নুসূস মিনাল কুরআনিল কারীম (Nusus minal Quranil Karim) – 204101, আরবি ভাষা ও সাহিত্য – ফাজিল অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষা ২০২২

StudyBoi StudyBoi
September 26, 2026
৩৩ মিনিট পড়ার সময়
৪ বার পঠিত

সরাসরি Telegram-এ সকল বই ও সাজেশন পান!

আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে সবার আগে নতুন বই ও রুটিন ডাউনলোড করুন।

টেলিগ্রামে যুক্ত হোন

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়
ফাজিল স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ পরীক্ষা ২০২২
বিভাগ: আরবি ভাষা ও সাহিত্য
বিষয়: নূসূস মিনাল কুরআনিল কারীম (نصوص من القرآن الكريم)
বিষয় কোড: ২০৪১০১
সময়: ৪ ঘণ্টা | পূর্ণমান: ৮০


কোর্স ও পরীক্ষা পরিচিতি

বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় (Islamic Arabic University – IAU)
ডিগ্রি ও বর্ষ ফাজিল স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ (Fazil BA Honours 1st Year)
বিভাগ আরবি ভাষা ও সাহিত্য (Department of Arabic Language & Literature)
বিষয়ের নাম নূসূস মিনাল কুরআনিল কারীম (نصوص من القرآن الكريم – Nusus minal Quranil Karim)
বিষয় কোড ২০৪১০১ (204101)
পরীক্ষার সন ২০২২ (অনুষ্ঠিত ২০২৩/২০২৪)
সময় ও পূর্ণমান ৪ ঘণ্টা | পূর্ণমান: ৮০ নম্বর

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাজিল স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ ২০২২-এর আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ‘নূসূস মিনাল কুরআনিল কারীম’ (বিষয় কোড: ২০৪১০১) পরীক্ষার মূল প্রশ্নপত্র নিচে সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ ও নির্ভুলভাবে তুলে ধরা হলো। প্রশ্নপত্রে শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য আরবি মূল পাঠের পাশাপাশি প্রত্যেকটি অংশের প্রাতিষ্ঠানিক বাংলা তরজমা ও বিশ্লেষণ সংযোজন করা হয়েছে। এ পাঠে সূরা আল-মুলক, আল-কালাম, আল-মুযযাম্মিল, আল-কিয়ামাহ, আল-ইনসান, আল-বুরূজ, আল-ক্বাদর ও আল-আসর-এর নির্বাচিত আয়াতসমূহের গভীর অর্থ ও ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ রয়েছে।


مجموعة (الف)

الدرجات: ٤ × ١٥ = ٦٠
(ترجم الآيات الكريمة ثم أجب عن الأسئلة الملحقة بها)

[মান বণ্টন: ৪ × ১৫ = ৬০ | আয়াতসমূহের তরজমা করো এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:]

١- هُوَ الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ الْأَرْضَ ذَلُولًا فَامْشُوا فِي مَنَاكِبِهَا وَكُلُوا مِن رِّزْقِهِ وَإِلَيْهِ النُّشُورُ- أَأَمِنتُم مَّن فِي السَّمَاءِ أَن يَخْسِفَ بِكُمُ الْأَرْضَ فَإِذَا هِيَ تَمُورُ- أَمْ أَمِنتُم مَّن فِي السَّمَاءِ أَن يُرْسِلَ عَلَيْكُمْ حَاصِبًا فَسَتَعْلَمُونَ كَيْفَ نَذِيرِ- وَلَقَدْ كَذَّبَ الَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ فَكَيْفَ كَانَ نَكِيرِ- (٧)

[১. তিনিই তো সেই সত্তা যিনি তোমাদের জন্য জমিনকে অনুগত ও সুগম করেছেন; অতএব তোমরা তার দিগ-দিগন্তে বিচরণ করো এবং তাঁর দেওয়া রিজিক থেকে ভক্ষণ করো, আর পুনরুত্থান তাঁরই সমীপে। তোমরা কি নির্ভয় হয়ে গেছ যে, আকাশে যিনি রয়েছেন তিনি তোমাদেরকে সহ জমিনকে ধসিয়ে দেবেন না, যখন তা হঠাৎ আন্দোলিত বা প্রকম্পিত হতে থাকবে? নাকি তোমরা নির্ভয় হয়ে গেছ যে, যিনি আকাশে রয়েছেন তিনি তোমাদের ওপর প্রস্তরবর্ষী প্রচণ্ড ঝড় পাঠাবেন না? তখন তোমরা জানতে পারবে কেমন ছিল আমার সতর্কবাণী! আর তাদের পূর্ববর্তীরাও তো অস্বীকার করেছিল, ফলে কেমন ছিল আমার প্রত্যাখ্যান ও শাস্তি!] (৭)

(الف) اكتب فضائل سورة الملك مدللا- (٤)
[(ক) দলিল-প্রমাণাদিসহ সূরা আল-মুলকের ফজিলতসমূহ লিপিবদ্ধ করো।] (৪)

(ب) حلل: ذلولا، مناكبها، تمور، حاصبا- (٤)
[(খ) ব্যাকরণিক তাহলিল (বিশ্লেষণ) করো: ذلولا، مناكبها، تمور، حاصبا।] (৪)

٢- فَلَا تُطِعِ الْمُكَذِّبِينَ- وَدُّوا لَوْ تُدْهِنُ فَيُدْهِنُونَ- وَلَا تُطِعْ كُلَّ حَلَّافٍ مَّهِينٍ- هَمَّازٍ مَّشَّاءٍ بِنَمِيمٍ- مَّنَّاعٍ لِّلْخَيْرِ مُعْتَدٍ أَثِيمٍ- عُتُلٍّ بَعْدَ ذَلِكَ زَنِيمٍ- أَن كَانَ ذَا مَالٍ وَبَنِينَ- (٧)

[২. অতএব আপনি মিথ্যা আরোপকারীদের আনুগত্য করবেন না। তারা চায় যদি আপনি কিছুটা নমনীয় হন, তবে তারাও নমনীয় হবে। আর আপনি কখনো আনুগত্য করবেন না এমন প্রত্যেক ব্যক্তির যে অধিক শপথকারী, লাঞ্ছিত-অপমানিত, পশ্চাতে নিন্দুক ও যে চোগলখুরি করে বেড়ায়, কল্যাণের পথে চরম বাধা প্রদানকারী, সীমালঙ্ঘনকারী, পাপাচারী, রূঢ় স্বভাবের কঠোর প্রকৃতির এবং উপরন্তু জারজ বা অখ্যাত বংশের—কেবল এ কারণে যে সে ধন-সম্পদ ও বহু সন্তানের অধিকারী।] (৭)

(الف) تحدث عن سبب نزول الآيات الكريمة- (٤)
[(ক) উল্লিখিত আয়াতসমূহের শানে নুযূল বা অবতরণের প্রেক্ষাপট আলোচনা করো।] (৪)

(ب) حلل: ودّوا، مهين، هماز، معتد- (٤)
[(খ) শব্দ বিশ্লেষণ করো: ودّوا، مهين، هماز، معتد।] (৪)

٣- يَا أَيُّهَا الْمُزَّمِّلُ- قُمِ اللَّيْلَ إِلَّا قَلِيلًا- نِّصْفَهُ أَوِ انقُصْ مِنْهُ قَلِيلًا- أَوْ زِدْ عَلَيْهِ وَرَتِّلِ الْقُرْآنَ تَرْتِيلًا- إِنَّا سَنُلْقِي عَلَيْكَ قَوْلًا ثَقِيلًا- إِنَّ نَاشِئَةَ اللَّيْلِ هِيَ أَشَدُّ وَطْئًا وَأَقْوَمُ قِيلًا- إِنَّ لَكَ فِي النَّهَارِ سَبْحًا طَوِيلًا- وَاذْكُرِ اسْمَ رَبِّكَ وَتَبَتَّلْ إِلَيْهِ تَبْتِيلًا- (٧)

[৩. হে বস্ত্রাবৃত! রাতে সালাতে দণ্ডায়মান হোন রাতের কিছু অংশ ব্যতীত—তার অর্ধাংশ কিংবা তার চেয়ে কিছু কম করুন, অথবা তার ওপর বাড়ান এবং সুবিন্যস্ত ও সুস্পষ্টভাবে কুরআন তেলাওয়াত করুন। নিশ্চয়ই আমি আপনার প্রতি এক গুরুভার বাণী অবতীর্ণ করতে যাচ্ছি। বস্তুত রাতের জাগরণ আত্মসংযমে অধিকতর ফলপ্রসূ এবং স্পষ্ট ও শুদ্ধ উচ্চারণে অধিকতর অনুকূল। নিশ্চয়ই দিনের বেলায় আপনার রয়েছে দীর্ঘ ব্যস্ততা। আর আপনি আপনার প্রতিপালকের নাম স্মরণ করুন এবং একাগ্রচিত্তে তাঁরই প্রতি মগ্ন হোন।] (৭)

(الف) اذكر فضائل قيام الليل فى ضوء القرآن والسنة- (٤)
[(ক) কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে কিয়ামুল লাইল বা তাহাজ্জুদের ফজিলত উল্লেখ করো।] (৪)

(ب) اكتب بعض الدروس المستفادة من الآيات- (٤)
[(খ) আয়াতসমূহ থেকে প্রাপ্ত শিক্ষণীয় দিকসমূহ লিপিবদ্ধ করো।] (৪)

٤- لَا أُقْسِمُ بِيَوْمِ الْقِيَامَةِ- وَلَا أُقْسِمُ بِالنَّفْسِ اللَّوَّامَةِ- أَيَحْسَبُ الْإِنسَانُ أَلَّن نَّجْمَعَ عِظَامَهُ- بَلَى قَادِرِينَ عَلَى أَن نُّسَوِّيَ بَنَانَهُ- بَلْ يُرِيدُ الْإِنسَانُ لِيَفْجُرَ أَمَامَهُ- يَسْأَلُ أَيَّانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ- فَإِذَا بَرِقَ الْبَصَرُ- وَخَسَفَ الْقَمَرُ- وَجُمِعَ الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ- يَقُولُ الْإِنسَانُ يَوْمَئِذٍ أَيْنَ الْمَفَرُّ- (٧)

[৪. আমি শপথ করছি কেয়ামত দিবসের! আরও শপথ করছি তিরস্কারকারী আত্মার! মানুষ কি মনে করে যে আমি তার অস্থিসমূহ একত্রিত করতে পারব না? অবশ্যই, আমি তো তার অঙ্গুলির ডগাগুলো পর্যন্ত নিখুঁতভাবে পুনর্বিন্যাস করতে সক্ষম। বরং মানুষ তো তার সামনের জীবনেও পাপাচারে লিপ্ত হতে চায়। সে প্রশ্ন করে, কেয়ামত দিবস কবে আসবে? অতঃপর যখন দৃষ্টি চমকে যাবে, চন্দ্র আলোহীন হয়ে যাবে, এবং সূর্য ও চন্দ্রকে একত্রিত করা হবে—সেদিন মানুষ বলবে, আজ পালাবার জায়গা কোথায়?] (৭)

(الف) ما النفس؟ وما أنواعها؟ بيّن- (٤)
[(ক) নাফস বা মানবীয় প্রবৃত্তি কী? এর প্রকারভেদসমূহ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করো।] (৪)

(ب) اكتب مناظر يوم القيامة مدعما بالنصوص موجزا- (٤)
[(খ) কুরআনি দলিলের আলোকে কিয়ামত দিবসের ভয়াবহ দৃশ্যাবলী সংক্ষেপে তুলে ধরো।] (৪)

٥- هَلْ أَتَى عَلَى الْإِنسَانِ حِينٌ مِّنَ الدَّهْرِ لَمْ يَكُن شَيْئًا مَّذْكُورًا- إِنَّا خَلَقْنَا الْإِنسَانَ مِن نُّطْفَةٍ أَمْشَاجٍ نَّبْتَلِيهِ فَجَعَلْنَاهُ سَمِيعًا بَصِيرًا- إِنَّا هَدَيْنَاهُ السَّبِيلَ إِمَّا شَاكِرًا وَإِمَّا كَفُورًا- إِنَّا أَعْتَدْنَا لِلْكَافِرِينَ سَلَاسِلَ وَأَغْلَالًا وَسَعِيرًا- إِنَّ الْأَبْرَارَ يَشْرَبُونَ مِن كَأْسٍ كَانَ مِزَاجُهَا كَافُورًا- (٧)

[৫. মানুষের ওপর দিয়ে তো কালের এমন এক দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হয়েছে যখন সে কোনো উল্লেখযোগ্য বস্তুই ছিল না! নিশ্চয়ই আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি মিশ্র বীর্যবিন্দু (শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলন) থেকে, তাকে পরীক্ষা করার জন্য; অতঃপর আমি তাকে করেছি শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন। আমি তাকে পথের দিশা দিয়েছি—হয় সে কৃতজ্ঞ হবে, নয়তো সে অকৃতজ্ঞ-কাফের হবে। নিশ্চয়ই আমি কাফেরদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছি শিকল, বেড়ি ও প্রজ্বলিত অগ্নিশিখা। পক্ষান্তরে নেককার মুমিনরা পান করবে এমন পানপাত্র থেকে যার মিশ্রণ হবে কর্পূর।] (৭)

(الف) ما معنى النطفة؟ بيّن أطوار خلق الإنسان فى رحم الأم- (٤)
[(ক) ‘নুতফাহ’ শব্দের অর্থ কী? মাতৃগর্ভে মানব সৃষ্টির পর্যায়ক্রমিক স্তরসমূহ বর্ণনা করো।] (৪)

(ب) حلل الكلمات: أمشاج، كفورا، سلاسل، أعتدنا- (٤)
[(খ) শব্দগুলোর তাহলিল করো: أمشاج، كفورا، سلاسل، أعتدنا।] (৪)

٦- وَالسَّمَاءِ ذَاتِ الْبُرُوجِ- وَالْيَوْمِ الْمَوْعُودِ- وَشَاهِدٍ وَمَشْهُودٍ- قُتِلَ أَصْحَابُ الْأُخْدُودِ- النَّارِ ذَاتِ الْوَقُودِ- إِذْ هُمْ عَلَيْهَا قُعُودٌ- وَهُمْ عَلَى مَا يَفْعَلُونَ بِالْمُؤْمِنِينَ شُهُودٌ- وَمَا نَقَمُوا مِنْهُمْ إِلَّا أَن يُؤْمِنُوا بِاللَّهِ الْعَزِيزِ الْحَمِيدِ- (٧)

[৬. শপথ নক্ষত্ররাজি-শোভিত আকাশের! এবং প্রতিশ্রুত দিবসের! এবং শপথ প্রত্যক্ষকারী ও প্রত্যক্ষকৃত বিষয়ের! ধ্বংস হয়েছিল সেই গর্তের অধিপতিরা (অগ্নিগহ্বরের খননকারীরা)—জ্বালানি কাঠপূর্ণ যে অগ্নিশিখা, যখন তারা তার পাশে বসেছিল, এবং তারা মুমিনদের সাথে যা করছিল তা স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করছিল। আর মুমিনদের বিরুদ্ধে তাদের ক্ষোভের একমাত্র কারণ ছিল এই যে, তারা পরাক্রমশালী ও সর্বপ্রশংসিত আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছিল।] (৭)

(الف) من أصحاب الأخدود؟ ولم قتلوا؟ بيّن- (٤)
[(ক) আসহাবুল উখদুদ কারা ছিল? কেন তাদেরকে অভিশপ্ত ও ধ্বংস করা হয়েছে? বিশ্লেষণ করো।] (৪)

(ب) فسّر قوله تعالى: “واليوم الموعود- وشاهد ومشهود”- (٤)
[(খ) আল্লাহর বাণী: “واليوم الموعود- وشاهد ومشهود”-এর তাৎপর্য ও তাফসির ব্যাখ্যা করো।] (৪)

٧- إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ- وَمَا أَدْرَاكَ مَا لَيْلَةُ الْقَدْرِ- لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِّنْ أَلْفِ شَهْرٍ- تَنَزَّلُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِم مِّن كُلِّ أَمْرٍ- سَلَامٌ هِيَ حَتَّى مَطْلَعِ الْفَجْرِ- (٧)

[৭. নিশ্চয়ই আমি এই কুরআন অবতীর্ণ করেছি মহিমান্বিত রজনী কদরে। আর আপনি কি জানেন শবে কদর কী? শবে কদর হলো হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ রজনী। সে রাতে ফেরেশতাগণ এবং জিবরাঈল (আ.) তাঁদের প্রতিপালকের অনুমতিক্রমে প্রত্যেক কল্যাণকর নির্দেশ নিয়ে অবতরণ করেন। শান্তি ও নিরাপত্তাপূর্ণ সেই রাত, যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।] (৭)

(الف) اكتب مراحل نزول القرآن مفصلا- (٤)
[(ক) মহাগ্রন্থ কুরআন অবতীর্ণের বিভিন্ন স্তর ও পর্যায় বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করো।] (৪)

(ب) اكتب آراء الأئمة فى تعيين ليلة القدر ثم بيّن فضائل هذه الليلة المباركة باختصار- (٤)
[(খ) লাইলাতুল কদর নির্ধারণে সম্মানিত ইমামগণের মতামত এবং এ বরকতময় রাতের ফজিলত সংক্ষেপে তুলে ধরো।] (৪)

٨- وَالْعَصْرِ- إِنَّ الْإِنسَانَ لَفِي خُسْرٍ- إِلَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ وَتَوَاصَوْا بِالْحَقِّ وَتَوَاصَوْا بِالصَّبْرِ- (٧)

[৮. শপথ মহাকালের! নিশ্চয়ই সকল মানুষ চরম ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত। কেবল তারা ব্যতীত যারা ঈমান এনেছে, সৎকর্ম সম্পাদন করেছে, এবং পরস্পরকে সত্যের উপদেশ দিয়েছে ও ধৈর্যের নসিহত করেছে।] (৭)

(الف) اكتب خلاصة سورة العصر- (٤)
[(ক) সূরা আল-আসরের মূল ভাব ও সারসংক্ষেপ লেখো।] (৪)

(ب) ما هى الأعمال الصالحات؟ بيّن فى ضوء القرآن والسنة- (٤)
[(খ) ‘আমলে সালেহ’ বা নেক আমল কী? কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তা সুস্পষ্ট করো।] (৪)


مجموعة (ب)

الدرجات — ٥ × ٤ = ٢٠
(أجب عن أربعة أسئلة من الآتية)

[মান বণ্টন: ৫ × ৪ = ২০ | নিম্নের যেকোনো ৪টি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:]

٩- عرّف القرآن ثم بيّن الفرق بين القرآن والحديث القدسى-

[৯. আল-কুরআনের পারিভাষিক সংজ্ঞা দাও এবং কুরআন মাজিদ ও হাদিসে কুদসির মধ্যকার মৌলিক পার্থক্যসমূহ স্পষ্ট করো।]

١٠- كيف تمّ حفظ القرآن الكريم فى عهد الرسول صلى الله عليه وسلم؟

[১০. রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর পবিত্র যুগে কীভাবে আল-কুরআন সংরক্ষণ ও গ্রন্থনা করা হয়েছিল?]

١١- عرّف السور المكية وبيّن عددها مع ذكر خمسة أسماء منها-

[১১. মাক্কী সূরার সংজ্ঞা ও মোট সংখ্যা উল্লেখ করো এবং পাঁচটি মাক্কী সূরার নাম লেখো।]

١٢- اكتب خصائص السور المدنية-

[১২. মাদানী সূরাসমূহের প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্য ও নিদর্শনসমূহ লিপিবদ্ধ করো।]

١٣- اذكر ثلاث آيات تدل على إعجاز القرآن-

[১৩. আল-কুরআনের অলৌকিকত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব (ই’জাজুল কুরআন) প্রমাণকারী তিনটি আয়াত উল্লেখ করো।]

١٤- اكتب خلاصة سورة الفيل وعبرها-

[১৪. সূরা আল-ফিলের মূল বিষয়বস্তু এবং এ থেকে প্রাপ্ত শিক্ষণীয় দিকসমূহ লেখো।]

١٥- بيّن أثر القرآن فى تطور اللغة العربية-

[১৫. আরবি ভাষার সমৃদ্ধি, বিকাশ ও ক্রমোন্নয়নে পবিত্র কুরআনের প্রভাব বিস্তারিতভাবে মূল্যায়ন করো।]

١٦- اكتب سورة ‘القارعة’ من حفظك-

[১৬. তোমার স্মৃতিপট থেকে পবিত্র সূরা আল-ক্বারিয়াহ্ (القارعة) সম্পূর্ণ বিশুদ্ধভাবে লিপিবদ্ধ করো।]


গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ ও ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ (হাল্লিল কালিমাত)

আরবি শব্দ সিগাহ ও বাহাস মূলধাতু (মাদ্বাহ) ও বাব অর্থ ও প্রাসঙ্গিক ব্যাকরণিক প্রয়োগ
ذَلُولاً اسم صفة مشبهة ذ – ل – ل (ضرب / كرم) অনুগত, সুগম, মসৃণ। জমিনকে মানুষের চলাচলের উপযোগী ও অনুগত করার নির্দেশক।
مَنَاكِبِهَا اسم جمع تكسير (مفرده: مَنْكِب) ن – ك – ب (نصر) এর স্কন্ধসমূহ, চারপাশ বা বিভিন্ন দিগ-দিগন্ত।
تَمُورُ واحد مؤنث غائب (مضارع) م – و – ر (نصر) প্রকম্পিত হওয়া, আন্দোলিত হওয়া, তীব্রভাবে দুলতে থাকা।
حَاصِبًا اسم فاعل (واحد مذكر) ح – ص – ب (ضرب) প্রস্তরবর্ষী প্রচণ্ড ঝড় বা তীব্র বাতাস যা ধূলিকণা ও পাথর বর্ষণ করে।
وَدُّوا جمع مذكر غائب (ماضى) و – د – د (سمع) তারা তীব্র আকাঙ্ক্ষা করে বা ভালোবাসে।
مَهِينٍ صفة مشبهة / فعيل م – ه – ن (كرم / ضرب) লাঞ্ছিত, অপদস্থ, হীনমনা বা তুচ্ছ চরিত্রের ব্যক্তি।
هَمَّازٍ صيغة مبالغة (فعّال) ه – م – ز (ضرب) অধিক পশ্চাতে পরনিন্দাকারী বা দোষ অন্বেষণকারী।
مُعْتَدٍ اسم فاعل (مفرد مذكر) ع – د – و (افتعال) সীমালঙ্ঘনকারী, স্বৈরাচারী। মূল শব্দ ছিল معتدي।
أَمْشَاجٍ جمع تكسير (مفرده: مَشْج / مَشِيج) م – ش – ج (ضرب) মিশ্রিত তরল পদার্থ (শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর সমন্বিত বীর্যবিন্দু)।
سَلَاسِلَ جمع تكسير (صيغة منتهى الجموع) س – ل – س – ل (رباعي) শিকলসমূহ বা লৌহশৃঙ্খল (জাহান্নামীদের শাস্তির উপকরণ)।
أَعْتَدْنَا جمع متكلم (ماضى معروف) ع – ت – د (إفعال) আমরা পূর্ব থেকেই প্রস্তুত ও প্রস্তুতকৃত রেখেছি।
كَافُورًا اسم جامد / علم لميزاج العين ك – ف – ر কর্পূর; জান্নাতি পানীয়ের সুগন্ধিময় শীতল মিশ্রণ।

পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রস্তুতি পরামর্শ

ফাজিল অনার্স ১ম বর্ষের ‘নূসূস মিনাল কুরআনিল কারীম’ কোর্সে সর্বোচ্চ নম্বর নিশ্চিত করতে শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা:

  • নির্ধারিত সূরার আয়াত তরজমা: সূরা আল-মুলক, আল-কালাম, আল-মুযযাম্মিল, আল-কিয়ামাহ, আল-ইনসান, আল-বুরূজ এবং আল-আসরের প্রতিটি আয়াতের শব্দভিত্তিক ও ভাবানুবাদ নিখুঁতভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
  • শানে নুযূল ও পটভূমি: প্রতিটি সূরার মূল শিক্ষা, নাযিল হওয়ার প্রেক্ষাপট ও কাফেরদের বিভিন্ন কূটচালের জবাবে কুরআনের বক্তব্য তথ্যভিত্তিক দলিলের মাধ্যমে উপস্থাপন করতে হবে।
  • উলূমুল কুরআনের মৌলিক পরিভাষা: ‘مجموعة (ب)’-এর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের জন্য ওহী নাযিলের স্তর, কুরআন সংরক্ষণ পদ্ধতি, মাক্কী ও মাদানী সূরার বৈশিষ্ট্য এবং ই’জাজুল কুরআন সম্পর্কিত আলোচনা গভীরভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
  • তাহলিল ও সারফ-নাহু বিশ্লেষণ: গুরুত্বপূর্ণ ক্রিয়াপদ ও বিশেষ্য পদের সিগাহ, বাহাস, বাব, মূলধাতু এবং কুরআনিক প্রেক্ষাপটে ব্যাকরণিক অবস্থান পরিষ্কারভাবে ছক আকারে উপস্থাপন করলে পূর্ণ নম্বর পাওয়া সহজ হয়।

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. ফাজিল অনার্স ১ম বর্ষে ২০৪১০১ কোর্সের পরীক্ষার পূর্ণমান ও সময় কত?

এ কোর্সের পূর্ণমান ৮০ নম্বর এবং পরীক্ষার মোট নির্ধারিত সময় ৪ ঘণ্টা। বাকি ২০ নম্বর ইন-কোর্স ও টিউটোরিয়াল মূল্যায়নের অন্তর্ভুক্ত।

২. প্রশ্নপত্রে কতটি প্রশ্নের উত্তর করতে হয়?

প্রশ্নপত্রটি দুটি গ্রুপে বিভক্ত। ‘مجموعة (الف)’ (রচনামূলক অংশ)-তে ৮টি প্রশ্ন থাকে যার মধ্য থেকে যেকোনো ৪টির উত্তর দিতে হয় (৪ × ১৫ = ৬০ নম্বর)। ‘مجموعة (ب)’ (সংক্ষিপ্ত অংশ)-তে ৮টি প্রশ্ন থাকে যার মধ্য থেকে যেকোনো ৪টির উত্তর দিতে হয় (৪ × ৫ = ২০ নম্বর)।

৩. ‘حلل الكلمات’ বা তাহলিলের উত্তর কীভাবে লিখতে হয়?

তাহলিলে শব্দের সিগাহ (রীতি), বাহাস (রূপান্তর), বাব (অধ্যায়), মাদ্বাহ (মূলধাতু) এবং অর্থ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হয়। সম্ভব হলে ছক আকারে লিখলে পরীক্ষক সহজে পূর্ণ নম্বর প্রদান করেন।

৪. মাক্কী ও মাদানী সূরার প্রধান পার্থক্য কী?

হিজরতের পূর্বে অবতীর্ণ সূরাগুলোকে মাক্কী বলা হয়, যাতে তাওহিদ, রিসালাত, আখিরাত ও আখলাকের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। আর হিজরতের পরে অবতীর্ণ সূরাগুলোকে মাদানী বলা হয়, যাতে শরিয়তের আহকাম, রাষ্ট্রনীতি, সমাজব্যবস্থা ও পারিবারিক বিধান বিস্তারিত বর্ণিত হয়েছে।

৫. সূরা আল-মুলক পাঠের বিশেষ ফজিলত কী?

হাদিস শরিফে এসেছে, সূরা আল-মুলক পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করবে যতক্ষণ না তাকে ক্ষমা করা হয় এবং এটি কবরের আজাব থেকে সুরক্ষা প্রদানকারী (আল-মুনজিয়াহ)।

৬. আয়াত অনুবাদের ক্ষেত্রে কি হুবহু শব্দার্থ লিখতে হয়?

আয়াতের তরজমার ক্ষেত্রে মূল শব্দের বিশুদ্ধ অর্থ বজায় রেখে সুন্দর প্রাঞ্জল ভাবানুবাদ উপস্থাপন করা আবশ্যক, যাতে আয়াতের সামগ্রিক মর্মার্থ স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।