ইলমুন নাহু অংশ)

١- (أ) عرف الاسم ثم بين علاماته مع ذكر أقسامه من حيث التذكير والتأنيث والتعريف والتنكير مفصلا وممثلا-

[১. (ক) ইসমে-এর সংজ্ঞা দাও। অতঃপর এর নিদর্শনাবলি এবং পুংলিঙ্গ-স্ত্রীলিঙ্গ ও নির্দিষ্টতা-অনির্দিষ্টতার ভিত্তিতে এর প্রকারভেদ উদাহরণসহ বিস্তারিত বর্ণনা কর।]

ক. ইসমে (الاسم)-এর পরিচয়:

আভিধানিক অর্থ: নাম, চিহ্ন, উচ্চতা বা সংকেত।
পারিভাষিক সংজ্ঞা: যে শব্দ কোনো ব্যক্তি, বস্তু, স্থান, কাল বা গুণের নাম প্রকাশ করে এবং যার অর্থ প্রকাশের ক্ষেত্রে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ—এই তিন কালের কোনো একটির মুখাপেক্ষী হতে হয় না, তাকে ইসম (বিশেষ্য) বলে। যেমন: মুহাম্মাদুন (مُحَمَّدٌ), কিতাবুন (كِتَابٌ), মাক্কাতু (مَكَّةُ)।

খ. ইসমে-এর প্রধান প্রধান আলামত বা নিদর্শনাবলি (علامات الاسم):

ইমাম ইবনে মালিক (রহ.) তাঁর আলফিয়্যাহ গ্রন্থে উল্লেখ করেন: “বিলজাররি ওয়াত তানওয়ীনি ওয়ান নিদা ওয়া আল… লিল ইসমী তাময়ীযুন হাসাল”। অর্থাৎ ইসমে-এর প্রধান আলামতগুলো নিম্নরূপ:

  1. হরফে জার গ্রহণ করা: শব্দের পূর্বে হরফে জার প্রবেশ করা। যেমন: ‘ফিল মাসজিদি’ (فِي الْمَسْجِدِ)।
  2. তানভীন গ্রহণ করা: শব্দের শেষে দুই যবর, দুই যের বা দুই পেশ গ্রহণ করা। যেমন: ‘কিতাবুন’ (كِتَابٌ)।
  3. আলিফ-লাম (الـ) যুক্ত হওয়া: শব্দের শুরুতে আলিফ-লাম আসা। যেমন: ‘আল-ক্বলম’ (الْقَلَمُ)।
  4. নিদার হরফ গ্রহণ করা: আহ্বানের হরফ পূর্বে আসা। যেমন: ‘ইয়া রব্বি’ (يَا رَبِّ)।
  5. মুসনাদ ইলাইহ হওয়া: বাক্যে কর্তা (ফাঈল) বা উদ্দেশ্য (মুবতাদা) হওয়া।

গ. লিঙ্গভেদে ইসমে-এর প্রকারভেদ (من حيث التذكير والتأنيث):

  1. মুযাক্কার (المذكر – পুংলিঙ্গ): যে শব্দ পুরুষবাচক সত্তাকে নির্দেশ করে এবং যাতে স্ত্রীলিঙ্গের কোনো আলামত নেই। যেমন: ‘রাজুলুন’ (رَجُلٌ – পুরুষ)।
  2. মুয়ান্নাস (المؤنث – স্ত্রীলিঙ্গ): যে শব্দ নারীবাচক সত্তাকে নির্দেশ করে অথবা যার মধ্যে স্ত্রীলিঙ্গের আলামত (গোল তা ‘ة’, আলিফে মাকসূরা ‘ى’, আলিফে মামদূদা ‘اء’) বিদ্যমান থাকে। যেমন: ‘ইমরাআতুন’ (امْرَأَةٌ), ‘হুবলা’ (حُبْلَى), ‘হামরা-উ’ (حَمْرَاءُ)। অথবা ব্যবহারের দিক থেকে স্ত্রীলিঙ্গ (মুয়ান্নাসে সামাঈ—যেমন ‘শামস’, ‘নার’, ‘আরদ্ব’)।

ঘ. নির্দিষ্টতা ও অনির্দিষ্টতার ভিত্তিতে ইসমে-এর প্রকারভেদ (من حيث التعريف والتنكير):

  1. মা’রিফাহ (المعرفة – নির্দিষ্ট বিশেষ্য): যে শব্দ কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে। এটি ৭ প্রকার:
    • দমীর (الضمير – সর্বনাম): যেমন—হুওয়া (هُوَ), আনতা (أَنْتَ)।
    • আলম (العلم – নামবাচক বিশেষ্য): যেমন—যায়েদ (زَيْدٌ), মক্কা (مَكَّةُ)।
    • ইসমে ইশারা (اسم الإشارة): যেমন—হাযা (هَٰذَا), যালিকা (ذَٰلِكَ)।
    • ইসমে মাওসূল (اسم الموصول): যেমন—আল্লাযী (الَّذِي)।
    • মু’আররাফ বিল লাম (المعرف بـ أل): যেমন—আল-কিতাবু (الْكِتَابُ)।
    • মা’রিফার দিকে মুদাফ (المضاف إلى المعرفة): যেমন—কিতাবু যায়দিন (كِتَابُ زَيْدٍ)।
    • নির্দিষ্ট মুনাদা (المنادى المعين): যেমন—ইয়া রাজুলু (يَا رَجُلُ)।
  2. নাকিরাহ (النكرة – অনির্দিষ্ট বিশেষ্য): যে শব্দ অনির্দিষ্টভাবে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সমগ্র জাতিকে বোঝায়। যেমন: ‘কিতাবুন’ (যেকোনো বই)।

١- (ب) عرف الجمع ثم بين إعراب جمع التكسير وجمع المذكر السالم وجمع المؤنث السالم موضحًا-

[১. (খ) জমার পরিচয় দাও। অতঃপর জাম’ তাকসীর, জাম’ মুযাক্কার সালিম এবং জাম’ মুয়ান্নাস সালিম-এর ই’রাব উদাহরণসহ আলোচনা কর।]

ক. জমা (الجمع)-এর পরিচয়:

আরবি ব্যাকরণে যে শব্দ দুইয়ের অধিক ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে, তাকে জমা (বহুবচন) বলা হয়। যেমন: ‘রিজালুন’ (পুরুষগণ), ‘মুসলিমূন’ (মুসলিমগণ)।

খ. জাম’ তাকসীর ও সালিমের ই’রাব বিশ্লেষণ:

  1. জাম’ আত-তাকসীর (جمع التكسير – ভগ্ন বহুবচন):
    • সংজ্ঞা: যে বহুবচনে তার একবচন রূপের গঠন ভেঙে বা পরিবর্তিত হয়ে যায়। যেমন: ‘রাজুলুন’ থেকে ‘রিজালুন’, ‘কিতাবুন’ থেকে ‘কুতুবুন’।
    • ই’রাব: এটি মুফরাদ বা একবচনের মতোই মূল হরকতের দ্বারা ই’রাব গ্রহণ করে—
      • রফর হালতে পেশ: جَاءَ الرِّجَالُ (পুরুষরা এসেছে)।
      • নসবের হালতে যবর: رَأَيْتُ الرِّجَالَ (আমি পুরুষদের দেখেছি)।
      • জরের হালতে যের: مَرَرْتُ بِالرِّجَالِ (আমি পুরুষদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করেছি)।
  2. জাম’ আল-মুযাক্কার আস-সালিম (جمع المذكر السالم):
    • সংজ্ঞা: যে বহুবচনে একবচনের রূপ অক্ষুণ্ণ রেখে শেষে ‘ওয়াও-নূন’ (উনা) বা ‘ইয়া-নূন’ (ঈনা) যুক্ত করা হয়। যেমন: ‘মুসলিম’ থেকে ‘মুসলিমূন’।
    • ই’রাব: এটি হরফের সাহায্যে ই’রাব গ্রহণ করে—
      • রফর হালতে ‘ওয়াও’ (و): جَاءَ الْمُسْلِمُونَ (মুসলিমরা এসেছে)।
      • নসবের হালতে ‘ইয়া’ (ي): رَأَيْتُ الْمُسْلِمِينَ (আমি মুসলিমদের দেখেছি)।
      • জরের হালতে ‘ইয়া’ (ي): مَرَرْتُ بِالْمُسْلِمِينَ (আমি মুসলিমদের পাশ দিয়ে গেলাম)।
  3. জাম’ আল-মুয়ান্নাস আস-সালিম (جمع المؤنث السالم):
    • সংজ্ঞা: একবচন রূপের শেষে আলিফ ও লম্বা তা (ات) যুক্ত করে গঠিত বহুবচন। যেমন: ‘মুসলিমাহ’ থেকে ‘মুসলিমা-ত’।
    • ই’রাব:
      • রফর হালতে পেশ: جَاءَتِ الْمُسْلِمَاتُ (মুসলিম নারীরা এসেছে)।
      • নসবের হালতে যের (যবরের পরিবর্তে): رَأَيْتُ الْمُسْلِمَاتِ (আমি মুসলিম নারীদের দেখেছি)।
      • জরের হালতে যের: مَرَرْتُ بِالْمُسْلِمَاتِ (আমি মুসলিম নারীদের পাশ দিয়ে গেলাম)।

١- (ج) عرف الاسم المعرب ثم اذكر أقسامه مفصلا وممثلا-

[১. (গ) ইসমে মু’রাব-এর সংজ্ঞা দাও এবং এর প্রকারভেদ উদাহরণসহ বিস্তারিত উল্লেখ কর।]

ক. ইসমে মু’রাব (الاسم المعرب)-এর পরিচয়:

যে বিশেষ্যের শেষাক্ষরের অবস্থা (হরকত বা হরফ) বিভিন্ন আমিলের (عامل) প্রবেশের কারণে পরিবর্তিত হয়, তাকে ইসমে মু’রাব বা পরিবর্তনশীল বিশেষ্য বলে। যেমন: ‘জা-আ যায়দুন’ (جَاءَ زَيْدٌ), ‘রাআইতু যায়দান’ (رَأَيْتُ زَيْدًا), ‘মারারতু বিযাইদিন’ (مَرَرْتُ بِزَيْدٍ)।

খ. প্রকারভেদ (১৬ প্রকার মু’রাবের প্রধান প্রধান রূপসমূহ):

  1. মুফরাদ মুনসারিফ সহীহ: সাধারণ একবচন শব্দ যা তানভীন গ্রহণ করে। যেমন: ‘যায়েদুন’।
  2. ক্বায়িম মাক্বামে সহীহ: যার শেষে ওয়াও বা ইয়া থাকে এবং তার পূর্বাক্ষর সাকিন হয়। যেমন: ‘দালবুন’ (বালতি), ‘যাবয়ুন’ (হরিণ)।
  3. জাম’ তাকসীর মুনসারিফ: সাধারণ ভগ্ন বহুবচন। যেমন: ‘রিজালুন’।
  4. গায়রে মুনসারিফ: যে শব্দ তানভীন ও যের গ্রহণ করে না; জরের হালতে যবর হয়। যেমন: ‘আহমাদু’, ‘মাসাজিদু’।
  5. আসমায়ে সিত্তা মুকাব্বারা: (আবুন, আখুন, হামুন, ফামুন, হানুন, যূ)—রফর হালতে ওয়াও, নসবে আলিফ, জরে ইয়া। যেমন: ‘জা-আ আবূকা’, ‘রাআইতু আবা-কা’, ‘মারারতু বিআবীকা’।
  6. মুসান্না বা দ্বিবচন: রফর হালতে আলিফ, নসব ও জরে ইয়া। যেমন: ‘আল-ক্বালামা-নি’, ‘আল-ক্বালামাইনি’।
  7. জাম’ মুযাক্কার সালিম: রফতে ওয়াও, নসব ও জরে ইয়া (যেমন: ‘মুসলিমূন’, ‘মুসলিমীন’)।
  8. ইসমে মাকসূর: যার শেষে আলিফে মাকসূরা থাকে এবং তিন হালতেই তাক্বদীরী বা উহ্য ই’রাব হয়। যেমন: ‘মূসা’ (مُوسَى)।
  9. ইসমে মানকূস: যার শেষে ইয়া থাকে। রফ ও জরে তাক্বদীরী এবং নসবে সুস্পষ্ট যবর হয়। যেমন: ‘আল-ক্বাদী’ (الْقَاضِي)।

١- (د) ما الجملة؟ وما أقسامها؟ بين موضحًا بالأمثلة-

[১. (ঘ) আল-জুমলাহ কাকে বলে? এর প্রকারভেদ উদাহরণসহ বিস্তারিত বর্ণনা কর।]

ক. জুমলাহ (الجملة)-এর পরিচয়:

দুই বা ততোধিক শব্দ সুসংগঠিতভাবে মিলিত হয়ে যখন একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থবোধক ভাব বা বক্তব্য প্রকাশ করে এবং শ্রোতা একটি সুস্পষ্ট বার্তা লাভ করে, তখন তাকে জুমলাহ বা কালাম (পূর্ণ বাক্য) বলে। যেমন: ‘আল-ইলমু নাফি’উন’ (العِلْمُ نَافِعٌ – জ্ঞান উপকারী)।

খ. জুমলার প্রধান প্রকারভেদ:

  1. জুমলায়ে ইসমিয়্যাহ (الجملة الاسمية – বিশেষ্যবাচক বাক্য):
    • সংজ্ঞা: যে বাক্যের সূচনা কোনো ইসম (বিশেষ্য) দিয়ে হয়। এর দুটি প্রধান অংশ থাকে: মুবতাদা (مبتدأ – উদ্দেশ্য) এবং খবর (خبر – বিধেয়)।
    • উদাহরণ: اللَّهُ رَبُّنَا (আল্লাহ আমাদের প্রতিপালক)। এখানে ‘আল্লাহ’ হলো মুবতাদা এবং ‘রব্বুনা’ হলো খবর।
  2. জুমলায়ে ফে’লিয়্যাহ (الجملة الفعلية – ক্রিয়াবাচক বাক্য):
    • সংজ্ঞা: যে বাক্যের সূচনা কোনো ফে’ল (ক্রিয়াপদ) দিয়ে হয়। এর প্রধান অংশ হলো ফে’ল (ক্রিয়া) ও ফাঈল (কর্তা), এবং কখনো মাফ’উল (কর্ম)।
    • উদাহরণ: نَصَرَ زَيْدٌ عَمْرًا (যায়েদ আমরকে সাহায্য করেছে)। এখানে ‘নাসারা’ হলো ফে’ল, ‘যায়েদ’ হলো ফাঈল এবং ‘আমর’ হলো মাফ’উল।
  3. জুমলায়ে যারফিয়্যাহ / শিবহু জুমলাহ (شبه الجملة): যার সূচনা যার-মাজরুর বা যারফ দ্বারা হয়। যেমন: ‘ফিল বাইতি রাজুলুন’ (ঘরে একজন লোক আছে)।

١- (هـ) ما التوابع؟ وكم قسما لها؟ اذكر أقسام البدل ممثلا-

[১. (ঙ) তাওয়াবি’ কাকে বলে? এটি কয় প্রকার? বাদাল-এর প্রকারভেদ উদাহরণসহ উল্লেখ কর।]

ক. তাওয়াবি’ (التوابع)-এর পরিচয়:

যে দ্বিতীয় পদটি তার পূর্ববর্তী পদের (মাতবূ’) ই’রাব (রফা, নসব, জর) হুবহু অনুসরণ করে, তাকে তাবে’ বা তাওয়াবি’ বলে। তাওয়াবি’ মোট ৫ প্রকার: ১. নাত বা সিফাত (النعت), ২. আতফ বিল হরফ (العطف), ৩. তাকীদ (التأكيد), ৪. বাদাল (البدل), এবং ৫. আতফে বায়ান (عطف البيان)।

খ. বাদাল (البدل)-এর পরিচয় ও প্রকারভেদ:

সংজ্ঞা: যে তাবে’ কোনো মাধ্যম ছাড়া মূলত উদ্দিষ্ট হয় এবং পূর্ববর্তী পদটি (মুবদাল মিনহু) কেবল তার ভূমিকা হিসেবে আসে, তাকে বাদাল বলে। যেমন: ‘জা-আ আল-উসতাযু খালিদুন’ (শিক্ষক খালেদ এসেছেন)। বাদাল প্রধানত ৪ প্রকার:

  1. বাদালুল কুল মিনাল কুল / বাদালে মুত্বাবিক্ব (بدل الكل من الكل): যখন বাদাল ও মুবদাল মিনহু একই সত্তা হয়। যেমন: اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ ۞ صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ। এখানে দ্বিতীয় সিরাত প্রথম সিরাতের বাদালে কুল।
  2. বাদালুল বা’দ মিনাল কুল (بدل البعض من الكل): যখন বাদাল মুবদাল মিনহুর একটি অংশ হয়। যেমন: ‘আকালতুর রাগীফা সুলুসাহু’ (আমি রুটির এক-তৃতীয়াংশ খেয়েছি)।
  3. বাদালুল ইশতিমাল (بدل الاشتمال): যখন বাদাল মুবদাল মিনহুর কোনো অন্তর্নিহিত গুণ বা বৈশিষ্ট্য হয়। যেমন: ‘নাফা’আনী যায়দুন ইলমুহু’ (যায়েদের জ্ঞান আমাকে উপকৃত করেছে)।
  4. বাদালুল গালাত বা মুবাঈন (بدل الغلط / المباين): মুখ ফসকে ভুলে এক শব্দ উচ্চারণ করে তা সংশোধন করে অন্য শব্দ বলা। যেমন: ‘রাআইতু ফারাসান হিমারান’ (আমি ঘোড়া—না গাধা দেখেছি)।

١- (و) ما الأسماء المرفوعات؟ بين كل قسم مفصلا وممثلا-

[১. (চ) আসমায়ে মারফূ’আত কাকে বলে? প্রতিটি প্রকার উদাহরণসহ বিস্তারিত বর্ণনা কর।]

মারফূ’আত (المرفوعات): যে সমস্ত বিশেষ্য স্বাভাবিক অবস্থায় ‘রফা’ বা পেশযুক্ত হয়, তাদেরকে মারফূ’আত বলা হয়। আরবি ব্যাকরণে প্রধান মারফূ’আত ৮ প্রকার:

  1. ফাঈল (الفاعل – কর্তা): যার দ্বারা ক্রিয়া সম্পন্ন হয়। যেমন: قَامَ زَيْدٌ (যায়েদ দাঁড়িয়েছে)।
  2. নায়েবে ফাঈল (نائب الفاعل – কর্মবাচ্যের কর্তা): ফে’লে মাজহুলের পর ফাঈলের স্থলাভিষিক্ত মাফ’উল। যেমন: ضُرِبَ عَمْرٌو (আমর প্রহৃত হয়েছে)।
  3. মুবতাদা (المبتدأ – উদ্দেশ্য): জুমলায়ে ইসমিয়্যার সূচনাকারী বিশেষ্য। যেমন: اللَّهُ رَحِيمٌ।
  4. খবর (الخبر – বিধেয়): মুবতাদা সম্পর্কে যা বলা হয়। যেমন ওপরের বাক্যে: ‘রহীমুন’।
  5. কানা ও তার সমগোত্রীয় ক্রিয়ার ইসম (اسم كان وأخواتها): যেমন: كَانَ اللَّهُ عَلِيمًا।
  6. ইন্না ও তার সমগোত্রীয় হরফের খবর (خبر إنّ وأخواتها): যেমন: إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ।
  7. লাইসা সদৃশ ‘মা’ ও ‘লা’-এর ইসম (اسم ما ولا المشبهتين بليس): যেমন: مَا هَٰذَا بَشَرًا।
  8. লা-নাফিয়ে জিনস-এর খবর (خبر لا لنفي الجنس): যেমন: لَا رَجُلَ قَائِمٌ।

الجزء الثاني: علم الصرف (ইলমুস সরফ অংশ)

٢- (أ) تحدث عن مبادئ علم الصرف مركزا على النقاط التالية: تعريف علم الصرف لغة واصطلاحًا، واضع علم الصرف، ثمرة علم الصرف، المراد بالميزان الصرفي-

[২. (ক) ইলমুস সরফের মৌলিক নীতিমালা আলোচনা কর: সংজ্ঞা, প্রবর্তক, ফলাফল ও মীযানে সরফী।]

  1. ইলমুস সরফের সংজ্ঞা:
    • আভিধানিক অর্থ: পরিবর্তন করা, রূপান্তর করা বা ফেরানো। যেমন কুরআনে এসেছে: ‘তাসরীফুর রিয়াহ’ (বাতাসের গতি পরিবর্তন)।
    • পারিভাষিক সংজ্ঞা: যে শাস্ত্রের মাধ্যমে একক মূল শব্দ (মাদ্দাহ বা ধাতু) থেকে বিভিন্ন অর্থ প্রকাশের জন্য রূপান্তর করার নিয়ম এবং অক্ষরের পরিবর্তন, বৃদ্ধি বা হ্রাস জানা যায়, তাকে ইলমুস সরফ বা শব্দরূপতত্ত্ব বলে।
  2. ইলমুস সরফের প্রবর্তক (واضع علم الصرف): অধিকাংশ ভাষাবিদের মতে ইলমুস সরফের মূল রূপকার হলেন প্রখ্যাত তাবেয়ী মু’আয বিন মুসলিম আল-হাররা (রহ.) (مُعَاذُ بْنُ مُسْلِمٍ الْهَرَّاء)। কারো কারো মতে হযরত আলী (রা.) ও আবু আসওয়াদ দুয়ালী (রহ.) এ শাস্ত্রের প্রাথমিক ভিত্তি স্থাপন করেন।
  3. ইলমুস সরফ পাঠের ফলাফল ও উপকারিতা (ثمرة علم الصرف):
    • আরবি শব্দের উচ্চারণ ও রূপান্তরে মুখ বা জিহ্বার ভুলভ্রান্তি থেকে নিজেকে রক্ষা করা।
    • একটিমাত্র মূল ধাতু থেকে শত শত অর্থবোধক শব্দ (মাযী, মুদ্বরী, ফাঈল, মাফ’উল ইত্যাদি) গঠনের দক্ষতা অর্জন করা।
    • পবিত্র কুরআন ও হাদীসের জটিল শব্দের সঠিক মূল ধাতু ও ব্যুৎপত্তি নির্ণয় করা।
  4. মীযানে সরফী (الميزان الصرفي – রূপতাত্ত্বিক মানদণ্ড): আরবি ভাষাবিদগণ শব্দের অক্ষর ওজন করার জন্য তিনটি মৌলিক হরফ নির্ধারণ করেছেন: ফা (ف), আইন (ع), এবং লাম (ل)। একে ‘ফা-আ-লা’ (فعل) বা মীযানে সরফী বলা হয়। অতিরিক্ত হরফগুলোকে হুবহু ওজনের স্থানে বসিয়ে শব্দের পরিমাপ করা হয়। যেমন: ‘না-সা-রা’ হলো ‘ফা-‘আ-লা’, ‘ইজতানাবা’ হলো ‘ইফতা’আলা’।

٢- (ب) عرف الفعل ثم بين أقسامه من حيث التجرد والزيادة والجمود والاشتقاق-

[২. (খ) ফে’ল-এর সংজ্ঞা দাও। অতঃপর মুজাররাদ-মাযীদ ফীহ এবং জামিদ-মুশতাক্ব-এর ভিত্তিতে এর প্রকারভেদ বর্ণনা কর।]

ক. ফে’ল (الفعل)-এর সংজ্ঞা:

যে শব্দ স্বয়ং নিজের অর্থ সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে এবং তিন কালের (অতীত, বর্তমান বা ভবিষ্যৎ) কোনো একটি কালের সাথে অপরিহার্যভাবে যুক্ত থাকে, তাকে ফে’ল (ক্রিয়াপদ) বলে। যেমন: ‘কাতাবা’ (সে লিখেছে), ‘ইয়াকতুবু’ (সে লিখছে বা লিখবে)।

খ. তাজ্বাররুদ ও যিয়াদাহ (মৌলিক ও অতিরিক্ত অক্ষর)-এর ভিত্তিতে প্রকারভেদ:

  1. মুজাররাদ (المجرد – মৌলিক ক্রিয়া): যার মূল ধাতুর সকল অক্ষরই মৌলিক এবং কোনো অতিরিক্ত হরফ থাকে না। এটি দুই প্রকার:
    • সুলাসী মুজাররাদ (ثلاثي مجرد): মূল ধাতু ৩ অক্ষরের। যেমন: ‘ফা-তা-হা’ (فَتَحَ)। এর ৬টি প্রসিদ্ধ বাব রয়েছে।
    • রুবাঈ মুজাররাদ (رباعي مجرد): মূল ধাতু ৪ অক্ষরের। যেমন: ‘দাহরাজা’ (دَحْرَجَ)।
  2. মাযীদ ফীহ (المزيد فيه – বর্ধিত ক্রিয়া): মূল অক্ষরের অতিরিক্ত এক বা একাধিক হরফ যুক্ত হওয়া ক্রিয়া।
    • সুলাসী মাযীদ ফীহ: ৩ অক্ষরের সাথে অতিরিক্ত হরফ যুক্ত হয়ে গঠিত বাবসমূহ (যেমন ইফ’আল, তাফঈল, মুফা’আলাহ, ইফতি’আল, ইসতিফ’আল ইত্যাদি)। যেমন: ‘আকরামা’ (أَكْرَمَ), ‘ইস্তাগফারা’ (اسْتَغْفَرَ)।
    • রুবাঈ মাযীদ ফীহ: ৪ অক্ষরের সাথে অতিরিক্ত হরফ যুক্ত হওয়া। যেমন: ‘তাদাহরাজা’ (تَدَحْرَجَ)।

গ. জুমূদ ও ইশতিক্বাক্ব (অপরিবর্তনীয়তা ও রূপান্তরশীলতা)-এর ভিত্তিতে প্রকারভেদ:

  1. ফে’লে জামিদ (الفعل الجامد – অপরিবর্তনীয় ক্রিয়া): যে ক্রিয়া কেবল একটিমাত্র সীগাহতেই সীমাবদ্ধ থাকে, অন্য কোনো কালে রূপান্তর করা যায় না। যেমন: ‘লাইসা’ (لَيْسَ – নয়), ‘আসা’ (عَسَى – হতে পারে), ‘নি’মা’ (نِعْمَ – কতই না উত্তম), ‘বি’সা’ (بِئْسَ – কতই না নিকৃষ্ট)।
  2. ফে’লে মুশতাক্ব বা মুতাসাররিফ (الفعل المشتق / المتصرف): যে ক্রিয়ার অতীত থেকে বর্তমান, ভবিষ্যৎ, আদেশ ও নিষেধের সকল রূপান্তর স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন হয়। যেমন: ‘দারাসা – ইয়াদরুসু – উদরুস’।

٢- (ج) عرف الإعلال ثم اذكر أقسامه مفصلا-

[২. (গ) আল-ই’লাল-এর সংজ্ঞা দাও এবং এর প্রকারসমূহ বিস্তারিত উল্লেখ কর।]

ক. আল-ই’লাল (الإعلال)-এর পরিচয়:

সংজ্ঞা: হরফে ইল্লাতের (ওয়াও, আলিফ ও ইয়া) জটিল উচ্চারণ সহজ ও শ্রুতিমধুর করার জন্য তাদের পরিবর্তন (ক্বলব), বিলুপ্তি (হযফ) অথবা সাকিনকরণের (ইসকান) যে বিশেষ সরফী নিয়মাবলি প্রয়োগ করা হয়, তাকে ই’লাল বলে।

খ. ই’লালের প্রকারভেদ:

  1. ই’লাল বিল ক্বলব (الإعلال بالقلب – হরফ পরিবর্তন): এক হরফে ইল্লাতকে অন্য হরফে পরিবর্তন করা। যেমন: মূল শব্দ ছিল ‘ক্বাওয়ালা’ (قَوَلَ), ওয়াও হরকতযুক্ত এবং পূর্বাক্ষরে যবর থাকায় ওয়াওকে আলিফে রূপান্তর করে ‘ক্বালা’ (قَالَ) করা হয়েছে। একইভাবে ‘বায়া’আ’ থেকে ‘বা-আ’।
  2. ই’লাল বিল ইসকান বা তাতখফীফ (الإعلال بالإسكان): উচ্চারণের গুরুভার দূর করার জন্য হরফে ইল্লাতের হরকতকে পূর্ববর্তী সহীহ সাকিন অক্ষরে স্থানান্তর করে নিজে সাকিন হওয়া। যেমন: মূল ছিল ‘ইয়াক্ববুলু’ (يَقْوُلُ), ওয়াও-এর পেশ ক্বাফে দিয়ে ‘ইয়াক্বূলু’ (يَقُولُ) করা হয়েছে।
  3. ই’লাল বিল হযফ (الإعلال بالحذف – হরফ বিলোপকরণ): দুই সাকিন একত্রিত হওয়ার কারণে (ইলতিক্বা-উস সাকিনাইন) অথবা অতিরিক্ত ওজনের কারণে হরফে ইল্লাতকে পুরোপুরি বিলুপ্ত করা। যেমন: ‘ক্বালা’ থেকে আমরে ‘ক্বুল’ (قُلْ) হয়েছে (মূল ছিল ক্বউওল)। একইভাবে ‘ওয়া’আদা’ থেকে মুদ্বরীতে ‘ইয়া’ইদু’ (يَعِدُ) হয়েছে।

٢- (د) اكتب مواضع استخدام همزة القطع وهمزة الوصل ممثلا-

[২. (ঘ) হামযাতুল ক্বাত্ব’ এবং হামযাতুল ওয়াসল ব্যবহারের স্থানসমূহ উদাহরণসহ লেখ।]

ক. হামযাতুল ক্বাত্ব’ (همزة القطع):

যে হামযাহ বাক্যের শুরুতে বা মাঝে—সর্বাবস্থায় সুস্পষ্টভাবে উচ্চারিত ও লিখিত হয়। এর প্রধান ব্যবহারস্থলসমূহ:

  • মুজাররাদ ও বাবে ইফ’আলের সকল অতীত, আমর ও মাসদার। যেমন: ‘আহসানা’ (أَحْسَنَ), ‘আহসিন’ (أَحْسِنْ), ‘ইহসান’ (إِحْسَان)।
  • মুদ্বরী ক্রিয়ার ওয়াহেদ মুতাকাল্লিমের শুরুতে। যেমন: ‘আকতুবু’ (أَكْتُبُ – আমি লিখছি)।
  • হরফের শুরুতে (আলিফ-লাম ছাড়া)। যেমন: ‘ইন্না’ (إِنَّ), ‘আন’ (أَنْ), ‘ইলা’ (إِلَى)।
  • সাধারণ বিশেষ্যের শুরুতে। যেমন: ‘আহমাদ’ (أَحْمَدُ), ‘উস্তায’ (أُسْتَاذُ)।

খ. হামযাতুল ওয়াসল (همزة الوصل):

যে হামযাহ বাক্যের শুরুতে আসলে উচ্চারিত হয়, কিন্তু পূর্বে অন্য কোনো শব্দের সাথে মিলিয়ে পড়লে উচ্চারণ থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায়। এর স্থানসমূহ:

  • শব্দের শুরুর আলিফ-লাম (الـ)। যেমন: ‘আল-কিতাব’ (الْكِتَابُ); কিন্তু ‘ওয়াল-কিতাব’ পড়লে হামযাহ উচ্চারিত হয় না।
  • সুলাসী মুজাররাদের ফে’লে আমরের হামযাহ। যেমন: ‘ইদরিব’ (اضْرِبْ), ‘উনসুর’ (انْصُرْ)।
  • পাঁচ ও ছয় অক্ষরের বাবসমূহের (ইনফি’আল, ইফতি’আল, ইসতিফ’আল ইত্যাদি) মাযী, আমর ও মাসদার। যেমন: ‘ইনতালাক্বা’ (انْطَلَقَ), ‘ইস্তাগফারা’ (اسْتَغْفَرَ)।
  • আরবি ভাষার নির্দিষ্ট ১০টি বিশেষ্যে: ইসমুন (اسم), ইবনুন (ابن), ইবনাতুন (ابنة), ইমরুউন (امرؤ), ইমরাআতুন (امرأة), ইসনানি (اثنان), ইসনাতানি (اثنتان), আইমুন (أيمن), ইসমুন (است), ইবনামুন (ابنم)।

الجزء الثالث: الترجمة والتعبير والإنشاء

٣- ترجم النص الآتى إلى العربية الفصحى:

[৩. নিচের অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ আরবিতে অনুবাদ কর:]

বাংলা অনুচ্ছেদ:
“মসজিদে আকসা মুসলমানদের প্রথম কেবলা ও ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদ। এটি বর্তমান ফিলিস্তিনে অবস্থিত। মুসলমানরা ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দে হযরত উমর (রা)-এর শাসনামলে ফিলিস্তিন বিজয় করেন। ১০৯৯ খ্রিস্টাব্দে ক্রুসেডাররা ফিলিস্তিন দখল করে নেয়। ১১৮৭ সালে সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ূবী ফিলিস্তিন পুনরুদ্ধার করেন। ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনের ভূমিতে অবৈধ ইসরাঈল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।”

الترجمة إلى العربية الفصحى:

“المسجد الأقصى هو القبلة الأولى للمسلمين وثالث أقدس المساجد في الإسلام. ويقع المسجد في فلسطين الحالية. وقد فتح المسلمون فلسطين عام ٦٣٧م في عهد الخليفة عمر بن الخطاب رضي الله عنه. وفي عام ١٠٩٩م، احتل الصليبيون فلسطين، ثم حررها واستردها السلطان صلاح الدين الأيوبي عام ١١٨٧م. وفي عام ١٩٤٨م، تأسست دولة إسرائيل غير الشرعية على أرض فلسطين.”


٤- اكتب رسالة تهنئة إلى صديق لك قد نجح فى الاختبار- أو اكتب طلبًا إلى مدير المدرسة تطلب منه الإجازة لأداء العمرة-

[৪. পরীক্ষায় উত্তীর্ণ বন্ধুকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি পত্র লেখ; অথবা ওমরাহ পালনের জন্য ছুটি চেয়ে মাদরাসার অধ্যক্ষের নিকট দরখাস্ত লেখ।]

বিকল্প ১: পরীক্ষায় সাফল্যের জন্য বন্ধুকে অভিনন্দন পত্র (رسالة تهنئة):

التاريخ: ٢٠ أكتوبر ٢٠٢٢م
دكا، بنغلاديش

صديقي العزيز/ أحمد المحترم،
السلام عليكم ورحمة الله وبركاته، أما بعد:

فإنه ليسرني ويثلج صدري غاية السرور أن أبعث إليك بأحر التهاني القلبية وأصدق التبريكات الأخوية بمناسبة نجاحك الباهر وتفوقك الممتاز في امتحان الفاضل السنوي لهذا العام وحصولك على الدرجة الأولى.

إن هذا الإنجاز الرائع لم يكن وليد الصدفة، بل هو ثمرة لجهودك المتواصلة وجدك واجتهادك وسهرك الليالي. أسأل الله العلي القدير أن يبارك لك في علمك، وأن يجعله ذخراً لك في الدنيا والآخرة، وأن يوفقك لمزيد من النجاح والتفوق في مسيرتك العلمية والعملية القادمة.

بلغ سلامي الحار إلى والديك الكريمين وإلى جميع أفراد أسرتك النبيلة.

صديقك المخلص:
محمد عبد الله

বিকল্প ২: ওমরাহ পালনের ছুটির আবেদনপত্র (طلب الإجازة لأداء العمرة):

إلى: فضيلة الشيخ/ مدير المدرسة المحترم،
مدرسة دار العلوم الإسلامية، دكا.
الموضوع: طلب إجازة لمدة أسبوعين لأداء مناسك العمرة وزيارة المسجد النبوي الشريف.

السلام عليكم ورحمة الله وبركاته، أما بعد:

فأفيد فضيلتكم بأن الله تبارك وتعالى قد مَنّ عليّ بنعمة التوجه إلى الديار المقدسة لأداء مناسك العمرة الشريفة وزيارة الروضة الشريفة لمسجد النبي صلى الله عليه وسلم، وذلك بمرافقة أسرتي الكريمة. وموعد رحلتنا الميمونة يبدأ من يوم ١ نوفمبر ٢٠٢٢م وحتى ١٥ نوفمبر ٢٠٢২م.

لذا أرجو من فضيلتكم التكرم بالموافقة على منحي إجازة لهذه الفترة المذكورة (١٥ يوماً)، وسأحرص بإذن الله تعالى على تعويض ما يفوتني من الدروس فور عودتي.

جزاكم الله خيراً وأحسن إليكم في الدارين.

مقدم الطلب:
طالبكم المطيع: محمد زين العابدين
قسم: القرآن والدراسات الإسلامية (السنة الثانية)
رقم الجلوس: ٢٠١٢٠৩


٥- اكتب مقالة عربية حول أحد الموضوعات التالية: (اليوم العالمى للغة العربية / واجبات الطلاب / مطالعة الكتب)

[৫. নিচের যেকোনো একটি বিষয় অবলম্বনে আরবিতে একটি প্রবন্ধ রচনা কর:]

(الف) المقالة الأولى: اليوم العالمي للغة العربية (আন্তর্জাতিক আরবি ভাষা দিবস)

المقدمة: تحتفل منظمة الأمم المتحدة (اليونسكو) في الثامن عشر من شهر ديسمبر من كل عام بـ “اليوم العالمي للغة العربية”، وهو اليوم الذي صدر فيه قرار الجمعية العامة للأمم المتحدة عام ١٩٧٣م بإدخال اللغة العربية ضمن اللغات الرسمية ولغات العمل المقررة في المنظمة الدولية.

مكانة اللغة العربية وقدسيتها: إن اللغة العربية ليست مجرد وسيلة للتخاطب البشري فحسب، بل هي لغة مقدسة شرفها الله عز وجل بأن جعلها لغة كلامه المعجز—القرآن الكريم، ولغة خاتم أنبيائه ورسله محمد صلى الله عليه وسلم. وقد قال الله تعالى: ﴿إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ قُرْآنًا عَرَبِيًّا لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ﴾. إنها تمتاز بثراء معجمها، وبلاغة أساليبها، ودقة تراكيبها، وجمال خطوطها الفنية.

أهداف الاحتفال وواجب المسلمين: يهدف هذا اليوم العالمي إلى إبراز الإسهامات المعرفية والعلمية الجليلة التي قدمتها اللغة العربية للحضارة الإنسانية على مر العصور، حيث كانت منارة العلوم والطب والفلسفة في العصور الوسطى. ويجب على أبناء الأمة الإسلامية—خاصة طلاب العلوم الشرعية—العناية الفائقة بتعلمها، والتحدث بها، ونشرها، وترسيخ مكانتها في المؤسسات التعليمية والثقافية في مواجهة تحديات العولمة والتغريب.

(ب) المقالة الثانية: واجبات الطلاب (ছাত্রদের দায়িত্ব ও কর্তব্য)

المقدمة: يعتبر الطلاب بناة المستقبل وأمل الأمة وعماد نهضتها الحضارية. وبصلاحهم واجتهادهم ترتقي المجتمعات وتزدهر الأوطان.

أهم واجبات الطالب:

  • الجد والاجتهاد في تحصيل العلم: يجب على الطالب استثمار وقته بالكامل في القراءة والمطالعة والاستذكار، والحرص على التفوق الدراسي والأخلاقي.
  • التأدب مع الأساتذة والمعلمين: احترام المعلم وتوقيره هو مفتاح فتح أبواب العلم ونيل بركته، كما قال أمير الشعراء: “قم للمعلم وفّهِ التبجيلا ۞ كاد المعلم أن يكون رسولا”.
  • التمسك بالأخلاق والآداب الإسلامية: التحلي بالصدق، والأمانة، والتواضع، والمحافظة على الصلاة في جماعة وبر الوالدين.
  • خدمة المجتمع والوطن: توظيف العلوم والمعارف التي تعلمها في سبيل تنمية وطنه وخدمة دينه والإسهام في بناء مجتمع يسوده العدل والسلام.

(ج) المقالة الثالثة: مطالعة الكتب (গ্রন্থ অধ্যয়ন বা বই পড়ার গুরুত্ব)

المقدمة: القراءة هي غذاء الروح، ونور العقل، ونافذة الإنسان الواسعة التي يطل منها على تجارب الأمم وحضارات الشعوب. وأول أمر إلهي نزل على قلب النبي صلى الله عليه وسلم كان قوله تعالى: ﴿اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ﴾.

فوائد مطالعة الكتب: تسهم المطالعة في توسيع المدارك الفكرية، وتنمية الثروة اللغوية، واكتساب الخبرات والمهارات التي لا يدركها المرء في حياته القصيرة. والكتاب هو الصديق الوفي الذي لا يمل ولا يخون، كما قال المتنبي: “وأعز مكان في الدنى سرج سابح ۞ وخير جليس في الزمان كتاب”.

الخاتمة: لذا ينبغي لكل طالب وباحث أن يجعل له ورداً يومياً من القراءة والمطالعة النافعة، وأن يختار الكتب الهادفة التي تنمي دينه وفكره وخلقه.


সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. কাওয়াইদুল লুগাতিল আরাবিয়্যাহ প্রধানত কয়টি শাখায় বিভক্ত?

আরবি ব্যাকরণ প্রধানত দুটি মূল শাখায় বিভক্ত: ১. ইলমুন নাহু (الجملة ও বাক্যের শেষাক্ষরের ই’রাব সংক্রান্ত) এবং ২. ইলমুস সরফ (শব্দের অভ্যন্তরীণ গঠন ও রূপান্তর সংক্রান্ত)।

২. জাম’ মুযাক্কার সালিমের ই’রাব কী?

জাম’ মুযাক্কার সালিম রফর হালতে ‘ওয়াও’ দ্বারা (যেমন: মুসলিমূন) এবং নসব ও জরের উভয় হালতে ‘ইয়া’ দ্বারা (যেমন: মুসলিমীন) ই’রাব গ্রহণ করে।

৩. ইলমুস সরফের মীযানে সরফী বলতে কী বোঝায়?

আরবি শব্দের অক্ষর পরিমাপের জন্য নির্ধারিত ‘ফা-আইন-লাম’ (ف-ع-ل) ওজনকে মীযানে সরফী বলে। এর সাহায্যে শব্দের মৌলিক ও অতিরিক্ত অক্ষর নির্ধারণ করা হয়।

৪. হামযাতুল ক্বাত্ব’ ও হামযাতুল ওয়াসলের মধ্যে পার্থক্য কী?

হামযাতুল ক্বাত্ব’ বাক্যের শুরুতে ও মাঝে সর্বাবস্থায় উচ্চারিত ও লিখিত হয়। অপরদিকে হামযাতুল ওয়াসল বাক্যের শুরুতে উচ্চারিত হলেও পূর্বে অন্য শব্দ যুক্ত থাকলে উচ্চারণ থেকে বাদ পড়ে যায়।

৫. বিশ্ব আরবি ভাষা দিবস কবে পালিত হয়?

জাতিসংঘ কর্তৃক প্রতি বছর ১৮ই ডিসেম্বর বিশ্ব আরবি ভাষা দিবস পালিত হয়, কারণ ১৯৭৩ সালের এই দিনে আরবিকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল।

৬. আরবি বাক্যে ‘বাদাল’ কাকে বলে এবং এটি কয় প্রকার?

যে তাবে’ কোনো মাধ্যম ছাড়া পূর্ববর্তী পদের মূল উদ্দেশ্য হিসেবে আসে তাকে বাদাল বলে। এটি প্রধানত চার প্রকার: বাদালে কুল, বাদালে বা’দ, বাদালে ইশতিমাল, এবং বাদালে গালাত।

টেলিটক ছবি ও স্বাক্ষর রিসাইজার (৩০০×৩০০ ও ৩০০×৮০)
সরকারি চাকরি ও ভর্তির অনলাইন আবেদনের জন্য ছবি ও সইয়ের মাপ ঠিক রাখুন ১০০% নির্ভুলভাবে।
ছবি ও সই রিসাইজ করুন ➜

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *