اختبار السنة الاولى للفاضل البكالوريوس (الشرف)، لعام ٢٠٢٤م
ফাযিল (স্নাতক) সম্মান প্রথম বর্ষ পরীক্ষা, ২০২৪
القرآن والدراسات الإسلامية [আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ]
الدراسات البنغلاديشية [বাংলাদেশ স্টাডিজ]
বিষয় কোড: ২০ ১১ ০৭
সময়: ৪ ঘণ্টা | পূর্ণমান: ৮০
الملاحظة : اجب عن اربعة من مجموعة (الف) وعن اربعة من مجموعة (ب) –
[দ্রষ্টব্য : (ক) অংশ থেকে চারটি এবং (খ) অংশ থেকে চারটি প্রশ্নের উত্তর দাও।]
مجموعة (الف) [ক বিভাগ] – রচনামূলক প্রশ্ন
أجب عن أربعة من الأسئلة التالية [নিচের যে কোনো চারটি প্রশ্নের উত্তর দাও]
الدرجات : ١٥ × ٤ = ٦٠ [মান— ১৫ × ৪ = ৬০]
১। تحدث عن دور حركة اللغة في استقلال بنغلاديش –
[বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ভাষা আন্দোলনের ভূমিকা বর্ণনা কর।] মান: ১৫
উত্তর:
ভূমিকা: ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলন কেবল মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ছিল না; এটি ছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ, শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তিপ্রস্তর। ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালির রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিরোধের সূচনা ঘটে।
১. ভাষা আন্দোলনের পটভূমি:
১৯৪৭ সালে দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ (৫৪%) জনগণের মুখের ভাষা বাংলাকে বাদ দিয়ে উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ‘Urdu and only Urdu shall be the state language of Pakistan’ ঘোষণার বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলার ছাত্রসমাজ তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তোলে। এর চূড়ান্ত বিস্ফোরণ ঘটে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি, যখন ১৪৪ ধারা ভঙ্গকারী ছাত্রদের মিছিলে পুলিশের গুলিতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিউরসহ অনেকে শহীদ হন।
২. বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ভাষা আন্দোলনের সুদূরপ্রসারী ভূমিকা:
- বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি স্থাপন: ভাষা আন্দোলনের পূর্বে বাঙালি মুসলমানের পরিচয় প্রধানত ধর্মীয় পরিচয়ে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু বায়ান্নর রক্তদান তাদের মধ্যে এই উপলব্ধি সৃষ্টি করে যে, ধর্মের মিল সত্ত্বেও তাদের জাতিগত, ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক সত্তা পশ্চিম পাকিস্তানিদের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই অসাম্প্রদায়িক বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনাই পরবর্তীতে স্বাধীনতার মূলমন্ত্রে পরিণত হয়।
- ধর্মীয় দ্বিজাতিতত্ত্বের মোহভঙ্গ: মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রস্তাবিত কৃত্রিম ‘দ্বিজাতিতত্ত্ব’ যে পূর্ব বাংলার অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির পথ নয়, তা ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক রাজনীতির ভিত্তি রচিত হয়।
- যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন (১৯৫৪): বায়ান্নর আন্দোলনের সফল পরিণতি হিসেবে ১৯৫৪ সালের পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক নির্বাচনে একুশের ২১ দফার ভিত্তিতে গঠিত যুক্তফ্রন্ট বিপুল বিজয় লাভ করে এবং তৎকালীন মুসলিম লীগ সরকারকে সম্পূর্ণ ধূলিসাৎ করে দেয়।
- সংবিধান ও স্বীকৃতি আদায় (১৯৫৬): তীব্র আন্দোলনের মুখে ১৯৫৬ সালের পাকিস্তানের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য করা হয়, যা বাঙালির প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক বিজয় হিসেবে আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
- পরবর্তী সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অনুপ্রেরণা: ভাষা আন্দোলনের আত্মত্যাগ বাঙালিকে প্রতিবাদী হতে শিখিয়েছিল। ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলন (বাঙালির মুক্তির সনদ), ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন—প্রতিটি গণজাগরণের অন্তর্নিহিত প্রেরণা ছিল একুশের রক্তস্নাত চেতনা।
- মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা অর্জন (১৯৭১): একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়েই ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন—”রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেব, এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ।” দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশ।
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদা: ভাষা আন্দোলনের অনন্য আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ ইউনেস্কো (UNESCO) ১৯৯৯ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে, যা বাঙালি জাতির জন্য বিশ্বমঞ্চে এক বিরল গৌরব।
উপসংহার: বস্তুত, ভাষা আন্দোলন ছিল বাঙালির স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতার পথে যাত্রার প্রথম মাইলফলক। একুশের রক্তই একাত্তরে নদী হয়ে স্বাধীনতা এনে দিয়েছিল।
২। ناقش إسهامات العلماء في تنمية التعليم والثقافة والحضارة الإسلامية في بنغلاديش –
[বাংলাদেশে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মুসলিম সভ্যতা বিকাশে আলেম সমাজের অবদান সম্পর্কে আলোচনা কর।] মান: ১৫
উত্তর:
ভূমিকা: প্রাচীন বঙ্গ অঞ্চলে ইসলামের আগমন, প্রসার এবং একটি সুসংহত মুসলিম সমাজ ও সংস্কৃতির ভিত্তি বিনির্মাণে আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ ও ইসলামি চিন্তাবিদদের অবদান অবিস্মরণীয়। তাঁদের আত্মত্যাগ, চারিত্রিক মাধুর্য ও জ্ঞানসাধনার ফলে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।
১. প্রাথমিক ইসলাম প্রচার ও সভ্যতা বিনির্মাণে ওলামায়ে কেরাম:
- সুফি ও ওলামাদের আগমন: দ্বাদশ ও ত্রয়োদশ শতকে শাহ জালাল (রহ.), শাহ পরান (রহ.), খান জাহান আলী (রহ.), শাহ মখদুম (রহ.), বায়েজিদ বোস্তামী (রহ.) সহ অসংখ্য ওলামা ও সুফি এ দেশে আগমন করেন। তাঁদের নিঃস্বার্থ মানবসেবা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের বাণী নিম্নবর্ণের নির্যাতিত হিন্দু ও সাধারণ মানুষকে ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আকৃষ্ট করে।
- সমাজ সংস্কার ও অবকাঠামো উন্নয়ন: হযরত খান জাহান আলী (রহ.) কেবল ধর্ম প্রচার করেননি, বরং বাগেরহাট ও দক্ষিণাঞ্চলে রাস্তাঘাট, মসজিদ এবং সুপেয় পানির জন্য অসংখ্য বিশালাকার দীঘি খনন করে সভ্যতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন।
২. ইসলামি শিক্ষা ব্যবস্থার বিস্তার ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা:
- ঐতিহ্যবাহী মাদ্রাসা শিক্ষা: মুসলিম শাসনামলে প্রতিটি মসজিদ ও খানকা ছিল শিক্ষার কেন্দ্র। ব্রিটিশ আমলে ইসলামি চেতনা ও মুসলিম স্বাতন্ত্র্য রক্ষায় আলেমগণ এগিয়ে আসেন। ১৭৮০ সালে কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা এবং পরবর্তীকালে ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা ও অঞ্চলভিত্তিক আলিয়া মাদ্রাসাগুলো আধুনিক ও ইসলামি শিক্ষার সমন্বয় সাধনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
- কওমি মাদ্রাসা ও দারুল উলুম দেওবন্দের প্রভাব: ব্রিটিশ উপনিবেশের বিরুদ্ধে খাঁটি ইসলামি ঐতিহ্য ও ঈমান-আকিদা সুরক্ষায় চাটগাঁর দারুল উলুম হাটহাজারী মাদ্রাসা (১৯০১) প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ওলামায়ে কেরাম তৃণমূল পর্যায়ে বিনামূল্যে দ্বীনি শিক্ষা বিস্তার করেন। বর্তমানে হাজার হাজার কওমি ও আলিয়া মাদ্রাসা লাখ লাখ শিক্ষার্থীকে নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করছে।
- ইসলামিক ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা: দেশে সমন্বিত উচ্চশিক্ষার লক্ষ্যে ওলামা ও ইসলামি ব্যক্তিত্বদের দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল হিসেবে কুষ্টিয়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এবং গাজীপুরে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (IUT) প্রতিষ্ঠিত হয়।
৩. ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অবদান:
- বাংলা ভাষায় ইসলামি সাহিত্যের উন্মেষ: মধ্যযুগে শাহ মুহম্মদ সগীর (ইউসুফ-জোলেখা), দৌলত উজির বাহরাম খান, সৈয়দ সুলতান (নবী বংশ ও শব-ই-মিরাজ) প্রমুখ আলেম ও কবি বাংলা ভাষায় রাসুল (সা.)-এর সিরাত ও ইসলামি ভাবধারা প্রকাশ করে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেন।
- পুঁথি সাহিত্য ও দোভাষী রীতির বিকাশ: আরবি, ফারসি ও উর্দু মিশ্রিত বাংলা পুঁথি সাহিত্যের মাধ্যমে আলেম সমাজ সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে কুরআনের শিক্ষা, তাফসির ও ইতিহাস পৌঁছে দেন।
- আধুনিক যুগে কুরআন ও হাদিসের বাংলা ব্যাখ্যা ও সাহিত্যচর্চা: মওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী (রহ.), মাওলানা মুহিউদ্দীন খান (রহ.)-এর মতো প্রখ্যাত আলেমগণ পবিত্র কুরআনের সহজবোধ্য তরজমা ও তাফসির, ‘মাসিক মদীনা’ ও ‘সীরাত বিশ্বকোষ’-এর মাধ্যমে সুস্থ ইসলামি সংস্কৃতির জাগরণ ঘটান।
৪. স্বাধীনতা ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে আলেম সমাজ:
- ব্রিটিশবিরোধী আজাদি আন্দোলনে হাজী শরীয়তুল্লাহর ‘ফরায়েজী আন্দোলন’, শহীদ তিতুমীরের ‘বাঁশের কেল্লা’ এবং ওলামায়ে দেওবন্দের রেশমি রুমাল আন্দোলন ছিল স্বাধীনতার প্রত্যক্ষ ভিত্তি। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধেও বহু দেশপ্রেমিক আলেম মাতৃভূমির মুক্তির পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নেন।
উপসংহার: শিক্ষা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ আধুনিক বাংলাদেশ গঠনে আলেম সমাজের ইতিবাচক ভূমিকা ছিল অত্যন্ত সুগভীর ও চিরভাস্বর।
৩। اكتب أسباب مشكلة البطالة في بنغلاديش مع بيان طرق حلها –
[বাংলাদেশে বেকার সমস্যার কারণসমূহ ও তার সমাধানের উপায়সমূহ লেখ।] মান: ১৫
উত্তর:
ভূমিকা: বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়নের পথে সবচেয়ে মারাত্মক ও জটিল অন্তরায় হলো বেকার সমস্যা। কর্মক্ষম, সুস্থ ও ইচ্ছুক ব্যক্তি যখন প্রচলিত মজুরিতে কাজ খুঁজে পায় না, তখন তাকে বেকারত্ব বলে। বিপুল কর্মক্ষম যুবসমাজকে উৎপাদনশীল কাজে লাগাতে না পারলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন অসম্ভব।
১. বাংলাদেশে বেকার সমস্যার প্রধান কারণসমূহ:
- অতিরিক্ত জনসংখ্যা বৃদ্ধি: দেশের আয়তনের তুলনায় জনসংখ্যা অত্যন্ত বেশি। প্রতি বছর শ্রমবাজারে প্রায় ২০-২২ লাখ নতুন কর্মক্ষম মানুষ প্রবেশ করলেও সেই অনুপাতে চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে না।
- ত্রুটিপূর্ণ ও সনদসর্বস্ব শিক্ষাব্যবস্থা: বর্তমান প্রচলিত উচ্চশিক্ষাব্যবস্থা বাজারভিত্তিক ও কর্মমুখী নয়। সাধারণ বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন লক্ষ লক্ষ তরুণ ব্যবহারিক দক্ষতা না থাকায় কর্মসংস্থানে অযোগ্য বিবেচিত হচ্ছে।
- কৃষি খাতের আধুনিকায়ন ও ঋতুভিত্তিক বেকারত্ব: কৃষিতে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহারের ফলে ঐতিহ্যবাহী কৃষিশ্রমিকের চাহিদা কমছে। তাছাড়া ফসল বোনা ও কাটার মধ্যবর্তী সময়ে বহু কৃষক কর্মহীন থাকে।
- শিল্পায়নের মন্থর গতি ও বিনিয়োগ স্থবিরতা: অবকাঠামোগত ঘাটতি, গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট, উচ্চ কর হার ও দুর্নীতির কারণে দেশে কাঙ্ক্ষিত হারে দেশি ও বিদেশি ভারী শিল্প-কারখানা গড়ে উঠছে না।
- কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষার অভাব: দেশে দক্ষ প্রযুক্তিবিদ, মেকানিক, নার্স, প্লাম্বার ও কম্পিউটার প্রোগ্রামারের বিপুল চাহিদা থাকা সত্ত্বেও তরুণ সমাজ কেবল সাধারণ ক্লারিক্যাল ডিগ্রির পেছনে ছুটছে।
- চাকরিপ্রার্থীদের মানসিকতা ও আত্মকর্মসংস্থানে অনাগ্রহ: দেশের সিংহভাগ যুবকের লক্ষ্য সরকারি চাকরি বা টেবিল-চেয়ারের কাজ করা। নিজ উদ্যোগে ব্যবসা বা আত্মকর্মসংস্থান গড়ে তোলার সাহস ও সামাজিক অনুকূলতার অভাব রয়েছে।
- পুঁজি ও ঋণের অপ্রতুলতা: নতুন তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ও জামানতবিহীন ব্যাংক ঋণ পাওয়ার সুযোগ অত্যন্ত সীমিত।
২. বেকার সমস্যা সমাধানের উপায়সমূহ:
- কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার প্রসার: শিক্ষাব্যবস্থাকে তাত্ত্বিক জ্ঞানের গণ্ডি থেকে বের করে আইসিটি, ভোকেশনাল, কৃষি-প্রযুক্তি ও আধুনিক প্রকৌশলবিদ্যার সাথে যুক্ত করতে হবে। প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (TTC) স্থাপন করা প্রয়োজন।
- ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের (SME) বিকাশ: স্বল্প পুঁজিতে বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কুটির শিল্প, হ্যান্ডলুম, ডেইরি ফার্ম, পোল্ট্রি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের ব্যাপক প্রসার ঘটাতে হবে।
- সহজ শর্তে সুদমুক্ত বা স্বল্পসুদে জামানতহীন ঋণ: তরুণ উদ্যোক্তাদের ব্যবসা শুরুর জন্য জামানতবিহীন স্টার্টআপ ফান্ড ও ঋণ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
- কৃষিভিত্তিক শিল্পের আধুনিকায়ন: কৃষিপণ্য সংরক্ষণ, কোল্ড স্টোরেজ বৃদ্ধি এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ অঞ্চলে সারা বছর কাজের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।
- তথ্যপ্রযুক্তি ও ফ্রিল্যান্সিং খাতের বিকাশ: তরুণ সমাজকে ডিজিটাল মার্কেটিং, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন ও এআই প্রযুক্তিতে দক্ষ করে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের বিশাল বৈশ্বিক বাজারে যুক্ত করা।
- দক্ষ জনশক্তি হিসেবে বিদেশে কর্মসংস্থান: মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও পূর্ব এশিয়ায় অদক্ষ শ্রমিকের বদলে নার্স, ড্রাইভার, আইটি বিশেষজ্ঞ, নির্মাণকর্মী ও দক্ষ টেকনিশিয়ান হিসেবে জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি করা।
- কর্মসংস্থানমুখী জাতীয় পরিকল্পনা ও সুশাসন: বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাস এবং দুর্নীতি দমন করে বেসরকারি খাতে আস্থার পরিবেশ তৈরি করা।
উপসংহার: জনসংখ্যাকে আধুনিক শিক্ষায় সুশিক্ষিত ও দক্ষ করে ‘জনসম্পদে’ রূপান্তর করতে পারলে বেকারত্বের অভিশাপ দূর হয়ে বাংলাদেশ দ্রুত উন্নত অর্থনীতির দেশে রূপান্তরিত হবে।
৪। ما الزراعة فوق الأسطح؟ بين فوائدها في حياة المدينة –
[ছাদ কৃষি কী? শহরের জীবনে এর উপকারিতা বর্ণনা কর।] মান: ১৫
উত্তর:
ভূমিকা: দ্রুত বর্ধনশীল নগরায়ণের ফলে আধুনিক শহরগুলোতে উম্মুক্ত কৃষিজমি, খেলার মাঠ ও গাছপালা দ্রুত বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এই ইট-পাথরের মরুভূমিতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের অভিনব ও পরিবেশবান্ধব সমাধান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে ‘ছাদ কৃষি’ (Rooftop Gardening)।
১. ছাদ কৃষির সংজ্ঞা (Concept of Rooftop Agriculture):
শহরাঞ্চলে বহুতল আবাসিক ভবন, বাণিজ্যিক ভবন বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাদে বৈজ্ঞানিক উপায়ে ড্রাম, টব, জিওব্যাগ বা বেড তৈরি করে শাকসবজি, ফলমূল, ভেষজ উদ্ভিদ ও ফুল চাষের আধুনিক পদ্ধতিকে ছাদ কৃষি (Rooftop Agriculture / Rooftop Farming) বলা হয়। এটি আধুনিক নগর কৃষির (Urban Agriculture) এক অতি জনপ্রিয় ও সফল রূপ।
২. শহরের জীবনে ছাদ কৃষির বহুমুখী উপকারিতা:
- বিষমুক্ত ও তাজা খাদ্যের নিশ্চয়তা: শহরের বাজারে রাসায়নিক সার ও ক্ষতিকর কীটনাশকযুক্ত ভেজাল শাকসবজি ও ফরমালিনযুক্ত ফলের ছড়াছড়ি। ছাদ কৃষির মাধ্যমে পরিবারের দৈনন্দিন চাহিদার সম্পূর্ণ বিষমুক্ত, পুষ্টিকর ও তাজা শাকসবজি (টমেটো, বেগুন, মরিচ, শাক) এবং ফল (আম, পেয়ারা, ড্রাগন, মাল্টা) উৎপাদন সম্ভব হয়।
- শহরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ (Urban Heat Island Effect হ্রাস): কংক্রিটের ছাদ সূর্যের তাপ শোষণ করে ঘরের ভেতরের পরিবেশকে উত্তপ্ত করে তোলে। ছাদের ওপর সবুজ গাছপালার আচ্ছাদন থাকলে তা প্রস্বেদন ও ছায়ার মাধ্যমে ভবনের ছাদের তাপমাত্রা ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমিয়ে দেয়। ফলে এসি বা ফ্যানের ব্যবহার কমে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়।
- বায়ুদূষণ রোধ ও অক্সিজেন সরবরাহ: শহরের মাত্রাতিরিক্ত কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ধুলাবালি ও ধোঁয়া শোষণ করে ছাদের সবুজ গাছপালা বিপুল পরিমাণ বিশুদ্ধ অক্সিজেন বাতাসে ছড়ায়, যা নাগরিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
- মানসিক প্রশান্তি ও বিনোদন: সারাদিনের নাগরিক ক্লান্তি, যানজট ও যান্ত্রিক ব্যস্ততার পর বিকেলে সবুজ ছাদবাগানে সময় কাটালে মন প্রফুল্ল হয়, রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে এবং মানসিক অবসাদ দূর হয়।
- গৃহস্থালি বর্জ্যের জৈব সারে রূপান্তর: রান্নাঘরের ফেলে দেওয়া শাকসবজির খোসা ও উচ্ছিষ্টাংশ দিয়ে সহজেই ভার্মিকম্পোস্ট বা উৎকৃষ্ট জৈব সার তৈরি করা যায়, যা শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সহায়ক।
- পারিবারিক ব্যয় সাশ্রয়: প্রতিদিন বাজার থেকে চড়া মূল্যে কাঁচাবাজার কেনার খরচ কমে যায়, যা মধ্যবিত্ত পরিবারের অর্থনৈতিক বাজেটকে স্বস্তি দেয়।
- পাখি ও পরাগায়নকারী কীট-পতঙ্গের আশ্রয়স্থল: ছাদবাগান শহরে মৌমাছি, প্রজাপতি ও নানা প্রজাতির পাখির নিরাপদ আশ্রয় ও খাদ্যের উৎস হিসেবে কাজ করে জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে।
উপসংহার: রাজধানী ঢাকাসহ দেশের প্রতিটি নগরে ছাদ কৃষিকে বাধ্যতামূলক বা গৃহকর (হোল্ডিং ট্যাক্স) রেয়াতের আওতায় নিয়ে উৎসাহিত করলে শহরগুলো প্রাণবন্ত, সবুজ ও টেকসই স্বাস্থ্যকর বাসযোগ্য নগরে পরিণত হবে।
৫। اذكر الثروات الطبعية والمعدنية لبنغلاديش واهميتهما في الإقتصاد –
[বাংলাদেশের প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদের বিবরণ দাও এবং অর্থনীতিতে এ দুটোর গুরুত্ব বর্ণনা কর।] মান: ১৫
উত্তর:
ভূমিকা: একটি দেশের টেকসই শিল্পায়ন ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল ভিত্তি হলো তার প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদ। বাংলাদেশ আয়তনে ছোট হলেও মহান আল্লাহ এ দেশকে সমৃদ্ধ উর্বর ভূমি, বিশাল জলরাশি এবং মূল্যবান ভূগর্ভস্থ খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ করেছেন।
১. বাংলাদেশের প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদের বিবরণ:
(ক) প্রাকৃতিক সম্পদসমূহ (Natural Resources):
- উর্বর কৃষিজমি: পলিমাটি দ্বারা গঠিত বাংলাদেশের কৃষিভূমি পৃথিবীর অন্যতম উর্বর ভূমি, যেখানে বছরে তিন থেকে চারটি ফসল উৎপন্ন হয়।
- পানি ও নদী সম্পদ: পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, কর্ণফুলীসহ শত শত নদী এবং বঙ্গোপসাগরের সুবিশাল সমুদ্রসীমা (১,১৮,৮১৩ বর্গ কিমি)। এটি মৎস্য সম্পদ, নৌপরিবহন ও কৃষিকাজের প্রধান উৎস।
- বনজ সম্পদ: বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন, পার্বত্য চট্টগ্রামের বনাঞ্চল এবং ভাওয়াল ও মধুপুরের শালবন। এ থেকে মূল্যবান কাঠ, মধু, গোলপাতা ও ভেষজ উপাদান পাওয়া যায়।
(খ) খনিজ সম্পদসমূহ (Mineral Resources):
- প্রাকৃতিক গ্যাস: দেশের প্রধান ও সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ জীবাশ্ম জ্বালানি। তিতাস, কৈলাশটিলা, বিবিয়ানা, হবিগঞ্জ, বাখরাবাদসহ প্রায় ২৯টি আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে।
- কয়লা: বড়পুকুরিয়া, খাল pir, জামালগঞ্জ ও দীঘিপাড়ায় উচ্চমানের বিটুমিনাস কয়লার বিশাল মজুত রয়েছে। বড়পুকুরিয়ার কয়লা দিয়ে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে।
- কঠিন শিলা (Hard Rock): দিনাজপুরের মধ্যপাড়ায় উৎকৃষ্ট মানের গ্রানাইট ও কঠিন শিলার খনি রয়েছে, যা রাস্তাঘাট, সেতু, রেললাইন ও বাঁধ নির্মাণে ব্যবহৃত হয়।
- চুনাপাথর ও চীনামাটি: জয়পুরহাট, সুনামগঞ্জ ও সেন্টমার্টিনে চুনাপাথর এবং নেত্রকোনার বিজয়পুর ও শেরপুরে সিরামিক তৈরিতে উপযোগী সাদা মাটি বা চীনামাটি পাওয়া যায়।
- সৈকত বালুর ভারী খনিজ: কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতের বালুতে জিরকন, রুটাইল, ইলমেনাইট, মোনাজাইটের মতো বহুমুখী তেজস্ক্রিয় ও মূল্যবান খনিজ বিদ্যমান।
২. জাতীয় অর্থনীতিতে প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদের গুরুত্ব:
- বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা: দেশের শিল্প ও কলকারখানার চাকা সচল রাখতে প্রাকৃতিক গ্যাস ও কয়লা জাতীয় গ্রিডে জ্বালানির প্রধান জোগানদাতা হিসেবে কাজ করে।
- সার উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তা: ইউরিয়া সারের প্রধান কাঁচামাল হলো প্রাকৃতিক গ্যাস। ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজারসহ সার কারখানাগুলো কৃষিতে রাসায়নিক সারের জোগান দিয়ে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে সাহায্য করছে।
- বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়: নিজস্ব গ্যাস, কয়লা ও কঠিন শিলা ব্যবহারের ফলে প্রতি বছর বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ জ্বালানি ও নির্মাণ সামগ্রী আমদানি ব্যয় সাশ্রয় হচ্ছে।
- সিরামিক ও সিমেন্ট শিল্পের বিকাশ: স্থানীয় চুনাপাথর ও চীনামাটির ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের সিরামিক ও সিমেন্ট শিল্প গড়ে উঠেছে, যা বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে।
- কর্মসংস্থান সৃষ্টি: খনি উত্তোলন, গ্যাস প্রক্রিয়াজাতকরণ, মৎস্য আহরণ ও বনজ সম্পদ সংগ্রহে লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়েছে।
উপসংহার: এসব অমূল্য সম্পদের অপচয় রোধ করে আধুনিক প্রযুক্তি ও সুশাসনের মাধ্যমে উত্তোলন ও সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির গতি বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।
৬। تحدث عن مساهمة المرأة في التنمية الاقتصادية لبنغلاديش –
[বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নারীর অবদান সম্পর্কে বর্ণনা কর।] মান: ১৫
উত্তর:
ভূমিকা: কাজী নজরুল ইসলাম লিখেছিলেন—”বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।” মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারীকে পশ্চাৎপদ রেখে কোনো দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিগত কয়েক দশকে বাংলাদেশের বিস্ময়কর অর্থনৈতিক উত্থানের পেছনে নারীর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অবদান বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নারীর বহুমুখী অবদান:
- তৈরি পোশাক শিল্প (RMG Sector): বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানিমুখী খাত তৈরি পোশাক শিল্পের মূল চালিকাশক্তি হলেন নারী শ্রমিক। বর্তমানে এই খাতে কর্মরত প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিকের মধ্যে ৬০ শতাংশের বেশি নারী। তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে।
- কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি: গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীর অবদান অনস্বীকার্য। বীজ সংরক্ষণ, ফসল মাড়াই, শুকানো, প্রক্রিয়াজাতকরণ, পারিবারিক হাঁস-মুরগি ও গবাদিপশু পালন, শাকসবজি চাষ এবং মাছ চাষে নারীরা নিরবচ্ছিন্ন ভূমিকা পালন করছেন। তাঁদের এই শ্রম জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তায় প্রত্যক্ষ অবদান রাখছে।
- ক্ষুদ্রঋণ ও তৃণমূল উদ্যোক্তা সৃষ্টি: গ্রামীণ ব্যাংক, ব্র্যাকসহ বিভিন্ন এনজিও এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদ্রঋণ গ্রহণ করে গ্রামীণ নারীরা সেলাই, হস্তশিল্প, কুটির শিল্প, নকশিকাঁথা ও দোকান পরিচালনার মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছেন এবং গ্রামীণ দারিদ্র্য বিমোচনে বিপ্লব ঘটিয়েছেন।
- রেমিট্যান্স ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান: মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গৃহকর্মী, নার্স ও পেশাজীবী হিসেবে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি নারী অভিবাসী হিসেবে কাজ করছেন এবং প্রতি বছর কষ্টার্জিত মূল্যবান রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করছেন।
- শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা খাত: প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় নারীর অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য। স্বাস্থ্য খাতে কমিউনিটি হেলথ ওয়ার্কার, নার্স ও নারী চিকিৎসকদের নিবেদিতপ্রাণ সেবার ফলে বাংলাদেশে মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর হার লক্ষণীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে, যা মানবসম্পদ উন্নয়নের অন্যতম মাপকাঠি।
- করপোরেট, ব্যাংকিং ও তথ্যপ্রযুক্তি খাত: আধুনিক শহুরে নারীরা কেবল সনাতন পেশায় সীমাবদ্ধ নন; তাঁরা এখন ব্যাংক কর্মকর্তা, কর্পোরেট নির্বাহী, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, বিচারক, পুলিশ এবং উদ্যমী আইটি ফ্রিল্যান্সার হিসেবে উচ্চপর্যায়ে জাতীয় প্রবৃদ্ধিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
উপসংহার: নারীর এই অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন কেবল পারিবারিক সচ্ছলতাই আনেনি, বরং বাল্যবিয়ে হ্রাস ও সামাজিক গতিশীলতা বৃদ্ধিতে নেতৃত্ব দিয়েছে। নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারলে জাতীয় অর্থনীতিতে নারীর অবদান আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
مجموعة (ب) [খ বিভাগ] – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
اجب عن اربعة من الاسئلة التالية باختضار [সংক্ষেপে নিচের যে কোনো চারটি প্রশ্নের উত্তর দাও।]
الدرجات : ٥ × ٤ = ٢٠ [মান— ৫ × ৪ = ২০]
৭। اكتب الحدود الجغرافية لدولة بنغلاديش –
[বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ভৌগোলিক সীমারেখা লেখ।] মান: ৫
উত্তর:
বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমারেখা:
বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র। ভৌগোলিকভাবে এটি ২০°৩৪’ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৬°৩৮’ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১’ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২°৪১’ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত।
চারপাশের সীমান্ত রেখা:
- উত্তরে: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় রাজ্য।
- দক্ষিণে: সুবিশাল বঙ্গোপসাগর (Bay of Bengal)।
- পূর্বে: ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম রাজ্য এবং মিয়ানমার রাষ্ট্র (দক্ষিণ-পূর্বে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য ও নাফ নদী)।
- পশ্চিমে: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য।
বাংলাদেশের মোট সীমারেখা ৪,২৪৬ কিলোমিটার (স্থলসীমান্ত ৪,১৫৬ কিমি এবং জলসীমান্ত ৯০ কিমি)। মোট আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার (বা ৫৬,৯৭৭ বর্গমাইল)।
৮। بين القبائل والسكان الأصليين في بنغلاديش –
[বাংলাদেশের উপজাতি ও আদিবাসী সম্পর্কে বর্ণনা দাও।] মান: ৫
উত্তর:
উপজাতি ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পরিচয়:
বাংলাদেশের বৃহত্তর বাঙালি জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি প্রায় ৫০টিরও বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বা আদিবাসী সম্প্রদায় যুগ যুগ ধরে নিজস্ব সংস্কৃতি, ভাষা ও ঐতিহ্য নিয়ে বসবাস করে আসছে। দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১ শতাংশ হলো এই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
প্রধান প্রধান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও তাদের বাসস্থান:
- পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগোষ্ঠী: রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে চাকমা (সংখ্যাগরিষ্ঠ), মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, বম, ম্রো, পাংখোয়া, খিয়াং ও লুসাই বসবাস করে। এদের প্রধান ধর্ম বৌদ্ধ ও হিন্দু।
- সমতলভূমির জনগোষ্ঠী: ময়মনসিংহ ও শেরপুর অঞ্চলে গারো ও হাজং; সিলেট অঞ্চলে খাসিয়া ও মণিপুরি; রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চলে সাঁওতাল, ওঁরাও ও মুণ্ডা; এবং কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে রাখাইন সম্প্রদায় বাস করে।
- সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য: এদের ভাষা, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, বৈসাবি ও ওয়ানগালার মতো সামাজিক উৎসব এবং গারো ও খাসিয়াদের মাতৃতান্ত্রিক পারিবারিক কাঠামো বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ করেছে।
৯। اذكر بعض الخطوات المتوقعة لمقاومة الفساد الإداري في بنغلاديش –
[বাংলাদেশের প্রশাসনিক দুর্নীতি দমনের সম্ভাব্য কয়েকটি পদক্ষেপ আলোচনা কর।] মান: ৫
উত্তর:
প্রশাসনিক দুর্নীতি দমনে সম্ভাব্য কার্যকর পদক্ষেপসমূহ:
- স্বতন্ত্র ও শক্তিশালী দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক): দুদককে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত, স্বাধীন ও শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া এবং দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।
- প্রশাসনিক ডিজিটাইজেশন ও ই-গভর্ন্যান্স: সরকারি সব ধরনের ক্রয় (e-GP), টেন্ডার, লাইসেন্স প্রদান, ভূমি রেজিস্ট্রেশন ও নাগরিক সেবাকে অটোমেশনের আওতায় এনে কর্মকর্তাদের সরাসরি নগদ লেনদেন বন্ধ করা।
- আইনের কঠোর শাসন ও জবাবদিহিতা: পদমর্যাদা নির্বিশেষে সকল স্তরের সরকারি কর্মচারীর জন্য স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বার্ষিক সম্পদের হিসাব দাখিল ও প্রকাশ্যে যাচাই বাধ্যতামূলক করা।
- তথ্য অধিকার আইনের কার্যকর প্রয়োগ: সরকারি দপ্তরসমূহের যাবতীয় সিদ্ধান্ত ও ব্যয়ের তথ্য জনগণের জন্য উন্মুক্ত রাখা।
- হুইসেলব্লোয়ার বা তথ্যদাতার সুরক্ষা: দুর্নীতি ফাঁসকারী কর্মকর্তা ও নাগরিকদের আইনি ও শারীরিক সুরক্ষা প্রদান।
- নৈতিক ও ইসলামি মূল্যবোধের চর্চা: আমলা ও কর্মচারীদের মাঝে পরকালীন জবাবদিহিতা ও সততার প্রশিক্ষণ দেওয়া।
১০। عرف بعض الانهار المشهورة في بنغلاديش –
[বাংলাদেশের কয়েকটি প্রসিদ্ধ নদীর পরিচয় দাও।] মান: ৫
উত্তর:
বাংলাদেশের প্রসিদ্ধ নদীসমূহের সংক্ষিপ্ত পরিচয়:
বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়। এখানে প্রায় সাত শতাধিক নদ-নদী জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে। নিম্নে প্রধান কয়েকটি নদীর পরিচয় দেওয়া হলো:
- পদ্মা নদী: হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন গঙ্গা নদী চাঁপাইনবাবগঞ্জ দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ‘পদ্মা’ নাম ধারণ করেছে। গোয়ালন্দে এটি যমুনার সাথে এবং চাঁদপুরে মেঘনার সাথে মিলিত হয়েছে। এর ওপর বাংলাদেশের গর্ব ‘পদ্মা সেতু’ নির্মিত হয়েছে।
- মেঘনা নদী: আসামের বরাক নদী থেকে সুরমা ও কুশিয়ারা হয়ে ভৈরব বাজারের কাছে মেঘনা নাম ধারণ করেছে। এটি দেশের গভীরতম ও প্রশস্ততম নদী, যা চাঁদপুরের পর সরাসরি বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- যমুনা নদী: তিব্বতের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন ব্রহ্মপুত্র নদ ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পের পর তার মূল ধারা পরিবর্তন করে ‘যমুনা’ নামে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতু এর ওপর নির্মিত।
- কর্ণফুলী নদী: মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। এর মোহনায় দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দর অবস্থিত এবং এর ওপর কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপিত।
১১। اكتب فقرة حول “انقلاب يوليو ٢٠٢৪م” –
[‘জুলাই বিপ্লব ২০২৪’ সম্পর্কে একটি অনুচ্ছেদ লেখ।] মান: ৫
উত্তর:
জুলাই বিপ্লব ২০২৪ (July Revolution 2024):
‘জুলাই বিপ্লব ২০২৪’ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক গণজাগরণ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব বিজয়গাথা। ২০২৪ সালের জুলাই মাসের শুরুতে সরকারি চাকরিতে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ ও বৈষম্যমূলক কোটা সংস্কারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ শুরু হয়। তৎকালীন সরকার আন্দোলনরত নিরস্ত্র শিক্ষার্থীদের ওপর বর্বরোচিত পুলিশি আক্রমণ ও দমনপীড়ন চালালে আবু সাঈদ, মীর মুগ্ধসহ শত শত ছাত্র-জনতা আত্মাহুতি দেন। এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ সংস্কার আন্দোলন একদফা সরকার পতনের গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। ছাত্র, শিক্ষক, অভিভাবক, আলেম সমাজ ও সর্বস্তরের মেহনতি জনতার একাত্মতায় আগস্টের ৫ তারিখ স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটে এবং রাষ্ট্র পুনর্গঠন ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। এই বিপ্লব প্রমাণ করেছে—অন্যায়, নিপীড়ন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ তরুণ সমাজই জাতীয় মুক্তির মূল চালিকাশক্তি।
১২। اكتب الحقوق الأساسية المذكورة في دستور بنغلاديش –
[বাংলাদেশের সংবিধানে উল্লিখিত মৌলিক অধিকারসমূহ লেখ।] মান: ৫
উত্তর:
সংবিধানে উল্লিখিত মৌলিক অধিকারসমূহ:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে (অনুচ্ছেদ ২৬ থেকে ৪৭ক) নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। সংবিধানে বলা হয়েছে, মৌলিক অধিকারের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ যেকোনো আইন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে (অনুচ্ছেদ ২৬)।
প্রধান প্রধান মৌলিক অধিকারসমূহ:
- আইনের দৃষ্টিতে সমতা (অনুচ্ছেদ ২৭): সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
- ধর্ম ইত্যাদির কারণে বৈষম্য নিষিদ্ধ (অনুচ্ছেদ ২৮): ধর্ম, বর্ণ, জাতি বা লিঙ্গভেদে কোনো নাগরিকের সাথে বৈষম্য করা যাবে না।
- জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার (অনুচ্ছেদ ৩২): আইনানুযায়ী ব্যতীত কোনো ব্যক্তির জীবন বা ব্যক্তি স্বাধীনতা হরণ করা যাবে না।
- গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কে রক্ষা-কবচ (অনুচ্ছেদ ৩৩): গ্রেফতারের কারণ না জানিয়ে আটক রাখা যাবে না এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করতে হবে।
- চলাফেরার ও সমাবেশের স্বাধীনতা (অনুচ্ছেদ ৩৬ ও ৩৭): দেশের সর্বত্র স্বাধীনভাবে চলাফেরা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার।
- চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতা (অনুচ্ছেদ ৩৯): প্রতিটি নাগরিকের চিন্তা, বিবেক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা।
- ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্পত্তির অধিকার (অনুচ্ছেদ ৪১ ও ৪২): নিজ ধর্ম পালন, প্রচার এবং আইনসম্মতভাবে সম্পত্তি অর্জন ও রক্ষার অধিকার।
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন ১: ফাযিল ১ম বর্ষের বাংলাদেশ স্টাডিজ পরীক্ষার বিষয় কোড কত?
উত্তর: বাংলাদেশ স্টাডিজ বিষয়ের অফিসিয়াল বিষয় কোড হলো ২০১১০৭ (201107)।
প্রশ্ন ২: এই প্রশ্নপত্রে কি বাংলা ও আরবি উভয় ভাষায় প্রশ্ন উল্লিখিত ছিল?
উত্তর: হ্যাঁ, ফাযিল অনার্স আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের বাংলাদেশ স্টাডিজ প্রশ্নপত্রে প্রতিটি প্রশ্ন আরবি এবং বাংলা উভয় মাধ্যমে লিপিবদ্ধ থাকে।
প্রশ্ন ৩: ২০২৪ সালের পরীক্ষায় জুলাই বিপ্লব সংক্রান্ত প্রশ্নটি কোন বিভাগে ছিল?
উত্তর: ‘জুলাই বিপ্লব ২০২৪’ সংক্রান্ত প্রশ্নটি খ বিভাগের ১১ নম্বর প্রশ্ন হিসেবে সংক্ষিপ্ত অনুচ্ছেদ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিল।
প্রশ্ন ৪: ছাদ কৃষির সবচেয়ে বড় পরিবেশগত সুবিধা কী?
উত্তর: ছাদ কৃষি শহরের তাপমাত্রা ৩-৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমাতে সাহায্য করে, বায়ুর কার্বন শোষণ করে এবং নগরবাসীকে নিরাপদ ও বিষমুক্ত তাজা খাদ্য সরবরাহ করে।
প্রশ্ন ৫: বাংলাদেশের সংবিধানে মৌলিক অধিকার কত নম্বর অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে?
উত্তর: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ থেকে ৪৭(ক) অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকারসমূহ সুস্পষ্টভাবে বিধিবদ্ধ করা হয়েছে।
প্রশ্ন ৬: এই প্রশ্ন সমাধানের বিশেষত্ব কী?
উত্তর: এই প্রশ্নোত্তরে ২০২৪ সালের অফিশিয়াল প্রশ্নপত্রের প্রতিটি আরবি ইবারত ও বাংলা প্রশ্ন হুবহু সংরক্ষণ করে শতভাগ পূর্ণাঙ্গ ও সমৃদ্ধ উত্তর প্রদান করা হয়েছে।